Dhaka College Psychology Society - DCPS

Dhaka College Psychology Society - DCPS *Empowerment * Creativity * Excellence *

*সমৃদ্ধি * সৃজনশীলতা * শ্রেষ্ঠত্ব *

The Department of Psychology at Dhaka College is an integral part of the institution, offering a platform for students to delve into the complexities of human behavior and mental processes. The department provides a conducive environment for academic growth and practical learning in the field of psychology. It fosters a community of individuals passionate about understanding the intricacies of the

human mind and behavior. Through its curriculum and activities, the Psychology Society at Dhaka College aims to nurture a deep understanding of psychological principles, research methodologies, and practical applications in the field. The society likely engages in various activities such as seminars, workshops, and research projects to enhance students' knowledge and skills in psychology.

"বাংলাদেশ এবং বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি Mental Disorder"মানসিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই সমান গু...
18/04/2026

"বাংলাদেশ এবং বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত পাঁচটি Mental Disorder"
মানসিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ, তবুও এটি থাকে আমাদের সকলের অবহেলায়। যার ফলাফল স্বরূপ Mental Disorder ব্যক্তি, পরিবার, কমিউনিটি এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO, 2021) মতে, বিশ্বব্যাপী প্রতি ৭ জনের মধ্যে প্রায় ১ জন মানুষ কোনো না কোনো Mental Disorder এ আক্রান্ত।
বিশ্বজুড়ে যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে জনসংখ্যার প্রায় "১২-১৫%" মানুষ Mental Disorder এ আক্রান্ত হয়। একটি মেটা-অ্যানালাইসিস গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১৯৮০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে প্রায় ২৯.২% মানুষ তাদের জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সাধারণ Mental Disorder এ আক্রান্ত হয়েছিল। কিন্তু হাতে গোনা অল্প কয়েকজন ব্যাক্তি ব্যাতিত বাকিরা জানেনই না যে সে Mental Disorder এ আক্রান্ত ছিল বা আছে। কারণটাও খুব ক্লিয়ার, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অসচেতনতা ও সাধারণ মানুষের এই সম্পর্কে ধারণা না থাকা।

বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Mental Disorder গুলো হলো:
১. Anxiety : ৩.৬ - ৪%
2. Depression : ৩.৮%
3. Substance Use Disorder : ১.২%
4. Bipolar Disorder : ১%
5. Schizophrenia : ০.৫%

WHO (২০২১) এর তথ্য অনুসারে, প্রায় প্রতি ৭ জনের মধ্যে ১ জন (প্রায় ১.১ বিলিয়ন মানুষ) Mental Disorder নিয়ে জীবনযাপন করছেন, যার মধ্যে বিষণ্ণতা (Depression) এবং দুশ্চিন্তা (Anxiety) সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে depression (২৯.৪%), anxiety (৪২.৪%) এবং mental stress (১৬.৪%) রয়েছে যার পরিমাণ অনেক বেশি এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্রমবর্ধমান mental disorder উদ্বেগের ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি:

বাংলাদেশে Mental Disorder গুলো অত্যন্ত প্রকট কিন্তু প্রায়শই তা গুরুত্ব পায় না। এ দেশে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে গবেষণা খুব কম হয়েছে। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (NIMH, ২০১৯) এর একটি মাত্র জরিপ রয়েছে। সেই জরিপ অনুযায়ী- দেশের প্রায় ১৮.৭% প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২.৬ - ১৩% শিশু বিভিন্ন Mental Disorder এ আক্রান্ত।
পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি আক্রান্ত, নারীদের হার ২১.৫% এবং পুরুষদের হার ১৫.৭%।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Mental Disorder গুলো হলো:

1. Depressive Disorder : ৬.৭%
2. Anxiety Disorder : ৪.৭%
3. Somatic Symptom Disorder : ২.৩%
4. Sleep-Wake Disorder : ১%
5. Schizophrenia : ১%

Anxiety ও Depression বাংলাদেশের সবচেয়ে কমন ডিসর্ডার। বিবিসি নিউজ বাংলা (২০২৪), এর মতো কিছু প্রতিবেদনে অন্যান্য সাধারণ ডিসর্ডার এর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: প্যানিক ডিসঅর্ডার, জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডার (GAD), অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (OCD), পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার, ADHD, ডিমেনশিয়া, একিউট স্ট্রেস ডিসঅর্ডার, বাইপোলার ডিসঅর্ডার এবং সিজোফ্রেনিয়া।
বৈশ্বিক ও বাংলাদেশের, উভয় ক্ষেত্রেই anxiety এবং Depressive disorder এ সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ সামাজিক কুসংস্কার (Stigma), সচেতনতার অভাব এবং মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় সীমিত সুযোগের মতো অন্যান্য অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রায় ৯০% কোনো চিকিৎসাই পান না। এর মধ্যে অনেক বড় একটা সংখ্যা এমন, যারা জানেনই না যে তারা ডিসর্ডারে আক্রান্ত। তাই আমাদের এই বিষয় নিয়ে আরো বেশি সচেতন হতে হবে, সাধারণ মানুষ পর্যন্ত মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বোঝাতে হবে।

