G.S.B Pharmacy

G.S.B Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from G.S.B Pharmacy, pankhiya para. Road, Khagrachari.

08/01/2022
31/03/2018

চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে যদি দেখেন কারো স্ট্রোক হচ্ছে তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিস্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। তখন মানুষের ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যাক্তিকে সরানো জাবেনা কারণ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, ভাল হয় যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে। অথবা সেলাই সুই থাকলেও ছলবে , আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার ওপর সুইটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জিবানুমুক্ত হয় এবং তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যাবহার করুন । এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙ্গুল থেকে রক্তপাত হয়,কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন হবে না। কেবলমাত্র নিশ্চিত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না ?
এবার ১০ আঙুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রুগী সুস্থ হয়ে উঠছেন।
যদি আক্রান্ত ব্যাক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কান ম্যাসেজ করুন। এবং এমন ভাবে করুন যাতে তার কান লাল হয়ে যায়, যার অর্থ তার কানে রক্ত সঞ্চালন হচ্ছে।
প্রতিটি কানের নরম অংশে দুই ফোঁটা রক্ত পরার মত করে সুই ফোটান। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না ।
আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না রুগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষরণ পদ্ধতি চীনে প্রথাগত ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যাবহার হয়ে আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ, ১০০ শতাংশ কার্যকারী প্রমানিত হয়েছে।

08/03/2018

💙💉💙
সময়মত টিকা = সুস্থ নবজাতক

23/12/2016

ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ক্রয়যোগ্য ওষুধের সংখ্যা কমান

জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬

২৩ ডিসেম্বর ২০১৬, ০০:৫৫

১১ বছর পর গত ১৯ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। এটি হবে এ দেশের তৃতীয় জাতীয় ওষুধনীতি। ‘জাতীয় ওষুধনীতি ২০০৫’ পর্যালোচনা করে তৃতীয় খসড়াটি প্রণয়ন করা হয়েছে; উদ্দেশ্য পরিবর্তিত
সময়ের উপযোগী একটা জাতীয় নীতি তৈরি করা, যা এ দেশে ওষুধ উৎপাদন, ব্যবহার, আমদানি-রপ্তানিসহ সমগ্র ওষুধশিল্প এবং চিকিৎসাব্যবস্থার বিকাশ ও অগ্রগতির সহায়ক হবে।
জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ওষুধ সহজে ও ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে, তা নিশ্চিত করাসহ যে পাঁচটি লক্ষ্যে এই ওষুধনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে বলা হয়েছে, সেগুলো সঠিক লক্ষ্য। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, আগের দুটি জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যগুলোই সামনে ছিল, যেগুলো পূরণ করা যায়নি।
এ দেশে ওষুধের বিপণন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা আছে। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধের ক্রয়-বিক্রয় ও সেবন এবং চিকিৎসকদের প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের (পলিফার্মেসি) পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতার ফলে এখানে এক বিপজ্জনক চিকিৎসা-সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে অনেক অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ অনেক রোগীর ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিকের অতিব্যবহারের কারণে তার কার্যকারিতা নষ্ট হতে থাকায় সারা বিশ্বেই স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কার কথা বলেছে।
নতুন ওষুধনীতির খসড়ায় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে ‘আরও শক্তিশালী’ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে এবং সে জন্য এর বর্তমান জনশক্তি ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ‘যথাযথভাবে বৃদ্ধি’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লোকবল ও অবকাঠামো বাড়ালেই যে প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আইনগত ক্ষমতার দিক থেকে এটা যথেষ্ট শক্তিশালী; প্রয়োজন এর ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা। সে জন্য এ প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করা সবচেয়ে বেশি জরুরি।
এই ওষুধনীতিতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই যেসব ওষুধ কেনা যাবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে, তার তালিকাটি বেশ দীর্ঘ। এ তালিকায় আছে ৩৯ ধরনের ওষুধ। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলেছেন, ৮-১০টির বেশি থাকা উচিত নয়। তালিকাটি ছোট করা হোক। আরও একটা জরুরি কাজ হলো, যেসব চিকিৎসকের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ওষুধ, বিশেষত অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের নিরস্ত করার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।
---প্রথম আ‌লো প‌ত্রিকা থে‌কে সং‌গ্রী‌হিত ।

06/11/2016

হার্টঅ্যাটাক একটি কমন সমস্যা,,,,জেনে রাখুন কিভাবে এথেকে মুক্তি পাবেন!!!

এই ৬টি বিষয়ই আপনাকে বলে দেবে আপনার হার্ট অ্যাটাক আসতে চলেছে-

১) দুর্বলতা- হার্টের সমস্যার জন্য ধমনীতে রক্তের প্রবাহ কমে যায়। আর তার ফলেই কমতে থাকে শরীরে জোর। দুর্বলা অনুভব করবেন আপনি।

২) ঝিমনি- অদ্ভূত ভাবে একটি ঝিমুনি অনুভব হবে প্রতি মুহূর্তে। সেই সঙ্গে রক্তের প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে শরীরে একটা শীতল ভাবও অনুভূত হবে হার্ট অ্যাটাক আসার আগেই।

৩) বুকে ব্যাথা- হার্ট অ্যাটাক আসার প্রায় এক মাস আগে থেকেই বুকে ব্যথা অনুভূত হতে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, বুকে থেকে ব্যথা শরীরের অন্য অংশেও ছড়িয়ে পড়বে ক্রমাগত। বিশেষ করে পীঠ, হাত ও কাঁধে ছড়িয়ে বড়বে ব্যথা।

৪) ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা- হার্ট অ্যাটাক আসার আগে কিছুদিন আগে থেকেই ঠাণ্ডা লাগার একটা প্রবণতা বেড়ে যায়। ফলে আগে থেকেই সাবধান হয়ে যাওয়া অনেকটাই ভালো।

৫) ক্লান্তি- একটু কাজ করলে বা হাটাহাটি করলেই শরীরের মধ্যে ক্লান্তি অনুভব করা। সেই সঙ্গে হাপ ধরে যাওয়া। এমন সমস্যা দেখা দিলেই সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। হতে পারে আপনার হার্ট দুর্বল। যে কোনও মুহূর্তে অ্যাটাক আসতে পারে।

৬) নিশ্বাসে সমস্যা- এটিও একটি নির্দেশ হার্টের পক্ষ থেকে যে তা অত্যন্ত দুর্বল। ছোটো বড় যে কোনও কাজ করলেই নিশ্বাসে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর তা হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। --সংকলন

13/10/2016

স্বাস্থ্য বিষয়ের উপর পরামর্শের জন্যে যোগাযোগ করুন -------
যেকোন সময়ে,যেকোন বিপদে, আপনার পাশে আপনাকে পরামর্শ দিতে, প্রস্তুত আছি । যোগাযোগ - ০১৫১৬১৯৫৪৮৮ ।

18/05/2016



সংসার জীবনে বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে ঘরের কাজ। আর এই কাজগুলো যে জুটি ভাগাভাগি করে নিতে পারেন তাদের বিয়ের সম্পর্ক ততটাই মধুর হয়।

সম্পর্কবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বামী-স্ত্রী সংসারের কাজ ভাগাভাগি করে নিলে তাদের মধ্যে বোঝাপড়া মজবুত হওয়ার পাশাপাশি সাংসারিক জীবনও মধুর হয়।

আগেই ভাগ করে নিন কাজ: কে কোন কাজ করতে পারদর্শী সেই হিসেবে কাজ ভাগাভাগি করে নিন। যেমন, একজন যদি রান্নার দায়িত্ব নেন তবে অন্যজন ঘর গুছিয়ে রাখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে জোরাজুরি করা ঠিক নয়। তাছাড়া একেক দিন কাজ অদল বদল করেও নেওয়া যেতে পারে। এতে প্রতিদিন একই ধরনের কাজ করার বিরক্তি চেপে বসবে না।

একসঙ্গে কাজ করুন: সঙ্গীকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য সারাক্ষণ বলা ঠিক নয়। বরং বারবার তাকে না বলে, দু’জনে মিলেমিশে কাজ গুছিয়ে নিন। এতে ঝগড়া যেমন এড়ানো যাবে তেমনি কাজও জলদি শেষ হবে।

সঙ্গীর কাজ মূল্যায়ন করুন: বিবাহিত জীবনে একে অপরকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলে যান অনেকেই। আবার অনেকে মনে করেন আলাদা করে ধন্যবাদ জানানোর তেমন কোনো প্রয়োজনই নেই। তবে এই ছোট শব্দটি অত্যন্ত মূল্যবান। কাজ শেষে সঙ্গীকে হাসিমুখে ধন্যবাদ বলার মানে হল, আপনি তার কাজের মূল্যায়ন করছেন।

সন্তানদেরও কাজ শিখান: ছোটবেলা থেকেই নিজের কাজ নিজে গুছিয়ে নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। তাই সাধারণ কাজের দায়িত্বগুলো দিতে পারেন সন্তানদের। নিজের বিছানা, পড়ার টেবিল, খেলনা, কাপড় গুছিয়ে রাখা, খাবার শেষে প্লেট ধুয়ে ফেলা ইত্যাদি কাজগুলো করার অভ্যাস শিশুকাল থেকেই করানো ভালো।

দিন ভাগাভাগি করে নিন: অনেক সময় অফিসের ব্যস্ততায় ঘরের কাজ সেভাবে ভাগাভাগি করে নেওয়া হয় না, সেক্ষেত্রে দিন ভাগ করে নিতে পারেন।

সংগ্রহ ১৮/৫/২০১৬

Address

Pankhiya Para. Road
Khagrachari
KHAGRACHARISADAR

Telephone

01553005389

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when G.S.B Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram