Doctorox

Doctorox আয়ুর্বেদিক ঔষধ রোগব্যাধি নিরাময়ের প্রচলিত প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি

চিকিৎসার প্রধান বিষয় হল শরীরের পঞ্চকর্মের বিভিন্ন অংশের মধ্যে যে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে তার কারণ অণুসন্ধান করে, তার রোধ করে পূর্বাবস্থায় ফেরানো। ঔষধ, পুষ্টিকর খাদ্য, জীবনযাত্রার পরিবর্তন করে শরীরে উপযুক্ত শক্তি যুগিয়ে এটা করা সম্ভব যাতে ভবিষ্যতেও রোগ প্রভাবিত করতে না পারে।

আরোগ্য বিদ্যার মূল কথাই হল যে সেটাই সঠিক চিকিত্‌সা যা রোগীকে সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে দেয় এবং তিনিই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসক যিনি রোগীকে রোগমুক্ত করেন। আয়ুর্বেদের মূল উদ্দেশ্য হল স্বাস্থ্যরক্ষা ও তার উন্নতি, রোগরোধ ও তার সঠিক নিরাময়।

এটি এমনই এক চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে রোগ নিরাময়ের চেয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার প্রতি বেশি জোর দেওয়া হয়। রোগ নিরাময় ব্যবস্থা করাই এর মূল লক্ষ্য।

26/10/2025

সজিনা পাতা: আপনার শরীরের প্রাকৃতিক শক্তির ভান্ডার

🌿 এক মুঠো সজিনা পাতা = এক মুঠো পুষ্টি!
প্রতিদিন খাবারে সজিনা পাতা রাখুন, সুস্থ থাকুন দীর্ঘদিন।

সজিনা পাতা (Moringa leaves) কে বাংলায় অনেকে “গাছের মাংস” বলেন, কারণ এতে অসাধারণ পুষ্টিগুণ আছে। 🌿

✅ সজিনা পাতার গুণাগুণ

ভিটামিনে ভরপুর → ভিটামিন A, C, E এবং K আছে।

প্রোটিন সমৃদ্ধ → অন্য সবজির তুলনায় সজিনা পাতায় প্রচুর প্রোটিন থাকে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট → শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিক্যাল দূর করে।

ক্যালসিয়াম ও আয়রন → হাড় মজবুত করে, রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় → নিয়মিত খেলে ঠান্ডা, কাশি, ইনফেকশন কম হয়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক → রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

পেটের সমস্যা দূর করে → হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

☕ ব্যবহার উপায়

তরকারি বা ডাল রান্নায় সজিনা পাতা দেওয়া যায়।

শুকনো পাতা গুঁড়ো করে পানি/দুধে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

সজিনা পাতার চা বানিয়েও খাওয়া যায়।

👉 এটাকে এখন “সুপারফুড” বলা হয়।

#সজিনা #সজিনা_পাতা #ভেষজ_চিকিৎসা #স্বাস্থ্যটিপস #প্রাকৃতিক_চিকিৎসা #গাছগাছালি #খাদ্যপুষ্টি #আয়ুর্বেদ #ঘরোয়া_চিকিৎসা

26/10/2025

ডায়েট টিপস

🥗 ডাক্তারের টিপস – সুস্থ থাকতে দিনে কী খাবেন?

সকালে ফল 🍎

দুপুরে শাকসবজি 🥦

রাতে হালকা খাবার 🍲

পর্যাপ্ত পানি 💧

05/02/2024

বাচ্চা প্রসবের বিস্ময় প্রকাশ করা: জন্মের অলৌকিক ঘটনা

25/01/2024
25/01/2024

হরিতকী

মানুষের রোগ প্রতিরোধে প্রতিষেধক হিসেবে এই উদ্ভিদ বিশেষ কার্যকর। জীবাণু ও ছত্রাকজনিত রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী। প্রচলিত আছে, প্রতি সকালে এক কাপ পরিমাণ হরিতকী ভেজানো পানি ব্যবহার করলে রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। আমলকী ও বিভীতকীর (বহেড়া) সঙ্গে হরিতকী ভেজানো পানি, সব রোগের আশ্চর্য মহৌষধ। আমলকী, হরিতকী ও বহেড়া এই তিন ফলের মিশ্রণকে ত্রিফলা বলে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বহুমাত্রিক উপকারী।

ইহা রেচক, কষাকারক, পিচ্ছিলকারক, পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি রোধক এবং স্নায়বিক শক্তিবর্ধক। তাই ইহা নতুন ও পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়বিক দুর্বলতা, অবসাদ এবং অধিক ওজন এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। হরিতকীতে এ্যানথ্রাকুইনোন থাকার কারণে ইহা রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ।

পাইলস, হাঁপানি, চর্ম রোগ, ক্ষত রোগ, কনজাংটিভাইটিস রোগে হরীতকী ব্যবহৃত হয় বিশেষভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। ইহা রক্ত চাপ এবং অন্ত্রের খিঁচুনি হ্রাস করে। হৃৎপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে।

অনিদ্রা হলো একটি ঘুমের ব্যাধি যাতে মানুষের ঘুমে সমস্যা হয়। অনিদ্রা বা  #ইনসমনিয়ার রোগীদের ক্ষেত্রে ঘুমিয়ে পড়তে বা ইচ...
18/06/2023

অনিদ্রা হলো একটি ঘুমের ব্যাধি যাতে মানুষের ঘুমে সমস্যা হয়। অনিদ্রা বা #ইনসমনিয়ার রোগীদের ক্ষেত্রে ঘুমিয়ে পড়তে বা ইচ্ছামত ঘুমাতে অসুবিধা হয়। এক্ষেত্রে সাধারণত দিনের বেলায় ঘুম, কম শক্তি, খিটখিটে, এবং বিষণ্ণ মেজাজ পরিলক্ষিত হয়। এর ফলে সড়ক গাড়ি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। সেইসাথে কোনো কাজে ফোকাস করতে এবং শেখতে সমস্যা হতে পারে। #অনিদ্রা স্বল্পমেয়াদী হতে পারে। কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে বা দীর্ঘ মেয়াদী যেমন এক মাসের বেশিও স্থায়ী হতে পারে।

🔺অনিদ্রার লক্ষণঃ

🔸আরামদায়ক ঘুমের অবস্থান খুঁজে পেতে অসুবিধা এবং ঘুমাতে অসুবিধা

🔸রাতে জেগে থাকা, ঘুমাতে না পারা এবং তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠা

🔸দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ দিতে না পারা, মনে রাখতে অসুবিধা

🔸দিনের বেলা ঘুম, বিরক্তি, বিষণ্নতা বা উদ্বেগ

🔸দিনের বেলায় ক্লান্ত বোধ করা বা শক্তি কম থাকা

🔸কাজে মনোযোগ দিতে সমস্যা

🔸খিটখিটে হওয়া, আক্রমণাত্মক বা আবেগপ্রবণ আচরণ করা

🔺প্রতিরোধঃ
অনিদ্রা প্রতিরোধ এবং চিকিৎসার জন্য জ্ঞানভিত্তিক আচরণগত থেরাপি, ওষুধ, এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে।পাশাপাশি কিছু কার্যকরী উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে:

🔸ন্যাপ এড়িয়ে চলা বা ব্যবহার সীমাবদ্ধ করা

🔸শয়নকালে ব্যথার চিকিৎসা

🔸শোবার আগে বড় খাবার, পানীয়, অ্যালকোহল এবং নিকোটিন এড়িয়ে চলা

🔸শয়নকক্ষটি অন্ধকার, শীতল রাখা। পাশাপাশি বিভিন্ন ডিভাইস যেমন ঘড়ি, সেল ফোন শোবার স্থান থেকে দূরে রাখা

🔸নিয়মিত অনুশীলন বজায় রাখুন

🔸ঘুমানোর আগে শারীরিক ক্রিয়াকলাপ শিথিল করা

ফুসফুসঃ #ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস...
18/06/2023

ফুসফুসঃ

#ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান-প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভিওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্য কাজও আছে।

শ্বাসপ্রশ্বাস ছাড়া অন্যান্য কাজঃ

বায়ু বিনিময় ও হাইড্রজেন আয়ন ঘনত্ব নিয়ন্ত্রণের মত শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত কাজ ছাড়াও #ফুসফুস আরও যেসকল কাজ করে থাকে সেগুলো হলো:

ধমনীয় রক্তে ঔষধ হিসাবে ব্যবহৃত ‘প্রানীদেহে কার্যকর সক্রিয় বস্তু’ ও ‘ঔষধ-উপাদানের ঘণত্ব’ প্রভাবিত করে।

শিরায় তৈরি হওয়া ছোট রক্ত পিন্ড অপসারন করে।

হৃৎপিণ্ডের প্রতিরক্ষার জন্য নরম, ঘাতসহ স্তর হিসাবে ব্যবহৃত হয়, যা প্রায় চারপাশে হতে #হৃৎপিণ্ডকে ঘিরে থাকে।

১। হৃৎপিণ্ড থেকে সমগ্র শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে২। হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে অক্সিজেনবিহীন রক্ত পরিবহন করে।৩। হৃ...
23/09/2022

১। হৃৎপিণ্ড থেকে সমগ্র শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে
২। হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে অক্সিজেনবিহীন রক্ত পরিবহন করে।
৩। হৃৎপিণ্ডতে রক্ত সরবরাহ করে।
৪। শরীর থেকে হৃৎপিণ্ডে রক্ত পরিবহন কর
৫। ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃৎপিণ্ডে পরিবহন করে।
৬। হৃৎপিণ্ডের নিজস্ব কলা থেকে রক্ত নিষ্কাশন করে

গ্যাষ্টিক সমস্যার চির সমাধান।সীমিত সংখ্যক প্রস্তুত করা হল
10/09/2022

গ্যাষ্টিক সমস্যার চির সমাধান।
সীমিত সংখ্যক প্রস্তুত করা হল

08/06/2022

ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস একটি বহুল আলোচিত রোগ। একে সোমরোগ বা বহুমূত্র রোগ ও বলা হয়। দেহের সোম গুণান্বিত জল পদার্থের ক্ষয় হয় তাই একে সোমরোগ ও বলে। এতে সর্ব দেহস্থ জল পদার্থ বিকৃত ও স্হানচ্যুত হয়ে মুত্রমার্গে জমা হয়। ইহা মুত্ররুপে পরিনত হইয়া মুত্রপথ দিয়া অধিক পরিমাণে নির্গত হয়। উহা প্রসন্ন, শীতল, গন্ধরহিত। এরোগ দীর্ঘকাল স্হায়ী হলে মূত্রাতিসার হয়। এতে বার বার প্রস্রাব হতে থাকে, দেহের বল নষ্ট হয়। রোগীর তৃষ্ণা পায় এবং অধিক জল পান করে।

ডায়াবেটিস রোগের কারনঃ

⏺️ অধিক স্ত্রী সঙ্গম।
⏺️ অতিরিক্ত শ্রম।
⏺️ আভিচারিক দোষ।
⏺️ বিষদোষ।
⏺️ শোক।
⏺️ অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া। (অল্প পরিমানে প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি খাবার ও মিষ্টি পানীয় যেমন ফল, ফলের রস, মধু গ্রহণ করা যেতে পারে)
⏺️ খাবার চিবিয়ে না খাওয়া।

লক্ষনঃ

⏺️ ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা
⏺️ দুর্বল দৃষ্টিশক্তি
⏺️ ক্লান্ত ও দুর্বল বোধ করা
⏺️ ঘন মূত্রত্যাগ
⏺️ ত্বকের সংক্রমণ
⏺️ চামড়া ফেটে যাওয়া
⏺️ শরীরের ওজন কমে যাওয়া
⏺️ ঘন ঘন তৃষ্ণা
⏺️ শারীরিক দূর্বলতা
⏺️ হীনতা।
⏺️ মস্তিষ্কের শীতলতা।
⏺️ মুখ, তালু, ঠোঁট, কন্ঠ শুষ্কতা।
⏺️ ঘর্ম্ম
⏺️ অঙ্গে গন্ধ।
⏺️ কাস
⏺️ অঙ্গের শীতিলতা।
⏺️ অরুচি
⏺️ ত্বকের অতিমাত্র রুক্ষতা।
⏺️ ভক্ষ্য ভোজ্য ও পেয় কিছুতেই তৃপ্তি না পাওয়া।
⏺️ দেহের কৃশতা।
⏺️ মুত্রের পীতবর্নতা।
⏺️ হস্তপদ জিহবা।

এ রোগে অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ করে না। এবং চিনি হজম করার জন্য যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি হয় না। রক্ত পরীক্ষা করলে এবং প্রস্রাবে ২% ও তার বেশি শর্করা পাওয়া যাবে।

আমরা যখন খাবার খাই তখন আমাদের প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিনের কাজ হলো যে খাবার খাচ্ছি সেটার অতিরিক্ত গ্লুকোজ কমিয়ে দেওয়া। যখন ইনসুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা ইনসুলিন উৎপাদন হওয়ার পরও যখন কাজ করতে পারে না তখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। সেই অবস্থাকে আমরা ডায়াবেটিস বলছি।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সব খাদ্য, এমনকী পানীয়ও ১৫ বার চিবিয়ে খাওয়া দরকার। শিশুকাল থেকে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত। খাবার ভালভাবে চিবিয়ে খেলে তা লালার সঙ্গে মিশে যায় এবং সহজে হজম হয়। এছাড়া এ রোগে ধাতু সঞ্চারিত পানি পান খুব উপকারী।

চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ ও ঔষধের জন্য যোগাযোগ করুন।

ত্রিফলাআয়ুর্বেদে ত্রিফলা উল্লেখযোগ্য তার রাসায়নিক গুণাবলীর জন্য যার অর্থ এটি আমাদের শরীরস্বাস্থ্য ও জীবনীশক্তি বজায় রাখত...
19/05/2022

ত্রিফলা

আয়ুর্বেদে ত্রিফলা উল্লেখযোগ্য তার রাসায়নিক গুণাবলীর জন্য যার অর্থ এটি আমাদের শরীরস্বাস্থ্য ও জীবনীশক্তি বজায় রাখতে এবং রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের অতি পরিচিত বিস্ময়কর ঔষধি গুণসম্পন্ন এটি। আসলে ত্রিফলা এত এত গুনসম্পন্ন যা বলে শেষ করা যাবেনা।

ত্রিফলার কিছু উপকারিতা

⏺️ক্যান্সারঃ

ত্রিফলায় থাকা গ্যালিক অ্যাসিড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। নিয়মিত খালি পেটে এই মিশ্রণটি সেবন করলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যার ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সুযোগই পায় না। আর একবার যদি জন্ম নিয়েও ফেলে তাহলে তার বৃদ্ধি আটকে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মরণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এছাড়া কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধেও ত্রিফলা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

⏺️ডায়াবেটিসঃ

ত্রিফলায় থাকা আমলকীর মধ্যে যে ক্রোমিয়াম থাকে, তা অগ্ন্যাশয়ের জন্য খুবই উপকারী। ফলে ইনসুলিন এবং শর্করার মাত্রাও সঠিক পরিমাণে বজায় থাকে। যা ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

⏺️গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধানঃ

ত্রিফলা গ্যাস্ট্রিক সমস্যার সমাধানে খুবই কার্যকর। ত্রিফলায় থাকা আমলকি হজমে সাহায্য করে ও স্টমাক অ্যাসিগে ব্যালেন্স বজায় রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, ত্রিফলা গ্যাস্ট্রিক ও আলসার হওয়ার প্রবণতা অনেক কমিয়ে দেয়।

⏺️যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ

প্রজননতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে ত্রিফলা খুবই উপকারী। এটি প্রজনন অঙ্গগুলোর pH লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে, প্রজনন অঙ্গকে শক্তিশালী করে। তাই প্রজননতন্ত্রের সমস্যায় ত্রিফলার ব্যবহার খুবই ফলপ্রসূ।

⏺️প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করেঃ

দেশে ১০-২০ শতাংশ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। এ রোগের কারনে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ, হার্ট আ্যাটাক, কিডনি বিকল ও চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ত্রিফলার লাইনোলিক অ্যাসিড শরীরে প্রবেশ করা মাত্র সহজেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে পারে।

⏺️কিডনি সবল রাখেঃ

ত্রিফলা আমাদের রেচনতন্ত্রের (কিডনি) কার্যাবলিতে সহায়তা করে। ফলে অন্ত্র পরিমাণমতো পানির সরবরাহ পায়, ত্রিফলা মূত্র সংবহনতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। অন্ত্র, মূত্র সংবহনতন্ত্র ও রেচন তন্ত্রের ভারসাম্যপূর্ণ স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য দেহ শীতল থাকে এবং উচ্চ তাপমাত্রায় হিট স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমে।

⏺️কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস সমস্যা সমাধান করেঃ

নিয়মিত সেবনে ত্রিফলা কোষ্টকাঠিন্য দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সৃষ্ট রোগ পাইলস বা ফিস্টুলার ঝুঁকি কমায়। শুধু তাই নয়, কোলোনকে পরিশুদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে আরও নানা ধরনের রোগের আশঙ্কা কমাতেও ত্রিফলার বিকল্প হয় না বললেই চলে।

⏺️ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ

অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে ডায়েট কন্ট্রোলের পাশাপাশি আপনার প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ত্রিফলা চূর্ণ। কারণ নিয়মিত এই প্রাকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটার কারণে শরীরে মেদ জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে।

⏺️খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়ঃ

হার্টের ভিতরে যাতে কোন ভাবেই প্রদাহ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই যেকোন ধরণের করনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুলাংশে হ্রাস পায়।

⏺️শ্বাসকষ্ট দূর করেঃ

ত্রিফলা আমাদের শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মা নিঃসরণ করে এবং আমাদের শ্বাসনালীর কর্মক্ষমতা স্বাভাবিক রাখে। এটি দেহে ও শ্বাসনালীতে অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়, ফলে অ্যাজমা রোগে খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে। এটি আমাদের সাইনাস থেকে শ্লেষ্মা বের করে দেয় ফলে সাইনোসাইটিসজনিত মাথাব্যথা প্রতিহত করে।

⏺️দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখেঃ

আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ, চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

⏺️বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করেঃ

ত্রিফলা সমগ্র শরীরে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে সারাদেহে ‍পুষ্টি যোগায়। ত্রিফলায় থাকা এন্টি অক্সিডেন্ট, বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারন ফ্রি- র‌্যাডিক্যালস ধ্বংশ করে, মৃত কোষ কমায়। ত্রিফলার নিয়মিত ব্যবহার ত্বকের বলিরেখা,বাধ্যর্কের ছাপ, মলিনতা দূর করে চেহারায় লাবণ্য ধরে রেখে আপনাকে করে তোলে আকর্ষণীয় ও তারুণ্যদীপ্ত।

⏺️চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়ঃ

নিয়মিত ত্রিফলা সেবনে দেহ বিষমুক্ত হয়, হালকা ও প্রাণবন্ত হয়। ত্রিফলায় থাকা ভিটামিন সি চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায়। চুলের অকাল পক্কতা দূর করে। ত্রিফলার পেস্ট বানিয়ে হেয়ার প্যাক হিসেবেও নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।

⏺️ক্ষত সারতে কার্যকরঃ

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানে ঠাসা হওয়ার কারণে এই মিশ্রনটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্ষত সারতে সময় লাগে না। এই কারণেই তো ছোট বাচ্চাদেরও নিয়মিত এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রনটি খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

ত্রিফলা সেবনের মাত্রা ত্রিফলা পণ্যটির কার্যকারিতা অনুযায়ী এবং চেহারার ধরণ ও দেহতত্ত্ব অনুযায়ী পাল্টায়। সেই কারণে যদি আপনি এই আয়ুর্বেদিক চূর্ণটির বিশেষ আরোগ্যকারী কোনও সুবিধা পেতে চান, সেই ক্ষেত্রে জেনে নিন আপনার ক্ষেত্রে ত্রিফলার সঠিক পরিমাণ।

Address

M A Bari Street, Gallamari
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:30 - 20:00
Tuesday 09:30 - 20:00
Wednesday 09:30 - 20:00
Thursday 09:30 - 20:00
Friday 09:30 - 20:00
Saturday 09:30 - 20:00
Sunday 09:30 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Doctorox posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Doctorox:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram