Nuha Medicare

Nuha Medicare All types of foreign - local medicine seller.

জলাতঙ্ক হলে মৃত্যুর হার ১০০% কেবলমাত্র জনসচেতনতাই এ রোগ থেকে মুক্তির উপায় হতে পারে।প্রথমে জেনে রাখি যে কুকুর, বিড়াল, শিয়...
12/03/2024

জলাতঙ্ক হলে মৃত্যুর হার ১০০%
কেবলমাত্র জনসচেতনতাই এ রোগ থেকে মুক্তির উপায় হতে পারে।

প্রথমে জেনে রাখি যে কুকুর, বিড়াল, শিয়াল বা বন্যপ্রানীর কামড়ে জলাতঙ্ক হতে পারে।

Type of bites:

Category 1: Touch of animal, কুকুর বা বিড়াল খেয়েছে এমন খাবার খাওয়া।

Category 2: রক্তপাত ছাড়া ছোটখাট আঁচড় লাগা।

Category 3: কামড়ে রক্ত আসা বা বেশি ক্ষত হওয়া।

Treatment:

Category 1: No treatment needed.

Category 2: Vaccination.

Category 3: Vaccination + Immunization.

Dose of Anti-Rabies Vaccine: ( inj. Rabix-vc)

1) ১ম দিন (২৪ ঘন্টার ভিতরে)
2) ৩য় দিন
3) ৭ম দিন
4) ১৪ তম দিন
5) ২৮ তম দিন

Vaccine দেয়ার ৩ মাসের মধ্যে পুনরায় কামড় দিলে Vaccine দিতে হবে না।

৩ বছরের মধ্যে পুনরায় কামড় দিলে ২ টা বুস্টার ডোজ দিতে হবে। D1 & D3.

৫ বছর পরে কামড় দিলে পুনরায় নতুন করে ৫ টা ডোজ দিতে হবে।

জনস্বার্থে
Nuha Medicare

15/12/2023

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৫ টা থেকে ডা: রাবেয়া ইসলাম নুহা মেডিকেয়ার এ রোগী দেখছেন। হাতের কাছেই ভালো ডাক্তার দেখাতে চাইলে এখনই চলে আসুন পুবাইল স্টেশন নুহা মেডিকেয়ার এ।

এখন থেকে প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ও বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নিয়মিত রোগী দেখছেন পুবাইলের কৃতি সন্ত...
28/11/2023

এখন থেকে প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ও বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নিয়মিত রোগী দেখছেন পুবাইলের কৃতি সন্তান ডাঃ রাবেয়া ইসলাম।

আপনার যে কোন শারীরিক সমস্যা বা অসুস্থতার জন্য চলে আসুন নুহা মেডিকেয়ার ডাঃ রাবেয়া ইসলাম এর চেম্বারে।

কন্ডোমের ইতিহাস: ৩৫০০ বছর আগেও যেভাবে ব্যবহৃত হতো এই গর্ভনিরোধকপ্রাচীন মিসরের সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেন। তার সমাধিস...
15/03/2023

কন্ডোমের ইতিহাস: ৩৫০০ বছর আগেও যেভাবে ব্যবহৃত হতো এই গর্ভনিরোধক

প্রাচীন মিসরের সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা তুতেনখামেন। তার সমাধিস্থল আবিষ্কারের পর এর ঐশ্বর্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক হাওয়ার্ড কার্টার। বলে উঠেছিলেন, “ওয়ান্ডারফুল থিংস!” সত্যিই এক বিস্ময়কর ব্যাপার বটে। ১৯২২ সালের ৪ নভেম্বর মিশরের অকালপ্রয়াত সম্রাটের সমাধিতে প্রবেশের পথ আচমকাই বেরিয়ে পড়ে এক শ্রমিকের হাতে। সেই আবিষ্কারের শতবর্ষ পূর্ণ হলো কিছু দিন আগে। যদিও তুতেনখামেনের সোনার শবাধার-সহ মমি আবিষ্কার হতে সময় গড়িয়ে যায় ১৯২৫ পর্যন্ত।

৩৫০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরের কিশোর রাজা বা ফারাও ছিলেন তুতেনখামেন। পিতার মৃত্যুর পরে ৯ বছর বয়সেই সিংহাসনে বসেন। ১০ বছর রাজত্ব করার পরে হঠাৎই রহস্যময় কারণে মৃত্যু। অজানা কোনো কারণে বেশ তাড়াতাড়ি কিশোর ফারাওকে বিপুল ঐশ্বর্য-সহ সমাধিস্থ করা হয়। তুতেনখামেনের সমাধির প্রবেশপথ ঢাকা পড়ে গিয়েছিল অন্যান্য খননের ধ্বংসাবশেষে। তাই বিস্তর খোঁজাখুঁজির পরও দীর্ঘ সময় কিছুতেই প্রকাশ্যে আসেনি সেই সমাধি।

ফারাওদের বৈভবের নিরিখে তুতানখামেনের সমাধিক্ষেত্র বেশ ছোটই ছিল। তার মৃত্যুর পর ৭০ দিনের মধ্যে বেশ তড়িঘড়ি করে তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। প্রাচীন মিশরীয় বিশ্বাস অনুসারে, ফারাও বা অন্য গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তিদের মৃত্যুর পর তাদের ব্যবহৃত যাবতীয় সামগ্রী মৃতদেহের সঙ্গে রেখে দেওয়ার রীতি ছিল। তুতেনখামেনের সমাধিতে স্বর্ণপালঙ্ক, স্বর্ণসিংহাসন, সোনার শবাধারের ঐশ্বর্যে তামাম বিশ্ব হতচকিত হয়ে পড়ে। সোনা তো শুধু নয়! রুপো, মেহগনি কাঠ, হাতির দাঁত- কী ছিল না সমাধির বদ্ধ কক্ষে।

মমির সঙ্গেই পাওয়া গিয়েছিল একটি ছোট চামড়ার থলি, সঙ্গে কোমরে বেঁধে নেয়ার ফিতে। পরে বোঝা যায়, জিনিসটি আসলে আদি কন্ডোম। বিস্ময়ের কথাই বটে! কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন মিশরীয়রাও কন্ডোমের ব্যবহার জানতেন! কন্ডোমের মধ্যে পাওয়া ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, সেটি স্বয়ং তুতেনখামেনেরই ব্যবহৃত। গবেষকরা এই সিদ্ধান্তেও পৌঁছন যে, কন্ডোমটি গরুর পাতলা চামড়া দিয়ে তৈরি, সেটি গর্ভনিরোধক সরঞ্জাম হিসাবেই মমির সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল, কোনো প্রাচীন রীতি পালনের সঙ্গে এর যোগসূত্র নেই। শুধু তাই নয়, তুতেনখামেনের লিঙ্গটি প্রায় ৯০ ডিগ্রি উত্থিত করে তাকে মমি করা হয়েছিল। মমি আবিষ্কারের কিছু পরেই লিঙ্গটি নিখোঁজ হয়, পরে জানা যায়, সেটি ভেঙে অন্যত্র রাখা হয়েছিল।

তুতেনখামেনের মমিতে পাওয়া এই কন্ডোম ইতিহাসের প্রাচীনতম আবিষ্কৃত কন্ডোম। উত্থিত লিঙ্গের সম্ভাব্য কারণ ধর্মাচরণের সঙ্গে যুক্ত। মিশরীয় সভ্যতার রীতি অনুসারে তুতেনখামেনকে দেবতা ওসিরিসের অবতার হিসেবে দেখার চেষ্টা ছিল। অন্য দিকে, প্রাচীন কালেই মিশরবাসী নানা রঙের কন্ডোম ব্যবহার শুরু করেছিলেন। বিভিন্ন সামাজিক স্তরের লোকজনের জন্য নির্দিষ্ট বর্ণের কন্ডোমের চল ছিল।

কন্ডোমের প্রাচীন ইতিহাস মিশরের বাইরেও রয়েছে। কায়রো লাইব্রেরি এবং পুরনো গবেষণার তথ্য হাতড়ালে দেখা যায়, প্রাচীন গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের রাজা মিনোস এক সমস্যায় পড়েন। রাজার সঙ্গে সঙ্গমের পরেই আশ্চর্যজনক ভাবে মারা যাচ্ছিলেন রানিরা। রাজার শুক্রাণুতে নাকি সাপ ও বিছে রয়েছে, এমন ধারণাও দানা বাঁধে।

এই সময় বুদ্ধিমতী রানি পাসিফি একটি উপায় বার করেন। শুয়োরের পাতলা চামড়া নিজের যৌনাঙ্গে লাগিয়ে রাজার সঙ্গে মিলিত হন। প্রাণে তো বাঁচেনই রানি, শেষে ৮টি সন্তানের জন্মও দেন।

যিশুর জন্মের ১৮০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরে ‘কাহুন মেডিক্যাল প্যাপিরাস’ রচিত হয়েছিল। প্রাচীন মিশরীয়রাও সেই পুঁথি অনুসরণ করে কুমিরের মলের সঙ্গে অন্যান্য প্রাকৃতিক ঔষধি মিশিয়ে তৈরি করতেন গর্ভনিরোধক পদার্থ। এই পদার্থ মূলত নারীরা তাদের যৌনাঙ্গে ব্যবহার করতেন। কুমিরের মল অ্যাসিডিক, যা কিনা শুক্রাণুগুলোকে নিমেষে নিকেশ করত। বর্তমান গবেষণা অবশ্য জানাচ্ছে উল্টো কথা।

অ্যাসিডিক হলে সফল নিষেক হবার সম্ভাবনা কমে না, বরং বেড়ে যায়। তাই কুমিরের মলে কতগুলো শুক্রাণু বধ হতো, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রাচীন ভারতীয়রা অবশ্য কুমিরের বদলে হাতির মল দিয়ে গর্ভ নিরোধনের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। রোমানরা প্রথমে কন্ডোম নিয়ে তেমন ভাবিত না হলেও, পরে তাদের চিন্তায় ফেলেছিল যৌন রোগ সিফিলিস। সিফিলিসের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে তারা প্রাণীর চামড়ার ব্যবহার শুরু করেন।

তাই মিশরীয়দের কিছু পরে রোমানরা প্রাণীদেহের (মূলত ছাগল ও ভেড়ার) পাতলা চামড়া দিয়ে কন্ডোম তৈরির একটা বন্দোবস্ত করেছিলেন। পিছিয়ে ছিলেন না চিনারাও। সিল্কের সঙ্গে বিশেষ তেল মিশিয়ে তারাও কন্ডোম তৈরি করে ফেলেন। জাপানিরা তো তত দিনে কাবুতা-গাতার ব্যবহার শিখেছে পুরুষ যৌনাঙ্গের মুখ ঢাকতে। মূলত কচ্ছপের খোল ব্যবহার করে কাবুতা-গাতা তৈরি হত।

নিউগিনির প্রাচীন বাসিন্দারা গর্ভনিরোধক হিসেবে বিশেষ কিছু নির্বাচিত উদ্ভিদের নির্যাস স্ত্রীদেহে ব্যবহার শুরু করেছিলেন। সে সময়ের প্রায় সব সভ্যতায় পুরুষেরা মিলনের ঠিক পূর্বে স্ত্রী যৌনাঙ্গে ছয় ইঞ্চি লম্বা বিশেষ পাতা দিয়ে প্রস্তুত ফানেল ব্যবহার করতেন, যার একমুখ খোলা অন্য প্রান্ত বন্ধ।

ষোড়শ শতকের ইতালীয় শরীরতত্ত্ববিদ গাব্রিয়েল ফালোপ্পিও পুরুষের যৌনাঙ্গে ভেড়া ও ছাগলের পাতলা চামড়ার টুপি পরিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, তাতে সিফিলিসের মতো মারাত্মক যৌন রোগ বাধাপ্রাপ্ত হয়। পঞ্চদশ শতকে যখন যৌন রোগ সিফিলিস আছড়ে পড়ে ফ্রান্সের সেনাদলে, তখন কন্ডোম ব্যবহার আবশ্যিক হয়ে পড়ে। সেই সময় থেকে প্রাণীদেহের পাতলা চামড়া দিয়ে কন্ডোম তৈরির বহুল ব্যবহার শুরু হয়। শুধু তাই নয়, মাছের নাড়িভুঁড়ি ব্যবহার করেও তৈরি হয়েছে কন্ডোম।

সপ্তদশ শতকে ইংল্যান্ডে বহুল ভাবে গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা হিসেবে কন্ডোমের প্রচলন শুরু হয়। সে সময় ইংল্যান্ডের জনসংখ্যাও আচমকা কমে যায়। তবে আমেরিকান রসায়নবিদ চার্লস গুডইয়ারের ভালোকানাইজড রবারের ব্যবহারিক প্রয়োগ বিশ্বকে চমকে দেয়। তিনি প্রথম রবারের সঙ্গে গন্ধক মিশিয়ে স্থিতিস্থাপক, নমনীয়, টেকসই আধুনিক কন্ডোমের ধারণা দেন। ১৮৬০ থেকে শুরু হয় আধুনিক কন্ডোমের সাম্রাজ্য বিস্তার।

কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে যা করবেনগবেষণা বলছে, ৮০ শতাংশ করোনা রোগীর উপসর্গ থাকে মৃদু কিংবা মাঝারি। তাদের বেশিরভাগেরই প্রয়োজন...
12/02/2022

কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে যা করবেন

গবেষণা বলছে, ৮০ শতাংশ করোনা রোগীর উপসর্গ থাকে মৃদু কিংবা মাঝারি। তাদের বেশিরভাগেরই প্রয়োজন হয় না হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার। মৃদু উপসর্গের মধ্যে সহনীয় মাত্রায় জ্বর, শুকনা কাশি, গলা ব্যাথা, মাথা ব্যাথা, পেশিতে ব্যাথা, মুখে স্বাদ না থাকা, গন্ধ না পাওয়া প্রভৃতি রয়েছে। আর এসবের পাশাপাশি ১০১-১০২ ডিগ্রি জ্বর ও কিছুটা শ্বাসকষ্ট থাকলে বিবেচনা করা হয় মাঝারি উপসর্গ হিসাবে।

করোনায় পজিটিভ হলে কী করতে হবে, তা জানা থাকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার এবং মনোবল শক্ত রাখার কাজ সহজ হতে পারে। আসুন জেনে নিই, করোনা আক্রান্ত হলে কী করবেন আর কী করবেন না। আর আপনার পরিবার বা বন্ধুকে কীভাবে রাখবেন নিরাপদে।

উপসর্গ দেখা দিলেই আলাদা হোন

করোনা আক্রান্ত বেশির ভাগের ক্ষেত্রে ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা যায়। মৃদু কিংবা মাঝারি থেকে গুরুতর হতে পারে সেসব উপসর্গ। জ্বর-কাশির মতো করোনার উপসর্গ দেখা দিলেই পরিবারের সদস্যদের থেকে আলাদা হয়ে যান। কঠোরভাবে মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি। আপনার পরিবার বা আশপাশের লোকদের সংক্রমণমুক্ত রাখতে এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এরপর আসবে করোনার টেস্ট করানোর ধাপ। অনলাইনেই টেস্টের সিরিয়াল নেওয়ার চেষ্টা করুন। টেস্টের সিরিয়াল পেলে সে অনুযায়ী গিয়ে নমুনা দিয়ে আসুন। অনলাইনে সম্ভব না হলে সরাসরি কোভিড-ডেডিকেটেড হাসপাতালে যান। নমুনা দিতে যেখানেই যান না কেন, কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন।

আক্রান্ত হলেই নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

করোনায় আক্রান্ত হলে প্রথম কাজটি করতে হবে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। তিনি আপনাকে বলতে পারবেন, আপনার পরিস্থিতি বিবেচনায় কীভাবে এবং কি কি উদ্যোগ নিতে হবে। সরাসরি ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন বেশিরভাগের ক্ষেত্রে পড়বে না। সার্বক্ষণিক চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার জন্য সরকারি জরুরি স্বাস্থ্য সেবার নম্বরগুলোতে আপনি যোগাযোগ করতে পারবেন। সেখানকার চিকিৎসকরা আপনাকে জরুরি পরামর্শ দিবেন এবং ওষুধের প্রয়োজন হলে তা প্রেসক্রাইব করবেন। কোনোভাবে নিজে নিজে ওষুধ গ্রহণ ঠিক হবে না।

কল সেন্টার নম্বরগুলোর মধ্যে রয়েছে: ৩৩৩-১ (জাতীয় কল সেন্টার), ১৬২৬৩ (স্বাস্থ্য বাতায়ন), ১০৬৫৫ (আইইডিসিআর), ০৯৬৬৬৭৭৭২২২ (কোভিড-১৯ টেলিহেলথ) এবং ০৯৬৬৬৮৮৮৮৮৮ (মা টেলিহেলথ)।

আইসোলেশনে থাকুন

আপনার সঙ্গে বাসায় যারা থাকেন, তাদের থেকে আলাদা হয়ে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, রোগীর সেবক বা পরিবারের সদস্যদের সুস্থ রাখার চেষ্টা করতে হবে সর্বাগ্রে।

শহুরে বাসায় বসবাস করলে আলাদা রুমে থাকুন, অন্যদের থেকে আলাদা টয়লেট ব্যবহার করুন। গ্রামীণ পরিবেশে থাকলে সেখানেও চেষ্টা করুন আলাদা করোনা রোগীর জন্য আলাদা টয়লেটের ব্যবস্থা করার। আলাদা টয়লেট ব্যবহার সম্ভব না হলে ব্যবহারের পর জীবানুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য খাবার বা ওষুধ পরিবারের সদস্যরা রুমের সামনে রাখবেন এবং পরে রোগী তা গ্রহণ করবেন। এক সেট থালাবাসন আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার রুমে রেখে দিতে পারেন এবং সেগুলো পরিষ্কার তিনিই করবেন। ময়লা-আবর্জনার জন্য রুমের মধ্যে ঢাকনাযুক্ত বিন ব্যবহার করতে পারেন।

প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য অনলাইনে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হতে পারেন। কোভিড-ডেডিকেটেড হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যদি যেতে হয়, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি।

নজরে রাখবেন যেসব উপসর্গ

আক্রান্ত হওয়ার পরের দুই সপ্তাহ উপসর্গগুলোর পরিবর্তন লক্ষ্য রাখা খুবই জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লক্ষণ ও সংক্রমণের গুরুতর পরিস্থিতি বুঝা যায়। অন্যদিকে, ৮ থেকে ১০ দিনে ইমিউন সিস্টেমে বড় প্রভাব পড়তে পারে। এই সময়েয়র মধ্যে উপসর্গগুলো কমে না আসলে নতুন করে স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রয়োজনও পড়তে পারে।

শ্বাসপ্রশ্বাসের পরিমাণ, অস্বস্তি এবং অক্সিজেন লেভেল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা দরকার। এক্ষেত্রে লক্ষণগুলো কোন দিকে যাচ্ছে, তার গতিপথ পাওয়া যাবে। প্রতিনিয়ত শরীরের তাপমাত্রা, পালস রেট ও রক্তচাপ পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। গুরুতর অবস্থার দিকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন।

কোয়ারেন্টিন শেষ হলে…

সাধারণত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনের পরামর্শ দিয়ে থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। কারণ এই সময়টাতে রোগীরা বেশি সংক্রমিত অবস্থার মধ্যে থাকে এবং অন্যদের আক্রান্ত করতে পারে বেশি মাত্রায়। করোনার উপসর্গ চলে যাওয়ার পর করোনামুক্ত হলেন কি-না, বুঝার জন্য দ্বিতীয় টেস্ট করান। রিপোর্ট আবারও পজিটিভ এলে আরও এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকুন। এরপরও কোয়ারেন্টিনে থাকা লাগবে কি-না, ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আইসোলেশন শেষ করার জন্য আপনার রুম স্যানিটাইজ করুন, ময়লা-আবর্জনা পুরোপুরি পুরস্কার করুন এবং রুমের আশপাশের স্থানও জীবানুনাশক ছিটান। সম্ভব হলে ব্যবহৃত জিনিসপত্র সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে পারেন।

কোভিড টিকা কেন নিবেন?আমাদের চারিদিকে নানান ধরনের জীবাণু ভরা, সেটা পরিবেশে কিংবা শরীরে। কিন্তু আমাদের শরীরের ভেতরে-বাইরে ...
11/02/2022

কোভিড টিকা কেন নিবেন?

আমাদের চারিদিকে নানান ধরনের জীবাণু ভরা, সেটা পরিবেশে কিংবা শরীরে। কিন্তু আমাদের শরীরের ভেতরে-বাইরে কিছু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে, যেটা বেশিরভাগ জীবাণুকে আটকে দেয়, রক্ষা করে ক্ষতিকর প্রভাব থেকে। যখন মানুষ কোনো অতি ক্ষতিকারক জীবাণুর সংস্পর্শে আসে বা যখন জীবাণু মানুষের প্রতিরক্ষা দেওয়াল ভেদ করে যায়, তখন রোগ হয় কিংবা মৃত্যু ঘটে। টিকা কীভাবে মানুষের শরীরে কাজ করে, তা জানার আগে বুঝা দরকার মানুষের মধ্যে থাকা সেই সুরক্ষা দেওয়াল কী এবং সেটা কীভাবে কাজ করে।

জীবাণুর বিরুদ্ধে যে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিকারক জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে সেটাকে বলা হয় ইমিউন সিস্টেম। যেটা জীবাণুকে শরীরের ভেতরে ঢুকতে দেয় না আর ঢুকে পড়লে ধ্বংস করে দিতে পারে।

শরীরের ইমিউন সিস্টেম কাজ করে যেভাবে

কোভিড টিকার কার্যকারিতা বুঝার জন্য জানা দরকার, আমাদের শরীর কীভাবে অসুস্থতার বিরুদ্ধে কাজ করে। যখন করোনাভাইরাস আমাদের শরীরে আক্রমণ করে তখন এটা কয়েকগুণ বাড়তে থাকে। এর সংক্রমণ (ইনফেকশন) আমাদের অসুস্থ করে তোলে। স্বাভাবিকভাবেই, বাইরে থেকে কোনো রোগজীবাণু মানুষের শরীরে ঢুকে গেলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ইমিউন সিস্টেম এই সংক্রমণ মোকাবেলায় বিভিন্ন রকমের মাধ্যম ব্যবহার করে। মানুষের ত্বক, এমনকি চোখের পানিও এই ইমিউন সিস্টেমের অংশ। আর রক্তে থাকে লৌহকণিকা (রেড সেল), যা টিস্যু ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অক্সিজেন প্রবাহিত করে আর রক্তের শ্বেতকণিকা (হোয়াইট সেল) সংক্রমণ প্রতিহত করে। আর বিভিন্ন ধরনের শ্বেতকণিকা বিভিন্নভাবে ভাইরাস মোকাবেলা করে।

