শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care

  • Home
  • Bangladesh
  • Dinajpur
  • শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care

শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care, Medical and health, Shoshthitola Mor, Sadar, Dinajpur.

এখানে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও অ্যাজমা সমস্যার জন্য প্রসিদ্ধ আয়ুর্বেদিক, ইউনানি এবং হারবাল ঔষধ পাওয়া যায় যা ২০ বছরের অধিক সময় ধরে পরীক্ষিত এবং বিভিন্ন রোগী এই ওষুধের উপকার পেয়ে আসছেন। একবার ব্যবহার করে যাচাই করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ উপকার পাবেন। আল্লাহ ভরসা।

23/06/2025

এজমা, শ্বাস-কষ্ট ও হাপানির সমস্যাতে আমাদের ওষুধটি একবার ব্যবহার করে দেখুন। অবশ্যই উপকার পাবেন ইনশা আল্লাহ।

যোগাযোগ:
01950668696

শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এবং এজমার সমস্যা কমাতে কিছু করণীয় নিচে উল্লেখ করা হলো:১. ট্রিগারগুলো চিহ্নিত ও এড়িয়ে চলুন:ধূলা, ধোঁ...
15/05/2025

শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এবং এজমার সমস্যা কমাতে কিছু করণীয় নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. ট্রিগারগুলো চিহ্নিত ও এড়িয়ে চলুন:
ধূলা, ধোঁয়া, পোষা প্রাণীর লোম, ফুলের রেণু, ঠান্ডা বাতাস, তীব্র গন্ধ (যেমন পারফিউম, স্প্রে), এবং কিছু নির্দিষ্ট খাবার (যদি অ্যালার্জি থাকে) হাঁপানি বা এজমার সমস্যা বাড়াতে পারে। এগুলো চিহ্নিত করে চলার চেষ্টা করুন।

২. ঘরোয়া প্রতিকার:
🌿🌿🌿 পেঁয়াজ: প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং শ্বাসপথ পরিষ্কার রাখতে পারে। কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন।

🌿🌿🌿 লেবু: ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। হালকা গরম জলে লেবুর রস ও সামান্য চিনি মিশিয়ে পান করতে পারেন।

🌿🌿🌿 ল্যাভেন্ডার তেল: গরম জলে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে ভাপ নিতে পারেন।

🌿🌿🌿 মধু: হাঁপানি নিরাময়ের প্রাচীন টোটকা। রাতে ঘুমানোর আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।

🌿🌿🌿 আদা: জলের সাথে আদা ফুটিয়ে সেই মিশ্রণ পান করলে আরাম পাওয়া যায়।

🌿🌿🌿 রসুন: দুধের সাথে কয়েক কোয়া রসুন ফুটিয়ে পান করলে ফুসফুসের রোগ নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে।

🌿🌿🌿 কফি: গরম কফি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে এবং শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

৩. শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম:
🌿🌿🌿 সোজা হয়ে বসে হাত দুটি থাইয়ের উপর রাখুন।
🌿🌿🌿 মুখ খুলে যতটা সম্ভব বাতাস ভেতরে টেনে নিন।
🌿🌿🌿 ঠোঁট বন্ধ করে ধীরে ধীরে বাতাস ছাড়ুন।
🌿🌿🌿 বুক ভরে শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন, তারপর ধীরে ধীরে ছাড়ুন।

৪. খাদ্যাভ্যাস:
🌿🌿🌿 ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফল, সবজি ও শস্য গ্রহণ করুন।

🌿🌿🌿 কমলালেবু, জাম্বুরা, লেবুর মতো সাইট্রাস ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

🌿🌿🌿 বাদাম ও বীজ (যেমন আখরোট, কাঠবাদাম, তিসি বীজ) স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ভিটামিন ই সরবরাহ করে যা হাঁপানির জন্য উপকারী।

🌿🌿🌿 চর্বিযুক্ত মাছ (যেমন স্যামন, ম্যাকেরেল) ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করে যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

৫. জীবনধারা:
🌿🌿🌿 ধূমপান পরিহার করুন।
🌿🌿🌿 ঘরের ভেতর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।
🌿🌿🌿 নিয়মিত ব্যায়াম করুন, তবে ব্যায়ামের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
🌿🌿🌿 মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

৬. ডাক্তারের পরামর্শ ও চিকিৎসা:
🌿🌿🌿 শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা এজমার সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
🌿🌿🌿 ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ ও ইনহেলার সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।
🌿🌿🌿 নিয়মিত ফলো-আপে থাকুন এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলুন।

জরুরী পরিস্থিতিতে:
🌿🌿🌿 হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত ইনহেলার নিন।
🌿🌿🌿 ইনহেলার ব্যবহারের পরেও যদি শ্বাসকষ্ট না কমে, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।

মনে রাখবেন, ঘরোয়া টোটকাগুলো শুধুমাত্র উপশমের জন্য, এগুলো চিকিৎসার বিকল্প নয়। সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অপরিহার্য।

☘️☘️☘️ ২০ বছর ধরে পরীক্ষিত আল্লাহর রহমতে ১০০% কার্যকরী একটি ওষুধ যা শ্বাস-কষ্ট, হাপানি ও এজমার সমস্যা সমাধানে কাজ করে, এরকম একটি ওষুধের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। ৮-১০ দিন ব্যবহারেই উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ।

☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️
মোবাইল/হোয়াটসএপঃ 01950-668696
☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️ ☘️☘️☘️

নতুন পুরাতন যে কোন  #শ্বাস- #কষ্ট,  #কাশ ও  #হাঁপানি রোগে শ্বাস শান্তি নামক ঔষধ প্রথম দিন সেবন থেকে বা সেবনের মাত্র অল্প...
05/05/2025

নতুন পুরাতন যে কোন #শ্বাস- #কষ্ট, #কাশ ও #হাঁপানি রোগে শ্বাস শান্তি নামক ঔষধ প্রথম দিন সেবন থেকে বা সেবনের মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে সুস্থ। নিয়মিত ৩ মাস সেবন করে বহু রোগী আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়। আবার অনেক রোগ কমে যায়। মাঝে মাঝে রোগ দেখা দিলে তখনি ঔষধ সেবন করতে হয়।

( দাম মাত্র =১৮০৳)

অর্ডার দিতে এ নাম্বারে এখনি যোগাযোগ করুন ০১৯৫০৬৬৮৬৯৬

16/04/2024

নতুন পুরাতন যে কোন শ্বাস কাশ ও হাঁপানি রোগে শ্বাস শান্তি নামক ঔষধ প্রথম দিন সেবন থেকে বা সেবন মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে সুস্থ। নিয়মিত ৩ মাস সেবন করে বহু রোগী আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়। আবার অনেক রোগ কমে যায়। মাঝে মাঝে রোগ দেখা দিলে তখনি ঔষধ সেবন করতে হয়। ( দাম মাত্র =১৮০৳)

অর্ডার দিতে এ নাম্বারে এখনি যোগাযোগ করুন ০১৯৫০৬৬৮৬৯৬

04/10/2022

শ্বাস কষ্ট, হাপানী ও এজমা রোগীদের জন্য "শ্বাস শান্তি" ঔষধ।
দীর্ঘ ২০ বছর যাবত অনেক রোগীর মাধ্যমে পরীক্ষিত।

যাদের অনেক পুরাতন সমস্যা আছে তারা এই ঔষধ ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

দাম এক ফাইল মাত্র ১৮০ টাকা। বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্স করুন।

08/03/2022

#ঠোঁট_কাটা_তালু_কাটা_রোগীদের_বিনামূল্যে_অপারেশন
আগামী ২১-২৮ মার্চ ২০২২ইং, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আমেরিকার প্রখ্যাত ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জন ডা. শহিদ আর আজিজ এবং ডা. জোসে মার্চেনা ঢাকা ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল, মিরপুর-১৪ তে ঠোঁট কাটা, মাড়ি কাটা ও তালু কাটা রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন করবেন। আগ্রহী রোগীর অবিভাবকদের ১৫ মার্চ, ২০২২ইং তারিখের মধ্যে অত্র হাসপাতালের ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেশিয়াল সার্জারি বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

যোগাযোগঃ
আবাসিক সার্জন
০১৯১২৮৩৫১১৩
০১৭১১৪৪৫৯০০

07/11/2021

শ্বাস কষ্ট, হাপানী ও এজমা রোগীদের জন্য "শ্বাস শান্তি" ঔষধ।
দীর্ঘ ২০ বছর যাবত অনেক রোগীর মাধ্যমে পরীক্ষিত।

যাদের অনেক পুরাতন সমস্যা আছে তারা এই ঔষধ ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

দাম এক ফাইল মাত্র ১৬০ টাকা। বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্স করুন।

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য 'ভিটামিন ডি'শরীর সুস্থ রাখতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পা...
13/08/2021

শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য 'ভিটামিন ডি'

শরীর সুস্থ রাখতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ডি। সূর্য রশ্মি এই ভিটামিনের প্রধান এবং উল্লেখযোগ্য উৎস। সূর্য রশ্মির সংস্পর্শে এলে শরীর নিজেই ভিটামিন ডি তৈরি করতে শুরু করে। আমাদের শারীরিক মানসিক সুস্থতার জন্য এই ভিটামিন কত জরুরি জেনে নিন।

১। রোগ দূর করে ভিটামিন ডিঃ
শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি তৈরি হলে তা নানান গভীর রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে। একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, হৃদরোগের সম্ভাবনা কম করে ভিটামিন ডি। এ ছাড়াও আরও একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, এই ভিটামিনের প্রভাবে নানান ফ্লুয়ের সম্ভাবনাও দূর করা যায়।

২। ডিপ্রেশন কম করেঃ
সমীক্ষা অনুযায়ী এই ভিটামিন আমাদের মেজাজকে প্রভাবিত করে। গবেষকদের দাবি, ডিপ্রেশনের শিকার ব্যক্তিদের ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট দেওয়ায় তাদের মধ্যে উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। ভিটামিন ডি এর অভাব থাকলে, সেই ব্যক্তির মধ্যে অবসাদ, আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ার সমস্যা অধিক দেখা যায়।

৩। ওজন কম করেঃ
ওজন কম করতে চাইলে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী যারা নিয়মিত ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি ওষুধ খান, তাদের পক্ষে ওজন কম করা সহজ হয়।

এছাড়াও ভিটামিন ডি এর নানান উপকারিতা রয়েছে। ভিটামিন ডি বলতে সাধারণত যে ভিটামিন আমরা খেয়ে থাকি বা সূর্য রশ্মি থেকে লাভ করি তা হল ভিটামিন ডি৩। ভিটামিন ডি২ শরীর শোষণ করতে পারে না। তবে ডি৩ আমাদের শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। এই ভিটামিনের একাধিক উপকারিতা রয়েছে।

৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ
এই ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধের কাজে উন্নতি ঘটিয়ে সংক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৫। রক্তে শর্করার পরিমাণ কম করেঃ
কিছু সমীক্ষা অনুযায়ী ভিটামিন ডি শরীরে ইনসুলিনের স্তরকে সাধারণের তুলনায় বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে। বিশেষজ্ঞদের মতে ভিটামিন ডি৩ টাইপ-২ ডাইয়াবেটিস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৬। ক্যানসার থেকে রক্ষা করেঃ
ভিটামিন ডি-তে উপস্থিত ক্যান্সার বিরোধী গুণ টিউমার কোষের বৃদ্ধি ব্যাহত করে। আবার কিছু সমীক্ষা অনুযায়ী ভিটামিন ডি ক্যান্সারের গতিকে কমিয়ে দেয়।

৭। কীভাবে শরীরে ভিটামিন ডি এর স্তর বৃদ্ধি করা যাবেঃ
এই ভিটামিন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় সূর্যরশ্মির মধ্যে। তাই প্রতিদিন সকালে সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে আসুন। সূর্যোদয় থেকে শুরু করে সকাল ৯টার মধ্যে রোদের সংস্পর্শে থাকলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের অতি বেগুনী রশ্মির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই বেশি বেলা হলে রোদে না বের হওয়া ভালো। এছাড়াও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। তবে কিছু কিছু খাবার আছে, যা আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

ফোর্টিফায়েড খাবারঃ
খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় ভিটামিন ও মিনারেল বের হয়ে গেলে ফোর্টিফায়েড ফুড সেই অভাব দূর করে। এটি খাদ্যবস্তুর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ ফোর্টিফায়েড খাবার হল পাউরুটি, সিরিয়াল, দুধ, পনীর, সোয়া মিল্ক ও কমলালেবুর জুস।

মাশরুমঃ
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। সাদা বাটন মাশরুম, ওয়াইল্ড এডিবল ও চ্যান্ট্রেল মাশরুম ভিটামিন ডি-য়ে সমৃদ্ধ। মাশরুম ও কড লিভার তেলে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ডি থাকে।

দুধ শরীরের পক্ষে জরুরিঃ
এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। তাই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। এছাড়াও চিজ, দই খেলেও উপকার পাওয়া যায়।

ডিম ও মাংসঃ
ডিম এবং মাংস ভিটামিন ডি এর উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে প্রোটিনও পাওয়া যায়।

মাছঃ
খাবারের মধ্যে মাছকে ভিটামিন ডি এর সবচেয়ে ভালো উৎস মনে কার হয়। এক্ষেত্রে সালমন মাছকে ভিটামিন ডি এর উল্লেখযোগ্য উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়।

Address

Shoshthitola Mor, Sadar
Dinajpur
5200

Telephone

+8801950668696

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি এন্ড অ্যাজমা কেয়ার - COPD & Asthma Care:

Share