Dr. Al Ibrahim

Dr. Al Ibrahim Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Al Ibrahim, Doctor, BaluBari Panir Tanki Mor, Dinajpur.

আসসালামু আলাইকুম ❤️
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল ধরনের তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, এবং সকল ধরনের চিকিৎসা সেবা অনলাইনে পেতে কল করুন - 01821609297 (হোয়াটসঅ্যাপ) অথবা পেজে ইনবক্স করুন।
চেম্বার লোকেশনঃ বালুবাড়ী পানির ট্যাংকি মোড়, সদর, দিনাজপুর।

দাউদ / Ringworm  কি? দাউদ বা Ringworm একটি ছত্রাকজনিত (Fungal) চর্মরোগ। নামের মধ্যে “worm” থাকলেও এটি কোনো কৃমিজনিত রোগ ...
02/01/2026

দাউদ / Ringworm কি?
দাউদ বা Ringworm একটি ছত্রাকজনিত (Fungal) চর্মরোগ। নামের মধ্যে “worm” থাকলেও এটি কোনো কৃমিজনিত রোগ নয়। ত্বকের উপরিভাগে ফাঙ্গাস সংক্রমণের ফলে এই রোগ হয়।

🦠 দাউদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ;
গোলাকার বা আংটির মতো লালচে দাগ। দাগের চারপাশ উঁচু, মাঝখান তুলনামূলক পরিষ্কার। তীব্র চুলকানি, বিশেষ করে রাতে। ঘাম হলে জ্বালা ও চুলকানি বাড়ে। মাথা, মুখ, কুঁচকি, বগল, কোমর, হাত-পা যেকোনো জায়গায় হতে পারে।

⚠️ সংক্রমণের কারণ ;
অতিরিক্ত ঘাম। অপরিষ্কার ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ। সংক্রমিত ব্যক্তির কাপড়/তোয়ালে ব্যবহার। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা।

🌼 দাদ (Ringworm) - এ ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ;

🔹Tellurium
গোলাকার দাদ, স্পষ্ট বর্ডারযুক্ত
তীব্র চুলকানি ও জ্বালা
পুরনো ও জেদি দাদে বিশেষ উপকারী

🔹Sulphur
প্রচণ্ড চুলকানি, গরমে বাড়ে
ত্বক শুষ্ক, লালচে
বারবার ফিরে আসা দাদে কার্যকর

🔹Sepia
কুঁচকি ও শরীরের ভাঁজে দাদ
ঘাম হলে চুলকানি বাড়ে
দীর্ঘদিনের চর্মরোগে উপযোগী

🔹Graphites
ভেজা, পিচ্ছিল দাদ
ফেটে রস বের হয়
মোটা ও খসখসে ত্বক

🔹Arsenicum Album
জ্বালাপোড়া ও দাহ
রাতে চুলকানি বেশি
ত্বক শুষ্ক ও সংবেদনশীল

🔹Mezereum
মাথা ও মুখে দাদ
পুরু খোসা, খসখসে ভাব
চুলকালে ব্যথা বাড়ে

🔹Psorinum
অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত ত্বক
খুব চুলকানি, নোংরা অনুভূতি
দমন করা দাদ আবার ফিরে এলে

🔹Thuja Occidentalis
ভেজা ও বিস্তৃত দাদ
ত্বক ময়লা-ময়লা দেখায়
দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগে কার্যকর

🔹Petroleum
শীতকালে দাদ বাড়ে
ত্বক ফেটে রক্ত পড়তে পারে
অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকে উপকারী

🔹Natrum Muriaticum
দাদ শুকনো ও খসখসে
সূর্যের আলোতে বাড়ে
মানসিক চাপের সাথে সম্পর্কিত দাদ

📌 কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ ;
✔ ত্বক পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন
✔ আলাদা তোয়ালে ও কাপড় ব্যবহার করুন
✔ ঘাম জমতে দেবেন না
✔ দাদ চুলকানো থেকে বিরত থাকুন

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা ;
চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগ করা যাবে না।

🔴👁️ Conjunctivitis এর প্রধান হোমিও ঔষধ🔴1️⃣ Euphrasiaচোখ দিয়ে জ্বালাপোড়া সহ পানি পড়ে।চোখের ভিতর কুটকুট করে।আলো সহ্য হয় না...
02/01/2026

🔴👁️ Conjunctivitis এর প্রধান হোমিও ঔষধ🔴

1️⃣ Euphrasia
চোখ দিয়ে জ্বালাপোড়া সহ পানি পড়ে।
চোখের ভিতর কুটকুট করে।
আলো সহ্য হয় না।
চোখ লাল, জ্বালা করে।
চোখের পানি জ্বালাময় কিন্তু নাকের পানি জ্বালাময় নয়।

2️⃣ Belladonna
-হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র চোখ লাল।
-গরম, ধকধকে ভাব।মুখ ফোলা এবং লাল ভাব।
-আলোতে ব্যথা বাড়ে।
-মাথাব্যথা থাকতে পারে এবং দপদপ করে।

3️⃣ Pulsatilla
-ঘন হলুদ/সবুজ স্রাব।স্রাব অক্ষতকর।
-সকালে চোখ আটকে থাকে।
-ঠান্ডা বাতাসে আরাম লাগে।গরম ঘরে বা বদ্ধ ঘরে বৃদ্ধি।
-রোগী শান্ত, কান্নাপ্রবণ,সান্ত্বনায় আরাম লাগে।

4️⃣ Argentum Nitricum
-চোখে জ্বালা ও ঘন পুঁজের মতো স্রাব।
-চোখ ফোলা,আলো সহ্ হয় না।
-রোগী,মিষ্টি, চিনি,লবণ পছন্দ করে।
-রোগী তাড়াহুড়ো স্বভাবের এবং আবেগি, উত্তেজিত।

5️⃣ Aconitum Napellus
হঠাৎ ঠান্ডা বাতাসে আক্রান্ত হয়ে চোখ ওঠা।
-চোখ লাল, শুষ্ক
-ভীতি ও অস্থিরতা থাকে।
-ঠান্ডা পানি পানের অদম্য ইচ্ছা।

6️⃣ Sulphur
-দীর্ঘদিনের বা বারবার হওয়া conjunctivitis।
-চোখ লাল, জ্বালাপোড়া।
-গরমে বাড়ে।
-রোগী গোসল করতে চায় না, গোসল করলে চোখে যন্ত্রণা বাড়ে।

7️⃣ Hepar Sulphuris
-অতিরিক্ত সংবেদনশীল চোখ।
-সামান্য ঠান্ডাতেই ব্যথা বাড়ে।
-পুঁজ হওয়ার প্রবণতা।

