Dhaka Life Care Hospital

Dhaka Life Care Hospital মানসিক ও মাদকাসক্ত রোগীদের অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র।

আমরা এই সেবাদান কেন্দ্রটি চালু করেছি এক মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রত্যেক সমাজ ও দেশের অন্যতম চালিকা শক্তি হচ্ছে, তরুন ও যুব সমাজ। অথচ আমাদের সমাজের তরুন ও যুবকরা আজ মাদক নামক ভয়ানক শত্রুর শিকার। এই মাদক শুধু সেবনকারীকেই ধ্বংস করে না, ধ্বংস করে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সমগ্র পরিবারকে। জন্ম দেয় ভয়ঙ্কর সব অপরাধের। নেশার টাকার জন্য নানারকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে মাদকাসক্ত ব্যক্তি, হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর অপরাধী, আর সাধারণ মানুষ হয় অপরাধের শিকার।

দেশে কোন ভাবেই মাদকসেবীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছেনা বরং তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে মাদকসেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে প্রয়োজন যথাযথ চিকিৎসা ও পারিবারিক সহযোগিতা। যদি উন্নত সেবা, যথাযথ চিকিৎসা এবং উপযুক্ত পরিবেশ দেয়া যায় তবে বেশীরভাগ মাদকাসেবীই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এইসব সেবা নিশ্চিত করতেই আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি “ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটাল ” যেখানে উন্নত সেবা ও যথাযথ চিকিৎসার শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে। রোগীদের জন্য আছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং অভিজ্ঞ পরামর্শক বা কাউন্সিলর, মনোরম পরিবেশ, উন্নত খাবার। এছাড়া হসপিটালের রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী রয়েছে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, ওয়ার্ড সেমি-কেবিন ও কেবিনের সুবিধা। যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সার্বক্ষনিক নার্স, রোগীদের বিনোদনের জন্য টেলিভিশনসহ ইনডোর গেমসের সুবিধা।

06/01/2019

হিস্টিরিয়া রোগের কিছু ঘরোয়া প্রতিকার

✳️ যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তাদের ডেইলি ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে। তিনবেলা খাবারেই আপেল, আঙুর, কমলা, আনারস, পেঁপে ইত্যাদি ফল রাখুন।

✳️ টানা এক মাসের জন্য প্রচুর পরিমাণে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খান।

✳️ একমাস সকালে খালি পেটে এক কাপ লেটুসপাতার রস ও এক চা চামচ আমলকির রস খান।

✳️ যাদের হিস্টিরিয়া রয়েছে তারা প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে মধু খান।

✳️ প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম ও ব্যায়াম হিস্টিরিয়া সারিয়ে তুলতে সহায়ক।

✳️ লাউ পাতলা পাতলা করে কেটে হিস্টিরিয়া আক্রান্ত ব্যক্তির কপালে রেখে দিন। এটি খুব ভালো ট্রিটমেন্ট।

05/01/2019

হিস্টিরিয়া ও মৃগী রোগের লক্ষণগুলো প্রায় এক রকম হলেও রোগ দুইটির মধ্যে কিছুটা পার্থক্য আছে। নীচের উপসর্গ গুলো থেকে এই দুই রোগকে তফাৎ করা যেতে পারে।

✅✅ হিস্টিরিয়াতে সব সময়ই একটা মানসিক চাপ থাকে, মৃগী রোগে সেটা প্রায় থাকে না।

✅✅ হিস্টিরিয়া মেয়েদেরই বেশী হয়। মৃগী রোগ মেয়ে ও ছেলে দের মধ্যে সমান সংখ্যায় হয়।

✅✅ হিস্টিরিয়াতে রোগী একেবারে অজ্ঞান নাও হতে পারে।রোগী অনেক সময় কথার উত্তর দেয়, চোখ পিট পিট করে। জ্ঞান ফেরার পর তারা মনে করতে পারে কি হয়েছিল। আর মৃগী রোগের ফিটের সময় রোগি কোনো কথার উত্তর দেয় না, জ্ঞান ফেরার পর কিছুই মনে করতে পারে না।

✅✅ হিস্টিরিয়ার ফিটে রোগির গায়ে কোনো আঘাত বা চোট লাগে না। মৃগী রোগি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়ে শরীরে বা মাথায় আঘাত লাগতে পারে। ফিটের সময় নিজের দাঁতের কামড়ে জিব কেটে যেতে পারে। শ্বাস নালিতে খাবার ঢুকে শ্বাসরোধ হতে পারে। এগুলোর কোনোটাই হিস্টিরিয়াতে হয় না।

✅✅ হিস্টিরিয়াতে জ্ঞান ফেরার পর রোগী তাড়াতাড়ি সজাগ হয়ে যায়। তারপর দুর্বল বোধ করে। কিন্তু ঘুমিয়ে পড়ে না। আর মৃগী রোগির ফিট হয়ে যাওয়ার পর অনেকেই ঘুমিয়ে পড়ে কিছুক্ষনের জন্য। যদি জাগানোর চেস্টা করা হয় তবে তারা সজাগ থাকে না। আশে পাশে কি হচ্ছে বুঝতে পারে না, লোকজনকে চিনতে পারে না, এবং অসংলগ্ন ব্যবহার করে।

✅✅ হিস্টিরিয়া ফিটের সময় বা পরে পরিক্ষা করে নার্ভের অস্বাভাবিক কোনো সাইন পাওয়া যায় না। মৃগী রোগির স্নায়ুর পরিক্ষায় বিশেষ কিছু সাইন পাওয়া যায়, তার থেকে বোঝা যায় যে এটা একটা স্নায়ুর রোগ।

✅✅ এছাড়া ইইজি (EEG, Electroencephalography) করলে মৃগী রোগির নানা অস্বাভাবিক রেজাল্ট পাওয়া যায়। কিন্তু হিস্টিরিয়াতে তা পাওয়া যায় না।

এই দুই রোগের আলাদা করা বিশেষ দরকার কারন চিকিৎসাও একদম বিভিন্ন। হিস্টিরিয়ার জন্য মানসিক ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, আর মৃগী রোগের জন্য নিউরোলজিস্ট বা স্নায়ু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।

হিস্টিরিয়া রোগীর অবচেতন মনের দ্বন্ধ দূর করতে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সাইকোথেরাপি ও গ্রুপ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। হিস্টিরিয়া রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের হিস্টিরিয়া বা কনভার্সন ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের এই সমস্যা ব...
03/01/2019

ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের হিস্টিরিয়া বা কনভার্সন ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের এই সমস্যা বেশি হয়। হিস্টিরিয়ার সঙ্গে বিষণ্নতা, উৎকণ্ঠা, ব্যক্তিত্বের বিকার প্রভৃতি মানসিক রোগ থাকতে পারে। নারীর ক্ষেত্রে সামাজিক বিধিনিষেধ বেশি। বিধিনিষেধের কারনে নারী তার কামনা-বাসনাগুলোকে অবদমিত করে রাখে। অবদমিত সহজাত কামনার সঙ্গে সামাজিক আচারের সংঘাত ঘটে। সৃষ্টি হয় সহ্যাতীত উত্কণ্ঠা ও মানসিক চাপ। কোনো কারণে মানসিক ক্রিয়াশক্তি দুর্বল হয়ে গেলে সেই অবাঞ্ছিত অবদমিত কামনাগুলো সজ্ঞান চেতনায় উঠে আসতে চায়। শুরু হয় দ্বন্দ্ব, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে নানা শারীরিক লক্ষণে।

ফকির, কবিরাজ, ওঝা দিয়ে এদের অপচিকিৎসা করা হয় বলে প্রতিদিন কু-চিকিৎসা ও অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছে হাজার হাজার নারী। রোগীর মধ্যে লক্ষণ যতই তীব্র আকার ধারণ করুক না কেন তা নিয়ে ভয় পাবার কিছু নেই। হিস্টেরিক্যাল উপসর্গগুলো- রোগীকে বারবার আশ্বস্তকরণ,পরামর্শ এবং অভিভাব্যতা ইত্যাদি দিয়ে দূর করা। যেসকল শারীরিক ও মানসিক চাপজনিত পরিস্থিতিতে উপসর্গগুলো বাড়ে, সেগুলোকে আস্তে আস্তে বশে আনতে হবে।

প্রয়োজন হলে হিস্টিরিয়া রোগীর অবচেতন মনের দ্বন্ধ দূর করতে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সাইকোথেরাপি ও গ্রুপ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। হিস্টিরিয়া রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

কথায় বলে “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম”। আমাদের চারপাশেই হয়ত অনেক ব্যক্তি আছেন যারা কনভার্সন ডিজঅর্ডার বা হিস্টিরিয়ায় ...
02/01/2019

কথায় বলে “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম”। আমাদের চারপাশেই হয়ত অনেক ব্যক্তি আছেন যারা কনভার্সন ডিজঅর্ডার বা হিস্টিরিয়ায় ভুগছেন। হিস্টিরিয়ার প্রতিকার অবশ্যই আছে এবং তা অত্যন্ত কার্যকর। তবে হিস্টিরিয়ার কারণগুলো আগে থেকেই জানা থাকলে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সহজ হবে। জেনে নিন হিস্টরিয়া কেন হয়ঃ

✳️ মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস এবং মেন্টাল স্ট্রেইন
✳️ যৌন নিপীড়ন
✳️ পরিবারের কারও থেকে থাকলে
✳️ নার্ভাসনেস
✳️ ভয় এবং দুশ্চিন্তা
✳️ ডিপ্রেশন
✳️ হস্তমৈথুন
✳️ দীর্ঘকালীন অসুস্থতা
✳️ ব্রেন টিউমার
✳️ স্মৃতিভ্রংশতা বা ডিমেনশিয়া ইত্যাদি

সতর্ক থাকুন হিস্টিরিয়ার কারণগুলো সম্পর্কে যাতে চরম মাত্রায় পৌঁছানোর আগেই প্রতিকার করা যায়। প্রয়োজন হলে হিস্টিরিয়া রোগীর অবচেতন মনের দ্বন্ধ দূর করতে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সাইকোথেরাপি ও গ্রুপ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। হিস্টিরিয়া রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

শরীর অসুস্থ হওয়ার পাশাপাশি মনও অসুস্থ হতে পারে- এই ধারনায় আস্তে আস্তে মানুষ বিশ্বাস করছে। মূলত এর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে মা...
01/01/2019

শরীর অসুস্থ হওয়ার পাশাপাশি মনও অসুস্থ হতে পারে- এই ধারনায় আস্তে আস্তে মানুষ বিশ্বাস করছে। মূলত এর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক রোগের চিকিৎসার উন্নতির জন্য। এই সচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমরা মানসিক রোগগুলোর কারণ এবং লক্ষণগুলোর সাথে যত দ্রুত পরিচিত হব, তত তাড়াতাড়ি আমরা এই রোগগুলো সম্পূর্ণরুপে প্রতিকার করতে সক্ষম হব। চলুন জেনে নিই বর্তমানে বহুল আলোচিত একটি মানসিক রোগ হিস্টিরিয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে।

একটু খেয়াল করলে দেখবেন আপনার পাশেই হয়ত এমন মানুষ আছেন যারা সবসময় সুস্থ-স্বাভাবিক থাকেন কিন্তু আচমকা অসুস্থবোধ করেন, বারবার খিঁচুনি হতে হতে অজ্ঞান হয়ে যান, মাথা ও ঘাড়ের কাছে থাকা শিরা ফুলে যায়, অনেক সময় দেখা যায় কখনো উত্তেজনায় হাত-পা ছুঁড়ছেন, কাঁপতে কাঁপতে, ঝাঁকুনি দিয়ে চলাফেরা করছেন। মূলত এগুলই হিস্টিরিয়া রোগের লক্ষণ। হিস্টিরিয়ায় আক্রান্তরা আসলে কেউ অসুস্থ নয়, তারা সবাই স্বাভাবিক মানুষ। যেকোনো মানসিক চাপের কারণে এটা হয় আর লক্ষণগুলো মানসিক অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ।

হিস্টিরিয়া বা কনভার্সন ডিজঅর্ডার চরম মাত্রায় পৌঁছালে রোগী দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন, হাত-পা অসাড় হয়ে প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারেন, কথা বলার ক্ষমতা থাকে না, ঘন ঘন নিঃশ্বাস পড়তে থাকে এবং অনেক সময় রোগীর শ্বাসকষ্ট হয়।
তবে হিস্টিরিয়ায় খুব বেশি ভয় পাবার কারণ নেই। এই রোগ যেহেতু বাস্তবতার সাথে ভারসাম্যহীনতা ও শরীরের কিছু হরমোন ও নিউরিটিক পরিবর্তনের ফলে হয়ে থাকে সেহেতু সঠিক সময়ে অত্যাধুনিক চিকিৎসায় এ রোগ পুরোপুরি ভাল হয়।

হিস্টিরিয়া রোগীর অবচেতন মনের দ্বন্ধ দূর করতে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সাইকোথেরাপি ও গ্রুপ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। হিস্টিরিয়া রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ কাউন্সেলর রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

তীব্র অ্যাংজাইটি থেকে সৃষ্টি হওয়া মানসিক রোগের নাম হিস্টিরিয়া। সাধারণভাবে নিয়ন্ত্রণহীন আবেগের আধিক্যকে বিশেষজ্ঞরা হিস্টি...
31/12/2018

তীব্র অ্যাংজাইটি থেকে সৃষ্টি হওয়া মানসিক রোগের নাম হিস্টিরিয়া। সাধারণভাবে নিয়ন্ত্রণহীন আবেগের আধিক্যকে বিশেষজ্ঞরা হিস্টিরিয়া বলে থাকেন।

✅✅ কনভারসন ডিজঅর্ডার শব্দটি কি পরিচিত লাগছে? মূলত এটিই হিস্টিরিয়া। মানসিক এই রোগটির সাথে কোনো না কোনো ধরনের চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপার সম্পর্কিত। এই চাওয়া-পাওয়াগুলোর সঙ্গে যে বাস্তবের সম্পর্ক থাকতে হবে এমন কোনো কথা নেই, কাল্পনিকও হতে পারে। এই চাওয়া পাওয়াগুলো বাস্তবিক বা কাল্পনিক যাই হোক না কেন ভুক্তভোগী কিন্তু সত্যিকার অর্থে নিজেই বুঝতে পারে না তার সমস্যাটি কী।

✅✅ হিস্টিরিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি তার কাজ এবং আবেগ উপর নিয়ন্ত্রণ হারায়। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেশি। সাধারণত ভয়, দুশ্চিন্তা, হতাশা, মানসিক চাপ, মানসিক আঘাত, দীর্ঘদিন যাবৎ অসুখে ভোগা, মৃত্যুশোক বা প্রেমে প্রত্যাখ্যান থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।

✅✅ হিস্টিরিয়া রোগকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিলেও অহেতুক বাড়াবাড়ি করা যাবে না। অসুস্থ ব্যক্তির চারপাশে ভিড় করা, হাত-পায়ে তেল মালিশ করা, কোন কারণ ছাড়াই মাথায় বালতি বালতি পানি ঢালা চলবে না। ভুলেও কখনো ফকির, কবিরাজ, ওঝা দিয়ে চিকিৎসার কথা চিন্তা করবেন না। মনে রাখবেন এ ধরনের সমস্যায় আতঙ্ক যেন ছড়িয়ে না পড়ে। কোনো ধরনের ওষুধে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত কাউন্সেলিং।

✅✅ হিস্টিরিয়া রোগীর অবচেতন মনের দ্বন্ধ দূর করতে কাউন্সেলিং, পারিবারিক সাইকোথেরাপি ও গ্রুপ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা দিতে হবে। হিস্টিরিয়া রোগীদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ কাউন্সেলর রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

সবাইকে জানাই নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন বছরটি আনন্দে, শান্তিতে ভরে উঠুক-এই প্রত্যাশায়।
30/12/2018

সবাইকে জানাই নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। নতুন বছরটি আনন্দে, শান্তিতে ভরে উঠুক-এই প্রত্যাশায়।

মানসিক রোগের মধ্যে ব্যক্তিকে অক্ষম করে তোলা রোগের মধ্যে সিজোফ্রেনিয়া অন্যতম। সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণগুলোর সাথে আমরা এখনো...
29/12/2018

মানসিক রোগের মধ্যে ব্যক্তিকে অক্ষম করে তোলা রোগের মধ্যে সিজোফ্রেনিয়া অন্যতম। সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণগুলোর সাথে আমরা এখনো তেমন পরিচিত নই, আর তাই সিজোফ্রেনিয়ার রোগীদের পাগল বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য, অবজ্ঞা, অপমান করাসহ চিকিৎসাবঞ্চিত রাখা হয়। কোনো পরিবারে একজন মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি থাকলে সেই পরিবার যেন হয়ে ওঠে ‘কলঙ্কিত’ পরিবার। পরিবারের কেউ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা করানোর আগে সমস্যা লুকোতেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন অন্যান্যরা। অনেক সময় দেখা যায় সুচিকিৎসার বদলে ওঝা বা কবিরাজের কাছে যান যার ফল হয় উল্টো।

তাই সিজোফ্রেনিয়া সম্পর্কে জানুন, সিজোফ্রেনিয়া কেন হয় এবং লক্ষণ কি তা বুঝুন এবং সিজোফ্রেনিয়ার সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।

✅✅ মনে রাখবেন, সিজোফ্রেনিয়া একটি রোগ। আপনার পরিবারে তেমন কেউ থাকলে এর জন্য লজ্জিত বা অস্বস্তি বোধ করার কারণ নেই। তাই আপনার পরিবারের কেউ অস্বাভাবিক আচরণ করলে তাকে ঘরে আটকে না রেখে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন।

✅✅ মানসিক রোগী বা সিজফ্রেনিকদের জন্য অত্যাধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল। এখানে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ কাউন্সেলর রয়েছেন যারা মানসিকভাবে অসুস্থদের পরিপূর্ণ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ

✅✅ সিজোফ্রেনিয়ার জন্য নিজেকে বা পরিবারের সদস্যকে অপরাধী ভাববেন না। এটি কারও ভুলের জন্য নয় বরং এটি ব্যক্তির মানসিক সমস্যার ফল। শরীরের অন্যান্য রোগের মতই একেও স্বাভাবিকভাবে মেনে নিন।

✅✅ সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণগুলো জানুন। পুনরায় আক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ হলো আগে ধরতে পারলে পুনরায় আক্রমণ ঠেকাতে পারবেন। যেমন, ঘুমের ধরনে পরিবর্তন, অস্বাভাবিক আচরণ, সামাজিকভাবে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া ইত্যাদি।

✅✅ সিজফ্রেনিক রোগীকে বুঝতে দিন তিনি একাই এই রোগ মোকাবিলা করছেন না বরং আপনারাও তাঁর পাশে রয়েছেন। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন, গল্প করুন, ছোটখাটো বিষয়গুলো শেয়ার করুন, উৎফুল্ল রাখার চেষ্টা করুন যাতে রোগী কখনোই নিজেকে একা মনে না করে।

✅✅ রোগীর সামনে প্রকাশ্যে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা প্রকাশ করবেন না। আবার সরাসরি ও নির্দয় সমালোচনাও করবেন না। নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারলে প্রশংসা করুন। মনে রাখবেন, এঁদের যত্ন নেওয়া আবেগগতভাবে ও শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর। নিজের জন্য সময় নিন।

জ্বীনে ধরা/ভূতে ধরা কথাটি আদৌ কতটুকু সত্যি? সত্যিই কি কাউকে জ্বীনে/ভূতে ধরে? আসলেই কি গায়েবি আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়? একজন...
27/12/2018

জ্বীনে ধরা/ভূতে ধরা কথাটি আদৌ কতটুকু সত্যি? সত্যিই কি কাউকে জ্বীনে/ভূতে ধরে? আসলেই কি গায়েবি আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়? একজন ব্যক্তি কেনই বা সবসময় মনে করে কেউ তাকে অনুসরণ করছে, ষড়যন্ত্র করছে বা মেরে ফেলার চেষ্টা করছে? এই ধরনের উপসর্গের পেছনে আসল কারণ কি?

মূলত এই ধরনের লক্ষণ বা উপসর্গকে বিশেষজ্ঞরা সিজোফ্রেনিয়া নামে চিহ্নিত করে থাকেন। সাইকিয়াট্রিস্টের ভাষায়-

“সিজোফ্রেনিয়া রোগের বড় লক্ষণ হলো কানে গায়েবি কথা শুনতে পাওয়া যাকে আমরা বলি হ্যালুসিনেশন। হ্যালুসিনেশন হলো যে জিনিসের উপস্থিতি নেই, একেবারে অনুপস্থিত এটিকে অনুভব করা। এটা যে কেবল কানে তা নয়। চোখেও হতে পারে, শরীরে কেউ স্পর্শ করছে এমন মনে হতে পারে। এমনকি গন্ধ স্বাদ যেকোনো বিষয়ে এটি হতে পারে। যেই জিনিস একেবারে অনুপস্থিত একে সে অনুভব করে। যিনি অনুভব করেন এটি, সে কিন্তু সত্যি মনে করেন আমার সামনে কেউ বসা। হয়তো অন্য কেউ দেখছে তার এটি নেই। এই যে কথা বলতে বলছে, এ ক্ষেত্রে প্রথমে কেউ বসা সে সেটি দেখছে, তার সঙ্গে আলাপচারিতা করে। এই জন্য আমরা অনেক সময় দেখি বিড়বিড় করে কথা বলে, সে এটা বলে তিনি কিন্তু সত্যি মনে করে বিষয়টিকে। এ ধরনের বিশ্বাস খুব সহজে ভাঙা যায় না। শিক্ষাগত অবস্থান, পারিবারিক অবস্থান এমনকি ধর্মীয় অবস্থান থেকে এটি ব্যাখ্যা করা যায় না।

অনেক ক্ষেত্রেই রোগীর ভ্রান্ত বিশ্বাস বা ভ্রান্ত ধারণা থাকে। হঠাৎ করে সে মনে করতে পারে, লোকজন আমাকে অনুসরণ করছে। লোকজন আমার কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করছে। আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে। আবার আমাকে কোনো যন্ত্র দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করছে। এ রকমভাবে ডিল্যুশন নিয়ে আসতে পারে”

সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি বেশিরভাগ সময় খুবই আগ্রাসী হয়ে যেতে পারে। সে মারধর করতে পারে অথবা আত্মঘাতীও হতে পারে।

সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রয়োজন সুচিকিৎসা এবং উপযুক্ত কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা। সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দিতে ঢাকা লাইফ কেয়ার নিয়েছে শক্তিশালী উদ্যোগ। মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের সমাজ থেকে দূরে সরিয়ে না দিয়ে পরিপূর্ণ চিকিৎসার মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। যথাযথ চিকিৎসা, কাউন্সিলিং আর উপযুক্ত পরিবেশ মাদকাসক্তি পুরোপুরি নিরাময় করতে পারে। আর এই সেবা নিশ্চিত করতেই ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটাল দিচ্ছে আমাদের আছে উন্নত চিকিৎসা আর যথাযথ কাউন্সিলিংয়ের শতভাগ নিশ্চয়তা। মানসিকভাবে অসুস্থদের জন্য আছে জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং কাউন্সিলর, চমৎকার পরিবেশ, বন্ধুত্বপূর্ণ স্টাফ এবং সার্বক্ষণিক নার্সিং ব্যবস্থা যা দেবে নতুনভাবে বাঁচার প্রেরণা, দেখাবে স্বপ্ন আর নিশ্চিত করবে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।

আপনার বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের যদি কেউ মানসিকভাবে অসুস্থ থাকে তাহলে চিন্তা না করে আজ-ই চলে আসুন ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটালে। আমাদের ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ। আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে।

মানসিক রোগের মধ্যে একটি বিরল অসুখের নাম সিজোফ্রেনিয়া। রোগটি একইসাথে মারাত্মক এবং প্রাণনাশক। সিজোফ্রেনিয়া যে ব্যক্তির হয়,...
26/12/2018

মানসিক রোগের মধ্যে একটি বিরল অসুখের নাম সিজোফ্রেনিয়া। রোগটি একইসাথে মারাত্মক এবং প্রাণনাশক। সিজোফ্রেনিয়া যে ব্যক্তির হয়, তার জীবন হয়ে ওঠে ভোগান্তির। রোগী হারায় তার ব্যক্তিত্ব, হারায় পরিবার-পরিজনের সাথে সম্পর্কের বন্ধন। এর সাথে হয়ে ওঠে অস্থির ও দ্বিধাগ্রস্ত। বাস্তব থেকে সে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, একটানা হতাশার মধ্যে কাটানোর পরিণতি হিসেবে বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ।

গুরুতর এই মানসিক সমস্যার বর্তমান সমাধান সাইকিয়াট্রিস্টের সাহায্য এবং নিয়মিত কাউন্সেলিং। পরিপূর্ণ চিকিৎসা পেলে সিজোফ্রেনিয়ার রোগী এক পর্যায়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে। আর এই সেবা নিশ্চিত করতেই ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটাল দিচ্ছে উন্নত চিকিৎসা আর যথাযথ কাউন্সিলিংয়ের শতভাগ নিশ্চয়তা। এখানে রোগীদের জন্য আছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং কাউন্সিলর, চমৎকার পরিবেশ, বন্ধুত্বপূর্ণ স্টাফ আর সার্বক্ষণিক নার্সিং যা দেবে নতুনভাবে বাঁচার প্রেরণা, দেখাবে স্বপ্ন আর নিশ্চিত করবে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।

আপনার পরিবারের যদি কেউ সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত থাকে তাহলে চিন্তা না করে আজ-ই চলে আসুন ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটালে। আমাদের ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ। আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে।

২৫ ডিসেম্বর মানেই অনেক অনেক আনন্দ আর ভালবাসা। আজকের এই শুভদিনে খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী সবাইকে জানাই বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ...
24/12/2018

২৫ ডিসেম্বর মানেই অনেক অনেক আনন্দ আর ভালবাসা। আজকের এই শুভদিনে খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী সবাইকে জানাই বড়দিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা। ত্যাগ ও মহিমায় সবার জীবন উজ্জ্বল হয়ে উঠুক, ত্যাগের শিক্ষা উজ্জীবিত করুক সকলকেই এই প্রত্যাশায়।

দুশ্চিন্তা, হতাশা, বিষণ্ণতা ইত্যাদি আমাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। আমাদের লাইফে যেমন আনন্দ আছে ঠিক তেমনি আছে দুশ্চিন্তা, ...
24/12/2018

দুশ্চিন্তা, হতাশা, বিষণ্ণতা ইত্যাদি আমাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। আমাদের লাইফে যেমন আনন্দ আছে ঠিক তেমনি আছে দুশ্চিন্তা, হতাশা আর বিষণ্ণতা। পরিবার, কর্মজীবন বা রিলেশন নিয়ে সবাই কখনো না কখনো বিষণ্ণতায় ভোগেন। কেউ কেউ খুব তাড়াতাড়িই তা কাটিয়ে উঠতে পারেন কিন্তু অনেকেই দেখা যায় খুব সহজেই হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারেন না যার মারাত্মক প্রভাব পুরো ব্যক্তি, পরিবার এমনকি কর্মজীবনের উপরও পড়ে। হতাশা বা বিষণ্ণতা খুব তাড়াতাড়ি কাটিয়ে উঠতে তাই প্রয়োজন নিয়মিত কাউন্সেলিং।

মানসিক সুস্থতার জন্য আজ-ই সচেতন হোন। ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটালে পাবেন উন্নত সেবা ও যথাযথ চিকিৎসার শতভাগ নিশ্চয়তা। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং অভিজ্ঞ কাউন্সেলরের কাছ থেকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং সুস্থ জীবনযাপন করার পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনা পাবেন। আমাদের ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ। আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে।

Address

123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Life Care Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dhaka Life Care Hospital:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

মাদকাসক্ত ও মানসিকভাবে অসুস্থ রোগীদের অত্যাধুনিক চিকিৎসার ঠিকানা ঢাকা লাইফ কেয়ার হাসপাতাল

আমরা এই সেবাদান কেন্দ্রটি চালু করেছি এক মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। প্রত্যেক সমাজ ও দেশের অন্যতম চালিকা শক্তি হচ্ছে, তরুন ও যুব সমাজ। অথচ আমাদের সমাজের তরুন ও যুবকরা আজ মাদক নামক ভয়ানক শত্রুর শিকার। এই মাদক শুধু সেবনকারীকেই ধ্বংস করে না, ধ্বংস করে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সমগ্র পরিবারকে। জন্ম দেয় ভয়ঙ্কর সব অপরাধের। নেশার টাকার জন্য নানারকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে মাদকাসক্ত ব্যক্তি, হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর অপরাধী, আর সাধারণ মানুষ হয় অপরাধের শিকার। দেশে কোন ভাবেই মাদকসেবীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছেনা বরং তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে মাদকসেবীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনতে প্রয়োজন যথাযথ চিকিৎসা ও পারিবারিক সহযোগিতা। যদি উন্নত সেবা, যথাযথ চিকিৎসা এবং উপযুক্ত পরিবেশ দেয়া যায় তবে বেশীরভাগ মাদকাসেবীই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এইসব সেবা নিশ্চিত করতেই আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি “ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটাল ” যেখানে উন্নত সেবা ও যথাযথ চিকিৎসার শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছে। রোগীদের জন্য আছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং অভিজ্ঞ পরামর্শক বা কাউন্সিলর, মনোরম পরিবেশ, উন্নত খাবার। এছাড়া হসপিটালের রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী রয়েছে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, ওয়ার্ড সেমি-কেবিন ও কেবিনের সুবিধা। যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সার্বক্ষনিক নার্স, রোগীদের বিনোদনের জন্য টেলিভিশনসহ ইনডোর গেমসের সুবিধা।

আপনার বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের যদি কেউ মাদকাসক্ত বা মানসিকভাবে অসুস্থ থাকে তাহলে চিন্তা না করে আজ-ই চলে আসুন ঢাকা লাইফ কেয়ার হসপিটালে। আমাদের ঠিকানাঃ 123/7, Tejkuni Para, Bijoy Sharani Link Road, Tejgaon Dhaka, Bangladesh 1215। যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ 01766-675434 এ। আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে।