A B health care

A B health care সুস্থ -সুন্দর জীবনের লক্ষ্যে আমাদের প্রচেষ্টা।
যে কোন পরামর্শ এবং তথ্য পাবেন।

02/05/2026

#বিস্তারিত #আলোচনা :
আপনি কি অল্প কাজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন?
অকারণে শরীর দুর্বল লাগে, শক্তি পান না?
মনে রাখবেন, এটা শুধু সাধারণ ক্লান্তি নয়—
এটা হতে পারে শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত।
সম্ভাব্য কারণগুলো কি?
১। রক্তস্বল্পতা (Anemia):
– শরীরে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়।
– ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা আসে।
২।ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি:
– বিশেষ করে Vitamin B12, Vitamin D, Iron.
– এতে শরীরের শক্তি উৎপাদন কমে যায়।
৩। অনিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপ:
– কম ঘুম বা দুশ্চিন্তা শরীরকে দুর্বল করে দেয়।
৪। অপুষ্টিকর খাবার:
– নিয়মিত সুষম খাবার না খেলে শরীরে শক্তির অভাব হয়।
৫।লুকানো শারীরিক সমস্যা:
– থাইরয়েড সমস্যা।
– ডায়াবেটিস।
– লিভার বা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ সমস্যা।
৬।যে লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না
• সবসময় ক্লান্ত লাগে
• মাথা ঘোরা বা ভার লাগা
• কাজ করতে ইচ্ছা না হওয়া
• শ্বাস নিতে কষ্ট (কখনো কখনো)
• ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
• ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া
★ সমাধান ও করণীয়:
১. পুষ্টিকর খাবার খান:
– ডিম, মাছ, মাংস
– শাকসবজি (পালং, লাল শাক)
– ফলমূল (ডালিম, কলা, আপেল)
– ডাল, বাদাম
২. ভিটামিন ঘাটতি পূরণ করুন:
– প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নিন
৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন:
– প্রতিদিন ৭–৮ গ্লাস পানি
৪. নিয়মিত ঘুম নিশ্চিত করুন:
– প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি
৫. হালকা ব্যায়াম করুন:
– প্রতিদিন ১৫–২০ মিনিট হাঁটুন
৬. প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করুন:
– রক্ত পরীক্ষা (CBC)
– ব্লাড সুগার
– থাইরয়েড টেস্ট
★ কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
• সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে (৭–১০ দিনের বেশি)
• অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অজ্ঞান ভাব হলে
• দ্রুত ওজন কমে গেলে
• বারবার জ্বর/অসুস্থতা হলে
★ শেষ কথা:
👉 নিজের শরীরের ছোট ছোট সংকেতগুলো অবহেলা করবেন না।

01/05/2026

✰ মানব দেহের রহস্য ➤ সিরিজ ➤ [08]
#হাঁচি – #এক #সেকেন্ডের বিস্ময়!

◑➤ হাঁচি কীঃ
➤হাঁচি (Sneeze) হলো শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া, যার মাধ্যমে নাকের ভেতরের বিরক্তিকর বা অবাঞ্ছিত কণাগুলো (ধূলা, জীবাণু, এলার্জেন ইত্যাদি) বের করে দেওয়া হয়। এটি মূলত আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি অংশ।

➤ হাঁচি কীভাবে কাজ করেঃ
⇨হাঁচি তখনই হয়, যখন:
⇨নাকের শ্লেষ্মা ঝিল্লিতে কোনো বিরক্তিকর কণা ঢোকে (যেমন: ধূলাবালি, ঠান্ডা হাওয়া, পারফিউম ইত্যাদি)।
⇨তখন ত্রিজমিনাল নার্ভ মস্তিষ্ককে সংকেত পাঠায়।
⇨এরপর হঠাৎ বুকের পেশি, গলা, নাক একসাথে ⇨বিস্ফোরণের মতো বাতাস বের করে দেয়।
⇨যার গতি হয় প্রায় ১৬০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত!

➤ হাঁচির সময় চোখ বন্ধ হয় কেন?
⇨এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রিফ্লেক্স।
⇨হাঁচির সময় শরীরের পেশিতে প্রচণ্ড চাপ পড়ে।
⇨চোখ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায় যেন চোখের কোন ক্ষতি না হয়।
⇨(কিছু চিকিৎসা বিজ্ঞানী বলেন, ইচ্ছা করলেও অনেকে চোখ খোলা রাখতে পারে, তবে এটা অস্বস্তিকর ও বিপজ্জনক হতে পারে)।

➤হাঁচি চেপে রাখলে কি ক্ষতি হয়?
⇨হাঁচি জোর করে চেপে রাখলে হতে পারে:
⇨নাক বা কান ফেটে যাওয়া।
⇨মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (খুব বিরল কিন্তু বিপজ্জনক)।
শরীরে হঠাৎ চাপ বাড়া যা হার্ট বা লাংসেও সমস্যা করতে পারে।
⇨তাই হাঁচি আটকে না রেখে মুখ ও নাক কাপড় বা টিস্যু দিয়ে ঢেকে হাঁচা উচিত।

➤একাধিক বার হাঁচি হওয়া কি সমস্যা:
⇨যদি দিনে অনেকবার হাঁচি হয় এবং নাক দিয়ে পানি পড়ে, তাহলে অ্যালার্জি, ঠান্ডা, বা নাকের পলিপ থাকতে পারে
এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

➤হাঁচির কিছু মজার তথ্য:
⇨বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে হাঁচি করেছেন Donna Griffiths (UK) – ৯৭৮ দিন!।
⇨এক হাঁচির মাধ্যমে প্রায় ১০০,০০০ জীবাণু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
⇨হাঁচির শব্দ মানুষের গলার গঠন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।

📖 কোরআনে:
হাঁচি বিষয়ে সরাসরি কোরআনে কিছু বলা হয়নি, তবে শরীরের প্রতিক্রিয়া ও রোগ-বালাই থেকে বাঁচার জন্য পরিচ্ছন্নতা ও শিষ্টাচার কোরআনে বহুবার আলোচনা করা হয়েছে।
◑➤ রাসূল (ﷺ) বলেছেন:
➤যখন তোমাদের কেউ হাঁচে, সে যেন বলে: আলহামদু লিল্লাহ (সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য)।
আর তার আশেপাশে কেউ থাকলে সে যেন বলে: ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ তোমার প্রতি দয়া করুন)।
তখন হাঁচি দেওয়া ব্যক্তি যেন বলে: ইয়াহদিকুমুল্লাহ ওয়া ইউসলিহু বালাকুম (আল্লাহ তোমাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করুন এবং তোমাদের অবস্থার উন্নতি করুন)।”
📚 – (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬২২৪)

➤“আল্লাহ হাঁচিকে পছন্দ করেন, আর জম্বা (উপসর্গহীন থুথু বা হাই তোলা) পছন্দ করেন না।”
📚 – (সহিহ বুখারি)

➤ইসলাম কী শিক্ষা দেয়?
⇨ হাঁচি দিলে আলহামদু লিল্লাহ বলা সুন্নাত।
⇨ আশেপাশে কেউ হাঁচলে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা উত্তম।
⇨মুখ ঢেকে হাঁচা দেওয়া শালীনতা ও পরিচ্ছন্নতার চিহ্ন।
⇨হাঁচিকে কখনো ঘৃণা বা অশুভ মনে করা অনুচিত।

➤হাঁচি ছোট একটা কাজ হলেও এটা আমাদের শরীরের এক বিস্ময়কর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
আর ইসলাম এতে শিষ্টাচার ও সৌজন্যতার দিক তুলে ধরে, যা মানবিক সম্পর্ককেও সুদৃঢ় করে তোলে।

29/04/2026

Health Tips -সিরিজ #47
#ইন্টেস্টাইনাল #অবস্ট্রাকশন (Intestinal Obstruction): পূর্ণাঙ্গ আলোচনা:]
★ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন কী:
ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন হলো ছোট বা বড় অন্ত্রে (small or large intestine) কোন কারণে বাধা সৃষ্টি হওয়া, যার ফলে খাবার, তরল পদার্থ, গ্যাস বা বর্জ্য পদার্থ স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হতে পারে না।

★বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা:
অন্ত্রের মধ্যে যদি শারীরিক বা কার্যকরী কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়, তবে তা অন্ত্রের চলাচলকে ব্যাহত করে। এর ফলে অন্ত্রে গ্যাস ও তরল জমে গিয়ে অন্ত্র ফেঁপে যায় (intestinal distension), রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, ও টিস্যু মারা যেতে পারে।

★চিকিৎসাবিদ্যায় ব্যাখ্যা:

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে "bowel obstruction" বলা হয়, যা দুটি ভাগে ভাগ করা হয়:

>>Mechanical Obstruction – শারীরিক কোনো বাধা যেমন টিউমার, হERNIA, অ্যাডহিশন ইত্যাদি।
>> Functional Obstruction (Ileus) – যেখানে অন্ত্রে কোনো বাধা না থাকলেও স্নায়ু বা পেশির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায় (প্যারালাইটিক)।

★ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশনের প্রকারভেদ
>>আংশিক (Partial)।
>>সম্পূর্ণ (Complete)।
>>Small Bowel Obstruction (SBO)।
>> Large Bowel Obstruction (LBO)।
>>Mechanical vs. Functional Obstruction।

★কারণসমূহ:

★Mechanical causes:
>>অ্যাডহিশন (সার্জারির পর পরত জমা)।
>>হার্নিয়া।
>>টিউমার।
>>ভলভুলাস (আন্ত্রিক পাক খাওয়া)।
>>ইনটুসাসসেপশন (অন্ত্রের এক অংশ আরেক অংশে ঢুকে যাওয়া)।

★Functional causes (Ileus):
>>ইনফেকশন।
>>ইলেক্ট্রোলাইট ইম্ব্যালেন্স।
>>ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
>>পেরিটোনাইটিস।

★লক্ষণসমূহ:
>>পেট ফুলে যাওয়া।
>>বমি বমি ভাব বা বমি।
>>মল বা গ্যাস না হওয়া।
>>পেটে মারাত্মক ব্যথা।
>>পেটের শব্দ বন্ধ হয়ে যাওয়া।
>>ডিহাইড্রেশন, দুর্বলতা।

★করনীয়:
>>দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
>>পেটের এক্স-রে, আলট্রাসনো অথবা সিটি স্ক্যান করা।
>>ফ্লুইড এবং ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক করা।
>>প্রয়োজনে নাকে টিউব (NG Tube) দিয়ে পেটের চাপ কমানো।

★প্রতিকার:
>>দ্রুত চিকিৎসা ও সঠিক রোগ নির্ণয়।
>>প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু।

★প্রতিরোধ:
>>যেসব কারণে বাধা হয় তা এড়ানো (যেমন অপারেশন পর পর অ্যাডহিশন প্রতিরোধে সতর্কতা)।
>>হার্নিয়া থাকলে দ্রুত সার্জারি।
>>ক্যান্সারের স্ক্রিনিং।

★প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ :
>>IV fluids: শরীরে পানিশূন্যতা দূর করতে।
>>Electrolyte correction: স্যালাইন ও পটাশিয়াম।
>>Antiemetic drugs: যেমন Ondansetron (বমি রোধে)।
>>Antibiotics: যদি ইনফেকশনের সম্ভাবনা থাকে।
>>Painkillers (যথোপযুক্ত ব্যবস্থাপনায়)।

★চিকিৎসা ও পরামর্শ:
>>আংশিক অবস্ট্রাকশনে: ওষুধ ও ডায়েট নিয়ন্ত্রণে ভালো ফল পাওয়া যায়।
>>সম্পূর্ণ অবস্ট্রাকশন বা ঝুঁকিপূর্ণ কেসে: সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।
>>সবসময় চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা উচিত নয়।
>>পুরোনো রোগ থাকলে তা যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।

★শেষ কথা:
ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন একটি গুরুতর অবস্থা। দ্রুত সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। পেটের অস্বাভাবিক ব্যথা বা বমির সঙ্গে মল বন্ধ থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে যান।

20/04/2026
19/04/2026

#সম্মান #মা_বাবা #ইসলামিক_বার্তা #মানবতা

Health Tips--সিরিজ  # 01 #পানি  #পান  #করার  #উপকারীতা ও  #সঠিক  #নিয়ম:★পানি: জীবনের অপর নামএকটি বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসাবিদ্য...
17/04/2026

Health Tips--সিরিজ # 01
#পানি #পান #করার #উপকারীতা ও #সঠিক #নিয়ম:

★পানি:
জীবনের অপর নাম
একটি বৈজ্ঞানিক, চিকিৎসাবিদ্যা ও ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা

★পানি কি:
পানি (Water) হলো একটি স্বচ্ছ, বর্ণহীন, স্বাদহীন এবং গন্ধহীন তরল পদার্থ, যা জীবনের জন্য অপরিহার্য। এটি পৃথিবীর ৭০% অংশ জুড়ে রয়েছে এবং সকল জীবিত কোষের অন্তর্গত একটি মৌলিক উপাদান।

★বৈজ্ঞানিকভাবে পানি:
বৈজ্ঞানিকভাবে পানি একটি যৌগিক পদার্থ যার রাসায়নিক নাম H₂O। অর্থাৎ, এক অণু পানিতে দুটি হাইড্রোজেন (H) ও একটি অক্সিজেন (O) পরমাণু থাকে।

★চিকিৎসাবিদ্যার ভাষায় পানি:
চিকিৎসাবিদ্যায় পানি মানবদেহের জন্য প্রধান তরল উপাদান। আমাদের শরীরের প্রায় ৬০-৭০% অংশ পানি দিয়ে গঠিত। এটি শরীরের কোষ, রক্ত, মস্তিষ্ক ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং টক্সিন নিষ্কাশনে সহায়তা করে।

★বিশুদ্ধ পানিতে সাধারণত নিম্নোক্ত উপাদান থাকে:
>>H₂O (মূল উপাদান)।
>>খনিজ উপাদান: ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম।
>>দ্রবীভূত অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড।

★★পানির উপকারী ও ক্ষতিকর উপাদান:

★উপকারী উপাদান:
>>মিনারেল (ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম)।
>>ট্রেস এলিমেন্ট (সেলেনিয়াম, জিঙ্ক)।
>>দ্রবীভূত অক্সিজেন

★ক্ষতিকর উপাদান বা সম্ভাব্য দূষণ:
>>আর্সেনিক, আয়রন, ফ্লোরাইডের অতিরিক্ত পরিমাণ।
>>ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস (বিশেষ করে কলেরা, টাইফয়েড)।
>>শিল্পবর্জ্য বা কীটনাশকের রাসায়নিক পদার্থ।

★পানিকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় যখন:
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, ১ লিটার পানিতে নিম্নোক্ত উপাদানগুলোর সর্বোচ্চ মান (Maximum Contaminant Levels) হওয়া উচিত:

আর্সেনিক: < ০.০১ মি.গ্রা./লিটার
নাইট্রেট: < ৫০ মি.গ্রা./লিটার
ফ্লোরাইড: < ১.৫ মি.গ্রা./লিটার
ব্যাকটেরিয়া: প্রতি ১০০ মি.লি.-তে ০
pH: ৬.৫ - ৮.৫ এর মধ্য
TDS 50-300

★পানি পানের উপকারিতা:
>>দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
>>হজমে সহায়তা করে।
>>বিষাক্ত উপাদান বের করে দেয়।
>>ত্বককে সতেজ রাখে।
>>মাথাব্যথা ও ক্লান্তি কমায়
>>কিডনির কার্যক্রম ঠিক রাখে।

★পানি পানের সঠিক নিয়ম:
>>খালি পেটে সকালে ১-২ গ্লাস হালকা গরম পানি।
>>খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানি পান।
>>খাওয়ার ঠিক পরে নয়, অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা।
>>খুব দ্রুত পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে পান করা।
>>ঘাম বা ডায়রিয়ায় অতিরিক্ত পানি গ্রহণ।

★ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে পানির গুরুত্ব:
কোরআন ও হাদীসে পানিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র উপাদান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

★কোরআনের বাণী:
"আমি প্রতিটি জীবন্ত বস্তুকে পানি থেকে সৃষ্টি করেছি" – (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৩০)

★হাদীস:
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন –
“পানির মধ্যে কোনো অপচয় নেই, যদিও তুমি প্রবাহমান নদীর পাশেই থাকো।” – (ইবনে মাজাহ)

★উপসংহার:
পানি শুধু পিপাসা মেটায় না, বরং এটি জীবনের প্রতিটি কোষের জন্য প্রয়োজনীয়। স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বিজ্ঞান ও ধর্ম—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে পানি রয়েছে। তাই বিশুদ্ধ পানি পান করুন, নিয়ম মেনে পান করুন এবং সুস্থ থাকুন।

13/04/2026

পুইশাক (Malabar Spinach) সম্পর্কে জানুন :
বৈজ্ঞানিক নাম:
Basella alba
পুইশাকে যে সব পুষ্টি উপাদান থাকে:
✔️ ভিটামিন A
✔️ ভিটামিন C
✔️ আয়রন (Iron)
✔️ ক্যালসিয়াম
✔️ ম্যাগনেসিয়াম
✔️ পটাশিয়াম
✔️ ফাইবার (আঁশ)
✔️ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
পুইশাকের উপকারিতা:
১। রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে – আয়রন সমৃদ্ধ হওয়ায় হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সহায়ক।
২। হজম শক্তি বাড়ায় – এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
৩। চোখের জন্য ভালো – ভিটামিন A চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।
৪।ত্বক ও চুল ভালো রাখে – অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক উজ্জ্বল করে।
৫। হার্ট ভালো রাখে – পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৬।শরীর ঠান্ডা রাখে – গরমে শরীরের তাপ কমাতে সহায়ক।

যাদের পুইশাক কম বা এড়িয়ে খাওয়া উচিত:
★ কিডনিতে পাথর (Kidney stone) আছে যাদের – এতে অক্সালেট থাকতে পারে, যা সমস্যা বাড়াতে পারে।
★ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা থাকলে – বেশি খেলে সমস্যা বাড়তে পারে।
★ অ্যালার্জি থাকলে – কারও কারও ক্ষেত্রে চুলকানি বা অ্যালার্জি হতে পারে।
★ অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক না – বেশি খেলে পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে।
খাওয়ার পরামর্শ:
সপ্তাহে ২–৩ দিন পরিমিত পরিমাণে খেলে সবচেয়ে ভালো উপকার পাওয়া যায়।
সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রাকৃতিক সবজি।
#পুইশাক

12/04/2026

চিকন চাল নাকি মোটা চাল – কোনটা বেশি স্বাস্থ্যকর? জানুন সত্যটা!
আমরা প্রতিদিন যে সাদা চিকন চাল খাই, সেটা কি আসলেই ভালো? নাকি শুধু দেখতে সুন্দর বলেই আমরা খাচ্ছি?
কিছু চাল প্রাকৃতিকভাবেই চিকন হয়, যেমন বাসমতী বা কালিজিরা।
কিন্তু বাজারে যে “মিনিকেট” চাল পাওয়া যায়, তার বেশিরভাগই আসলে মোটা চাল—যা মেশিনে পালিশ করে চিকন ও সাদা করা হয়।
★পালিশ করা চালের সমস্যা কী?
> বেশি পালিশ করলে চালের বাইরের আঁশ উঠে যায়
> ভিটামিন (বিশেষ করে B) কমে যায়
> ফাইবার কমে যায়
★এর ফলে কী হতে পারে?
> রক্তে সুগার দ্রুত বাড়ে
> ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে
> কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে
> শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়
★ তাহলে কোন চাল খাবেন?
> মোটা চাল (কম পালিশ করা)
> লাল চাল / ব্রাউন রাইস
> দেশি বা কম প্রসেসড চাল
★ এড়িয়ে চলুন:
> অতিরিক্ত সাদা, ঝকঝকে চিকন চাল।
★ নিয়মিত খাওয়ার জন্য মোটা বা কম পালিশ করা চালই বেশি স্বাস্থ্যকর
> মাঝে মাঝে চিকন চাল খেলে সমস্যা নেই, তবে প্রতিদিন না খাওয়াই ভালো
★স্বাস্থ্য টিপস:
যাদের ডায়াবেটিস বা রক্তে চর্বি (Triglyceride) বেশি—তারা সাদা চিকন চাল কমিয়ে লাল চাল বা মোটা চাল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
★আপনার মতামত কী? আপনি কোন চাল খান—মোটা নাকি চিকন? কমেন্টে জানান!

Address

Gazipur
TONGI

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A B health care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share