Dr.Muhammad Omar Faruk

Dr.Muhammad Omar Faruk Medical and Health
Assistant professor of paediatrics

07/05/2026

বাচ্চার মাথা সব সময় গরম থাকে কি করবেন জানতে ভিডিও দেখুন

06/05/2026

❤️❤️❤️

সব সময়ই তো  কেবল রোগ নিয়ে পোস্ট দিয়ে আপনাদের চিন্তায় ফেলে দেই  এইবার একটু হাসুন,  এখন থেকে ঢাকা যাবো শান্তি পরিবহন এ গাজ...
06/05/2026

সব সময়ই তো কেবল রোগ নিয়ে পোস্ট দিয়ে আপনাদের চিন্তায় ফেলে দেই এইবার একটু হাসুন, এখন থেকে ঢাকা যাবো শান্তি পরিবহন এ গাজীপুর বলে উঠে ঢাকা নেমে যাবো 😄

06/05/2026

সময়ের আগেই জন্ম নেওয়া শিশু: একটি জীবন যুদ্ধ এবং আমাদের সচেতনতা
​আজ আপনাদের সাথে একটি বিশেষ এবং হৃদয়স্পর্শী বিষয় শেয়ার করছি। ছবিতে যে শিশুটিকে দেখছেন, তার জন্ম হয়েছে মাত্র ২৪ সপ্তাহে(৬মাস), যার ওজন মাত্র ৪৭০ গ্রাম। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয়" Incredible low Birth wt Baby"
​একটি সাধারণ গর্ভাবস্থা সাধারণত ৩৭ থেকে৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে অনেক সময় সময়ের অনেক আগেই শিশুর জন্ম হয়ে যায়।
​কেন এই বিষয়ে আমাদের সচেতন হওয়া জরুরি?
​১. ঝুঁকি ও জটিলতা: ২৪ সপ্তাহে জন্ম নেওয়া শিশুদের ফুসফুস এবং অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুরোপুরি গঠিত হয় না তাই এদের বাংলাদেশ এ বাচানো সম্ভব হয় না অনেক ক্ষেত্রেই, এদের শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণের ঝুঁকি এবং দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক জটিলতার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
২. বিশেষায়িত সেবা: এই শিশুদের বেঁচে থাকার জন্য NICU (Neonatal Intensive Care Unit) এবং অত্যন্ত দক্ষ চিকিৎসাসেবা অপরিহার্য।
৩. প্রতিরোধ ও সতর্কতা: গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপ, সঠিক পুষ্টি এবং মায়েদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হলে অনেক ক্ষেত্রে অকাল প্রসবের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
​আমাদের করণীয়:
​গর্ভাবস্থায় কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ (যেমন: তলপেটে ব্যথা, পানি ভাঙা বা রক্তপাত) দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
​প্রিটাম বেবিদের ক্ষেত্রে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার (KMC) এবং সঠিক ব্রেস্টফিডিং বা বুকের দুধের গুরুত্ব অপরিসীম।
​আসুন, প্রতিটি গর্ভবতী মায়ের সঠিক যত্ন নিশ্চিত করি একই সাথে সমাজে অনেকেই এখন ১৬ বছরের মেয়েকে ১৮ বছর দেখিয়ে বাল্যবিবাহ দিচ্ছে যা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা দরকার আপনার সচেতনতাই পারে একটি অনাগত শিশুর জীবন সুস্থ সুন্দর নিরাপদ করতে।

Impetigo 💥 Impetigo কী?Impetigo হলো একটি সংক্রামক ত্বকের ইনফেকশন, যা সাধারণত শিশুদের (২ থেকে ৬ বছর) বেশি হয়ে থাকে। 👉কারণ...
05/05/2026

Impetigo

💥 Impetigo কী?
Impetigo হলো একটি সংক্রামক ত্বকের ইনফেকশন, যা সাধারণত শিশুদের (২ থেকে ৬ বছর) বেশি হয়ে থাকে।

👉কারণ

সাধারণত Staphylococcus aureus বা Streptococcus pyogenes নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।

কাটাছেঁড়া, চুলকানো দাগ, মশার কামড় বা একজিমার জায়গা দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করলে এ রোগ দেখা দেয়।

👉 লক্ষণ

সাধারণত গরম কালে চামড়ায় ছোট ফুসকুড়ি বা লালচে দাগ

দ্রুত ফেটে গিয়ে হলুদ রঙের খোসা তৈরি হয়

সাধারণত মুখমণ্ডল, নাক-মুখের চারপাশ, হাত-পা ইত্যাদি স্থানে বেশি হয়

হালকা চুলকানি বা অস্বস্তি থাকতে পারে

🔹 সংক্রমণ কিভাবে ছড়ায়?

আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে

তোয়ালে, জামাকাপড় বা বিছানাপত্র ব্যবহার করলে

নখ দিয়ে চুলকালে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছড়িয়ে যেতে পারে

🔹 চিকিৎসা

আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার রাখা

হাত নিয়মিত ধোয়া ও নখ ছোট রাখা

হালকা ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম/অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা হয়

ডাক্তার পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হতে পারে

🔹 প্রতিরোধের উপায়

নিয়মিত হাত ধোয়া

শিশুকে নখ কামড়ানো বা চুলকানো থেকে বিরত রাখা

পরিষ্কার জামাকাপড় ব্যবহার করা

আক্রান্ত থাকলে অন্যের সাথে তোয়ালে বা ব্যক্তিগত জিনিস ভাগ না করা

💥Impetigo বিপজ্জনক নয়, তবে দ্রুত চিকিৎসা না করলে ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মৃত্যর মিছিল যেন লম্বা হচ্ছে দিনের পর দিন🥲
04/05/2026

মৃত্যর মিছিল যেন লম্বা হচ্ছে দিনের পর দিন🥲

04/05/2026

নবজাতকের প্রথম গোসল করাতে অবশ্যই ৭২ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে তবে নবজাতক অসুস্থ হলে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নিবেন।

শিশুর জন্মের পর মাথার তালু বা শরীরের কোনো অংশে যদি চামড়া না থাকে বা ক্ষত চিহ্নের মতো দেখা যায়, তবে সেটি Aplasia Cutis Co...
02/05/2026

শিশুর জন্মের পর মাথার তালু বা শরীরের কোনো অংশে যদি চামড়া না থাকে বা ক্ষত চিহ্নের মতো দেখা যায়, তবে সেটি Aplasia Cutis Congenita (ACC) হতে পারে।
​অনেক সময় শিশু জন্মের পর দেখা যায় মাথার তালুর নির্দিষ্ট কোনো স্থানে চুল নেই বা সেখানে চামড়া অত্যন্ত পাতলা ও লালচে হয়ে আছে। অনেক অভিভাবক একে সাধারণ আঘাত মনে করে ভুল করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Aplasia Cutis Congenita (ACC)।
​লক্ষণসমূহ:
​জন্মের সময় শরীরের কোনো অংশে (সাধারণত মাথায়) চামড়া অনুপস্থিত থাকা।
​আক্রান্ত স্থানটি দেখতে গোলাকার বা ডিম্বাকার ক্ষতের মতো হতে পারে।
​ক্ষত স্থানটি পাতলা ঝিল্লি বা স্কার (Scar) দিয়ে ঢাকা থাকতে পারে।
​অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি মাথার তালুর একেবারে মাঝখানের দিকে দেখা যায়।
​কেন হয়?
​এটি সাধারণত একটি বিরল জন্মগত অবস্থা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায় না, তবে বংশগত কারণ বা গর্ভাবস্থায় কিছু নির্দিষ্ট সমস্যার কারণে এটি হতে পারে।
​করণীয় কী?
​১. ঘাবড়াবেন না: বেশিরভাগ ছোট ক্ষত সময়ের সাথে সাথে নিজে থেকেই শুকিয়ে যায় এবং সেখানে শক্ত চামড়া গজায়।
২. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন: আক্রান্ত স্থানটি যেন ইনফেকশন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।
৩. আঘাত থেকে রক্ষা: নবজাতকের মাথার ওই অংশটি অত্যন্ত নরম থাকে, তাই সরাসরি আঘাত বা ঘষা থেকে সাবধান থাকতে হবে।
৪. বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: ক্ষতটি যদি বড় হয় বা সেখান থেকে তরল নির্গত হয়, তবে দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিক সার্জনের পরামর্শ নিন।
​মনে রাখবেন:
​সঠিক যত্ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শে এই সমস্যাটি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন।
​ #নবজাতকের_যত্ন #স্বাস্থ্য_সচেতনতা

