Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care

Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care নারীর স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বের যত্নে বিশ্বস্ত সঙ্গী, দিনাজপুরে আপনার পাশে সর্বদা।

👩‍⚕️ "আমি ডা. রুখসানা লিজা — আপনার সুস্থতা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও হাসি আমার প্রথম অগ্রাধিকার।"

🤝 "প্রতিটি রোগী আমার কাছে পরিবার, আর পরিবারের জন্যই সবচেয়ে যত্নশীল চিকিৎসা।"

💐 "দিনাজপুরে আধুনিক ও আন্তরিক গাইনী ও অবস সেবা — আপনার পাশে, সবসময়।"

💖 "শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিটি মায়ের জন্য ভালোবাসা, যত্ন আর নিরাপত্তা।"

📍 "আপনার গল্প শুনি, আপনাকে বুঝি, আর আপনাকে নিয়ে হাঁটি সুস্থতার পথে।"


👩‍⚕️ ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
📞 সিরিয়ালের জন্য 01755-305253

অনুগল্পঃরিপোর্ট হাতে নিয়ে বললেন,'সব নরমাল লেখা আছে।'আমি বললাম,'কিন্তু আপনি নরমাল নেই।'চেম্বারটা তখনহঠাৎ খুব নীরব হয়ে গেল...
29/12/2025

অনুগল্পঃ
রিপোর্ট হাতে নিয়ে বললেন,
'সব নরমাল লেখা আছে।'
আমি বললাম,
'কিন্তু আপনি নরমাল নেই।'
চেম্বারটা তখন
হঠাৎ খুব নীরব হয়ে গেল।

"শুভ রাত্রি"

আসুন আজকে গল্প করি।খেয়াল করে দেখলাম,যেহেতু আমার বেশির ভাগ সময় কাটে রোগবালাই নিয়ে,আশেপাশের মানুষগুলোও বেশিরভাগই শুধু রোগব...
29/12/2025

আসুন আজকে গল্প করি।খেয়াল করে দেখলাম,
যেহেতু আমার বেশির ভাগ সময় কাটে রোগবালাই নিয়ে,আশেপাশের মানুষগুলোও বেশিরভাগই শুধু রোগবালাই নিয়েই আমার সাথে কথা বলে।

কিছুদিন আগে দেবরের বিয়ে হল।পরিবারের সকল আত্মীয়-স্বজন এসেছে। অনেকের সাথে বহু বছর পর দেখা। কুশল বিনিময়ের পরপরই দেখা যায় আলোচনা আমার সাথে শারীরিক অসুস্থতা দিয়ে শেষ হয়।যদিও আমি এ বিষয়ে খুব পজিটিভ।
সবার সব সমস্যা খুব মন দিয়ে শুনি। মন দিয়ে শোনাটাও এক ধরনের চিকিৎসা।

কিন্তু অসুস্থতার বাইরেও আমার,আমাদের সবার একটি খুব সুন্দর জীবন আছে। যেখানে আমাদের মা বাবা ভাই বোন রয়েছে, আমাদের সন্তানরা রয়েছে, বাগানে অসম্ভব প্রিয় সব গাছ রয়েছে,
বুক শেলফ ভর্তি অনেক অনেক গল্পের বই রয়েছে,
প্রিয়জনদের নিজ হাতে বিভিন্ন পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ানোর শখ রয়েছে,সময় পেলেই পরিবার নিয়ে সুন্দর সুন্দর জায়গা ভ্রমনের প্রবনতা রয়েছে,
খুব ভোরে অথবা মধ্যরাতে প্রিয় মানুষটির হাত ধরে লং ড্রাইভে মাইলের পর মাইল রাস্তা চলে যাওয়ার পাগলামি রয়েছে।আরও আরও অনেক অনেক কিছুই রয়েছে।

আপনাদের গুলো জানতে চাই। সারাদিনের সাদামাটা গৎ বাধা জীবনের বাইরে কে কি করতে পছন্দ করেন??সবাই সবার ভালোলাগার কাজগুলো আমাদের এই পরিবারে শেয়ার করি চলুন।সাথে ছবিও শেয়ার করতে পারেন চাইলে।

অপেক্ষায় রইলাম।
শুভ সকাল ❤️❤️

ইন্টারনেট বনাম ডাক্তার!কার কথা শুনবেন?চেম্বারে প্রায় প্রতিদিনই এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই ইদানিং। রোগী বসেই বলে,ম্যাডাম গু...
27/12/2025

ইন্টারনেট বনাম ডাক্তার!
কার কথা শুনবেন?
চেম্বারে প্রায় প্রতিদিনই এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই ইদানিং। রোগী বসেই বলে,ম্যাডাম গুগলে দেখলাম এটা নাকি খুব সিরিয়াস!অথবা,ফেসবুকে একজন বলেছে এই ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে!

আমি মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথাগুলো শুনি।কারণ দোষটা পুরোপুরি রোগীর না।ইন্টারনেট আজ হাতের মুঠোয়। দুই মিনিটে লক্ষণ লিখলেই হাজারটা উত্তর।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে,ইন্টারনেট আপনাকে চেনে না,আপনার বয়স জানে না,আপনার শরীরের ইতিহাস জানে না,আপনার রিপোর্ট দেখেনি।

একই উপসর্গে দশজন নারীর দশটা আলাদা কারণ থাকতে পারে।সেটা বোঝার জন্য দরকার কথা বলা, পরীক্ষা করা, প্রশ্ন করা,যেটা গুগল করতে পারে না।
আরেকটা জিনিস আমি খুব দেখি,
ইন্টারনেট পড়ে রোগীরা আগেই ভয় পেয়ে যান।
বেশিরভাগ সময়ে আসলে তেমন কিছুই থাকে না।
ভয়টাই তখন সবচেয়ে বড় রোগ হয়ে দাঁড়ায়।

আমি ইন্টারনেটের বিপক্ষে না।তথ্য জানাটা খারাপ না।কিন্তু সমস্যা হয় যখন ইন্টারনেট ডাক্তারের জায়গা নিতে শুরু করে।ইন্টারনেট আপনাকে আইডিয়া দিতে পারে,ডাক্তার আপনাকে সিদ্ধান্ত দেয়।ইন্টারনেট লক্ষণ বলে,ডাক্তার কারণ খুঁজে বের করে।ইন্টারনেট ভয় দেখায়,ডাক্তার ভয়টা কমায়।

সবচেয়ে খারাপ যেটা হয় গুগল দেখে নিজে নিজে ওষুধ শুরু করা।তারপর কয়েকদিন ভালো, আবার আগের চেয়ে খারাপ।শেষে এসে বলেন,ম্যাডাম অনেক কিছু খেয়ে ফেলেছি।

আমি সবসময় বলি,আপনি চাইলে গুগলে পড়বেন, ফেসবুক দেখবেন।কিন্তু চূড়ান্ত কথা বলার দায়িত্ব ডাক্তারকেই দিন।কারণ আপনি একজন মানুষ।ভয় পেলে আসুন।লজ্জা পেলে আসুন।কনফিউজড হলে আসুন।ইন্টারনেট বন্ধুর মতো হতে পারে,
কিন্তু চিকিৎসার দায়িত্ব বন্ধুকে নয়,
ডাক্তারকেই দিন।

সবাই ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

শীতে কি সাদা স্রাব বেড়ে যায়?শীত এলেই অনেক নারী ধীরে ধীরে একটা অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করেন।ব্যথা নয়, জ্বর নয়,শীতে কেন য...
22/12/2025

শীতে কি সাদা স্রাব বেড়ে যায়?

শীত এলেই অনেক নারী ধীরে ধীরে একটা অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করেন।ব্যথা নয়, জ্বর নয়,শীতে কেন যেন সাদা স্রাবটা বেশি হচ্ছে!লজ্জা, দ্বিধা আর ভয়ের কারণে বেশিরভাগ নারী বিষয়টা চেপে যান।

কিন্তু শীতে সাদা স্রাব বেড়ে যাওয়া খুবই সাধারণ একটি ঘটনা।শীতকালে শরীরের হরমোনাল কার্যক্রমে সামান্য পরিবর্তন আসে। পাশাপাশি আমরা গরম কাপড় বেশি পরি, টাইট লেগিংস বা সিনথেটিক অন্তর্বাস ব্যবহার করি, পানি খাওয়াও কমে যায়। এসব মিলেই যোনি অঞ্চলে আর্দ্রতা জমে, বাতাস চলাচল কমে যায়।ফলে স্বাভাবিক সাদা স্রাবের পরিমাণ একটু বেড়ে যেতে পারে।

এই ধরনের স্রাব সাধারণত-
-গন্ধহীন হয়,
-চুলকানি বা জ্বালাপোড়া থাকে না,
-রং স্বচ্ছ বা দুধের মতো হয়।
এ অবস্থায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই।এটা শরীরের স্বাভাবিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অংশ।

কিন্তু যখন এই স্রাবের সঙ্গে দুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া, হলুদ বা সবুজ রঙ, দইয়ের মতো ঘন ভাব, সহবাসে ব্যথা বা প্রস্রাবে জ্বালা,এগুলো থাকে, তখন সেটা স্বাভাবিক নয়। শীতকালে অনেক সময় এসব উপসর্গ হালকা থাকে, তাই নারীরা গুরুত্ব দেন না। অথচ ভেতরে ভেতরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে।ফাঙ্গাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন নীরবে ক্ষতি করে যায়।

এই অবস্থায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে রোগীরা যা অবশ্যই করবেনঃ

প্রথমত, পানি।শীতে পিপাসা কম লাগে,কিন্তু শরীরের প্রয়োজন কমে না। পানি কম খেলে যোনির স্বাভাবিক pH ও self-cleansing ক্ষমতা নষ্ট হয়। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি না খেলে ইনফেকশন হওয়ার রাস্তা নিজেই খুলে দেন।

দ্বিতীয়ত, অন্তর্বাস ও পোশাকের বাছাই।
টাইট লেগিংস, সিনথেটিক অন্তর্বাস, সারাদিন একই কাপড়,এগুলো শীতে সবচেয়ে বড় শত্রু। বাতাস চলাচল বন্ধ হলে ফাঙ্গাস বাড়ে। কটন অন্তর্বাস ব্যবহার করবেন, ভিজে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বদলাবেন।

তৃতীয়ত, অতিরিক্ত পরিষ্কার করা বন্ধ করুন।
বারবার সাবান, ফেমিনিন ওয়াশ, ডুচিং এসব যোনিকে পরিষ্কার করে না, বরং প্রাকৃতিক সুরক্ষা ধ্বংস করে। বাইরে হালকা পানি যথেষ্ট। ভেতরে কিছু ঢোকানোর দরকার নেই।

চতুর্থত, নিজে নিজে ওষুধ নয়।
একবার ভালো হয়েছে বলে আগের ওষুধ আবার খাওয়া,এটা ঠিক নয় । এতে ইনফেকশন লুকিয়ে যায়, পরে আরও জটিল হয়ে ফিরে আসে।

পঞ্চমত, লক্ষণকে ছোট করে দেখবেন না।
চুলকানি, দুর্গন্ধ, রঙ বদল,গুলো শরীরের সতর্ক সংকেত।শীত বলে এমন হচ্ছে,ভেবে এড়িয়ে গেলে ক্ষতিটা আপনারই।

শীত হোক বা অন্য কোনো ঋতু আসুন নিজের শরীরকে অবহেলা নয়, যত্ন দেই ।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

'বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মা হওয়ার সঠিক বয়স'বাংলাদেশে 'মা' হওয়া এখনো অনেক ক্ষেত্রে একজন দম্পতির নিজ সিদ্ধান্ত নয়,পরিবা...
17/12/2025

'বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মা হওয়ার সঠিক বয়স'

বাংলাদেশে 'মা' হওয়া এখনো অনেক ক্ষেত্রে একজন দম্পতির নিজ সিদ্ধান্ত নয়,পরিবার ও সমাজের চাপের ফল।গ্রামে মেয়েরা খুব অল্প বয়সেই মা হয়ে যায়,কারণ সেটাকেই স্বাভাবিক ধরা হয়। আবার শহরে পড়াশোনা,ক্যারিয়ার,দায়িত্বের চাপে মা হওয়া পিছোতে পিছোতে অনেক সময় শরীরের ও বাচ্চার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। দুই দিকেই ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত পড়ে নারীর শরীর আর সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপর।

মেডিক্যাল সায়েন্স এক্ষেত্রে বেশ পরিষ্কার। ২৫–৩২ বছর,এই সময়টাকে ধরা হয় প্রথমবার মা হওয়ার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ সময়।
কেন?
১)ডিম্বাণুর মান ভালো থাকে
২)গর্ভধারণ সহজ হয়
৩)গর্ভপাত, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, ডায়াবেটিস, জটিল ডেলিভারির ঝুঁকি কম থাকে।
৪)মায়ের শরীর ও মন দুটোই তুলনামূলক প্রস্তুত থাকে।

১৮ বছরের আগে মা হলে যেসব ঝুঁকি থাকেঃ
১)মায়ের জন্য ঝুঁকি
-শরীর পূর্ণতা পায়না।রক্তস্বল্পতা মারাত্মক আকার ধারণ করে।
-পেলভিস ছোট থাকে।ফলাফল দীর্ঘ প্রসব, ইনস্ট্রুমেন্টাল ডেলিভারি বা সিজারিয়ান সেকশন।
-প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া ও এক্ল্যাম্পসিয়ার ঝুঁকি।
-প্রসব পরবর্তী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
-দীর্ঘমেয়াদে ইউটেরাস প্রোলাপ্স, প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা।

২) শিশুর জন্য ঝুঁকি
-কম ওজন নিয়ে জন্ম
-প্রি-টার্ম বেবি
-নবজাতক মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি
-বাচ্চা বারবার অসুস্থ হওয়া।

৩)যে ঝুঁকিটা কেউ বলে না
- মানসিক ট্রমাঃ একটা কিশোরী হঠাৎ করে স্ত্রী, মা হয়ে যায়, নিজের শরীর, সিদ্ধান্ত, স্বপ্ন সবই হারিয়ে ফেলে।

বেশি বয়সে (৩৫+) প্রথমবার মা হওয়া:
১)মায়ের ঝুঁকি
-গর্ভপাতের হার বেড়ে যায়
-গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ও হাই প্রেসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
-সিজারিয়ানের সম্ভাবনা বেশি
-ডেলিভারির পর রিকভারি ধীর।

২)শিশুর ঝুঁকি
-ক্রোমোজোমাল সমস্যা (যেমন ডাউন সিনড্রোম)
-জন্মগত ত্রুটি
-NICU প্রয়োজন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
তবে এই বয়সে মা হওয়া অসম্ভব না, কিন্তু পরিকল্পনাহীন হলে বিপজ্জনক।

পরিশেষে একজন চিকিৎসকের দায়িত্ববোধ থেকে বলতে চাই,মা হওয়া কোনো তাড়াহুড়োর বিষয় না, আবার অহেতুক দেরিরও নয়। খুব অল্প বয়সে মা হলে শরীর অসময়ে ভেঙে পড়ে,আবার খুব বেশি দেরিতে হলে ঝুঁকি বেড়ে যায় নীরবে,ধীরে ধীরে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যখন একজন নারী শারীরিকভাবে প্রস্তুত, মানসিকভাবে পরিপক্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নিজের হাতে রাখতে পারে। বয়সের হিসেবে সেটা সাধারণত ২৫–৩২ বছরের মধ্যেই পড়ে।

সমাজ বদলাবে তখনই, যখন আমরা মেয়েদের শুধু মা হওয়ার তাড়া না দিয়ে সুস্থ মা হওয়ার সুযোগ দেবো। কারণ একজন সুস্থ মা মানেই একটা সুস্থ প্রজন্ম।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

17/12/2025

গত ২ দিনে বীরগঞ্জ থেকে অসংখ্য মেসেজ ও ফোন পেয়েছি।ইনবক্স ভর্তি বিভিন্ন জিজ্ঞাসা।
রোগীদের মনে উৎকণ্ঠা, বীরগঞ্জে আর যাবো কিনা?
গেলে কোথায় চেম্বার করবো?
আমাকে কোথায় সবাই পাবেন??

আপনাদের সবার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি,
এখন থেকে প্রতি শুক্রবার বীরগঞ্জে চেম্বার করবো
"দেশ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ'।

শুক্রবার ১৯/১২/২৫ ইং দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।

নারীর স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বের যত্নে বিশ্বস্ত সঙ্গী, দিনাজপুরে আপনার পাশে সর্বদা।

14/12/2025

নিজস্ব চিকিৎসাগত মূল্যায়ন ও রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে অনিবার্য কারণবশতঃ আমি বীরগঞ্জে ‘পেশেন্ট কেয়ার ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিকে’ রোগী দেখা ও চেম্বার কার্যকম বন্ধ রাখছি।

বীরগঞ্জে আমার নতুন চেম্বারের ঠিকানা অতি শীঘ্রই আপনাদের জানানো হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগঃ
ফোনঃ 01744703040,
01755-305253.
Whats app: 01744703040.

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

নারীর স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বের যত্নে বিশ্বস্ত সঙ্গী, দিনাজপুরে আপনার পাশে সর্বদা।

13/12/2025

রংপুর জিলা স্কুলে পড়তে ইচ্ছুক, দিনাজপুর জিলা স্কুল থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিতে চান।এমন কেউ আগ্রহী হলে এই নম্বরে যোগাযোগ করুন 01711798981.

13/12/2025

রংপুর জিলা স্কুলে পড়তে ইচ্ছুক দিনাজপুর জিলা স্কুল থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিতে চান।এমন কেউ আগ্রহী হলে এই নম্বরে যোগাযোগ করুন 01711798981.

'ক্যারিয়ার বনাম মাতৃত্ব'মেয়েদের জীবনে ক্যারিয়ার বনাম মাতৃত্ব আসলে কোনো বইয়ের অধ্যায় না।এটা প্রতিদিনের দরজায় কড়া নাড়া ...
11/12/2025

'ক্যারিয়ার বনাম মাতৃত্ব'

মেয়েদের জীবনে ক্যারিয়ার বনাম মাতৃত্ব আসলে কোনো বইয়ের অধ্যায় না।এটা প্রতিদিনের দরজায় কড়া নাড়া একটা বাস্তব যুদ্ধ।

অনেক মেয়ে আছেন চাকরি,ডিউটি, ক্লাস,গবেষণা সব চালিয়ে যেতে চান। আবার মা হওয়ার ইচ্ছেটাও প্রবল।সমাজ কিন্তু দুই দিকেই খুঁটিনাটি শর্ত লাগায়।
ক্যারিয়ারে ব্যস্ত হলে বলে-এই বয়সে মা না হলে পরে সমস্যা হবে।
মা হতে চাইলে বলে-এত পড়াশুনা করে ঘরে বসে থাকলে লাভ কি হলো?

সমাজ ধরে নেয়,একজন নারী একসাথে দুইটা বড় দায়িত্ব সামলাতে পারে না।অথচ বাস্তব হলো,খুব সামান্য সাপোর্ট সিস্টেম পেলেই নারী দুই দিকেই অসাধারণ পারফর্ম করতে পারে।

অনেক নারী মা হওয়ার পর নিজের পরিচয় হারিয়ে ফেলার ভয় পান। আবার চাকরিতে ফিরে গেলে 'আমি কি খারাপ মা?'এই অপরাধবোধ ঘিরে থাকে।এই অতিরিক্ত দায়িত্বের ওজন নারী একাই বহন করে।

তাহলে পথ কোথায়?

১) নিজের পথ ও গন্তব্য নিজে ঠিক করুন।মা হওয়ার বয়স,ক্যারিয়ারের মাইলস্টোন নিজে সেট করুন।কারো টেমপ্লেট কপি করা চলবে না।জীবন একেকজনের একেক রকম।
কারও মা হওয়া ২৬-এ ঠিক, কারও ৩৬-এ।আপনি সেটাই করবেন যেটা আপনার জীবনের সাথে মানায়।

২) সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তুলুন।আমার মতে এটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। স্বামী,পরিবার,হেল্পিং হ্যান্ড,ন্যানি যে কাউকে নিয়েই হোক। 'আমার সুনিপুণ ভাবে একাই সব করতে হবে' এই মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন।

৩)স্বামী ও পরিবারের 'হেল্প' নয়, 'শেয়ার' চান।
হেল্প মানে,কাজটা আমার,তুমি সাহায্য করো!
শেয়ার মানে,আমরা দুজনেই দায়িত্বের সমান পার্টনার।

৪) বিরতি কে ব্যর্থতা ভাববেন না।মাতৃত্বের কয়েক মাস/কয়েক বছর ক্যারিয়ারের পূর্ণচ্ছেদ না।এটা একটা বিরতি,আর বিরতি মানে পরাজয় নয়।

৫) নিজের ভেতরের অপরাধবোধকে ডিটক্স করুন। চাইলেই সবাই নিখুঁত মা হতে পারে না। সেটা হওয়ার প্রয়োজনও নেই।
গিল্ট ট্রিগার চিনে রাখুন।
-তুমি অফিসে গেলে বাচ্চা কষ্ট পায়।
-সন্তান সামলাতে না পারলে মা হও কেন?
এই ধরনের মানসিক ম্যানিপুলেশন ইগনোর করতে শিখুন।

৬)নিজের অর্থনৈতিক পরিচয় কখনও হারাবেন না।
যে নারী নিজের আয়, দক্ষতা ও নেটওয়ার্ক ধরে রাখে,তার সিদ্ধান্ত নেয়ার স্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি থাকে। মাতৃত্বে বিরতি নিলেও নিজের শেখা,স্কিল ও আপগ্রেডেশন থামাবেন না।

নারী চাইলে ক্যারিয়ার আর মাতৃত্ব দুটো পথই বেছে নিতে পারে।একটা বেছে নিলে সে অপরাধী না।আবার দুটো একসাথে সামলালে সে সুপারহিউম্যান না।

আপনার,আমার মতো কর্মজীবী মায়েরা সবাই এই গল্পের নায়িকা।তবে নায়িকা হওয়া মানে নিখুঁত হওয়া নয়।আমরা নিজের সত্যটা বেছে নিয়েছি।
আমরা প্রত্যেকে আমাদের গল্পকে সফলভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।

সেইসব মেয়েদের ও মায়েদের জন্য
ভালোবাসা অবিরাম 💝💝

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

শীতের নরম রোদ, কুয়াশার হালকা চাদর,আপনার সকালটাও হোক ঠিক তেমনই শান্ত আর সুন্দর।শুভ সকাল ❤️❤️।প্রতিদিনের সকাল আপনারা,কে ক...
08/12/2025

শীতের নরম রোদ, কুয়াশার হালকা চাদর,
আপনার সকালটাও হোক ঠিক তেমনই শান্ত আর সুন্দর।
শুভ সকাল ❤️❤️।

প্রতিদিনের সকাল আপনারা,
কে কিভাবে শুরু করেন?
কমেন্ট এ জানান।

ছবি গল্প-
কোন এক সকালে আমার ছোট্ট বাগানে।

Miscarriage  Misconceptions-বাঙালি সমাজের ভুল ধারণা,যেগুলো মায়েদের অকারণে দোষী করে তোলে।গর্ভপাত নিয়ে আমাদের সমাজে যত ভুল...
07/12/2025

Miscarriage Misconceptions-
বাঙালি সমাজের ভুল ধারণা,যেগুলো মায়েদের অকারণে দোষী করে তোলে।

গর্ভপাত নিয়ে আমাদের সমাজে যত ভুল ধারণা ছড়িয়ে আছে,তার বেশিরভাগেরই কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।তবু আশ্চর্যভাবে প্রথমেই দোষ চাপানো হয় মায়ের ঘাড়ে।যেন পুরো ঘটনার পিছনে একমাত্র দায়ী তিনিই।
কিন্তু সত্য হলো,গর্ভপাত অধিকাংশ সময়ই ঘটে এমন কিছু কারণে,যেগুলো মায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। শরীরের ভেতরে যখন ভ্রূণের ক্রোমোজোমাল সমস্যা হয়,শরীর নিজেই সেই গর্ভধারণটিকে এগিয়ে নিতে পারে না। এটি শরীরের প্রাকৃতিক ছাঁটাই প্রক্রিয়া, যাতে ভবিষ্যতের বড় জটিলতা থেকে মা সুরক্ষিত থাকেন।

তবু সমাজ বলে-
হয়তো বেশি হাঁটছো,ভারী কাজ করেছো,হয়তো উত্তেজিত হয়েছিলে,হয়তো ঝাল খেয়েছো,সন্ধ্যাবেলা গোসল করেছ,খারাপ বাতাস লেগেছে,জ্বীনের আছর ইত্যাদি।

এসব কথার পেছনে কোনো বিজ্ঞান নেই। কিন্তু প্রতিটি কথা মায়ের মনের ওপর এমন চাপ ফেলে,যা শারীরিক কষ্টের থেকেও গভীর।যেন তিনি নিজে ইচ্ছে করেই তার শিশুকে হারিয়েছেন।এই ভুল বোঝাবুঝি থেকেই জন্ম নেয় অপরাধবোধ।

আরেকটি প্রচলিত ভুল ধারণা হলো,গর্ভপাত মানেই ‘শরীরে সমস্যা’।অথচ বেশিরভাগ সময়ই এটি একবারের ঘটনা এবং পরবর্তী গর্ভধারণ সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে এগোয়।একজন নারীর একটি গর্ভপাত হলেই তিনি দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ মা হয়ে যান না।
আরো একটি অদ্ভুত বিশ্বাস,গর্ভপাত লুকিয়ে রাখার বিষয়। যেন এ নিয়ে কথা বললে লজ্জা বাড়ে। কিন্তু সত্যি কথা হলো,এ অভিজ্ঞতা একা সামলানো অনেক কঠিন।গল্পটা বলা হলে অনেক নারী বুঝতে পারতেন, এ পথ দিয়ে লাখো মানুষই গেছে।শুধু কেউ এটা আরেকজনের সাথে শেয়ার করেনি।

সব শেষে বলতে চাই,গর্ভপাত কোনো নারীর ব্যর্থতা নয়।এটা তার শরীরের বিরুদ্ধে নয়।এটা তার মাতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না।
দোষারোপ নয়,বোঝাপড়া দরকার।
চাপ নয় সমর্থন দরকার।
শোক নয়,সেরে ওঠার সুযোগ দরকার।

কারণ মাতৃত্ব শুরু হয় জন্ম দিয়ে নয়,ভালোবাসা দিয়ে।আর ভালোবাসার জায়গায় অপরাধবোধের কোনো স্থান নেই।

যেসব নারীরা একটি বা একাধিক মিস ক্যারেজের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন অথবা যাচ্ছেন তাদের জন্য অনেক দোয়া ও ভালোবাসা ❤️❤️।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

Address

MicroLab Diagnostic Centre, Law College More
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram