25/01/2023
এগুলোই ছিলো আসল শিক্ষা ব্যবস্থা, যেটার পুরোটাই বাস্তব জীবনে কাজে লাগানো যেত।
১৯১৯ সালের ৩য় শ্রেণীর প্রশ্ন, আজকের দিনে এগুলো ভাবা যায়।
আর বর্তমানে আমাদের তথা কথিত বুদ্ধিজীবি ষাঁড়রা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে কি তুলে দিচ্ছে, নতুন পাঠ্যক্রমে সাম্প্রদায়িক বিষয় গুলোকে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মগজ দোলাই করা যায়, যুবসমাজকে দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানো যায়।
আর দারোইনের বিবর্তনবাদ থিওরির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে - যারা এর সম্পাদনায় ছিল হয়তো তাদের পুর্বোপুরুষরা ঐ প্রাণীদের বংশধর ছিল।
আধুনিক প্রেক্ষাপটে অবশ্যই শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার তবে সেটা আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে ধর্মকে সংঘর্ষিক করে,অপব্যাখ্যা ও অবৈজ্ঞানিক ভাবে নয়।