01/05/2026

আবারো খেয়াল করুন

01/05/2026

খেয়াল করুন আবার ও কারন ঘরে ঘরে ভাইরাস জ্বর

মা বাবারা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যান সেটা হলো শিশুর জ্বর, জ্বর কোন রোগ নয়, জ্বর রোগের উপসর্গ,  এর বে...
01/05/2026

মা বাবারা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যান সেটা হলো শিশুর জ্বর, জ্বর কোন রোগ নয়, জ্বর রোগের উপসর্গ, এর বেশির ভাগই ভাইরাস জ্বর।ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫ দিন বেশি থাকতে পারে। তাই জ্বর হলে প্রথম ৩ দিন শুধুই প্যারাসিটামল দিবেন। কিন্তু জ্বর শরীরে থাকতে দিন একটু সময় কারন জ্বর হলে শরীরের ভিতর এ এন্টিবডি তৈরি হওয়া শুরু হয়। এই সময়ে বাচ্চা খাবার কমিয়ে দিতে পারে সেই ক্ষেত্রে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য তরল খাবার ও ভিটামিন সি যুক্ত ফলের রস খাওয়াতে পারেন । ভাইরাস জনিত উচ্চ মাত্রার জ্বরও হতে পারে, এতে ঘাবড়ে যাবেন না।ভাইরাস জ্বর হলে তিন থেকে ৭ দিন ও স্থায়ী হতে পারে । জ্বর এর জন্য প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য এক চামচ, ১২ কেজিতে দেড় চামচ, ১৬ কেজিতে দুই চামচ যে কোন ভালো কোম্পানির জ্বর এর প্যারাসিটামল সিরাপ ২৪ ঘন্টায় ৪ বার করে খাওয়াতে পারবেন জ্বর থাকলে। জ্বর ১০২ হলে পায়ুপথে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি ব্যাবহার করবেন( প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য 125 mg , ১৬ কেজি হলে ২৫০) অনেক ক্ষেত্রে সিরাপ বা সাপোজিটরি দিলে ও জ্বর কমে না সেক্ষেত্রে বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে যতক্ষন জ্বর না কমে। তবে জ্বর এর সিরাপ খাওয়ালে বা সাপোজিটরি দিলে ও একই সাথে শরীর ও মুছাবেন কিন্তু কোনভাবেই ঠান্ডা বা নরমাল পানি দিয়ে শরীর মুছাবেন না এতে জ্বর বেড়ে যেতে পারে। সে কারনে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছানো কে একটা ঔষধ ভাবতে হবে। আর জ্বর এর সিরাপ বা সাপোজিটরি দেওয়ার সময়ের ব্যাবধান ৪-৫ ঘন্টা এর আগে দেওয়া যাবে না এইসময়ে ও বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে আর তরল খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তবে জ্বর ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য কারণেও হতে পারে, তাই ৩ দিনের বেশি জ্বর হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন।
জ্বরের সাধারন কিছু কারন:

১. শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন এর কারণে জ্বর হতে পারে, এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে সর্দি কাশি থাকবে এবং কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও থাকতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

২. কানের ইনফেকশনে জ্বরের সাথে কানে ব্যাথা থাকতে পারে । তাই কানে ইনফেকশন সন্দেহ লাগলে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

৩. বেশি মাত্রার জ্বর প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।

৪. পায়খানার ইনফেকশনের কারণে জ্বর হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে পায়খানার সমস্যা থাকবে।
৫. ম্যালেরিয়া (পাহাড়ি এলাকায় থাকলে বা পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রতিক ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে অবশ্যই ভাবতে হবে আগে)

৬. সাধারনত উপসর্গহীন জ্বর (শুধুই জ্বর, সাথে অন্য
কোন উপসর্গ নাই) ভাইরাস জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭. ডেংগু ভাইরাস জ্বর
৭. টাইফয়েড জ্বর

আবার  ও শেয়ার করছি  পুরাতন পোস্ট আর একদিন দুইদিন এ জ্বর  কমবে না তাই শুধুমাত্র জ্বর ছাড়া অন্য  উপসর্গ না থাকলে  অস্থির ন...
01/05/2026

আবার ও শেয়ার করছি পুরাতন পোস্ট আর একদিন দুইদিন এ জ্বর কমবে না তাই শুধুমাত্র জ্বর ছাড়া অন্য উপসর্গ না থাকলে অস্থির না হয়ে জ্বর এর পোস্ট টি ভালো করে পড়ুন নিয়ম মানুন, অস্থির হয়ে হাসপাতালে জোর করে এডমিট করাবেন না, জ্বর এর ম্যাজিকের মতো নামবে না সহজে, ভাইরাস জ্বর এ খিচুনি হতে পারে সেরকম হলে মাথা ঠান্ডা রাখুন শিশু কে বাম কাত করে ধরে রাখুন খিচুনি রত অবস্থায় মাথায় পানি ঢালবেন না তখন। খিচুনি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে হাসপাতালে এডমিট করবেন।

মা বাবারা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যান সেটা হলো শিশুর জ্বর, জ্বর কোন রোগ নয়, জ্বর রোগের উপসর্গ, এর বেশির ভাগই ভাইরাস জ্বর।ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫ দিন বেশি থাকতে পারে। তাই জ্বর হলে প্রথম ৩ দিন শুধুই প্যারাসিটামল দিবেন। কিন্তু জ্বর শরীরে থাকতে দিন একটু সময় কারন জ্বর হলে শরীরের ভিতর এ এন্টিবডি তৈরি হওয়া শুরু হয়। এই সময়ে বাচ্চা খাবার কমিয়ে দিতে পারে সেই ক্ষেত্রে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য তরল খাবার ও ভিটামিন সি যুক্ত ফলের রস খাওয়াতে পারেন । ভাইরাস জনিত উচ্চ মাত্রার জ্বরও হতে পারে, এতে ঘাবড়ে যাবেন না।ভাইরাস জ্বর হলে তিন থেকে ৭ দিন ও স্থায়ী হতে পারে । জ্বর এর জন্য প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য এক চামচ, ১২ কেজিতে দেড় চামচ, ১৬ কেজিতে দুই চামচ যে কোন ভালো কোম্পানির জ্বর এর প্যারাসিটামল সিরাপ ২৪ ঘন্টায় ৪ বার করে খাওয়াতে পারবেন জ্বর থাকলে। জ্বর ১০২ হলে পায়ুপথে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি ব্যাবহার করবেন( প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য 125 mg , ১৬ কেজি হলে ২৫০) অনেক ক্ষেত্রে সিরাপ বা সাপোজিটরি দিলে ও জ্বর কমে না সেক্ষেত্রে বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে যতক্ষন জ্বর না কমে। তবে জ্বর এর সিরাপ খাওয়ালে বা সাপোজিটরি দিলে ও একই সাথে শরীর ও মুছাবেন কিন্তু কোনভাবেই ঠান্ডা বা নরমাল পানি দিয়ে শরীর মুছাবেন না এতে জ্বর বেড়ে যেতে পারে। সে কারনে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছানো কে একটা ড্রাগ ভাবতে হবে। আর জ্বর এর সিরাপ বা সাপোজিটরি দেওয়ার সময়ের ব্যাবধান ৪-৫ ঘন্টা এর আগে দেওয়া যাবে না এইসময়ে ও বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে আর তরল খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তবে জ্বর ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য কারণেও হতে পারে, তাই ৩ দিনের বেশি জ্বর হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন।
জ্বরের সাধারন কিছু কারন:

১. শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন এর কারণে জ্বর হতে পারে, এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে সর্দি কাশি থাকবে এবং কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও থাকতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

২. কানের ইনফেকশনে জ্বরের সাথে কানে ব্যাথা থাকতে পারে । তাই কানে ইনফেকশন সন্দেহ লাগলে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

৩. বেশি মাত্রার জ্বর প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।

৪. পায়খানার ইনফেকশনের কারণে জ্বর হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে পায়খানার সমস্যা থাকবে।
৫. ম্যালেরিয়া (পাহাড়ি এলাকায় থাকলে বা পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রতিক ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে অবশ্যই ভাবতে হবে আগে)

৬. সাধারনত উপসর্গহীন জ্বর (শুধুই জ্বর, সাথে অন্য
কোন উপসর্গ নাই) ভাইরাস জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭. ডেংগু ভাইরাস জ্বর
৭. টাইফয়েড জ্বর

Address

Khagrachari Shadar Hospital
Khagrachari
4400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Muhammad Omar Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Muhammad Omar Faruk:

Share

Category