পুরুষদের হেলথ টিপস- Man's Health Tips

  • Home
  • Bangladesh
  • Feni
  • পুরুষদের হেলথ টিপস- Man's Health Tips

পুরুষদের হেলথ টিপস- Man's Health Tips শুধু মাত্র ছেলেদের মেয়েদের জন্য উপকা?

28/08/2022

কোন মেয়েই প্রেগনেন্সিকালীন স্মৃতি ভোলে না। যদি সেটা খারাপ স্মৃতি হয়, তাহলে আরো ভোলে না। এমনকি সেই সময় তার কী খেতে ইচ্ছা হইসিলো, কিন্তু বাচ্চার বাপ সেটা খাওয়ায় নাই, সেটাও তার টনটনে মনে থাকে।

আমি অধিকাংশ মেয়েকে দেখেছি গ্রেগনেন্সির সময় কবে রিকশায় করে বাসে উঠে কষ্ট করে কোথায় যেতে হইছিলো, কবে কে তাকে যত্ন করে পৌঁছে দেয় নাই, কবে কে তাকে কলিজার সিঙ্গারা খাওয়ায় নাই অথচ তার জান ফেটে যাচ্ছিলো খাওয়ার জন্য, কবে কে রান্না করে দেয় নাই, কে কবে কাছে এসে থাকে নাই, কবে জামাই সময় দেয় নাই, ডাক্তারের কাছে সাথে যায় নাই- সব তারা টুকিটাকি বিস্তারিত মনে রেখেছে। আমিও অনেক কিছু মনে রেখেছি। বলা যায় প্রায় সবই। এবং সেই সময়টায় যারা আমাকে কষ্ট দিয়েছে তাদের আমি আজীবনের জন্য অপরাধী করে রেখেছি। তারা কোনোদিনই আমার কাছে ক্ষমা পাবে না।

হরমোনাল পরিবর্তনের কারনে প্রেগনেন্সির সময় মেয়েদের মনোজগতে একটা বিশাল পরিবর্তন আসে। নিজের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, শরীর খারাপ লাগা, চলাফেলার সীমাবদ্ধতা, বাচ্চাকে নিয়ে টেনশন- সবকিছু মিলিয়ে একটা যা তা অবস্থা হয়। এই সময়টায় ডিপ্রেশনে ভোগে অধিকাংশ মেয়ে।

প্রেগনেন্সি মানে শুধু পুষ্টিকর খাওয়া আর বিশ্রাম না। প্রেগনেন্সিতে মনের যত্ন খুব জরুরি। যদিও এই সমাজ সংসার মেয়েদের মনের কচুটা বোঝে। প্রেগনেন্ট মেয়েকে থোড়াই তারা সম্মান করতে জানে। বরং জানে কীভাবে তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা যায়। তাই নিজেরটা নিজে বুঝে নেন। নিজের যত্ন নিজে করেন।

একটা মেয়ের মা হওয়া  মানেই আপনাকে টেক কেয়ার করার জন্য কেউ জন্মালো । একটা মেয়ের মা হওয়া মানেই আপনি আজীবন কোন বন্ধু পেলেন য...
01/08/2022

একটা মেয়ের মা হওয়া মানেই আপনাকে টেক কেয়ার করার জন্য কেউ জন্মালো । একটা মেয়ের মা হওয়া মানেই আপনি আজীবন কোন বন্ধু পেলেন যে বন্ধুটা আপনাকে ছেড়ে যাবে না।

একটা মেয়ে জন্মানোর পর মায়ের সবচেয়ে বড় স্বস্তি হলো তার বিশ্বস্ত একজন এমন বন্ধু পাওয়া , যে সঙ্গী জীবনে পা মিলিয়ে চলার সহযাত্রী ।কচি কচি হাতেই মেয়েটা আপনাকে আদর করতে করতে ফিল করাবে আপনি আপনার মায়ের আরেক ফটোকপি পেতে যাচ্ছেন ।

একটু বড় হবার পর থেকেই সে আপনাকে ফিল করাবে আপনাকে এক্সট্রা কেয়ার করার কেউ আপনার ছায়ার সাথে সাথে ঘুরছে ফিরছে । শৈশবে সে বেড়ে উঠতে উঠতেই আপনাকে চা কফি বানিয়ে দিবে , সে চাইবে আপনার সাজের তাকটা কিংবা আলমারিটা একটু গুছিয়ে দিতে ।কৈশরে সে আধা মা হয়ে আপনাকে শাসন করা শুরু করবে । ঘুমাও না কেন? খাওনা কেন? এই শাড়ীটা পরো না কেন বলা শুরু করে দিবে । যৌবনে তার পড়াশুনা শেষ করতেই আপনার জন্য সে নীরবে ছেলের দায়িত্ব পালন করার জন্য উঠে-পড়ে লাগবে । আর বৃদ্ধ বয়সে যখন আপনি একা সে আপনার ভালো সঙ্গী হয়ে আপনার সুখ -দুঃখের সমস্ত আলাপ আলোচনা বন্ধু হয়ে শুনবে ।

মেয়েরা মায়ের চোখের জল মুছানোর জন্যই মনে হয় পৃথিবীতে আসে ।

তাই তো মেয়ে মানেই জান্নাতের সুখ ।

04/06/2022

✅ ডায়াবেটিস রোগীদের অসচেতনতা হতে পারে পা কাঁটা পড়ার কারণ।

আজকাল আমাদের দেশে সবচেয়ে কমন স্বাস্থ্য সমস্যা হচ্ছে ডায়াবেটিস। এটি কমন সমস্যা হলেও এর প্রভাব অনেক বিস্তৃত ও পরিস্থিতিভেদে মারাত্নক।

সাধারণত ডায়াবেটিস আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গেই কোন না কোন সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে পা এর উপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এমনিতেই পা আমাদের শরীরের সবচেয়ে অবহেলিত অঙ্গ। খুব কম মানুষই আলাদাভাবে পায়ের যত্ন নেন।

তাই পায়ে ডায়াবেটিসের প্রভাব প্রাথমিক অবস্থায় অনেকেই ধরতে পারেন না। ফলে সামান্য আঘাত বা ক্ষত থেকে পা কাঁটা পড়ার মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

✅ আসুন জেনে নিই কি কি কারণে পা কাঁটা পড়তে পারেঃ

▪️ দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকার কারনে ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের রক্তনালী শুঁকিয়ে যায় এবং বিভিন্ন জটিলতার সৃষ্টি হয়। এইজন্য পায়ে ব্যথার অনুভূতি কমে যায়। ফলে রোগীরা আঘাত পেলেও বুঝতে পারেন না এবং আঘাতের জায়গায় চাপ ফেলতে থাকেন। ফলে সামান্য আঘাত ইনফেকশনে রুপ নেয়। এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসা শুরু না করলে তা থেকে গ্যাংগ্রিনের সৃষ্টি হয় এবং পা কাঁটার মত পরিস্থিতি চলে আসে।

▪️ অনেক ডায়াবেটিস রোগী আছেন, যাদের রাতে পায়ে জ্বালা ও ব্যথা বেড়ে যায়।পায়ের জ্বালাপোড়া সাধারনত ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সে এবং ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে যে কারো হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মহিলারা পুরুষের তুলনায় বেশী আক্রান্ত হন। যদিও সকালে ঘুম থেকে উঠার পর ডায়াবেটিস রোগীর এ ধরনের উপসর্গ থাকে না, ফলে ব্যাপারটা নিয়ে অনেকেই মাথা ঘামাতে চাননা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা অনেক জটিল হয়ে পরে, এমনকি পা বাঁচানোও দুঃসাধ্য হয়ে উঠে।

▪️ পায়ে সঠিক ভাবে রক্তপ্রবাহ না থাকার কারনে, পায়ের তলা ছাড়াও গোড়ালি, পায়ের উপরিভাগে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা হতে পারে। এর কারনে অনেক সময় পায়ের রং পরিবর্তন হয়, অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং পা ফুলে যায়।

▪️ রোগীর পায়ে ও পায়ের আঙ্গুলের মধ্যে কর্ন, ক্যালাস এবং ফোসকা হলে তা বুঝতে পারে না, যা পরবর্তীতে ভয়ংকর রূপ ধারন করতে পারে। এক্ষেত্রে নিয়মিত পায়ের পরীক্ষা খুবই জরুরী।

▪️ বেশিরভাগ সময়ই রোগীরা অসাবধানতা এবং সচেতনতার অভাবে কারনে দেরীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, তাই অনেক সময় দেখা যায় সামান্য দেরীতে চিকিৎসা গ্রহনের কারনে রোগীর জীবন বাঁচাতে পায়ের অংশবিশেষ কেটে ফেলে দিতে হয়।

✔️ তবে এমন না যে ডায়াবেটিস আক্রান্ত সব রোগীর পা কাঁটা পরে। রোগী যদি সামান্য সচেতন হন এবং সঠিক সময় সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করেন তাহলে গ্যাংগ্রিন সহ পা কেটে ফেলার মত মারাত্মক পরিস্থিতির হাত থেকে বাঁচতে পারেন।

✅ সঠিকভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রন, নিয়মিত পায়ের পরীক্ষা এবং যেকোনো সমস্যায়, বিশেষজ্ঞের পরামর্শমত চললে পা কাঁটা পড়ার ঝুঁকি ৯০ ভাগই কমে যায়।

তাই সচেতন হোন এবং পায়ের যত্ন নিন। মনে রাখবেন পা আপনাকে সচল রাখে।

১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!২. ম্য...
21/03/2022

১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!
২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো? অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!
৩. মন খারাপ কেন ভাবী? ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!
৪. একটা কথা বলি আপু! কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!
৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!
৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়ীতে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে! না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে!
৭. জন্মদিনে এবার কি কি করলেন আপনারা?
আপনার ভাই অফিসের কাজে ব্যস্ত!!!!
কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম! হাসবেন না, সিরিয়াসলি!

-----------------------------------------------

বিঃ দ্রঃ - অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, কিছু কিছু মানুষ আছে, নিজের অফিসের কলিগ,পাশের বাসার ভাবী, কিংবা বন্ধুর বউ,পরিচিত আপু ম্যাডামদের সাথে এভাবেই কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো "জাস্ট প্রশংসাবাক্য"। এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বুঝার উপায় নেই। যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা!
খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলারাও এরকম ফ্লার্ট করে। সে সংখ্যাটাও কম না!! যে মহিলা জীবনে কোনোদিন স্বামীর বিকল্প স্বপ্নেও কল্পনাও করেন নি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, কিন্তুু স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন। পর পুরুষের মুখে নিজের এত্ত সুন্দর প্রশংসা শুনে, "আমি হলে পায়ের কাছে পড়ে থাকতাম" কথাটা শুনে সেই মহিলাও ভাবেন, এই স্বামী আমাকে বঞ্চিত করছে, নিশ্চয়ই আমি আরও ভালো কিছু আশা করি!
যে মহিলা একটা সুখের সংসারে আছেন, বাচ্চা নিয়ে স্বামী স্ত্রী ব্যাস্ততার মাঝে কোনো কিছুর অভাবই বোধ করেন না, সে মহিলাও যখন বাইরের কারো কাছে নিজের কপালের তিলের এত্ত প্রশংসা শুনেন তখন তার মনে হতে পারে, "ওর সাথে এত্তদিন সংসার করলাম, ও তো একটা দিনের জন্যেও এভাবে আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলো না!" নিজের বয়সের ব্যাপারে বাইরের পুরুষের প্রশংসা শুনে মহিলা, বারবার আয়নার সামনে নিজের চেহারা দেখেন। ভাবতে থাকেন, হ্যাঁ, আমি তো সুন্দরই। আর ওই পুরুষটাই আমার এ সৌন্দর্যের মূল্যায়ন করলো!
হ্যা, এভাবেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ যা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক বা পরকীয়া বা ঘর ভাংগার মত ক্ষতির কাজ। তথা কথিত একটা "ইনোসেন্ট প্রশংসা"ই ধ্বংস করে দিতে পারে একটা মানুষকে, একটা পরিবারকে! এটা ভাবার কোনো কারণ নাই যে, যারা "ভাবী" টার প্রশংসা করছে, এরা "ফ্রি মাইন্ড" এ ইনোসেন্ট মন নিয়ে করছে! নাহ, এরা অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কুমতলব নিয়েই প্রশংসা করে!! যদি জীবনে সুখী হতে চান, কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। প্রশংসা শুনতে সবারই ভাল লাগে। এভোয়েড না করলে, ধীরে ধীরে এদের ফাঁদে একদিন পড়বেনই। তাই কুকুর হইতে সাবধান।

শুধু মাত্র ছেলেদের মেয়েদের জন্য উপকা�

12/03/2022

যৌনমিলনে ৪৫ ভাগ পুরুষের স্থায়িত্ব মাত্র ১০-১৫ মিনিট!

স্বামী-স্ত্রী মধ্যে সম্পর্ক বরাবরই মধুর।
নারী-পুরুষের এই মধুর সম্পর্ক আরো বাড়িয়ে তোলে যৌনমিলন।

নারী-পুরুষের এই জৈবিক

চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং অভিষ্যতেও হবে। নারী-পুরুষের এই যৌন মিলন
নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতাও কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্ধ কাজ করে।

তবে নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের(পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক
সক্ষমতার উপর।

গবেষণায় দেখা গেছে,

খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য যে যৌনমিলনের
সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ
দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে ১০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত
হয়ে পড়ে।

সম্প্রতি বিখ্যাত লেখক

হ্যারি রিস্ক “দ্য নিউ ন্যাকেড; দ্য আল্টিমেট সেক্স এডুকেশন ফর গ্রোন-আপস” শিরোনামে একটি বই বের করেছেন। তিনি তাঁর বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, নারী-পুরুষ
গড়ে ১৫.৩ মিনিট সময় ধরে সেক্স করেন এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সময়সীমা ১০ মিনিটের কম হলে সেটি কোনোভাবেই আদর্শিক সময় বলা চলে না।

স্বপ্ন যাদের ডাক্তার হওয়া 🙄এমন শিক্ষার্থী খুব কমই পাওয়া যায়, যারাছোটবেলায় পরীক্ষায় খাতায় জীবনেরলক্ষ্য রচনায় ডাক্তার হওয়া...
10/01/2022

স্বপ্ন যাদের ডাক্তার হওয়া 🙄
এমন শিক্ষার্থী খুব কমই পাওয়া যায়, যারা
ছোটবেলায় পরীক্ষায় খাতায় জীবনের
লক্ষ্য রচনায় ডাক্তার হওয়া স্বপ্নের কথা
লেখেনি। তার পর একের পর ক্লাস বদলাতে
থাকে সাথে পরিবর্তন হতে থাকে জীবনের
লক্ষ্যও। আর আপনার যদি এসএসসি ও এইচএসসির ফল মিলিয়ে অন্তত ৯.০০ জিপিএ থাকে তাহলে আপনার জন্য মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা হতে পারে আকর্ষণীয় সুযোগ। ভালো প্রস্তুতি আপনার ডাক্তার হওয়ার পথ সহজ করে দিবে।

মেডিকেল

09/11/2021

ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ বা বিভিন্ন ধরনের স্রাব সম্পর্কে জানেন তো?

বেশিরভাগ সময়েই মেয়েরা তাদের শারীরিক সমস্যাগুলো এড়িয়ে যায় বা কারো সাথে খোলামেলা আলোচনা করতে ইতস্তত বোধ করে। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন প্রতিটা মেয়েকেই পিরিয়ডের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এটা অতি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক ঘটনা! তেমনি সাদাস্রাব বা হোয়াইট ডিসচার্জও মেয়েদের জন্য একটি সর্বজনীন বিষয়। প্রতিটা মেয়েরই জানা উচিত যে মাসের কোন সময়ে কেমন ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ থাকতে পারে, এটার স্বাভাবিক রঙ কেমন হয় ও কোন সময়ে তাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। চলুন, আজ আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেই!

ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ নিয়ে যত কথা :

ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ কী?

যোনিপথ দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে যেই স্রাবটা বের হয়, সেটাই ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ! ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ মেয়েদের প্রজনন পদ্ধতিকে পুনরুৎপাদনশীল করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্লুইড বা মিউকাস বের হয়ে ভ্যাজাইনার মৃত কোষ, অনিষিক্ত ডিম্বাণু ও ব্যাকটেরিয়া বের করে দেয় এবং ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ডিসচার্জের মাধ্যমে মেয়েদের রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেম বা প্রজননতন্ত্র পরিষ্কার ও সচল থাকে। ভ্যাজাইনায় অনেক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যার পরিমাণ হরমোন ও এসিডের মাত্রা দ্বারা নিজস্ব পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হয়।

ডিসচার্জ বেশি হওয়ার কারণ

বয়সভেদে মাসিকচক্র অনুযায়ী মেয়েদের ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের পরিমাণ, রং ও টেক্সচার বা ঘনত্ব আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ে আঠালো, সাদা ও স্বচ্ছ স্রাব যেতে পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বিশেষ কিছু সময় ছাড়া অতিরিক্ত ডিসচার্জ অনেক ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যহীনতার কারণ হতে পারে। স্রাব বেশি হওয়ার কারণগুলো একনজরে দেখে নিন তাহলে-

১) জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ গ্রহণ

২) শরীরে হরমোন ও পি এইচ ব্যালেন্সের তারতম্য

৩) অপুষ্টি ও পানি ঠিকমতো না খাওয়া

৪) গর্ভাবস্থা ও ডায়াবেটিস

মাসিকচক্রে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ এর রং ও ধরন
প্রত্যেকটি মেয়েরই তার স্রাবের রং ও গন্ধ স্বাভাবিক আছে কি না সেটা নিজে নিজে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সময়ভেদে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের ঘনত্ব বিভিন্ন রকম হতে পারে। এই ডিসচার্জের যেকোনো অস্বাভাবিকতা আপনার অসুস্থতার ইঙ্গিত হতে পারে। মেন্সট্রুয়াল সাইকেলে কোন সময়ে কেমন স্রাব যাওয়া স্বাভাবিক, সেটা প্রত্যেকটি সচেতন নারীর জানা প্রয়োজন। চলুন এবার তা জানার চেষ্টা করি-

১) দিন ১-৫

মাসিকচক্রের ১-৫ দিন সাধারণত লাল রঙের ব্লাড যায়, যেটা পিরিয়ডের রক্ত! ঋতুস্রাব হচ্ছে অনিষিক্ত ডিম্বাণু, মিউকাস, ইউটেরাইন টিস্যুর মৃত কোষ ইত্যাদির সংমিশ্রণ। অনেকের ৭ দিন পর্যন্ত পিরিয়ড থাকতে পারে।

২) দিন ৬-১৪

মাসিক শেষ হবার পরপরই ভ্যাজাইনা শুষ্ক অনুভূত হয়। এ সময়ে ওভারিতে ডিম্বাণু তৈরি ও ম্যাচিউর হওয়া শুরু করে। অনেকের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে ঘন, সাদা কিংবা হলদেটে স্রাব যেতে পারে।

৩) দিন ১৪-২৫

এই ফেজকে উর্বর সময় বা fertile window বলা হয়ে থাকে অর্থাৎ এই সময়ে ডিম্বাণু নিষ্কাশন হয়ে ফেলোপিয়ান টিউবে আসে। তাই এই সময়ে শারীরিক মিলনে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ওভাল্যুশনের সময় ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ বেশি হতে পারে এবং ডিমের সাদা অংশের মতো পাতলা, পিচ্ছিল ও স্বচ্ছ স্রাব হয়ে থাকে। ওভাল্যুশনের পর যোনি পথ আবার শুষ্ক ফিল হয় কিংবা সামান্য আঠালো ও ঘন স্রাব থাকতে পারে।

৪) দিন ২৫-২৮

পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগের সময়টা সাধারণত ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ থাকে না বললেই চলে! এই সময়ে মেয়েদের প্রজননতন্ত্র পিরিয়ডের জন্য প্রস্তুতি নেয়। আর ডিম্বাণু যদি শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়ে যায়, সেটা জরায়ুতে স্থাপিত হয়। আর সেই সময় হালকা গোলাপি বা বাদামি রঙের ডিসচার্জ যেতে পারে। এটাকে ইমপ্ল্যানটেশন ব্লিডিং (implantation bleeding) বলা হয়।

কোন সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত?
স্রাবের কোনো অস্বাভাবিক রঙ ও ধরন খেয়াল করলে দেড়ি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ জরায়ুর ইনফেকশন, ক্যানসার এসব রোগের লক্ষণও প্রকাশ পায় ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের মাধ্যমে। তাহলে জেনে নিন কিছু অস্বাভাবিক ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ সম্পর্কে!

১) হলুদ স্রাব অস্বাভাবিক, এটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বা যৌনবাহিত সংক্রমণের একটি চিহ্ন। সাধারণত দুর্গন্ধও পাওয়া যায় এই ধরনের ডিসচার্জে।

২) বাদামী রঙের স্রাব যাদের অনিয়মিত মাসিক চক্র থাকে তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এটি অনেক সময় জরায়ুমুখের ক্যান্সারের লক্ষণ হয়ে থাকে।

৩) সবুজ স্রাব জীবাণু সংক্রমণের লক্ষণ। যৌনবাহিত ইনফেকশন থাকলেও অনেক সময় সবুজাভ ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ যেতে পারে।

৪) ধূসর রঙের স্রাব অস্বাস্থ্যকর এবং ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত একটি উপসর্গ হতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে যোনীপথে আরও উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যেমন- অস্বস্তি, চুলকানি ইত্যাদি।

৫) ইস্ট বা ছত্রাক সংক্রমণে পুরু, ঘন এবং সাদা স্রাব নির্গত হয়। মোটামুটিভাবে ৯০ শতাংশ মহিলারা তাদের জীবনের কোন না কোন সময়ে ছত্রাক সংক্রমণের সম্মুখীন হয়।

তাহলে জেনে নিলেন, মাসিকচক্র অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ সম্পর্কে! অস্বাভাবিক রঙের স্রাব ছাড়াও মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্ত যাওয়া, সময়মতো পিরিয়ড না হওয়া, অতিরিক্ত দুর্গন্ধ এসব কারণেও ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

যোনিপথের যেকোনো সমস্যা কিংবা ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জের অস্বাভাবিকতা থাকলে অবশ্যই একজন সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ গাইনোকোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা নেয়া উচিত। সুস্থ থাকুন, সুস্থ রাখুন।

28/10/2021

যৌনমিলন : বয়স অনুপাতে সহবাসের নিয়ম ও পদ্ধতি
‎অনেক অনেক যুগ আগে থেকে মানুষ শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হত। আর এজন্যই মানব প্রজাতির সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয় যে আগে মানুষের বিনোদন বলতে কিছুই ছিল না।

এ কারণে মানুষ অবসর সময় কাটাতে এবং কিছুটা শারীরিক ও মানসিক চাহিদা পূরণেই এই শারীরিক মিলন করত। তবে বর্তমানে অনেকেই বলে থাকেন যে এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। সত্যিই কি তাই, আমার তো মনে হয় এটি আরও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেননা এর ফলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়, সবাই ক্লান্তি অনুভব করে থাকে।

আমাকে এই বিষয়ে জানাবেন প্লিজ?
উত্তর:আপনার কথার কিছু অংশ সত্য কিন্তু বাকি অংশ একেবারেই ভুল ধারণা। আদিম যুগে বলা চলে অবসর সময়ের বিনোদনের জন্যই শারীরিক মিলন করা হয়ে থাকত তবে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় শারীরিক এবং মানসিক চাহিদা থেকেই। আপনি যেমনটা যুক্তি দেখিয়েছেন যে শারীরিক মিলন করলে মানুষ ক্লান্ত হয়ে যায় সেক্ষেত্রে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা আদৌ আছে কি না এই বিষয়ে বলা যায় যে শারীরিক মিলন একজনকে ক্লান্ত করে ঠিকই কিন্তু তা সাময়িকের জন্য। আমরা শারীরিক ব্যায়াম করাকালীন সময়ে যেমন শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ি তবে এই শারীরিক মিলন আমাদের শারীরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ঠিক তেমনি শারীরিক মিলনও শারীরিক ব্যায়ামের ন্যায় সাময়িকভাবে ক্লান্ত করে কিন্তু এটি নিয়মিত করলে স্বাস্থ্যগত কিছু উপকারিতাও পাওয়া যায়। শারীরিক মিলন শারীরিক ব্যায়ামের মতই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আসুন জেনে নিই এই শারীরিক মিলন আমাদের স্বাস্থ্যে কী ধরনের উপকার করতে পারে।

শারীরিক মিলনের স্বাস্থ্য উপকারিতা :

১) আপনার হার্টকে ভাল রাখতে পারে এই শারীরিক মিলন। যার কামোদ্দীপনা ও অনুভূতি যতো বেশি জোরালো হবে তার হার্ট ততো বেশি সক্রিয় ও বলিষ্ঠ হবে।

২) প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে কমিয়ে দেয় শারীরিক সম্পর্ক।

৩) কর্মস্থলে নিজেকে গুটিয়ে রাখার প্রবণতা থাকে না। আগের চেয়ে বেশি বহির্মুখী ভাবধারা প্রকাশ পায় সার্বিক আচরণে। সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বাড়ে।

৪) এর ফলে আপনাকে দেখে আরও তরুণ, সজীব ও প্রাণবন্ত মনে হবে। কারণ এটি এক ধরনের শারীরিক ব্যায়ামও বলা চলে।

৫) স্বাস্থ্যসম্মত শারীরিক মিলন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৬) মস্তিষ্ককে সজাগ ও সক্রিয় করে তোলে।

সুস্থ ও সুন্দর যৌন জীবনের অনন্য স্বাস্থ্য উপকারিতা :

বিয়ে করার কথা ভাবছেন?
তাহলে বিয়েটা করেই ফেলুন। কেননা চিকিৎসকেরা বলছেন যে সুস্থ ও সুন্দর যৌন জীবনের আছে হরেক রকম স্বাস্থ্য উপকারিতা। নিয়মিত যৌন মিলন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি নানান ধরনের শারীরিক সমস্যা কমিয়ে ফেলে। ফলে সুস্থ ও সুন্দর একটি যৌন সম্পর্ক গড়ে তুললে সুখী,সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়।

আসুন,জেনে নেয়া যাক সুস্থ যৌন জীবনের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা:

বয়স অনুপাতে সহবাসের নিয়ম:

বিভিন্ন যৌন বিজ্ঞানীর বক্তব্য, বয়সের সাথে সাথে মিলন ইচ্ছা স্তিমিত হয়ে আসে। তবে ডঃ কিনসী এ ব্যাপারে বহু গবেষনা করে বিবাহিত ও বয়ঃপ্রাপ্ত পুরুষ-নারীর মিলন সংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট লিখেছেন। তা হলোঃ

১) ২০ বছর সপ্তাহে ১৪ বার।

২) ২১-২৬ বছর সপ্তাহে ১২ বার।

৩) ২৬-৩২ বছর সপ্তাহে ১০ বার।

৪) ৩২-৩৮ বছর সপ্তাহে ৮ বার।

৫) ৩৮-৪৫ বছর সপ্তাহে ৭ বার।

৬) ৪৫-৫১ বছর সপ্তাহে ৫ বার।

৭) ৫১-৬০ বছর সপ্তাহে ৩ বার।

৮) ৬০+ বছর সপ্তাহে ১ বার বা সম্পুর্ন বন্ধ

অধিক সময় যৌন মিলন বা স্ত্রী সহবাস করার কার্যকর পদ্ধতি:

সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলনকাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন। তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে।

আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি।

পদ্ধতি ১:-

চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা
এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।

এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ২:- সংকোচন (টেনসিং)

এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।
মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।
সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

পদ্ধতি ৩ :- বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে)

এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।
বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

একটা বিষয় প্রতিটা পুরুষেরই জেনে রাখা দরকার – বিষয়গুলি নিয়ে অবশ্যই আপনার স্ত্রীর সাথে আলোচনা করবেন। তাতে আপনারা দু’জনেই লাভবান হবেন। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে তার নিজেরই লাভবান হওয়া।..............................

03/02/2018

বাসর রাতে বর বউ কে বলল,জানু পানি
খাবো,,,
,,
,,
বউ পানি আনতে গেলো..
,,
,,
এসে দেখে বর ঘুমিয়ে পরেছে...
,,
,,
পানি হাতে নিয়ে বউ সারারাত দারিয়ে
ছিল।
,,
,,
সকালে বর ঘুম থেকে উঠে দেখে বউ পানি
হাতে
নিয়ে দারিয়ে আছে,,বর এটা দেখে খুশি হয়ে
বউকে
বলল,,জানু তোমার কি লাগবে??
,,
বউ বলল...
,,
,,
তালাক দে হারামজাদা!!!

Address

Feni
3900

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পুরুষদের হেলথ টিপস- Man's Health Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category