19/11/2025
বন্ধ্যাত্বে( Infertility) নারীর ক্ষেত্রে কি কি টেস্ট করা হয় এবং কেন করা হয়??
1. Hormonal Tests (রক্ত পরীক্ষা):
FSH, LH: ডিম্বাশয়ের (o***y) কাজ কেমন, ডিম্বোৎসর্গ হচ্ছে কি না বোঝার জন্য।
Prolactin: অতিরিক্ত থাকলে ডিম্বোৎসর্গ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
TSH: থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে মাসিক অনিয়ম ও গর্ভধারণে সমস্যা হয়।
AMH (Anti-Müllerian Hormone): ওভারিয়ান রিজার্ভ বা ডিম্বাণুর মজুদ কতটা আছে সেটা বোঝার জন্য।
2. Ultrasound of Pelvis:
জরায়ু, ডিম্বাশয় ও ফলোপিয়ান টিউবের গঠন ঠিক আছে কি না দেখা হয়।
পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) বা সিস্ট আছে কিনা দেখা যায়।
3. Hysterosalpingography (HSG):
X-ray করে দেখা হয় ফলোপিয়ান টিউব খোলা আছে কিনা। টিউব ব্লক থাকলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলন বাধাগ্রস্ত হয়।
4. Transvaginal Sonography / Follicular Study:
মাসিক চক্রে কবে ডিম্বোৎসর্গ হচ্ছে তা নির্ধারণের জন্য ধারাবাহিক আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়।
5. Laparoscopy (যদি প্রয়োজন হয়):
টিউব, ওভারি, এন্ডোমেট্রিওসিস বা পেলভিক অ্যাডহেশনের উপস্থিতি দেখা হয়।
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বন্ধ করার পর দ্রুত গর্ভধারণের জন্য কী করা উচিৎ....
১.
প্রথমেই জানতে হবে আপনি কোন পদ্ধতি বন্ধ করছেন, কারণ প্রতিটির প্রভাব আলাদা:
জন্মনিয়ন্ত্রনের পর উর্বরতা (fertility) ফিরে আসতে গড়ে সময় লাগে-
★পিল -(oral contraceptive pill) সাধারণত ১–৩ মাসের মধ্যে
★ইনজেকশন -(Depo-Provera) ৬–১২ মাস পর্যন্ত লাগতে পারে
★IUCD / Copper-T -সরানোর পরই উর্বরতা ফিরে আসে
★Implant -(Nexplanon ইত্যাদি) সরানোর ১–৩ মাস পর
★Condom / Natural method - সঙ্গে সঙ্গে
২. শরীরকে প্রস্তুত করা
★ফোলিক অ্যাসিড: গর্ভধারণের অন্তত ৩ মাস আগে থেকেই প্রতিদিন ৪০০–৮০০ মাইক্রোগ্রাম ফোলিক অ্যাসিড খাওয়া উচিৎ।
★হেলদি ডায়েট: আয়রন, জিঙ্ক, প্রোটিন, সবুজ শাক, ফল, দুধ—সব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
★ওজন ঠিক রাখা: BMI খুব কম বা বেশি হলে ডিম্বস্ফোটন (ovulation) অনিয়মিত হয়।
★স্ট্রেস কমানো: অতিরিক্ত মানসিক চাপ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
★ঘুম ঠিক রাখা: ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার প্রতিদিন।
৩. ওভুলেশন ট্র্যাক করা
এটাই মূল কৌশল। গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি ওভুলেশনের আগের ও সেদিনের মধ্যে।
জানার উপায়:
*ওভুলেশন টেস্ট কিট (LH surge পরীক্ষা করে)
*বেসাল বডি টেম্পারেচার (BBT) চার্ট
*সারভাইক্যাল মিউকাস (ডিমের সাদা অংশের মতো হলে ফার্টাইল সময়)
৪. যেসব বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত
*অতিরিক্ত কফি, ধূমপান, অ্যালকোহল
*ওভারওয়েট বা আন্ডারওয়েট থাকা
*অতিরিক্ত কঠোর ব্যায়াম
*অবিরাম মানসিক টেনশন
৫. চিকিৎসা পরামর্শ নেওয়া কখন দরকার
যদি ১ বছর চেষ্টা করেও (বা বয়স ৩৫ এর বেশি হলে ৬ মাসে) গর্ভধারণ না হয় তখন ডাক্তারেফ পরামর্শ নিতে হবে।
ডিম্বস্ফোটন, হরমোন, থাইরয়েড, টিউবাল পেটেন্সি বা স্পার্ম টেস্ট প্রয়োজন হতে পারে।
Dr.Rawnak Afrin
BHMS(Dhaka University )
(Bachelor Of Homeopathic Medicine & Surgery)
MPH( Maternal & Child Health)
DMU( Ultrasound)
WhatsApp 01912671321