26/01/2026
টিটেনাস (টিকার নাম: ভ্যাক্সিটেট)
টিটেনাস বা ধনুষ্টঙ্কারের টিকা মূলত ৪টি ভিন্ন পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়। চার্ট অনুযায়ী ডোজের নিয়মগুলো নিম্নরূপ:
১.শিশুদের ক্ষেত্রে (EPI অনুযায়ী)
👉৬ সপ্তাহে → DPT/পেন্টাভ্যালেন্ট-১
👉১০ সপ্তাহে → DPT/পেন্টাভ্যালেন্ট-২
👉১৪ সপ্তাহে → DPT/পেন্টাভ্যালেন্ট-৩
👇 এতে টিটেনাসের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সুরক্ষা হয়।
২. মহিলাদের জন্য (১৫ বছর থেকে শুরু করে):
যদি কোনো নারী আগে টিকা না নিয়ে থাকেন, তবে তাকে মোট ৫টি ডোজ নিতে হয়: 👇
👉 ১ম ডোজ: ১৫ বছর বয়সের পর যেকোনো দিন।
👉 ২য় ডোজ: ১ম ডোজের ১ মাস পর।
👉 ৩য় ডোজ: ২য় ডোজের ৬ মাস পর।
👉 ৪র্থ ডোজ: ৩য় ডোজের ১ বছর পর।
👉 ৫ম ডোজ: ৪র্থ ডোজের ১ বছর পর।
৩. কাটা-ছেঁড়ার পর (আঘাতজনিত কারণে):👇
হঠাৎ দারালো ছুড়ি দ্বারা, এক্সিডেন্ট মাধ্যমে কোথাও কেটে গেলে বা আঘাত পেলে:
👉 ১ম ডোজ: কাটা-ছেঁড়ার পর যত দ্রুত সম্ভব।
👉 ২য় ডোজ: ১ম ডোজের ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে।
👉 বুস্টার ডোজ: ২য় ডোজের ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে। এরপর প্রতি ১০ বছর অন্তর ১টি করে বুস্টার ডোজ নিতে হয়।
৪. গর্ভাবস্থায়:
👉১ম ডোজ: গর্ভকালীন অবস্থায় ৬ষ্ঠ বা ৭ম মাসে।
👉২য় ডোজ: ১ম ডোজের ১ মাস পর।
গুরুত্বপূর্ণ নোট:
প্রদানের স্থান: এই টিকা পেশীতে (Intramuscular) দিতে হয়।
ভ্যাক্সিটেট-আইজি (ইমিউনোগ্লোবিউলিন): যদি ক্ষতটি এমন হয় যেখান থেকে টিটেনাস হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি, তবে টিকার (ভ্যাক্সিটেট) প্রথম ডোজের সাথে অবশ্যই ভ্যাক্সিটেট-আইজি/প্রোটেক্ট-আইজি ইনজেকশন দিতে হবে।
বিঃদঃ জনস্বার্থে পোস্ট সেয়ার করে দিবেন যাতে সবাই দেখতে পারে এবং সচেতন থাকতে পারে।
এইরকম আরো গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে পোস্ট পাওয়ার জন্য আমাদের পেইজ ফলো দিয়ে রাখবেন
(সংগৃহীত)