Yashfeen Hospital

Yashfeen Hospital Ensuring Shariah in Health Management.
(1)

Yashfeen Hospital is a distinguished healthcare institution dedicated to delivering high-quality, ethically grounded medical services. It strives to integrate modern medicine with Islamic ethical principles, offering comprehensive, compassionate care across a range of specialties. The hospital houses a specialized Psychiatry and Islamic Psychology Center, where conventional psychiatric treatments

are harmonized with Islamic psychological methodologies. This center addresses mental health within a faith-based framework, combining clinical excellence with spiritual sensitivity. Yashfeen Hospital upholds the values of integrity, holistic healing, and patient-centered care, aiming to set a benchmark in Shariah-compliant healthcare services.

সঠিক উত্তরটি জানিয়ে দিন কমেন্টে!
30/05/2026

সঠিক উত্তরটি জানিয়ে দিন কমেন্টে!

ইয়াশফীন থেকে আমরা এমন একটি সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি, যেখানে ইসলামী নীতিমালার আলোকে সুচিক...
29/05/2026

ইয়াশফীন থেকে আমরা এমন একটি সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি, যেখানে ইসলামী নীতিমালার আলোকে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। এই ধারাবাহিকতায় আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ গাইনোকোলজিক্যাল টিম ফর্মেশন করতে চাইছি।

🟣 আমাদের গাইনী টিমে প্রয়োজন:

▪️একজন সিনিয়র গাইনোকোলজিস্ট (প্রফেসর/অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর বা সমপর্যায়ের, যিনি ল্যাপারোস্কপিক প্রসিডিওরে অভিজ্ঞ)।
▪️একজন রেসিডেন্ট সার্জন (গাইনোকোলজি ও অবস্টেট্রিকস, যিনি হাসপাতাল প্রেমিজ, মিরপুর বা এর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত হলে ভালো হবে, যাতে ২৪ ঘণ্টা ইমার্জেন্সি সাপোর্ট নিশ্চিত করা যায়)।
▪️একজন সিনিয়র সনোলজিস্ট (যিনি অ্যানোমালি স্ক্যানে অভিজ্ঞ)।
▪️একজন গাইনি এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট এবং
▪️একজন ইনফার্টিলিটি স্পেশালিস্ট।

শর্ত:
শারঈ পর্দা মেনে চলা আবশ্যক (নিকাবকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে)।

আপনি আমাদের টিমে জয়েন করতে আগ্রহী হলে কমেন্ট করবেন, প্লিজ!

এই ঈদে তাক্বওয়া অর্জন হোক আমাদের মূল উদ্দেশ্য। ইয়াশফীন পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ মুবারক। তাক্বব্বালাল্লাহু মিন্না ও...
27/05/2026

এই ঈদে তাক্বওয়া অর্জন হোক আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

ইয়াশফীন পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ মুবারক। তাক্বব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।

যিলহজ্বের এই বরকতময় দিনগুলোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো “তাকবীরে তাশরীক”। ৯ই যিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত প...
26/05/2026

যিলহজ্বের এই বরকতময় দিনগুলোতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো “তাকবীরে তাশরীক”।

৯ই যিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ই যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয সালাতের পর পুরুষদের উচ্চস্বরে এবং নারীদের নিম্নস্বরে অন্তত একবার তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা ওয়াজিব।

তাকবীরে তাশরীক:

“الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله والله أكبر الله أكبر ولله الحمد”

“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।”

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন,
“আর তোমরা নির্ধারিত দিনগুলোতে আল্লাহকে স্মরণ করো।”
— (সূরা আল বাকারাহ ২:২০৩)

আজ হাজ্বীগণ আরাফাহর ময়দানে!হাদীসে এসেছে, আরাফাহর দিনের চেয়ে এমন কোনো দিন নেই যেদিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর বা...
26/05/2026

আজ হাজ্বীগণ আরাফাহর ময়দানে!

হাদীসে এসেছে, আরাফাহর দিনের চেয়ে এমন কোনো দিন নেই যেদিন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর বান্দাদেরকে জাহান্নাম থেকে অধিক মুক্তি দেন। এই দিন দুআ, তাওবা ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার এক অনন্য সময়।

সর্বপ্রথম আমরা দুআ করি, যারা এবছর হজ্ব করছেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন তাদের হজ্বকে কবুল করেন, হজ্বে মাবরুর দান করেন এবং সুস্থতার সাথে তাদেরকে ফিরে আসার তাউফীক দেন।

একইসাথে আমরা হাজ্বীগণের কাছেও দুআ চাই, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন ইয়াশফীনকে কবুল করে নেন, আমাদের নিয়্যাতে ইখলাস দান করেন, এই কাজকে মানুষের জন্য কল্যাণের মাধ্যম বানান এবং আমাদের সবাইকে তাঁর সন্তুষ্টির পথে অবিচল রাখেন।

আপনারাও বছরের এই শ্রেষ্ঠ দিনগুলোতে ইয়াশফীনকে আপনাদের দুআয় স্মরণ রাখবেন, প্লিজ!

25/05/2026

চলছে যুলহিজ্জাহ, ১৪৪৭এটি এমন একটি সম্মানিত মাস যেই মাসে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের ৫টিই একসাথে আমল করার তাউফিক্ব আল্লাহ সুবহান...
24/05/2026

চলছে যুলহিজ্জাহ, ১৪৪৭

এটি এমন একটি সম্মানিত মাস যেই মাসে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের ৫টিই একসাথে আমল করার তাউফিক্ব আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা দিয়ে থাকেন। যেমন-

ঈমান সার্বক্ষণিক রাখা দায়েমী ফরজ।

সলাত ৫ ওয়াক্ত প্রতিদিনের ফরজ।

এই মাসে আরাফাহ এর সাওমসহ প্রথম ৯দিন, আইয়ামে বীদ্ব (১৪ ও ১৫ই যিলহাজ্জ - শুধু এই মাসের জন্য), সোমবার-বৃহস্পতিবার এর নফল-সুন্নাহ সিয়াম তো আছেই।

এই মাসে ফরজ জাকাত ও নফল সাদাকাহ আদায়ও করা যায়।

সেই সাথে শুধু এই মাসেই পবিত্র হাজ্জ আদায় করা যায়, যা অন্য কোনো মাসে করা যায় না। সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পছন্দের পশু কুরবানি দেওয়ারও সুযোগ এই মাসেই হয়ে থাকে।

এই পবিত্র মাসে বেশির থেকে বেশি জিকির এবং নেক আমলের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা পবিত্র কুরআনে বলেছেন-
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ

আর তোমরা সৎকাজ ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করো।
(সূরা আল মায়িদাহ: আয়াত-২)

বাংলাদেশের মেডিকেল সেক্টরকে ইসলামালাইজেশন করার এক আন্দোলন এর বাস্তব উদাহরণ হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ইয়াশফীন পরিবার। আর আপনারা যারা বিভিন্নভাবে এই আন্দোলনে যুক্ত আছেন, তারা সকলেই ইয়াশফীন পরিবারের একেকজন সদস্য।

আপনারা যারা ইতোমধ্যে মুশারাকা ভিত্তিতে আমাদের স্বপ্নের হাসপাতালে ইনভেস্ট করেছেন, আপনারা প্রত্যেকেই যদি আর ১জন করে মানুষকে এই ইনভেস্টমেন্টে যুক্ত করতে পারেন, তাহলে তিনি ইনভেস্ট করে যে সাওয়াব পাবেন, আপনি শুধু এতটুকু মেহনত করার কারণে আপনার সওয়াবেও আল্লাহ তা'আলা কোনো কম করবেন না।

ইয়াশফীনকে সফল করার দায়িত্ব আপনার, আমার, সবার। তাই আসুন, যিলহাজ্জ এর এই বরকতময় মাসে আমরা প্রত্যেকে মিনিমাম ১জন করে ইনভেস্টর তৈরি করি (নূন্যতম ১ লক্ষ টাকা) ইনশা আল্লাহ।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের এই প্রচেষ্টাগুলোকে কবুল করুন, ইয়াশফীনকে আমাদের জন্য সাদাকাহ এ জারিয়াহ হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

মনে রাখবেন, ইয়াশফীন শুধু একটি হাসপাতাল নয়, এটি একটি সিস্টেমকে পরিবর্তনের আন্দোলন।

হাফিয ডা. মো: আদনান সিফাত
ডিরেক্টর
ইয়াশফীন হাসপাতাল লিমিটেড।

উত্তরের শান্ত জনপদ রংপুরের বুকে ভোরের সূর্যটা যখন তার লাল আভা ছড়িয়ে দেয়, ঠিক তখন ইয়াশফীন হাসপাতাল এর NVD রুম থেকে আমার প...
23/05/2026

উত্তরের শান্ত জনপদ রংপুরের বুকে ভোরের সূর্যটা যখন তার লাল আভা ছড়িয়ে দেয়, ঠিক তখন ইয়াশফীন হাসপাতাল এর NVD রুম থেকে আমার প্রথম সন্তানের কান্নার আওয়াজ আমার অশান্ত আত্মাকে যেন এক অন্যরকম প্রশান্তি দান করে।

তড়িঘড়ি করে খুশিতে ভিতরে যেতে ধরবো, ঠিক সেই সময় আমাকে জানানো হলো, "আপনি এই করিডোর দিয়ে যেতে পারবেন না। এটি মেইল রেস্ট্রিকটেড এরিয়া।" আমি বললাম আমি একজন ডাক্তার। তারপরও আমাকে জানানো হলো, "স্যার, বিনয়ের সাথে বলছি, আমাদের এই হাসপাতালে মেইল ডাক্তারদের জন্যও এই করিডোর দিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। আপনি একটু অপেক্ষা করুন স্যার, আমি আপনার বাচ্চাকে ভিন্ন করিডোর দিয়ে দেখানোর ব্যবস্থা করছি। আর বাচ্চার নানী ও দাদী দুইজনই NVD রুমের সামনে আছেন। দুঃশ্চিন্তা করবেন না স্যার।"

প্রথমে একটু ইতস্তত লাগলেও তারপর নিজেকে সামলে নিয়ে ভাবতে লাগলাম, আমি তো এতোদিন ধরে এরকম একটি হাসপাতালের স্বপ্নই দেখে আসছি। আল্লাহ তা'আলার অশেষ রহমাতে আজ সেটি বাস্তবে রূপ নিয়েছে যার ফলে উম্মাহ আজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ইসলামের নূর দেখতে পাচ্ছে।

এই দৃশ্য দেখে বছর খানেক আগের কথা মনে পড়ে গেলো। তখন একদিন আমার প্রিয়বন্ধু ডা. আদনানকে বলতেছিলাম, "বন্ধু, ইয়াশফীন হাসপাতাল তো ঢাকায় করতেছ। রংপুরে কি এর কোনো শাখা করবা না?" সে শুধু একটা কথাই বলেছিলো সেদিন, "শুধু রংপুর কেনো, আমার স্বপ্ন তো পুরো বাংলাদেশ।" সেদিন থেকে আমিও সেই স্বপ্নযাত্রার এক অদম্য সহযাত্রী হয়ে গেলাম।

মূলত, এই হাসপাতাল নিয়ে আমার স্বপ্ন দেখার পিছনের মূল শক্তি ছিলো, কুরআনের সেই কালজয়ী আয়াত:

"তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অন্যকে সাহায্য করো..." (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)

আমরা চেয়েছিলাম উত্তর অঞ্চলের মানুষেরা যেন ঘরের কাছেই সেই বিশ্বস্ত সেবা পায়, যা ইয়াশফীন হাসপাতাল ঢাকায় দিচ্ছে। ফলে আমাদের এই শাখাটি হবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং ইসলামী শরীয়াহর এক অনন্য মিলনস্থল এবং স্বাস্থ্যসেবায় হবে এক "ইসলামী মডেল"।

আমাদের এই হাসপাতালকে নিয়ে অনন্য স্বপ্নগুলো ছিলো এমন-

পর্দা ও আভিজাত্য:

এখানে নারী ও পুরুষদের জন্য থাকবে সম্পূর্ণ পৃথক জোন। মা-বোনরা যখন চিকিৎসকের কাছে আসবেন, তারা যেন এখানে নিজ ঘরের চেয়েও বেশি নিরাপদ বোধ করেন।

হালাল ঔষধ ও আকিদাহ:

রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "আল্লাহ তা'আলা রোগও পাঠিয়েছেন এবং ঔষধও পাঠিয়েছেন। তবে তোমরা হারাম দ্বারা চিকিৎসা করো না।" (আবু দাউদ)

এই হাদিসকে পাথেয় করে আমরা ল্যাবরেটরি থেকে ফার্মেসি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে হালাল উৎস নিশ্চিত করার স্বপ্ন দেখে আসছি।

চিকিৎসকের সেবা ও আলিমদের হিকমাহ:

আমাদের হাসপাতালে প্রতিটি রোগীকে কেবল শারীরিক চিকিৎসাই দেওয়া হবে না বরং অভিজ্ঞ ইসলামিক স্কলারদের মাধ্যমে তাদের মানসিক ও আধ্যাত্মিক কাউন্সিলিং করা হবে। কারণ মহান রব্বুল আলামীন ঘোষণা করেছেন:

"আমি কুরআনে এমন কিছু নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।" (সূরা বনী ইসরাঈল: ৮২)

আমাদের স্বপ্ন ছিলো, এমন একটি OT Setup যার মাধ্যমে অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে একজন রোগী যেন মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ 'তাওয়াক্কুল' করতে শিখতে পারে। ডাক্তার হবেন কেবল সেবার ওসিলা আর প্রকৃত আরোগ্যদাতা (আশ-শাফি) হিসেবে আমাদের হৃদয়ে থাকবেন কেবল মহান আল্লাহ তা'আলা।

মানবিকতা ও ইনসাফ:

উত্তরবঙ্গের দরিদ্র ও মেহনতি মানুষের কথা চিন্তা করে আমাদের হাসপাতালে একটি বিশেষ 'সদাকাহ ফান্ড' গঠন করা হবে। রসুলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণী অনুযায়ী— "তোমরা জমিনবাসীদের প্রতি দয়া করো, তবেই আসমানবাসী তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।"

আমরা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর যে, অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ বিনা চিকিৎসায় ফিরে না যায়। আর এই জন্যই আমাদের এই সাদাকাহ ফান্ড।

সর্বোপরি, ইয়াশফীন হাসপাতাল হবে আমাদের আখেরাতের পাথেয় এবং উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য আল্লাহ তা'আলার এক বিশেষ নি'আমত।

চলতে চলতে কোনো এক স্নিগ্ধ বিকেলে হাসপাতালের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখবো— কেউ কুরআন পড়ছে, কেউ সুস্থ হয়ে কৃতজ্ঞতার হাসি দিচ্ছে আর আযানের সাথে সাথে হাসপাতালের প্রতিটি কোণ স্রষ্টার স্মরণে মুখরিত হয়ে উঠছে।

আর এভাবেই গড়ে উঠছে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মিলিয়ে আমার মন মগজে চলমান এক মিশ্র স্বপ্ন

"ইয়াশফীন হাসপাতাল: রংপুর শাখা"

"হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদের পক্ষ থেকে এটি কবুল করুন; নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞাতা।"

"আমার চোখে স্বপ্নের হাসপাতাল" প্রতিযোগিতার শর্ট স্টোরি ক্যাটাগরিতে বিজয়ী সাবমিশন।

মাঝে মাঝে মনে হয় বুকটা পাথরের মতো ভারী হয়ে আছে, অথচ কোনো কারণ খুঁজে পাই না। চারপাশের মানুষগুলোকেও কেন যেন সহ্য হয় না। মন...
22/05/2026

মাঝে মাঝে মনে হয় বুকটা পাথরের মতো ভারী হয়ে আছে, অথচ কোনো কারণ খুঁজে পাই না। চারপাশের মানুষগুলোকেও কেন যেন সহ্য হয় না। মনে হয় আমি একটা কাঁচের দেয়ালের ওপাশে দাঁড়িয়ে আছি—সবাইকে দেখছি কিন্তু কারও সাথে মিশতে পারছি না।

সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় যখন কাছের মানুষগুলো বলে, “নামায পড়লে তো আর ডিপ্রেশন থাকে না” কিংবা “সবই তোমার মনের ভুল, বেশি বেশি ভাবছো এটা নিয়ে।”

বিশ্বাস করুন, ডিপ্রেশন কোনো বিলাসিতা নয়। এটা একটা নীরব যুদ্ধ যা প্রতিদিন নিজের সাথেই লড়ি। কিন্তু এই অন্ধকারেরও শেষ আছে। আপনার রব আপনাকে ভুলে যাননি। তিনি যখন এই পরীক্ষাটা দিয়েছেন, তিনি পথও দেখাবেন।

আমাদের সমাজে একটা ভুল ধারণা আছে যে, ধার্মিক মানুষের বুঝি ডিপ্রেশন হতে পারে না। এটা একদম ভুল। ইয়াকুব আলাইহিস সালাম তাঁর ছেলের শোকে কাঁদতে কাঁদতে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। তবে আমাদের প্রতিকার খুঁজতে হবে ইসলাম এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান—উভয় মাধ্যমেই।

১. আপনার মনের ব্যথা আল্লাহর কাছে পেশ করুন।
সিজদায় গিয়ে কাঁদুন। আপনার অগোছালো কথাগুলো আল্লাহ সব বোঝেন। কুরআনের সেই আয়াতটি বারবার পড়ুন: "হে আমার পালনকর্তা! আমার বুক প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন" (সূরা ত্বহা: ২৫-২৬)। জিকির এবং দুআ শুধু ইবাদত নয়, এটি একটি শক্তিশালী স্পিরিচুয়াল হিলিং।

২. চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া কি ঈমানের পরিপন্থী?
মোটেও না! ইসলাম আমাদের উপায় খুঁজতে বলে। ডিপ্রেশন অনেক সময় শরীরের হরমোনাল ইমব্যালেন্সের কারণে হয়। যেমন শরীরের ক্ষত সারাতে ডাক্তারের কাছে যান, মনের ক্ষত সারাতে কেন যাবেন না?

৩. ছোট ছোট পরিবর্তন
ইসলাম বলে, শয়তান আমাদের একা পেলে বেশি আক্রমণ করে। তাই নিজেকে গুটিয়ে না রেখে প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটান। ভালো বই পড়ুন, প্রকৃতি দেখুন। নিজের প্রতি যত্ন নেওয়াও কিন্তু একটি ইবাদত।

৪. নিজেকে ভালোবাসুন
আপনি যেভাবে আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে অন্যকে সম্মান করেন, নিজেকেও ঠিক সেভাবেই ভালোবাসুন। আপনার শরীর ও মন আপনার কাছে একটি আমানত। তাই একে অবহেলা করবেন না।

মনে রাখবেন আপনি যে আজ শ্বাস নিচ্ছেন, এটাই প্রমাণ করে যে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আপনাকে এখনো সুযোগ দিচ্ছেন। আপনি মূল্যহীন নন। আপনার এই সংগ্রামটাই আপনাকে একদিন আরও শক্তিশালী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। অন্ধকার রাত শেষে ভোরের সূর্য আসবেই, ইনশাআল্লাহ।

Address

965, Begum Rokeya Sarani, Shewrapara, Dhaka
Fulbaria
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yashfeen Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Yashfeen Hospital:

Share

Category