Yahia Amin

Yahia Amin MSc- Organisational Psychology, University of London
President- LifeSpring Foundation
Chairman- LifeSpring Consultancy Limited

War ending soon—এটা এখন clear trend।এই কারণেই GCC দেশগুলো সামনে বিশাল একটা opportunity পাচ্ছে। আগামী ৫–১০ বছরে এখানে unp...
29/03/2026

War ending soon—এটা এখন clear trend।

এই কারণেই GCC দেশগুলো সামনে বিশাল একটা opportunity পাচ্ছে। আগামী ৫–১০ বছরে এখানে unprecedented FDI ঢুকবে। কারণ খুব simple:

ওদের long-term thinking আছে।

ওরা cumulative security বানাচ্ছে—energy, logistics, trade route, food security সবকিছুতে।

De-dollarization will help GCC!

ওদের sovereign wealth fund আছে, আর সংখ্যাগুলো দেখলেই বোঝা যায় কত বড় scale এ তারা খেলছে—
Saudi Arabia PIF প্রায় ৭০০–৯০০ বিলিয়ন ডলার
UAE (ADIA, Mubadala মিলিয়ে) প্রায় ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার
Qatar Investment Authority প্রায় ৪৫০–৫০০ বিলিয়ন ডলার
Kuwait Investment Authority প্রায় ৭৫০ বিলিয়ন ডলার
মানে শুধু এই fund গুলোর মোট asset ৩–৪ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি।

আর একটা বড় advantage হলো tax structure। অনেক ক্ষেত্রে VAT প্রায় ৫%, corporate tax historically low, policy business friendly, environment stable।

অন্যদিকে USA আর UK অনেকদিন ধরেই pressure এ আছে।
USA debt already ৪0 ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

UK economy stagnation phase এ, growth খুব slow।
War কমলে কী হবে?
Risk কমবে
Capital move করবে
Investment safe zone খুঁজবে
আর সেই safe zone এখন GCC।

So naturally, global capital shift হচ্ছে West থেকে Middle East এ।
যারা এটা early বুঝবে, তারাই next decade এ এগিয়ে থাকবে।

29/03/2026

কার জন্য দেশ, কার জন্য বিদেশ?

Arab-Iran-turkey unity 🤝 ✌️
28/03/2026

Arab-Iran-turkey unity 🤝 ✌️

28/03/2026

Greater Israel hope !

28/03/2026

একজন কৃষকের গল্প বলি। তাঁর নাম Vernon Bowman। বয়স ৭৫। Indiana-র একজন সাধারণ কৃষক, যিনি সারাজীবন নিজের জমিতে ফসল ফলিয়েছেন।

২০০৭ সালে একটি ঘটনা তাঁর জীবন বদলে দিল।

তিনি স্থানীয় একটি grain elevator থেকে সয়াবিন বীজ কিনলেন — সেখান থেকে যেখানে এলাকার সব কৃষকরা বীজ বিক্রি করেন এবং কেনেন। এই বীজ লাগালেন মাঠে। ফসল হলো। পরের বছর সেই ফসল থেকে বীজ রেখে আবার লাগালেন — যা হাজার বছর ধরে কৃষকরা করে আসছেন।

কয়েক মাস পরে দরজায় কড়া নাড়ল Monsanto-র আইনজীবীরা।
"আপনি আমাদের patent লঙ্ঘন করেছেন।" আদালতে মামলা হলো। ২০১৩ সালে মার্কিন Supreme Court সর্বসম্মতিক্রমে রায় দিল — Bowman দোষী। জরিমানা ধার্য হলো $৮৪,৪৫৬। Wikipedia

কী তাঁর অপরাধ?
নিজের মাঠে, নিজের কেনা বীজ থেকে ফসল ফলানো।

//.\\

Canada-তে Percy Schmeiser-এর গল্প আরো মর্মান্তিক।

Percy ও তাঁর স্ত্রী Louise ৫০ বছর ধরে নিজেদের canola বীজ তৈরি করেছিলেন। একদিন Monsanto এলো এবং বলল — "আপনার মাঠে আমাদের GMO বীজ পাওয়া গেছে।" Percy কখনো Monsanto থেকে বীজ কেনেননি। বীজ বাতাসে উড়ে পাশের ক্ষেত থেকে এসেছিল।

তবু মামলা হলো। Monsanto তাঁদের বিরুদ্ধে $১ মিলিয়নের মামলা করল। তাঁদের জমি, বাড়ি, কৃষি যন্ত্রপাতি জব্দ করার হুমকি দেওয়া হলো। Democracy Now!

সাত বছর আদালতে লড়ে শেষ পর্যন্ত Percy টাকা না দিলেও — জীবনের সেরা বছরগুলো চলে গেল আদালতের বারান্দায়।

২০১৩ সালে India-তে কৃষকদের আত্মহত্যা, Canada-তে Percy, আমেরিকায় Bowman, Brazil-এ কৃষকদের $২.২ বিলিয়নের মামলা — সবকিছু একটি সুতোয় গাঁথা।

Monsanto পৃথিবীর "Life Lord" হয়ে উঠেছে — জীবনের পুনর্জন্মের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা নিচ্ছে। Common Dreams

//.\\

এরপর এলো আরেকটি প্রশ্ন — পৃথিবীর সব দেশ যখন hybrid ও GMO বীজে ভরে যাচ্ছে, তখন আদি জাতের বীজ কোথায় যাবে?

Norway-র Arctic দ্বীপপুঞ্জ Svalbard-এ উত্তর মেরু থেকে মাত্র ১,৩০০ কিলোমিটার দূরে, পাথরের পাহাড়ের ১৩০ মিটার গভীরে বানানো হয়েছে Svalbard Global Seed Vault।

এখানে -১৮°C তাপমাত্রায় পৃথিবীর ১০ লাখেরও বেশি ধরনের বীজ সংরক্ষিত আছে। কারণ যুদ্ধ, দুর্যোগ বা climate change-এ Afghanistan ও Iraq-এর seed bank ইতোমধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে।

বিশ্বের মানুষ এই vault-কে বলে "Doomsday Vault" — আধুনিক নূহের নৌকা।

এবং এই তুলনাটি আসলেই গভীর।

নূহ (আঃ) যখন মহাপ্লাবনের আগে আল্লাহর নির্দেশে নৌকায় উঠলেন, তখন তিনি শুধু মানুষকে বাঁচাননি — প্রতিটি প্রজাতির নমুনা সাথে নিয়েছিলেন। কারণ তিনি জানতেন — প্রাণ বাঁচানো মানে শুধু দেহ বাঁচানো নয়, বীজ বাঁচানো মানে ভবিষ্যৎ বাঁচানো। আজকের বিজ্ঞানীরাও ঠিক একই কথা বুঝেছেন — পৃথিবীতে যদি কোনো বড় বিপর্যয় আসে, এই পাথরের ভেতরে সংরক্ষিত বীজ থেকেই আবার শুরু হবে মানবজাতির খাদ্য।

হাজার বছর আগের নবীর জ্ঞান আর আজকের বিজ্ঞান একই পথে হাঁটছে।

//.\\

এখন আসুন সবচেয়ে বড় প্রশ্নে।
আমেরিকার সাধারণ মানুষ যে ভুট্টা খাচ্ছেন, যে সয়াবিন তেল খাচ্ছেন, যে packaged food কিনছেন supermarket থেকে — তার ৯০%+ GMO বীজ থেকে তৈরি।

Monsanto-র Roundup Ready বীজ, herbicide-soaked মাটি, chemical-laden ফসল।

Bill Gates-এর ২৭৫,০০০ একর আমেরিকান কৃষিজমি আছে, কিন্তু সেখানে organic farming নয় — আরো বেশি GMO corn ও soybean চাষ হয়।
Gates সরাসরি বলেছেন synthetic beef-ই ভবিষ্যৎ।

তাহলে Gates নিজে কী খান?

Mark Zuckerberg Hawaii-তে তাঁর ১,৫০০ একরের private island-এ গরু পালেন — সেই গরুকে খাওয়ান macadamia nuts এবং দেওয়া হয় বিশেষ beer।
তৈরি হয় wagyu beef — পৃথিবীর সবচেয়ে দামি মাংস।

Jeff Bezos-এর কাছে আছে ৪,২০,০০০ একর জমি।

Ted Turner-এর ২০ লাখ একর ranch — যেখানে bison পালন হয় প্রাকৃতিকভাবে।

Warren Buffett বলেছেন — "একটি খামার কেনা বুদ্ধিমানের কাজ — এটি দীর্ঘমেয়াদে stable return দেয়।"

এই এলিটরা জানেন real food কোথায় পাওয়া যায়।

আর সাধারণ আমেরিকান?

তারা $২-এর একটি hamburger কিনছেন — যার ভেতরে কী আছে জানার অধিকার তাদের নেই। তারা SNAP benefit-এ processed food কিনছেন।
তারা GMO corn-এর high fructose syrup দিয়ে তৈরি cold drink পান করছেন। তারা cancer, diabetes ও obesity-তে আক্রান্ত হচ্ছেন — আর ভাবছেন এটা নিয়তি।
কিন্তু এটা নিয়তি নয়। এটা system।

//.\\

তাহলে পালানোর পথ কোথায়?
আজকে পৃথিবীতে organic, non-GMO খাবার সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় — দুটো অঞ্চলে।

Latin America — Bolivia, Peru, Ecuador-এ indigenous farming এখনো টিকে আছে। Quinoa, amaranth, potato-র আদি জাত এখনো চাষ হচ্ছে। কিন্তু সেখানেও Monsanto ঢুকে পড়ছে দ্রুত।

Sub-Saharan Africa ও পূর্ব আফ্রিকা — এখানে large-scale industrial farming এখনো কম।

Uganda, Kenya, Tanzania-তে ছোট কৃষক এখনো traditional farming করেন। Soil এখনো chemical-saturated নয়। বীজ এখনো corporate-এর হাতে যায়নি সব।

Mujahidul Islam Jahid

আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তি আমাদের হাতের মুঠোয়অনেক অভিভাবক ভাবেন, “সময়টা একটু কমালেই তো হলো।”কিন্তু সত্য...
28/03/2026

আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তি আমাদের হাতের মুঠোয়

অনেক অভিভাবক ভাবেন, “সময়টা একটু কমালেই তো হলো।”
কিন্তু সত্যিটা একটু গভীর

স্ক্রিন শুধু সময় নেয় না
এটা শিশুর দৃষ্টি, মনোযোগ, ঘুম, গোপনীয়তা, অনুকরণ আর আবেগ নিয়ন্ত্রণ সবকিছুর উপর প্রভাব ফেলে।

তাই স্ক্রিন চুক্তি কোনো কঠোর নিয়ম না, কোনো “কন্ট্রোল হারানোর” লক্ষণও না
এটা আসলে একটি পারিবারিক অঙ্গীকার

যেখানে ভালোবাসা দিয়ে সীমা নির্ধারণ করা হয়,
শিশুকে শাস্তি দেওয়ার জন্য না, বরং তাকে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখানোর জন্য।

আল্লাহ বলেন:
“তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবারকে আগুন থেকে রক্ষা করো” [সূরা আত-তাহরীম ৬]

আর রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই একজন রাখাল, এবং প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।” [সহীহ বুখারী ৮৯৩, মুসলিম ১৮২৯]

সন্তানের হাতে স্মার্টফোন বা ট্যাব দেওয়ার আগে একটি 'পারিবারিক স্ক্রিন চুক্তি' করা কোনো শাসন নয়, বরং এটি একটি নিরাপত্তা কবচ।

১. কেন এই চুক্তি প্রয়োজন? (ইসলামি ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ)
আমানত রক্ষা: আল্লাহ আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন নিজেদের এবং পরিবারকে রক্ষা করতে। রাসূল ﷺ বলেছেন, আমরা প্রত্যেকেই একেকজন রাখাল এবং আমাদের অধীনস্থদের সম্পর্কে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে। ডিভাইসটি আপনার সন্তানের কাছে একটি 'আমানত'।

অঙ্গীকারের শিক্ষা: কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, "তোমরা তোমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করো" (সূরা মায়েদাহ: ১)

চুক্তির মাধ্যমে শিশু ছোটবেলা থেকেই কথা দিয়ে কথা রাখা শেখে।

গোপন নজরদারি বনাম স্বচ্ছতা: ইসলামে অন্যের দোষ খোঁজা বা গোয়েন্দাগিরি (তাজাসসুস) নিষেধ। যখন আগে থেকেই চুক্তি থাকবে, তখন সন্তানের ফোন চেক করাটা 'গোয়েন্দাগিরি' নয়, বরং 'স্বচ্ছ অভিভাবকত্ব' হিসেবে গণ্য হবে।

ক্ষতি প্রতিরোধ: আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান (যেমন AAP) বলছে, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার শিশুর মেধা ও সামাজিক দক্ষতা নষ্ট করে। ১৮ মাস বয়সের আগে ভিডিও চ্যাট ছাড়া অন্য স্ক্রিন এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।

একটি আদর্শ 'স্ক্রিন চুক্তি' কেমন হওয়া উচিত?
আপনার পরিবারের জন্য নিচের সহজ ফ্রেমওয়ার্কটি অনুসরণ করতে পারেন:

📍 কোথায় (Where)
শোবার ঘরে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস থাকবে না।

রাত হলে ডিভাইস চার্জ হবে সবার ড্রয়িং রুমে বা নির্ধারিত কমন স্পেসে।

⏰ কখন (When)
খাবারের টেবিলে: কোনো স্ক্রিন নয়, শুধু গল্প।

সালাতের সময়: সব ডিভাইস অফ।

ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে: স্ক্রিন থেকে দূরে থাকতে হবে।

📺 কি (What)
শুধুমাত্র অনুমোদিত অ্যাপ এবং গেম খেলা যাবে।

গোপন ব্রাউজিং নয়: ইনকগনিটো মোড বা প্রাইভেট ব্রাউজিং ব্যবহার করা যাবে না।

প্লাটফর্মের বয়সসীমা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

🤝 কীভাবে (How)
অভিভাবকের কাছে পাসওয়ার্ড থাকবে।

যদি শিশু ভুলবশত কোনো বাজে কিছু দেখে ফেলে, তবে তাকে বকাঝকা না করে বরং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে যাতে সে আপনার ওপর বিশ্বাস পায়।

সততা বজায় রাখলে পুরস্কার, আর প্রতারণা করলে স্ক্রিন ব্যবহারের সুবিধা সাময়িকভাবে বন্ধ।

এই চুক্তির মূল লক্ষ্য কী?

আমরা চাই না আমাদের সন্তানরা প্রযুক্তির দাসে পরিণত হোক। আমাদের লক্ষ্য হলো:

তাদের দৃষ্টি ও অন্তরকে অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করা।

তাদের মনোযোগ ও সৃজনশীলতা ফিরিয়ে আনা।

সবচেয়ে বড় কথা, তাদের মধ্যে 'তাকওয়া' বা আত্মনিয়ন্ত্রণ তৈরি করা, যাতে আমরা পাশে না থাকলেও তারা আল্লাহকে ভয় করে এবং নিজের ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকে।

মনে রাখবেন: লক্ষ্য নিখুঁত হওয়া নয়, বরং ভুল হলে তা সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

