Dr. Fahmida Mahbuba Bonna

Dr. Fahmida Mahbuba Bonna It's the page for medical information.
(1)

02/03/2026

গর্ভাবস্থায় কি কি কাজ এড়িয়ে চলবেন?

ভ্রূণ (Fetus) সম্পর্কে ১০টি  তথ্য -১। শুরু: গর্ভাবস্থার ৯ম সপ্তাহ থেকে ভ্রূণ বা 'ফিটাস' পর্যায় শুরু হয়।২। অঙ্গ: প্রধান অ...
02/03/2026

ভ্রূণ (Fetus) সম্পর্কে ১০টি তথ্য -

১। শুরু: গর্ভাবস্থার ৯ম সপ্তাহ থেকে ভ্রূণ বা 'ফিটাস' পর্যায় শুরু হয়।
২। অঙ্গ: প্রধান অঙ্গগুলো তৈরি হয়ে যায় এবং ক্রমাগত বড় ও পরিপক্ক হয়।
৩। হার্টবিট: হৃৎস্পন্দন মিনিটে প্রায় ১১০–১৬০ বার হয়ে থাকে।
৪। নড়াচড়া: প্রথম তিন মাসেই নড়াচড়া শুরু করে, তবে মা পরে বুঝতে পারেন।
৫। শোনা: ১৬–২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা বাইরের শব্দ শুনতে পায়।
৬। নখ: দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে হাত ও পায়ের ছোট ছোট নখ গজায়।
৭। অনুশীলন: ভ্রূণ তরল গিলতে পারে এবং শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করে।
৮। চোখ: তৃতীয় ত্রৈমাসিকে বাচ্চা চোখের পাতা খুলতে পারে।
৯। মস্তিষ্ক: পুরো সময়জুড়ে মস্তিষ্কের বিকাশ খুব দ্রুত গতিতে চলে।
১০। জন্ম: ৩৯–৪০ সপ্তাহে বাচ্চা সম্পূর্ণ তৈরি এবং জন্মের জন্য প্রস্তুত হয়।

গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ-গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহে অনেক নারী স্পষ্ট লক্ষণ অনুভব করতে পারেন না, কারণ বাচ্চা এখন...
02/03/2026

গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহের লক্ষণ-

গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহে অনেক নারী স্পষ্ট লক্ষণ অনুভব করতে পারেন না, কারণ বাচ্চা এখন খুব ছোট এবং শরীর নতুন পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে।

🟢 সাধারণ লক্ষণ

🔹 হালকা মাসিকের অনিয়ম বা বন্ধ – সবচেয়ে সহজ লক্ষ্য।
🔹 হালকা টান বা ব্যথা পেটে – ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে বের হওয়ার সময় হালকা ব্যথা হতে পারে।
🔹 স্লিপি বা ক্লান্তি – হরমোন পরিবর্তনের কারণে শারীরিক শক্তি কমে যেতে পারে।
🔹 বুক বা স্তনের স্পর্শকাতরতা – স্তনে ফুলে যাওয়া বা টান অনুভূত হতে পারে।
🔹 হালকা মুড চেঞ্জ বা মানসিক পরিবর্তন – হরমোনের ওঠা-নামার প্রভাব।

🟢 করণীয়

🔹 নিজের চক্র ও লক্ষণগুলো নোট করুন
🔹 পুষ্টিকর খাবার খান এবং বিশ্রাম নিন
🔹 যদি মাসিক এক বা দুই সপ্তাহ না আসে, গর্ভনিরীক্ষার জন্য টেস্ট করুন
🔹 ডাক্তার পরামর্শ নিন এবং অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়া এড়ান

আপনি কি প্রথম সপ্তাহেই কোনো লক্ষণ লক্ষ্য করেছেন? কমেন্টে শেয়ার করুন।


গর্ভাবস্থায় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত:১️. প্রসবপূর্ব ভিটামিন নিয়মিত না খাওয়া▪️ ফলিক অ্যাসিড শিশুর মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর...
02/03/2026

গর্ভাবস্থায় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত:

১️. প্রসবপূর্ব ভিটামিন নিয়মিত না খাওয়া
▪️ ফলিক অ্যাসিড শিশুর মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডের সঠিক গঠনে সাহায্য করে।
▪️ আয়রন রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
▪️ ক্যালসিয়াম শিশুর হাড় ও দাঁতের গঠনে প্রয়োজন।
▪️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভিটামিন বন্ধ করবেন না।

২️. পর্যাপ্ত পানি পান না করা
▪️ ডিহাইড্রেশন হলে মাথা ঘোরা ও দুর্বলতা হতে পারে।
▪️ পর্যাপ্ত পানি অ্যামনিওটিক ফ্লুইডের ভারসাম্য রক্ষা করে।
▪️ দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।
▪️ বেশি গরমে বা বমি হলে পানির পরিমাণ বাড়াতে হতে পারে।

