27/02/2026
💊 রিপোর্ট টা দেখে কিছু বুঝলেন?
এই ছেলেটির উপর বিশ্বের কোনো এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করবে না।এর বড় কারণ এন্টিবায়োটিক পুরো না খাওয়া ‼️নরমাল পেট খারাপেও এই ছেলে মা/রা যেতে পারে বিনা ওষুধে‼️কারণ ওষুধ বাকি নেই আর!
তোমরা যে একটু পেট খারাপ হলেই Flagyl, Filmet, Dirozyl, Metryl (Metronidazole) খাও। একটু জ্বর হলেই Zimax, Azithrocin, Azimex (Azithromycin) খাও। ৭ দিন ডাক্তার খেতে বললে ৩ দিন খেলে পেট-জ্বর একটু ভালো হলে আর খাও না।
দেখো, এভাবেই এই ছেলের দেহ দুনিয়ার সকল এন্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে গেছে। ফলে সামান্য ডায়রিয়া, কাশিতেও এই ছেলে বিনা ওষুধে মা/রা যাবে কারণ কোনো ওষুধ কাজ করবে না।
🎯 কীভাবে হলো⁉️
এন্টিবায়োটিক সোজা বাংলায় ব্যাকটেরিয়া মা/রে। রোগ ঘটাতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া লাগে। ধরো,
১ কোটি। এন্টিবায়োটিক একবার-দুইবার খেলে কিছু ব্যাকটেরিয়া মা/রা যায় (ধরি ২০ লাখ), ফলে মোট ব্যাকটেরিয়া ১ কোটির চেয়ে কমে যায়। যেহেতু ১ কোটির কম হলে আমরা ফিল করবো না, তাই আমাদের মনে হয় রোগ সেরে গেছে কিন্ত ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়া কিন্ত দেহেই রয়ে গেছে। এবার যেহেতু ওষুধ আর খাচ্ছো না, ওই ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়াগুলো এই এন্টিবায়োটিক নিয়ে গবেষণা করে এবং এই এন্টিবায়োটিক যাতে আর ওদের উপর কাজ না করে সেই ব্যবস্থা করে। ফলে দেখা যায়, এরপর সারাজীবন এই ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়াকে এন্টিবায়োটিক দিয়ে মা/রা যায় না।
শুধু তাই না, এই ব্যাকটেরিয়াগুলো শুধু তোমার শরীরেই থাকবে না, তোমার বাসা,এলাকা, এমনকি দেশ, মহাদেশেও তোমার শরীর থেকে ছড়াবে। ফলে তোমার দেশের কারো উপরই এন্টিবায়োটিক কাজ করবে না। মানে পুরো দেশেই আর এন্টিবায়োটিক কাজ করবে না।
তাই এন্টিবায়োটিক খেলে পুরো ডোজ খাবে, দুইদিন খেয়ে ফেলে দিবে না।