Dr Jahir Lalat

Dr Jahir Lalat MBBS(DU)

28/01/2026

Infantile Hemangioma (স্ট্রবেরি মার্ক) – অভিভাবকদের জানা জরুরি

অনেক শিশুর জন্মের পর বা জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ত্বকে লালচে/বেগুনি ফোলা দাগ দেখা যায়। একে বলে Infantile Hemangioma — এটি শিশুদের সবচেয়ে সাধারণ benign (ক্যান্সার নয়) রক্তনালীর টিউমার।

কীভাবে শুরু হয়?

সাধারণত জন্মের ১–৪ সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়

প্রথম ৬–৯ মাস দ্রুত বাড়ে (Proliferative phase)

এরপর ধীরে ধীরে নিজে নিজেই ছোট হতে শুরু করে

৫–৭ বছর বয়সে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেকটাই মিলিয়ে যায়

কখন চিন্তার কারণ?

সব Hemangioma চিকিৎসা লাগে না। তবে চিকিৎসা জরুরি যদি—

চোখ, নাক, ঠোঁট, কান বা মুখের ভেতরে থাকে

খুব দ্রুত আকারে বাড়ছে

ক্ষত/রক্তপাত/ইনফেকশন হচ্ছে

শ্বাস নিতে, খেতে বা দেখতে সমস্যা করছে

একাধিক (multiple) hemangioma আছে

💊 চিকিৎসার অপশন

Observation (শুধু পর্যবেক্ষণ) – অধিকাংশ ক্ষেত্রে যথেষ্ট

Oral Propranolol – বর্তমানে gold standard (ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে)

Topical beta blocker – ছোট ও superficial lesion এ

Laser বা Surgery – খুব সীমিত ও নির্বাচিত ক্ষেত্রে

Infantile hemangioma বেশিরভাগ সময় নিজে নিজেই ভালো হয়,
কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে।

আপনার শিশুর ত্বকে এমন দাগ থাকলে অযথা ভয় নয়, দেরিও নয়—ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

টাইপ টু ডায়াবেটিস যাদের আছে বা প্রি ডায়াবেটিস আছে তারা নীচের এই তিনটা অভ্যাস এখন থেকেই রপ্ত করুন।১) প্রতিবার কার্বোহাইড্...
28/01/2026

টাইপ টু ডায়াবেটিস যাদের আছে বা প্রি ডায়াবেটিস আছে তারা নীচের এই তিনটা অভ্যাস এখন থেকেই রপ্ত করুন।

১) প্রতিবার কার্বোহাইড্রেট মানে ভাত, রুটি, আলু, পাস্তা, নুডুলস, পিঠা, পায়েস, মিস্টি, আইসক্রিম, কোল্ডড্রিংকস ও চিনি খাবার পরে তিন সেট এয়ার স্কোয়াট করুন প্রতিসেটে ১৫-২০ টা স্কোয়াট করুন। যাদের স্কোয়াট করতে শারীরিক বাঁধা আছে যেমন হাঁটু, এঙ্কেল বা কোমরে সমস্যা তারা ১৫ মিনিট দ্রুত গতিতে হাঁটুন।

মাসল কন্ট্রাকসন; দ্রুত রক্তের গ্লুকোজকে মাসলে গ্লাইকোজেন আকারে স্টোর করে ফেলে। আর আমাদের সবচেয়ে বেশি মাসল আছে আমাদের পায়ে।

২) এক টেবিল চামচ ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে ভালভাবে গুলিয়ে কার্ব জাতীয় খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে খেলে পরে কার্ব থেকে গ্লুকোজ হওয়ার প্রক্রিয়া ধীর হয় যা রক্তে গ্লোকাজ বেড়ে যাওয়া ঠেকায়।

৩) ঘুমাতে যাবার দুই ঘন্টা আগে স্ক্রিনে চোখ রাখা বন্ধ করুন। রাতে স্ক্রিনের নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন কমিয়ে দেয়, ফলে ঘুমের ছন্দ নষ্ট হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি বাড়ে।

Md Atiqur Rahman
NCSF certified personal trainer
Strength Fitness and Lifestyle Coach

কৃমি দূর করতে এবং গলার ইনফেকশন কমাতে আনারসের রসের পুষ্টিগুণ এক অসাধারণ প্রাকৃতিক ঔষধ।আমাদের অজান্তেই শরীরের ভেতর বাসা বা...
03/01/2026

কৃমি দূর করতে এবং গলার ইনফেকশন কমাতে আনারসের রসের পুষ্টিগুণ এক অসাধারণ প্রাকৃতিক ঔষধ।

আমাদের অজান্তেই শরীরের ভেতর বাসা বাঁধা পরজীবী বা কৃমি আমাদের জীবনীশক্তি তিলে তিলে শুষে নেয়। কৃমির সংক্রমণ কেবল শিশুদের সমস্যা নয় বরং বড়দের ক্ষেত্রেও এটি অপুষ্টি এবং দীর্ঘস্থায়ী রক্তশূন্যতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে গলার ইনফেকশন বা টনসিলের ব্যথা আমাদের স্বাভাবিক খাওয়া দাওয়া এবং কথা বলাকে দুঃসহ করে তোলে। এই সমস্যাগুলোকে অবহেলা করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে ভেঙে পড়তে পারে। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ গলার ব্যথা থেকে শুরু করে পেটের জটিল অসুখ আপনার জীবনকে বিষিয়ে তুলতে পারে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে যে আনারসের রসে ব্রোমেলিন নামক এক বিশেষ ধরনের শক্তিশালী এনজাইম থাকে। এই ব্রোমেলিন কৃমির বহিঃস্তরকে হজম করে ফেলে যা প্রাকৃতিকভাবে শরীর থেকে পরজীবী দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে আনারসের রসের প্রদাহবিরোধী উপাদানগুলো গলার ভেতরের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং গলার টিস্যুর ফোলাভাব দ্রুত কমিয়ে আনে। এটি কফ পরিষ্কার করতে এবং শ্বাসনালীর পথকে জীবাণুমুক্ত রাখতে এক দারুণ প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত আনারসের রস পান করলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং শরীরের সামগ্রিক সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।

মানুষের জীবন যান্ত্রিকতায় আটকে গেলেও প্রকৃতির প্রতিটি উপাদানের মধ্যেই লুকিয়ে আছে রোগমুক্তির গোপন চাবিকাঠি। একটু সচেতন হলে আমরা ঘরোয়া উপায়েই নিজেদের এবং আমাদের সন্তানদের এই কষ্টদায়ক সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারি। সুস্বাস্থ্য কোনো বিলাসবহুল বিষয় নয় বরং এটি আমাদের সচেতনতার একটি বহিঃপ্রকাশ মাত্র। নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া মানেই হলো একটি সুন্দর এবং নিরোগ আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়া। পরিবারের ছোট বড় সবার সুস্বাস্থ্যের কথা ভেবেই আমাদের প্রাকৃতিক খাবারের গুণাগুণ সম্পর্কে জ্ঞান রাখা অপরিহার্য।

আনারসের রস থেকে পূর্ণ উপকার পাওয়ার জন্য এটি নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে পান করা উচিত। কৃমি দূর করার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস টাটকা আনারসের রস পান করা সবচেয়ে বেশি ফলপ্রসূ। গলার ইনফেকশন সারাতে চাইলে হালকা কুসুম গরম পানির সাথে আনারসের রস মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন এবং কয়েক সেকেন্ড গলায় রস ধরে রাখার চেষ্টা করুন। রস তৈরির সময় অবশ্যই আনারসের মাঝখানের শক্ত অংশটিসহ ব্লেন্ড করবেন কারণ সেখানেই ব্রোমেলিনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। বাজার থেকে কেনা রাসায়নিক মিশ্রিত প্যাকেটজাত জুস না খেয়ে ঘরে তৈরি একদম তাজা রস পান করা নিশ্চিত করুন।

সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এই প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ করলে আপনার পরিপাকতন্ত্র এবং গলা পরিষ্কার থাকবে। তবে মনে রাখবেন খুব বেশি টক বা কাঁচা আনারস খেলে দাঁত এবং পেটে সমস্যা হতে পারে তাই সবসময় ভালোভাবে পাকা আনারস বেছে নেবেন। আনারসের রসের এই নিয়মিত ব্যবহার আপনাকে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক বা রাসায়নিক ওষুধের নির্ভরতা থেকে মুক্তি দেবে। আপনার ছোট একটি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বড় ধরনের শারীরিক কষ্ট থেকে আপনাকে দূরে রাখবে। আজ থেকেই সুস্থ থাকতে আনারসের রসের এই প্রাকৃতিক সমাধানটি আপনার জীবনে প্রয়োগ করুন।

স্বাস্থ্য পরামর্শ

অ্যাজমা: যখন বাতাস ঢুকতেই চায় না ভাবুন তোশ্বাস নিতে চাইছেন, কিন্তু বাতাস ঢোকার রাস্তা নেই।ঠিক এমন অনুভূতিই হয় অ্যাজমা ...
27/12/2025

অ্যাজমা: যখন বাতাস ঢুকতেই চায় না
ভাবুন তো
শ্বাস নিতে চাইছেন, কিন্তু বাতাস ঢোকার রাস্তা নেই।
ঠিক এমন অনুভূতিই হয় অ্যাজমা অ্যাটাকের সময়।
স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের ফুসফুসে যাওয়ার নালিগুলো থাকে খোলা, নরম আর পরিষ্কার। বাতাস আসে যায়, আমরা টেরও পাই না। শ্বাস নেওয়া তখন সবচেয়ে স্বাভাবিক কাজ।
কিন্তু অ্যাজমা বাড়লে ছবিটা হঠাৎ বদলে যায়।
নালির ভেতরটা ফুলে যায়, লাল হয়ে জ্বালা শুরু হয়।
চারপাশের পেশিগুলো শক্ত হয়ে নালিটাকে চেপে ধরে।
তার উপর জমে যায় ঘন আঠালো কফ।
একসঙ্গে তিন দিক থেকে চাপ পড়ে
বাতাস ঢুকতে চায়, কিন্তু ঢুকতে পারে না।
তখনই শোনা যায় শোঁ শোঁ শব্দ।
বুকটা শক্ত করে ধরে আসে।
মনে হয় দম বুঝি এখানেই থেমে যাবে।
যারা কখনো অ্যাজমা অ্যাটাকের ভেতর দিয়ে গেছেন, তারা জানেন
এটা শুধু শ্বাসকষ্ট না,
এটা বেঁচে থাকার জন্য লড়াই।
এই ভেতরের পরিবর্তনগুলো বুঝতে পারলেই বোঝা যায় কেন নিয়মিত ইনহেলার, কেন ট্রিগার এড়ানো, কেন চিকিৎসকের পরামর্শ এত জরুরি।
অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ মানে ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করা।
আর শ্বাস—তা কারও অবহেলার জায়গা নয়।
একবার পড়ে থামবেন না।
শেয়ার করুন—কারও একটুখানি শ্বাস বাঁচাতে পারে।
ডা.আব্দুর রহমান

👣 পা ফাটা? এই একটি ঔষধ জাদুর মতো কাজ করে! — KERASOL 6% 🧴শীতে বা নিয়মিত শুষ্কতার কারণে অনেকের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়, ব্যথ...
09/12/2025

👣 পা ফাটা? এই একটি ঔষধ জাদুর মতো কাজ করে! — KERASOL 6% 🧴

শীতে বা নিয়মিত শুষ্কতার কারণে অনেকের পায়ের গোড়ালি ফেটে যায়, ব্যথা করে, এমনকি রক্তও বের হয়। বাজারে অনেক ক্রিম আছে — কিন্তু পায়ের গোড়ালি দ্রুত নরম করে, ফাটা অংশ সেরে ওঠায় সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো Kerasol 6% ।

⭐ কেন KERASOL 6% এত ভালো কাজ করে?

✔ ৬% স্যালিসাইলিক অ্যাসিড
মরা চামড়া নরম করে তুলে ফেলে — ফলে ফাটা জায়গা দ্রুত ঠিক হয়

✔ স্কিন-হিলিং ফর্মুলা
গোড়ালির কড়া, পুরু ও শক্ত ত্বককে নরম করে

✔ ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়ক
ফাটার গভীরে জীবাণু ঢুকার ঝুঁকি কমায়

✔ ফল দেখা যায় কয়েক দিনে
নিয়মিত ব্যবহার করলে ৩–৭ দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান উন্নতি

🩺 ব্যবহারের নিয়ম :

1️⃣ প্রতিদিন রাতে পা ধুয়ে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন
2️⃣ ফাটা অংশে পাতলা করে KERASOL 6% লাগান
3️⃣ চাইলে মোজা পরে ঘুমাতে পারেন
4️⃣ দিনে ১ থকে ২ বার নিয়মিত ব্যবহার করুন

⚠️ যাদের জন্য নয়:

শিশু
অত্যন্ত সংবেদনশীল বা ইনফেক্টেড ক্ষত
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডায়াবেটিস রোগীরা

⭐ জিরা – গ্যাস্ট্রিক কমানোর এক প্রাকৃতিক উপাদান ⭐গ্যাস্ট্রিক, অম্বল বা পেটের অস্বস্তি কমাতে জিরা একটি দারুণ কার্যকর ভেষজ...
05/12/2025

⭐ জিরা – গ্যাস্ট্রিক কমানোর এক প্রাকৃতিক উপাদান ⭐

গ্যাস্ট্রিক, অম্বল বা পেটের অস্বস্তি কমাতে জিরা একটি দারুণ কার্যকর ভেষজ। নিয়মিত সঠিকভাবে জিরা ব্যবহার করলে পাচনতন্ত্র শক্তিশালী হয় এবং এসিডিটি কমে।

🌿 জিরার উপকারিতা:

✔ অ্যাসিডিটি কমায় – পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
✔ হজম শক্তি বাড়ায় – খাবার দ্রুত হজম করতে সহায়তা করে।
✔ গ্যাস ও পেটফাঁপা কমায় – অন্ত্রে জমে থাকা গ্যাস বের হতে সাহায্য করে।
✔ পেটের প্রদাহ কমায় – জিরার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ পেটকে শান্ত করে।
✔ পেট ব্যথা উপশম – জিরার গরম প্রকৃতি পেট ব্যথা কমাতে কার্যকর।

🌼 কীভাবে খাবেন?

১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চা চামচ জিরা ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

অথবা খাবার রান্নায় নিয়মিত জিরা ব্যবহার করতে পারেন।

💡 প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাস্ট্রিক কমাতে চাইলে জিরা হতে পারে আপনার সহজ সমাধান।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাঁচা পেঁপে দারুণ কার্যকর। পাকা পেঁপের মতোই কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও বিশেষ এনজাইম, যা হ...
03/12/2025

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাঁচা পেঁপে দারুণ কার্যকর। পাকা পেঁপের মতোই কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও বিশেষ এনজাইম, যা হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়। চলুন দেখে নেওয়া যাক কাঁচা পেঁপে কীভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে কাজ করে—
১. প্যাপেইন হজম শক্তি বাড়ায়--- কাঁচা পেঁপেতে প্যাপেইনের পরিমাণ পাকা পেঁপের তুলনায় বেশি থাকে। এই এনজাইম খাবার দ্রুত ভাঙতে সাহায্য করে, যা হজমে আরাম দেয় এবং পেট ফুলে থাকা কমায়।
২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ--- যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা কাঁচা পেঁপের জুস খেতে পারেন। কাঁচা পেঁপে বা এর জুস রক্তে চিনির পরিমাণ কমায়। এ ছাড়া কাঁচা পেঁপে শরীরে ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়ায়।
৩. অন্ত্র পরিষ্কার রাখে--- নিয়মিত অল্পমাত্রায় কাঁচা পেঁপে খেলে অন্ত্র পরিষ্কার থাকে। এতে বর্জ্য জমে থাকা বা দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার সমস্যা দূর হয়।
৪. কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে --- যারা দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন, তাদের খাদ্যতালিকায় সেদ্ধ বা ভাজি করা কাঁচা পেঁপে রাখা খুবই উপকারী। কাঁচা পেঁপে অন্ত্রের চলাচল স্বাভাবিক রাখে।
৫. পেটে গ্যাস ও প্রদাহ কমায়--- কাঁচা পেঁপের এনজাইম পেটের গ্যাস, অস্বস্তি ও প্রদাহ কমায়। ফলে হজমতন্ত্র আরও স্বস্তিদায়ক থাকে।

কমলার জুস আপনার লিভারকে রক্ষা করতে পারে, ইমিউন সিস্টেম দ্বিগুণ বাড়ায়।অনেকেই ভাবেন কমলার জুস শুধু ভিটামিন সি দেয়, কিন্ত...
02/12/2025

কমলার জুস আপনার লিভারকে রক্ষা করতে পারে, ইমিউন সিস্টেম দ্বিগুণ বাড়ায়।

অনেকেই ভাবেন কমলার জুস শুধু ভিটামিন সি দেয়, কিন্তু বাস্তবে এটি এমন কিছু পরিবর্তন আনে যা জানলে অনেকেই আজ থেকেই নিয়মিত কমলার জুস খাওয়া শুরু করবেন। ভয় পাওয়ার মতো ব্যাপার হলো, আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হলে প্রথম আঘাত আসে শ্বাসতন্ত্রে। এখানেই কমলার জুসের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্ষমতা আশ্চর্যজনকভাবে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কমলার জুসের ভিটামিন সি ফ্রি র‍্যাডিক্যাল কমিয়ে শরীরকে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। এটি শুধু সাধারণ সর্দি বা ঠান্ডাই নয়, দীর্ঘমেয়াদে ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখে।

মানুষের রক্তনালী শক্ত ও সংকুচিত হলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হঠাৎ করে বেড়ে যায়। কমলার জুসে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তনালীকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে। যারা উচ্চ রক্তচাপ বা অনিয়মিত হার্টবিটে ভুগছেন, তাদের জন্য কমলার জুস একটি নিরাপদ প্রাকৃতিক সহায়তা। নিয়মিত কমলার জুস খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়ে। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

গ্যাস্ট্রিক, অম্বল বা হজম শক্তি কমে গেলে অনেকের জীবনযাত্রা কষ্টকর হয়ে যায়। কমলার জুসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড এবং প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। খাবার ভেঙে পুষ্টি শোষণ বাড়ায় এবং পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে। যাদের নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্য হয়, তারা কমলার জুস খেলে উপকার পান, কারণ এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার পায়খানার গতি সহজ করে।

যকৃত শরীরের সব বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে ফেলে। গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে যে কমলার জুসের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লিভারের ওপর চাপ কমায় এবং চর্বি জমা প্রতিরোধ করে। ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখতেও এটি কার্যকর। কমলার জুস শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে এবং লিভার সেল মেরামত করে।

অনেক মানুষ চোখের ঝাপসা দেখাকে বয়সের লক্ষণ মনে করে, কিন্তু এর পিছনে থাকে ভিটামিন সি এবং ক্যারোটেনয়েডের ঘাটতি। কমলার জুস চোখের রেটিনা সুরক্ষিত রাখে এবং বয়সজনিত ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়। দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে চোখ ক্লান্ত হয়ে গেলে কমলার জুসের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট চোখের কোষকে পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিস রোগীরা অনেক সময় ফল এড়িয়ে চলেন, কিন্তু চিনিমুক্ত প্রাকৃতিক কমলার জুস সঠিকভাবে গ্রহণ করলে উপকার পাওয়া যায়। এতে থাকা ফ্লাভোনয়েড রক্তে গ্লুকোজ শোষণ ধীর করে এবং ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করে। তবে চিনি মেশানো কমলার জুস ডায়াবেটিস রোগীকে অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

ত্বকের বিবর্ণতা, ব্রণ বা ডার্ক স্পট অনেকের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। কমলার জুসে থাকা ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদন বাড়ায় এবং ত্বককে ভিতর থেকে টাইট করে। এতে ত্বকের দাগ দ্রুত ফিকে হয় এবং নতুন ত্বক তৈরিতে সহায়তা করে। কমলার জুস নিয়মিত খেলে স্কিন টোন স্বাভাবিক থাকে এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

শরীরে ক্লান্তি বাড়লে শক্তি কমে যায় এবং মনোযোগও নষ্ট হয়। কমলার জুসের প্রাকৃতিক চিনি এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স মস্তিষ্কে শক্তি যোগায়। এটি স্ট্রেস হরমোন কমায় এবং স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে। যারা অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভোগেন, তারা সকালে এক গ্লাস কমলার জুস খেলে সারাদিন সতেজ থাকতে পারবেন।

কমলার জুস রক্ত পরিষ্কার করে এবং শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য এটি দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়ার একটি প্রাকৃতিক উৎস। এতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমায়।

সবশেষে, কমলার জুস ত্বক, লিভার, হৃদযন্ত্র, হজম, ইমিউন সিস্টেম এবং চোখের স্বাস্থ্যে একসাথে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বা বিকেলে হালকা ক্ষুধার সময় এক গ্লাস কমলার জুস শরীরের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর। তবে যাদের তীব্র অম্বল বা আলসার আছে, তারা ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে খাওয়া উচিত। কমলার জুস একটি সাধারণ পানীয় হলেও এর ভেতরে আছে বিশাল স্বাস্থ্যসম্ভাবনা যা নিয়মিত গ্রহণ করলে সার্বিক সুস্থতা বাড়ায়।

স্বাস্থ্য পরামর্শ

22/11/2025

রাশিয়ানরা বহুকাল ধরেই দেখছিল যে, ককেশিয়ার আদিবাসীরা খুবই স্বাস্থ্যবান এবং তাদের মধ্যে সুস্থ-সবল শতায়ুদের সংখ্যা প্রচুর!
কিন্তু এত সুস্থভাবে দীর্ঘজীবি হওয়ার রহস্য তারা বুঝতে পারছিল না!

১৯০৮ সালে রাশিয়ান বিজ্ঞানী এলি মেচনিকফ মেডিসিনে নোবেল পান। তার গবেষণার বিষয় ছিল 'ইমিউনিটি'।
তিনি আবিষ্কার করেন, গাট হেলথই ইমিউনিটির মূল ভিত্তি!
এলি মেচনিকফ প্রোবায়োটিকের জনক হিসেবেও পরিচিত। তিনি গাঁজানো খাবার এবং গাট মাইক্রোবায়োমের সাথে দীর্ঘায়ু ও ইমিউনিটির যোগসূত্র উদঘাটন করেন।
তাঁর The Prolongation of Life (১৯০৭) বইয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, অন্ত্রে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বি/ষা/ক্ত পদার্থ তৈরি করে, যা দেহে শোষিত হয়ে বার্ধক্য ও রোগের কারণ হয়!
যারা প্রচুর গাঁজানো খাবার খায় তাদের অন্ত্রে ল্যাকটিক অ্যাসিড উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়া ঐ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদেরকে দমন করে, ফলে তারা দীর্ঘজীবী হয়।
তিনি এর মধ্যে উল্লেখ করেন, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবনের গোপন রহস্য হলো 'কেফির'! ককেশিয়ানদের সুপার ইমিউনিটি গড়ে উঠা এবং দীর্ঘজীবী হওয়ার কারণ গাঁজানো দুধ খাওয়ার অভ্যাস।

এত দিনে রাশিয়া জানতে পারে ককেশিয়ানদের সুস্থ থাকার রহস্য কি!
১৯০০ সালের আগে পর্যন্ত কেফিরের জ্ঞান ও ব্যবহার শুধুমাত্র ককেশাসের আদিবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল! ১৯ শতক পর্যন্ত ইউরোপ, আমেরিকা, এশিয়া কোথাও এই খাবার সম্পর্কে জানতো না!
১৯০৮ সালে রাশিয়ানদের প্রচেষ্টায় প্রথমবার এর রহস্য উন্মোচিত হয়।

কেফিরের উৎপত্তি উত্তর ককেশাসের (রাশিয়ার দক্ষিণাংশ, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান) আদিবাসী উপজাতিদের মধ্যে। তারা হাজার বছর ধরে কেফির তৈরি করে আসছিল।
আর, বাকী দুনিয়া কেফির সম্পর্কে বেখবর ছিল!
তারা নিজেরাই শুধু কেফির বানাতো ও খেতো। এর রেসিপি ও কেফির বীজ গোপন রাখত। তাদের বিশ্বাস ছিল, যদি বাইরের কেউ কেফির বানানো শিখে যায়, তাহলে এর জাদুকরী গুণ হারায় যাবে!

“বাবারা দিনে অন্তত ১৫ মিনিট শিশুর সঙ্গে খেলাধুলা করুন মন দিয়ে…এটাই হতে পারে সন্তানের মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের জন্য সবচেয়ে বড...
18/11/2025

“বাবারা দিনে অন্তত ১৫ মিনিট শিশুর সঙ্গে খেলাধুলা করুন মন দিয়ে…
এটাই হতে পারে সন্তানের মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের জন্য সবচেয়ে বড় পুষ্টি।” ❤️

একটা শিশু জন্মের পর প্রথম যে দু’জন মানুষকে পৃথিবীর ভিত্তি মনে করে — একজন মা, আরেকজন বাবা।
মায়ের স্নেহ যেমন ওকে নিরাপত্তা শেখায়, বাবার উপস্থিতি শেখায় বিশ্বাস, আত্মবিশ্বাস আর পৃথিবীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন—
👉 বাবার সঙ্গে প্রতিদিনের মাত্র ১৫ মিনিটের খেলাধুলা শিশুর মস্তিষ্কে ডোপামিন বাড়ায়, যা তাকে সুখী, শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলে।
👉 এই ছোট্ট সময়টাও শিশুর মেমোরি, ক্রিয়েটিভিটি এবং সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
👉 বাবার হাসি, বাবার কণ্ঠ, বাবার মনোযোগ—শিশুর হৃদয়ে এমন এক নিরাপত্তা তৈরি করে যা কোনো খেলনা বা দামি জিনিস দিতে পারে না।

আর বাস্তবতা হলো—
শিশুরা কখনো বাবার সময় চায় না, তারা চায় বাবার মনোযোগ।
বাবা পাশে থাকলে তাদের মনে এক ধরনের আনন্দ, দুষ্টুমি, খুশি আর সাহস কাজ করে।
কিন্তু যখন বাবা ব্যস্ত থাকে, সময় দেয় না, দিনের পর দিন দূরে থাকে…
তখন শিশুরা চুপচাপ হয়ে যায়, মন খারাপ করে, আঁকড়ে ধরে মাকে আর বারবার প্রশ্ন করে—
“বাবা কখন আসবে?”

একটা শিশুর চোখে পৃথিবী খুব ছোট…
সেই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জায়গাটা জুড়ে থাকে তার বাবা।
তাই বাবাদের জন্য অনুরোধ—
জীবনের দৌড়, লক্ষ্য, ব্যস্ততা সব ঠিক আছে…
কিন্তু প্রতিদিন সন্তানের সঙ্গে ১৫ মিনিট মন দিয়ে খেলুন।
এই সময়টাই হয়ে উঠবে তাদের হৃদয়ের সবচেয়ে নিরাপদ স্মৃতি, আর ভবিষ্যতের চরিত্র গঠনের সবচেয়ে শক্ত ভিত্তি।

শেষ কথা:
শিশুরা দামি উপহার মনে রাখে না…
কিন্তু বাবার সঙ্গে কাটানো সময়—আজীবন মনে রাখে। ❤️

✍️
তুরতুরি মুনু

#স্বাস্হ্যহীনতা

Address

Kunia , National University
Gazipur

Telephone

+8801976703636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Jahir Lalat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Jahir Lalat:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category