26/02/2024
রেডিমেড আইবলের সুবিধা সমূহ:
১.রেডিমেডই থাকে, তৈরি করার লম্বা সময়ের প্রয়োজন হয় না। প্রাকটিশনার ও রোগীর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রায়াল ও ডিসপেনসিং সম্ভব।
২.সীমিত মূল্য। হাতের নাগালের মধ্যে।
৩.ফেসিয়াল লুকিং।
রেডিমেড আইবলের অসুবিধা সমূহ:
১.অরবিটাল ক্যাভেটির Shape & Size আর রেডিমেড আইবলের Shape & size বেশির ভাগই সময় মিলে না।প্রোপার ফিটিংস সম্ভব হয় না।সঠিক মাপ অনুযায়ী কৃত্তিম চোখ সংযোজন না করলে চোখের পাতা নিচের দিকে নেমে আসে (Droopy eyelid), patients কে সবসময়ই রোগাক্রান্ত ও দুশ্চিন্তা যুক্ত দেখায়।চোখের পাতার কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়।
২.রেডিমেড আইবলে কালার অপরিবর্তনশীল। রোগীর চোখের সাথে মিল না ও হতে পারে।
২ চোখের ২ কালার, সহজে বোধগম্য হয়।যেকেউ কৃত্রিম চক্ষু সহজেই শনাক্ত করতে পারবে।
৩.পাতলা আবরণের প্লাস্টিকের তৈরি, কিছু দিন ব্যবহারের পর সহজে সামনের অংশ ফেটে যায়।
৪.পিছনের অংশে সঠিকভাবে পলিশিং থাকে না।পলিশিং এর অভাবে back surface - Smooth থাকে না।ফলে ইরিটেশন,ফরেন বডি সেনসেশন লেগেই থাকে।
এইজন্য আমরা রোগীদের দীর্ঘ মেয়াদি সুবিধার কথা চিন্তা করে, রেডিমেড আইবলের পরিহার করতে বলি।কাস্টমাইজড প্রসথেটিক আইবল ব্যবহারের জন্য উত্সাহিত করি।
কৃত্রিম চক্ষু সংযোজন কিংবা পরামর্শের জন্য প্রয়োজনে-01835007887