Quranic Healing Bd

Quranic Healing Bd Jin,black magic,Evil eye,Eye Hasad(Mental And Physical disease Cure By Ruqyah and Ayat of quran.

29/03/2026

আন নূর ' জিন ও যাদু দূর করার এক বিষ্ময়কর আল্লাহর নাম। সারাদিন পড়তে থাকুন

28/03/2026

🔴জিন পজেসড অস্বীকার কারী সকল জাহা*ন্নামী নাস্তিক ডক্টর সহ কালাম পূজা*রী জাহা*ন্নামি নাস্তি,ক সহ ইবলিশ পূজা,রী সহ সকল দাজ্জা*ল পূজা,রী বেঈমা,নদের ব্যক্তিগত কথাকে বাতিল করে দিচ্ছে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ.

শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. যেই দুইটি দলিলের কারনে মানুষের শরীরে জিনের প্রবেশকে সাব্যাস্ত করেছে:-

قال شيخ الإسلام ابن تيمية رحمه الله:
" دخول الجني في بدن الإنسان ثابت باتفاق أئمة أهل السنة والجماعة، قال الله تعالى: (الذين يأكلون الربا لا يقومون إلا كما يقوم الذي يتخبطه الشيطان من المس) البقرة /٢٧٥، وفي الصحيح عن النبي صلى الله عليه وسلم: (إن الشيطان يجري من ابن آدم مجرى الدم) " انتهى.
" مجموع الفتاوى " (٢٤ / ٢٧٦، ٢٧٧)

শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. বলেন, জিনের প্রবেশ করা মূলত মানুষের শরীরে এটা প্রমানিত বিষয় আর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামআত এর আইম্মাদের(আলেমদের) সর্বসম্মতি মত দ্বারা এটা প্রমানিত একটা বিষয়। আর এই বিষয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন, সূরা বাকারাহ ২৭৫ নম্বর আয়াতে যে, যারা সূদ খাওয়াকে ক্রমাগত করে নেয় মূলত তারা(ব্যক্তিরা) দাড়াবে না, তবে হুবহু তেমন ভাবে দাঁড়াবে,যেই(ব্যক্তিকে) পাগল করে দেওয়া চলমান ছিলো শয়তান এর পক্ষ থেকে স্পর্শের মাধ্যমে।[অর্থাৎ,মানুষের শরীরে জিনের প্রবেশ করা উলামাদের সর্মসম্মতি মতবিষয়ক একটি প্রমান যেখানে, জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আর এজন্য সূরা বাকরার ২৭৫ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে মানুষ যারা সূদ খেয়েছিল দাড়াবে না 'এই দাঁড়াবে না দ্বারা মূলত স্পষ্ট এটাও বুঝাও যাচ্ছে কিয়ামতের দিন সূদখোর মানুষদের দাঁড়ানো স্বাভাবিক মানুষের মত দাঁড়ানো পদ্ধতির মত হবে না, বরং সূদখোরদের দাঁড়ানোর পদ্ধতি হুবহু হবে 'সেই মানুষের মত যেই মানুষকে পৃথিবীতে শয়তান স্পর্শ করে পাগল বানিয়ে দিয়েছে' আর সেই পাগল হতে থাকাটা চলমান ছিলো।আর এজন্য বর্তমান পাগল রোগীদের দিকে হুবহু তাকালে স্পষ্ট দেখা যায় যে, পাগল রোগীদের পাগল হওয়া হুবহু চলমান আছে। তেমনি হুবহু কিয়ামতের মাঠে সুদখোরদের দাঁড়ানোর পদ্ধতি হবে হুবহু দুনিয়ার সেই পাগলের মত যেই পাগলকে শয়তান স্পর্শ করেছিলো ফলে উক্ত মানুষটি দীর্ঘ সময়ের জন্য অদৃশ্য ভাবেই পাগল হয়ে গেলো। আর তাই উক্ত আয়াতে বলা হয়েছে যে, সুদখোর ব্যক্তিরা সাধারণ ব্যক্তির মত দাড়াবে না বরং মানুষের মতই চলমান পাগল যারা তাদের মত অনিয়ন্ত্রিত হয়ে দাঁড়াবে 'আর এই চলমান পাগলকে মূলত একজনই পাগল করেছে সে হলেন শয়তান আর সেই শয়তান এর স্পর্শেই মূলত সুস্থ মানুষটি চলমাম পাগলে রুপান্তর হয়েছে। আর তাই শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. জিনের প্রবেশ করা যেটা মানুষের পুরো শরীরের সাথে সম্পৃক্ত সেই কথাটাকে সাব্যাস্ত করেছে।কেননা তায়মিয়াহ রহ. এটা ভালো করেই জানতেন যে, একটা সুস্থ মানুষ তার ফিতরাত থেকে হঠাৎ পাগল হয়ে চলমান পাগলে রুপান্তর হয়ে যাবে আর সেই পাগলটা কিভাবে হয়? মূলত সেই পাগল হওয়াটা শয়তান এর স্পর্শের কারনে হয়।তাহলে হাক্বিকী ভাবে যেহেতু পাগল হওয়া সাব্যস্ত হয় তবে শয়তান কিভাবে সুস্থ মানুষকে পাগল বানিয়ে থাকে, সেটার কারন বের করতে গিয়ে ইবনে তায়মিয়াহ রহ. জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে 'এই প্রবেশ 'করাকে সাব্যস্ত করেছে। কেননা জিন স্পর্শ কিভাবে করে একটা সুস্থ মানুষকে পাগল বানাতে পারে? এই অদৃশ্য ধরনটা সম্পর্কে অজানা বিষয় হলেও 'মানুষ পাগল হওয়াটা যেহেতু রোগের সাথে সম্পৃক্ত, আর একটা মানুষকে পাগল বানাতে গেলে শরীরের ভিতরের ব্রেনের যাবতীয় অংশের বিশৃঙ্খল এবং উলোটপালোট হওয়া যেহেতু শর্ত(কারন বাস্তবিক কোনো ব্যক্তিকে পাগল হতে দেখা গেলেও ব্রেনের অনিয়ন্ত্রিত আচরন এবং সেটার প্রকাশে ব্রেণ অনিয়ন্ত্রিত আচরন করা শুরু করে থাকে তখন মূলত সকল জ্ঞানী মানুষেরা মনে করে এই ব্যক্তিটা পাগল,মূলত এই ব্যক্তির মাথার ব্রেন ব্যক্তির কন্ট্রোলে নেই তাই এই ব্যক্তিটি পাগল হয়ে গিয়েছে,এখন ব্রেনের অনিয়ন্ত্রিত অবস্থান এর কারনে পাগল হলে এর প্রভাব কোথায় কাজ করবে? অবশ্যই ব্রেনে) হুবহু জিন যখন হাক্বিকী অর্থে মানুষকে পাগল বানাবে তার স্পর্শের ধারা তখন জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে আর সেই মানুষের ব্রেনে এমন কিছু অনিয়ন্ত্রিত অবস্থা তৈরি করে যার ধরুন সুস্থ মানুষ পাগল হয়ে যায় এবং পাগল হওয়াটা চলমান থাকে। আর এজন্য ইবনে তায়মিয়াহ রহ. জিন মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে 'এই প্রবেশ করা সাব্যাস্ত করেছে ' বাস্তবতাকে সামনে রেখে যেখানে স্পষ্ট বাস্তবতা হচ্ছে সুস্থ ব্যক্তি পাগল হয়ে যাওয়া আর এই পাগল হয়ে যাওয়া ব্যক্তির 'মস্তিষ্কে অনিয়ন্ত্রিত সমস্যা হয় ফলে ব্যক্তি পাগল হয়' আর যেহেতু ব্রেন এখানে সমস্যার স্বীকার হয় এটা স্পষ্ট একটি প্রমানিত বিষয় সেহেতু 'শয়তান যখন স্পর্শ করে পাগল বানিয়েছে অবশ্যই সেই শয়তান সেই সুস্থ ব্যক্তির মাথায় থাকা ব্রেনকে দেখে তারপর ব্রেনের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি করেছে বা অদৃশ্য সমস্যা সৃষ্টি করেছে যার ফলে সুস্থ ব্যক্তিটি পাগল হয়েছে, আর যেই অস্তিত্ব আরেকজন মানুষের শরীরে রোগ তৈরি করতে পারবে অবশ্যই রোগীর মধ্যে রোগ তৈরি কারী সেই অস্তিত্বের প্রকাশ থাকবে এবং প্রকাশ হওয়ার পর সেই অস্তিত্বটা কানা নিশ্চয় হবে না বরং জ্ঞানপ্রাপ্ত কোনো অস্তিত্ব হবে আর সেই জ্ঞানপ্রাপ্ত অস্তিত্ব তার চোখ দিয়ে দেখেই একটা সুস্থ মানুষের মাথাকে পাগল বানিয়ে দিবে 'আর মূলত সেই অস্তিত্বতা হলো 'শয়তান' আর এজন্য ইবনে তায়মিয়াহ রহ. মানুষের শরীরে জিন প্রবেশ করতে পারে 'উক্ত প্রবেশ করাকে সাব্যস্ত করেছে সূরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতের মাধ্যমে বাস্তবতাকে সামনে রেখে।

এবং নবী স. হতে বর্ণিত, নিশ্চয় শয়তান প্রবাহিত হতে থাকে(যেটা চলমান থাকতেই থাকে) আদমের ছেলেদের অন্তর্ভুক্ত পুরো শরীরটাতে প্রবাহিত হওয়া সেই রক্তে। [অর্থাৎ, শয়তান মানুষের শরীরে প্রবাহিত হওয়াকে চলমান করে নেয় এবং চলাচলের ধরনটা হচ্ছে রক্তের মধ্যে । ইবনে তায়মিয়াহ রহ. মানুষের শরীরে জিন প্রবেশ করতে পারে এটাকে প্রমান করার জন্য উক্ত হাদিসটি নিয়েছে কারন 'মানুষের শরীরের মধ্যেও যে,জিন চলাচল করতে পারে এটা অনেকেই বিশ্বাস করতে চাবে না এজন্য হাদীসে এমন একটা শব্দ উল্লেখ করেছে জিন চলাচল এর ব্যপারে যে, জিন মানুষের শরীরে রক্তের মধ্যে দিয়ে চলাচল করে।কারন জিন মানুষের শরীরের হাড্ডি,মাংস,বিভিন্ন দিকে জিন তার নিজ অস্তিত্ব নিয়ে চলাফেরা করলে সেটা কিভাবে হতো বা আরো ভয়ংকর হতো কিনা সেটা আল্লাহই ভালো জানে। কিন্তু শয়তান যখন মানুষের রক্তে চলবে এই কথাটি আসে তখন সাধারণত 'মানুষের শরীরে থাকা রক্ত অতীত থেকেই রক্তের চলাচল গতি প্রকৃতির ধরন হুবহু এক থাকবে এবং কিয়ামত পর্যন্ত একি থাকবে,কেননা রক্ত চলালল থেকে একটু এদিক সেদিক হলেই ব্যক্তি মারা পড়বে এবং আরো ভয়ংকর ব্যপার হচ্ছে, মানুষের শরীরের কোনো অংশ কেটে রক্ত অনবরত বের হতে থাকলে তখন ওই ব্যক্তি রক্তশুন্যতায় মারা পড়ব। কাজেই শয়তান মানুষের শরীরে রক্তের মধ্যে যখন চলাচল করবে তখন চলাচল করার দ্রুতবেগ কাজ করে এবং শরীরে চলাচল করার জন্য রক্তে বসবাস করাটাই হাদীস দ্বারা প্রমানিত বিষয়। তাই ইবনে তায়মিয়াহ রহ. তাই তিনি সাব্যস্ত করেছেন, রক্ত যেহেতু সবসময় এক ভাবেই চলমান থাকবে এর কোনো পরিবর্তন হবে না আবার হাদীসও সেই রক্তের মধ্যেই শয়তান চলাচল করে এটা বলে থাকে আর তাই উক্ত হাদীস দ্বারা এটা প্রমান হয় 'শয়তান মানুষের শরীরে প্রবেশ করার পরেই কেবল রক্ত দিয়ে চলাচল করতে পারে' আর রক্তের অনিয়ন্ত্রিত ব্লকেজের কারনেই মানুষের দীর্ঘমেয়াদী রোগ হয় সেটা আরো বিস্তর আলোচনা এবং কিছুটা এখনি বুঝা যাচ্ছে]

মাজমাউল ফতওয়া (২৪/২৭৬,২৭৭)

🖊️Muhammad Ali

27/03/2026

♦️রোগীর শরীরে থাকা জিনের সাথে রাক্বির কথা বলা সালাফ থেকে প্রমানিত নয় এবং রাসূল স. এর হাদীস থেকেও প্রমানিত নয় এবং জিন হ,ত্যার বিষয়টিও সালাফ ও রাসূল স থেকে প্রমানিত নয়, বরং রাক্বি কুরআন তেলাওয়াত করা ও রাসূল স এর সুন্নাহ অনুসরণ করে রুকইয়াহ করবে :-

🔴এটার হুকুম কি জিন হ,ত্যার ব্যপারে যেখানে তারা(জিন শরীর থেকে বের হতে প্রত্যাহার করেছিলো এবং ভঙ্গ করেছিলো পরবর্তী সেই অঙ্গীকার এর মুহূর্তে, যেটার মাধ্যমে (তারা রাক্বিরা যে জিনকে বের করার দিকে নিয়ে যায় এবং যখন জিন বের হয়না তখন কি সে জিনকে হ,ত্যা করতে পারবে?

ما حكم قتل ((الجن)) بعد نقضهم العهد بأن يخرجوا وإذا لم يخرج فالقتل

هذا راقي يسأل .... ؟؟!
يقول: إني أعاهد الجني أو الجنية إذا قرأت على المريض وإذا رجع فسوف أقتله!
وكيفيت القتل؟ يقول: أقرأ و أكرر من الآيات التي فيها عذاب وإحراق ... ثم يموت،،،
ويقول: وهل فيه فرق بين المسلم والكافر؟؟
أفتونا مأجورين

এটা মূলত রাক্বি প্রশ্ন করতেছিলো?
তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি জিনরা যখন রোগীদের শরীরে থেকে যেতে অঙ্গীকার এর মুহুর্তে অথবা যখন জিনদের সামনে তেলাওয়াত করা হয় যেটা মূলত রোগীর উপর করা হয়(কারন রোগীর শরীরের মধ্যেই জিন থাকে) এবং যখন এই জিনগুলো রোগীর শরীর থেকে অঙ্গিকার এর কথা বলে পুনরায় আবার রোগীর শরীরে ফিরে আসে তখন কি আমি জিনকে হ,ত্যা করতে পারবো দ্রুত?

এবং জিন যে হ,ত্যার স্বীকার হবে সেই হ,ত্যার ধরন বলতে কেমন? তারা(রাক্বি) বলল সেটা হলো তেলাওয়াত করা এবং বারবার পড়া যেটা তেলাওয়াত এর অন্তর্ভুক্ত যেসব তেলাওয়াত গুলো জিনকে কষ্টের মধ্যে ক্রমাগত অবস্থান করে দেয় এবং শাস্তিও চলমান করে দেয়,এবং আ,গুনে পুড়ি,য়ে ফেলতে থাকে ' অত:পর এভাবে রোগীর শরীরে থাকা জিন মা,রা যায়। [অর্থাৎ, রাকি যখন প্রশ্ন করেছিলো এক আলেমকে যে, জিন হ,ত্যার ব্যপারটা এটা জায়েয কিনা ইসলামে তখন আলেমরা বলেছিলো জিন যে, হ,ত্যার স্বীকার হয় সেই হ,ত্যার ধরন কেমন? রোগীর শরীরে জিন কিভাবে হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে এটা প্রশ্ন করায় রাকি বলল 'কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত এর মাধ্যমে, আযাব সংক্রান্ত আয়াত এবং যেসব আয়াত পড়লে জিনরা কষ্ট পায় এবং কষ্ট পেতে পেতে আ,গুনে পুড়ে যায় মূলত এভাবে জিনরা মা,রা যায়]

ويقول: وهل فيه فرق بين المسلم والكافر؟؟
أفتونا مأجورين،،،،،،،
এবং তারা বলল আর তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে যেটা মুসলিম আর কা,ফেরের মাঝে পার্থক্য তৈরি করে? আর এ বিষয়ে কি ফতওয়া রয়েছে সেটা সম্পর্কে আমাদের বলুন যেই বিষয়ে জানা জরুরি একটি বিষয়। [অর্থাৎ,জিন হ,ত্যার বিষয়টি এটা তাদের কাছে ঘটমান একটি বিষয় অতএব এটার মাধ্যমে মুসলিম আর কা,ফিরের মাঝে মূলত কি পার্থক্যগুলো তৈরি করে সে বিষয়ে জানা প্রয়োজনীয় একটি বিষয়]

أمور الجن مما غيب عنا، والقول إن الراقي الفلاني قتل الجن الفلاني أو إنه أحرقه حتى شم رائحة الحرق!! هذا كله مما لا دليل عليه، وما يدريه أنه قتله أو أحرقه؟!!

জিনের আদেশ বা নির্দেশের ব্যপকতা যেটা মূলত গায়েবের(অদৃশ্যের অন্তর্ভুক্ত) আমাদের নিকট। এবং রাক্বি যদি বলে এই বিষয়ে এবং অমুক আরো অনেক রাক্বিও যদি বলে যে, জিনকে হ,ত্যা করা হয়েছে আর সেটা করেছে অমুক ব্যক্তি অথবা যদি এমন ব্যক্তি যে নিজেকে রাক্বি হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে সেও যদি এই কথা বলে যে, জিনকে পু,ড়ানো হয়েছে, এবং পুড়ানোর পর সেই ঘ্রানশক্তি পাওয়া যায় 'সেই আগুনের প্রকাশ হওয়ার মাধ্যমে '। মূলত এই প্রত্যেকটা কথা যেগুলোর কোনো দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয় তাদের(রাক্বিদের জিন পুড়া,নোর বা হ,ত্যার বিষয়ের উপর) আর তারা রাক্বিরা এই জিনের হ,ত্যার বিষয় সম্পর্কে জানেই না এবং সেটা জিনের পুড়ানো সম্ভব এই ব্যপারেও তারা জানে না যে, জিনকে পু,ড়ানো যায় এ স্বপক্ষে কুরআন ও হাদীসে কোনো দলিল নেই। [অর্থাৎ জিনদের কথা বলা,জিনরা যেই বিষয়ে রোগীদের শরীরে অবস্থান করে রাক্বিকে এমন বিষয়ে নির্দেশ করল আর রাক্বি জিনের সেই কথাকে বিশ্বাস করল তখন রাক্বির করা বিশ্বাস করার এই কর্মটা মূলত অদৃশ্য গায়েবে থাকা জিনের কথা, আদেশকে সেই রাক্বি মেনে নিলো। রোগীর শরীরে থাকা জিন রাক্বিকে বলল রোগীর এই সমস্যা, সেই সমস্যা, অমুক সমস্যা, এরকম বিভিন্ন নির্দেশমূলক কথা বলে রোগীর শরীরে থাকা জিন রাক্বিকে এসব কথা বলল আর রাক্বি জিনের কথা বিশ্বাস করে সেটাকে সত্যা হিসেবে বিশ্বাস করল তখন এই রাক্বির এই বিশ্বাস করার প্রবনতার ব্যপারে কোনো দলিল নেই কুরআন ও হাদীসে। রোগীর শরীরে থাকা জিন বলল 'আমরা শতশত জিন,আমরা অমুক জিন,রুকইয়াহ করার ফলে এতএত জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,অথবা আমাদের বংশের অনেক জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,এবং অনেক জিন পু,ড়ে গিয়েছে, যখন রোগীর শরীরে থাকা জিনগুলো রাক্বিকে এসব কথা বলল আর রাক্বি জিনগ্রস্ত রোগীর শরীরে থাকা জিনের কথা বিশ্বাস করল তখন মূলত ওই রাক্বি এমন কর্ম করেছে জিনদের কথা বিশ্বাস করে যেটার স্বপক্ষে মূলত কুরআন ও হাদীসের কোথায়ও কোনো দলিল নেই]

وهذا من الأمور التي لم يفعلها السلف ولم تثبت عن النبي صلى الله عليه وسلم، والمشروع فقط أن يقرأ القرآن أو الرقى السنية ولا يكثر الحديث مع

আর এই বিষয়টি যেটা জিনদের বলা কথার আদেশ বা নির্দেশের সাথে সম্পর্কিত মূলত। সেসকল কর্মগুলো(জিন হ,ত্যার বিষয়গুলো) সঠিক নয় এবং সালাফরা এমন কর্ম করেননি কোনোক্রমেই এবং তা (জিন হ,ত্যার)বিষয়টি রাসূল সাঃ থেকে প্রমানিত কোনোক্রমেই হয়না এবং প্রসিদ্ধ হিসেবে শুধু এটাই করা যায় যে, কুরআন তেলাওয়াত করা জিনগ্রস্ত রোগীর উপর যেটা রাক্বি করবে এবং রাক্বি এই কাজও করবে যেটা সুন্নাহের মধ্যে বর্ণনা রয়েছে। এবং অধিকাংশ হাদীসে বর্ণনা নেই জিন হ,ত্যা ব্যপারে(জিন হ,ত্যার বিষয়টি হাদীসে এমন কোনো বর্ণনা নেই যেটা দ্বারা প্রমানিত হয় জিনগ্রস্থ রোগীর শরীরে থাকা জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়) [অর্থাৎ, জিনদের কোনো কথা, আদেশ নিষেধ যেটা রোগীর শরীরে থাকা জিনগুলো বলে থাকে রাক্বিকে উদ্দেশ্য করে মূলত জিনদের ওসব কর্মগুলো কোনো রাক্বি যদি বিশ্বাস করে, তবে রোগীর শরীরে থাকা জিনদের কথা বিশ্বাস করার বিষয়টি সালাফ(পূর্বসূরী উলামা) থেকে প্রমানিত নয় এবং আরো বড় ব্যপার হচ্ছে রাসূল সাঃ থেকেও এই বিষয়টি প্রমানিত নয়। তথা জিনগ্রস্ত রোগীর শরীরে থাকা 'জিন যেকোনো ধরনের কথা বলবে যেটা আদেশ এবং ব্যপক কথার অন্তর্ভুক্ত থাকবে' আর রাক্বি যদি সেই জিনদের কথাগুলো বিশ্বাস করে, রাক্বি যদি বিভিন্ন অদ্ভুত সব কথাবার্তা বলে। যেমন : জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,জিন আ,গুনে পু,ড়ে গিয়েছে মূলত রোগীর শরীরে থাকা জিনরা যদি এমনটা বলেও যে, আমি ম,রে গেলাম আমার অনেক বংশ রুকইয়াহ এর মাধ্যমে মা,রা গিয়েছে তবুও ওসব জিনদের কোনো কথা বিশ্বাস করা যাবে না। আর যেসব রাক্বি জিনদের কোনো কথা বিশ্বাস করবে মূলত ওসব রাক্বিদের কর্মগুলোর ব্যপারে 'কুরআন ও হাদীসে কোনো দলিল নেই, সালাফ থেকেও দলিল নেই এবং রাসূল সাঃ থেকেইও কোনো দলিল নেই।

আহমাদ আল ইউসুফ।

বুঝার জন্য সংযুক্তি:-
সুরত(আকৃতি) সহ জিনের প্রকাশ হওয়ার পর জিনকে 'হ,ত্যার কথা এক বিষয় আর মানুষের শরীরে জিন বসবাস কারী সুরত না দেখা যাওয়ার পরেও 'জিনকে হ,ত্যা করা যায় এটা বলা আরেক বিষয়।

-মাসসুশ জিন (জিন শরীরে প্রবেশ করে রোগ তৈরি করার জন্য, জিন রোগীর শরীরে প্রকাশ ঘটানো এক বিষয় আর সাহাবীরা রা: সাপের সুরতে প্রকাশ পাওয়া বাহিরের পরিবেশে উপস্থিতি জানান দেওয়ার জিনকে হ,ত্যা করা সেটা আরেকটি বিষয়। কারন সাপের সুরতে প্রকাশ হওয়া জিন যাকে সাহাবী হ,ত্যা করেছিল সেই 'জিন সাহাবীর বিছানায় অবস্থান করেছিলো সেই জিন মোটেও কোনো কাউকে পজেসড করেনি বরং সাহাবীর রা: এর ঘরে বিছানায় অবস্থান করেছিলো,ফলে যেই সাপ সুরত প্রকাশ পেয়েছিলো, ওই সুরত প্রকাশ পাওয়া জিনকে সাহাবী হ,ত্যা করেছিল।

বায়তুল মালের পাহাড়া দেওয়া খাদ্য চুরি করা সেই জিনের সুরত ছিলো মানুষের মত, তাই আবু হুরাইরা রা: তাকে দুইদিন ধরার পড়েও শেষ তৃতীয় দিন ধরে ফেলেছিল এবং শেষ ওটা জিন ছিলো এটা সনাক্ত করে ছে রাসূল সাঃ। এছাড়া বাহিরে চলাচলকারী জিন তার সুরত(আকৃতি) ধারন করলে, সেটা তখন জিনগ্রস্ত রোগীর সাথে সম্পৃক্ত বিষয় নয় বরং ওই জিন বাহিরে চলাচলকারী জিন 'বাহিরে চলাচল কারী ' জিনের আকৃতি ধারন করাকে 'মাস'সুছ জিন তথা জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগীর শরীরে থাকা যেই জিন রয়েছে যার আকৃতি প্রকাশ পায় না ' তো সেখানে জিনের রোগীদের শরীরে থাকা জিনদের আকৃতি দেখা যায় না তবুও সেই জিনকে 'হ,ত্যা করা যায় ' সেক্ষেত্রে দলিল হিসেবে টানা হয় 'আকৃতি থাকা জিনের ওসব হাদীস যেসব ঘটনায় জিনের আক্রান্ত রোগীদের উপর এরকম কোনো বর্ণনা নেই হাদীসে' বরং আমভাবে, বাহিরে চলাচল কারী জিনের আকৃতি সহ যেই হাদীসগুলোতে সুরাত সাব্যস্ত হয়েছে 'সেই আকৃতি থাকার পর 'সাহাবী রা: জিনকে হ,ত্যা করেছে এরকম হাদিস পাওয়া যায় ।

কিন্তু যেখানে 'মানুষের শরীরের ভিতর জিনের সুরত(আকৃতি প্রকাশ পায় না) জিনের কোনো চেহারা সাব্যস্ত হয়না জিনের রোগীর উপর, সেখানে জিন হ,ত্যা করা সম্ভব এই দাবি প্রমান করার জন্য 'জিন পজেসড এর হাদীস না এরকম জিনের সুরত(আকৃতি ধরা) হাদীসগুলো সামনে এনে 'জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগী মানুষের ভিতরে থাকা জিনের সুরত(আকৃতি) বুঝা যায় না 'তবুও নাকি রুকইয়াহ তে জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়।

এজন্য পূর্বের রুকইয়াহতে জিন হ,ত্যার মাসয়ালায় 'একজন উলামা বলেছিল রুকইয়াহ তে জিন হ,ত্যার স্বাকীর হয়? এই হ,ত্যা কিভাবে সংঘটিত হয় এটা রাকিরা কেউই জানে না।মানে জিন কিভাবে মা,রা গেলো,জিনের সুরত প্রকাশ পেলো না অথচ জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে এটা কিভাবে হয়েছে 'এই বিষয়টাই জানে না একজন রাক্বি'।

আরশীফ মুলত্বাকা আহলুল হাদীস (৬৯/৪০০ পৃষ্ঠা)

🖊️Muhammad Ali

26/03/2026

শ*ক্র যখন আপনাকে বারবার কষ্ট দিবে তখন ভয়া*বহ অবস্থা করে দিন

সূরা ফাতির ২৬ নম্বর আয়াতটা প্রচুর বেশি তেলাওয়াত করবেন। নিয়ত ইয়া আল্লাহ আমাকে কষ্টদান কারী ওইসব জালে*ম শ*ক্রকে ভয়া*বহ অবস্থা করে দিন এবং যারা কৌশল করে যত ক্ষ,তি আমাকে করেছে সকল কৌশল ঘুরিয়ে ঐই শ*ক্রর লাইফস্টাইলে পৌছিয়ে দিন।
(আয়াতের উচ্চারন:- ছুম্মা আখা'যতুল লাযিনা কাফারু ফা'কায়ফা কানা নাকির)

আয়াত প্রতিদিন ৫ মিনিট করে পড়ুন

🖊️Muhammad Ali

25/03/2026

🔴সকল যাদু নষ্টের রুকইয়াহ by Raqi Muhammad Ali

25/03/2026

🔴বিচ্ছেদ এর যাদুতে স্বামীর জন্য পাওয়ারফুল রুকইয়াহতে সমস্যা ধরে ধরে কিভাবে দ্রুত সমাধান পাওয়ার জন্য রুকইয়াহ যেভাবে করা যায় সেটার জন্য ২ মাসের অগ্রিম রুকইয়াহ সেশন বুকড করা হচ্ছে :(নক দিয়ে বিস্তারিত কথা বলুন)

১)ইয়া আল্লাহ সংসার নষ্টের অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২)ইয়া আল্লাহ স্বামী পরকীয়া করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩) ইয়া আল্লাহ স্বামী সবসময় তালাকের কথা আমাকে বলে এর অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور
(আন নূর)

৪)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে সবসময় মার,ধর করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৫)ইয়া আল্লাহ স্বামী সবসময় আমার সাথে বাজে ব্যবহার করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৬)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে সবসময় সন্দেহ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৭)ইয়া আল্লাহ স্বামী হুটহাট আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৮)ইয়া আল্লাহ স্বামী সংসারে সবসময় অশান্তি করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৯)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে ভালো না বাসার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১০)ইয়া আল্লাহ স্বামী হঠাৎ আমার সাথে সহবাস বন্ধ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১১) ইয়া আল্লাহ স্বামী হঠাৎ করে আমাকে স্পর্শ করা বন্ধ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১২)ইয়া আল্লাহ স্বামী হঠাৎ করে বাসায় আসা বন্ধ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৩)ইয়া আল্লাহ স্বামী পরকীয়া করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৪)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সহবাস এর কাজকে ঝামেলা মনে করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৫)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কোনো খোঁজ খবর না নেওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৬)ইয়া আল্লাহ স্বামী হ্রদয় দিয়ে আমাকে ভালো না বাসার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৭)ইয়া আল্লাহ স্বামী যিনা করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৮)ইয়া আল্লাহ স্বামী রাগ করে আমাকে মারধর অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

১৯) ইয়া আল্লাহ স্বামী সন্দেহ করে আমাকে মারধর করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২০)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে ভালো কথা না বলার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২১) ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই অসুস্থ হওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২২)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার প্রতি প্রচুর বিরক্ত হওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৩) ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার প্রতি মন উঠিয়ে নেওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৪)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে কারন ছাড়াই কষ্ট দেওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৫)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার বিছানায় ঘুমালে তাকে স্পর্শ করলে সে রেগে যাওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৬)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সহবাস করতে আসলেই শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৭)ইয়া আল্লাহ স্বামী রাগ করে আমার সাথে বাজে ব্যবহার করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

২৮) ইয়া আল্লাহ স্বামী রাগ করে আমার সাথে দীর্ঘসময় না ঘুমানোর অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন
এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

سبحان الله

(আন নূর)

২৯)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে সন্দেহ করে যে আমি ভালো স্ত্রী নয় এমন চিন্তা আসার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩০)ইয়া আল্লাহ স্বামী ঘরে প্রবেশ করেই ছোটো ছোটো কারন নিয়ে আমাকে মারধর করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩১)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে কথা বলতে গেলে হঠাৎ রেগে যাওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন
এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩২)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সুন্দর আচরন না করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৩)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই মাথা ঘুরতে থাকার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৪)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই অসুস্থ হওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৫)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই মাথায় অতিরিক্ত টেনশন হওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৬)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই মন খারাপ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৭)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই আমার প্রতি ফিলিংস হারিয়ে ফেলার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৮)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সহবাস করতে চাইলেই ফিলিংস হারিয়ে ফেলার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৩৯)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সহবাস করতে চাইলেই হাত ও পায়ে শক্তি না পাওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪০)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সহবাস করতে চাইলেই লিঙ্গে শক্তি না পাওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪১)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে বিছানায় ঘুমাতে গেলেই ছটফট করতে থাকার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪২)ইয়া আল্লাহ স্বামী বাহিরের মানুষের কু পরামর্শ শুনেই আমাকে তালাক দিতে চাওয়ার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৩)ইয়া আল্লাহ স্বামী বাহিরের মানুষের কথা শুনে সংসারে ঝামেলা তৈরি করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৪)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমাকে নিয়ে সবসময় বাজে সন্দেহ করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৬)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে মন থেকে ভালোবেসে সহবাস করতে না পারার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৭)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার কাছে আসা মাত্রই তার চেহারা নষ্টের অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৮)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সবসময় অহংকার করে কথা বলার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৪৯)ইয়া আল্লাহ স্বামী অহংকার করে আমাকে মারধর করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(আন নূর)

৫০)ইয়া আল্লাহ স্বামী আমার সাথে সুন্দর মুহূর্ত উপভোগ না করার অরগ্যান এর জিনগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিন এই নিয়তে আল্লাহর নামের যিকির (আন নূর) পড়ুন বেশি বেশি দৈনিক ১ ঘন্টা করে

النور

(সুবহানাল্লাহ)

নোট:- যারা সরাসরি অরগ্যানে প্রেশারের সেশনগুলো করতে চান তারা অনেকেই জানে না যে, ইনডিভিজুয়াল সেশনগুলেতে সমস্যা ধরে ধরে রুকইয়াহ তে কত দ্রুত সুস্থতা পাওয়া যায় তবে এরজন্য সঠিক গাইডলাইন ও সহীহ রাক্বি দ্বারা এবং শরঈ পদ্ধতির আলোকে রাসূল স এর পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করতে পাশাপাশি প্রত্যেকটা সমস্যা একজন পেশেন্টকে অনুভব করা শিখতে হবে তাহলে নিজের সমস্যা সমাধানে নিজের ভূমিকা অপরিসীম হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ (মেসেজ দিয়ে বিস্তারিত কথা বলতে :- 01629800223 what’s app) এখানে মেসেজ দিয়ে বিস্তারিত কথা বলুন ইনশাআল্লাহ

🖋️Muhammad Ali

24/03/2026

🔷যাদুকর জিন দিয়ে চিকিৎসার নামে উল্টো নতুন যাদুতে আক্রান্ত করে ফেলবে:-

১)যারা তাবিজ দেয় এদের কাছে গেলে আপনি যাদুতে আক্রান্ত হবেন
২)যারা জিনের সাহায্যে চিকিৎসা করে এদের কাছে গেলে নতুন করে যাদুতে আক্রান্ত হবেন
৩) যারা নাভি খুলে এসব কু,ফরী কবিরাজদের কাছে গেলে সুস্থতা পাওয়ার বদলে উল্টো যাদুতে আক্রান্ত হবেন।
৪) নকশা যারা দেয় এদের কাছে গেলে নতুন করে যাদুতে আক্রান্ত হবেন
৫)মুমিন জিন দিয়ে চিকিৎসা করে বলে এদের কাছে গেলে নতুন করে যাদুতে আক্রান্ত হবেন।
৬)পিতামাতার নাম জিজ্ঞেস করে জিন দ্বারা আক্রান্ত আছেন কিনা বলে দিবে, এমন কারো কাছে গেলে নতুন করে যাদুতে আক্রান্ত হবেন।

মূলত যাদুকররা নিজেরাই মারিদ জিন দ্বারা আক্রান্ত আছে এই কারনে অতীত বা ভবিষ্যতে কার কি সমস্যা হতে পারে এগুলো জাস্ট কিছিটা আইডিয়া করে, কিন্তু চূড়ান্ত কিছু বলতে পারে না।কারন মারিদ জিনদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা পৃথিবীতে কি ঘটবে এসব বিষয় নিয়ে কিছুটা অনুভব করতে পারে, করন মারিদ জিনদের বৈশিষ্ট্যটাই এমন যে, তারা গায়বের খবর 'শুনাতে প্রাচীন সময় থেকেই বেশি মনোযোগী, আর এজন্য আল্লাহর গায়েবের জ্ঞান ছু মেরে নিয়ে আসার জন্য কাজ করতো এই মারিদ জিন। কুরআন এ আছে মারিদ জিন আকাশের বিভিন্ন ঘাটিতে ঘাটিতে বসতো এবং শুনার চেষ্টা করতো 'ফেরেশতারা প্রথম আসমানে কোন মানুষের পরের দিন বা পরবর্তী জীবনে কি ঘটতে যাচ্ছে।এগুলো নিয়ে ফেরেশতারা আলোচনা করে, সেখান থেকে এই মারিদ জিনরা কিছু কথা ছু দিয়ে নিয়ে এসে তাদের যাদুকর অভিভাবকদের কাছে বলে দেয়।

এখন মারিদ জিনরা এই তথ্য যাদুকরদের কানে কিভাবে এই গায়েবী তথ্যগুলো পৌছায়, এটা বুঝতে গেলে আপনাকে জানতে হবে ' যাদুর মন্ত্রের কথা' এরপর নবী সুলাইমান এর আমলের রাজত্বে থাকা সরাসরি ইবলি,স মানুষের রুপে এসে নবী সুলাইমান এর রাজত্ব ৪০ দিনের জন্য চু,রি করেছিলো এগুলো আপানকে জানতে হবে এরপর বদরে,র যু*দ্বে স্বয়ং ইব*লিস মানুষের রুপ ধারন করে এসেছিলো এটা থেকেও স্পষ্ট বুঝা যায় ইব,লিস সরাসরি মানুষের রুপ ধারন করতে পারে

এখন শরীরের বাহিরের ইব,লিসকে মানুষ সত্যিকার অর্থে দেখলে চিনতে পারবে কিনা নাকি জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগীরা বাহিরের অদৃশ্য ভয়ং*কর দৃশ্য দেখলে এটা চোখের যাদু হয়? নাকি জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগীরা ভয়া*বহ অদৃশ্য কোনো দৃশ্য দেখলে তখন শারীরিক ও মানসিক ভাবে কষ্ট পেলে ও শরীরে প্রভাব পড়লে তখন এটা শরীরে থাকা জিন নাকি বাহিরে থাকা নরমালি চলাফেরা করা ইব,লিসের কোনো সদস্য জিন হবে কিনা এটা নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট করতে হবে।

এর আগে আপনাদের জানতে হবে ' জিনদের মূল আকৃতি নবী রাসূলরা দেখেছিলো নাকি জিনদের রুপ ধারন করা আকৃতি নবী রাসূল দেখেছিলো ' এই মাসয়ালাটি ক্লিয়ার হলেই আপনারা বুঝবেহ ' বর্তমান যাদুকরগুলো নিজেরাই মূলত যাদুকর মারিদ জিন দ্বারা আক্রান্ত আছে।

বিদ্র:- নবী সুলাইমান এর ৪০ দিন এর রাজ,ত্ব চুরি হওয়া নিয়ে অনেক ইসরা*ঈলী বর্ননা আছে তবে ইসরা*ঈলী আলোচনা গ্রহন করা যেগুলো ইতিহাস সম্পৃক্ত সেগুলো গ্রহন করায় সমস্যা নেই বলে উলামারা ফতওয়া দিয়েছে। পাশাপাশি নবী সুলাইমান এর রাজত্ব আদতে কোন জিন চু,রি করেছিলো নাকি নবী সুলাইমান ফিতনায় হয়ে তারই কোনো উত্তরসূরী নবী সুলাইমান এর সিংহাস,নে বসেছিলো এটা নিয়ে ইখতিলাফ রয়েছে। তবে ' এটা জিনরা চু,রি করার সম্ভাবনা বেশি, কারন জিনদের মূল আকৃতির সেই সিস্টেম ও আকৃতির ধরন হুবহু যেই সত্বা থাকে সেই সত্বার মত রুপ ধারন করে ফেললে তখন সেই 'সৃষ্টির অস্তিত্বের পরিপূর্ণতা জিনরা পেয়ে থাকে যেমন, জিন মানুষের রুপ ধারন করলে হুবহু মানুষের অস্তিত্ব পেয়ে থাকে গঠনের দিক দিয়ে 'আর নবী সুলাইমান এর সময়ে জিনদেরকে দিয়ে ননী সুলাইমান মাটির নিচ থেকে স্বর্ন উত্তোলন করেছে এবং প্রাসাদ নির্মান করিয়েছে এবং বিল্ডিং নির্মানেও জিনদেরকে কাজে লাগিয়েছে। আর নবী সুলাইমান এর মূল রাজ,ত্বের চাবিকাঠি ছিলো তার হাতে থাকা মুজে*যার 'আংটি' এটা অসংখ্য ইসরা*ঈলী মত আবার শক্তিশালী কিছু সনদেও এর প্রমান পাওয়া যায় । 'জিনদের মূল আকৃতি দেখলে এটা সনাক্ত করা 'এটা আসলে বাহিরে থাকা নরমাল জিন নাকি শরীরে থাকা 'মাস' স্পর্শ আক্রান্ত করা জিন ' এটা নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট আসবে ইনশাআল্লাহ কারন এই পয়েন্টটি বুঝলে 'আপনি চিরদিনের জন্য যাদুকর, কবিরাজ,তাবিজ দেওয়া কু,ফরী, মুমিন জিন, সহ আরো যত কু,ফরী চিকিৎসা আছে সেগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ

🖋️Muhammad Ali

22/03/2026

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আশ শিবলী দিমশাকী আল হানাফি রহ:-(৭৬৯ হিজরী) তিনি বলেন, জিনদের শরীর হচ্ছে খুবই পাতলা এবং ঘন জমাটবিশিষ্ঠ:-

فِي بَيَان أجسام الْجِنّ

قَالَ القَاضِي أَبُو يعلى مُحَمَّد بن الْحُسَيْن بن الْفراء الْحَنْبَلِيّ

الْجِنّ أجسام مؤلفة وأشخاص ممثلة وَيجوز أَن تكون كثيفة خلافًا للمعتزلة فِي قَوْلهم إِنَّهُم أجسام رقيقَة ولرقتهم لَا نراهم وَالدّلَالَة على ذَلِك علمنَا بِأَن الاجسام يجوز أَن تكون رقيقَة وَيجوز أَن تكون كثيفة وَلَا يُمكن معرفَة أجسام الْجِنّ أَنَّهَا رقيقَة أَو كثيفة إِلَّا بِالْمُشَاهَدَةِ أَو الْخَبَر الْوَارِد عَن الله تَعَالَى أَو عَن رَسُول الله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم

জিনদের পুরো শরীর নিয়ে আলোচনা।

আল কাযী আবু ইয়ালা মুহাম্মদ বিন আল হুসাইন বিন আল ফুরায়া আল হাম্বালি বলেন, নির্দিষ্ঠ জিনদের পুরো শরীর হচ্ছে ' মিশ্রিত বা মিশিয়ে একত্রিত করা এবং সেসব অধিকতরও আকৃতির মত অনুরুপ দেখতে(যা ছায়াদেহের মত আকৃতি অথবা নির্দিষ্ঠ কোনো আকৃতির মত)। এবং সেসব(জিনদের শরীর) কাটাযুক্ত হতে থাকে আরো যে, তখন এসব(জিনদের) শরীর হয়ে যেতে থাকে খুবই ঘন। আর এ কথার বিরোধীতা করে থাকে সেসব মুতাযিলারা যারা নিজেদের জন্য উক্ত জিনের(শরীরের বর্ণনাকে অস্বীকার করে থাকে) তাদের কথা বলার মাধ্যমে। নিশ্চয় তাদের(জিনদের) পুরো শরীর হচ্ছে খুবই পাতলা এবং তাদের(জিনদের) শরীর খুবই সূক্ষ্য কোমলতার মত ' তাদেরকে কেউই দেখতে পারে না। এবং উক্ত বিষয়ে দলিল রয়েছে এর(জিনদের না দেখতে পারা ও তার শরীরের ব্যপারে) উপরে যেটির বিষয়ে আমরা জানি যে, সেসব(জিনদের) পুরো শরীরে কাটাতে ভরপুর আর আরো বিষয় হচ্ছে যে, তাদের (জিনদের সকলের শরীর হয়ে থাকে)খুবই পাতলা এবং কাঁটাযুক্ত হতে থাকে(তাদের জিনদের শরীর)। এছাড়াও যে, সেসব(জিনদের শরীর) খুবই ঘন প্রকৃতির। এবং আরো বিষয় হচ্ছে এটা কারো পক্ষেই জানা সম্ভব নয় যে, জিনদের শরীর দেখতে কেমন(সেটা কারো পক্ষেই প্রকৃতিপক্ষে দেখা ও জানা সম্ভব নয়) কেননা, নিশ্চয় তাদের(জিনদের শরীর) হচ্ছে খুবই পাতলা অথবা খুবই ঘন জমাটবিশিষ্ট প্রকৃতির তবে এই বিষয়ে সাক্ষ্যদাতা রয়েছে অথবা বর্ণনাকৃত সংবাদও রয়েছে আল্লাহর পক্ষ হতে এবং রাসূলুল্লাহর পক্ষ হতে।

وكلا الْأَمريْنِ مَفْقُود فَوَجَبَ أَن لَا يَصح أَنهم أجسام رقيقَة أصلا فَأَما قَوْلهم إِن الْجِنّ إِنَّمَا كَانَت أجساما رقيقَة لأننا لَا نرَاهَا وَإِنَّمَا نرَاهَا لرقتها فَلَا يَصح لأننا قد دللنا على أَن الرقة لَيست بمانعة عَن الرُّؤْيَة فِي بَاب الرُّؤْيَة وَيجوز أَن تكون الْأَجْسَام الكثيفة مَوْجُودَة وَلَا نرَاهَا إِذا لم يخلق الله تَعَالَى فِينَا الْإِدْرَاك وَقَالَ ابو الْقَاسِم الانصاري فِي شرح الارشاد حِكَايَة عَن القَاضِي ابي بكر وَنحن نقُول إِنَّمَا برأهم من رَآهُمْ لِأَن الله تَعَالَى خلق لَهُ رُؤْيَة وَأَن من لم يخلق لَهُ الرُّؤْيَة لَا يراهم لأَنهم أجسام مؤلفة وجثث وَقَالَ كثير من الْمُعْتَزلَة إِنَّهُم أجسام رقيقَة بسيطة

এবং কখনোই নয় সেই দুইটি আদেশের ব্যপারে যা নষ্টকারীরা নষ্ট করে থাকে তখন এটা বাধ্যতামূলক হয়ে যায় যে, উক্ত (জিনদের দেখার) বিষয়টি সহীহ নয়। নিশ্চয় তাদের(জিনদের) পুরো শরীর হচ্ছে খুবই পাতলা আর এর ভিত্তি হচ্ছে অত:পর এই প্রসঙ্গে তারা বলেন যে, নির্দিষ্ঠ জিনরা ও সেসব(জিনদরে) শরীর ছিলো খুবই পাতলা আর এরজন্য নিশ্চয় যে, তাদেরকে(জিনদেরকে)কেউই দেখতে পারে না। এবং নিশ্চয় যারা বলে যে, আমরা তাদেরকে(জিনদেরকে) দেখেছি তাদের(জিনদের) খুবই সূক্ষ ও কোমল শরীর সহ ' মূলত তখন ওসব ব্যক্তিদের এই কথাটি সহীহ নয়। কেননা নিশ্চয় এরজন্য যে, অবশ্যই আমাদের নিকট দলিল রয়েছে উক্ত (জিনদের শরীর ও তাদের দেখা প্রসঙ্গে) যে, সেসব(জিনদের শরীর) খুবই সূক্ষ্য ও কোমলতাপূর্ণ ' উক্ত বিষয়টি নিষেধপূর্ণ কোনো কথা নয় উক্ত (জিনদের শরীরের)বর্ণনার বিষয়ে যেখানে জিনদের শরীর ও তাদের দেখা প্রসঙ্গে অধ্যায় রয়েছে। এবং সেসব(জিনদের) পুরো শরীর হচ্ছে কাঁটাযুক্ত যেটি হয়ে থাকে জমাটবদ্ধ ঘন শরীরের মত 'আর এমন অস্তিত্ব বহনকারী(জিনকে) কেউই দেখতে পারে না। কারন তখন আল্লাহর এমন কোনো সৃষ্টি নেই যারা (উক্ত আকৃতির জিনদেরকে) দেখতে পরবে বরং কেউই দেখতে পারবে না এমনকি কোনো সৃষ্টির কেউই (জিনদের শরীরের প্রকৃত ধরন সম্পর্কে) আমাদের (মানুষের মধ্যে হতেও) কেউই তোমরা(যারা দাবি করে জিন দেখেছো মূলত তোমাদের দাবিটাও সত্য নয়)।

আবুল কাসিম আল আনসারি শারহুল ইরশাদ এর মধ্যে একটি বর্ণনা নিয়ে এসেছে বিচারক আবু বকর সম্পর্কে এবং আমরা সহ অনেকের সাথেও আমরা বারবার বলতে থাকি যে, যেসব ব্যক্তিরা(জিনদের) পুরো শরীর দেখেছে মূলত সংশ্লিষ্ট এটা তাদের(মানুষদের ব্যক্তিগত মত অনুযায়ী) দেখা বিষয় । নিশ্চয় এরজন্য আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে(জিনদেরকে) সৃষ্টি করেছে যেই ব্যপারে বর্ণনা আছে এবং যাদেরকে(জিনদেরকে) সৃষ্টি করা হয়নি তাদের(মানুষের দেখার জন্য) জন্য এ ব্যপারেও বর্ণনা আছে। নিশ্চয় এরজন্য তারা(জিনদের) পুরো শরীর হচ্ছে মিশ্রিত বা মিশিয়ে একত্রিত এক আকৃতির মত। এবং যেটির ব্যপারে মত এসেছে তিনি ও মুতাযিলারা অধিকভাবে বলে যে, নিশ্চয় তাদের(জিনদের) পুরো শরীর হচ্ছে খুবই পাতলা ও হালকা প্রকৃতির।

কিতাবুন আকামিল মারজানি ফি আহকামিল জান(পৃষ্ঠা :- ৩৪)

🖋️Muhammad Ali

Address

Gazipur

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Healing Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Quranic Healing Bd:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram