Diet Trencher

Diet Trencher Diet & Nutrition is the selection of foods and preparation of foods, and their ingestion to be assimilated by the body.

শিশুদের খেতে না চাওয়ার কারণ ও তার সমাধান  courtesy: BBF
28/08/2022

শিশুদের খেতে না চাওয়ার কারণ ও তার সমাধান

courtesy: BBF

রক্তশূন্যতা কেন হয়?রক্তশূন্যতা আমাদের খুবই পরিচিত এক রোগ। প্রায়ই আমরা শুনে থাকি কারো রক্ত কম, কারো হিমোগ্লোবিন কম, বিশেষ...
04/07/2022

রক্তশূন্যতা কেন হয়?

রক্তশূন্যতা আমাদের খুবই পরিচিত এক রোগ। প্রায়ই আমরা শুনে থাকি কারো রক্ত কম, কারো হিমোগ্লোবিন কম, বিশেষ করে আমাদের মা-খালা-বোনদের মধ্যে।

২০১৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারা বিশ্বে আনুমানিক ১.৭৪ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত ৷ নারী এবং ক্যান্সারের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অ্যানিমিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি৷

রক্তশূন্যতা মূলত হয় রক্তের লাল/লোহিত কণিকা তৈরিতে ঘাটতি হলে অথবা লোহিত কণিকা অতিরিক্ত হ্রাস পেলে।

লোহিত কণিকা উৎপাদন হ্রাস হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির অভাব, যেমন, আয়রন, ভিটামিন B12 বা ফোলেট, যা লাল রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে।

কিডনির রোগ।

কয়েক ধরনের ক্যান্সার, যেমন লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং মাল্টিপল মায়োলোমা।

অটোইমিউন রোগ যেমন লুপাস বা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস যাতে রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো আপন দেহকেই আক্রমণ করে।

নির্দিষ্ট ধরনের সংক্রমণ, যেমন এইচআইভি এবং যক্ষ্মা।

থাইরয়েডের সমস্যা যেমন হাইপোথাইরয়েডিজম।

অন্ত্রে প্রদাহের রোগ যেমন আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং ক্রোনস ডিজিজ।

অস্থিমজ্জা থেকে রক্ত কণিকা তৈরি বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া।

নির্দিষ্ট ধরনের ওষুধ সেবন বা চিকিৎসা নেওয়া, বিশেষ করে ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশন থেরাপি।

বিষাক্ত পদার্থ যেমন সীসার সংস্পর্শে আসা।

কিছু জেনেটিক রোগ।

আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার হার আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি। নারীদের মধ্যে এর হার পুরুষের তুলনায় বেশি। বাংলাদেশে নারীদের গর্ভাবস্থায় আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি যার কারণে বেড়ে যায় মাতৃমৃত্যুর হার। শিশুদের মধ্যেও এর হার যথেষ্ট বেশি।

আয়রনের ঘাটতির কারণ: আয়রনের ঘাটতি হওয়ার প্রধান কারণ অপুষ্টি। খাদ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন না থাকলে আয়রনের অভাব দেখা দেয়। গর্ভাবস্থায় এবং শিশুদের বেড়ে ওঠার সময় বাড়তি আয়রনের প্রয়োজন। কিন্তু দেখা যায় সেই অনুযায়ী গর্ভবতী মায়েদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হয় না। কিছু পরিবারে গর্ভবতী মায়েদের কম খেতে দেওয়া হয়। যেসব নারী অতিরিক্ত ঋতুস্রাবজনিত সমস্যায় ভোগেন, পেপটিক আলসার, কৃমি, পাইলস, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার ওষুধ সেবন, ইত্যাদি কারণে দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ হলে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা হতে পারে।

জীবনের বিভিন্ন ধাপে আপনার রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তাই এর লক্ষণগুলো শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা এবং প্রতিকারে মনোযোগ দিন।

Source: corona.gov.bd

07/01/2022

* বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

* চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

* পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

* পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

* মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

* ছয়টি জিনিসের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

* সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

* পাঁচটি জিনিস কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে পানি পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

*সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন*
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”

- #সংগৃহীত

01/01/2022
এই যে এত "লো কার্ব ", "নো কার্ব " করেন, আপনি জানেন কি, এই "কার্ব" শব্দটার অর্থ কি ? কার্ব বা কার্বোহাইড্রেট কাকে বলে? - ...
28/10/2021

এই যে এত "লো কার্ব ", "নো কার্ব " করেন, আপনি জানেন কি, এই "কার্ব" শব্দটার অর্থ কি ? কার্ব বা কার্বোহাইড্রেট কাকে বলে?

- কার্বহাইড্রেট মূলত ৩টি গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপকে রিপ্রেজেন্ট করে,
১. সুগার ২. স্টার্চ ৩. ফাইবার

কিন্তু অনেকের ধারনা কার্ব মানেই সুগার। আবার অনেকেই মনে করেন, এটি কম খেলে অথবা না খেলেই চলে।
হ্যা, অবশ্যই কোন কিছু অতিরিক্ত ভালো না। আর বর্তমান বাজার রিফাইন কার্বের তৈরী খাবারে ভরপুর৷ সেগুলো এভয়েড করা জরুরী। রিফাইন ছাড়া শস্য জাতীয় কার্ব (whole grain) বাছাই করতে হবে, যেগুলো প্রকৃতি থেকে খুব কম প্রসেসিং এর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। যেমনঃ লাল চাল, লাল আটা, ওটস, লাল চিড়া ও খই, লাল চালের মুড়ি ইত্যাদি। আরো আছে বার্লি, ভুট্টার ছাতু, কাওনের চাল, মিলেট শস্য ইত্যাদি । দুধ, কিছু ফল ও সবজিতেও কার্ব থাকে।

☢️ আবার ভাত-রুটিকে যারা শত্রু মনে করেন, আপনারা জানেন কি? এই ভাত রুটিতে কার্ব ছাড়াও অন্যান্য দরকারী ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে?
জানেন, বাংলাদেশের কত ভাগ মানুষ কোন চালের ভাত খায়?
আরো জানেন, রিফাইন চাল থেকেও যত টুকু পুষ্টি উপাদান পাওয়ার কথা, ভাতের মার ফেলে দেয়ার কারনে সেটুকু থেকেও তারা বঞ্চিত?

➡️ তাই আগে জানুন, রিফাইন কার্ব কোনগুলো আর কেন এগুলো আমাদের জন্য ভালো নয়।

🚸🚸 আর আলাদা করে সংক্ষেপে যদি জানতে চান, সুগার কি আর কোন কোন খাবারে সুগার থাকে, তাহলে পুরো লেখাটাতে একবার চোখ বুলাতে পারেন।

♻️সুগারঃ
সুগার খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে ব্লাডে চলে যায়। তারাতারি শক্তি দেয়। অতিরিক্ত হলে বিপদ। আবার বিপদে কখনো সুগার জীবন বাঁচায়, যেমনঃ হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা রক্তে সুগার একেবারে কমে গেলে।
আমরা খাবার থেকে দুভাবে এই সুগার পেয়ে থাকিঃ
✔️প্রকৃতি থেকে সরাসরি- দুধ ও ফল থেকে
✔️আর সুগার বা চিনি যোগ করা খাবার থেকে - মিষ্টি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার, জুস, বেকারির খাবার, ক্যান্ডি, চকোলেট, আইস্ক্রিম, সোডা বা সফট ড্রিংক্স ইত্যাদি।
আমাদের দেহে সুগার একই ভাবে শক্তি দিলেও, প্রকৃতি থেকে পাওয়া সুগারের সাথে ভিটামিন, খনিজ উপাদান, আর কখনো কিছু ফাইবার পাওয়া যায়।
সুগারের অনেক নামঃ
চিনি(sugar), গুর (molasses), মধু, ডেক্সট্রোস, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ, ক্যান সিরাপ, কর্ন সিরাপ, নেকটার (agave necter)
⭕খাবারের লেবেলে এগুলোর কোনটি লেখা থাকলে বুঝে নিবেন, সেই খাবারে সুগার আছে।

সুগার এভয়েড করতে চাইলে আপনাকে সুগার যোগ করা খাবার গুলো এভয়েড করতে হবে সবার আগে। আর রিফাইন খাবারগুলো (রিফাইন্ড চাল, সাদা আটা ও ময়দার তৈরি খাবার , ইন্সট্যান্ট নুডুলস ও পাস্তা) এভয়েড করতে হবে।

♻️স্টার্চঃ
স্টার্চকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট বলে৷ এটি হজম হতে সময় নেয়। ফলে রক্তের সুগার লেভেল ঠিক থাকে, খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায় না। এবং খুব তাড়াতাড়ি ক্ষিধেও লাগে না।
বিশেষ করে শস্যদানায় ভালো পরিমানে স্টার্চ পাওয়া যায়ঃ যেমন - লাল চাল, লাল আটা ও লাল আটা দিয়ে তৈরি খাবার, ব্রাউন পাস্তা, ওটস, লাল চিড়া ও মুড়ি ইত্যাদি।
এছাড়া আলু, কিছু সবজি ও ফলে পাওয়া যায়।
ডাল, বিচি জাতীয় সব্জিতে ভালো পরিমানে স্টার্চ থাকে।

♻️ফাইবারঃ
ফাইবারকেও কমপ্লেক্স কার্ব বলে। প্লান্ট সোর্স ছাড়া ফাইবার পাওয়া সম্ভব না। অর্থাৎ দুধ, মাছ, মাংস, ডিম থেকে ফাইবার পাওয়া যাবে না।
ফাইবার আমাদের দেহ ভাঙতে পারবে না। কিন্তু ফাইবার অত্যাবশ্যকীয় অর্থাৎ খেতে হবেই। কারন এর উপকার এককথায় বলে শেষ করা যাবে না। শুধু বলবো, যে কারনে মানুষ কার্ব খেতে চায় না, সেই কারনেই এই ফাইবার নামক কার্ব খেতে হয়।
✅ফাইবার শরীরে শোষণ না হলেও আমাদের হজম প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভুমিকা রাখে।
✅যাদের ওজন বেশি তাদের জন্য ভালো।
✅যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রনে কাজ করে।
✅আবার যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা লিপিড প্রফাইল ঠিক নেই, তাদের জন্যেও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।
✅✅এককথায় বলা যায়, সুস্থ থাকতে হলে ফাইবার নামক কার্ব খেতে হবে।
একজন মানুষের প্রতিদিন ২৫ - ৩০ গ্রাম ফাইবার গ্রহন করা উচিত।
আর এই ফাইবার আছে শস্য জাতীয় খাদ্যে, চাল, আটা, ওটস, ডাল, বাদাম, বিচি জাতীয় সবজি, শাক, সবজি ও ফলে। বেশি ভালো পরিমানে পেতে হলে লাল চাল, লাল আটা, লাল চিড়া, মুড়ি, খই, মিল্লেট শস্য, ওটস, শাক এবং খাওয়া যায় এমন খোসা সহ সবজি ও ফল খেতে হবে।

☢️প্রতিদিন কতটুকু কার্ব খাবেনঃ

কতটুকু কার্ব খাবেন, তা নির্ভর করে - আপনার বয়স, কেমন কাজ করেন, ওজন, উচ্চতা, শারিরীক অবস্থার উপর।
কিন্তু আপনার প্লেট কেমন হবে এটা USDA নির্দেশ করে দিয়েছে। যা থেকে বোঝা যায় কার্ব কেমন খাওয়া উচিত।
সংক্ষেপেঃ
➡️আপনার প্লেটের অর্ধেক শাক/সবজি ও ফল থাকবে।
➡️চার ভাগের একভাগে থাকবে শস্য জাতীয় খাবার।
➡️অন্য চার ভাগের এক ভাগে থাকবে প্রোটিন। যেমনঃ মাছ, মাংস, ডাল, ডিম ও দুধ বা দই।
এখানে সবকিছুই ব্যাক্তির চাহিদার উপর নির্ভর করে। ফাইবার ও আরও বিশেষ কিছু সুবিধার জন্য নিয়মিত ও পরিমান মত ডাল খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। (শুধু বিশেষ কিছু অসুখে ডাল ও বিচি জাতীয় সবজি ও ফল খেতে নিষেধ করা হয়, যেমনঃ কিডিনির রোগ।)

বিঃদ্রঃ সময় স্বল্পতার কারনে অনেক কার্ব সমৃদ্ধ খাবার নিয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। পরবর্তী কোন লেখায় তুলে ধরবো, ইনশাআল্লাহ!
ছবিঃ সংগ্রহীত, তাই ছবিতে কিছু বিদেশি খাবার আছে, যা আমাদের দেশে সচরাচর পাওয়া যায় না। তবে মনে হয়, যা বোঝাতে চেয়েছি, সংক্ষেপে তা বোঝাতে পেরেছি। 🙂

ধন্যবাদ।

- পুষ্টিবিদ রিজওয়ানা হোসেন।

02/07/2021

👉👉বর্ষার দিন আমাদের ফ্যাটি খাবারের প্রতি ক্রেভিংস বেড়ে যায় এর প্রধান কারণ হলো বৃষ্টির দিনে সূর্যের আলো হঠাৎ কমে যাওয়ায় আমাদের সেরোটোনিন লেভেল কমে যায় আর সেরোটোনিন একটি নিউরো ট্রান্সমিটার যা প্রাকৃতিক ভাবে আমাদের ক্ষুধা কন্ট্রোল করে।

👉👉অন্যদিকে ফ্যাটি খাবারে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান যা সেরোটোনিন বৃদ্ধি করে,তাই শরীরে ভারসাম্য রক্ষার জন্য আমাদের ফ্যাটি খাবার যেমন সমুচার মত খাবারের ক্রেভিংস হয়।

10/06/2021

🥭🥭আম খেলে ঘুম কেন আসে?

🥭আমে ভিটামিন-এ ও সি ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন বি বা পাইরোডক্সিন যা সেরোটোনিন সিনথেসিসে সাহায্য করে।
সেরোটোনিন আমাদের বডিতে মেলাটোনিন উৎপাদন করে এতে আমাদের ঘুম ঘুম ভাব হয়।

🥭এছাড়া আম ট্রিপটোফ্যান নামক একটি প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিডের একটি ভাল উৎস, এই ট্রিপটোফ্যানও সেরোটোনিন সিনথেসিস করে থাকে ও ঘুম ভাব সৃষ্টি করে।

🥭আমে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকায় পেশী রিলাক্স হয় ও দুশ্চিন্তা দূর হয় বলেও ঘুম আসে।

👉👉যাদের রাতে ঘুম না হওয়ার সমস্যা রয়েছে তারা রাতের খাবারে ১/২ কাপ আম খেতে পারেন।

-পুষ্টিবিদ আয়শা সিদ্দিকা

10/01/2021

গত এক বছরে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েছে দেশের মানুষ |

■সময় সংবাদ।

06/10/2020

Health Benefits of

🔹 Almond Contain lots of healthy fats, fiber, protein, magnesium and vitamin E
🔹 Almonds are a fantastic source of Antioxidants.
🔹 Almonds are High in Vitamin E.
🔹 Eating Almonds Reduces Hunger, Lowering Your Overall Calorie Intake.
🔹 Almonds can Lower Cholesterol Levels.
🔹 They can also Reduce hunger and Promote weight loss.
🔹 All things considered, Almonds are as close to perfect as a food can get.

24/09/2020

Key Nutrients You Need


Helps to build strong bones and teeth. Main sources include milk, cheese, yogurt, and sardines. During pregnancy you need 1,000 milligrams (mg) daily.


Helps red blood cells deliver oxygen to your baby. Sources include lean red meat, dried beans, peas, and iron-fortified cereals. During pregnancy you need 27 mg daily.


You need this vitamin for healthy skin, eyesight, and bone growth. Carrots, dark, leafy greens, and sweet potatoes are good sources. During pregnancy you need 770 micrograms daily.


Promotes healthy gums, teeth, and bones, and helps your body absorb iron. Good sources include citrus fruit, broccoli, tomatoes, and strawberries. During pregnancy you need 85 mg daily.


Aids your body in the absorption of calcium to help build your baby’s bones and teeth. Sources include exposure to sunlight, fortified milk, and fatty fish, such as salmon. During pregnancy you need 600 international units (IUs) daily.


Important in the production of blood and protein, it also reduces the risk of neural tube defects (a birth defect of the brain and spinal cord). You can find folate in green, leafy vegetables, liver, orange juice, legumes (beans, peas, lentils), and nuts.

You must get at least 400 micrograms of folate daily before pregnancy and during the first 12 weeks of pregnancy to reduce the risk of neural tube defects.

During pregnancy, nutritionists recommend you get 600 micrograms daily.

02/08/2020

ঈদে আমাদের মাংস খাওয়া নিয়ে রয়েছে নানান ভ্রান্ত ধারনা।বিশেষ করে কুরবানি পশুর বিভিন্ন অংশের মাংস নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মতামত। কেউ বলে একেবারে খাওয়া ঠিক না, আবার কেউ বলে একদিন বেশি খেলে কিছু হবে না, আবার অনেকেই বলে কুরবানির মাংসে অনেক বরকত, ইচ্ছামত খেলেও কিছু হবে না।
কিন্তু তাই বলে কি ভোজন বিলাসিদের খাওয়ায় কোন পরিবর্তন আসে?
কুরবানী পশুর কলিজা, ভুড়ি, ঘিলু খুবই জনপ্রিয় আমাদের দেশের মানুষের কাছে। এসব খাবার আমাদের দেশে যুগ যুগ ধরে অনেক মুখোরচক খাবার হিসেবে পরিচিতি পেয়ে আসছে। কিন্তু এ নিয়ে ভ্রান্ত ধারনারো শেষ নেই।
অনেকেই যেমন মনে করে গরুর মাংসের চেয়ে খাসির মাংসে ফ্যাট বেশি, তেমনি অনেকের ধারনা ভুড়ি খেলে ফ্যাট বাড়ে, আবার অনেকের ধারনা কলিজা ইচ্ছা মত খাওয়া যাবে। আমার কাছে সবচেয়ে মজার বিষয় মনে হয়, "ঘিলু খেলে নাকি ঘিলু বাড়ে মানে বুদ্ধি বাড়ে!" ভাবা যায়!!
যাই হোক, পশুর বিভিন্ন অংশের আলাদা করে কিছু পুষ্টি গুন ও স্বাস্থ্য ঝুকি নিয়ে সংক্ষেপে কিছু বলি...

#গরু_ও_খাসির_মাংস

অনেকের ধারনা খাসির মাংসে গরুর মাংসের চেয়ে ফ্যাট বেশি। কিন্তু আমাদের দেশে অনেকেই খাসি মাংসকে এভয়েড করলেও সামর্থ ও পছন্দ অনুযায়ী খাসি বা ছাগল কুরবানি দিয়ে থাকে। এখন কথা হচ্ছে, আসলেই কি খাসির মাংসে ফ্যাট বেশি!? কিন্তু যদি ফ্যাটের অংশ ফেলে দেয়া হয় তাহলে?
- হ্যা, ফ্যাটের অংশ ফেলে দিয়ে রান্না করলে খাসি আর গরুর মাংসের পুষ্টিতে খুব একটা পার্থক্য থাকে না।

১০০ গ্রাম হার চর্বি ছাড়া গরু ও ছাগলের মাংসে ফ্যাটের পরিমান যথাক্রমে ২.৩ ও ৩.৬ গ্রাম। তাই ক্যালরিতেও খুব একটা পার্থক্য নেই। একই পরিমান খাসির মাংসে প্রায় ১৫ kcal বেশি। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও প্রায় কাছাকাছি পরিমানে থাকে। তবে খাসির মাংসে ক্যালসিয়ামের পরিমান অনেক বেশি, প্রায় ১২ মিলিগ্রাম, যেখানে একই পরিমান গরুর মাংসে ৪ মিলিগ্রাম।

#কলিজা
প্রচলিত ধারনা অনুযায়ী সবাই মনে করেন কলিজাতে প্রচুর আয়রন আছে। এবং যত ইচ্ছা খাওয়া যায়।
কিন্তু আসলে এই ধারনা সঠিক নয়। পশুর মাংসের সাথে কলিজার ক্যালরি ও আয়রনের পরিমানে খুব একটা পার্থক্য নেই। একই পরিমান গরুর কলিজাতে আয়রনের পরিমান প্রায় ১.৫ গ্রাম বেশি।

কলিজাতে প্রচুর ভিটামিন এ থাকে, ১০০ গ্রামে প্রায় ৪৯৬৮ মাইক্রগ্রাম। যার কারনে বিশেষজ্ঞরা অতিরিক্ত ভিটামিন এ টক্সিসিটির জন্য পরিমিত খাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে থাকে।

মাংসের চেয়ে কলিজাতে সব ধরনের ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের পরিমান বেশি থাকে, যেমন বি ভিটামিন গুলো বেশি থাকে, বিশেষ করে ফোলেট(২৯০ mcg), যা রক্ত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। খনিজ উপাদানের মধ্যে ফসফরাসের পরিমান বেশি থাকে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

একই পরিমান গরুর সলিড মাংসের চেয়ে কলিজাতে বেশি ক্যালোরি থাকে, তাই অতিরিক্ত খেলে অসুবিধাও বেশি।

#ভুড়ি বা বটঃ
আমাদের দেশিয় খাবারের মধ্যে একটি মুখরোচক খাদ্য হচ্ছে ভুড়ি। অনেকের কাছেই এটি অতি প্রিয় খাদ্য।
কিন্তু এই ভুড়ি নিয়ে রয়েছে নানান ধরনের আলোচনা-সমালোচনা। ভুড়ি মানেই মনে করেন এটা পুড়োটাই চর্বি। আবার অনেকে মনে করেন, কুরবানি পশুর ভুড়ি ইচ্ছামত খাওয়া যাবে, এই ভেবে অতিরিক্ত খেয়ে থাকে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতামত ভিন্ন। ভুড়িকে ফ্যাট মুক্ত করে পরিমিত পরিমান খাওয়া যাবে। কারন ভুড়ি পুরোটা ফ্যাট না।
ভুড়ি পরিস্কারের সময় যথা সম্ভব ফ্যাট বাদ নিলে এবং সেদ্ধ পানিটা ফেলে দিয়ে রান্না করার ফলে ভুড়ি খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুকি অনেক কমে যায়।
এটি মুলত পশুর পাকস্থলী সহ পরিপাক নালী, যার তিনটি ভাগ আছে। প্রত্যেক ভাগে বিভিন্ন পরিমানে ফ্যাট থাকতে পারে।
তবে এতে উপকারী পুষ্টি উপাদানও থাকে, যেমনঃ

উল্লেখযোগ্য পরিমানে সেলেনিয়াম থাকে, এবং B12 ও জিংক থাকে, যা আমাদের দেহের জন্য দরকারী। বিশেষ করে ইমিউন ফাংশনের জন্য জরুরি।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানের মধ্যে আয়রন, ক্যলসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস থাকে।
কিন্তু ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল থাকায় এটি অতিরিক্ত খাওয়ার ব্যাপারে সাবধানতা আছে। বছরে একদিন বা দুই দিন পরিমিত পরিমান খাওয়া যাবে।

#বিশেষ_সাবধানতাঃ
💁১. মুল সমস্যাটা হচ্ছে খাওয়ার পরিমানে। এক সার্ভিং এ অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। সারাদিনে দুই সার্ভিং এর বেশি খাওয়া উচিত হবে না। ৮০ গ্রামের বেশি খেলেই তা হবে অতিরিক্ত। অর্থাৎ ৪ - ৬ টুকরো। যারা গ্রামের হিসাব জানেন না, তাদের জন্য হাতের তালু দিয়ে বোঝানো হয়ে থাকে৷ 🖐 সেক্ষেত্রে এক তালুর সমান পরিমাণের অধিক কখনোই খাওয়া ঠিক হবে না।

💁২. এক সার্ভিংএ এক ধরনের মাংস রেখে সাথে অন্যান্য খাবার রাখা উচিৎ, বিশেষ করে সব্জি ও সালাদ।🍆🌽🌶🍑🍈🍋🍐

💁৩. ডেজার্ট হিসেবে পরিমিত পরিমানে রাখা ভালো।

💁৪. যারা আশংকা মুক্ত নয়, যাদের বিভিন্ন রোগ আছে, যেমনঃ পেটের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনির রোগ, লিভারের রোগ, ফ্যাটিলিভার আছে অথবা এসব রোগের প্রাথমিক লক্ষন আছে, তাদের বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে মাংস গ্রহন করতে হবে।

সবাইকে ঈদ মুবারক 🙂

-Healthy living with Rezwana

01/08/2020

মাংস খাওয়ার
আগে ও পরে

আগে
√ রান্নার আগে মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ফেলে দিন।
√রান্নায় পরিমাণে কম তেল ব্যবহার করুন৷
√৮০ ডিগ্রি সেন্ট্রিগ্রেড তাপমাত্রায় ধীরে ধীরে মাংস রান্না করা উচিত।
√ অবশ্যই মাংসের সঙ্গে প্রচুর শাক-সবজি,ফলমূল রান্না করা উচিত।

পরে

√প্রচুর পানি,ফলের রস পান করুন যা হজমে সাহায্য করবে।
√বাড়তি ক্যালরি সামলাতে হাঁটাহাঁটি করুন।

Address

Gazipur
1703

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diet Trencher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Diet Trencher:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category