Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care

Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care নারীর স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বের যত্নে বিশ্বস্ত সঙ্গী, দিনাজপুরে আপনার পাশে সর্বদা।
(1)

👩‍⚕️ "আমি ডা. রুখসানা লিজা — আপনার সুস্থতা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও হাসি আমার প্রথম অগ্রাধিকার।"

🤝 "প্রতিটি রোগী আমার কাছে পরিবার, আর পরিবারের জন্যই সবচেয়ে যত্নশীল চিকিৎসা।"

💐 "দিনাজপুরে আধুনিক ও আন্তরিক গাইনী ও অবস সেবা — আপনার পাশে, সবসময়।"

💖 "শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিটি মায়ের জন্য ভালোবাসা, যত্ন আর নিরাপত্তা।"

📍 "আপনার গল্প শুনি, আপনাকে বুঝি, আর আপনাকে নিয়ে হাঁটি সুস্থতার পথে।"


👩‍⚕️ ডাঃ রুখসানা মমত

াজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
📞 সিরিয়ালের জন্য 01755-305253

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ ♥️♥️।৬ মাস বয়সী এই রাজকন্যার সাথে আজ বিকেলে চেম্বারে। মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই রাজকন্যার মা সহ আরও  তিন খ...
14/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩ ♥️♥️।
৬ মাস বয়সী এই রাজকন্যার সাথে আজ বিকেলে চেম্বারে।
মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই রাজকন্যার মা সহ আরও তিন খালা সপরিবারে আমার রোগী। তাদের বেশিরভাগ সন্তানই আমার হাত ধরে পৃথিবীতে এসেছে।
বাচ্চাগুলোর জন্য অনেক দোয়া ও ভালবাসা।

প্রতিদিন অসুখবিসুখ নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগে না। আজকে আপনাদের সবার শখগুলো শুনবো। সংসারের কাজ অথবা চাকরি পাশাপাশি কিছুটা সম...
12/04/2026

প্রতিদিন অসুখবিসুখ নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগে না। আজকে আপনাদের সবার শখগুলো শুনবো।
সংসারের কাজ অথবা চাকরি পাশাপাশি কিছুটা সময় পেলে কি কি শখের কাজ করেন?
যেটা করলে মনটা অন্যরকম ভালোলাগায় ভরে ওঠে??
আমি চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি সময় পেলেই যে কাজগুলো করতে পছন্দ করি-

১) গল্পের বই পড়তে খুব ভালোবাসি।আমার বুক শেলফ ভর্তি অসংখ্য সাহিত্য উপন্যাসের বই রয়েছে।

২) ভালোবাসি নিজের ছোট্ট বাগানে সময় কাটাতে।
এই বাগানের প্রতিটা গাছ আমার নিজ হাতে কেনা।

৩) পরিবারের প্রিয় মানুষদের সাথে ঘুরতে পছন্দ করি।

৪) ভালোবাসি প্রতিদিনের স্বাভাবিক রান্নার বাইরে বিভিন্ন স্পেশাল আইটেম রান্না করতে।
....আরো অনেক অনেক শখ রয়েছে। সেগুলো আরেকদিন বলবো। আজকে আপনাদের গুলো শুনতে চাই...♥️♥️

বিঃদ্রঃ ছবির জায়গাটা কোথায় কে কে বলতে পারবেন??

11/04/2026

সকালে একটু হাঁটা...
নিজের জন্য ৩০ মিনিট দিতে পারবেন?

আমরা নারীরা সারাদিন সবাইকে সময় দেই…
কিন্তু নিজের জন্য? সময় কি বের করতে পারি??
অথচ প্রতিদিন ভোরের একটু হাঁটা আপনার শরীর মন দুটোকেই বদলে দিতে পারে।

কেন প্রাতঃভ্রমণ জরুরি?

১. ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়ঃ
ফ্যাট মেটাবলিজম বাড়ে, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি ভালো হয়।বিশেষ করে বাচ্চা ডেলিভারি পরবর্তী ওজন কমাতে দারুন কার্যকর।

২. হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করেঃ
সকালের আলো সাথে হালকা এক্সারসাইজ কর্টিসল ও মেলাটোনিন রেগুলেট করে। PCOS, irregular period এর ক্ষেত্রে সহায়ক।

৩. মানসিক স্বাস্থ্যে বড় ভূমিকাঃ
স্ট্রেস, উদ্বেগ, irritability কমায়। endorphin release হয়। mood naturally uplift হয়।

৪. হার্ট ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ
নিয়মিত হাটা cardiovascular fitness বাড়ায়। হাই ব্লাড প্রেসার, হার্ট অ্যাটাক এর ঝুঁকি কমায়।

৫. হাড় মজবুত করেঃ
ওয়েট বিয়ারিং এক্সারসাইজ হিসেবে কাজ করে। হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে সাহায্য করে (বিশেষ করে menopause পরবর্তী সময়ে)।

৬. হজম ও পরিপাক প্রক্রিয়া ঠিক রাখেঃ
Gut motility improve করে।কোষ্ঠকাঠিন্য, IBS এর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

৭. ঘুমের মান ভালো করেঃ
Circadian rhythm ঠিক রাখে। insomnia বা disturbed sleep কমে।

৮. স্কিন ও চুলের স্বাস্থ্য ভালো করেঃ
রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। skin glow করে। hair fall কিছুটা কমে।

৯. প্রেগন্যান্সিতে নিরাপদ ফিটনেস অপশনঃ
লো ইমপ্যাক্ট হওয়ায় বেশিরভাগ গর্ভবতী নারীর জন্য নিরাপদ। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, excess weight gain কমাতে সাহায্য করে।

১০. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করেঃ
নিয়মিত হালকা এক্সারসাইজ immunity boost করে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

কি দারুণ দেখলেন তো!!

আপনি যদি নিজের শরীরের যত্ন না নেন,একদিন শরীর আপনাকে থামিয়ে দেবে।
তাই পরে নয়...
কাল ভোর থেকেই শুরু করুন।

বলা যায় না, আমার সাথেও দেখা হয়ে যেতে পারে ☺️☺️।
শুভকামনা নিরন্তর ♥️♥️

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

নিজের মানুষদের বাঁচাতে ঘরের যত্ন নিচ্ছেন তো?বর্তমান সময়ে দেশে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। সবচেয়ে বে...
09/04/2026

নিজের মানুষদের বাঁচাতে ঘরের যত্ন নিচ্ছেন তো?

বর্তমান সময়ে দেশে হামসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, বাদ যাচ্ছে না বড়রাও।
সংক্রমণ কিন্তু শুধু বাইরে থেকে আসে না, আমাদের ঘরের ভেতরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে খুব সহজেই।

কি করবেন?

১)বাসায় ঢুকেই হাত ধোয়ার অভ্যাসটা করুন।
সারাদিন বাইরে থাকি,কত কিছু ছুঁই। সেই হাতেই যদি দরজা, মোবাইল, বাচ্চাকে ছুঁই,তাহলে জীবাণু সহজেই ঘরে ঢুকে পড়ে।

২)দরজার হাতল, মোবাইল এগুলো কিন্তু সবচেয়ে নোংরা জিনিস।প্রতিদিন না হলেও, একদিন পরপর একটু মুছে নিন।

৩)বাচ্চারা সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে।ওরা মেঝেতে খেলে, যা পায় মুখে দেয়। তাই মেঝে, খেলনা এগুলোর একটু বাড়তি যত্ন নিন।

৪)বাইরে থেকে আসা কাপড়টা আলাদা রাখুন।
একটু কষ্ট লাগে ঠিকই, কিন্তু এতে ঘরের অন্যদের অনেকটাই সেফ রাখা যায়।

৫) রান্নাঘরটা একটু খেয়াল করুন।যে খাবার খাচ্ছি, সেখান থেকেই অনেক সমস্যা শুরু হয়। পরিষ্কার না থাকলে ওষুধও ঠিকমতো কাজ করে না।

৬)ফ্রিজটা মাঝে মাঝে চেক দেন।
পুরনো খাবার, ঢাকনা ছাড়া কিছু পড়ে আছে কিনা,এগুলোও সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

৭) বাথরুমটা অবহেলা করবেন না।
এটাই সবচেয়ে বেশি জীবাণুর জায়গা। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে সমস্যা বাড়ে।

৮)ঘরে কেউ অসুস্থ হলে, তাকে আলাদা একটু কেয়ার দিন।একই গ্লাস, তোয়ালে, বালিশ শেয়ার না করলেই ভালো। এতে বাকিদের ঝুঁকি অনেক কমে।

৯)আর একটা কথা… জানালা খুলে দিন।ঘরে আলো বাতাসের চলাচল বাড়ান।বাতাস চলাচল হলে ঘরের ভেতরের জীবাণুও কমে।

শুধু ওষুধ বা টিকা সবকিছু নয়। এগুলোর সাথে এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই আমাদের আসল সুরক্ষা দেয়।নিজের ঘরটা নিরাপদ রাখুন, তাহলে অনেকটাই নিরাপদ থাকবে আপনার পরিবার।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

কোনভাবেই ওজন কমছে না??বিশেষ করে প্রেগনেন্সির আগে বা বাচ্চা হওয়ার পর…..অতিরিক্ত ওজন যেন শরীরে লেগেই থাকে।অনেকে ভাবেন,কম খ...
06/04/2026

কোনভাবেই ওজন কমছে না??
বিশেষ করে প্রেগনেন্সির আগে বা বাচ্চা হওয়ার পর…..অতিরিক্ত ওজন যেন শরীরে লেগেই থাকে।

অনেকে ভাবেন,কম খেলেই ওজন কমবে। কিন্তু না খেয়ে থাকলে শরীর উল্টো ফ্যাট জমিয়ে রাখে। ঠিকভাবে খেতে হবে।প্রতিদিনের খাবারে একটু প্রোটিন রাখুন, চিনি-জাতীয় খাবারটা কমান।ভাত,আলু,চর্বি জাতীয় খাবার কম খান। এতটুকু পরিবর্তনেই অনেক কিছু বদলায়।

যারা বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান,তাদের জন্য এটা একটা বাড়তি সুবিধা। কিন্তু এই জায়গাতেই অনেক ভুল হয়…দুধ খাওয়াচ্ছি, তাই বেশি খাওয়া যাবে! এটা ওজন আটকে দেয়।

আরেকটা বিষয় আমরা গুরুত্বই দিই না...ঘুম!
ঘুম ঠিক না থাকলে হরমোন এলোমেলো হয়ে যায়, পেটের মেদ কমতেই চায় না।

জিমে যাওয়া লাগবেই,এমন কোনো কথা নেই। নিয়মিত ৩০–৪০ মিনিট একটু দ্রুত হাঁটাও অনেক কাজে দেয়। সাথে সপ্তাহে ২–৩ দিন হালকা কিছু এক্সারসাইজ করলে শরীরটা ধীরে ধীরে টোনড হয়।

সবচেয়ে বড় ভুলটা হয় তাড়াহুড়ায়।
৯ মাসে যে ওজন বেড়েছে, সেটা ১–২ মাসে কমাতে চাই। এটা বাস্তবসম্মত না।

আর যদি অনেক চেষ্টা করেও না কমে,তাহলে থাইরয়েড, PCOS বা শরীরের অন্য কোনো কারণ আছে কিনা একবার দেখে নেয়া ভালো।

একটা জিনিস মনে রাখবেন...
ওজন কমানো মানে শুধু ডায়েট না,এটা একটা অভ্যাস।ধীরে কমান, কিন্তু ঠিকভাবে কমান। তাহলেই সেটা ধরে রাখা সম্ভব হবে।

নিজের শরীরের সাথে আর কত যুদ্ধ করবেন?
একবার বন্ধুত্ব করেই দেখুন না!!

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

ভালো থাকতে চান?তাহলে আজ থেকেই এই ছোট অভ্যাসগুলো শুরু করুন।♦️নিজের কাজকে ভালোবাসুন।কাজের পরিবেশে ভালো লাগার বিষয়গুলো যোগ...
05/04/2026

ভালো থাকতে চান?
তাহলে আজ থেকেই এই ছোট অভ্যাসগুলো শুরু করুন।

♦️নিজের কাজকে ভালোবাসুন।কাজের পরিবেশে ভালো লাগার বিষয়গুলো যোগ করুন। পরিবেশ তৈরি করে নিতে হয়।

♦️ অন্যের সাথে নিজেকে তুলনা করবেন না। আপনার প্রতিযোগিতা শুধুই গতকালের আপনার সাথে।এই পয়েন্টটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

♦️ কৃতজ্ঞতা চর্চা করুন। আপনার অনেক কিছুই আছে যা আপনার আশেপাশের অন্য অনেকেরই নেই।সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করুন।
মন অনেক শান্তি পাবে।

♦️পরিবারকে সময় দিন।মা/বাবা, স্বামী/স্ত্রী /সন্তান
এদের চেয়ে আপন আসলে কেউ নেই।আপনজনদের দূরে ঠেলে আমরা বেশিরভাগ সময় মরীচিকার পেছনে ছুটি।

♦️ শরীরের যত্ন নিন। প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট বিশুদ্ধ বাতাসে হাঁটুন। শরীর মন দুটোই ভালো থাকবে।

♦️না বলতে শিখুন। সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না।

♦️ পর্যাপ্ত ঘুম দিন।রাতে ৭-৮ ঘন্টা। ঘুম কম হলে মেজাজ খিটখিটে থাকে। অস্থিরতা বাড়ে।

♦️ পরিপাটি থাকুন। আপনার appearance আপনার আত্মবিশ্বাসে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

♦️ প্রাণ খুলে হাসুন।একটা ভালো কথা, একটা হাসি মুখ আপনার চারপাশের মানুষদের ও ভালো রাখতে পারে।

♦️ সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করুন।এই একটা কাজ আপনার সারাদিনের অনেকখানি সময় বাঁচিয়ে দিবে।
সেই সময়টুকু পরিবারকে দিন।

♦️ নিজের জন্য সারাদিনে সময় রাখুন ১০ মিনিট হলেও। নিজের সাথে থাকুন, নিজেকে শুনুন।যত্ন করে এক কাপ চা বানান।বারান্দায়/উঠানে/ছাদে বসে আয়েশ করে খান।চাইলে রূপচর্চাও করতে পারেন।

আমরা অনেকেই ভাবি,একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে, তখন ভালো থাকবো।সেই ভবিষ্যতের একদিন আর আসে না....আসার কথাও নয়।
ভালো থাকার চর্চা করতে হবে প্রতিদিন।

আমি আমার ব্যক্তিগত জীবনে এই জিনিসগুলো মেইনটেইন করার চেষ্টা করি।প্রতিদিনের জীবনে আমি সুখ খুঁজে নেই।

চেষ্টা করে দেখতে পারেন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

 #আলো_ছড়াইশুভ সকাল।জুম্মা মুবারক। ছুটির দিনের সকাল আপনারা কে কিভাবে শুরু করেন?সারাটা দিন কেমন কাটে?শারীরিক ও মানসিক স্বা...
03/04/2026

#আলো_ছড়াই

শুভ সকাল।
জুম্মা মুবারক।
ছুটির দিনের সকাল আপনারা কে কিভাবে শুরু করেন?সারাটা দিন কেমন কাটে?
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রতিদিনের গণ্ডির বাইরে কিছু করেন কি?

অনেক মা আছেন,যাদের বাচ্চার বয়স ২ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বুকের দুধ খাওয়ানো চলতেই থাকে। বাচ্চাও যেন এটা ছাড়তে চায় না...
02/04/2026

অনেক মা আছেন,যাদের বাচ্চার বয়স ২ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরও বুকের দুধ খাওয়ানো চলতেই থাকে। বাচ্চাও যেন এটা ছাড়তে চায় না।কান্না, জেদ, ঘুম সবকিছুর সাথেই জড়িয়ে যায় বুকের দুধ।

কিন্তু এই বয়সে শিশুর প্রধান পুষ্টির উৎস হওয়া উচিত পারিবারিক স্বাভাবিক খাবার।ভাত, ডাল, মাছ, ডিম, শাকসবজি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বাচ্চা বারবার বুকের দুধ খেতে চায় বলে সে অন্য খাবারের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ফলে তার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ঘাটতি তৈরি হতে পারে, এমনকি রক্তস্বল্পতাও দেখা দিতে পারে।

শুধু খাবারের বিষয়ই নয়, শিশুর মানসিক ও আচরণগত দিকেও প্রভাব পড়তে পারে। যদি প্রতিটি কান্না, অস্থিরতা বা ঘুমের জন্যই বুকের দুধ দেওয়া হয়, তাহলে শিশু ধীরে ধীরে অন্যভাবে নিজেকে শান্ত করা শেখে না। এতে তার নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা গড়ে উঠতে দেরি হয় এবং সে মায়ের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ঘুমের সমস্যা। অনেক শিশুই রাতে বারবার দুধ খাওয়ার অভ্যাস ধরে রাখে, যার ফলে তার স্বাভাবিক ঘুমের ধরণ ব্যাহত হয়। এতে মা ও শিশু দুজনেরই পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয় না।

এছাড়া দাঁতের দিক থেকেও ঝুঁকি থাকে, বিশেষ করে রাতে দুধ খাওয়ার পর যদি মুখ পরিষ্কার না করা হয়। এতে দাঁতে ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তবে হঠাৎ করে বুকের দুধ বন্ধ না করে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা উচিত। শিশুকে স্বাভাবিক খাবারের দিকে আগ্রহী করে তুলতে হবে, এবং দুধের পরিবর্তে অন্যভাবে তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।যেমন গল্প বলা, কোলে নেওয়া, বা খেলাধুলা করা।

২ বছরের পর বুকের দুধ নিজে সমস্যা নয়। কিন্তু যদি এটা শিশুর খাবার, ঘুম ও আচরণের উপর আধিপত্য বিস্তার করে, তখনই তা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

সুস্থভাবে বেড়ে উঠুক আমাদের শিশুরা।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

হাসপাতাল বা চেম্বারে আসা প্রতিটি রোগীর ক্ষেত্রে গতানুগতিক চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশনের বাইরে যে জিনিসগুলো আমি মেনে চলার চেষ্...
01/04/2026

হাসপাতাল বা চেম্বারে আসা প্রতিটি রোগীর ক্ষেত্রে গতানুগতিক চিকিৎসা ও প্রেসক্রিপশনের বাইরে যে জিনিসগুলো আমি মেনে চলার চেষ্টা করিঃ
-তাকে পর্যাপ্ত সময় দিতে,
-তার কথাগুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনতে,
-সহজ ভাষায় তার রোগ ও চিকিৎসা বিষয়ে সবকিছু বুঝিয়ে বলতে।

কারণ আমি মনে করি,যখন আমি রোগীকে সময় নিয়ে কাউন্সেলিং করবো, তার কথাগুলো মনোযোগী শ্রোতা হিসেবে শুনবো, একটা বড় সময় ব্যয় করবো রোগীকে তার রোগ ও সমস্যাগুলো বুঝিয়ে দিতে.... তখন আমি শুধু চিকিৎসক নই, হয়ে উঠবো তার ভরসার পাত্রী।

💢💢 আমাকে কাছে চিকিৎসা নিয়েছেন ,সেইসব নারীদের ও মায়েদের অভিজ্ঞতাগুলো কমেন্টে
জানান 💢💢

আমার নিজের মধ্যে আরো কি কি improvement প্রয়োজন সেটা বুঝতে পারবো।

সবার জন্য ভালোবাসা অবিরাম ♥️💙♥️।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

ডেলিভারি পরবর্তী জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কতটা জরুরী?ডেলিভারির পর অনেক মা মনে করেন,এখন তো বাচ্চা হয়েছে, কিছুদিন আর হবে ন...
01/04/2026

ডেলিভারি পরবর্তী জন্ম নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কতটা জরুরী?

ডেলিভারির পর অনেক মা মনে করেন,এখন তো বাচ্চা হয়েছে, কিছুদিন আর হবে না!
কিন্তু বাস্তবে এই সময়টাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ আপনার শরীর তখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। গর্ভাবস্থা আর ডেলিভারির চাপের পর আপনার জরায়ু, রক্তের মাত্রা, হরমোন সবকিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এই সময়টাতে শরীরকে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেওয়া খুবই জরুরি।

এই অবস্থায় যদি হঠাৎ করে আবার প্রেগন্যান্সি হয়ে যায়, তাহলে সেটা মা ও বাচ্চা দুজনের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। মায়ের ক্ষেত্রে রক্তশূন্যতা বেড়ে যেতে পারে, দুর্বলতা বাড়ে, আগের সিজারিয়ান থাকলে সেলাইয়ের জায়গায় চাপ পড়ে। আর বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রিম্যাচিউর জন্ম, কম ওজন এগুলো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এখানে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।
ডেলিভারির পরপর যদি অপ্রত্যাশিতভাবে গর্ভধারণ হয়ে যায়, তখন অনেকেই সেটা রাখতে চান না। কিন্তু এই অবস্থায় গর্ভপাত করানো আগের চেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। কারণ তখন আপনার জরায়ু এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি, শরীরে দুর্বলতা থাকতে পারে, রক্তশূন্যতা থাকতে পারে। ফলে গর্ভপাত করাতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, ইনফেকশন, এ ধরনের জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বিশেষ করে যদি সাম্প্রতিক সময়ে সিজারিয়ান হয়ে থাকে, তাহলে ঝুঁকিটা আরও বেশি হয়।
অর্থাৎ, প্রথমে অপ্রত্যাশিত গর্ভধারণ, তারপর সেটি নষ্ট করার চেষ্টা;এই পুরো প্রক্রিয়াটা আপনার শরীরের জন্য দ্বিগুণ ঝুঁকির।

তাই আমি সবসময় একটা কথাই জোর দিয়ে বলি প্রেগন্যান্সি হয়ে যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেয়ে, আগে থেকেই প্রতিরোধ করা অনেক বেশি নিরাপদ এবং বুদ্ধিমানের কাজ।

আপনি যদি এখন থেকেই একটা সঠিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি শুরু করেন, তাহলে এই অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি থেকে নিজেকে পুরোপুরি রক্ষা করতে পারবেন। আপনার শারীরিক অবস্থা, বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন কিনা, এবং কতদিন গ্যাপ চান এই বিষয়গুলো দেখে আমরা সহজেই আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ও নিরাপদ পদ্ধতিটি নির্বাচন করে দিতে পারি।

সুতরাং, এই সময়টাকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। নিজের শরীরকে সময় দিন, সুস্থ হতে দিন, এবং পরিকল্পিতভাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিন।

ডাক্তারদের উপরে আস্থা রাখুন।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

 #ভুল_ধারণা_গুলো_ভেঙ্গে_ফেলি সব সিজারিয়ানই কি ডাক্তারদের ইচ্ছায় হয়??অনেকেই মনে করেন, সিজারিয়ান অপারেশন মানেই ডাক্তারদের ...
31/03/2026

#ভুল_ধারণা_গুলো_ভেঙ্গে_ফেলি
সব সিজারিয়ানই কি ডাক্তারদের ইচ্ছায় হয়??

অনেকেই মনে করেন, সিজারিয়ান অপারেশন মানেই ডাক্তারদের সিদ্ধান্ত, বা কখনো কখনো ইচ্ছাকৃত করা। কিন্তু সেটা সব সময় সত্য নয়।

গর্ভধারণ ও প্রসব এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, কিন্তু সব সময় তা স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে মায়ের বা বাচ্চার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। সেই মুহূর্তে দ্রুত ও নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই একজন চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব।
যেমনঃ
১) বাচ্চার হার্টবিট হঠাৎ কমে যাওয়া।
২) প্রসব বেদনা দীর্ঘসময় ধরে হলেও অগ্রগতি না হওয়া।
৩) গর্ভফুল নিচে থাকা বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
৪) বাচ্চার অবস্থান ঠিক না থাকা (যেমন উল্টো হয়ে থাকা)।
৫)মায়ের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা অন্য জটিলতা।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে অপেক্ষা করা মানে হতে পারে বিপদকে ডেকে আনা। তখন সিজারিয়ান কোনো পছন্দ নয়,এটা হয়ে যায় জীবন বাঁচানোর উপায়।
অনেক মা নিজেও ভয়, কষ্ট বা পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে সিজারিয়ান চেয়ে থাকেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে দেরিতে হাসপাতালে আসা, বা পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকা এসব কারণেও জরুরি সিজারিয়ান প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

তাই সব সিজারিয়ানকে এক চোখে দেখা ঠিক নয়।
একজন বিশেষজ্ঞ ও নীতিবোধসম্পন্ন ডাক্তার কখনোই অপ্রয়োজনে অপারেশন করতে চান না। কারণ অপারেশন মানেই অতিরিক্ত ঝুঁকি, দায়িত্ব, এবং জবাবদিহিতা।

আমাদের মনে রাখা উচিত,নরমাল ডেলিভারি ভালো যদি সবকিছু স্বাভাবিক থাকে।
সিজারিয়ান খারাপ নয়,যদি সেটাই মা ও শিশুর নিরাপত্তার একমাত্র পথ হয়!

সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই একটি নতুন জীবনের নিরাপদ আগমনের চাবিকাঠি।
আপনার আশেপাশে কেউ যদি এই ভুল ধারণা পোষণ করে থাকেন, দয়া করে এই লেখাটি তার সাথে শেয়ার করুন।

নিরাপদ থাকুক প্রতিটি গর্ভবতী মা ও তার অনাগত সন্তান।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

প্রথম ১টি বা ২টি বাচ্চা সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারি হওয়ার পর পরবর্তী প্রেগনেন্সিতে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব কি?অনে...
29/03/2026

প্রথম ১টি বা ২টি বাচ্চা সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারি হওয়ার পর পরবর্তী প্রেগনেন্সিতে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব কি?

অনেকেই মনে করেন,১ বার বা ২ বার সিজার হলেও ৩য় বারে নরমাল ডেলিভারি ট্রাই করব....ইচ্ছাটা স্বাভাবিক। কিন্তু VBAC (সিজারের পর নরমাল ডেলিভারি) কোনো সাধারণ নরমাল ডেলিভারি নয়। এটি একটি high-risk monitored process, যেখানে হঠাৎ করেই জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো জরায়ু ফেটে যাওয়া (uterine rupture)। এটি যখন ঘটে তখন মা ও বাচ্চা দুজনের জীবনই কয়েক মিনিটের মধ্যে ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। এই অবস্থায় দ্রুত সিদ্ধান্ত ও সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন করাই একমাত্র নিরাপদ পথ।

দিনাজপুরের মতো তুলনামূলক কম সুবিধাসম্পন্ন এলাকায় VBAC (সিজারের পর নরমাল ডেলিভারি) নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের আবেগ না, বাস্তবতা দেখতে হবে।

এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি কি সব জায়গায় থাকে?
বাস্তবতা হলো, অনেক ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন CTG মনিটরিং থাকে না,সবসময় দক্ষ এনেস্থেটিস্ট বা সার্জন উপস্থিত থাকেন না,রক্তের ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায় না,
এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,জরুরি সিজার করার জন্য ১০–১৫ মিনিটের মধ্যে OT প্রস্তুত করা সম্ভব হয় না।
আর VBAC-এ 'যদি পাওয়া যায়'বা 'হয়তো সম্ভব' এ ধরনের অনিশ্চয়তা গ্রহণযোগ্য না। এখানে প্রয়োজন নিশ্চিত প্রস্তুতি, কারণ সামান্য দেরিও মারাত্মক ফল বয়ে আনতে পারে।

তাই যেখানে পূর্ণাঙ্গ emergency setup নিশ্চিত করা যাবে না, সেখানে VBAC চেষ্টা না করে planned repeat C-section-ই বেশি নিরাপদ বিকল্প।

নরমাল ডেলিভারি চাওয়াটা ভুল নয়,
কিন্তু নিরাপত্তার সাথে আপস করে সেই চেষ্টা করা,সেটা কখনোই বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত নয়।
সচেতন হোন, সঠিক তথ্য জানুন,
কারণ একটি সঠিক সিদ্ধান্ত দুইটি জীবনকে নিরাপদ রাখতে পারে।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

Address

MicroLab Diagnostic Centre, Law College More
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care:

Share