18/10/2024
একটু সময় নিয়ে পুরোটা পড়ুন।
অন্ধকারে মোবাইল ব্যবহার করলে কী কী ক্ষতি হয়?
অন্ধকারে মোবাইল টিপলে ৫টি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
অনেকেই রাতে শুতে যাওয়ার সময় বালিশের পাশে মোবাইল ফোন রাখেন। আর ঘুম যতক্ষণ না আসছে, ততক্ষণ হোয়াটস অ্যাপ অথবা ফেসবুকে চলতে থাকে দাপাদাপি। আর এই করতে করতে কখন যে ঘড়ির কাঁটা পরের দিনে ঢুকে যায়, সেদিকে খেয়ালই থাকে না বেশিরভাগের। আপনিও কি এমনটা করে থাকেন নাকি? তাহলে আজ থেকেই বন্ধ করুন এই অভ্যাস। না হলে শরীরের যে কী কী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, তা জানলে অবাক হয়ে যাবেন আপনি।
আসলে অন্ধকারে মোবাইলের নীল আলো চোখের মারাত্মক ক্ষতি তো করেই। সেই সঙ্গে শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। ফলে ঘুম আসতে চায় না। আর দিনের পর দিন রাতে ঠিক মতো ঘুম না হলে শরীরে একে একে বাসা বাঁধতে শুরু করে একাধিক জটিল রোগ। এছাড়াও দেখা দেয় আরও নানা রকমের সমস্যা। যেমন ধরুন-
মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি হয়ঃ
ঠিক মতো ঘুম না হলে ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কাজ করার ক্ষমতা কমতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। শুধু তাই নয় ব্রেণে রক্ত প্রবাহে নানা বাধা আসতে শুরু করে। ফলে মস্তিষ্ক সম্পর্কিত নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।
ঘুম কমে যায়ঃ
মোবাইল ফোনের আলো নানাভাবে শরীরে মেলাটনিন হরমোনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। ফলে সহজে ঘুম আসতে চায় না। কারণ আমাদের ঘুম কতটা ভাল হবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণের ওপর।
দৃষ্টিশক্তি কমে যায়ঃ
অন্ধকারে অনক সময় ধরে মোবাইল ঘাটলে তার নীল আলো সরাসরি চোখের ওপর পরতে থাকে। যে কারণে চোখে যন্ত্রণা হতে পারে। আর দীর্ঘদিন ধরে যদি এমনটা হতে থাকে, তাহলে এক সময়ে গিয়ে দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে কিন্তু!
রেটিনা খারাপ হতে শুরু করেঃ
অন্ধকারে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে তার নীল আলো রেটিনার কার্মক্ষমতা কমাতে শুরু করে। দীর্ঘ দিন ধরে যদি এমনটা চলতে থাকে তাহলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই যদি কম বয়েসে অন্ধ হতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফোনটা নিজের থেকে দূরে রেখে শুতে যাওয়ার অভ্যাস করুন। নাহলে কিন্তু বিপদ!
ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়ঃ
মোবাইলের নীল আলোর কারণে শুধু মেলাটোনিন হরমোন নয়, সেই সঙ্গে আরও সব হরমোনের ক্ষরণে বাধা আসতে শুরু করে, ফলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ঘাটতি দেখা দিতে শুরু করে, যা ক্যান্সার রোগে, বিশেষত ব্রেস্ট এবং প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ায়।
তাহলে আপনিই সিদ্ধান্ত নিন, সুস্থ ভাবে বাঁচতে চান না মোবাইলকে জীবনের আগে রাখতে চান।
অন্ধকারে মেবাইল/ কম্পিউটার / ল্যাপটপ/ টিভি ব্যবহার না করাই উচিতঃ
অন্ধকারে মোবাইল, টিভি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, টিভি ব্যবহার করলে চোখের অনেক ক্ষতি হয়।আর চোখের ক্ষতি হলে সেটা আমাদের মস্তিষ্কের জন্যও অনেক ক্ষতি হয়।তাই অন্ধকারে মোবাইল চালানো ঠিক না।
যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন- মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারে দৃষ্টির বৈকল্য সৃষ্টি হতে পারে। দৈনিক কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তারা। আমেরিকান ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মোবাইল ফোনের নীল আলো রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি করে অন্ধত্বের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
চার্জে থাকা অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করলে কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
চার্জে থাকা অবস্থায় মোবাইল ব্যাবহার করলে সেটা অতিরিক্ত গরম হতে পারে। যার ফলে অনেক সময় ফোন বিস্ফোরণের মতো ঘটনাও ঘটে।
মোবাইল যখন চার্জে থাকে তখন সেখানে ভোল্টেজ স্টেপ ডাউন করতে হয়। কারন মোবাইল এর ব্যাটারি থাকে সাধারণত ৫ ভোল্ট এর হয়। এই স্টেপ ডাউন প্রসেস এ কিছুটা পাওয়ার ব্রিক বা এডাপ্টার এ হয় আর বাকিটা ফোনে হয়। এই কাজে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। যার ফলে মোবাইল ফোন গরম হয়ে যায়। এখন তার উপর যদি আপনি সেটা ব্যাবহার করেন ঐ সময় এর প্রসেসর কাজ করা শুরু করবে। সেটা আরো গরম করে তুলবে আপনার ফোনকে। আর খলনায়ক লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি হল অত্যন্ত দাহ্য ও বিস্ফোরক জিনিষ।
মোবাইল ফোন রাত্রে বালিশের পাশে রেখে ঘুমানো শরীরের জন্য কতখানি ক্ষতিকর ?
কি দরকার মশাই মোবাইলটা বালিশের পাশে রাখার, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, মেসেঞ্জার এইসব। পরেরদিন হবে, রাতে কেন। নাকি দেড় জিবি ইন্টারনেটের মধ্য 500mb বাকি আছে😁। ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানো টা কি ঠিক। রাতে কাউকে মেসেজ করলেন i lo.. U । আপনি দেখতে পাচ্ছেন মেসেজটা দেখা হয়ে গেছে কিন্তু কোন রিপ্লাই আসছে না তাহলে কি আপনার সেই রাতে ঘুম হবে? মোবাইলটাকে বালিশের পাশে রেখে শুধু মনে হবে কখন মোবাইলে একটা বেল বেজে ওঠে। 😆😆
অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন বন্ধ করেন না৷ অ্যালার্ম দিয়ে ফোনকে বালিশের নিচে বা পাশে রাখার অভ্যাস রয়েছে অনেকের৷ অনেকেই আবার ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোনটি সঙ্গী করে ঘুমান। এটা আপনার জন্য ক্ষতিকর।
ধন্যবাদ 🙂
নিবন্ধ টি কেমন লাগলো মন্তব্য করুন।
সংগৃহিত।