11/04/2026
🔴যাদু,কর এর কাছে যাওয়ার ক্ষেত্রে মূলত হুকুমটা কি? এবং সেটারও হুকুম কি যেখানে যাদুর জ্ঞান চর্চা করা বা শিখানো হয়? ঈমানের সঙ্গে নিশ্চয় এসব (ব্যাপক)কর্মের যেই কারনগুলা রয়েছে সেগুলোর হুকুম কি হবে?
ما حكم الذهاب إلى الساحر؟ وما حكم طلب علم السحر، مع الإيمان بأنه سبب فقط.
الحمد لله، لا يجوز الذهاب للسحرة، لا لسؤالهم ولا لطلب حل السحر، فإن الساحر كالعراف والكاهن وقد قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم -: "من أتى كاهنا فسأله عن شيء فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل الله على محمد - صلى الله عليه وسلم - " الترمذي (١٣٥) أبو داود (٣٩٠٤) ابن ماجة (٦٣٩) النسائي في الكبرى (٨٩٦٨) وأحمد (٩٢٩٠) ، وكذلك لا يجوز تعلم السحر فإنه من علم الشياطين، وقد أخبر - سبحانه وتعالى - عن اليهود بأنهم يتبعون ما تتلوا الشياطين، قال تعالى: "واتبعوا ما تتلوا الشياطين على ملك سليمان وما كفر سليمان ولكن الشياطين كفروا يعلمون الناس السحر" الآية، [البقرة: ١٠٢] فهو من العلم الذي تلقيه الشياطين على أوليائها، فلا يجوز طلب هذا العلم فإنه يقوم على الشرك والكفر بالله، ولهذا قال سبحانه وتعالى في نفس الآية: "وما أنزل على الملكين ببابل هاروت وماروت وما يعلمان من أحد حتى يقولا إنما نحن فتنة فلا تكفر فيتعلمون منهما ما يفرقون به بين المرء وزوجه وما هم بضارين به من أحد إلا بإذن الله" الآية [البقرة: ١٠٢] .
আলহামদুলিল্লাহ। এটা জায়েয হবে না যাদু,কর এর নিকট যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং তাদেরকে কোনোধরনের প্রশ্ন করা যাবে না এবং যাদু পাওয়ার ক্ষেত্রেও বা যাদুর বিষয়গুলোকে খুলার জন্য (তথা যাদু কা,টার ক্ষেত্রে সেগুলোর কার্যকারিতা নষ্টের জন্যেও) যাদু,করদের নিকট যাওয়া যাবে না।কেননা নিশ্চয় এই যাদু,কররা হচ্ছে, হুবহু সেরকম 'আররাফ' এবং 'কাহিন' যাদের ব্যপারে রাসূল সাঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো যা,দুকর এর নিকট আসবে এবং তাকে যেকোনো বিষয়ে জিজ্ঞেস করবে অত:পর (যাদু,কররের) বলা কথাকে ব্যক্তি বিশ্বাস করবে, (অত:পর রাসূল সাঃ বলেন) উক্ত ব্যক্তি কু,ফরী করল সেটার দ্বারা(কোনো ব্যক্তি কোনো যাদু,করকে জিজ্ঞেস করলে,মূলত এই জিজ্ঞেস করার অপ,রাধ এর কারনে সে ব্যক্তি কু,ফরী করল) যা রাসূল সাঃ এর উপর নাযিল করা হয়েছে। [তিরমিজি :-১৩৫, আবু দাউদ:- ৩৯০৪, ইবনে মাজাহ :-৬৩৯,নাসাঈ ফিল কুবরা :-৮৯৬৮,এবং আহমাদ (৯২৯০) নম্বর হাদীসে এমনটা বর্ননা করেছেন।
আর এভাবে এটা একেবারেই নাজায়েয,মূলত সেই যাদুগুলোকে শিখা এবং চর্চা করা মূলত এই যাদুটা ছিলো 'শয়,তানের বিদ্যা'। আর নিশ্চয় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এ ব্যপারে বলেছে:- ইহু*দিদের থেকে মূলত নিশ্চয় তাদেরকে যারা অনুসরণ করত এবং যা চর্চা করত মূলত শয়,তানরা। এবং আল্লাহ বলেন:- তারা অনুসরন করতেই থাকতো যা চর্চা করতো শয়,তানরা আর সে সময়টা ছিলো সুলাইমান এর রাজত্বকালীন সময়,মূলত সুলাইমান কু,ফরী করে নি বরং শয়,তানরাই কু,ফরী করেছে এবং তারা(শয়,তানরা) মানুষকে শিক্ষা দিত এই যাদুবিদ্যা। (বাকারাহ -১০২)।
আর সেটা তো সেই জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত যেই জ্ঞান চর্চার (যাদু চর্চার) মাধ্যমে মূলত যারা শয়,তানের সন্তুষ্টি কামনা করে এবং তার বন্ধু - সহযোগীরাও (যাদু চর্চা করার উপরই লেগে থাকে ) অত:পর এটা জায়েয নেই এই জ্ঞান(যাদুর জ্ঞান) চর্চা করা কেননা নিশ্চয় এই যাদুর জ্ঞান আপনাকে শি,রক এবং কু,ফরের উপর প্রতিষ্ঠিত করবে আল্লাহর সাথে। [তথা, সুলাইমান আ: রাজত্বকালীন সময়ে যারা একটি জ্ঞান চর্চা করত আর সেটা ছিলো মূলত যাদু 'আর সেই যাদু চর্চা করার মাধ্যমে মূলত তখন মানুষ শয়,তানের সন্তুষ্টি কামনা করত এবং সাথে শয়,তানদের মধ্যে যারা অনুসারী ছিলো যারা শয়,তানের সাক্ষাৎ কামনা করত বা খুশি করার চেষ্টায় থাকতো মূলত, সেসব অনুসারীরাও 'যাদুর জ্ঞান চর্চার 'মাধ্যমে মূলত শয়তা,ন এর সন্তুষ্টি কামনা করত, আর এই যাদুর জ্ঞান যারাই চর্চা করবে মূলত, তারা আল্লাহর সাথে কু,ফরী করল এবং শি,রক করল তথা কাফে,র হয়ে গেলো এজন্যই যাদুচর্চা করা ইসলামে জায়েয নেই]
আর ব্যাবিলনে দুই ফেরেশতা হারূত ও মারূতের কাছে যা নাযিল করা হয়েছিল (তারা তার প্রতিও ঝুঁকে পড়ল)। অথচ ঐ দুই ফেরেশতা কাউকে (সেই জিনিস) শেখানোর সময় (আগেই) বলে নিত, “আসলে আমরা কিন্তু একটি পরীক্ষা, তাই (আমাদের শেখানো জিনিস দ্বারা) কু,ফরি করো না।” তার পরও তারা তাদের কাছ থেকে এমন জিনিস শিখত যা দ্বারা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারত। যদিও তারা আল্লাহর হুকুম ছাড়া ঐ জিনিস দ্বারা কোন ক্ষতি করতে পারত না
কিতাবু ফাতওয়া ইসতিশরাতুল ইসলামুল ইয়াআওম (মাজমুয়াতু মিনাল মুয়াল্লিফিনা ২/৪৫৮)
🖊️Muhammad Ali