৩️. অস্বাভাবিক লক্ষণ উপেক্ষা করা
▪️ তীব্র মাথাব্যথা
▪️ হঠাৎ মুখ, হাত বা পা ফুলে যাওয়া
▪️ ঝাপসা দেখা
▪️ শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া
▪️ রক্তপাত বা তীব্র পেটব্যথা
এসব হলে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

৪️. ৫ মাসের পর চিত হয়ে ঘুমানো
▪️ পিঠের ওপর ভর দিয়ে শুলে বড় রক্তনালীর ওপর চাপ পড়ে।
▪️ এতে শিশুর রক্তপ্রবাহে প্রভাব পড়তে পারে।
▪️ বাম কাত হয়ে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো।
▪️ পায়ের মাঝে ও পিঠে বালিশ দিলে আরাম পাবেন।

৫️. ইন্টারনেটে অতিরিক্ত খোঁজাখুঁজি করা
▪️ সব তথ্য সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
▪️ অযথা ভয় ও মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে।
▪️ নিজের উপসর্গ অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

৬️. নিয়মিত চেকআপ এড়িয়ে যাওয়া
▪️ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অ্যান্টেনাটাল ভিজিট জরুরি।
▪️ রক্তচাপ, ওজন, রক্তপরীক্ষা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
▪️ শিশুর বৃদ্ধি ও অবস্থান জানতে আল্ট্রাসাউন্ড গুরুত্বপূর্ণ।

01/03/2026

গর্ভাবস্থায় সিড়ি ভাঙা? ধীরে রেলিং ধরে উঠুন।
সমস্যা থাকলে আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেন।

গর্ভাবস্থার শেষ ত্রৈমাসিকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ থাকা ও নিরাপদ প্রসবের জন্য নিচের সহজ নিয়মগুলো মেনে চলুন:▪️ পর্যাপ্ত...
01/03/2026

গর্ভাবস্থার শেষ ত্রৈমাসিকটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ থাকা ও নিরাপদ প্রসবের জন্য নিচের সহজ নিয়মগুলো মেনে চলুন:

▪️ পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম: দিনে ২ ঘণ্টা আর রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
▪️ বামের দিকে শোয়া: মা ও শিশুর রক্ত সঞ্চালনের জন্য নিরাপদ।
▪️ ভারী কাজ এড়িয়ে চলা: ভারি পানি তোলা বা আসবাবপত্র সরানো বন্ধ।
▪️ পুষ্টিকর খাবার: ছোট ছোট খাবার বারবার খেয়ে প্রচুর পানি পান করুন।
▪️ শিশুর নড়াচড়া খেয়াল করা: কিক কম হলে ডাক্তারকে জানান।
▪️ দূরপথ বা ঝাকুনি লাগে এমন ভ্রমণ এড়িয়ে চলা।
▪️ প্রসবের প্রস্তুতি: হাসপাতালের ফাইল, যাতায়াতের ব্যবস্থা ও রক্তের গ্রুপের ডোনার আগে থেকেই ঠিক রাখুন।

শেয়ার্ড প্লাসেন্টা (Shared Placenta) কী?যখন গর্ভের দুই যমজ শিশু একটি মাত্র প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল ভাগাভাগি করে বড় হয় তাক...
01/03/2026

শেয়ার্ড প্লাসেন্টা (Shared Placenta) কী?

যখন গর্ভের দুই যমজ শিশু একটি মাত্র প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল ভাগাভাগি করে বড় হয় তাকে শেয়ার্ড প্লাসেন্টা বলে। এটি সাধারণত অভিন্ন (Identical) যমজদের ক্ষেত্রে ঘটে।

১. কারণ
▪️একটি নিষিক্ত ডিম্বাণু দেরিতে বিভক্ত হওয়া।
▪️দুই শিশুর জন্য আলাদা প্লাসেন্টা তৈরি না হওয়া।

২. ঝুঁকি
▪️অসম বণ্টন: এক শিশু বেশি পুষ্টি পায়, অন্যজন কম।
▪️TTTS সিনড্রোম: রক্তনালির সংযোগে এক শিশুর রক্ত অন্যজনের শরীরে চলে যাওয়া।

জটিলতা: শিশুর বৃদ্ধি কমে যাওয়া বা সময়ের আগে প্রসবের ঝুঁকি।

৩. শনাক্তকরণ
▪️আল্ট্রাসাউন্ড: শিশুর ওজন ও পানির পরিমাণ পরীক্ষা।
▪️ডপলার স্টাডি: রক্তপ্রবাহের গতি পর্যবেক্ষণ।

৪. ব্যবস্থাপনা
▪️ফলোআপ: ১৬ সপ্তাহের পর প্রতি ২ সপ্তাহ অন্তর চেকআপ।
▪️চিকিৎসা: প্রয়োজনভেদে লেজার থেরাপি বা বিশেষ ফ্লুইড ম্যানেজমেন্ট।

৫. বিশেষ নোট

▪️সব ক্ষেত্রে জটিলতা হয় না।
▪️বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণে থাকলে সুস্থ সন্তান সম্ভব।

গর্ভাবস্থার অষ্টম মাস (২৯-৩২ সপ্তাহ)-অষ্টম মাসে আপনার শরীর প্রসবের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। একনজরে দেখে নিন এই স...
01/03/2026

গর্ভাবস্থার অষ্টম মাস (২৯-৩২ সপ্তাহ)-

অষ্টম মাসে আপনার শরীর প্রসবের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। একনজরে দেখে নিন এই সময়ের মূল বিষয়গুলো:

সাধারণ উপসর্গ-

ক্লান্তি: শরীর ভারী হওয়ায় দ্রুত হাঁপিয়ে যাওয়া।
পিঠে ব্যথা: বাড়তি ওজনের কারণে মেরুদণ্ডে চাপ।
ফোলা ভাব: হাত ও পায়ে হালকা পানি আসা।
ফলস পেইন: মাঝেমধ্যে জরায়ুর হালকা সংকোচন (ব্র্যাক্সটন হিকস)।

শরীরের পরিবর্তন-

দ্রুত বৃদ্ধি: শিশুর আকার ও ওজন দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া।
শ্রোণীতে চাপ: শিশু নিচের দিকে নামায় পেলভিসে চাপ অনুভব।

28/02/2026

গর্ভাবস্থায় ঘুমানোর আগে পা ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলো জেনে নিন।
#গর্ভাবস্থায়
#পা_ব্যথা


#মা_ও_বেবি


#সচেতনতা

প্রসবের আগে হঠাৎ ক্লান্ত লাগে কেনো?প্রসবের সময় যত কাছে আসে, মায়ের শরীরে অনেক বড় পরিবর্তন হয়। এই কারণে হঠাৎ খুব ক্লান্ত ব...
28/02/2026

প্রসবের আগে হঠাৎ ক্লান্ত লাগে কেনো?

প্রসবের সময় যত কাছে আসে, মায়ের শরীরে অনেক বড় পরিবর্তন হয়। এই কারণে হঠাৎ খুব ক্লান্ত বা দুর্বল লাগা স্বাভাবিক একটি লক্ষণ।

কারণগুলো হলো—

• শরীর প্রসবের জন্য প্রস্তুত হতে বেশি শক্তি ব্যবহার করে
• হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এনার্জি কম লাগে
• রাতে ঘুম কম হওয়া বা অস্বস্তি হওয়া
• বেবির ওজন বেড়ে যাওয়ায় শরীরে বেশি চাপ পড়া
• মানসিক দুশ্চিন্তা বা টেনশন থাকা

এটা অনেক সময় শরীরের একটি সংকেত যে প্রসবের সময় কাছাকাছি। তাই এই সময় বেশি বিশ্রাম নিন, পুষ্টিকর খাবার খান এবং নিজের যত্ন নিন।

#প্রসব #প্রসবের_লক্ষণ #গর্ভাবস্থা #মাতৃত্ব #ডেলিভারি #গর্ভবতী #মা_হওয়ার_প্রস্তুতি

জন্ম থেকে ২৮ দিন—শিশুর জীবনের সবচেয়ে সংবেদনশীল সময় ।একটি নবজাতক পৃথিবীতে আসে অসীম সম্ভাবনা নিয়ে…কিন্তু তার জীবনের প্র...
28/02/2026

জন্ম থেকে ২৮ দিন—শিশুর জীবনের সবচেয়ে সংবেদনশীল সময় ।

একটি নবজাতক পৃথিবীতে আসে অসীম সম্ভাবনা নিয়ে…
কিন্তু তার জীবনের প্রথম ২৮ দিনই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।
এই সময়ে সঠিক যত্নই পারে একটি প্রাণ বাঁচাতে।

চলুন জেনে নেই নবজাতকের অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো—

১). জন্মের সাথে সাথে মায়ের বুকে রাখুন
শিশুকে মুছে শুকিয়ে,
মায়ের বুকে ত্বক-ত্বক সংস্পর্শে রাখুন।
এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকে,
বন্ধন তৈরি হয়,
এবং বুকের দুধ দ্রুত শুরু হয়।

২). জন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে শালদুধ (কলোস্ট্রাম) খাওয়ান
এই প্রথম দুধই শিশুর প্রথম টিকা ।
এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৩). জন্মের ২৪ ঘণ্টার আগে গোসল করাবেন না
এতে শিশুর শরীর ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে।

৪). নাড়ির সঠিক যত্ন নিন
নাড়ি কাটা হওয়ার ৬ ঘণ্টার মধ্যে
কোনো কিছু লাগাবেন না—
শুধু পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন।

৫). কম ওজনের শিশুর বিশেষ যত্ন নিন
ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
প্রয়োজনে Kangaroo Mother Care (মায়ের বুকে রাখার পদ্ধতি) অনুসরণ করুন।

৬). শিশুর চোখ ও শ্বাসপ্রশ্বাস লক্ষ্য করুন
দ্রুত শ্বাস, বুক ভেতরে ঢুকে যাওয়া,
খাওয়াতে অনীহা—
এসব হলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান।

মনে রাখবেন—
নবজাতকের যত্ন মানে শুধু ভালোবাসা নয়,
সঠিক তথ্য ও সময়মতো সিদ্ধান্ত।
প্রতিটি পরিবার সচেতন হলে
নবজাতকের মৃত্যুহার অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আপনার পরিবারে নতুন অতিথি এসেছে?
এই তথ্যগুলো শেয়ার করে তাকে নিরাপদ রাখুন ।

#নবজাতকযত্ন
#প্রথম২৮দিন
#শালদুধ
#শিশুরসুরক্ষা

গর্ভাবস্থার মাসভিত্তিক সুন্দর গাইড:প্রথম মাস (১–৪ সপ্তাহ)-• নিষেকের মাধ্যমে নতুন প্রাণের সূচনা হয়।• শিশুটি এখন ক্ষুদ্র ক...
28/02/2026

গর্ভাবস্থার মাসভিত্তিক সুন্দর গাইড:

প্রথম মাস (১–৪ সপ্তাহ)-

• নিষেকের মাধ্যমে নতুন প্রাণের সূচনা হয়।
• শিশুটি এখন ক্ষুদ্র কোষের একটি গুচ্ছ মাত্র।
• বেশিরভাগ মা এখনো তেমন কোনো উপসর্গ বুঝতে পারেন না।

দ্বিতীয় মাস (৫–৮ সপ্তাহ)-

• ছোট্ট হৃদপিণ্ডে স্পন্দন শুরু হয়।
• মস্তিষ্ক, হাত-পা ও গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ গঠন পেতে থাকে।
• বমিভাব, দুর্বলতা বা খাবারে অরুচি দেখা দিতে পারে।

তৃতীয় মাস (৯–১২ সপ্তাহ)-

• শিশুটি এখন ভ্রূণ (ফিটাস) হিসেবে পরিচিত।
• আঙুল, পায়ের পাতা ও মুখমণ্ডলের আকৃতি স্পষ্ট হয়।
• গর্ভপাতের ঝুঁকি আগের তুলনায় কমে আসে।

চতুর্থ মাস (১৩–১৬ সপ্তাহ)-

• শিশু নড়াচড়া শুরু করলেও মা সবসময় তা টের নাও পেতে পারেন।
• মায়ের শক্তি ও স্বাভাবিক অনুভূতি কিছুটা ফিরে আসে।
• পেটের আকার ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হতে শুরু করে।

পঞ্চম মাস (১৭–২০ সপ্তাহ)-

• মা প্রথমবার শিশুর নরম নড়াচড়া অনুভব করেন।
• আল্ট্রাসাউন্ডে শিশুর লিঙ্গ জানা যেতে পারে।
• শিশু বাইরের শব্দ শুনতে সক্ষম হয়।

ষষ্ঠ মাস (২১–২৪ সপ্তাহ)-

• শিশু কণ্ঠস্বর বা শব্দে সাড়া দিতে শুরু করে।
• ফুসফুস ধীরে ধীরে পরিপক্বতার দিকে এগোয়।
• ত্বক পাতলা থাকলেও শরীরে চর্বি জমা শুরু হয়।

সপ্তম মাস (২৫–২৮ সপ্তাহ)-

• শিশুর চোখ খোলা-বন্ধ করার ক্ষমতা তৈরি হয়।
• মস্তিষ্ক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।
• তৃতীয় ট্রাইমেস্টারের সূচনা হয়।

অষ্টম মাস (২৯–৩২ সপ্তাহ)-

• শিশুর ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে।
• নড়াচড়া শক্তিশালী হয়, মায়ের পিঠে ব্যথা হতে পারে।
• অনেক সময় শিশু মাথা নিচের দিকে অবস্থান নেয়।

নবম মাস (৩৩–৪০ সপ্তাহ)-

• শিশু পূর্ণগর্ভ অবস্থায় পৌঁছে যায়।
• প্রায় সব অঙ্গ সম্পূর্ণ বিকশিত হয়।
• পৃথিবীতে আসার জন্য প্রস্তুত হয় নতুন প্রাণ।

Address

Gazipur
1701

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Fahmida Mahbuba Bonna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Fahmida Mahbuba Bonna:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram