05/01/2026
শিশুদের পুষ্টিজনিত সমস্যা বলতে বোঝায় অপুষ্টি (খাদ্যের অভাব), অতিপুষ্টি (অতিরিক্ত ক্যালরি), এবং ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের ঘাটতি, যার ফলে খর্বাকায়, কম ওজন, ঘন ঘন রোগাক্রান্ত হওয়া, মনোযোগের অভাব, এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধা আসে; এর প্রধান কারণ সুষম খাদ্যের অভাব, দারিদ্র্য, রোগ (যেমন ডায়রিয়া), এবং মা-বাবার জ্ঞানের অভাব।
প্রধান পুষ্টিজনিত সমস্যা:
ক্ষুদ্রাকৃতি (Stunting): বয়স অনুযায়ী উচ্চতা কম হওয়া।
কৃশকায় (Wasting): উচ্চতা অনুযায়ী ওজন কম হওয়া, যা ম্যারাসমাস নামে পরিচিত।
কোয়াশিওরকর (Kwashiorkor): প্রোটিনের অভাবে শরীর ফুলে যাওয়া।
ভিটামিন ও খনিজ ঘাটতি: আয়রন (রক্তাল্পতা), ভিটামিন এ, জিঙ্ক ইত্যাদির অভাবে বিভিন্ন সমস্যা।
অতিপুষ্টি/স্থূলতা: অতিরিক্ত খাবার, বিশেষত ফাস্ট ফুড গ্রহণের ফলে ওজন বৃদ্ধি।
লক্ষণ:
ওজন হ্রাস বা অপর্যাপ্ত বৃদ্ধি (ওজন কমে যাওয়া বা বাড়ে না)।
দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ঘন ঘন সংক্রমণ)।
ফ্যাকাশে ত্বক, শুষ্ক চুল, ভঙ্গুর নখ।
মনোযোগ দিতে অসুবিধা, খিটখিটে মেজাজ, মানসিক বিকাশে বাধা।
শারীরিক দুর্বলতা ও অলসতা।
কারণ:
খাদ্য সংক্রান্ত: সুষম খাদ্যের অভাব, অপরিষ্কারভাবে খাবার প্রস্তুত করা, মায়ের দুধ খাওয়ানো বন্ধ করা।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত: দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, কৃমি সংক্রমণ, পরিপাকতন্ত্রের রোগ, এইচআইভি।
সামাজিক ও অর্থনৈতিক: দারিদ্র্য, অশিক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা।
করণীয়:
শিশুকে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার (ভাত, মাছ, মাংস, ডিম, শাকসবজি) দেওয়া।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিরাপদ পানি পান করানো।
ডায়রিয়া বা অন্য কোনো রোগের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া...
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলস সম্পূরক (Supplements) গ্রহণ করা (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকে পরামর্শ নিন
ডা. শফিকুল ইসলাম
Dr. Sofiqul Islam
এমবিবিএস, পিজিটি (শিশু)
এক্স সহকারী রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগ
ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চেম্বার:
ঢাকা মোহাম্মদপুর বসিলা সংলগ্ন
ঘাটারচর চৌরাস্তা
(বিডি হেলথ সেন্টার)
01330818262
শুক্রবার থেকে সোমবার
দুপুর ৩ টা থেকে সন্ধা ৭ টা পর্যন্ত।