HELAL Pharmacy

HELAL Pharmacy you can get any kind of medicine from here at a reasonable price.we have an experienced doctor, DR. Ashraf hossain sorkar,a child specialist and other. :)

সিরিয়ালের জন্য নতুন নাম্বার- 01706017716
14/10/2024

সিরিয়ালের জন্য নতুন নাম্বার- 01706017716

22/04/2023

জীবনে যাদের হররোজ রোজা ক্ষুধায় আসে না নিদ
মুমূর্ষু সেই কৃষকের ঘরে এসেছে কি আজ ঈদ?

–কাজী নজরুল ইসলাম

 #সুস্থ_থাকুন_প্রতিদিনপর্বঃ ০১চোখের সুস্থতায় করণীয়সারাদিন কাজ অথবা বিনোদনের জন্য কখনো মোবাইল, কখনো ল্যাপটপ বা ট্যাবের দ...
08/08/2021

#সুস্থ_থাকুন_প্রতিদিন
পর্বঃ ০১
চোখের সুস্থতায় করণীয়

সারাদিন কাজ অথবা বিনোদনের জন্য কখনো মোবাইল, কখনো ল্যাপটপ বা ট্যাবের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে করে বিশ্রাম পাচ্ছে না চোখ। এ থেকে চোখেও ব্যথার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ মানুষ এই ব্যথাকে গ্রাহ্য করছেন না। এই অবহেলাই ডেকে আনছে বিপদ। এ থেকে তৈরি হচ্ছে চোখের নানা সমস্যা। এজন্য মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে।
১) কাজ করার সময় একনাগাড়ে ল্যাপটপ বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। মাঝেমধ্যে অন্যদিকে তাকিয়ে চোখকে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম দিন।
২) কাজ থেকে একটু ব্রেক নিয়ে চোখে পানির ঝাপটা দিন। তবে খুব জোরে পানির ঝাপটা না দেওয়াই ভালো। পানিতে ভেজানো তুলা দিয়ে চোখ মাঝেমধ্যে মুছে নিন। এতে করে আরাম পাবেন।
৩) চোখেরও ব্যয়াম রয়েছে। যা কিনা দৃষ্টিশক্তিকে শক্তিশালী করে তোলে। সবাইকে দিনে অন্তত একবার চোখের ব্যয়াম করা উচিত। যেমন, খুব দূরের কোনও বস্তু দেখার চেষ্টা করুন। তার পরের মুহূর্তে সামনের কোনও বস্তুর দিকে তাকান। এভাবে পাঁচবার করুন। এতে দৃষ্টিশক্তি সবল হয়।
৪) সকালে উঠে সবুজের দিকে তাকানোর অভ্যাস করুন। সবুজ রং চোখে আরাম দেবে। রোদে বের হলে অবশ্যই সানগ্লাস ব্যবহার করুন। এতে চোখ ভাল থাকে।
৫) মোবাইল দেখতে দেখতে চোখে ব্যথা হলে মোবাইল দেখা বন্ধ করে কিছুক্ষণ সময় চোখ বন্ধ করে রাখুন। চোখকে বিশ্রাম দিন।
৬) ড্রাই আইয়ের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আর্টিফিসিয়াল টিয়ার ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন। এতে চোখ আরাম পাবে। চোখের ক্লান্তি দূর হবে।

টক দই কেন খাবেনটক দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। টক দইয়ের রয়েছে অনেক উপকারী গুণ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, টক দই রক্তের ক্...
05/09/2016

টক দই কেন খাবেন

টক দই খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। টক দইয়ের রয়েছে অনেক উপকারী গুণ। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, টক দই রক্তের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল এলডিএল বা ভিএলডিএল কমাতে সাহায্য করে। এতে যারা ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, টক দই তাদের জন্য সাহায্যকারী বন্ধুর মতো কাজ করবে। তাদের নিয়মিতভাবে অবশ্যই দৈনিক এক কাপ টক দই খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।

টক দই ঘরে পাতা হলেই সবচেয়ে ভালো। গ্রীষ্মকালে দেহের জন্য অন্যতম আদর্শ খাদ্য টক দই। এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এতে ভিটামিন ‘সি’ বাদে সব ধরনের ভিটামিন, মিনারেলস, উচ্চ মানের প্রোটিন, ফ্যাট এবং ল্যাকটোজ নামক কার্বোহাইড্রেট থাকে। অনেকের দুধ খেলে সহজে হজম হয় না, তাদের জন্য টক দই উপযুক্ত।

টক দই আমাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শিশুদের মস্তিষ্ক, দাঁত ও হাড়ের সুগঠন করে দেহের সঠিক বৃদ্ধি বজায় রাখে।

এ ছাড়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে; অন্ত্রনালিতে ভিটামিন ‘বি’ তৈরি করে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত টক দই রাখুন।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

বুড়ো বয়সের কিছু অভ্যাস হতে পারে ক্ষতির কারণযেকোনো অভ্যাস গড়ে তোলা সহজ, বিশেষ করে সেটি যদি বদ অভ্যাস হয়। একই জিনিস প্রতিদ...
11/07/2016

বুড়ো বয়সের কিছু অভ্যাস হতে পারে ক্ষতির কারণ

যেকোনো অভ্যাস গড়ে তোলা সহজ, বিশেষ করে সেটি যদি বদ অভ্যাস হয়। একই জিনিস প্রতিদিন করতে অনেক সময় আরামই লাগে। কিছু কিছু অভ্যাস, যা বয়স্ক লোকের মধ্যে হলে হতে পারে স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ।

নখ কামড়ানো

এ নিয়ে হয়তো ভাবছেন না। কিন্তু সময় কাটানোর জন্য নখ কামড়ানো ভালো অভ্যাস নয়। অনেকে সাধারণত দুশ্চিন্তার কারণে বা চাপ উপশমের উপায় হিসেবে এটি করেন। হয়তো ভাবতেই পারবেন না, কতবার নখ কাটছেন।

দেখা যায়, নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি করেন এটি। এই ছোট্ট তুচ্ছ অভ্যাসটি তাহলে কীভাবে এত ক্ষতি করে স্বাস্থ্যের?

দাঁত দিয়ে নখ কাটা একটি কদর্য অভ্যাস তো বটেই, নখে ঘটতে পারে বিকৃতি, দাঁতের বাইরের স্তরের হতে পারে ক্ষতি। নখের নিচে ক্ষতিকর জীবাণু থাকে। দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় এগুলো গিলে ফেলায় দীর্ঘমেয়াদি অসুখ হতে পারে। হতে পারে বমি, পেটে কৃমি, জীবাণু সংক্রমণ, এমনকি রক্তদূষণও।

এই অভ্যাস কী করে তাড়ানো যায়? প্রতি সপ্তাহে ম্যানিকিউর করা বা তেতো কোনো জিনিস নখে লাগাতে হবে। এতে নখ কামড়াতে খারাপ লাগে। আর দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ মোকাবিলা কঠিন হলে মনোচিকিৎসকের কাছে যান।

চিকিৎসকের কাছে মিথ্যা বলা

অনেকে নিজেকে পরীক্ষিত হতে দেন না, বিশেষ করে চিকিৎসকের কাছে। ওষুধ খাওয়া নিয়ে অনেকে চিকিৎসককে মিথ্যা বলে থাকেন বা কী সমস্যা হচ্ছে, সেটিও লুকাতে চান।

বুড়ো বয়সটা সমস্যার কারণ। এ বয়সে অনেকে ব্যবস্থাপত্রে দেওয়া অনেক ওষুধ একসঙ্গে গ্রহণ করেন। এটি পরস্পর বিরূপ ক্রিয়া করতে পারে। তাই কী কী ওষুধ খাচ্ছেন, এ ব্যাপারে মিথ্যা বলা উচিত নয় চিকিৎসকের কাছে। এতে ভুল রোগ নির্ণয় হতে পারে, ওষুধের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, অন্যাবশ্যক পরীক্ষা করাতে হয়।

সব সময় চিকিৎসককে বলবেন, কী সাপ্লিমেন্ট অনুসরণ করছেন, কেমন বোধ করছেন, স্বাস্থ্যের পুরো হাল জানাবেন।

সহজ উপায় হলো, সমস্যাগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে ফেলা, যাতে কোনো কিছু বাদ না যায়।

ভালো ঘুম হচ্ছে না

হয়তো গতকাল রাতে প্রিয় একটি সিনেমা দেখে রাত কেটেছে। তবে যদি এটি অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়, তাহলে সমস্যা। বুড়োদের মধ্যে ঘুমের ঘাটতি বড় সমস্যা।

বেথ ইসাবেল ডেকনেস মেডিকেল সেন্টার বোস্টনের গবেষকরা দেখছেন, কেন বয়স্কদের রাতে ঘুমের ঘাটতি হয়, অনিদ্রা ও রাতে জেগে থাকা, ভাবনার পাখা মেলে রাত কাটানো কেন হয়? আসলে এ সময় মগজের কোষগুলো কমে যেতে থাকে। মগজের কোষ ঘুমের সমস্যার সঙ্গে জড়িত।

ঘুমের ঘাটতি হওয়ায় দিনে ঢুলুঢুলু ভাব হয়। কাজে মনোযোগ থাকে না। শেখার ক্ষমতা কাজে দিলেও একে শেষ করার ক্ষমতা হ্রাস পায়। নিজে বিহ্ববল ও হতবাক হয়ে যান। তবে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ।

কীভাবে হবে ঘুম? যদি টিভি, কম্পিউটার ও প্রযুক্তি অনিদ্রার কারণ হয়, তাহলে শুতে যাওয়ার অন্তত ৬০ মিনিট আগে সুইচ অফ করুন। এটি মনকে স্বস্তিতে রাখবে, আরাম লাগবে। শরীর-মনে প্রস্তুতি শুরু হবে ঘুমানোর। নিশ্চিত হবেন যে শোবার ঘরটি গাঢ় অন্ধকার, তামপাত্রা স্বস্তিকর, শীতল।

লেখক : অধ্যাপক ও ডিরেক্টর ল্যাব সার্ভিস, বারডেম।

****** ধূমপান ছাড়তে দারুচিনি! ******তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তা...
31/05/2016

****** ধূমপান ছাড়তে দারুচিনি! ******

তামাক গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ কথা সবারই জানা। শরীরের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। ধূমপান ছেড়ে দিতে চাইলেও অনেকে ছাড়তে পারেন না। এটি নেশায় পরিণত হয়ে যায়।

তবে কিছু ভেষজ রয়েছে যেগুলো ধূমপান ছাড়তে বা তামাক ছাড়তে সাহায্য করতে পারে আপনাকে। জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে এ রকম কিছু ভেষজের কথা।

দারুচিনি

দারুচিনি ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্ত রাখতে সাহায্য করে। যখন ধূমপান বা অন্যান্য তামাক গ্রহণের নেশা জাগে, এক টুকরো দারুচিনি নিন। একে চিবাতে শুরু করুন। এটা ধূমপানে বিরত রাখতে সাহায্য করবে।

ত্রিফলা

ত্রিফলা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করার জন্য পরিচিত। এটি ধূমপান ছাড়তে সাহায্য করে। প্রতিদিন রাতে এক টেবিল চামচ ত্রিফলা খাওয়া ধূমপান কমাতে উপকারী।

পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা চিবানোও তামাক গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ও রাতে দুই থেকে তিনটি পুদিনা পাতা চিবান।

আদা, আমলকী, হলুদ

আদা, আমলকী ও হলুদ একত্রে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে খেতে পারেন। এক মাস এটি খাওয়া তামাক গ্রহণের প্রতি আগ্রহ কমাতে কাজ করবে।

অশ্বগন্ধা

অশ্বগন্ধা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে বেশ কার্যকর। এটি উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে এবং তামাকের প্রতি আসক্তি কমায়। ৪৫০ মিলিগ্রাম থেকে ২ গ্রাম অশ্বগন্ধার শেকড়ের গুঁড়ো খাওয়া ভালো ফলাফল দেবে।

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদানব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। ...
06/04/2016

অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে যেসব প্রাকৃতিক উপাদান

ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

১. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. আদা

আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

৩. নিম

নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. মধু

মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

৫. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।

এক চিমটি মরিচ+এক কাপ তরমুজের জুস?তরমুজ সাধারণত গরমকালের ফল। এটি গরমের সময় শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। সম্প্রতি গবেষ...
01/04/2016

এক চিমটি মরিচ+এক কাপ তরমুজের জুস?

তরমুজ সাধারণত গরমকালের ফল। এটি গরমের সময় শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। সম্প্রতি গবেষণায় বলা হয়, দিনে দুইবার তরমুজের জুস খেলে শরীরের অনেক উপকার হয়, বিশেষ করে গরমের সময়। তরমুজের মধ্যে থাকা উপাদান কিডনিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে তরমুজের জুস খেলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

যখন আপনি এই ফলের মধ্যে সামান্য মরিচ ও লবণ যোগ করবেন, তখন ফলাফল আরো ভালো হবে। প্রয়োজনে ও স্বাদ বাড়াতে এক চিমটি থেকে আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়োও যোগ করতে পারেন। এক কাপ তরমুজের রসের মধ্যে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৫, বি১, বি৩ ও বি৬ পাওয়া যায়।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে মরিচ মিশিয়ে তরমুজের জুস খাওয়ার উপকারের কথা।

ওজন কমায়

তরমুজের জুস ওজন কমাতে বেশ উপকার করে। এর মধ্যে এক চিমটি মরিচের গুঁড়ো যোগ করলে ক্যালোরি দ্রুত কমাতে সাহায্য হয়।

কোলেস্টেরল কমায়

আপনি কি বাজে কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে তরমুজের মধ্যে মরিচ মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি শরীর থেকে বাজে কোলেস্টেরল কমাতে কাজ করে; হার্টকে ভালো রাখে।

গরমের অসুখ থেকে মুক্তি দেয়

গরমকালে র‍্যাশ হওয়ার সমস্যায় ভুগলে তরমুজের জুস খেতে পারেন। এটি ত্বকের চুলকানি কমায়; ত্বককে আর্দ্র ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

তরমুজের মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি প্রোস্টেট গ্রন্থির ক্যানসার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। এটি প্রোস্টেট গ্রন্থিকে স্বাস্থ্যকর রাখে।

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে

তরমুজের মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণ ফোলেট। এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ফোলেট হৃৎপিণ্ডের রক্ত চলাচলকে ভালো করতে সাহায্য করে। এতে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ হয়।

পেটের সমস্যা

অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগে থাকেন। তরমুজের জুস সামান্য মরিচের গুঁড়ো দিয়ে খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে। পাশাপাশি সারা দিন অনেক পানিও কিন্তু খেতে হবে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করবে এলাচএলাচ রান্নার জন্য উৎকৃষ্ট মসলা। মাংস রান্নায়, সালাদ তৈরিতে, চা বানাতে, স্যুপ তৈরিতে এলাচ ব্য...
01/04/2016

মুখের দুর্গন্ধ দূর করবে এলাচ

এলাচ রান্নার জন্য উৎকৃষ্ট মসলা। মাংস রান্নায়, সালাদ তৈরিতে, চা বানাতে, স্যুপ তৈরিতে এলাচ ব্যবহার করা হয়। এলাচের রয়েছে কিছু স্বাস্থ্যকর গুণ। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে এলাচের স্বাস্থ্যকর গুণের কথা।

১. হেঁচকি দূর করতে
এলাচের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিস্পাসমোডিক উপাদান। এটি হেঁচকি প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, হেঁচকি হলে কিছু এলাচ চিবাতে পারেন।

২. পেটব্যথায়
পেট অথবা পাকস্থলীর ব্যথায় এলাচ ব্যবহার করতে পারেন। এক কাপ গরম পানির মধ্যে এক চিমটি এলাচের গুঁড়া মেশান। ধীরে ধীরে পানীয়টি পান করুন। ব্যথা কমবে।
এ ছাড়া ভারী খাবারের পর পেট ফোলা ফোলা ভাব হলে বা পেটে গ্যাস হলে এই পানীয় খেতে পারেন।

৩. শ্বাসকষ্ট কমাতে
এর মধ্যে থাকা প্রদাহরোধী উপাদানের জন্য এটি বাতাস চলাচলের পথ পরিষ্কার করে। শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমার সমস্যা কমায়। এটি দীর্ঘমেয়াদি ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা কমাতেও কার্যকর।

৪. মুখের গন্ধ দূর করে
এলাচ মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এটি দ্রুত মুখের গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। মুখে গন্ধ হলে এলাচ চিবাতে পারেন।

৫. ত্বক ভালো রাখে
এলাচের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এটি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার গতি রোধ করে। তাই খাদ্যতালিকায় এলাচ রাখতে পারেন।

৬. চুলের জন্য ভালো
এলাচের চা দিয়ে মাথা ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে খুশকি কমবে। এটি চুল পাতলা হওয়া ও চুল পড়া কমাবে।

01/04/2016

হাঁটু ভালো রাখতে যা করবেন

হাঁটু শরীরের বড় একটি গাঁট। হাঁটু পায়ের নমনীয়তা ও স্থায়িত্ব ধরে রাখতে কাজ করে। দাঁড়ানো, হাঁটা, লাফঝাঁপের কাজগুলো হাঁটুর ওপর ভর করেই করা হয়। তাই হাঁটু স্বাস্থ্যকর ও শক্তিশালী রাখা জরুরি।

সাধারণত প্রবীণ বয়সে হাঁটুতে সমস্যা হতে দেখা দেয়। এ ছাড়া যেকোনো বয়সে হাঁটুতে সমস্যা হতে পারে। জীবনযাপন ও খাবার-দাবারে কিছু পরিবর্তন আনলে হাঁটুর বিভিন্ন সমস্যা কমে যায়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপটেন হোম রেমেডি জানিয়েছে হাঁটু শক্তিশালী রাখার কিছু উপায়।

ম্যাসাজ
হাঁটু শক্তিশালী করার জন্য ম্যাসাজ একটি ভালো উপায়। হাঁটুতে ব্যথার সমস্যা থাকলে নিয়মিত ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং গাঁট শক্তিশালী হবে।

• সামান্য পরিমাণ জলপাইয়ের তেল বা নারকেল তেল হালকা গরম করে হাঁটুতে মাখুন।
• খুব ভালোভাবে হাঁটুর চারপাশে এটি ব্যবহার করুন।
• দিনে দুই বেলা ম্যাসাজ করুন।

এ ছাড়া ফিটনেস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে হাঁটু শক্তিশালী করার কিছু ব্যায়ামও করতে পারেন।

ক্যালসিয়াম
ক্যালসিয়াম হাড়ের জন্য খুব জরুরি। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়, অস্টিওপরোসিস রোগ হয়। তাই হাঁটুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সব সময় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এ জন্য দুধ, কাঠবাদামের দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, কমলা, ব্রকলি ইত্যাদি খেতে পারেন। এ ছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন।

ভিটামিন-ডি
হাড় ও গাঁটকে ভালো রাখার জন্য ভিটামিন-ডি খুব উপকারী। ভিটামিন-ডি’র অভাব হলে হাড় দুর্বল হয়ে যায়। এ ছাড়া শরীর ভালোভাবে ক্যালসিয়ামও শোষণ করতে পারে না। সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়। সকালের সূর্যের আলোতে অন্তত ১৫ মিনিট থাকুন। এ ছাড়া ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন। যেমন : মাছ, ডিমের কুসুম ইত্যাদি। চাইলে খেতে পারেন ভিটামিন-ডি’র সাপ্লিমেন্ট। তবে অবশ্যই সেটি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এ ছাড়া খেতে পারেন ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার, যেমন—কমলা, টকজাতীয় ফল, মরিচ ইত্যাদি। এগুলোও হাঁটুর স্বাস্থ্য ভালো রাখবে।

********* যে ১০ পুষ্টি প্রতিদিন দরকার  *********ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস ভালো স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। আর ভারসাম্যপূর্ণ ...
14/02/2016

********* যে ১০ পুষ্টি প্রতিদিন দরকার *********

ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস ভালো স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি। আর ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খেতে হলে পুষ্টির বিষয়টি মাথায় রাখতেই হয়। ১০ ধরনের পুষ্টি রয়েছে, যেগুলো সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এগুলোর অভাবে আপনি অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে শরীরের জন্য প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ১০টি পুষ্টির কথা।

১. আঁশ

একজন সুস্থ এবং প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ২১ থেকে ২৫ গ্রাম আঁশজাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এটি শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরে শক্তি জোগায়। এটি পেট ফোলা ভাব, গ্যাস ইত্যাদির সমস্যা প্রতিরোধ করে। শাকসবজিতে আঁশ পাওয়া যায়।

২. ক্যালসিয়াম

প্রতিদিন এক হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাওয়া প্রয়োজন। দুধ, দই, মটরশুটি, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম রয়েছে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতকে সুরক্ষিত রাখে; পেশির গঠনে সাহায্য করে।

৩. ম্যাগনেসিয়াম

১৯ থেকে ৩০ বছর বয়সের নারীদের ৩১০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম খাওয়া জরুরি। ত্রিশের বেশি বয়সের নারীদের ৩২০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করতে হয়।

ম্যাগনেসিয়াম শরীরের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি মিনারেল। এটি পেশির কার্যক্রমকে ভালো রাখে; শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে কাজ করে। কাঠবাদাম, শাক, শিমের বিচি ইত্যাদিতে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

৪. ভিটামিন-ই

প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন-ই গ্রহণ করা প্রয়োজন। ভিটামিন-ই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাবি। এটি ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। ফ্রি র‍্যাডিকেল কোষকে নষ্ট করে দেয়। পালংশাক, কাঠবাদাম, পেস্তাবাদাম ইত্যাদিতে ভিটামিন-ই রয়েছে।

৫. ভিটামিন-সি

প্রতিদিন ৭৫ গ্রাম ভিটামিন-সি শরীরে প্রয়োজন। কমলা, মাল্টা, ব্রকলি, জলপাই ইত্যাদির মধ্যে ভিটামিন-সি রয়েছে। ভিটামিন-সিও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। এটি ত্বককে ভালো রাখে; শরীর পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

৬. প্রোটিন

পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের প্রতিদিন ৪৬ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণ করতে হয়। মাংস, ডাল, দইয়ের মধ্যে প্রোটিন থাকে। পেশির গঠনে এবং শরীরে শক্তি জোগাতে প্রোটিনের প্রয়োজন রয়েছে।

৭. আয়রন

প্রতিদিন ১৮ গ্রাম আয়রন শরীরে প্রয়োজন। কাঁচা কলা, কলিজা, লতি, ডালিম ইত্যাদির মধ্যে আয়রন রয়েছে। আয়রন শরীরে অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে। যাঁদের শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে, তাঁদের রক্তশূন্যতা ও অবসন্নতার সমস্যা হয়।

৮. ভিটামিন-ডি

প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের ৬০০ আইইউ ভিটামিন-ডি গ্রহণ করা প্রয়োজন। ভিটামিন-ডি পাওয়া যায় সূর্যের আলোতে। এ ছাড়া টুনা, স্যামন, ম্যাকরেল ইত্যাদি মাছে ভিটামিন-ডি পাওয়া যায়। ভিটামিন-ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। এটি পেশির গঠন ও হাড় ভালো রাখতে কাজ করে।

৯. ভিটামিন-এ

প্রতিদিন ৭০০ আইসিইউ ভিটামিন-এ গ্রহণ করতে হয়। গাজর, লালশাক, আলু ইত্যাদির মধ্যে ভিটামিন-এ রয়েছে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট স্বাস্থ্যকর টিস্যু গঠনে ও কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে। এটি দৃষ্টি ভালো রাখতে কাজ করে।

১০. পটাসিয়াম

প্রতিদিন ৪ দশমিক ৭ গ্রাম পটাসিয়াম শরীরের জন্য জরুরি। কলা, আলু ইত্যাদির মধ্যে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। এটি কার্বোহাইড্রেটকে ভাঙতে সাহায্য করে এবং হৃদস্পন্দন ভালো রাখে।

জলপাইয়ের তেলের গুণের কথা তো প্রায় সবাই জানি। তবে জানেন কি জলপাই গাছের পাতারও রয়েছে জাদুকরি উপকারিতা? প্রাচীন সংস্কৃতিতে ...
01/02/2016

জলপাইয়ের তেলের গুণের কথা তো প্রায় সবাই জানি। তবে জানেন কি জলপাই গাছের পাতারও রয়েছে জাদুকরি উপকারিতা? প্রাচীন সংস্কৃতিতে বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ের গবেষণাগুলোতেও এটি ব্যবহারের ইতিবাচক দিকগুলো উঠে এসেছে।

মূলত ফিটোকেমিক্যাল নামক উপাদান থেকে সব স্বাস্থ্যকর গুণের শুরু। ফিটোকেমিক্যাল পাওয়া যায় গাছগাছালি বা উদ্ভিদের মধ্যে। কীটপতঙ্গ থেকে এটি গাছপালাকে সুরক্ষা দেয়। যখন আমরা সেই গাছের লতাপাতা খাই, ফিটোকেমিক্যাল আমাদের শরীরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

জলপাইয়ের পাতার মধ্যে অলিওরোপিয়েন নামক এক ধরনের ফিটোকেমিক্যাল পাওয়া যায়। এর রয়েছে বিভিন্ন উপকারিতা যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি অ্যান্ড ন্যাচারাল ওয়ার্ল্ড এবং রিয়েল ফার্মেসি ডট কম জানিয়েছে জলপাইয়ের পাতার বিভিন্ন উপকারিতার কথা।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

জলপাইয়ের পাতার মধ্যে থাকা অলিওরোপিয়েন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি রক্তনালিকে শিথিল করতে সাহায্য করে। রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কমায়। এ ছাড়া করনারি আর্টারিতে রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে কাজ করে।

ডায়াবেটিস

গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাইয়ের পাতা রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এটি ‘টাইপ টু’ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে। জলপাইয়ের পাতা শরীরের স্বাস্থ্যকর টিস্যুগুলোকে সুরক্ষা দেয়।

ক্যানসার প্রতিরোধ করে

জলপাইয়ের পাতার নির্যাস স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি ক্যানসার তৈরিকারী কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। এ ছাড়া টিউমারের বৃদ্ধিও কমিয়ে দেয়।

নিউরোপ্যাথি

জলপাইয়ের পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটোরি উপাদান। এটি মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়; কেন্দ্রীয় স্নায়ু পদ্ধতিকে স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া এটি প্রবীণ বয়সের পারকিনসন এবং স্মৃতিভ্রম রোগও প্রতিরোধ করে।

অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান

জলপাইয়ের পাতার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ভাইরাল এবং অ্যান্টিব্যাকেটিরিয়াল উপাদান। এটি বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ফ্রি র‍্যাডিকেল প্রতিরোধ করে। জলপাইয়ের পাতা প্রদাহ থেকে রেহাই দেয়।

হাড়ের গঠন

২০১১ সালে স্পেনে একটি গবেষণার ফলাফলে বলা হয়, অলিওরোপিয়েন হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া প্রতিরোধ করে। হাড় ক্ষয় রোগের সঙ্গে লড়াই করে। এ ছাড়া এই পাতা হাড় তৈরিকারী কোষকে তৈরি হতে উদ্দীপ্ত করে। একে মোটামুটি নিরাপদ খাবারই বলা যায়। জলপাইয়ের পাতার নির্যাস তরল আকারে বা শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেতে পারেন। জলপাইয়ের পাতার চা বানিয়েও খেতে পারেন।

তবে যদি কেউ কেমোথেরাপি নেয়, এটি না গ্রহণ করাই ঠিক হবে। আর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, যে কোনো কিছু গ্রহণের আগে একবার চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

Address

24, Tollabag
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 17:00 - 12:00
Tuesday 17:00 - 12:00
Wednesday 17:00 - 12:00
Thursday 17:00 - 12:00
Friday 17:00 - 12:00
Saturday 17:00 - 12:00
Sunday 17:00 - 12:00

Telephone

+8801817140418

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HELAL Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram