Dr. Al Ibrahim

Dr. Al Ibrahim Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Al Ibrahim, Doctor, BaluBari Panir Tanki Mor, Dinajpur.
(1)

আসসালামু আলাইকুম ❤️
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, এবং সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা অনলাইনে পেতে কল করুন - 01821609297 (হোয়াটসঅ্যাপ) অথবা পেজে ইনবক্স করুন।
চেম্বার লোকেশনঃ বালুবাড়ী পানির ট্যাংকি মোড়, সদর, দিনাজপুর।

🛑নখকুনির হোমিও ঔষধ 🛑♦️Antimonium Crudum-নখ মোটা, বিকৃত ও ভঙ্গুর।-নখের চারপাশে ব্যথা-দীর্ঘদিনের সমস্যা।-রোগী শীতকাতর।-গোস...
20/04/2026

🛑নখকুনির হোমিও ঔষধ 🛑
♦️Antimonium Crudum

-নখ মোটা, বিকৃত ও ভঙ্গুর।
-নখের চারপাশে ব্যথা
-দীর্ঘদিনের সমস্যা।
-রোগী শীতকাতর।
-গোসল করতে ভয় পায়।
-রোমান্টিক। চাঁদের আলো ভালোবাসে।

♦️Silicea
-বার বার পুঁজ হয় এবং সেখান থেকে খুব দুর্গন্ধ বের হয়। প্রচন্ড ব্যথা।
-নখ খুব দুর্বল, সহজে ভেঙে যায়।
-নখ ঠিকমতো বাড়ে না।
-পুঁজ/ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা।
-কোষ্ঠকাঠিন্য
-হাত পায়ের তলা ঘামে। ঘামে প্রচন্ড দুর্গন্ধ।
-ইনজেকশনের ভয়।

♦️Hepar sulph

-নখের চারপাশ ফুলে পুঁজ হবে।
- সেখানে প্রচন্ড ব্যথা হবে হাত ছোয়ানো যায় না
এমন ব্যথা।
-ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ে, তাপে বা গরমে ভালো লাগে।

♦️Belladonna
-রোগের প্রাথমিক অবস্থায় প্রয়োজন। পুঁজ হওয়ার আগে বেশি ব্যবহৃত হবে।
-প্রদাহিত স্থানে দপদপ কর ব্যথা। জ্বালা, ফোলা, লাল উত্তপ্ত এবং স্পর্শকাতর হবে।

♦️Graphites
-নখ বিকৃত, ফাটা।
-নখের চারপাশে ফাটল ও আঠালো স্রাব।
-ত্বক শুষ্ক,রুক্ষ, ফাটা।
-সংগীত অপছন্দ। সংগীতে কান্না করে দেয়।
-লবণ,মিষ্টি অপছন্দ।

♦️Sulphur
-নখ রুক্ষ, ভঙ্গুর।
-চর্মরোগের ইতিহাস থাকলে
-গরমে সমস্যা বাড়ে
-প্রচন্ড নোংরা গোসল করে না।
-সামনের দিকে ঝুকে চলে।

♦️Thuja
-নখ বিকৃত, ভেঙে খসে যায়।
-ফাঙ্গাল সংক্রমণ থেকে।
-নখ ঢেউ খেলানো।
-নখের রঙ বদলে গেলে।
-রোগীর স্বপ্ন বহুল নিদ্রা।
-নানান ভ্রান্ত ধারণা থাকে।

♦️Arsenicum Album
-নখ পাতলা, ভঙ্গুর।
-জ্বালা বা ব্যথা
-ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ে
-রোগী প্রচন্ড পরিস্কার পরিচ্ছন্ন।
-স্বার্থপর, লোভী এবং কৃপণ।

♦️Nitric Acid

-নখে ফাটল,নখে পুঁজ হয়, ক্ষত হয় এবং সেখানে সুচ ফোটানোর মত ব্যথা হয়।
-চাপ দিলে ব্যাথা করে।
-কোষ্ঠকাঠিন্য। প্রায়ই পাইলস এর সমস্যা।
-প্রচন্ড রাগী।
-একবার কারো উপর রাগ করলে ক্ষমা করে না।

❤️❤️এছাড়া,Arnica mont,Hydrastis can,myristica,
M-aust(Magnetis Polus australis)Teucr ইত্যাদি মেডিসিন তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

🔶🔷সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

19/04/2026

� এনাকার্ডিয়াম ওরি – আপনার মেধা ও মানসিক শক্তির প্রাকৃতিক সমাধান।
৩ বছরের বাচ্চা থেকে যে কোন বয়সের মানুষ এই ঔষধটি নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন।
� ১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে — পড়াশোনায় বা কাজে মনোযোগ বাড়ায়, ভুলে যাওয়া কমায়।
� ২. মনোযোগ ও ফোকাস বাড়ায় — যাদের এক কাজে মন বসে না, তারা উপকার পাবেন।
� ৩. ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমায় — নাম, কথা বা কাজ ভুলে যাওয়া সমস্যা দূর করে।
� ৪. মানসিক চাপ ও ক্লান্তি কমায় — টেনশন, অতিরিক্ত চিন্তা, পড়ার চাপ – সবকিছুতে প্রশান্তি আনে।
� ৫. আত্মবিশ্বাস বাড়ায় — যারা সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পান বা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন, তাদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
� ৬. পড়াশোনায় আগ্রহ জাগায় — ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।
� ৭. বিরক্তি, খিটখিটে মেজাজ কমায় — মানসিক স্থিতি ও ধৈর্য বাড়ায়।
� ৮. ভুলে যাওয়ার কারণে হওয়া হতাশা ও উদ্বেগ দূর করে।
� ৯. মানসিক দুর্বলতা ও স্নায়বিক দুর্বলতা একসাথে কমায়।
� ১০. বয়সজনিত মেমরি লস (memory loss) কমিয়ে মাথা সতেজ রাখে।

� ডোজ ও কোর্স: বিশাল ডিসকাউন্টে পাচ্ছেন।

হাফ কোর্স: ৩০ মি.লি. (১ মাসের জন্য) — � ৯৯৯ টাকা।

ফুল কোর্স: ৬০ মি.লি. (২ মাসের জন্য) — � ১৫০০ টাকা।
� ১০০% অরিজিনাল জার্মানির মেডিসিন
� কোন সাইড ইফেক্ট নেই, অন্য ঔষধের সাথেও নিরাপদে খাওয়া যায়।
� ১ মাসেই ফল অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ।

� অর্ডার করতে নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর ইনবক্সে দিন।

আপনার মেধা ও মনোযোগ ফিরে পান প্রাকৃতিক উপায়ে �

৩০ মাসের বাচ্চার অপারেশন?আমরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম… 😢⭐ কাস্টমার রিভিউ | এডিনয়েড (Adenoid) সমস্যা থেকে উন্নতি।👩‍👧 রোগী: তানি...
17/04/2026

৩০ মাসের বাচ্চার অপারেশন?
আমরা ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম… 😢
⭐ কাস্টমার রিভিউ | এডিনয়েড (Adenoid) সমস্যা থেকে উন্নতি।
👩‍👧 রোগী: তানিয়া (বয়স: ৩০ মাস)
👨‍⚕️ চিকিৎসা: হোমিওপ্যাথিক.
🗣️ অভিভাবকের অভিজ্ঞতা:
আমার বাচ্চা তানিয়ার এডিনয়েড সমস্যা ধরা পড়ে।
ওর নাক সবসময় বন্ধ থাকতো, মুখ দিয়ে শ্বাস নিতো, ঘুমের সময় নাক ডাকতো এবং মাঝে মাঝে মুখ দিয়ে লালা বের হয়ে যেতো।
প্রথমে একজন ডাক্তার দেখালে, প্রথম দিনেই অপারেশন করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন।
এত ছোট বাচ্চার জন্য বিষয়টা আমাদের কাছে অনেক ভয় লাগছিলো।
👉 এরপর আমরা ডা. আল ইব্রাহীম স্যারের শরণাপন্ন হই।
তিনি ধৈর্য সহকারে পুরো কেসটা বুঝে, অপারেশন না করে প্রথমে ২ মাস হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেন।
🌿 চিকিৎসা ও যত্নের ফলাফল:
✔️ এডিনয়েডের গ্রেড কমেছে
✔️ নাক ডাকা সম্পূর্ণ বন্ধ
✔️ মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক কমেছে
✔️ ঘুম এখন স্বাভাবিক
✔️ আগের মতো বারবার ঘুম ভেঙে যায় না
আলহামদুলিল্লাহ, এখন বাচ্চা অনেক ভালো আছে 😊
💊 হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিভঙ্গি:
ডা. আল ইব্রাহীম স্যার শিশুর পুরো constitution অনুযায়ী চিকিৎসা করেছেন,
যেখানে Adenoid enlargement কে শুধু লোকাল সমস্যা হিসেবে না দেখে,
শরীরের সামগ্রিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি:
❌ সব এডিনয়েডের ক্ষেত্রে অপারেশন দরকার হয় না
✔️ সঠিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি সম্ভব
তবে গুরুতর অবস্থায় অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
🙏 আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি:
যারা বাচ্চার এডিনয়েড নিয়ে চিন্তায় আছেন,
তারা হুট করে অপারেশনের সিদ্ধান্ত না নিয়ে
একবার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ট্রাই করে দেখতে পারেন।
📞 পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন-
ডা. আল ইব্রাহীম।
ডি.এইচ.এম.এস (রহোমেক)
বিএইচবি (ঢাকা)
কনসালটেন্টঃ হোমিও মেডিসিন (ক্রনিক ডিজিজ)
বিশেষজ্ঞঃ চর্ম, যৌন, মহিলা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ।
গভঃ রেজি. নং: ৪৬৪২৬
মোবাইল: 01821-609297 (হোয়াটসঅ্যাপ)
বিসমিল্লাহ হোমিও হল, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।

🛑মুখের অবাঞ্ছিত লোমের হোমিও ঔষধ🛑 ♦️Sepia  - হরমোন ভারসাম্যহীনতা  - গালের ওপর ও ঠোঁটের ওপর লোম  - মাসিক অনিয়ম, গা-হাত-পা ...
16/04/2026

🛑মুখের অবাঞ্ছিত লোমের হোমিও ঔষধ🛑

♦️Sepia
- হরমোন ভারসাম্যহীনতা
- গালের ওপর ও ঠোঁটের ওপর লোম
- মাসিক অনিয়ম, গা-হাত-পা ঠান্ডা
-জরায়ু সংক্রান্ত সমস্যা থাকবে।
-চিকন চাকান, পুরুষালি চেহারা।
-প্রচন্ড উদাসীনতা, মুখে মেসতা এবং বিষন্নের ছাপ।

♦️ Thuja Occidentalis
- ত্বকে আঁচিল, লোম বেশি ।
- হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
- ত্বকে তৈলাক্ত ভাব
-ঘামে মিষ্টি গন্ধ।
-স্বপ্নবহুল নিদ্রা।
-নানান ধরনের ভ্রান্ত ধারণা থাকে।
-পেটের ভিতর যেন জীবন্ত কিছু নড়াচড়া করে।

♦ Oleum Jecoris (Cod Liver Oil)
- দুর্বলতা, পুষ্টিহীনতা
- অতিরিক্ত লোম গজায়
- হরমোনাল ইমব্যালেন্স
-ঘন ঘন সর্দি কাশি লাগে।

♦️ Calcarea Carbonica
- স্থূলতা, অতিরিক্ত ঘাম
- হরমোন সমস্যা , মাসিকের সমস্যা।
- শরীরে ঘন লোম
-নানান ধরনের ভয় কাজ করে।
-ডিম খাবার প্রবল ইচ্ছা।
-দুধ পছন্দ নয় এবং সহ্য হয় না।

♦️Pulsatilla
-পিরিয়ড অনিয়মিত, দেরিতে হয়
পিরিয়ডের রং/পরিমাণ বারবার পরিবর্তন হয়।
PCOS-এর ক্ষেত্রে প্রায়ই ব্যবহৃত
-তৈলাক্ত খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে।মুখে তিতা/অরুচি
-খুব আবেগপ্রবণ, সহজে কাঁদে
সান্ত্বনা পেলে ভালো লাগে (Nat mur-এর উল্টো)
একা থাকতে চায় না, সঙ্গ চায়
মুড দ্রুত পরিবর্তন হয়।কোমল স্বভাব।

♦️Natrum muriaticum
-মানসিক দুঃখ-চাপ থাকলে,
-চুপচাপ, একা থাকতে চায়
পুরনো কষ্ট মনে রাখে
ঠোঁট ফাটা, ত্বক শুষ্ক
লবণ খেতে পছন্দ।
-কোষ্ঠকাঠিন্য, সান্ত্বনা পছন্দ নয়।

♦️Lycopodium clavatum
- মাসিকের গোলমাল
- গ্যাস-অম্বল এবং অতিরিক্ত লোম ।
- আত্মবিশ্বাসহীনতা
-প্রচন্ড সেন্টিমেন্টাল, ধন্যবাদ দিলেও কান্না করে।
-শীতকাতর, গরম খাবার এবং মিষ্টি খাবার পছন্দ।
-প্রচন্ড রাগী এবং কৃপণ স্বভাবের।

---

🔴🔴রোগীর সামগ্রিক লক্ষণাবলী নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে। টোটালিটি অফ সিমটম এর ভিত্তিতে যে মেডিসিন আসে সে মেডিসিন প্রেসক্রাইব করতে হবে। ধন্যবাদ।

🛑নাকের হাড় বাঁকার হোমিও ঔষধ 🛑★নাকের হাড় বাঁকা বলতে সাধারণত Deviated Nasal Septum (DNS) বোঝায়।নাকের ভেতরে যে মাঝের দেয়াল ...
13/04/2026

🛑নাকের হাড় বাঁকার হোমিও ঔষধ 🛑
★নাকের হাড় বাঁকা বলতে সাধারণত Deviated Nasal Septum (DNS) বোঝায়।
নাকের ভেতরে যে মাঝের দেয়াল (septum) থাকে, সেটি যদি সোজা না থেকে একদিকে বেঁকে যায়, তখন তাকে নাকের হাড় বাঁকা বা DNS বলা হয়।
♦️লক্ষণ
-এক পাশে বেশি নাক বন্ধ থাকে
-শ্বাস নিতে কষ্ট হয়
-ঘন ঘন সর্দি বা সাইনাসের সমস্যা
-নাক ডাকা (snoring)
-কখনও মাথাব্যথা

♦️চিকিৎসা:
-হালকা হলে ওষুধে নিয়ন্ত্রণ করা যায়.
-বেশি সমস্যা হলে অপারেশন (Septoplasty) করা লাগে।
🛑ব্যবহৃত হোমিও ঔষধ 🛑

♦️Lemna minor
নাকের হাড় বাঁকা।
নাক বন্ধ, বিশেষ করে সাইনাসের সমস্যা
নাক দিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।
নাকের পলিপ থাকলে ভালো কাজ করে।

♦️Teucrium marum verum
-নাকে পলিপ। নাকের হাড় বাঁকা। নাকে ঘ্রান শক্তি নেই।
-নাক চুলকায়, বারবার হাত দিতে ইচ্ছে করে
নাক বন্ধ ও অস্বস্তি,মনে হয় নাকের ভেতর কোন শক্ত জিনিস আছে। নাক ঝাড়লে সেটা বের হবে। এর সাথে গুড়া কৃমির সমস্যা থাকে।
♦️Kali bichromicum
ঘন, আঠালো (stringy) স্রাব।
সাইনাসে ব্যথা (বিশেষ করে কপালে)
নাক বন্ধ।
♦️ Nux vomica
-রাতে নাক বেশি বন্ধ
-ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ে
-অল্পতেই সর্দি লাগে।রাত জাগে।
ধূমপান মদপানের অভ্যাস,ভুনা খাবার পছন্দ।
প্রচুর রাগী,কোষ্ঠকাঠিন্য,পায়খানা পরিষ্কার হয় না।
♦️Silicea
দীর্ঘদিনের (chronic) সমস্যা।বারবার সাইনাস ইনফেকশন।শরীর দুর্বল, ঠান্ডা সহ্য হয় না।
-পায়খানা কষা,মল রিসিড করে।পা ঘামে।ঘামে দুর্গন্ধ।
♦️Arnica mont
- আঘাতের পর হলে প্রথমে ভাববো।
-গরম ভাপ নিলে আরাম।
-নাকে প্রচন্ড ব্যথা।রোগী নাক কোথাও ঘা লাগার ভয়ে থাকে।

❤️❤️এছাড়া,Alum,Lyco,caust,merc,ruta,staph,sulph,phos,conf calc,calc f
তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

🩺 থাইরয়েডের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের মেটাবলিজম, শক্তি উৎপাদন ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে ...
12/04/2026

🩺 থাইরয়েডের সমস্যা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের মেটাবলিজম, শক্তি উৎপাদন ও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটলে তা ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, বিশেষত হৃদযন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রাথমিক পর্যায়েই লক্ষণ শনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

────────────────────────
থাইরয়েডের প্রধান লক্ষণসমূহ

⚕️Hypothyroidism (হরমোনের স্বল্পতা)
• অতিরিক্ত ক্লান্তি
• ওজন বৃদ্ধি
• ঠান্ডা বেশি লাগা
• কোষ্ঠকাঠিন্য
• চুল পড়া

⚕️Hyperthyroidism (হরমোনের আধিক্য)
• ওজন হ্রাস
• বুক ধড়ফড়
• হাত কাঁপা
• অতিরিক্ত ঘাম
• মানসিক অস্থিরতা

সাধারণ লক্ষণ
• গলায় ফুলে যাওয়া (Goiter)

────────────────────────
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও নির্বাচন লক্ষণ

(রোগীর সামগ্রিক লক্ষণ ও মানসিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা হয়)

Calcarea Carbonica
স্থূল গঠন, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা, মাথায় অতিরিক্ত ঘাম, সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া

Sepia
হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, মানসিক উদাসীনতা, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা, ঠান্ডা-গরমে সংবেদনশীলতা

Lycopodium Clavatum
পেট ফাঁপা, গ্যাস, ডান পাশের সমস্যা, বিকালের দিকে উপসর্গ বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাসের অভাব

Natrum Muriaticum
মানসিক কষ্ট চেপে রাখা, মাথাব্যথা, চুল পড়া, লবণ গ্রহণের প্রবণতা

Iodium
অতিরিক্ত ক্ষুধা থাকা সত্ত্বেও ওজন হ্রাস, অস্থিরতা, উত্তেজনা; Hyperthyroidism-এ প্রযোজ্য

Thyroidinum
থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতার অসামঞ্জস্যতায় ব্যবহৃত; ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস উভয় ক্ষেত্রে বিবেচ্য

────────────────────────
চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ
• নিয়মিত থাইরয়েড ফাংশন পরীক্ষা (TSH, T3, T4) করা প্রয়োজন
• স্ব-চিকিৎসা পরিহার করুন
• অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন
• সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

────────────────────────
হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিভঙ্গি
হোমিওপ্যাথি রোগ নয়, রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় চিকিৎসা প্রদান করে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী উপকার প্রদান করতে সক্ষম।

────────────────────────
সতর্কতা
প্রতিটি রোগীর লক্ষণ ভিন্ন। তাই একক ঔষধ সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়। সঠিক রোগ নির্ণয় ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসাই সফলতার মূল ভিত্তি।

লেখাটি পড়ে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিন, শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিন। আপনার মতামত জানিয়ে দিন।
ডাঃ মোঃ ইয়াকুব আলী সরকার।

11/04/2026

"আপনি কি দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগে ভুগছেন? যৌন সমস্যা, ডায়াবেটিস, হাঁপানি, গ্যাস্ট্রিক, কিডনির পাথর, চর্মরোগ, মানসিক সমস্যা, পুরুষ, শিশু বা নারী স্বাস্থ্য – যেকোনো জটিল রোগে আমরা প্রায়শই কোথায় যাবো বুঝে উঠতে পারি না।

এখনই চিন্তা বন্ধ করুন।
কারণ, বিসমিল্লাহ হোমিও হল আপনাকে দিচ্ছে আধুনিক ও নিরাপদ হোমিও চিকিৎসার সমাধান।

👉 কেন হোমিওপ্যাথি বেছে নেবেন?
✔ এটি সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন।
✔ রোগের মূল কারণ খুঁজে স্থায়ী সমাধান দেয়।
✔ শিশু, গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক – সবার জন্য নিরাপদ।
✔ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে ভবিষ্যতের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
✔ এবং সবচেয়ে বড় বিষয় – এটি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা WHO স্বীকৃত ও পৃথিবীর শতাধিক দেশে কোটি কোটি মানুষের জনপ্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থা।

👉 আমাদের চিকিৎসার বিশেষ ক্ষেত্র:
🔹 পুরুষদের সমস্যা – দ্রুত বীর্যপাত, যৌন দুর্বলতা, শুক্রাণু স্বল্পতা, প্রোস্টেট সমস্যা ও ইরেকটাইল ডিসফাংশন।
🔹 নারী স্বাস্থ্য – মাসিক অনিয়ম, পিসিওডি, সাদা স্রাব, স্তন অতিরিক্ত বড় বা ছোট হওয়া, ফাইব্রয়েড, গর্ভধারণে জটিলতা, ব্রণ, মেছতা, থাইরয়েড, হরমোন সমস্যা।
🔹 শিশুদের সমস্যা – স্বাস্থ্যহীনতা, এডিনয়েড, উচ্চতা না বাড়া, অরুচি, বারবার ঠান্ডা কাশি, মেধা বিকাশের সমস্যা ও রাতে বিছানা ভিজানো।
🔹 পেট ও হজম – গ্যাস্ট্রিক, আলসার, IBS, কোষ্ঠকাঠিন্য, লিভার সমস্যা ও পাইলস।
🔹 কিডনি ও ইউরিনারি সমস্যা – কিডনির পাথর, প্রস্রাবে জ্বালা, ইউরিন ইনফেকশন, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
🔹 চর্ম ও সৌন্দর্য – ব্রণ, একজিমা, সোরিয়াসিস, খুশকি, চুল পড়া, ত্বকের দাগ ও অ্যালার্জি।
🔹 মানসিক ও স্নায়বিক সমস্যা – অনিদ্রা, টেনশন, বিষণ্ণতা, স্মৃতিভ্রংশ, মাথাব্যথা ও মাইগ্রেন।
🔹 হাড় ও জয়েন্ট – বাত, গেঁটে বাত, কোমর-হাঁটু ব্যথা ও ফ্রোজেন শোল্ডার।

👉 কেন বিসমিল্লাহ হোমিও হল আলাদা?
🔹 এখানে প্রতিটি রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ অনুযায়ী আলাদা চিকিৎসা দেওয়া হয়।
🔹 ব্যবহার করা হয় অরিজিনাল জার্মান মেডিসিন, যা সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়।
🔹 ডাঃ আল ইব্রাহীম স্যারের কাছে অনলাইনে ভিডিও কল বা ফোনে কনসালটেশন সুবিধা রয়েছে, যাতে দেশ ও বিদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই চিকিৎসা নেওয়া যায়।

ডা. আল ইব্রাহীম।
ডিএইচএমএস, (রহোমেক) বিএইচবি, ঢাকা।
প্রাক্তন হোমিওপ্যাথিক কনসালটেন্ট।
আল শিফা জার্মান হোমিও কমপ্লেক্স, ঢাকা৷
বিশেষজ্ঞ: চর্ম, যৌন, শিশু, স্ত্রী রোগসহ একিউট ও ক্রনিক রোগে অভিজ্ঞ।
উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, ইন্ডিয়া।

📍 চেম্বার লোকেশন: রংপুরিয়া মার্কেট মোড় হতে পশ্চিমে দাখিল মাদরাসা রোড সংলগ্ন, রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও।

চিকিৎসা সেবা পেতে এখনই পেজে/হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন অথবা কল করুন।
📞 কল বা হোয়াটসঅ্যাপ: 01821-609297

মনে রাখবেন – আপনার স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো সঠিক চিকিৎসা বেছে নেওয়া।
বিসমিল্লাহ্ হোমিও হল। – বিশ্বাসযোগ্য চিকিৎসার বিশ্বস্ত নাম।
আজই যোগাযোগ করুন এবং সুস্থ জীবনের পথে এগিয়ে যান।"

🛑এলার্জি/আর্টিকেরিয়ার হোমিও ঔষধ🛑♦️Apis mel-এপিস মেলের আমবাতের উদ্ভেদগুলো দাগড়া দাগড়া, গোলাপি বা হালকা সাদাটে বর্ণ। তাত...
11/04/2026

🛑এলার্জি/আর্টিকেরিয়ার হোমিও ঔষধ🛑

♦️Apis mel
-এপিস মেলের আমবাতের উদ্ভেদগুলো দাগড়া দাগড়া, গোলাপি বা হালকা সাদাটে বর্ণ। তাতে প্রচন্ড চুলকানি জ্বালা ও হুল ফোটানো ব্যাথা থাকে। চুলকানি বিকাল তিনটায় এবং সন্ধ্যায় বৃদ্ধি পায়। রোগীর পিপাসা এবং প্রস্রাব খুবই কম।

♦️Arsenic Alb
-চুলকানি, জ্বালা গরমে উপশম।
-চুলকানি রাতে বৃদ্ধি। এবং দিনরাতের মধ্যভাগে বৃদ্ধি।
-রোগী শীতকাতর, খুঁতখুঁতে, উৎকণ্ঠা, উত্তেজিত।
-সহজেই বিরক্ত হয় এবং মৃত্যু ভয়।

♦️Allium Cepa
- নাক দিয়ে পানি ঝরা
- চোখে জ্বালাপোড়া
- হাঁচি, ঠান্ডাজনিত এলার্জিতে খুব কার্যকর

♦️Natrum Muriaticum
- রোদে বের হলে এলার্জি দেখা দেয়।
দিন মানে চুলকানি বাড়ে, তাপের ভিতর চুলকানি বাড়ে।
- চিকন চাকান, ঠোঁট শুকানো, স্নেহপ্রবণ, চুপচাপ স্বভাব
- সাইনাস ও স্কিন এলার্জিতেও ভালো কাজ করে।

♦️Histaminum
- সাধারণ এলার্জিক প্রতিক্রিয়ায়
- চুলকানি, হাঁচি, চর্মরোগে সহায়ক
- এলার্জি প্রতিরোধে ভালো কাজ করে

♦️Rhus Toxicodendron
- শরীরে ফুসকুড়ি, চুলকানি ।
- ঘামে, পানিতে,ঠান্ডায় এলার্জি ।
- গায়ে ঘাম লেগে এলার্জি হলে কার্যকর।
-রাত্রে চুলকানি বাড়ে।
-শান্ত মেজাজের রোগী।

♦️Sulphur
- বারবার চুলকানি, চামড়ায় ফুসকুড়ি ।
- গরমে সমস্যা, গোসল করতে চায় না ।
প্রচন্ড নোংরা। ঘামে দুর্গন্ধ।
- এলার্জি পুরানো হলে ভালো ফল দেয়।

♦️ Urtica Urens
-সকল প্রকার এলার্জিতে চুলকানি, জ্বালা, কাটা ফোঁটার মতো যন্ত্রণা থাকে।
-শরীরের নানা স্থানে উদ্ভেদ বের হয়। ঘুমালে উদ্ভেদগুলো মিলে যায় আবার ঘুম থেকে জাগলে উদ্ভেদ বের হয়।

♦️ Natrum sulph
-পিত্তাধিক্য জনিত এলার্জি বা আমবাতে ইহা অতি উৎকৃষ্ট ঔষধ।
-রোগীর মেজাজ অত্যন্ত খিটখিটে এবং বর্ষা বা আদ্র আবহাওয়ায় রোগের লক্ষণাদির বৃদ্ধি।
-জলের ভেতর,জলের কাছের শাক সবজিতে বৃদ্ধি।
-রোগী গরম কাতর।ডায়রিয়া চলাকালীন সময়ে ভালোবোধ করে।
---
⚫⚫এলার্জি রোগ স্থায়ীভাবে সারতে হলে পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং করে মেডিসিন প্রয়োগ করতে হবে।
❤️❤️সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।

♦️টেরিজিয়ামে(Pterygium) ব্যবহৃত হোমিওঔষধ♦️🔴Argen Nit-চোখে জ্বালাপোড়া ও খচখচে অনুভূতি।  চোখ লাল এবং conjunctiva irritate...
10/04/2026

♦️টেরিজিয়ামে(Pterygium) ব্যবহৃত হোমিওঔষধ♦️

🔴Argen Nit
-চোখে জ্বালাপোড়া ও খচখচে অনুভূতি। চোখ লাল এবং conjunctiva irritated. ঘন স্রাব থাকতে পারে।
- আলোতে তাকালে কষ্ট (photophobia)।
- চোখে যেন বালি পড়েছে এমন অনুভূতি
-দীর্ঘদিনের conjunctival irritation-এর সাথে fleshy growth
-এছাড়া রোগী গরম কাতর,মিষ্টি খেলে গ্যাস বাড়ে।উচ্চ শব্দে বায়ু নিঃসরণ হয়।কোথাও যেতে গেলে টয়লেটে যায় এবং খুব তাড়াহুড়ো করা স্বভাব।উচ্চ দালান দেখলে,গাড়ি দেখলে ভয় করে।

🔴 Calcarea Fluor
- চোখের ঝিল্লি মোটা হয়ে কর্নিয়ায় এগোলে ।
- ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টেরিজিয়ামে।
- চোখ লাল হয়ে যায় এবং চুলকায়।
-চোখ ঘষলে চোখ চুলকানি কমে।

🔴Euphrasia Officinalis
- চোখে জ্বালা, অশ্রু, লালচে ভাব
- টেরিজিয়ামের শুরুতে চোখে জ্বালা ও অস্বস্তি থাকলে
- চোখে ধুলা ঢোকার মতো অনুভব।
-চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখের কোন
হেজে যায়।

🔴 Ruta Graveolens
- চোখে ক্লান্তি ও চাপ লাগা
- বেশি পড়াশোনা বা স্ক্রিনে তাকানোর পর জ্বালা
- চোখের উপর চাপজনিত সমস্যা।

🔴 Natrum Muriaticum
- সূর্য বা আলোতে চোখে অস্বস্তি
- চোখে অশ্রু পড়া, হালকা ফোলা ভাব
- টেরিজিয়ামের সাথে চক্ষু শুষ্কতা।
-পানি/ঠান্ডা দিলে ভালো লাগে।

🔴Nitric Acid

- চোখে তীক্ষ্ণ সুচ ফোটার মতো ব্যথা।
- conjunctiva-তে জ্বালা ও কাঁচা ঘা-এর মতো irritation.
- চোখ লাল এবং স্পর্শে অস্বস্তি. ঠান্ডা বাতাসে কষ্ট বাড়ে।
- চোখের কোণায় ক্ষয় বা ulcer tendency থাকতে পারে
-প্রস্রাব, পায়খানায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ।
-রোগী প্রচুর রাগী স্বভাবের। ক্ষমা করার প্রবণতা থাকে না।

🔴Silicea
- দীর্ঘস্থায়ী টেরিজিয়াম
- বারবার চোখে ইনফেকশন হলে
- শরীরের অপ্রয়োজনীয় বৃদ্ধি (growths) কমাতে সহায়ক

🔴Ratanhia

--চোখে টেরিজিয়াম এবং এর সাথে যদি
পাইলস বা অর্শের সমস্যা থাকে।
-অর্শে প্রচন্ড জ্বালা যন্ত্রণা থাকে। মরিচ লাগার মতো।
-চোখ লাল হয়ে যায় এবং জ্বালা থাকে।

🔴Thuja Occidentalist

-টেরিজিয়ামে থুজা খুব ভালো মেডিসিন।
শরীরের যেখানে সেখানে আঁচিল হওয়ার প্রবণতা।
-রোগী মোটাসোটা, জোড়া ভ্রু।সনান ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস।
-উড়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়া, মৃত মানুষের স্বপ্ন দেখে।

❤️♦️টেরিজিয়াম সারাতে হলে পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি করতে হবে ।প্রোপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

হোমিওপ্যাথি ঠিক কতটা দ্রুত কাজ করতে পারে? কয়েকটি একিউট কেইস বলছি।কেইস ০১) রোগী ক, বয়স ১২, সপ্তাহ ধরে জ্বর। খালের পানিতে ...
09/04/2026

হোমিওপ্যাথি ঠিক কতটা দ্রুত কাজ করতে পারে? কয়েকটি একিউট কেইস বলছি।

কেইস ০১)
রোগী ক, বয়স ১২, সপ্তাহ ধরে জ্বর। খালের পানিতে কয়েকদিন দীর্ঘসময় গোসলের পর থেকে রোগের সূত্রপাত।
উচ্চ জ্বর, কাশি, কিন্তু প্রধান সমস্যা রোগীর বুকে, কাশি দিলে বুকে ব্যথা, এমনকি বুকে হালকা চাপ দিলেও প্রচন্ড ব্যথা, বুকে হাত দিয়ে চাপ দিলে শ্বাসকষ্ট।

অতি দূর্বলতা, পিপাসাহীন, মাথা ভার বোধ।

রোগীকে জেলসেমিয়াম ১০এম দেয়া হয়, পরের দিন থেকে রোগী সুস্থ, জ্বর নাই, বুকে ব্যথা নাই। তবে দূর্বলতা এখনও রয়েছে।
(এ কেসটিতে ডাঃ ধীমান রায় স্যার সরাসরি হেল্প করেছেন)

কেইস ০২)
রোগী খ, বয়স ৪৫, এমারজেন্সি ফোন দিয়ে চেম্বারে এসে হাজির।
বাসা থেকে গেলাম, রোগীর প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট, প্রচন্ড অস্থিরতা।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম এখন কী কষ্ট হচ্ছে আপনার।
রোগী তার সাথে থাকা মহিলার নিকট পানি চাইলেন, পানি পানি.... (অস্থিরতার সাথে, যেন দরিয়া শুকিয়ে আছে)

আর্স এলব ১০এম খাওয়ালাম। বড়জোর ১ মিনিটের মধ্যে রোগী শান্ত, টেবিলে মাথা রেখে রেস্ট নিচ্ছে।

কেইস ০৩)
রোগী গ, বয়স ৩ মাস, স্ক্যাবিস, পুরো শরীর মাথা ছড়িয়ে পড়েছে। ভয়াবহ অবস্থা।
এ পিচ্চিকে জন্মের কয়েকদিন পর প্রাইভেট পার্টে ক্র্যাক থেকে ব্লিডিং এর জন্য এসিড নাইট ২০০ দিয়েছিলাম এবং ভালো হয়ে যায়।
এবারও স্ক্যাবিসে এসিড নাইট একডোজ এসিড নাইট দেয়া হয়।
কয়েকদিন পর জানতে পারি, রোগী পুরোপুরি সুস্থ।

কেইস ০৪)
রোগী ঘ, বয়স ১৮, তিনদিন ধরে জ্বর, ১০৪ পর্যন্ত বাড়ে। প্রচন্ড শীতভাব নিয়ে জ্বর আসে, এই গরমেও কয়েকটা কম্বল মুড়ি দিয়ে চেপে ধরতে হয়।
প্রথমে শীতভাব, কাঁপুনি, পিপসাহীনতা দেখে জেলস ১০এম দেয়া হয়, উন্নতি না হওয়ায় পালস ২০০, বেল ১০এম, ৫০এম ব্যর্থ প্রয়োগ হয়। পরবর্তীতে আবার জেলস ১০এম দেয়া হয়, রোগী ওদিন থেকেই মোটামুটি সুস্থ, জ্বর নাই বললেই চলে, কাপুনি শীত নেই,....
(এ কেসটিতে ডাঃ ধীমান রায় স্যার সরাসরি হেল্প করেছেন)

কেস ০৫)
রোগী ঙ, বয়স ১০ মাস, জ্বর।
মাথা গরম পা ঠান্ডা লক্ষণে বেল ১০এম দেয়া হয়। ওদিনই সুস্থ আলহামদুলিল্লাহ।

কেস ০৬)
রোগী চ, বয়স ৪০+, ডায়রিয়া, বমি। বারবার পায়খানা, দূর্বলতা।
ভিরেট্রাম ২০০ দেয়া হয়, রাতে জানানো হয় রোগীর আর পায়খানা হয়নি।

কেস ০৭)
নবজাতকের কেস, সিজারিয়ান বার্থ। বাচ্চার প্রস্রাব হচ্ছে না।
একোনাইট ৩০, ১৫ মিনিট পরপর ২ বার প্রয়োগের পরই স্বাভাবিক প্রস্রাব হয়েছে।

এ কয়েকটি কেস এ কয়েকদিনে ম্যানেজ করা হয়েছে। এরকম শতশত কেইসের উদাহরণ দেয়া যাবে দৈনন্দিন প্রাকটিস থেকে।
এখানে কোন কেইসেই প্যাথলজিক্যাল ডায়াগনোসিসের হেল্প নেয়া হয়নি। এখানে কোন কেইসেই দ্রুত উপশমের জন্য স্থুলমাত্রায় টিংচার, প্যাটেন্ট দেয়া হয়নি।

আসলে আমাদের ব্যর্থতা, নলেজের সীমাবদ্ধতার কারনে আমরা হেরে যাই, আর নিজের লজ্জা চাপিয়ে দেই হোমিওপ্যাথির ঘাড়ে।

সঠিকভাবে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা গেলে খুব অল্পতেই রোগীকে আরোগ্য উপহার দেয়া সম্ভব।
ডাঃ আসলাম হাওলাদার স্যার।

ডা. কেন্টের ১২টি পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা:১। দীর্ঘকালীন রোগের বৃদ্ধি, শেষ পর্যন্ত রোগীর ক্রমাবনতি।ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝত...
05/04/2026

ডা. কেন্টের ১২টি পর্যবেক্ষণ ও ব্যাখ্যা:

১। দীর্ঘকালীন রোগের বৃদ্ধি, শেষ পর্যন্ত রোগীর ক্রমাবনতি।

ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝতে হবে জীবনীশক্তি খুব দুর্বল, ফলে গভীর অ্যান্টি-সোরিক ওষুধ সহ্য করতে পারছে না। তাই দীর্ঘকালীন রোগ বৃদ্ধি। বা 30 শক্তির বেশি অর্থাৎ উচ্চ শক্তির ঔষধ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। নিম্ন শক্তির ঔষধ ব্যবহার করা উচিত ছিল। রোগের কারণে শরীরের কোন যন্ত্রের পরিবর্তন হয়ে গেছে। রোগ সারার অবস্থায় নাই। এই দীর্ঘকালীন বৃদ্ধিকে এখন‌ই কোন নিম্ন শক্তির ঔষধ দিয়ে উপশম করা দরকার। নচেৎ জীবন সংশয় হওয়ার আশঙ্কা আছে। এরূপ অবস্থায় প্রথম থেকেই নিম্ন শক্তির ঔষধ দিয়ে জীবনী শক্তিকে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করা ভালো।

২। দীর্ঘকালীন বৃদ্ধি ও শেষে ধীরগতিতে রোগের উন্নতি।

ব্যাখ্যা : ঔষধ প্রয়োগের পর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ রোগ বৃদ্ধির পর যদি অল্প অধীর গতিতে উপশম হতে থাকে, তাহলে বুঝবেন শরীরের ভিতরে অল্প হলেও টিসুর পরিবর্তন শুরু হয়েছে। জীবনীশক্তি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। তাই ধীরে ধীরে রোগ সারার দিকে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে রোগের গতি প্রকৃতি লক্ষ্য করে যেতে হবে। ঔষধ ঘন ঘন দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে অনেকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। তা কয়েক মাসও হতে পারে।

৩। তড়িঘড়ি কিন্তু সংক্ষিপ্ত ও জোরালো রোগ বৃদ্ধি, তারপর শুরু হয় অতি দ্রুত গতিতে রোগের উন্নতি।

ব্যাখ্যা : এক্ষেত্রে বুঝতে হবে জীবনীশক্তির প্রতিক্রিয়া খুবই জোরালো, শরীরে কোন যান্ত্রিক পরিবর্তন হয়নি, অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্রের খারাপ কোনো পরিবর্তন হয়নি। এক্ষেত্রে রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় হবে ও নিরাময় দীর্ঘস্থায়ী হবে। এই বৃদ্ধি হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধি। অস্বাভাবিক নয়। বুঝতে হবে, ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়েছে কিন্তু শক্তি ও মাত্রা একটু বেশি হয়েছে। ঔষধ প্রয়োগের পর বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেলে, ঔষধ পুনঃ প্রয়োগ করা যাবে না। তরুণ রোগের ক্ষেত্রে প্রায় এসব লক্ষ্য করা যায়।

৪। কিছু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে দেখা যায় ঔষধ প্রয়োগের পর রোগ আদৌ বৃদ্ধি হয় না বরং স্বাভাবিক নিরাময়ের দিকে যাচ্ছে।

ব্যাখ্যা : এ অবস্থা থেকে বোঝা যায় ঔষধের শক্তি ও মাত্রা সঠিক হয়েছে, যা সচরাচর আশা করা যায় না। জীবনীশক্তি যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। শরীরের কোন যান্ত্রিক পরিবর্তন হয়নি।

৫। রোগ লক্ষণ সমূহের প্রথমে উপশম শুরু হলো তারপরে বৃদ্ধি হতে থাকলো।

ব্যাখ্যা : ওষুধ প্রয়োগের কয়েক দিন বা ১/২ সপ্তাহ পর থেকে ঔষধ প্রয়োগের আগের অবস্থা ফিরে আসে। অনেক সময় কিছু লক্ষণ নিয়ে ফিরে আসে।

ডা. কেন্ট এর দুটি কারণ ব্যাখ্যা করেছেন যথা :

(ক) নির্ধারিত ঔষধটি হয়তো আংশিক সঠিক হয়েছে, ফলে রোগ পূর্ণ নিরাময়ের বদলে, উপশম হয়েছিল তাই কয়েকদিনের মধ্যে আবার লক্ষণগুলি ফিরে আসছে। এর মানে রোগীকে ধাতুগত ভাবে যথাযথ বিচার বিশ্লেষণ করা হয়নি।
কিন্তু যদি ঔষধ সুনির্বাচিত হয়েছে বলে মনে হয় তাহলে আরো উচ্চ শক্তি প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাতেও রোগলক্ষণ ফিরে ফিরে আসলে, আরো উচ্চ শক্তি দিতে হবে।

(খ) তাতেও নিরাময় না হলে বুঝবেন রোগটি সারার অবস্থায় নাই। সে ক্ষেত্রে নির্বাচিত ঔষধের নিম্নশক্তি দিয়ে রোগটিকে উপশম করে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

মন্তব্য : সুনির্বাচিত আন্টি-মায়াজমটিক ঔষধে ১/২ মাত্রাতেই কাজ হয় ও পূর্ণ আরোগ্য হয়।

৬। ঔষধ প্রয়োগের পর খুব কম সময়ের জন্য রোগ লক্ষণ উপশম হয়।

ব্যাখ্যা : ঔষধ প্রয়োগের পর দীর্ঘকালীন ও স্থায়ী রোগ আরোগ্য থাকার কথা কিন্তু তা থাকছে না। কারণ এমন কিছু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে আছে ফলে এমন হচ্ছে।
যথা : কেউ নেশা জাতীয় দ্রব্য তামাক, জর্দা, মদ ইত্যাদি সেবন করে, ফলে ঔষধের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। এসব ত্যাগ করলেই ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে এটাই প্রমাণ হয় যে ঔষধ নির্বাচন সঠিক আছে, রোগীর জীবনীশক্তি ঠিক আছে।
অনেক সময় চিররোগের ক্ষেত্রে রোগ না সারার পিঁছনে কোন ধাতুগত কারণ লুকিয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কোন আন্টি-মায়াজমটিক ঔষধ প্রয়োগে বাধা দূর হয়ে স্থায়ী আরোগ্য হয়। আবার এমনও হতে পারে যে দেহের অভ্যান্তরে যন্ত্রাংশ খুব খারাপ অবস্থায় আছে বা ধ্বংস হয়ে গেছে। যা চিররোগের ক্ষেত্রে হয়, সে ক্ষেত্রে ফলাফল অস্থায়ী হতে পারে।
অচির রোগের ক্ষেত্রে ঔষধ পুনঃ পুনঃ প্রয়োগ করা উচিত, তাতে প্রতিবারেই অল্প সময়ের জন্য হলেও উপশম দেখা দিবে, শেষ পর্যন্ত রোগী সুস্থ হয়ে উঠবে।

৭। রোগ লক্ষণগুলি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়েছে তবুও রোগী পূর্ণভাবে সুস্থতা অনুভব করছে না।

ব্যাখ্যা : হোমিওপ্যাথি মতে ঔষধ প্রয়োগের পর রোগ লক্ষণগুলি বিলুপ্তি হওয়ার সাথে সাথে মন ভালো হবে, শরীরে জোর পাবে, মন ও শরীর তাজা হবে, ক্ষুধা, ঘুম হজম, মল, মুত্র ত্যাগ স্বাভাবিক হবে, স্বাছন্দবোধ করবে। কিন্তু এর ব্যাতিক্রম হলে বুঝবেন রোগী সুস্থ হয়নি।
রোগী ও পূর্ণ সুস্থতা ফিরেও আসছে না; কারণ দেহ অভ্যন্তরে এমন কিছুর অভাব আছে বা দেহের যন্ত্রাংশের এমন কিছু স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেছে যে , রোগীকে খানিকটা সুস্থ করলেও পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে পারছে না।
যদিও ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়েছে, যথেষ্ঠ সময় নিয়ে কাজ করছে, রোগ লক্ষণ দুর হয়েছে, তবুও রোগী পূর্ণ না হয়ে আংশিক সুস্থ হচ্ছে।
বুঝতে হবে এ রোগটি সম্পূর্ণ সুস্থ হবে না বা হবার নয়।

৮। এমন কিছু কিছু রোগী আছে যারা প্রত্যেকটি ঔষধ সেবন করে প্রুভারের মতো আচরণ করে।

ব্যাখ্যা : এইসব রোগীরা অল্পতেই এমনই উত্তেজিত যে, যে কোন বাহিরের বস্তুতে সে অদ্ভুত উত্তেজিত হয়, ঠিক তড়কা রোগীর মতো। যে কোন কারণেই হোক এদের স্নায়ুতন্ত্র ভীষণভাবে উত্তেজিত হয়। এদের শরীর হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রুভিংয়ের জন্য বেশ উপুযুক্ত। বিশেষ করে উচ্চতর শক্তি প্রয়োগ করলে এদের শরীরে ঔষধের লক্ষণাবলী পরিস্কারভাবে ফুটে উঠে।

এসব ক্ষেত্রে তরুণ রোগ সারাতে কোন অসুবিধা হয় না। কিন্তু চির রোগে উচ্চতর শক্তির ঔষধ প্রয়োগ করলে এই ধরণের রোগীরা অদ্ভুত আচরণ করে। তবে ৩০, ২০০ শক্তিতে স্বাভাবিক আচরণ করে।
মন্তব্য : এসব রোগীরা দুরারোগ্য। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সারার অযোগ্য।

৯। প্রুভারদের উপর হোমিও ঔষধের কার্যাবলী ।

ব্যাখ্যা : সুস্থ প্রুভারদের দ্বারা সঠিক পদ্ধতিতে নিখুঁত ও সম্পূর্ণভাবে প্রুভিং হওয়া উচিৎ। কারণ তা থেকেই নিখুঁত মেটিরিয়া মেডিকা তৈরী হবে। তাতে প্রুভাররা উপকৃত হন। প্রুভারদের ধাতুগত বৈচিত্র ভালো ভাবে লক্ষ্য করে লিখে রাখা উচিত। কারণ প্রুভিংয়ের পর কোন পরিবর্তন হলে তা প্রুভিংকৃত ঔষধের লক্ষণ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং ঔষধের লক্ষণাবলী স্পষ্ট হবে। অর্গাননে নিদৃষ্ট করা আছে কিভাবে প্রুভিং হওয়া উচিত।

১০। ঔষধ প্রয়োগের পর নতুন নতুন লক্ষণাবলী দেখা দেয়।

ব্যাখ্যা : যদি দেখা যায় ঔষধ প্রয়োগের পর প্রচুর পরিমানে নতুন নতুন লক্ষণ বার বার ফিরে আসছে আবার চলেও যাচ্ছে কিন্তু রোগীর চিহিৃত নিদৃষ্ট লক্ষণাবলী যাচ্ছে না বা সারছে না তা হলে বুঝবেন ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়নি।
হয়তো এটা ঠিক যে এগুলো রোগীর নতুন লক্ষণ নয়। এগুলি পুরানো লক্ষণ, যা রোগীর স্বরণে ছিলো না।
এসব ঘটনা প্রমান করে ঔষধ নির্বাচন সঠিক হয়নি। নতুন করে ভালো ভাবে পর্যবেক্ষণ করে ঔষধ নির্বাচন করতে হবে।

১১। ঔষধ প্রয়োগের পর রোগীর পুরানো লক্ষণাবলী একের পর এক ফিরে আসছে।

ব্যাখ্যা : যদি দেখা যায় পুরানো লক্ষণাবলী একের পর ফিরে আসছে, কিছুদিন পর চলেও যাচ্ছে এবং ক্রমশ সুস্থবোধ করছে, তাহলে বুঝবেন রোগী সারার পথে
আছে। এক্ষেত্রে ঔষধ পুনঃ প্রয়োগ প্রয়োজন নাই। লক্ষণাবলীর এই আসা-যাওয়া বহুদিন চলতে পারে, মাসের অধিক কাল চলতে পারে। লক্ষ্য করতে হবে লক্ষণগুলি দেহের অভ্যন্তর হতে বাহির দিকে, উপর থেকে নীচের দিকে, দেহের বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের দিকে যাচ্ছে কি না ?
যদি দেখা যায় পুরানো কোন লক্ষণ এসে চলে না গিয়ে থেকে গেল তাহলে ঔষধটি পুনঃ প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে বা নতুন কোন ঔষধ নির্বাচনের প্রয়োজন হতে পারে।

১২। ঔষধ প্রয়োগের পর থেকে রোগ লক্ষণাবলী উল্টো পথে চলছে।

ব্যাখ্যা : রোগ সারার নিদৃষ্ট নিয়ম আছে। যথা :
(ক) রোগীর রোগ লক্ষণসমূহ উপর থেকে নীচ অর্থাৎ মাথা থেকে পায়ের দিকে যাবে।
(খ) দেহের অভ্যন্তর হতে বাহির দিকে যাবে।
(গ) দেহের বেশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে কম গুরুত্ব অঙ্গের দিকে যাবে।
কিন্তু যদি দেখা যায় রোগ লক্ষনগুলি এই নিয়মের উল্টোপথে চলছে তাহলে বুঝতে হবে রোগটি সারার পথে নাই। এবং ক্রমশই রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যথা - চর্মরোগ ভালো হয়ে হাঁপানী দেখা দিলো বা বাতের অসুখ ভালো হয়ে হার্টের অসুখ দেখা দিলো। এই লক্ষণ মোটেও ভালো নয়। দ্রুত এই অবস্থাকে প্রতিষেধক করতে হবে। এই ভাবে রোগ লক্ষণ উল্টো পথে প্রসারিত হলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

🛑শরীরের অতিরিক্ত ওজন /চর্বি কমানোর হোমিও ঔষধ 🛑🔵Calcarea Carbonica-সহজে মোটা,শরীরের চর্বি হয়, ভূড়ি হয়।এরা থলথলে,নাদুসনুদ...
03/04/2026

🛑শরীরের অতিরিক্ত ওজন /চর্বি কমানোর
হোমিও ঔষধ 🛑
🔵Calcarea Carbonica
-সহজে মোটা,শরীরের চর্বি হয়, ভূড়ি হয়।এরা থলথলে,নাদুসনুদুস, গোলগাল মুখমণ্ডল।
-পেট ও উরুতে চর্বি বেশি,মাথা বড়ো।
-বেশি ঘাম (বিশেষ করে মাথায়)।
-ডিম পছন্দ,দুধ অপছন্দ।
-ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না।
এসব লক্ষণে ক্যালকেরিয়া কার্ব উত্তম মেডিসিন।

🔵 Graphites
-স্থূল ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে।
-ত্বক শুষ্ক ও ফাটা, আটসাট শরীর।
-অলস স্বভাব,মিউজিক অপছন্দ।
-মহিলাদের মাসিক স্রাবে গন্ডগোল। দীর্ঘদিন মাসিক হয়না।

🔵 Natrum Muriaticum
-মানসিক কষ্ট জমিয়ে রাখে।
-দীর্ঘদিনের কষ্ট, হতাশা থেকে মোটা হওয়ার প্রবনতা।
-Natrum mur শুধু চিকন নয় মোটা হওয়ার প্রবণতা ও থাকে।
-গরম কাতর, গোসল প্রিয়, ঠান্ডা খাবার ভালোবাসে।
-খিট খিটে মেজাজের, সান্ত্বনা অপছন্দ।
-লবন, তিতা খাবার পছন্দ।
এসব লক্ষণে এই মেডিসিন উপযোগী।

🔵 Lycopodium

-উপরের অংশ শুকনা, নিচের অংশে মেদ।বিশেষ করে নিতম্বের দিকে।
-বিকালে ক্ষুধা বাড়ে,ক্ষুধা সহ্য করতে পারে না।
-প্রচুর গ্যাস্ট্রাইটিস।
-স্বার্থপর, কৃপণ লোক। রাগ বেশি।

🔵Fucus Vesiculosus (Mother tincture)
-থাইরয়েড/মেটাবলিক সমস্যা থাকলে
হজম ধীরে হয়।
সাধারণত ১০-১৫ ফোঁটা দিনে দুই থেকে তিনবার পানিতে মিশিয়ে।

🔵 Phytolacca Berry (Q)
-স্থূলতা /চর্বি,ভূড়ি কমাতে প্রচলিত
সাধারণত ১০–১৫ ফোঁটা, দিনে ২–৩ বার (পানিতে মিশিয়ে)

🔴🔴এছাড়া প্রোপার কেইস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

🔷🔶ঔষধের পাশাপাশি ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

Address

BaluBari Panir Tanki Mor
Dinajpur
5200

Telephone

+8801855336661

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Al Ibrahim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category