8️⃣ Mercurius Solubilis
-চোখে পুঁজ, জ্বালা।
-রাতে উপসর্গ বাড়ে।
-চোখে আঠালো ভাব।
-মুখ দিয়ে লালা পড়ে।

9️⃣Arsenic Alb
-চোখে পুড়ে যাওয়ার মতো জ্বালা।
-চোখের পাতায় প্রদাহ।
-গরম পানি বা স্যাঁক দিলে ভালো লাগে।
-রোগীর প্রচন্ড অস্থিরতা কাজ করে।
-পানির পিপাসা থাকে বারবার ঘন ঘন পানি পান করে।

🔟Apis Mel
-চোখের পাতা ফোলা ও প্রদাহ।
-চোখের ভেতর হুল ফোটানো যন্ত্রণা।
-জ্বালা, ফোলা,ও স্পর্শকাতরতা।
-সর্বপ্রকার উত্তাপে ও গরমে বৃদ্ধি।

★★এছাড়া আরো অনেক মেডিসিন আছে তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

🔻BERBERIS VULGARIS এর সংক্ষিপ্ত রূপ🔻🔹🔹কিডনি, মূত্রথলি ও পিঠে ব্যথার ক্ষেত্রে  বিশেষভাবে কার্যকর; ব্যথা ছড়িয়ে পড়ার প্রবণত...
01/01/2026

🔻BERBERIS VULGARIS এর সংক্ষিপ্ত রূপ🔻

🔹🔹কিডনি, মূত্রথলি ও পিঠে ব্যথার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকর; ব্যথা ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকে।

🔶মানসিক লক্ষণ (MENTAL)🔶
▪️একা থাকতে ভয় লাগে।
▪️শরীরের বিভিন্ন সমস্যার কারণে দুশ্চিন্তা /anxiety অনুভব হয়।
▪️মানসিক ও শারীরিকভাবে খুব ক্লান্ত।
▪️মনের দুর্বলতা, বিশেষ করে সন্ধ্যা বা গোধূলি সময়ে বেশি।
▪️স্মৃতিশক্তি দুর্বল।
▪️ঘুম থেকে ওঠার পর মাথা ভার ও চিন্তা ভাবনায় ধীরতা।

▪🔹সন্ধ্যার সময় ভয়ংকর অবয়ব, ভূত বা কল্পিত জিনিস দেখার অনুভূতি।
▪️বিষণ্ণতা, মন খারাপ, উদাসীনতা
কান্নার প্রবণতা।
▪️অন্ধকারে এসব উপসর্গ বেড়ে যায়।

🔶শারীরিক লক্ষণ (PHYSICAL)🔶

▪️কিডনি, মূত্রথলি (Bladder) ও লিভারের ওপর কাজ করে।
▪️প্রস্রাবজনিত সমস্যার সঙ্গে বাতজাত (Arthritic) ব্যথা।
🔹কিডনি এবং রেনাল অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া তীব্র ব্যথা।

▪️কিডনি পাথরের ব্যথা উরু,পা-এর পেছন দিক (calves),মূত্রথলি,ইউরেটার,অণ্ডকোষ,কোমর ও নিতম্বের দিকে বিস্তৃত হয়।
▪️কিডনিতে পাথর, কিডনি কোলিক
▪️চাপ দিলে বা নড়াচড়া করলে কিডনির ব্যথা বাড়ে।
▪️কিডনি অঞ্চলে অবশ ভাব।

🌸পিত্তপাথরী ও পিত্তথলির প্রদাহ (Cholecystitis)

▪️পিঠের ব্যথা যা পেট বা উরুর দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
-বিশেষ করে উরুর পেছনের অংশে বেশি
-ব্যথা এক জায়গায় না থেকে ঘুরে ঘুরে হয় (Wandering pains)।
▪️▪️প্রস্রাব নালীতে ব্যথা, প্রস্রাব করলে কমে যায়।

জ্বালা-পোড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। জ্বালাপোড়া কমানোর হোমিও ঔষধ।🟦 জ্বালাপোড়া খুবই বিব্রতকর একটি পরিস্হিতি।নানা কারণে জ্ব...
01/01/2026

জ্বালা-পোড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। জ্বালাপোড়া কমানোর হোমিও ঔষধ।

🟦 জ্বালাপোড়া খুবই বিব্রতকর একটি পরিস্হিতি।নানা কারণে জ্বালাপোড়া হতে পারে। স্নায়ুতন্ত্রের অসুখ, ডায়াবেটিস, কয়েক রকমের রোগজীবাণুর সংক্রমণ, হরমোনের তারতম্য কিংবা যক্ষ্মা ও ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধপথ্যের প্রতিক্রিয়ার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে যন্ত্রণা হয়ে থাকে। বয়স্ক নারীদের হরমোনের তারতম্য হলে কিংবা কয়েকটি ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ঘাটতির কারণেও হাতে-পায়ে জ্বালা করতে পারে।
স্নায়বিক রোগের কারণে সাধারণত পায়ের পাতা থেকে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে পায়ের আঙুল, গোড়ালি এবং ওপরের দিকে সেই যন্ত্রণা ছড়াতে থাকে। একসময় হাতের বিভিন্ন অংশে জ্বালা-যন্ত্রণা করে। এ ধরনের সমস্যায় আন্দাজে ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সমস্যার যথাযথ কারণ নির্ণয় করে তার চিকিৎসা করাতে হবে।
৫০ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে মাথাসহ সারা শরীরে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এমন সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে আশ্বস্ত করতে হবে। তেমন জটিল কোনো কারণ ছাড়াই এ ধরনের জ্বালাপোড়া হতে পারে। তবে বেশি সমস্যা হলে অনেক সময় ওষুধের প্রয়োজন হয়। চিকিৎসায় এ সমস্যা অনেকটাই সেরে যায়।
ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের ঘাটতির কারণে হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া হলে এর পাশাপাশি শারীরিক দুর্বলতাও থাকতে পারে। যেমন পা ফেলতে বা ওঠানামা করতে অসুবিধা হতে পারে। এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শরীরে প্রয়োজনীয় উপাদানের অভাব এড়াতে সব বয়সী মানুষেরই সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা উচিত।

🟦 জ্বালাপোড়ার চিকিৎসায় সহায়ক কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধের বর্ননা দেওয়া হল।

✅ জ্বালাপোড়া কমানোর লক্ষন সাদৃশ্যে যেসকল হোমিও ঔষধ আসতে পারে এখানে সর্ব্বোচ ব্যবহৃত ঔষধগুলোর বর্ননা দেওয়া হল।

🛑 Cantharis vesicator –পোড়ার ব্যথা এবং জ্বালাপোড়া কমাতে ক্যান্থারিস ঔষধটির কোন তুলনা হয় না। এটি পোড়ার ব্যথা এবং জ্বালাপোড়া এত দ্রুত দূর করে যে, পৃথিবীর কোন ঔষধই ইহার সমতুল্য হইতে পারে না। এটি একই সাথে খেতে হবে এবং পানি অথবা ভ্যাসলিনের সাথে মিশিয়ে বাইরে লাগাতে হবে। দীর্ঘ সময় প্রখর রৌদ্রে থাকার কারণে যে-সব সমস্যা (sunstroke) হয়, তাতেও ক্যান্থারিস প্রয়োগ করতে পারেন
🛑 Urtica urens – আর্টিকা ইউরেন্স
এটি কিডনীর পাথরের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। নিয়মিত খেলে পাথর ছোট হতে থাকে এবং প্রস্রাবের সাথে অটোমেটিকভাবে বেরিয়ে যায়।
এটিও পোড়ার এবং এমনকি রোদে পোড়ার ক্ষেত্রে একটি ভালো ঔষধ। ৬ বা ৩০ শক্তিতে খেলে এবং পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে জ্বালা এবং ব্যথা দূর করে দেয় এবং তাড়াতাড়ি ঘা শুকাতে সাহায্য করে।
আর্টিকা ইউরেন্স ঔষধটি বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য একটি অসাধারণ ঔষধ।
🛑 Arsenicum album-
আর্সেনিকের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো উৎকন্ঠা, অস্থিরতা, জ্বালাপোড়া ভাব, খুঁতখুঁতে স্বভাব, কাজে কর্মে একবারে নিখুঁত (perfectionistic), মৃত্যুকে ভয় পায় আবার আত্মহত্যা করতেও চায়, রাত ১টা থেকে ২টা পযর্ন্ত বিষন্নতা বেড়ে যায়, অজানা অমঙ্গলের ভয়, মনে হয় মানুষ খুন করেছে এমন টেনশান করতে থাকে, মনে হয় এখনই পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করবে ইত্যাদি ইত্যাদি।মাথার চামড়া শুকনা, খসখসে, স্পর্শ করলে ব্যথা লাগে, বেশ গরম, রাতের বেলা ভীষণ চুলকায় ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে আর্সেনিক খেতে হবে।
🛑 Picricum Acidum-
পিক্রিক এসিড পোড়ার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। এক ড্রাম পিক্রিক এসিডকে এক লিটার পানির সাথে মিশিয়ে দ্রবণ তৈরী করতে হবে। এই সলিউশনে তুলা ভিজিয়ে সমগ্র পোড়া অংশ পরিস্কার করতে হবে। ফোস্কা গেলে দিতে হবে তবে চামড়া সরানো যাবে না। পরিষ্কার গজ অথবা তুলা ভিজিয়ে পোড়া স্থানে লাগিয়ে দিয়ে তাকে ব্যান্ডেজ দিয়ে ভালো মতো বেঁধে দিতে হবে। এভাবে তিন /চার দিন পর পর ব্যান্ডেজ খুলে পাল্টে দিতে হবে। পাশাপাশি পিক্রিক এসিড রোজ তিনবেলা করে খাওয়া উচিত। এটি একই সাথে জ্বালা-পোড়া নিবারক, ব্যথানাশক, এন্টিসেপটিক এবং এন্টিবায়োটিকের কাজ করে থাকে।

সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ/নির্দেশনা ছাড়া কোনো ঔষধ সেবন করা উচিত নয়।

#জ্বালাপোড়ার_হোমিও_চিকিৎসা
#জ্বালাপোড়া_কমানোর_হোমিও_ঔষধ
#জ্বালাপোড়ার_হোমিওপ্যাথিক_ঔষধ
#জ্বালাপোড়ার_হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা
#হোমিওপ্যাথিক_ঔষধ
#হোমিওপ্যাথি #হোমিও_ঔষধ
#হোমিওপ্যাথিক #হোমিও_চিকিৎসা

মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-👉মায়াজম কি? হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে, মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হ...
31/12/2025

মায়াজম পরিচিতি বা রোগের মূল কারণঃ-
👉মায়াজম কি?
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধান মতে, মায়াজম হল রোগের মূল কারণ এবং জীবাণু গুলো হল উত্তেজক কারণ। যে সকল প্রাকৃতিক অদৃশ্য কারণসমূহ হইতে রোগ উৎপত্তি হয়, সে সকল কারণ সমূহকে মায়াজম বলে।

🎗️মহাত্মা হ্যানিম্যান বলেন,
“যাবতীয় রোগ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়।” মায়াজম শব্দের অর্থ উপবিষ, কলুষ, পুতিবাষ্প, ম্যালেরিয়ার বিষ প্রভৃতি। যাবতীয় রোগের কারণই হল এই মায়াজম। তরুণ পীড়া তরুণ মায়াজমের অশুভ প্রভাবে এবং চিররোগ চির মায়াজমের অশুভ প্রভাবে সৃষ্টি হয়। ইহা প্রাকৃতিক রোগ সৃষ্টিকারী দানব।
হ্যানিম্যান বলেছেন,
চিররোগ সৃষ্টির মূল কারণ হইল তিনটি চিররোগবীজ। ইহাদের মধ্যে সোরা হইল আদি রোগ বীজ। সকল রোগের মূল কারণ হইল সোরা। এমনকি প্রমেহ এবং উপদংশ নামক আদি রোগবীজের উৎপত্তি ও সোরা হতে; এজন্য সোরাকে আদি রোগবীজ বলা হয়। হ্যানিম্যান️ বলেছেন,
বংশ পরস্পরের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানব দেহের মধ্যে এই সোরা মায়াজম কল্পনাতীতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন অসংখ্য প্রকারের বিকৃতি, ক্ষত, বিশৃঙ্খলা ও যন্ত্রণার প্রতিমূর্তি রুপে অন্ত পীড়ায় সৃষ্টি করে থাকে।
সুতরাং মায়াজম হচ্ছে এক ধরনের গতিময় দূষণ মাধ্যম যাহা জীব দেহের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গে একবার প্রবিষ্ট হলে জীবনীশক্তির উপর প্রভুত্ব করে, ব্যক্তিকে সার্বিকভাবে এমনিধারায় দূষিত করে যার পিছনে একটি স্থায়ী রোগজ অবস্থা স্থাপন করে যাহা সম্পূর্ণ রুপে মায়াজম বিরোধী প্রতিকারক দ্বারা দূরীভূত না হলে রোগীর সারাজীবন ব্যাপী বিরাজ করবে এবং বংশপরস্পরায় প্রবাহমান থাকে।

★মায়াজম ৪ প্রকার।

⏺️সোরা মায়াজম
⏺️সিফিলিস মায়াজম
⏺️সাইকোসিস মায়াজম
⏺️টিউবারকুলার মায়াজম

★সোরার রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :

⏺️সর্বদা ভীতিপূর্ণ, পরিপূর্ণ, অবসাদগ্রস্ত, শ্রমবিমুখ।
⏺️মেজাজ খিটখিটে সামান্য মতের অমিল হলে ক্ষিপ্ত হয়।
⏺️স্বার্থপরতা কিন্তু নাটকীয় উদারতা দেখায়।
⏺️অস্বাভাবিক ক্ষুধা, খেলে আবার ক্ষুধা লেগে যায়।
⏺️অসম্ভব চুলকানি, চুলকানোর পর জ্বালা।
⏺️হাত পায়ের তলা জ্বলে।
⏺️দেহের বর্জ নির্গমন পথগুলি লাল বর্ণের।
⏺️যে কোন স্রাব নির্গমনে আরাম বোধ।
⏺️দাঁতে, মাড়ীতে ময়লা জমে।
⏺️কেবলই শুয়ে থাকতে চায়।
⏺️নোংরামি পছন্দ।
⏺️স্নয়ুকেন্দ্রে প্রবল বিস্তার করে কিন্তু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে না।
⏺️যে কোন সময় রোগাক্রমন বা বৃদ্ধি ।
⏺️চোখে নানা রং দেখে ও দৃষ্টিভ্রম হয়।

★সিফিলিসের রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :

⏺️আত্নহত্যা করার ইচ্ছা।
⏺️নৈরাশ্য, হঠকারিতা, মূর্খতা, বিতৃষ্ণা।
⏺️স্মরণশক্তি ও ধারণশক্তি হ্রাস।
⏺️মানসিক জড়তায় কথা কম বলে।
⏺️মাংসে অরুচি কিন্তু দুগ্ধ খাইবার ইচ্ছা।
⏺️অগ্নিকান্ড, হত্যাকান্ডের স্বপ্ন দেখে।
⏺️সূর্যাস্ত হতে সূর্যোদয় পর্যন্ত বৃদ্ধি।
⏺️জিহ্বা মোটা ও দাঁতের ছাঁপযুক্ত।
⏺️চুলকানীবিহীন চর্মরোগ।
⏺️বিকলঙ্গতা।
⏺️অস্থির ক্ষয়প্রাপ্তি।
⏺️স্রাবের প্রচুরতা, দুর্গন্ধতা এবং স্রাব নিসরনে রোগ বৃদ্ধি।
⏺️দুষ্টজাতীয় ফোঁড়া।
⏺️অতিরিক্ত গরম-ঠান্ডা অসহ্য।

★টিউবারকুলিনাম রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :

⏺️চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও রোগী একই লক্ষণ ঘুরে ফিরে আসে।
⏺️একই সময়ে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।
⏺️যে খাবারে বৃদ্ধি সেই খাবারেই আকাঙ্খা।
⏺️বিনা কারণে ঠান্ডা-সর্দ্দি লাগে।
⏺️যথেষ্ট পানাহার সত্বেও দুর্বলতা, শুষ্কতা শীর্ণতা প্রাপ্ত হয়।
⏺️কুকুর ভীতি বিদ্যমান।
⏺️উদাসীনতা ও চিন্তাশূন্যতা।
⏺️ক্রোধপরায়ণ, অসন্তুষ্ট, চঞ্চল, পরিবর্তনশীল মেজাজ।
⏺️কামোত্ততার জন্য যে কোন উপায়ে শুক্রক্ষয় করে।
⏺️বার বার চিকিৎসক বদল করে ।
⏺️জাঁকজমকের সাথে কাজ শুরু করলেও তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
⏺️অনবরত ঘুরে বেড়ানো স্বভাব।
⏺️নিদ্রায় চিৎকার করে কথা বলে ।

★সাইকোসিস রোগীর ধাতুগত লক্ষণ :

⏺️ডাক্তারের কাছে লক্ষণ বলতে গিয়ে দেখে আশেপাশে কেউ আছে কিনা।
⏺️ডাক্তার ঔষধ দিয়েছে! সে আবার খোঁজাখুঁজি করে। কারণ ডাক্তার লক্ষণ গুলো পুরাপুররি শুনল কিনা। আবার জিজ্ঞাস করে কোন ঔষধ কিসের জন্য দিয়েছে।
⏺️পড়ালেখা করতে গেলেও সন্দেহ । একলাইন লেখে তো বারবার কাটাকাটি করে। চিন্তা করে এই শব্দের বদলে ঐশব্দ যোগ করি।
⏺️ঘর থেকে বের হবে দেখবে সব ঠিকঠাক মত আছে তো?
⏺️হিসাব করতে যাবে ব্যবসা অথবা চাকুরিতে সেখানেও সমস্যা, সন্দেহ আর ভূলে যাওয়া।
⏺️মনেও সন্দেহ! রাতে এই বুঝি কেউ পিঁছনে পিঁছনে আসছে; আশেপাশে কেউ আছে।
⏺️বাজার করতে যাবে সেখানেও সমস্যা এই বুঝি দোকানদার আমাকে ঠকিয়ে বেশি নিল। আমি বাজার করেছি কেউ দেখে ফললো না তো।
⏺️এই ডাক্তার আমার রোগ বুঝবে কি বুঝবেনা, আমার রোগ সারাবে কি সারাবে না সন্দেহ। আরো ২-৩ জন ডাক্তার একাত্রিত হলে ভাল হতো।
⏺️মনটি রোগের উপর পড়ে থাকে । সব সময় রোগের কথা বলে ।
⏺️রোগ সূর্যোদয় হতে সূর্যান্ত পর্যন্ত বৃদ্ধি ।
⏺️আঁচিল, টিউমার মাংস বৃদ্ধি, অন্ডকোষ প্রদাহ এর নিদর্শক।
⏺️অস্বাভাবিক গঠন। যেমন- হাত পায়ের আঙ্গুল বেশী বা কম।
⏺️ঝড়-বৃষ্টির পূর্বে বা সময় ঘনঘন মূত্র ত্যাগ।

✋🦶 হাত-পা অবশ? ঝিনঝিন? শিরশির?রইলো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সমূহ ডোজ সহ ⚠️ অবহেলা নয়—এটি স্নায়ুর সতর্ক সংকেত!হঠাৎ বা ধীরে ধীর...
31/12/2025

✋🦶 হাত-পা অবশ? ঝিনঝিন? শিরশির?
রইলো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সমূহ ডোজ সহ
⚠️ অবহেলা নয়—এটি স্নায়ুর সতর্ক সংকেত!
হঠাৎ বা ধীরে ধীরে হাত-পা, আঙুল, মুখ বা শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া, ঝিনঝিন করা বা অনুভূতি কমে যাওয়া—এসব সমস্যার পিছনে থাকতে পারে স্নায়ু দুর্বলতা, ডায়াবেটিস বা রক্ত সঞ্চালনের গোলযোগ।
🌿 হোমিওপ্যাথিতে এর কার্যকর ও নিরাপদ সমাধান সম্ভব।
🔍 অবশ হওয়ার প্রধান কারণ
👉 স্নায়ু দুর্বলতা / স্নায়ু চাপে পড়া
👉 সার্ভাইক্যাল ও লাম্বার স্পন্ডাইলোসিস
👉 ডায়াবেটিস জনিত স্নায়ু সমস্যা
👉 ভিটামিন B₁₂-এর অভাব
👉 ঠান্ডা লাগা ও রক্ত চলাচল কমে যাওয়া
👉 দীর্ঘক্ষণ এক ভঙ্গিতে বসে থাকা
👉 মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
🚨 সাধারণ উপসর্গ
✔ হাত-পা অবশ হয়ে আসে
✔ ঝিনঝিন / সুচ ফোটার মতো অনুভূতি
✔ সকালে ঘুম থেকে উঠে বেশি
✔ হাঁটলে বা কাজ করলে বাড়ে
✔ জ্বালা, দুর্বলতা, টান ধরা
🌿 হোমিওপ্যাথিক কার্যকর ওষুধ (লক্ষণ অনুযায়ী)
🔹 Kali Phosphoricum – স্নায়ু দুর্বলতা, মানসিক চাপ
🔹 Hypericum Perforatum – স্নায়ু আঘাতের পর অবশতা
🔹 Causticum – ডান দিকে অবশ, জ্বালা ও দুর্বলতা
🔹 Phosphorus – রক্ত সঞ্চালন কম, ঠান্ডা হাত-পা
🔹 Arnica Montana – আঘাত বা চাপের পর অবশ ভাব
🔹 Plumbum Metallicum – দীর্ঘদিনের অবশতা ও স্নায়ু সংকোচন
💊 বয়সভিত্তিক সাধারণ ডোজ নির্দেশনা
⚠️ ডোজ রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভরশীল—চিকিৎসকের পরামর্শই চূড়ান্ত।
👶 শিশু (৫–১২ বছর)
➡️ 30 potency – ২ ফোঁটা / ২টি বড়ি
➡️ দিনে ১–২ বার
🧑 কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্ক (১৩–৬০ বছর)
➡️ 30 potency – ৪ ফোঁটা / ৪টি বড়ি
➡️ দিনে ২ বার
➡️ দীর্ঘদিনের ক্ষেত্রে 200 potency সপ্তাহে ১ দিন (চিকিৎসকের পরামর্শে)
👴 বয়স্ক (৬০ বছরের ঊর্ধ্বে)
➡️ 30 potency – ২–৩ ফোঁটা / ২–৩টি বড়ি
➡️ দিনে ১–২ বার
🧂 টিস্যু সল্ট (যেমন Kali Phos 6X/12X)
➡️ সব বয়সে: ৪টি ট্যাবলেট
➡️ দিনে ২–৩ বার
🌼 স্নায়ু সমস্যায় বিশ্বস্ত ঠিকানা 🌼
🔹 এখানে চিকিৎসা করা হয়—
✔ হাত-পা অবশ ও ঝিনঝিন সমস্যা
✔ স্নায়ু ব্যথা ও দুর্বলতা
✔ ডায়াবেটিস জনিত স্নায়ু জটিলতা
✔ দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল রোগ
📞 সঠিক চিকিৎসায় ফিরে পান স্বাভাবিক অনুভূতি
✨ অবহেলা নয়—আজই চিকিৎসা নিন
বি দ্রঃ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন উচিৎ নয়।
প্রতিবেদনটি শুধু মাত্র নবীন হোমিও চিকিৎসক বন্ধুদের জন্য।
#নতুনহোমিওচিকিৎসক
#হোমিওশিক্ষা

#হাতপাঝিন্ঝিমঅবশ

♦️♦️কিডনি পাথরের হোমিও ঔষধ ♦️♦️🛑Berberis Vulgaris - কোমরে ছিড়িয়া ফেলার মতো,  সূচ ফুটানোর মতো এবং ছিদ্র করার মতো জ্বালা...
30/12/2025

♦️♦️কিডনি পাথরের হোমিও ঔষধ ♦️♦️

🛑Berberis Vulgaris
- কোমরে ছিড়িয়া ফেলার মতো, সূচ ফুটানোর মতো এবং ছিদ্র করার মতো জ্বালাযুক্ত ব্যাথা। ব্যথার জন্য স্পর্শ করা যায় না। ওই ব্যথা কোমর হতে আরম্ভ হয়ে ইউরেটার দিয়ে পাছা পর্যন্ত যায়। প্রস্রাবে মিউকাস এবং লাল বালির মতো তলানি দেখা যায়। কিডনির মধ্য বুদবুদ ওঠার মতো শব্দ হয়।

🛑Cantharis
ক্যান্থারিস কিডনি পাথরের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ।
কিডনি, মূত্রনালী,চর্মের উপরে এর প্রধান ক্রিয়া।
রোগীর সর্বদা ঘনঘন প্রস্রাব করার ইচ্ছা এবং ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব নিঃসরণ হয়। উহা আগুনের মতো গরম অনুভূতি হয়। হঠাৎ প্রস্রাবের বেগ এবং মূত্রনালীর মধ্যে চুলকানি।প্রস্রাব করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভীষণ জ্বালা যন্ত্রণা থাকলে এটা উপকারী।

🛑Lycopodium
- ডান পাশে কিডনির পাথরি ।
- প্রস্রাবের সঙ্গে বালির মত লাল তলানি পড়ে ।
- বিকালের পর লক্ষণ বাড়ে।বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যথা বেদনা।
-রোগী চিকন চাকান, শীতকাতর,
গরম খাবার প্রিয়, মিষ্টি প্রিয়, রাগ বেশি,কৃপণ স্বভাবের।

-🛑Sarsaparilla
-মূত্র পাথরের শূলবেদনা ডান দিক হতে বাম দিকে পরিচালিত হয়। কিডনিতে ভয়ানক ব্যথা, ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ এবং অল্প অল্প প্রস্রাব হয়
- প্রস্রাবের শেষে তীব্র ব্যথা এবং জ্বালা যন্ত্রণা।
- শিশুদের ক্ষেত্রে উপকারী ।
- প্রস্রাব পাতলা, জ্বালাপোড়া।
-প্রস্রাবের ধারা সরু অনেক সময় এই ঔষধে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাথর বিনা কষ্টে বের হয়ে যায়।

🛑Pareira Brava
-প্রস্রাব করতে গেলে খুব কষ্ট হয়
-সামনে ঝুঁকে বা হাঁটু গেড়ে বসলে আরাম।
-মূত্রথলিতে পাথর থাকলে উপকারী।

🛑Nux Vomica
-প্রস্রাব অসম্পূর্ণ হওয়ার অনুভূতি
-কোষ্ঠকাঠিন্য, রাগী স্বভাব।
-জীবনযাত্রার অনিয়ম থাকলে উপযোগী।

এছাড়া--Benz-ac,Nit-ac,Calc,Lith-c,Sil,ইত্যাদি তাদের লক্ষণ অনুসারে আসতে পারে।

অটিজম (Autism Spectrum Disorder) কোনো “হঠাৎ সেরে যাওয়ার” রোগ নয়। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি কন্ডিশন।তবে সঠিক ...
30/12/2025

অটিজম (Autism Spectrum Disorder) কোনো “হঠাৎ সেরে যাওয়ার” রোগ নয়। এটি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি কন্ডিশন।
তবে সঠিক ব্যবস্থাপনায় অনেক শিশুর আচরণ, মনোযোগ, ভাষা শেখার ক্ষমতা ও দৈনন্দিন কার্যক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব।
,
হোমিওপ্যাথি অটিজমে মূলত supportive treatment হিসেবে কাজ করে। যেমন—
★ অতিরিক্ত রাগ ও জেদ কমানো
★ হাইপারঅ্যাক্টিভিটি নিয়ন্ত্রণ
★ ঘুম ও হজমের সমস্যা কমানো
★ভয়, সেনসিটিভিটি ও অস্থিরতা হ্রাস

হোমিওপ্যাথিতে অটিজমকে আলাদা রোগ না ধরে শিশুর সামগ্রিক লক্ষণ দেখে রেমেডি নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু commonly used remedies ও তাদের keynotes দেওয়া হলো---

🔹 Baryta carbonica
কথা বলতে দেরি
মানসিক বিকাশ ধীর
অপরিচিত ভয়, শিশুসুলভ আচরণ
🔹 Stramonium
চরম ভয়, অন্ধকারে ভয়
আক্রমণাত্মক আচরণ
হঠাৎ রাগ, screaming
🔹 Carcinosin
খুব সংবেদনশীল
perfectionism / suppressed emotions
strong family history (cancer, TB, diabetes)
🔹 Tuberculinum
restless
routine সহ্য করতে পারে না
mood দ্রুত বদলায়
🔹 Natrum muriaticum
social withdrawal
কথা কম, একা থাকতে চায়
আবেগ চেপে রাখে
🔹 Medorrhinum
hyperactivity
sleep reversal
impulsive behaviour

প্রতিটি শিশুই আলাদা—তাই অটিজমে individualised treatment সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

♦️থাইরয়েডের হোমিও ঔষধ লক্ষণ অনুসারে ♦️🔻 Calcarea Carbonica- দিন দিন মোটা হয়ে যায় অর্থাৎ (Tendency to Obesity)-ঘাড়গলা...
29/12/2025

♦️থাইরয়েডের হোমিও ঔষধ লক্ষণ অনুসারে ♦️

🔻 Calcarea Carbonica
- দিন দিন মোটা হয়ে যায় অর্থাৎ (Tendency to Obesity)
-ঘাড়গলা ফুলে যায় এবং নানান ধরনের
স্কিন ট্যাগ বের হয়।
- ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না ।
- ঘাম বেশি, বিশেষ করে মাথায় । ঘুমানোর সময় বেশি ঘামে।
- ভয় ও দুশ্চিন্তা বেশি । নানান ধরনের ভয় যেমন পাগল হয়ে যাওয়ার ভয়, ইঁদুরের ভয়, হাই প্লেসের ভয় ইত্যাদি।

🔺 Sepia
-চিকন চিকান, পুরুষালি চেহারা।
- বিষণ্ণতা, বিরক্তি । মুখে মেস্তা এবং নানান ধরনের দাগ। মাসিক অনিয়ম ।
- গলার সামনে চেপে ধরার মতো অনুভূতি।
-স্বামী সন্তান-সংসার সবকিছুর প্রতি উদাসীনতা।
-জগত সংসার কোন কিছুই তার কাছে ভালো লাগে না।
-সহবাসের প্রতি বিরক্তি।

🔺 Graphites
- ত্বক শুষ্ক, ফাটা।গরমকালে ত্বক বেশি ফাটা থাকে।
মোটাসোটা রোগী । চুল পড়ে যায়।
- কোষ্ঠকাঠিন্য ।
- নানান ধরনের চর্ম রোগে ভোগে।

🔺 Iodium
- দিনদিন ওজন কমে যায়।
প্রচন্ড ক্ষুধা। খায়দায় বেশি কিন্তু গায়ে লাগেনা।
- অতিরিক্ত উত্তেজনা ও অস্থিরতা ।
- দুর্বলতা, ঘাম এবং প্রচন্ড গরমকাতর।গরম একেবারেই সহ্য করতে পারে না। শীতকালে ভালো থাকে।

🔻Lachesis
- ঘাড়ে বা গলায় ফোলা
- গলায় চাপ সহ্য করতে পারে না । গলায় কোন বস্ত্র, নেকলেস কোন কিছুই রাখতে পারে না।
- কাপড় চোপড় ঢিলা ঢালা পরে।
-প্রচন্ড গরম কাতর।সকল প্রকার ঠান্ডা পছন্দ করে।
-বাচাল প্রকৃতির। সন্দেহপ্রবণ। হিংসাপরায়ণ।

🔻Spongia Tosta
- গলার গ্রন্থি ফোলা
- গলায় শুকনো, ঘষা-ঘষা ভাব
- শ্বাসকষ্টসহ কাশি।

🔻Bryonia Alb
- গলায় প্রচন্ড ব্যথা হয়।
-সামান্য নড়াচড়াতেও ব্যথা বাড়ে।
-শুকনো কাশি থাকে,হাত দিয়ে বুক চেপে ধরে।
-রোগী গরমকাতর,প্রচন্ড পানির পিপাসা। দীর্ঘক্ষণ পরপর অনেকখানি করে পানি পান করে।
-রোগীর রাগ বেশি, খিটখিটে মেজাজ।
-পায়খানা কষা, পোড়া ইটের ঝামার মতো।
-

---🔻✅General Remedy: Thyroidinum
- থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সহায়তা করে
- উভয় অবস্থায় ব্যবহারযোগ্য (লক্ষণ অনুযায়ী) ।
★★পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে। ধন্যবাদ।

🛑Aphthous Ulcer/(মুখে ঘা) এর হোমিও ঔষধ 🛑🔻 Borax-মুখে ঘা খুব ব্যথাযুক্ত ও জ্বালাপোড়া।-গরম বা ঝাল খাবারে ব্যথা বাড়ে।-শিশুদ...
29/12/2025

🛑Aphthous Ulcer/(মুখে ঘা) এর হোমিও ঔষধ 🛑

🔻 Borax
-মুখে ঘা খুব ব্যথাযুক্ত ও জ্বালাপোড়া।
-গরম বা ঝাল খাবারে ব্যথা বাড়ে।
-শিশুদের মুখের ঘায় বেশি কার্যকর।
-শিশুরা সামান্য শব্দে চমকে ওঠে।
-দোল খেতে ভয় পায়, নিম্নগামীতে ভয়।

🔻 Mercurius solubilis
-ঘা এর কারণে মুখে বেশি লালা জন্মে। ঘুমের ভেতর লালা পড়ে।
-মুখে দুর্গন্ধ।
-ঘা থেকে পুঁজ বা স্রাব হতে পারে।
-রাতে ব্যথা বাড়ে।

🔻 Natrum muriaticum
-বারবার মুখে ঘা হয়।
-মানসিক চাপ বা দুঃখ থাকে।
-ঠোঁট শুকনো ও ফাটে।
-লবণ এবং তিতা খাবার প্রিয়।
-ঠান্ডা ভালোবাসে এমনকি ঠান্ডা
পানি দিয়ে গোসল ও পছন্দ করে।

🔻 Sulphur
-ঘা লাল, জ্বালাযুক্ত।
-গরমে কষ্ট বাড়ে।
-দীর্ঘদিন ধরে ঘা বারবার হলে।
-ঘা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে।
-রোগী নোংরা প্রকৃতির।

🔻 Nitric acid
-ঘা খুব গভীর ও ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা।
-সামান্য স্পর্শেই ব্যথা
-রক্তপাত হতে পারে।
-প্রস্রাব -পায়খানায় প্রচন্ড গন্ধ।
-রোগী প্রচন্ড রাগী স্বভাবের। একবার রাগ করলে সহজে ক্ষমা করে না।

🔻 Kali bichromicum
-ঘা গোল ও গভীর।
-ঘা থেকে সুতার মতো স্রাব।
-মুখ থেকেও আঠালো সুতার মতো স্রাব বের হয়।
-জিহ্বা ও তালুতে বেশি হয়।

🔻Kali Chloricum
-মুখে ঘা এর ভালো ঔষধ।
-মুখে তীব্র জ্বালা ও জ্বলনী সহ ঘা।
-খাওয়ার সময় জ্বালা বেড়ে যায়।

★★ এছাড়া কেস টেকিংয়ের ভিত্তিতে যে কোন মেডিসিন আসতে পারে।

🐙 স্ক্যাবিস এবং এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। 👉স্ক্যাবিসঃ (Scabies):- Scabies হলো 'Sarcoptes scabiei ' নামক ক্ষুদ্র পরজীবী দ্...
28/12/2025

🐙 স্ক্যাবিস এবং এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।

👉স্ক্যাবিসঃ (Scabies):-
Scabies হলো 'Sarcoptes scabiei ' নামক ক্ষুদ্র পরজীবী দ্বারা সৃষ্ট একটি চর্মরোগ, যা ত্বকে তীব্র চুলকানি, লাল র‍্যাশ এবং ছোট ছোট ফোঁড়ার সৃষ্টি করে, বিশেষ করে রাতে এই চুলকানি বৃদ্ধি পায়।

🎗️কারণ সমূহঃ

👉 সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে দীর্ঘ সময় ধরে ত্বকের সংস্পর্শে এলে।
👉আক্রান্ত ব্যক্তির বিছানার চাদর,তোয়ালে বা জামাকাপড় ব্যবহার করলে।
👉অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অপরিষ্কার, অপরিচ্ছন্নতা থেকেও এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।

🎗️লক্ষণসমূহঃ

👉তীব্র চুলকানি,বিশেষত রাতে চুলকানি অসহনীয় হয়ে ওঠে।
👉 ত্বকে লাল র‍্যাশ, ছোট ছোট ফোঁড়া বা পোকামাকড়ের কামড়ের মতো দাগ দেখা দেয়।
👉 আঙুলের ফাঁকে, কব্জি, কনুই, কোমর, নিতম্ব বা যৌনাঙ্গের আশেপাশে বেশি হয়।

🫶 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাঃ-

🤷‍♂️ সালফারঃ
👉এর রোগী অত্যন্ত নোংরা প্রকৃতির, অপরিস্কার, প্রায়ই খোস পাঁচড়া চুলকানিতে ভোগে।
👉চুলকানির সময় আরাম কিন্তু পরে জ্বালাবোধ করে।
👉রোগী গরম কাতর । কিন্তু স্নানে অনিচ্ছা।
👉মাংস পছন্দ,অন্ধকারে ভয়,অলস প্রকৃতির রোগীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

🤷‍♂️ সোরিনামঃ
👉হাতে-পায়ে, মাথায় খোস পাঁচড়ায় ভয়নক চুলকানি।
👉 গায়ে ভীষন দুর্গন্ধ,
👉অত্যন্ত শীত কাতর,
👉স্নান করিতে চায় না।
👉আরোগ্য নিয়ে হতাশা।
👉শরীর অপরিস্কার নোংরা রোগীদের এই ঔষধ খুবই কার্যকরী ।

🤷‍♂️ মেজেরিয়মঃ
👉হাতে পায়ে শরীরে বিভিন্ন স্থানে খোস পাঁচড়ায় হলুদ বর্ণের পুঁজ।
👉 অত্যাধিক চুলকানি।
👉মাথায় মামড়ি, তার নিচে পুঁজ। এসব লক্ষণে এই মেডিসিনটি প্রযোজ্য।

🤷‍♂️ মার্কসলঃ
👉রোগী উভয় কাতর। এবং প্রচুর ঘাম হয়।
👉চুলকানি রাতে বৃদ্ধি। এবং ঘামের পর বৃদ্ধি।
👉মুখে লালা স্রাব।
👉চুলকানোর পরে অসহ্য যন্ত্রণা এবং রক্ত ও পানি বের হয়। এসব লক্ষণে
সুপ্রযোজ্য।

🤷‍♂️ এচিনেশিয়াঃ
👉হাতে পায়ে, পাছায় বা গুপ্ত স্থানে ছোট বড় পাঁচড়া।
👉 হলুদ বর্নের গাঢ় পুঁজ, অত্যন্ত চুলকানী ।
👉যাদের রক্ত দূষিত হয়ে চর্মরোগ হয়ে থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই মেডিসিনটি
সুপ্রযোজ্য।

🤷‍♂️ আর্সেনিক এলবামঃ
👉খোস পাঁচড়ায় যন্ত্রণাদায়ক চুলকানি।
👉রোগী শীতকাতর।
👉গরম প্রয়োগে উপশম।
👉উৎকণ্ঠা এবং মৃত্যুভয়।
👉পিপাসা বেশি।
👉প্রচন্ড অস্থিরতা, এসব লক্ষণে এই মেডিসিনটি প্রয়োগে সুফল বয়ে আনে।

🤷‍♂️ ক্যালি মিউরঃ
👉জিহ্বা সাদা ময়লাযুক্ত।
👉কোষ্ঠবদ্ধতা রোগীদের খোস পাঁচড়া চুলকানিতে ইহা উপকারী ।
তাছাড়াও অন্যান্য মেডিসিন লক্ষণ সাদৃশ্য আসতে পারে।

🫶 ব্যবস্থাপনাঃ---
১। রোগীর জামা কাপড় গরম পানি এবং স্যাভলন দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তারপর রৌদ্রে শুকাতে হবে।
২। পরিবারের সবাই একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে।
৩। এলার্জি জাতীয় খাবার গুলো পরিহার করতে হবে।

⚠️ সতর্কতাঃ
১। চর্ম রোগের ক্ষেত্রে সব সময় নিম্ন শক্তি ব্যবহার করুন।
২। ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত ঔষুধ সেবন পরিহার করুন।
- C

🛑Vitiligo-এর হোমিও ঔষধসমূহ 🛑🔷Arsenicum Sulphuratum Flavum- শ্বেতী রোগে অন্যতম প্রধান ঔষধ । - ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া সাদা দা...
27/12/2025

🛑Vitiligo-এর হোমিও ঔষধসমূহ 🛑

🔷Arsenicum Sulphuratum Flavum
- শ্বেতী রোগে অন্যতম প্রধান ঔষধ ।
- ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়া সাদা দাগ ।
- অল্প পরিসর রোগে ইহা দ্বারা আরোগ্য হয়।
-শ্বেতী রোগে চর্ম হতে মাছের আঁশের মত মরা চামড়া উঠে।

🔷Bacillinum
- পারিবারিক ইতিহাস থাকলে উপকারী
- চামড়ার রঙ সাদা হয়ে যাওয়ার ঝোঁক রোধে সহায়ক।

🔷Sulphur
- গা গরম, চুলকানির প্রবণতা ।
- দাগ ছড়াতে থাকে, চামড়া শুষ্ক ।
- রোগ বারবার ফিরে আসে।
-প্রচন্ড নোংরা, ঘা পাচড়ার ইতিহাস।
-গোসল করতে চায় না,পন্ডিত, যেখানে সেখানে জ্ঞান দেয়।

🔷Thuja Occidentalis
- টিকা নেওয়ার পরে শুরু হওয়া শ্বেতী ।
- অনিয়মিত দাগ, ত্বকে নডিউল,টিউমার বা তিল থাকলে।

🔷Calcarea Carbonica
- মোটাসোটা, থলথলে,সুন্দরী যারা সহজে ভয় পায়।
- সহজে ক্লান্ত হয়, ঠান্ডায় সংবেদনশীল।
-অতিরিক্ত ঘাম।মাথার পিছন সাইড বেশি ঘামে।
-ডিম প্রচণ্ড প্রিয়। এমন রোগীদের শ্বেতী রোগে প্রয়োজন।

🔷Natrum Muriaticum

- মানসিক কষ্ট বা দুঃখের পর, অতিরিক্ত রোদের ভিতর কাজ করে রোগ শুরু ।
- ঠোঁট ও মুখের চারপাশে দাগ বেশি।
-চিকন চাকান রোগী, লবণ প্রিয়, তিতা খাবার প্রিয়।
-পায়খানা কষা। দু একদিন পরপর হয়। এমন রোগীদের শ্বেতী রোগে প্রয়োজন।

🔷Arsenic Alb
-ত্বকের স্থানে স্থানে সাদা দাগ।
-ত্বকে চুলকানি থাকে। দিনরাতের মধ্যভাগে এবং রাতে বৃদ্ধি পায়।
-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রোগী, খুঁতখুঁতে স্বভাবের, নিখুঁত ব্যক্তিত্ব, স্বার্থপর, অতিরিক্ত কৃপণ। এমন রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকরী।

🔷Redium Bromide
-চর্ম পীড়ায় অত্যন্ত চুলকানি ও জ্বালা থাকে। ধবল রোগের ক্ষেত্রে এটা একটা উৎকৃষ্ট ঔষধ।
-রোগী সব সময় লোকজনের মধ্যে থাকতে ভালোবাসে এবং সর্বদা বিপদের আশঙ্কা করে।

🔷Syphilinum
-শ্বেতী বা ধবল রোগীদের পক্ষে এটা বেশ কার্যকরী একটা ঔষধ। রোগী দিনে বেশ ভালো থাকে কিন্তু রাতে তার মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়, উপসর্গ বৃদ্ধি পায়।
-রোগীর কোষ্ঠবদ্ধতা, নিদ্রাহীনতা বহুদিন ধরে চলে।
-রোগী ভুলোমনের, সব কিছু ভুলে যায়।
-বারবার হাত ধোয়া অভ্যাস।

🔷Psoralia cori

-এটার মাদার টিঙ্কচার বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায়।

-🔻🔻হোমিওপ্যাথিতে রোগের কারণ, গঠন, মানসিক অবস্থা অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়।
তাই শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধৈর্য সহকারে সময়ধরে নিতে হবে।

★★পূর্ণাঙ্গ কেস টেকিং এর ভিত্তিতে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।

Address

BaluBari Panir Tanki Mor
Dinajpur
5200

Telephone

+8801855336661

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Al Ibrahim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category