~ মো. ইমন হোসেন,
সভাপতি, ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি।

তথ্যসূত্র (References):
1. Asian Journal of Psychiatry (2024): কমিউনিটি প্রিভ্যালেন্স অব সাইকিয়াট্রিক ডিসঅর্ডারস
2. Asia Pacific Journal of Public Health (2022): দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য: একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা।
3. International Journal of Epidemiology (2014): সাধারণ মানসিক ব্যাধির বৈশ্বিক প্রাদুর্ভাব: একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা এবং মেটা-অ্যানালাইসিস (১৯৮০-২০১৩)।
4.World Health Organization (2021): মানসিক ব্যাধি সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
5. National Institute of Mental Health (2019): জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ বাংলাদেশ ২০১৮-২০১৯।
6. BBC News Bangla (2024): বাংলাদেশে সবচেয়ে সাধারণ মানসিক ব্যাধিগুলো।
7. শিক্ষক বাতায়ন (২০২৪): বাংলাদেশে যে ১০টি মানসিক সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে বেশি যায় মানুষ।
8. দৈনিক ইত্তেফাক (২০১৬): চিকিৎসার বাইরে ৯২ শতাংশ মানসিক রোগী।

আজ "ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি" এর ২ য় কার্যনির্বাহী কমিটির ১ ম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ক্লাবের সার্বিক বিষয় এ আলো...
15/04/2026

আজ "ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি" এর ২ য় কার্যনির্বাহী কমিটির ১ ম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ক্লাবের সার্বিক বিষয় এ আলোচনা করা হয় এবং ক্লাবের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। খুব দ্রুতই নতুন চমকের সাথে ক্লাব তার নিয়মিত কার্যক্রম শুরু করবে।

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা
14/04/2026

শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা

Happy birthday Akram Hossain ,Founder & Vice President, Dhaka College Psychology Society.
13/04/2026

Happy birthday Akram Hossain ,
Founder & Vice President,
Dhaka College Psychology Society.

আগামী ১ বছরের জন্য "ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি" এর ২ য় কার্যনির্বাহী কমিটি প্রকাশ করা হলো।
13/04/2026

আগামী ১ বছরের জন্য "ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি" এর ২ য় কার্যনির্বাহী কমিটি প্রকাশ করা হলো।

বিশ্ব পারকিনসন দিবস: নীরব এক লড়াইয়ের গল্প আর আমাদের সচেতনতার অঙ্গীকারপ্রতি বছর ১১ই এপ্রিল বিশ্বজুড়ে পালিত হয় "বিশ্ব পারক...
12/04/2026

বিশ্ব পারকিনসন দিবস: নীরব এক লড়াইয়ের গল্প আর আমাদের সচেতনতার অঙ্গীকার

প্রতি বছর ১১ই এপ্রিল বিশ্বজুড়ে পালিত হয় "বিশ্ব পারকিনসন দিবস" একটি দিন, যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় এমন একটি রোগের কথা, যা নিঃশব্দে ধীরে ধীরে একজন মানুষের জীবনকে বদলে দেয়। আমরা অনেক সময় চোখের সামনে দেখেও বুঝতে পারি না কেউ হয়তো কথা বলছে ধীরে, হাঁটছে কষ্ট করে, হাত কাঁপছে সামান্য আর আমরা সেটাকে সাধারণ দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক গভীর স্নায়বিক রোগ Parkinson’s disease। এই রোগটি মূলত মস্তিষ্কের সেই কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যেগুলো ডোপামিন নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উৎপাদন করে। ডোপামিন আমাদের শরীরের চলাফেরা, ভারসাম্য ও সমন্বয় নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যখন এই কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে, তখন শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমও বিঘ্নিত হয়।

📅 ১১ই এপ্রিল দিনটি নির্বাচন করা হয়েছে James Parkinson এর জন্মদিন উপলক্ষে, যিনি প্রথম ১৮১৭ সালে এই রোগটি নিয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে আলোচনা করেন।
পারকিনসন রোগের লক্ষণগুলো অনেক সময় খুব সূক্ষ্মভাবে শুরু হয়:
• হাত বা আঙুলে হালকা কাঁপুনি
• ধীরে চলাফেরা (Bradykinesia)
• পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া
• ভারসাম্য রাখতে অসুবিধা
• কথা বলার স্বর নরম বা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া
কিন্তু এর পাশাপাশি আরও কিছু “অদৃশ্য” লক্ষণও থাকে, যেমন:
• বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ
• ঘুমের সমস্যা
• স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগে সমস্যা
• মানসিক ক্লান্তি
এই দিকগুলোই রোগটিকে আরও কঠিন করে তোলে কারণ এগুলো সহজে চোখে পড়ে না কিন্তু ভেতরে ভেতরে একজন মানুষকে ভেঙে দেয়।

ভাবুন, একজন মানুষ যিনি একসময় নিজের সব কাজ নিজে করতেন, ধীরে ধীরে তার জন্য হাঁটা, লেখা, খাওয়া সবকিছুই কঠিন হয়ে উঠছে। তার আত্মবিশ্বাস কমে যাচ্ছে, সমাজের সাথে যোগাযোগ কমে যাচ্ছে এবং একসময় সে নিজেকে একা মনে করতে শুরু করে। এই একাকীত্বই পারকিনসনের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা।

আমরা যদি একটু সচেতন হই, তবে এই লড়াইটা অনেকটাই সহজ হয়ে যেতে পারে।
✔ রোগীদের প্রতি ধৈর্যশীল হোন
✔ তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন
✔ তাদের দুর্বলতা নিয়ে হাসাহাসি না করে পাশে দাঁড়ান
✔ পরিবার ও সমাজ থেকে মানসিক সমর্থন দিন
মনে রাখবেন, একটি সহানুভূতিশীল আচরণ একজন মানুষের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনতে পারে।

বর্তমানে পারকিনসন সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও, আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর লক্ষণগুলো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। নিয়মিত চিকিৎসা, সঠিক ওষুধ, ব্যায়াম এবং মানসিক সাপোর্ট একজন রোগীর জীবনমান অনেক উন্নত করতে পারে।

এই দিবসের প্রতীক “লাল টিউলিপ” যা আশা, সাহস এবং ঐক্যের প্রতীক। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় লড়াইটা একার নয়, আমরা সবাই একসাথে। আজকের এই দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক, "আমরা জানবো, জানাবো, এবং পাশে দাঁড়াবো।" কারণ সচেতনতা মানে শুধু তথ্য জানা নয়; এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহস।
🔴 আপনি কি আজ একজন মানুষকে এই রোগ সম্পর্কে জানাবেন?
🔴 আপনি কি একজন রোগীর পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত?
চলুন, নীরব এই লড়াইকে আমরা একসাথে উচ্চারণ করি মানবতা, সহমর্মিতা এবং ভালোবাসার মাধ্যমে।

- নাইমুর রহমান,
২৩-২৪ সেশন, সাইকোলজি ডিপার্টমেন্ট, ঢাকা কলেজ।

সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা 💫
20/03/2026

সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা 💫

We complete our today's session "Her Story: Voice of Strength". You can your feedback on this session in our comment box...
08/03/2026

We complete our today's session "Her Story: Voice of Strength".
You can your feedback on this session in our comment box.
We want to thanks Shabnoor Sultana (Sanjida) apu and all of our participants 🥰

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আমরা আয়োজন করছি "Her Story : Voice of Strength" টাইটেলে একটি অনলাইন সেমিনার ও ওপেন ডিসকাশন...
08/03/2026

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আমরা আয়োজন করছি "Her Story : Voice of Strength" টাইটেলে একটি অনলাইন সেমিনার ও ওপেন ডিসকাশন প্রোগ্রাম যেখানে নারীদের নিজেদের সংগ্রামের গল্পগুলোকে আমরা তুলে ধরতে চাই। এই গল্প থেকে যেন সেই নারীরা অনুপ্রেরণা পায় যারা সমাজের চাপে ঐ কাজটি করতে সাহস পাচ্ছে না কিংবা শুধু নারী বলে নিজেকে ছোট ভাবছে তারা যেন এই গল্পগুলো থেকে কনফিডেন্স পায়।
এই প্রোগ্রামটিতে আলোচনা হবে নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে, বর্তমানে এই ফিল্ডে নারীদের সুযোগ সুবিধা নিয়ে এবং সেই সাথে আপনিও এই প্রোগ্রামে শেয়ার করতে পারবেন আপনার নিজের গল্প কিংবা নিজের কোনো মতামত। অংশগ্রহণ করতে আজ রাত ৮ টার পূর্বেই রেজিস্ট্রেশন করুন। রেজিস্ট্রেশনকারীদেরকে মেইল ও whatsapp-এর মাধ্যমে প্রোগ্রামের লিংক পাঠানো হবে।

Our Guest:
Shabnoor Sultana,
BSc & MSc in Psychology, BBGGC.
PGT in Psychotherapy (BMU),
Course on Neuro Developmental Disorder (IPNA, BMU).

Host:
Sadika,
Department of Psychology, EMC.
Md. Imon Hossain,
Department of Psychology, DC.

Time:
9 PM, Sunday, 8 March, 2026
Platform:
Google Meet.

Registration Link:
https://forms.gle/TkCaA65vYvUsVpDp9

Happy International Women's Day 2026
07/03/2026

Happy International Women's Day 2026

🌸 Her Story: Voice of Strength 🌸৮ ই মার্চ International Women's Day উপলক্ষে Dhaka College Psychology Society আয়োজন করছে ...
06/03/2026

🌸 Her Story: Voice of Strength 🌸
৮ ই মার্চ International Women's Day উপলক্ষে Dhaka College Psychology Society আয়োজন করছে একটি বিশেষ অধ্যায় "Her Story".

আমরা নারী পুরুষ সমান অধিকারের কথা বললেও একটি নারীর জন্য মোটেও এই সমাজে কিছু করা একজন পুরুষের মতো সহজ হয় না। তাকে পেরোতে হয় অসংখ্য বাধা। তাই প্রতিটি নারীর জীবনেই থাকে সংগ্রাম, সাহস, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার গল্প। আপনার জীবনের সেই অভিজ্ঞতা, আপনার ছোটবেলার নিজেকে বলতে চাওয়া কোনো কথা, কিংবা অন্য নারীদের জন্য আপনার পরামর্শ, সেগুলো আমরাও শুনতে চাই। পৌছে দিতে চাই অন্যদের কাছে, যেন তারাও অনুপ্রেরণা পায়। আপনার এই গল্পগুলো আমাদেরকে বলতে পারেন এবং আপনাদের বলা এই গল্প গুলোকে আমরা প্রকাশ করতে চাই “Voice of Strength” হিসেবে। আপনার গল্প হতে পারে—
💫 কারো জন্য অনুপ্রেরণা
💫 কারো জন্য সাহস
💫 কারো জন্য নতুন করে শুরু করার শক্তি

📖 আপনি শেয়ার করতে পারেন:
• আপনার জীবনের সংগ্রামের গল্প
• আপনার ছোটবেলার নিজেকে বলতে চাওয়া কোনো কথা
• অন্য নারীদের জন্য আপনার পরামর্শ
• নারীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আপনার ভাবনা
• আপনার জীবনের অনুপ্রেরণাদায়ক কোনো নারী

📩 আপনার গল্প পাঠান:
• Facebook Post এ Comment করে
• Messenger এর মাধ্যমে
• অথবা Mail এর মাধ্যমে (Anonymous submission welcome)
For anonymous submission : https://ngl.link/imon35525

🗓 Submission Deadline:
7 March 2026, Until 11:59 PM

✨ নির্বাচিত গল্পগুলো আমাদের Her Story ইভেন্টে এ শেয়ার করা হবে।

💬 Your story matters. Your voice deserves to be heard.




রোজায় মেজাজ পরিবর্তনঃরোজা শুধুমাত্র উপবাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং আধ্যাত্মিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশ...
21/02/2026

রোজায় মেজাজ পরিবর্তনঃ
রোজা শুধুমাত্র উপবাস নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং আধ্যাত্মিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুশীলন। আমরা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রোজা পালন করি। তবে এই সময় আমাদের খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের রুটিন এবং দৈনন্দিন শারীরিক-মানসিক কার্যক্রমে বড় পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তনগুলোর প্রভাব কখনও কখনও আমাদের মানসিক অবস্থার উপরও পড়ে।
আমরা একটি বিষয় হয়তো সবাই খেয়াল করি যে, রোজার বিকেলের দিকে রাগ, বিরক্তি, অস্থিরতা, মনোযোগের ঘাটতি বা মুড সুইং বৃদ্ধি পায়।
এটা কি শুধু ক্ষুধার কারণে? নাকি এর পেছনে কোনো জৈবিক বা নিউরোলজিক্যাল কারণ রয়েছে?
কেন বিকেলের দিকে মেজাজ খারাপ হয়?
সারাদিন খাবার গ্রহণ না করার ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। গ্লুকোজ হলো মস্তিষ্কের প্রধান জ্বালানির একটি। যখন এর মাত্রা কমে যায়, তখন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। এর ফলে দেখা দিতে পারেঃ
* বিরক্তি ও উত্তেজনা
* মাথাব্যথা
* মনোযোগের ঘাটতি
* সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতায় সাময়িক দুর্বলতা

বিকেলের দিকে যখন গ্লুকোজের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে, তখন এই লক্ষণগুলো আরও স্পষ্ট হয়। অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র “ক্ষুধা” নয়; বরং একটি নিউরোমেটাবলিক প্রতিক্রিয়া।

তাহলে সমাধান কী?
রোজা অবস্থায় সরাসরি গ্লুকোজ গ্রহণ করা তো সম্ভব নয়। তাই আমাদের লক্ষ্য হবে সেহরির খাবারের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

১. সঠিক কার্বোহাইড্রেট নির্বাচন
শুধু সাদা ভাত, রুটি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়ায় এবং দ্রুত নামিয়েও দেয়। একে বলে glycemic spike and crash। তাই সেহরিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা ধীরে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত শরীরে ধরে রাখে, অর্থাৎ Low Glycemic Index (GI) খাবার। যেমন: ডাল, লাল চাল, শাকসবজি, ওটস, এগুলো দীর্ঘসময় শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে।

২. প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ করা
ডিম, দুধ, বাদাম, গাজর, শসা, আপেল, পেয়ারা, মাছ, মুরগির মাংস বা ডাল জাতীয় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার gastric emptying ধীর করে। ফলে গ্লুকোজ ধীরে রক্তে প্রবেশ করে এবং দীর্ঘসময় স্থিতিশীল থাকে। সেহরিতে কার্বোহাইড্রেট + প্রোটিন + সামান্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সমন্বয় সবচেয়ে কার্যকর।

৩. পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ
ডিহাইড্রেশনও মাথাব্যথা ও বিরক্তির বড় কারণ। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত অন্তত ২–২.৫ লিটার পানি পান করা উচিত।

৪. ক্যাফেইন কমানো
হঠাৎ চা বা কফি বন্ধ করলে withdrawal headache হতে পারে। তাই রমজানের আগে ধীরে ধীরে ক্যাফেইন কমানো ভালো।

৫. শরীরের অভিযোজন (Metabolic Adaptation)
রোজার ২–৫ দিনের মধ্যে শরীর ধীরে ধীরে গ্লুকোজের বদলে ketone bodies ব্যবহার শুরু করে। এই পর্যায়ে অনেকেই মানসিক স্বচ্ছতা বা “mental clarity” অনুভব করেন। অর্থাৎ, শুরুতে অস্বস্তি বেশি হলেও শরীর ধীরে ধীরে মানিয়ে নেয়।

৬. স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্রাম
বিকেলে অতিরিক্ত কাজ বা মানসিক চাপ নিলে কর্টিসল হরমোন বাড়ে, যা irritability বৃদ্ধি করতে পারে। হালকা বিশ্রাম, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস বা মেডিটেশন এক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে।

রোজায় মেজাজ পরিবর্তন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া। এটি শুধুমাত্র ক্ষুধার জন্য নয়; বরং রক্তে গ্লুকোজের পরিবর্তন, হরমোনাল ওঠানামা এবং ঘুমের রুটিন পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাব। গ্লুকোজের ঘাটতি সরাসরি পূরণ করা সম্ভব না হলেও সেহরিতে সঠিক খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ, ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে রক্তে গ্লুকোজের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা যায় এবং মুড সুইং উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
রোজা শুধু শরীরের নয়, মনেরও প্রশিক্ষণ। তাই সচেতনতা ও ভারসাম্যই হতে পারে সুস্থ রোজা পালনের মূল চাবিকাঠি।

- MD Imon Hossain
সাবেক সাধারণ সম্পাদক,
ঢাকা কলেজ সাইকোলজি সোসাইটি।

Key References:
•Benton, D., & Parker, P. (1998). Breakfast, blood glucose, and cognition.
•Trepanowski, J. F., & Bloomer, R. J. (2010). The impact of religious fasting on health.
•Mattson, M. P. et al. (2018). Intermittent fasting and brain health.
•Roky, R. et al. (2004). Mood changes during Ramadan fasting.
•Ho, K. Y. et al. (1988). Fasting enhances growth hormone secretion.

Address

DHAKA COLLEGE
Hazaribag

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka College Psychology Society - DCPS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share