এক ধরনের শ্বেতকণিকা জীবাণু আর মৃত ও মৃতপ্রায় সেলকে গিলে খায়, যেটাকে বলা হয় ম্যাক্রোফেইজ। ম্যাক্রোফেইজগুলো আক্রমণকারী জীবাণুকে হজম করে যে অংশ ফেলে রাখে তাকে বলা হয় অ্যান্টিজেন। আর আমাদের শরীর সেই অ্যান্টিজেনকে চিহ্নিত করে এবং ভাইরাসকে আক্রমণের জন্য অ্যান্টিবডিকে চালিত করে দেয়।

ইমিউন সিস্টেমের হয়ে প্রতিরোধকারী কোষ লিমফোসাইট (টি-সেল) শরীরে প্রবেশ করা অচেনা বস্তুকে দমন করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সংক্রামক কোষের অ্যান্টিজেনের সাথে সংযুক্ত হওয়ার চেষ্টা করে টি-সেল। সংক্রামক কোষে সফলভাবে সেঁটে যেতে পারলে টি-সেল থেকে এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসৃত হয়, যা সেই জীবাণুকে ধ্বংস করে।

আমাদের শরীরে যখন কোনো জীবাণুর মুখোমুখি হয়, তখন এর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে তার ইমিউন সিস্টেমের অস্ত্র ব্যবহার করে। আর সংক্রমিত হয়ে গেলে এই সিস্টেম মনে রেখে দেয়, এই রোগে বিরুদ্ধে কীভাবে প্রতিরোধ গড়তে হবে।

কোভিড টিকা কাজ করে যেভাবে

ভাইরাসের সংক্রমণটাকে অনুকরণের মাধ্যমে তৈরি করা হয় কোভিড টিকা। পরবর্তীতে সেটা শরীরে প্রবেশ করানো মাধ্যমে ওই অনুকরণীয় সংক্রমণ ইমিউনিটিকে উন্নত করতে সহায়তা করে। এই সংক্রমণ অসুস্থ করে তোলে না, বরং এটা ইমিউন সিস্টেমকে টি-সেল ও অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে। কোনো কোনো সময় এই সংক্রমণ অনুকরণের (ইমিটেশন ইনফেকশন) প্রক্রিয়ার কারণে টিকা নেওয়ার পর জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এই ধরনের উপসর্গ দেখা দেওয়া একেবারেই স্বাভাবিক, কারণ ওই সময়টাকে শরীর ভাইরাসের মোকাবেলায় দ্রুততার সাথে অ্যান্টিবডি তৈরির কাজ করে।

শারীরিক প্রক্রিয়ায় এই ইমিটেশন ইনফেকশন যখন চলে যায়, তখনও এর স্মৃতি বা টি-সেল এবং বি-সেল থেকে যায়। এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে ওই রোগের মোকাবেলা করে। সাধারণত এই টি-সেল ও বি-সেল তৈরিতে টিকা প্রয়োগের পর কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। ফলে টিকা নেওয়া পরেও মানুষের মধ্যে ভাইরাসের উপসর্গ দেখা যেতে পারে, কারণ সুরক্ষা বলয় তৈরিতে টিকা তেমন সময় পায়নি।

কোভিড টিকার ধরণ

টিকা আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে থাকেন। ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণকে টিকা কীভাবে মোকাবিলা করতে পারে, তার তথ্যের উপর ভিত্তি করে এই দৃষ্টিভঙ্গি ঠিক করা হয়। প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ভাইরাস কীভাবে সেলকে সংক্রমণ করে এবং ইমিউন সিস্টেম এটার প্রতি কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়। পাশাপাশি অঞ্চলভেদে ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া, টিকার মানুষের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা এবং ভাইরাসের বিভিন্ন ধরণকে মাথায় রাখেন তারা।

এমআরএনএ টিকা

এমআরএনএ টিকা তৈরি করা হয় কোভিড-১৯ আক্রান্তকারী ভাইরাস থেকে নেওয়া উপাদান থেকে, যা আমাদের সেলকে নির্দেশনা দেয় ভাইরাস প্রতিরোধী প্রোটিন তৈরির। তখন আমাদের শরীর চিহ্নিত করতে পারে, এই প্রোটিন এভাবে থাকার কথা নয় এবং শরীর নিজেই টি-সেল ও বি-সেল তৈরি করে। আর এই টি-সেল ও বি-সেল মনে রাখে কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে কীভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। এবং শারীরিক প্রক্রিয়ায় পরবর্তীতে ভাইরাসকে প্রতিহত করে।

প্রোটিন সাবইউনিট টিকা

এই টিকা তৈরির ক্ষেত্রে পুরো ভাইরাসকে না নিয়ে ভাইরাসে থাকা প্রোটিনের ক্ষতিকর নয় এমন অংশকে নেওয়া হয়। টিকা শরীরে প্রয়োগের পরে আগের মতোই আমাদের শরীর চিহ্নিত করতে পারে, এই প্রোটিনতো এভাবে থাকার কথা নয় এবং শরীর নিজেই টি-সেল ও বি-সেল তৈরি করে। আর এই টি-সেল ও বি-সেল মনে রাখে কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে কীভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। এবং শারীরিক প্রক্রিয়ায় পরবর্তীতে ভাইরাসকে প্রতিহত করে।

ভেক্টর টিকা

ভেক্টর টিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের অংশ নেওয়ার পরিবর্তে অন্যান্য ভাইরাসের মোডিফাইড ভার্সন নেওয়া হয়। আর এই মোডিফাইড ভাইরাসের মধ্যে কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসের উপাদানও থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে বলা হয় ভাইরাল ভেক্টর। যখন ভাইরাল ভেক্টর আমাদের শরীরে প্রবেশ করানো হয়, তখন তার জেনেটিক উপাদান আমাদের প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা দেয়, যেই প্রোটিন কোভিডের সাথে সম্পর্কিত। আর নতুনভাবে তৈরি হওয়া প্রোটিনের নির্দেশনা পেয়ে আমাদের শরীর আরও প্রোটিন তৈরি করতে থাকে, যা পরবর্তীতে টি-সেল ও বি-সেল তৈরির মাধ্যমে কোভিড সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়

করোনা প্রতিরোধে যেসব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন:-করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অনেকট...
09/02/2022

করোনা প্রতিরোধে যেসব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন:-

করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অনেকটাই বদলে গেছে। প্রাণঘাতী ভাইরাসটির সংক্রমণ এড়াতে আমাদের এমন অনেক অভ্যাসই পরিহার করতে হচ্ছে, যেগুলো একসময় আমাদের স্বাভাবিক জীবনেরই অংশ ছিল। গবেষক ও চিকিৎসকরা বলেছেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিন্তু এই ‘স্বাস্থ্যবিধি’ বিষয়টা আসলে কী?

নিজেকে সুস্থ রাখতে যেসব নিয়ম কানুন অনুসরণ করতে হয় সেগুলোই স্বাস্থ্যবিধি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি বলা হয় সেসব নিয়মাবলি ও অনুশীলনকে যেগুলো সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।’

অনেকে স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে এক বলে মনে করেন। কিন্তু দুটোর মধ্যে পার্থক্য আছে। স্বাস্থ্যবিধি একটি ব্যাপক ও বিস্তৃত বিষয়। গোসল করা, হাত ধোয়া, নখ কাটা এগুলো পরিচ্ছন্নতার অংশ। তবে স্বাস্থ্যবিধিতে পরিস্থিতি বুঝে আরও বেশকিছু আরোপিত বিষয় থাকে। আমরা এই লেখায় আলোচনা করবো- করোনাভাইরাস মোকাবিলার স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে। বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যবিধির কথা নিচে উল্লেখ করা হল-

ভাইরাসের সংক্রমণ হার যেমনই হোক, ঘরের বাইরে সবসময় মাস্ক পরে থাকুন। চিকিৎসক ও গবেষকরা বলেছেন, ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও আপনাকে মাস্ক পরতে হবে। তাছাড়া মাস্ক পরলে করোনাভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য ধুলাবালি ও বিষাক্ত বস্তু নিঃশ্বাসের সঙ্গে আপনার ফুসফুসে যেতে পারবে না।

কিছুক্ষণ পর পর হাত ধুয়ে নিন। হাত ধোয়ার সুযোগ না থাকলে নিজের কাছে স্যানিটাইজার রাখুন। একটু পর স্যানিটাইজারের কয়েক ফোঁটা নিয়ে হাতে ঘষে নিন। হাতে ভাইরাস থাকলেও তখন তা ধ্বংস হয়ে যাবে।

হাঁচি কিংবা কাশি দেওয়ার সময় টিস্যু, রুমাল বা হাত দিয়ে মুখ ঢেকে নিন। কারণ আপনি যদি ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে থাকেন, তাহলে এই হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে, যা অন্যদের আক্রান্ত করতে পারে।

যেখানেই যার সঙ্গে কথা বলবেন অন্তত ৩ ফুট বা ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখবেন। এটাকে বলা হয় ‘সামাজিক দূরত্ব’। এই দূরত্ব রাখার কারণ হলো অন্যকারও হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের সঙ্গে আসা ভাইরাসের জীবাণু যেনো আপনার নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ না করে।

চোখে, মুখে বারবার হাত দেওয়া আমাদের স্বাভাবিক একটি অভ্যাস। তবে করোনাকালে এসে এই অভ্যাস বদলাতে হবে। হাত দিয়ে আমরা অনেককিছুই স্পর্শ করি। সেগুলোতে যদি ভাইরাসের কণা আটকে থাকে এবং তা যদি আমাদের হাতের মাধ্যমে মুখ, নাক কিংবা চোখের মধ্য দিয়ে দেহে প্রবেশ করে তবে আমরা আক্রান্ত হয়ে যাবো। ফলে এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন থাকতে হবে।

যেখানে সেখানে স্পর্শ করা যাবে না। আমরা এমন অনেক কিছুই স্পর্শ করি যা অন্যরাও স্পর্শ করেন। যেমন- টাকাপয়সা, সুইচ, লিফটের বোতাম, বাসের হাতল বা সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি। এসব বস্তুতে ভাইরাসের জীবাণু থাকতে পারে। ফলে এমন কিছু স্পর্শ করলেও হাত ধুয়ে নিতে হবে বা স্যানিটাইজ করে নিতে হবে।

বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর জামাকাপড় বদলে ফেলতে হবে। কারণ জামা-কাপড়ের মাধ্যমেও আমরা ভাইরাস বহন করে ঘরে নিয়ে আসতে পারি, যা নিজেকে বা পরিবারের অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে।

ওমিক্রন নিয়ে সরকারের ১৫ নির্দেশনা

এদিকে, করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়েও বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও ভাইরাসটি প্রতিরোধে ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হল-

> সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথো এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সময় সময় ঘোষিত অন্যান্য আক্রান্ত দেশ থেকে আগত যাত্রীদের বন্দরসমূহে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে।

> সব ধরনের (সামাজিক/ রাজনৈতিক/ ধর্মীয়/ অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে।

> প্রয়োজনে বাইরে গেলে সবাইকে বাড়ির বাইরে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পড়াসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

> রেস্তোরাঁতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারন ক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে।

> সকল প্রকার জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/ থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম সংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে।

> মসজিদসহ সকল উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

> গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

> আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে।

> সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (সকল মাদ্রাসা, প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে।

> সকল স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে সেবা গ্রহীতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্য কর্মীদের সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

> স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

> করোনা উপসর্গ/ লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজিটিভ রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

> কোভিড-১৯ এর লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তার নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা করা যেতে পারে।

> অফিসে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সময়ে বাধ্যতামূলকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

> কোভিড-১৯ রোগ নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাস করার নিমিত্তে কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পড়াসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচারণা চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ/ মন্দির/ গির্জা/ প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

কোভিড-১৯ টিকা কখন নেওয়া যাবে না করোনাভাইরাস মহামারি মানুষের নিত্যকার জীবনকে বদলে দিয়েছে। গত দুই বছর যাবত নানা সময়েই ভাইর...
07/02/2022

কোভিড-১৯ টিকা কখন নেওয়া যাবে না

করোনাভাইরাস মহামারি মানুষের নিত্যকার জীবনকে বদলে দিয়েছে। গত দুই বছর যাবত নানা সময়েই ভাইরাসটির সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ঘরবন্দি থাকতে হয়েছে আমাদের। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, দীর্ঘসময় এই ভাইরাসটির সঙ্গে লড়াই করে যেতে হবে আমাদের। তবে টিকা নিলে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে তেমন ঝুঁকি আর থাকবে না। ফলে বাংলাদেশেও ব্যাপক হারে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। কয়েক কোটি মানুষ ইতোমধ্যেই টিকা নিয়ে ফেলেছেন, আরও অনেকেই আছেন টিকার অপেক্ষায়।

তবে চিকিৎসকরা বলেছেন, কোভিড-১৯ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে টিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি হলেও, শরীরের সব পরিস্থিতিতে টিকা নেওয়া যাবে না। যেসব পরিস্থিতিতে টিকা নেওয়া যাবে না তা নিয়েই আমাদের এ লেখা।

ইউনিসেফ তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী টিকা নেওয়া যাবে কিনা তা নিশ্চিত হতে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। তবে দুই ধরনের শারীরিক পরিস্থিতিতে টিকা নেওয়া উচিত নয়।

> কোভিড-১৯ টিকায় যে উপাদানগুলো রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে আপনার শরীরে যদি অ্যালার্জিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ইতিহাস থাকে, তবে ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত হবে না।

> যদি আপনি বর্তমানে অসুস্থ থাকেন বা আপনার মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়।

তবে গবেষকরা এটিও বলেছেন আক্রান্ত কারও করোনা নেগেটিভ হওয়ার চার সপ্তাহ বা এক মাস পর কোনো ধরনের তীব্র করোনা–পরবর্তী জটিলতা না থাকলে টিকা নিতে পারবেন।

অন্যদিকে চিকিৎসকরা বলেছেন, ডায়াবেটিস থাকলে টিকা নিতে কোনো নিষেধ নেই। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে এরপর টিকা দিতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদী ও জটিল রোগগুলোর ক্ষেত্রে অসুস্থ রোগীরা টিকা নিতে পারবেন কিনা এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার কাছে।

তিনি বলেছেন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ এসব যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তবে চিকিৎসকের পরামর্শে টিকা নেওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেছেন, যাদের অ্যালার্জির সমস্যা প্রকট তাদের টিকা না নেওয়াই ভালো। এ ছাড়া যাদের হাঁপানি বা ফুসফুসজনিত অসুখ রয়েছে তাদেরও নেওয়া ঠিক হবে না।

গবেষকরা বলেছেন, অনেক দেশেই সন্তানকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, সিনোফার্মসহ সব ধরনের টিকাই দেওয়া হচ্ছে। এতে কারও কোনো সমস্যা বা ক্ষতি হওয়ার লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং মায়ের কাছ থেকে বুকের দুধের মাধ্যমে অ্যান্টিবডি শিশুর শরীরে প্রবেশ করে শিশুকেও সুরক্ষা দেবে।

সুতরাং আমরা জেনে নিলাম স্বাভাবিক শারীরিক সুস্থতার বাইরেও কোন কোন ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ টিকা দিতে হবে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়া যাবে না। তবে চিকিৎসকরা সবসময়ই বলে এসেছেন, ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে টিকার কোনো বিকল্প নেই।

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। এই স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি কি সুখে থাকবেন? পারবেন না। কারণ আপনার শরীর যদি ভালো ন...
06/12/2021

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। এই স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি কি সুখে থাকবেন? পারবেন না। কারণ আপনার শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কিছুতেই ভালো থাকা যায় না। তাই সবার আগে চাই সুস্থ শরীর। আর শরীর সবসময় সুস্থ রাখার জন্য আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয় যা স্বাস্থ্য রক্ষায় খুব প্রয়োজনীয়। কিছু সহজ টিপস যা মেনে চললে আপনি সর্বদাই ভালো থাকবেন। জেনে নিন নিয়মগুলো।

১। যখন আপনি খেতে বসবেন কখনোই একবারে বেশি খাবেন না। অল্প করে খান, তবে একটু পর পর। প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করুন।

২। অফিসে সবসময় বাসা থেকে লাঞ্চ নিয়ে যান। তাহলে বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বেঁচে যাবেন।


৩। কাজের মঝে অবশ্যই টি ব্রেক নিন। কারণ একটানা কাজ করতে গেলে কিছুটা হলেও শরীরে চাপ পড়ে।

৪। যে কোন জায়গায় লিফট ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। চেষ্টা করুন সিঁড়ি বেয়ে উঠতে।

৫। সবসময় রান্না করার সময় খাবারে লবণের ব্যবহার কম করুন।

৬। প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাইমে ঘুমাতে যান এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠুন।

৭। সলিড ফ্যাট খাবার, যেমন- ফাস্টফুড, ঘি, মাখন, চিজ ইত্যাদি খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।

৮। প্রতিদিন খাবারের মেনুতে সবজি ও মাছ রাখুন। এবং ফল খেতে ভুলবেন না।

৯। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। বাইরে সম্ভব না হলে বাসাতেই ১৫ থকে ২০ মিনিট নিজে নিজে ব্যায়াম করুন। তাহলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।

১০। নিয়মিত নিজের ওজন, ব্লাড প্রেশার, শরীরে গ্লুকোজ এর পরিমাণ চেক করুন। মাসে অন্তত একবার রেগুলার চেকআপ এর জন্য ডাক্তার এর কাছে যান।

সূত্র – ওয়েবসাইট

আলহামদুলিল্লাহ্!আজ নুহা মেডিকেয়ার এ চেম্বার করবেন Dr. Rabeya Islam.শিশু, গাইনি, মেডিসিন ও সার্জারি সহ সব ধরনের রোগী দেখা...
19/11/2021

আলহামদুলিল্লাহ্!
আজ নুহা মেডিকেয়ার এ চেম্বার করবেন Dr. Rabeya Islam.

শিশু, গাইনি, মেডিসিন ও সার্জারি সহ সব ধরনের রোগী দেখা হয়।

রোগী দেখার সময়: বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

চেম্বার:
নুহা মেডিকেয়ার
পুবাইল বাস স্ট্যান্ড
০১৭৮৩৫০৫৬৬০

হঠাৎ মাথা ঘুরে উঠলেহঠাৎ মাথা ঘোরার কারণে কেউ পড়ে যেতে পারে, দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। একে অবহেলা করা যাবে না। অনেক কারণেই মাথ...
14/11/2021

হঠাৎ মাথা ঘুরে উঠলে

হঠাৎ মাথা ঘোরার কারণে কেউ পড়ে যেতে পারে, দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। একে অবহেলা করা যাবে না। অনেক কারণেই মাথা ঘুরতে পারে। তবে কানের ভেতর ভেস্টিবুলোককলিয়ার নামক স্নায়ুতে সমস্যার কারণে বেশি মাথা ঘোরে।

অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অন্তঃকর্ণের রক্তনালির অস্বাভাবিকতা, অন্তঃকর্ণের প্রদাহ, মেনিয়ারস রোগ, অস্বাভাবিক দৃষ্টিগত সমস্যা, অনেক উঁচুতে উঠে নিচের দিকে তাকালে এবং চলন্ত ট্রেন বা গাড়ি থেকে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকালে মাথা ঘোরে। এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, মাথার পেছন দিকে ও ঘাড়ের রক্তনালিতে বাধা বা রক্ত সরবরাহে ত্রুটি, মস্তিষ্কের নিচের দিকে টিউমার, মাল্টিপল স্লেরসিস রোগ, ভাইরাসজনিত ভেস্টিবুলার নিউরাইটিস, মধ্যবয়সীদের মিনিয়ার্স রোগ, আঘাতের কারণে পেট্রাস হাড়ের ক্ষতি ইত্যাদি কারণেও মাথা ঘুরতে পারে। রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলেও মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলেও মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়। মাথা ঘোরার পাশাপাশি কানের ভেতর শোঁ শোঁ বা দপ দপ শব্দ হতে পারে। কখনো কখনো মাথার বা ঘাড়ের অবস্থান পরিবর্তন করলে সমস্যা বাড়ে-কমে।

যা করবেন :-

আচমকা মাথা ঘুরে উঠলে একটা অবলম্বন আঁকড়ে ধরে বসে পড়া ভালো। যাদের ‘বিনাইন পজিশনাল ভার্টিগো’ সমস্যা আছে, হঠাৎ ঘাড় বা মাথার অবস্থান পরিবর্তন করলে তাদের মাথা ঘোরা শুরু হয়। এ জন্য রাতে পাশ ফিরে না শুয়ে চিত হয়ে একটু উঁচু বালিশে মাথা দিয়ে শোবেন। হঠাৎ করে মাথা বা ঘাড় উঁচুতে টান টান করবেন না, মাথা ঝাঁকাবেন না।

যে কাজ করার সময় মাথা ঘুরে উঠেছে, তা করা থেকে বিরত থাকুন। চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। চোখ বন্ধ করুন। সহজভাবে শ্বাস–প্রশ্বাস নিন। সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকুন। গাড়ি চালাতে থাকলে পা ব্রেকের ওপর রাখুন এবং থেমে পড়ুন। শুয়ে পড়ুন পাশের আসনে। যেকোনো কাজ করবেন পরিকল্পনামাফিক এবং সাধ্যের মধ্যে। অতিরিক্ত চাপ নেবেন না।

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকবেন না। কাজের চাপে খাবার না খেলে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে দ্রুত কিছু খেয়ে নিন। এ সময় বেশি বেশি তরল পান করুন। কিছু কিছু ওষুধ মাথা ঘোরার উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। কোনো ওষুধ গ্রহণে এমন সমস্যা হলে চিকিৎসককে জানান।

অবহেলা নয়;

মাঝেমধ্যে মাথা ঝিমঝিম করলে বা ঘুরলে অবহেলা করবেন না। কীভাবে মাথা ঘোরা শুরু হয়, হঠাৎ করেই শুরু হয় কি না, কতক্ষণ থাকে, মাঝেমধ্যেই হয় কি না, কানের উপসর্গ আছে কি না, অচেতন হয়ে পড়েন কি না, এসব ঠিকমতো চিকিৎসককে জানাতে পারলে সঠিক রোগ নির্ণয় সম্ভব।

Address

Pubail Bus Stand
Gazipur
1721

Opening Hours

Monday 08:30 - 22:30
Tuesday 08:30 - 10:30
Wednesday 08:30 - 22:30
Thursday 08:30 - 22:30
Friday 08:30 - 22:30
Saturday 08:30 - 22:30
Sunday 08:30 - 22:30

Telephone

+8801874962627

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nuha Medicare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nuha Medicare:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram