01/05/2026
আবার ও শেয়ার করছি পুরাতন পোস্ট আর একদিন দুইদিন এ জ্বর কমবে না তাই শুধুমাত্র জ্বর ছাড়া অন্য উপসর্গ না থাকলে অস্থির না হয়ে জ্বর এর পোস্ট টি ভালো করে পড়ুন নিয়ম মানুন, অস্থির হয়ে হাসপাতালে জোর করে এডমিট করাবেন না, জ্বর এর ম্যাজিকের মতো নামবে না সহজে, ভাইরাস জ্বর এ খিচুনি হতে পারে সেরকম হলে মাথা ঠান্ডা রাখুন শিশু কে বাম কাত করে ধরে রাখুন খিচুনি রত অবস্থায় মাথায় পানি ঢালবেন না তখন। খিচুনি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে হাসপাতালে এডমিট করবেন।
মা বাবারা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যান সেটা হলো শিশুর জ্বর, জ্বর কোন রোগ নয়, জ্বর রোগের উপসর্গ, এর বেশির ভাগই ভাইরাস জ্বর।ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫ দিন বেশি থাকতে পারে। তাই জ্বর হলে প্রথম ৩ দিন শুধুই প্যারাসিটামল দিবেন। কিন্তু জ্বর শরীরে থাকতে দিন একটু সময় কারন জ্বর হলে শরীরের ভিতর এ এন্টিবডি তৈরি হওয়া শুরু হয়। এই সময়ে বাচ্চা খাবার কমিয়ে দিতে পারে সেই ক্ষেত্রে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য তরল খাবার ও ভিটামিন সি যুক্ত ফলের রস খাওয়াতে পারেন । ভাইরাস জনিত উচ্চ মাত্রার জ্বরও হতে পারে, এতে ঘাবড়ে যাবেন না।ভাইরাস জ্বর হলে তিন থেকে ৭ দিন ও স্থায়ী হতে পারে । জ্বর এর জন্য প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য এক চামচ, ১২ কেজিতে দেড় চামচ, ১৬ কেজিতে দুই চামচ যে কোন ভালো কোম্পানির জ্বর এর প্যারাসিটামল সিরাপ ২৪ ঘন্টায় ৪ বার করে খাওয়াতে পারবেন জ্বর থাকলে। জ্বর ১০২ হলে পায়ুপথে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি ব্যাবহার করবেন( প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য 125 mg , ১৬ কেজি হলে ২৫০) অনেক ক্ষেত্রে সিরাপ বা সাপোজিটরি দিলে ও জ্বর কমে না সেক্ষেত্রে বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে যতক্ষন জ্বর না কমে। তবে জ্বর এর সিরাপ খাওয়ালে বা সাপোজিটরি দিলে ও একই সাথে শরীর ও মুছাবেন কিন্তু কোনভাবেই ঠান্ডা বা নরমাল পানি দিয়ে শরীর মুছাবেন না এতে জ্বর বেড়ে যেতে পারে। সে কারনে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছানো কে একটা ড্রাগ ভাবতে হবে। আর জ্বর এর সিরাপ বা সাপোজিটরি দেওয়ার সময়ের ব্যাবধান ৪-৫ ঘন্টা এর আগে দেওয়া যাবে না এইসময়ে ও বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে আর তরল খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তবে জ্বর ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য কারণেও হতে পারে, তাই ৩ দিনের বেশি জ্বর হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন।
জ্বরের সাধারন কিছু কারন:
১. শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন এর কারণে জ্বর হতে পারে, এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে সর্দি কাশি থাকবে এবং কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও থাকতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।
২. কানের ইনফেকশনে জ্বরের সাথে কানে ব্যাথা থাকতে পারে । তাই কানে ইনফেকশন সন্দেহ লাগলে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।
৩. বেশি মাত্রার জ্বর প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।
৪. পায়খানার ইনফেকশনের কারণে জ্বর হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে পায়খানার সমস্যা থাকবে।
৫. ম্যালেরিয়া (পাহাড়ি এলাকায় থাকলে বা পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রতিক ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে অবশ্যই ভাবতে হবে আগে)
৬. সাধারনত উপসর্গহীন জ্বর (শুধুই জ্বর, সাথে অন্য
কোন উপসর্গ নাই) ভাইরাস জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭. ডেংগু ভাইরাস জ্বর
৭. টাইফয়েড জ্বর