একটি সচেতন পরিবার বিপদের অপেক্ষা করে না, বরং শুরুতেই সুরক্ষা দেয়।

Inspired by: Shaykh Hatem Al-Haj

আমার ব্যক্তিগত ধারণা—যদি Donald Trump-কে বলা হয়, “তুমি হজ্জ করলে তোমাকে ১00 Billion  ডলার দেওয়া হবে”, তাহলে সে হজ্জ কর...
27/03/2026

আমার ব্যক্তিগত ধারণা—
যদি Donald Trump-কে বলা হয়, “তুমি হজ্জ করলে তোমাকে ১00 Billion ডলার দেওয়া হবে”, তাহলে সে হজ্জ করতেও দ্বিধা করত না।
কারণ বিষয়টা ধর্ম না—বিষয়টা স্বার্থ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বা আমেরিকার প্রভাবশালী অনেক মানুষ—
তারা আসলে মুসলমান, খ্রিস্টান বা ইহুদি পরিচয়ে পরিচালিত না।

তাদের আসল “ধর্ম” হলো টাকা।
তারা আমেরিকান না, আরব না—
তাদের কাছে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই।
তাদের একটাই জিনিস দরকার: positive cash flow।
তাদের দৃষ্টিতে—
ইজরাইল একটা project,
আমেরিকাও একটা project।

দেখেন Exoon, Raytheone, Black Rock অথবা Nvidia এর কাছে আমেরিকা কোন বিষয় না

তারা সারা পৃথিবীতে একটা দেশ হিসেবে দেখে এবং ইনভেস্ট করে সারা পৃথিবীর যেখানে সবচেয়ে ভালো রিটার্ন পাবে সেখানে

প্রতিটা জিনিস তারা দেখে—
এটা asset, নাকি liability?

এখন ইরান যুদ্ধ বন্ধের দিকে যাচ্ছে—
কারণ যুদ্ধটা তাদের জন্য এখন liability হয়ে গেছে। Low profit!

এখানেই আসল প্রশ্ন—
মুসলিম উম্মাহ কি এই সুযোগটা নিতে পারবে?

নিজেদের অঞ্চল নিজেদের মতো করে গড়ে তোলার—
এটা একটা rare window।
কিন্তু শর্ত একটাই—
মুসলমানদের জেগে উঠতে হবে, এবং বুদ্ধিমান হতে হবে।

26/03/2026

ঋণ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে চায়নাতে তৈরি করেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ওয়্যারহাউজ, সাথে আছে ২ লক্ষেরও অধিক উদ্যোক্তা

25/03/2026

কখনোই তাড়াহুড়া করে যুগের ট্রেন্ডের বশবর্তী হয়ে কোথাও বিনিয়োগ করবেন না। মনে রাখবেন, সফল বিনিয়োগের প্রথম সূত্র হলো— টাকা না হারানো।
অনেক সাধারণ মানুষ তাড়াহুড়া করে বেশি লাভের আশায় বিনিয়োগ করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আসলে টাকা হারায়।
ইনফ্লেশন অবশ্যই একটি সমস্যা। কিন্তু তার চেয়েও ১০ গুণ বড় সমস্যা হলো— আপনার অল্প যে পুঁজি আছে, সেটিই যদি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়।
তাই সবসময় ভেবে-চিন্তে, জেনে-শুনে এবং পড়াশোনা করে বিনিয়োগ করুন।

25/03/2026

বাংলাদেশিদের জন্য দ্বিতীয় পাসপোর্ট কি আসলেই প্রয়োজন?

ট্রাম্প হারছে না।হারতেছে আমেরিকার ট্যাক্সপেয়াররা।ট্রাম্প তার কাজটাই করছে—আর এমনভাবে টাকা বানাচ্ছে, যেটা আমরা কখনোই জানত...
24/03/2026

ট্রাম্প হারছে না।

হারতেছে আমেরিকার ট্যাক্সপেয়াররা।

ট্রাম্প তার কাজটাই করছে—আর এমনভাবে টাকা বানাচ্ছে, যেটা আমরা কখনোই জানতে পারব না।

ট্রাম্প অবশ্যই জিততে পারে—গড় আমেরিকান ট্যাক্সপেয়ারদের ক্ষতির বিনিময়ে।
এটাই এলিটরা সব সময় করে।

একটা উদাহরণ—

ট্রাম্প ঘোষণা দেওয়ার পাঁচ মিনিট আগে যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর আক্রমণ বন্ধ করবে, সেই সময় ফিউচার মার্কেটে অস্বাভাবিক বড় ট্রেড হয়।

কেউ $1.5 বিলিয়ন মূল্যের S&P 500 ফিউচার কিনে এবং $192 মিলিয়ন মূল্যের তেল বিক্রি করে—যা ওই সময়ের অন্য লেনদেনের তুলনায় ৪–৬ গুণ বড় ছিল।

Btw, এর মানে যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে।

অনেকে আমাকে এটা পাঠায়, জিজ্ঞেস করতেছে—ভাই, আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? এটা আপনি কেন বলছেন?দেখেন ভাই, আপনি ট্রাম্পের কাজটা ...
24/03/2026

অনেকে আমাকে এটা পাঠায়, জিজ্ঞেস করতেছে—ভাই, আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? এটা আপনি কেন বলছেন?

দেখেন ভাই, আপনি ট্রাম্পের কাজটা দেখে না—কাজের ফলাফলটা দেখেন।

Trump আরবদের ওই স্বপ্নগুলো পূরণ করতেছে, যে স্বপ্নগুলো পূরণ করার ক্ষমতা আরবদের ছিল না।

Trump ডলারের পতন ঘটাইতেছে। USA becoming isolated.

ট্রাম্পের কারণে মিডল ইস্টে আমেরিকান military base গুলা এখন পতনের মুখে।

ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর সম্পর্ক অন্য যেকোন প্রেসিডেন্টের থেকে এখন নাজুক।

সারা পৃথিবীর সামনে ট্রাম্প আমেরিকাকে নগ্ন করে উপস্থাপন করছে।

আমেরিকান যে অস্বাভাবিক নৃশংসতা—তা প্রকাশ হয়ে গেছে।

আরব বিশ্ব এমন একটা ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়ায় আছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের মূল চাবিকাঠি এখন আর আমেরিকা এবং ইসরাইলের হাতে নাই।

আরবরা সারা জীবনের স্বপ্ন দেখছে, কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণ করার সাধ্য তাদের ছিল না।
এ স্বপ্ন পূরণ করতে তাদেরকে হেল্প করছে Trump।

এইটাই হইল খেলার ফলাফল।

আরব বিশ্ব চাইছে ইরানের আইআরজিসি দুর্বল হোক—তাই হইছে।

ভাই, আপনি আরবদেরকে ঘৃণা করেন, so what? Who cares?

বাস্তবতা হইল—Trump সবকিছুর পরে আমেরিকানদেরকে বাঁশ দিয়ে আরব বিশ্বকে উপহার দিছে।

It is irrelevant why he did it and what was his actual intention.

আপনি আমাকে কমেন্ট সেকশনে গালি দিবেন, কিন্তু সামনের পাঁচ বছরের দিকে তাকায় দেখেন—আরব বিশ্ব ইকোনমি কতটা ভালো করে।

বাংলাদেশীদের উচিত আরব বিশ্বের সাথে সম্পর্ক জোরদার করা।

কারণ, সামনের অর্থনৈতিক ডেভেলপমেন্ট আরব বিশ্ব আর চায়নাতেই হবে।

Address

Level # 6/Union Heights (extension Wing # 2, Square Hospitals), 55/2 Panthapath, Dhaka
Kalabaga
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yahia Amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Yahia Amin:

Share

Category