29/03/2026
‼️‼️ হাম মহামারী ‼️‼️
গত কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাম বা measles মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে হাম মহামারীতে এখনো পর্যন্ত সারাদেশে বেশ কিছু সংখ্যক শিশুমৃত্যুর সংবাদ রিপোর্ট করা হয়েছে।
⏩ হাম কি?
এটি ভাইরাস জনিত তীব্র ছোঁয়াচে একধরণের অসুখ যা সাধারণত ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী বাচ্চাদের হয়ে থাকে।
⏩ কিভাবে ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি ছড়ায়, বিশেষ করে যেসব বাচ্চাদের হামের টিকা দেয়া হয়নি এবং যাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা বেশি আক্রান্ত হয় এবং রোগের তীব্রতাও তাদের মধ্যে বেশি।
⏩ উপসর্গ ও লক্ষণ :
⏺️ শুরুতে বাচ্চাদের তীব্র জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া ও জ্বালাপোড়া করা, মুখের ভেতর সাদা সাদা স্পট জাতীয় লক্ষণ দেখা দেয়।
⏺️ সংক্রমণের কয়েকদিন পর শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে দাগের ফুঁসকুড়ি (র্যাশ) দেখা দেয়, বিশেষ করে মুখে, কানের পিছনে, বুক-পেট কিনবা হাতে-পায়ে দেখা যায়।
⏩ হামের জটিলতা:
হাম বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক জটিলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন-
১) কান পাঁকা
২) ডায়রিয়া
৩) ফুসফুসের সংক্রমণ (নিউমোনিয়া) ও শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন
৪) ব্রেইনের ইনফেকশন
৫) হার্টের ইনফেকশন
৬) চোখের ইনফেকশন এবং তীব্র হলে অন্ধত্বও হতে পারে।
৭) তীব্র অপুষ্টি
⏩ প্রতিরোধ :
✅✅ হাম প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হচ্ছে টিকা দেয়া। বাংলাদেশে ইপিআই প্রোগ্রামে সব বাচ্চাদের ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেয়া হয়। সকল ধরনের কুসংস্কার থেকে বিরত থেকে প্রতিটি বাচ্চাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ে হাম প্রতিরোধী টিকা নিতে হবে।
✅ আক্রান্ত শিশুদের থেকে সুস্থ্য বাচ্চাদের অবশ্যই দূরে রাখতে হবে।
⏩ পরামর্শ :
👍 হামের লক্ষণ দেখা দিলে দেরী না করে দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে এবং আক্রান্ত শিশুর অবিভাবকদের ‼️"বিপদচিহ্ন"‼️ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে এবং বিপদচিহ্ন দেখা দিলে দ্রুততম সময়ে বাচ্চাকে উন্নত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
👍 হাম আক্রান্ত বাচ্চাদের ‼️"বিপদচিহ্ন"‼️সমূহ নিম্নরূপ:
⚠️ তীব্র জ্বর-কাশি ও শ্বাসকষ্ট
⚠️ বাচ্চার অস্বাভাবিক অস্থিরতা, নেতিয়ে পড়া, খিঁচুনি হওয়া
⚠️ বারবার পাতলা পায়খানা ও বমি হয়ে বাচ্চা নেতিয়ে পড়া কিনবা প্রশ্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া
⚠️ চোখে মারাত্মক ইনফেকশন ও চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি।