M A Noman Sarkar

M A Noman Sarkar এম এ নোমান সরকার
(প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক)
জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন--JBDA
(1)

এখানে জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন --jbda এর রক্তদান সম্পর্কৃত যেকোন ধরনের সমস্যা,অভিযোগ ও পরামর্শ গ্রহন করা হয়
এম এ নোমান সরকার
(প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক)

30/10/2022

চয়ন কুমার দেবনাথ----

চুলকাঠি অক্সিজেন ব্যাংকের একজন স্বেচ্ছাসেবক ছিলেন। করোনাকালীন সময়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছেন । ২৬ তারিখ রোজ বুধবার আনুমানিক ১ঃ৩০ মিনিটের দিকে একজন মুমুর্ষ রোগীকে রক্ত দেওয়ার জন্য চুলকাঠি বাজার হইতে খুলনার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলু-যোগে যাওয়ার পথে লখপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় চয়ন কুমার দেবনাথ (২৪) তোমার এই অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। ওপারে ভালো থাকবেন ভাই 😓

★অনুগ্রহ করে সবাই নিচের লেখাটি সম্পুর্ণ পড়বেন,এবং আপনার মূল্যবান মতমত জানাবেন।আপনাদের/রোগীর লোকের কাছে থেকে  সংগঠন ফ্রী ...
14/06/2022

★অনুগ্রহ করে সবাই নিচের লেখাটি সম্পুর্ণ পড়বেন,এবং আপনার মূল্যবান মতমত জানাবেন।

আপনাদের/রোগীর লোকের কাছে থেকে সংগঠন ফ্রী বাবদ যে ২০০/= টাকা নেওয়া হয়,তা কোথায় খরচ করা হয় তা আপনাদের জানা প্রয়োজন।
তাই নিম্নে উল্লেখ করা হল।
১/ ডোনার ম্যানেজ করতে যারা কাজ করছে তাদের ফোন ও ইন্টারনেট বাবদ কিছু টাকা দেওয়া হয়।
২/ ডোনার একা আসে না,তাই ডোনার ও সাথে আসা ব্যক্তির জন্য চা-বিস্কুট বাবদ কিছু খরচ হয়।
৩/ নতুন ডোনার তৈরি করতে, ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় ও তাকে আপ্যায়ন বাবদ কিছু টাকা খরচ হয়।
৪/ সংগঠনের যাবতিয় কার্যাধির হিসাব রাখার প্রয়োজন পরে।সেখানেও কিছু অংশ খরচ হয়।
৫/ কিছু রোগী আছে যারা ডোনারের খরচ বহন করতে পারে না।তাদের কাছে থেকে কোন ফ্রী নেওয়া হয় না।বরং ডোনারের খরচ বাবদ কিছু অংশ ব্যায় করা হয়।
৬/ গরিব ও অসহায় দের জন্য কিছু অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

উপরক্ত খরচ গুলা করার পর আপনাদের ২০০/= টাকার মধ্যে গড়ে ৮০/- থেকে ৯০/- টাকা আমাদের ফান্ডে জমা থাকে।

এই বাকি টাকা নিয়ে আমাদের যে চিন্তা ভাবনা কাজ করছে,সেটা নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
১/ ব্লাড গ্রুপ ক্যাম্পেইন (যার জন্য প্রতি ক্যাম্পেইনে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ আসবে)।
২/ ডোনারদের রক্তদানে উৎসাহ প্রদানের জন্য এবং নতুন ডোনার তৈরির জন্য ট্রি শার্ট এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
৩/ সেচ্ছাসেবি ও ডোনার দের জন্য জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন-jbda এর পরিচয় বহন কারি আইডি কার্ড তৈরি করা হবে।
৪/ ডোনার দের ও তাদের রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসা ও ঔষধে ছাড় প্রদানের জন্য চেষ্টা চলছে।
৫/ বছরে বা মাসে ডোনারদের ও সেরা সেচ্ছাসেবীগন দের কিছু গিফট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। এতে তারা আরো বেশি উৎসাহ পাবেন।
৬/ সংগঠন কে আপনার আরো নাগালের মধ্যে নিয়ে যেতে ব্যানার ও লিফলেট এর প্রয়োজন।এখানে ও অনেক টাকার প্রয়োজন পড়বে।

এটা কি শুধু জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন এর লাভ?
এটা আমার আপনার আমাদের সবার প্রয়োজনে কোন না কোন সময়ে কাজে আসবে।
তাই অনুগ্রহ করে এটা ভাববেন না ২০০/= টাকা দিয়ে রক্ত কিনে নিলাম বা বিক্রী করে দিল।
আসুন নিজে রক্ত দেই অন্যকে রক্তদানে উৎসাহ প্রদান করি।
তাই "দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ"।
ধন্যবাদে, এম. এ নোমান সরকার
প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক
জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন

জোনাইল ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশন এর সকল সেচ্ছাসেবী গন।

13/06/2022

চলতে চলতে আজ খুব ক্লান্ত লাগছে।মনে হয় এবার একটু অবসর নেওয়া দরকার।

01/06/2022

পরিচয় গোপন রাখা এক ডিভোর্সি বোনের খোলাচিঠি:
জানিনা, আমি কেন লিখছি। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই আর কেউ আমার মতো ভুল না করুক। হয়তো এজন্য কারণ আমি চাই ঠুনকো কারণে সংসারগুলো ভেঙে না পড়ুক।
আমি ঊনিশ বছর বয়সী একজন নারী। আমাদের বিয়ে হয়েছিল আমার পছন্দে। সংসারও টিকে ছিল দের বছর। আমাদের একটা ছেলেও আছে, ওর বয়স এক বছর।
আমার স্বামীর স্বভাব-চরিত্র সবই বেশ ভালোই ছিল। শুধু একটু জেদি । অবশ্য তাও সবসময় না, মাঝেমধ্যে। মানুষ ভাবে ওর বদ জেদের জন্যই বুঝি আজ এই অবস্থা, কিন্তু আমি জানি, আমাদের সমস্যার শুরুটা ওর দিক থেকে হয় নি।
সব সংসারেই তো টুকটাক কিছু সমস্যা থাকে। ওরকম আমাদের মধ্যেও মাঝেসাঝে ঝগড়া-ঝাটি হতো। কিন্তু ঝগড়া বাধলেই আমি তল্পিতল্পা গুছিয়ে বাপের বাড়ির দিকে হাঁটা দিতাম। বাপের বাড়িতে বোনরাও আসতো, আর ভাইরা তো ছিলই। ওদের কাছে কেদেকেটে সব বলতাম। তখন সবাই ওকে ফোন করে কথা শোনাত। আমার ছোট বোন তো রীতিমত অপমান করত!
আমার কাছেও মনে হতো, ঠিকই আছে। কত বড় সাহস, আমার সাথে লাগতে আসে। আমাকে নিজের মতো চালাতে চায়। আমার মধ্যে কেমন একটা জেদ কাজ করতো। ওর কাছে ছোট হব, ওর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করব, মাফ চাইব, এটা ভাবতেই পারতাম না। উল্টো বড় গলা করে বলতাম, “ডিভোর্স দাও! তোমার মতো লোকের সাথে কে সংসার করে?”
নাহ, ডিভোর্স আমি কখনোই মন থেকে চাই নি। ওটা ছিল মুখের কথা।
ওর সামনে ছোট হওয়ার চাইতে ডিভোর্স চাওয়াই আমার কাছে সঠিক মনে হতো।
একদিনের কথা এখনও মনে পড়ে। সেদিন ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক করতে করতে দুজনেই খুব উত্তেজিত হয়ে পড়েছি। রাগে আমার শরীর কাঁপছে। যা মুখে আসছে তাই বলছি। তুই-তোকারি, গালিগালাজ, অপমান কিচ্ছু বাদ যায় নি। এক পর্যায়ে সহ্যের বাধ ভেঙে ও আমার গায়ে হাত তুললো!
এর আগে কিংবা পরে কখনোই ও আমার গায়ে হাত তুলে নি। কিন্তু ঐ একটা থাপ্পড়, ওটাই যথেষ্ট ছিল।
আমি বাপের বাড়ি চলে গেলাম। আর হ্যাঁ বরাবরের মতো এবারও নিজের দিকটা না বলে খালি ওর দিকটাই বলে গেলাম। মানুষের দোষ দিয়ে আর কী লাভ! সবাইকে যা বলেছি, সেটার উপর ভিত্তি করেই তারা বিচার করেছে। পরিবারের সবাই বললো, এমন ছেলের সাথে সংসার করার কোনো দরকার নাই। মামলা ঠুকে দাও।
আমি সবার পরামর্শে মামলা করলাম।
ওর নামে নারী নির্যাতনের কেইস করা হল। খুব দ্রুতই ওকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল। ওর পরিবার থেকে মুরুব্বিরা এসে বার বার অনুরোধ করল, আমি যেন এই কেইস তুলে নিই।
ভেতরে ভেতরে আমিও চিন্তা করতাম, আচ্ছা, আমার স্বামী কি আসলেই জালেম? ও কি কোনদিন নিজে থেকে আমার গায়ে হাত তুলেছে? আমি যদি ওকে এত কথা না শোনাতাম, তাহলে কি ও আমার গায়ে সেদিন হাত তুলতো?
আমার বাবা মা আমাকে বুঝিয়েছিল, আমি যদি এতকিছুর পর ফিরে যাই, তাহলে ও ভাববে, আমি বুঝি অসহায়। আমাকে আরো পেয়ে বসবে। আমার উপর ইচ্ছামত ছড়ি ঘুরাবে। একবার গায়ে হাত তুলেছে মানে বার বার একই কাজ করবে। কাজেই নিজে থেকে ফিরে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না।
কিন্তু আমার মনের ভেতর কে যেন চিৎকার করে বলতো, ও তো এমন লোক না। ও যেদিন আমার গায়ে হাত তুলেছিল, সেদিনই হাটু জোর হয়ে আমার কাছে মাফ চেয়েছে। এসব ভেবে ভেবে আমি মামলা তুলে নিলাম। তবে ওর কাছে ফেরত গেলাম না।
কিছুদিন পর দুই পরিবার থেকে বিচার-সালিশ হল। সবার কাছে ও দোষী প্রমাণিত হল। সবাই ওকে নানা কথা বোঝাল, উপদেশ দিল। তারপর আবার সংসার শুরু করলাম।
এর পরের কয়েক মাস ভালোই চলছিল, কিন্তু হুট করে আবার কী একটা নিয়ে আমাদের ঝগড়া বেধে গেল। ব্যস, কাপড়চোপড় গুছিয়ে আবার আমি বাপের বাড়ি গিয়ে উঠলাম। এর মধ্যে শুনলাম ও নাকি খুব অসুস্থ ! আমি বাসায় ফিরতে চাইলে আমার পরিবার বললো, এভাবে একটা ঝগড়ার পর একা একা ফিরলে সেটা ভালো দেখায় না। আর আমার বোনদের কথা ছিল, ওসব অসুস্থ-টসুস্থ কিছু না, সব বাহানা!
আমরা চাচ্ছিলাম ঐ পক্ষ থেকে কিছু আত্মীয়-স্বজন এসে ওর ভুল স্বীকার করে আমাকে হাতেপায়ে ধরে নিয়ে যাক। কিন্তু এবার কেউই আসলো না।
এরও কিছুদিন পর ও আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দিল। ডিভোর্স লেটার দেখে আমাদের পরিবারের সবাই খুব খেপে গেল। কতবড় সাহস, মেয়েকে এত কষ্টে রেখেছে, তার উপর ডিভোর্স লেটার পাঠায়। সবার কথায় আমার কাছেও মনে হলো, ঠিকই তো, কত বড় সাহস! আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়? ওর সব ভুলগুলো চোখের উপর ভাসতে লাগলো।মা বাবা মনে করিয়ে দিলো, ও হলো সেই ছেলে যে কিনা আমার গায়েও হাত তুলেছে।
প্রতিশোধের আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আমিও ঠিক করলাম, এবার ডিভোর্সই দেব। কে চায় এমন ফালতু লোকের সংসার করতে? কোর্টে গিয়েও ওকে হেনস্থা করার চেষ্টা করলাম। আমার মাসিক খরচ বাড়িয়ে একটা আকাশছোঁয়া অংক দাবি করলাম! আমি চাচ্ছিলাম ওর যেন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। যেন নিজে থেকে আমার কাছে এসে আবার সংসার করতে চায়। আসলে ডিভোর্স হোক আমি কখনোই চাই নি৷ কিন্তু জিদ আমাকে খেয়ে নিচ্ছিল। আগ বাড়িয়ে ওকে ডিভোর্স তুলে নিতে বলা আমার পক্ষে অসম্ভব! ওর কাছে ছোট হওয়া আমি মানতেই পারি নি।
কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার, ও আমার আকাশছোঁয়া সমস্ত দাবি মেনে নিলো। আমাদের ছেলেকে আমি পেয়ে গেলাম। ভরণপোষণ, মাসিক খরচ, ওর সম্পত্তি সব! বিনিময়ে ও পেলো শুধু ডিভোর্স।
আমাদের ডিভোর্স হয়েছে আজ সাড়ে তিন বছর।
ও আবারও বিয়ে করেছে। সুখেই আছে বোঝা যায়। আসলে ওর মতো নির্ঝঞ্ঝাট স্বামীকে নিয়ে মেয়েরা হয়তো সুখেই থাকবে।
এখন আমার নিজের কথা ভেবে আফসোস হয়। মানুষের মুখের কথা কখনো কখনো ছুরির চেয়েও ধারালো হতে পারে। ও আমাকে একবার থাপ্পড় মেরেছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কথার তীরে ওকে ছিন্নবিছিন্ন করে ফেলতাম। শারীরিক নির্যাতন করি নি সত্যি, কিন্তু মানসিকভাবে কষ্ট দিতাম। এসব কথা আমার মা বাবাকে কখনোই বলা হয় নি। নিজের দোষের কথা মানুষ কতটাই বা বলে!
মাঝে মাঝে ভাবি, ইশ, আমার পরিবার যদি একটু নিজে থেকে বুঝে আমাকে সংসার করার উপদেশ দিতো। যখন আমি ওর কাছে ফিরে যেতে চাইতাম, তখন ওর খারাপটা না বলে যদি একটু ভালো দিকগুলোর কথা মনে করাতো! আমি যদি নিজের জিদ নিয়ে পড়ে না থেকে, একটু ওর কাছে নত হতাম! তাহলে হয়তো আজ আমাকে এই দিন দেখা লাগতো না।
আজ আমার ভাইবোন বন্ধুবান্ধব সবার নিজেদের সংসার আছ কিন্তু ছোট্ট ভুলে সব শেষ হয়ে গেছে তাই দোয়া করি আর কারো জবনে এমন না হোক।

25/05/2022

Address

Gazipur

Telephone

+8801794962496

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M A Noman Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to M A Noman Sarkar:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram