শেষ যাত্রা

শেষ যাত্রা শেষ যাত্রা একটি জনসেবা ধারমি আর্থিক প?

04/07/2017

জগন্নাথ অর্থাৎ জগতের নাথ। পরমেশ্বর ভগবানের করুণাঘন রূপ। জগন্নাথধাম হিন্দু জাতির চার ধামের এক ধাম। দেবীর ৫১ পীঠের এক পীঠ। জগন্নাথদেবের বিগ্রহ দৃশ্যত অসম্পূর্ণ,কিন্তু তাঁর দৃশ্যমান হস্ত,পদ না থাকা সত্ত্বেও তিনি হস্ত-পদময়। কারণ এই জগতে এবং সকল জীবের মাঝেই তাঁর প্রকাশ। আবার তিনি এ জগতের পারে, সকল ইন্দ্রিয়ের পারে, ইন্দ্রিয়, বাক্য, মনের অগোচর হয়ে সদা বিরাজিত হয়ে আছেন ।
সারা ভারতবর্ষে যতো প্রাচীন মন্দির আছে তার প্রত্যেকটি মন্দিরে বিগ্রহের কিছু স্বতন্ত্রতা আছে। তেমনি স্বতন্ত্রতা জগন্নাথ বিগ্রহের। অপরূপ করূণাঘন চোখে তাকিয়ে আছেন ভগবান ভক্তের পানে। স্কন্ধপুরাণের উৎকল খণ্ডে জগন্নাথদেবের এ রূপের কারণ দেয়া আছে খুব সুন্দর করে, তা আমরা মোটামুটি সবাই বৃদ্ধ কারিগরের এ ঘটনাটা জানি। তাই সেদিকে আর আমি যাচ্ছি না।
জগন্নাথদেব সনাতন হিন্দুর শাক্ত, শৈব,গাণপত্য, সৌর এবং বৈষ্ণব এ পঞ্চ মতেরই একত্বের প্রতীক। বলদেব শিবের, শুভদ্রা শক্তির, জগন্নাথ বিষ্ণু, আর সুদর্শন সূর্যের প্রতীক বলে উপাসনা করা হয়। পঞ্চমতের মধ্যে বাকি রইল একটি গাণপত্য। তাই স্নানযাত্রার দিনে জগন্নাথদেবকে গণেশরূপে উপাসনা করা হয়। আবার জগন্নাথদেবের যেহেতু দৃশ্যমান হস্ত-পদ নেই, তাই তিনি হস্ত-পদের পারে ব্রহ্মস্বরূপ। এবং তাঁর বিগ্রহকে বলা হয় দারুব্রহ্ম।
জগন্নাথদেবের মন্দির শুধুমাত্র হিন্দুদের সকল মত-পথের একতার প্রতীকই নয় ; হিন্দু জাতির একতা গঠনে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। জগন্নাথদেবের গর্ভগৃহে সকল হিন্দুদের সহ ভারতে উৎপন্ন বৌদ্ধ, জৈন,শিখসহ সকল ধর্মাবলম্বীদেরই প্রবেশের অধিকার । (শুধুমাত্র সেমেটিক ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশাধিকার নেই, কারণ তারা সুযোগের অসৎ ব্যাবহার করে প্রচুর অসভ্যতা করেছে বিভিন্ন সময়।) জগন্নাথদেবের প্রসাদ ব্রাহ্মণ-শূদ্র (কথিত) নিবির্শেষে সকলে এক সাথে, এক পাতে বসে গ্রহণ করে।
যেখানে জগন্নাথদেবের প্রসাদ পাওয়া যায়, সেই স্থানের নাম আনন্দবাজার। অপূর্ব নামকরণ! এ যেন একতার আনন্দবাজার। এ যেন জাত-পাতের রাজনীতিকে একপাশ রেখে হিন্দুত্বের মিলনের আনন্দবাজার।
জগন্নাথদেবের পূজা হয় দ্বৈতভাবে, ব্রাহ্মণ পাণ্ডাদের রীতিতে এবং শূদ্র শবরদের রীতিতে। সকলেই সমান সমান অংশগ্রহণকারী জগন্নাথদেবের উপাসনায়।
সাধারণত দেবতা থাকে মন্দিরে আর ভক্তরা এসে বিগ্রহকে প্রণাম করে, উপাসনা করে। কিন্তু জগন্নাথদেব এর ব্যতিক্রম তিঁনি সাধারণজনের মাঝে সাধারণজন হয়ে রাজপথে নেমে এসেছেন। তিঁনি তো রাজাধিরাজ তিঁনিই যখন নেমে এসেছেন রাজপথে, তখন দেশের রাজার তো সাধ্য নেই রাজসিংহাসনে বসে থাকার। তিনিও চলে এসেছেন রাজপথে সাধারনজনের কাছে। হাতে ঝাড়ু নিয়ে হয়েছেন জগন্নাথদেবের পথের ঝাড়ুদার। রাজা- প্রজা সকলেই আজ একাকার! অপূর্ব সাম্যবাদের শিক্ষা।
শ্রীপাদ শঙ্করাচার্য, শ্রীরামানুজাচার্য,শ্রীচৈতন্যদেব সহ আমাদের প্রায় সকল আচার্যবৃন্দেরই উপাসনার, সাধনার স্থান ছিলো জগন্নাথ ধাম। তাই আমাদের প্রায় সকল আচার্যবৃন্দই শ্রীক্ষেত্র/পুরুষোত্তম ক্ষেত্র /শঙ্খক্ষেত্র /নীলাচল ক্ষেত্র /মুক্তিক্ষেত্র ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত জগন্নাথধামের মাহাত্ম্যকথা প্রচার করেছেন এবং জগন্নাথদেবের মাহাত্ম্যযুক্ত স্তোত্র রচনা করেছেন।
পরিশেষে শ্রীপাদ শঙ্করাচার্যের ভাষায় শ্রীজগন্নাথদেবের কাছে আমাদেরও একমাত্র প্রার্থনা :
হে জগন্নাথদেব তুমি আমার নয়নপথে আসো!
তোমার কৃপাঘন ওই গোলাকার চখা-চখা
কমল নয়নকে কবে আমি আপন করে
আমার হৃদয়মাঝে পাব?

24/06/2017

পা ছুঁয়ে প্রনাম বা কদমবুচি...

হিন্দুধর্মে বয়োজ্যেষ্ঠ, গুরু, পিতা মাতার পা স্পর্শ করা তাদের প্রণামের একটি রুপ... একে হিন্দুধর্মে চরণস্পর্শ বলা হয়।

এক্ষেত্রে একজন মাথা নত করে পা ছুঁয়ে আশির্বাদ চায়, অপরজন ডান হাত তার মাথার উপর রেখে "আয়ুষ্মান ভব" বা "তোমার দীর্ঘায়ু হোক" বলে আশির্বাদ করে...

হিন্দুধর্মমতে চরণস্পর্শের মুল উদ্যেশ্য হল "শ্রদ্ধা" ও "করুণা"র আদান প্রদান... যে পা স্পর্শ করবে সে শ্রদ্ধা জানাবে, আর যার পা স্পর্শ করা হবে তিনি করুণা জানাবেন, শুভ কামনা করবেন।

যেহেতু বয়স্ক ব্যক্তিরা পৃথিবীতে বেশিদিন ধরে আছেন, তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার ধুলা পায়ে মেখেছেন, তাই তাদের পায়ের সেই ধুলা স্পর্শ করে নিজের মাঝে নেওয়ার জন্য এটি করা হয়।

সাধারণত দর্শন (গুরুদর্শন, বয়োজ্যেষ্ঠ দর্শন, দেবতা দর্শন ইত্যাদি) বা বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে চরণস্পর্শ খুব কমন প্র্যাকটিস... বিয়ের পর নববধুরা তাদের শ্বশুর শাশুড়ির পা ছুঁয়ে সম্মান ও আশির্বাদ কামনা করে... জ্যৈষ্ঠ মাসে যখন জামাই ষষ্টি হয়, তখন জামাইরা শ্বশুর শাশুড়ির পা ছুঁয়ে পদধূলি না নিলে জামাই ষষ্টি পুর্ন হয় না...

01/06/2017

দৈনন্দিন প্রয়োজনে কিছু প্রনাম মন্ত্রঃ
১. গোবিন্দ প্রণাম মন্ত্র।
ॐ ব্রহ্মাণ্ড দেবায় গোব্রাহ্মণ হিতায় চঃ
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমঃ॥
২. শ্রীগৌরাঙ্গ প্রণাম মন্ত্র।
নমো মহাবাদান্যা কৃষ্ণপ্রেম-প্রদায় তে ।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্য-নাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ ॥
৩. প্রভু শিবের প্রনাম মন্ত্র।
ॐ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হে তবে।
নিবেদয়ামি চাত্মানং ত্বং গতি পরমেশ্বর।।
৪. শ্রী কৃষ্ণ প্রনাম মন্ত্র।
হে কৃষ্ণ করুণা সিন্ধু দীনবন্ধু জগৎপথে।
গোপেশ গোপীকা কান্ত রাধা কান্ত
নমহস্তুতে ।। ১ॐ
ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায়
বাসুদেবায় নমো নমঃ ।। ২
৫. শ্রী রাধারানী প্রণাম মন্ত্র।
তপ্ত কাঞ্চন গৌরাঙ্গীং রাধে
বৃন্দাবনেশ্বরী।
বৃষভানু সূতে দেবী তাং প্রণমামি হরি
প্রিয়ে।।
৬. শ্রীশ্রীসীতা-রাম-প্রনামমন্ত্র ।
রামায় রাম-ভদ্রায় রামচন্দ্রায় মেধষে ।
রঘুনাথায় নাথায় সীতায়ৈ পতয়ে নমঃ ॥
৭. দেবীদূর্গার প্রণাম মন্ত্র।
যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃ রূপেন সংস্থিতা
নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নম:
৮. সরস্বতীর প্রণাম মন্ত্র।
ॐ জয় জয় দেবী চরাচরসারে।
কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীণাপুস্তক রঞ্জিত হস্তে ভগবতি ভারতী
দেবী নমস্তে ।
সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে ।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষি বিদ্যাং দেহি
নমোহস্ত্ত তে ॥
৯. শ্রী শ্রী মা লক্ষ্মীর ধ্যানমন্ত্র
ॐ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ-সৃণিভির্ষাম্য-
সৌম্যয়োঃ।
পদ্মাসনাস্থাং ধ্যায়েচ্চ শ্রিয়ং
ত্রৈলোক্যমাতরম্।।
গৌরবর্ণাং সুরুপাঞ্চ সর্বলঙ্কার-ভূষিতাম্।
রৌক্মপদ্ম-ব্যগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু।।
১০. লক্ষ্মী দেবীর প্রনাম মন্ত্র।
ॐ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবি মহালক্ষ্মী নমঽস্তু
তে।।
১১. মা কালীর প্রনাম মন্ত্র।
জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্রা কালী কপালিনী
দূর্গা শিবা সমাধ্যার্তী সাহা সুধা নমস্তুতে
১২. দেহ শুচীর মন্ত্র।
ॐ অপবিত্র পবিত্রোবা সর্বাবস্থান
গতহ্বপিবা।
যৎ সরেত পুন্ডরিকাক্ষং স বাহ্য অভ্যান্তরে
শুচি।। ১
পাপোহং পাপ কর্মাহং পাপাত্মা পাপ
সম্ভাবান্ ।
ত্রাহি মাং পুন্ডরীকাক্ষং সর্ব পাপো হরো
হরি।। ২
১৩. গুরু প্রণাম মন্ত্র।
অখন্ড মন্ডলা কারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম।
তদপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ ।।
১অজ্ঞান তিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জন
শলাকয়া।
চক্ষুরুন্মিলিত যেন তস্মৈ শ্রী গুরু
ভুল হলে ঠিক কর নিবেন।

28/04/2017

আসছে শনিবার ২৯ই এপ্রিল ২০১৭ ও ১৫ বৈশাখ ১৪২৪, শুভ অক্ষয় তৃতীয়া মহোৎসব।

জানা প্রয়োজন অক্ষয় তৃতীয়া কি, অক্ষয় তৃতীয়া শুভ কেন এবং কেন তা গুরুত্বপূর্ণ---

অক্ষয় তৃতীয়া হল চান্দ্র বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি। অক্ষয় তৃতীয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ তিথি। অক্ষয় শব্দের অর্থ হল যা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। বৈদিক বিশ্বাসানুসারে এই পবিত্র তিথিতে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে তা অনন্তকাল অক্ষয় হয়ে থাকে। যদি ভালো কাজ করা হয় তার জন্যে আমাদের লাভ হয় অক্ষয় পূণ্য আর যদি খারাপ কাজ করা হয় তবে লাভ হয় অক্ষয় পাপ। আর এদিন পূজা, জপ, ধ্যান, দান, অপরের মনে আনন্দ দেয়ার মত কাজ করা উচিত। যেহেতু এই তৃতীয়ার সব কাজ অক্ষয় থাকে তাই প্রতিটি পদক্ষেপ ফেলতে হয় সতর্কভাবে। এদিনটা ভালোভাবে কাটানোর অর্থ সাধনজগতের অনেকটা পথ একদিনে চলে ফেলা। এবারের অক্ষয়তৃতীয়া সবার ভালো কাটুক-এই কামনায় করি।এদিন যেসকল তাত্পর্যপূর্ণ ঘটনা ঘটেছিল।
১) এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম আবির্ভুত হন পৃথিবীতে।
২) এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
৩) এদিনই গণপতি গনেশ বেদব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে মহাভারত রচনা শুরু করেন।
৪) এদিনই দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব ঘটে।
৫) এদিনই সত্যযুগ শেষ হয়ে ত্রেতাযুগের সূচনা হয়।
৬) এদিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন।
এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব-লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।
৭) এদিনই ভক্তরাজ সুদামা শ্রী কৃষ্ণের সাথে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা নিয়ে শ্রী কৃষ্ণ তাঁর সকল দুখ্হ মোচন করেন।
৮) এদিনই দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ করতে যান এবং সখী কৃষ্ণাকে রক্ষা করেন শ্রীকৃষ্ণ। শরনাগতের পরিত্রাতা রূপে এদিন শ্রী কৃষ্ণা দ্রৌপদীকে রক্ষা করেন।
৯) এদিমে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।
১০) কেদার বদরী গঙ্গোত্রী যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে এইদিনেই তার দ্বার উদঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।
১১) এদিনই সত্যযুগের শেষ হয়ে প্রতি কল্পে ত্রেতা যুগ শুরু হয়।

★সকলে জানার জন্য শেয়ার করুন।
★নতুন নতুন পোষ্ট পেতে পেজটিকে লাইক দিয়ে রাখুন।

14/04/2017
19/03/2017

🄷🄰🅁🄴 🄺🅁🄸🅂🄷🄽🄰

সনাতন ধর্মে কলা আর নারকেলকে বিশেষ পবিত্র ফল মানা হয় কেন ?

সনাতন ধর্মে যে কোনও পূজা-অর্চনায় দু’টি ফলের দেখা পাওয়া যাবেই। একটি কলা, অন্যটি নারকেল। ঠিক কেন এই দু’টি ফলই বিশেষ গুরুত্ব পায় হিন্দু সমাজে? পূর্ণঘটের উপরে নারকেল বা কলা স্থাপন হিন্দু আধ্যাত্মিকতার একটি নিয়মিত চিহ্ন। প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে এই ব্যবহার।
কেন এরা ব্যবহৃত হয় উপাসনায়? প্রশ্নের উত্তরে প্রাচীন প্রাজ্ঞরা জানিয়েছেন—
নারকেল পূর্ণতার প্রতীক। তার শক্ত খোলস, ভিতরে নরম শাঁস আসলে মানুষের কঠিন অহং এবং কোমল ইদংকে প্রতীকায়িত করে। অহংয়ের খোলা ভেঙে যদি আমূল দর্শনে যাওয়া যায়, তখনই দেখা মেলে সুস্বাদু শাঁস ও জলের। এই তিন বস্তুকে আবার তম, রজঃ ও সত্ত্ব গুণের প্রতীকও ভাবা হয়। কঠিন খোলসটি তামসিক, তাকে পেরলে স্বাদু শাঁসটি রাজসিক এবং তা অন্দরে থাকা জলটি সাত্ত্বিক। অনেকে আবার একে অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যতের সঙ্গেও তুলনা করেন। নারকেলের উপরে তিনটি চোখ-কে ত্রিনেত্র হিসেবেও জ্ঞান করেন অনেকে।

অন্যদিকে কলা এমনই এক ফল, যার পুরো গাছটাই হিন্দু উপাসনায় ব্যবহৃত হয়। কার্যত কলাগাছের কোনও অংশকেই ফেলে দেওয়া যায় না। প্রাচীন আর্য সমাজে কদলিবৃক্ষের ফল খাওয়া হত, কদলিপত্রে আহার করা হত, অপরিণত কদলি বা মোচা দিয়ে তরকারি রান্না করা হত, থোড় কাজে লাগত আয়ুর্বৈদিক ওষুধ তৈরিতে। কলাগাছের বাকল গবাদিপশুর আহার ছিল। কলাপাতা পুড়িয়ে ক্ষার তৈরি করে তাতে কাপড়কাচা, গাত্রমার্জনা— সবই চলত। এমন এক উপযোগী বৃক্ষকে পবিত্র জ্ঞান করতে শুরু করে আর্যরা একসময়ে। তার পর থেকে তা ব্যবহৃত হতে শুরু করে পূজা-অর্চনায়।

👏 লেখার মাধ্যমে যদি কোন ভূল হয় সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

15/03/2017

প্রায়ই আপনার মুসলমান বন্ধুদের কাছে আপনাকে একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় – হিন্দুরা কেন মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলে? কবরও তো দিতে পারতো বা অন্যকিছু করতে পারতো। পুড়িয়ে ফেলা কি অমানবিক নয়?

আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমরা প্রশ্নটির সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হই। প্রথমে যে ইনফরমেশনটি আপনার জানা প্রয়োজন তা হলো পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি মানুষ হিন্দু-বৌদ্ধ রীতি অনুসরণ করে অর্থাত মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার করে।

পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত জাতি জাপান থেকে শুরু করে চীন, কুরিয়া, ভারত ও অন্যান্য জাতি এই রীতি অনুসরণ করে। তাহলে আপনি প্রথমত: পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন :

১. পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত জাতি জাপানিরা কি তাহলে অমানবিক ? পৃথিবীর অর্ধেক মানুষ কি অমানবিক ? যদি এই অর্ধেক মানুষ অমানবিক হয় তবে এদের মধ্যে কেন আমরা সবচেয়ে কম হানাহানি দেখতে পাই ?
আসুন এবার প্রকৃত উত্তরের দিকে যায়।

১. হিন্দুধর্মে কবর দেয়া বা সমাধি দেয়া নিষিদ্ধ নয়। স্মৃতিশাস্ত্রে স্পষ্টভাবেই এটা অনুমোদিত। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মাঝে এখনও এটা প্রচলিত আছে। যেমন- নাথ বা যোগী সম্প্রদায় এবং সন্ন্যাসীদেরকে সমাধি দেয়া হয়। অনেক জায়গায় দেখা যায় কারও অপমৃত্যু হলে তার শব সমাধি দেয়া হয়, পোড়ানো হয় না।

২. আমরা কথ্য ভাষায় ‘লাশ পোড়ানো’ বলি, কিন্তু শাস্ত্রীয় ভাষায় এটা ‘অন্ত্যেষ্টি ক্রিয়া’। এটা আবার কী? অন্ত+ইষ্টি=অন্ত্যেষ্টি। ইষ্টি মানে যজ্ঞ। অন্ত্যেষ্টি হলো জীবনের শেষ যজ্ঞ।

আমরা জানি, আমাদের সুপ্রাচীন পূর্বপুরুষদের বৈদিক সমাজ ছিল যজ্ঞপ্রধান। জীবনের শুরু ‘গর্ভাধান’ থেকে জীবনের শেষ ‘দেহত্যাগ’ সবই হতো ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করে। জীবৎকালে প্রতিদিনই পঞ্চমহাযজ্ঞ করতে হতো (এখনও করার বিধান)। এছাড়া অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মতো বিবিধ যজ্ঞে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ‘হবি’ (বর্তমানে পূজায় অর্ঘ্য নিবেদনের মতো) উৎসর্গ করা হতো।

এ হলো ঈশ্বরের দেয়া জীবন ও দেহ দ্বারা ঈশ্বরের সৃষ্ট প্রকৃতির উপাদানসমূহ ভোগ করার প্রেক্ষিতে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতাপূর্বক তাঁর উপাসনা করা। তাই অন্ত্যেষ্টি তথা জীবনের শেষ যজ্ঞে ঈশ্বরপ্রদত্ত এই দেহখানি ঈশ্বরের উদ্দেশ্যেই ‘হবি’ বা অর্ঘ্যরূপে উৎসর্গ করা হয়। এটা সত্যিই চমৎকার একটা ব্যাপার!

৩. প্রাচীন দর্শন অনুযায়ী বিশ্বচরাচর তথা আমাদের দেহও পাঁচটি ভূত বা উপাদান দ্বারা তৈরি। একে ‘পঞ্চভূত’ বলে। এগুলো হলো- ক্ষিতি (মাটি), অপ (জল), তেজ (আগুন), মরুৎ (বাতাস), ব্যোম (আকাশ বা শূন্যস্থান)। যারা বলেন ‘মাটির দেহ’ বা দেহ শুধু মাটি দিয়ে তৈরি, তাই একে মাটির সাথেই মিশিয়ে দেয়া উচিৎ, তারা অবশ্যই ভুল বলেন। বাস্তবে দেহ এই পাঁচটি উপাদানের সমষ্টি। শবদাহ করার মাধ্যমে দেহকে এই ৫টি উপাদানেই মিশিয়ে দেয়া হয় প্রত্যক্ষভাবে। দাহ শেষে অবশিষ্টাংশ জলে বিসর্জন দেয়া হয়। এজন্য শ্মশান সর্বদাই জলাশয়ের পাশে হয়ে থাকে।

অপরদিকে সমাধি বা কবর দিলে দেহ পঞ্চভূতে লীন হয় বটে, তবে পরোক্ষ ও ধাপে ধাপে। কারণ দেহ মাটির সাথে মেশে পঁচন প্রক্রিয়ায়। কোটি কোটি অনুজীব, পোকা-মাকড়ের খাবারে পরিণত হয় দেহ। এভাবে পঁচে গলে মাটিতে মেশানোই বরং দাহ করার চেয়ে বেশি অমানবিক মনে হয়।

একটা মজার তথ্য দিই। অনেক সময় আমরা বলি, লোকটা তো মরে ভূত হয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে সে প্রকৃতিতে (পঞ্চভূতে) লীন হয়েছে -এটাই বুঝতে হবে।

৪. মৃত্যু হয় দেহের; আত্মার নয়। অবিনাশী আত্মা অজর, অমর, অক্ষয়, অব্যয়। এটা জগদীশ্বর পরমাত্মার অংশ। (‘বিদ্রোহী’ কবিতার কয়েক লাইন মনে পড়ে কি?) জড় প্রকৃতির পঞ্চভূতে গড়া দেহ ফিরে যায় পঞ্চভূতে, আর জীবাত্মা ফিরে যায় পরমাত্মাতে। (মৃত্যুর পরে অবশ্যই আর কখনোই আপনি পুরনো দেহে ফিরে আসবেন না, বা কোন প্রকার শাস্তি/আজাব ভোগ করবেন না। শবদাহ করার পরে/মাটিতে মিশে যাওয়ার পরে নিশ্চয়ই লীন হওয়া দেহকে শাস্তি/আজাব যৌক্তিকভাবে সম্ভব নয়।)

৫. মৃত্যু প্রকৃতপক্ষে শোকের কোন ব্যাপার নয়। তীর্থস্থান বেনারস বা কাশীতে মৃত্যুও একটা উৎসবের ব্যাপার।

“জাতস্য হি ধ্রুবর্মৃত্যো ধ্রুবং জন্ম মৃতস্য চ”-গীতা।
যে জন্মেছে তার মৃত্যু নিশ্চিত, যে মরেছে তার জন্মও নিশ্চিত।

অতএব, দেহান্তরের নিছক সাধারণ ঘটনায় শোক কেন? বরং জরাজীর্ণ রোগশোকে আক্রান্ত দেহ ছেড়ে জীবাত্মার নতুন সুস্থ-সুন্দর দেহে জীবন আরম্ভের প্রাক্কালে মৃতকে হাসিমুখে শুভেচ্ছা জানানোই উচিত।

08/03/2017

মহাভারতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাণী-

১. "যে বস্তু সহজেই লাভ করা যায়, সে বস্তুর প্রতি মানুষের মূল্যবোধ থাকে না"-বিদুর

২. "চরিত্রের পরিক্ষা তখনই হয়, যখন অপরচিত কারো সংস্পর্শে আসা হয়"
-ভীষ্ম

৩. "জয়ের জন্য বলের চেয়ে অধিক ছলের প্রয়োজন" -শকুনি

৪. "সমুদ্র হোক বা সংসার, যে ধর্মের নৌকা প্রস্তুত করে সে ঠিকই পার হয়ে যায়" -শ্রীকৃষ্ণ

৫. "যে কেবল নিজের দুঃখকে আপন করে জীবন কাটায় সে শক্তিহীন হয়ে পড়ে। কিন্তু যে ব্যাক্তি সমগ্র সমাজের দুঃখ আপন করে জীবন কাটায় সে শক্তিশালী হয়ে ওঠে" -শ্রীকৃষ্ণ

৬. "সুগন্ধ, দুরগন্ধ ও মানুষের স্বভাব কখনো গোপন থাকে না" -শকুনি

৭. "যেভাবে বৃক্ষের মূল বৃক্ষকে খাদ্য যোগায়, সেভাবে মানুষের গর্ব মানুষকে শক্তি যোগায়" -শকুনি

৮. "পরিস্থিতিকে যদি নিজের অনূকুলে না আনতে পারো, তবে তাকে শত্রুর প্রতিকুল বানিয়ে ফেলো" -শকুনি

৯. "যারা শত্রুর শত্রু হয়, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হয়" -শকুনি

১০. "যেখানে বল কাজ করে না সেখানে ছল কাজ করে" -শকুনি

By-শেষ যাত্রা

27/02/2017

প্রশ্নঃ শিবলিঙ্গ কি? ------------------

উত্তর ঃ-------------------

শিবলিঙ্গ বা লিঙ্গম্ দেবতা, শিবের একটি প্রতীক।
আমি যদি এক কথায় বলি, তাহলে,শিব শব্দের
অর্থ মঙ্গল; আর লিঙ্গ মানে চিহ্ন।অর্থাৎ শিবলিঙ্গ
মানে মঙ্গলময় চিহ্ন। হিন্দু মন্দিরগুলিতে সাধারণত,
শিবলিঙ্গে শিবপূজা করা হয়ে থাকে। সাধারণ
তত্ত্ব অনুযায়ী, শিবলিঙ্গ শিবের আদি-অন্তহীন
সত্ত্বার প্রতীক এক আদি ও অন্তহীন স্তম্ভের
রূপবিশেষ।
শিব এক অনাদি অনন্ত লিঙ্গস্তম্ভের রূপে আবির্ভূত,
বিষ্ণু বরাহ বেশে স্তম্ভের নিম্নতল ও ব্রহ্মা
ঊর্ধ্বতল সন্ধানে রত। এই অনাদি অনন্ত স্তম্ভটি
শিবের অনাদি অনন্ত সত্ত্বার প্রতীক মনে করা
হয়।
শিবলিঙ্গ একটি গোল কিম্বা উপবৃত্তাকার যা কোন
বৃত্তাকার ভূমি কে কেন্দ্র করে স্থাপিত ।
এই গোল ভূমি কে আদি পরশক্তি বা চূড়ান্ত শক্তি
আর সেই গোল কিম্বা বৃত্তাকার অংশ দ্বারা অসীম
কে বোঝান হয়, যার কোন আদি অন্ত নেই অর্থাৎ
যা সর্ববিরাজমান । সর্ববিরাজমান অর্থ হল যা সব জায়গায় অবস্হিত, সর্ব ব্যাপী।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অথর্ববেদে একটি
স্তম্ভের স্তব করা হয়েছে। এটিই সম্ভবত শিব
লিঙ্গ পূজার উৎস। কারোর কারোর মতে যূপস্তম্ভ
বা হাঁড়িকাঠের সঙ্গে শিবলিঙ্গের যোগ রয়েছে।
উক্ত স্তবটিকে আদি-অন্তহীন এক স্তম্ভ বা
স্কম্ভ-এর কথা বলা হয়েছে; এই স্কম্ভ চিরন্তন
ব্রহ্মের স্থলে স্থাপিত। যজ্ঞের আগুন, ধোঁয়া,
ছাই, সোমরস ও যজ্ঞের কাঠ বহন করার ষাঁড়
ইত্যাদির সঙ্গে শিবের শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলির
যোগ লক্ষিত হয়। মনে করা হয়, কালক্রমে
যূপস্তম্ভ শিবলিঙ্গের রূপ নিয়েছিল। লিঙ্গপুরাণে এই
স্তোত্রটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে একটি কাহিনির
অবতারণা করা হয়। এই কাহিনিতে উক্ত স্তম্ভটিকে শুধু
মহানই বলা হয়নি বরং মহাদেব শিবের সর্বোচ্চ সত্ত্বা বলে বলা হয়েছে । সর্ব মহান বলা হয়েছে।

ভারত ও কম্বোডিয়ায় প্রচলিত প্রধান শৈব সম্প্রদায় ও
অনুশাসন গ্রন্থ শৈবসিদ্ধান্ত মতে, উক্ত শৈব
সম্প্রদায়ের প্রধান উপাস্য দেবতা পঞ্চানন (পাঁচ মাথা-
বিশিষ্ট) ও দশভূজ (দশ হাত-বিশিষ্ট) সদাশিব প্রতিষ্ঠা ও
পূজার আদর্শ উপাদান হল শিবলিঙ্গ।
মনিয়ার উইলিয়ামস তাঁর ব্রাহ্মণইজম্ অ্যান্ড হিন্দুইজম্
বইয়ে লিখেছেন, "লিঙ্গ" প্রতীকটি "শৈবদের
মনে কোনো অশালীন ধারণা বা যৌন প্রণয়াকাঙ্ক্ষার জন্ম দেয় না।
এম.
কে. ভি. নারায়ণ শিবলিঙ্গকে শিবের মানবসদৃশ
মূর্তিগুলি থেকে পৃথক করেছেন। তিনি বৈদিক
সাহিত্যে লিঙ্গপূজার অনুপস্থিতির কথা বলেছেন

১৯০০ সালে প্যারিস ধর্মীয় ইতিহাস কংগ্রেসে ভারত
সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ বলেন, শিবলিঙ্গ
ধারণাটি এসেছে বৈদিক যূপস্তম্ভ বা স্কম্ভ ধারণা
থেকে। ১৯০০ সালে প্যরিসে হয়ে যাওয়া
ধর্মসমূহের ঐতিহাসিক মূল শীর্ষক সম্মেলনে
বিশ্ববাসীর সামনে অথর্ববেদের স্কম্ভসুক্তের
সাহায্যে তুলে ধরেন যে শিবলিঙ্গ মূলত
বিশ্বব্রহ্মান্ডের ই প্রতীক।যূপস্তম্ভ বা স্কম্ভ হল
বলিদানের হাঁড়িকাঠ। এটিকে অনন্ত ব্রহ্মের একটি
প্রতীক মনে করা হত।
স্বামী শিবানন্দও শিবলিঙ্গকে যৌনাঙ্গের প্রতীক
বলে স্বীকার করেননি।স্বামী শিবানন্দ
বলেন,"এটি শুধু ভূল ই নয় বরং অন্ধ অভিযোগ ও
বটে।
তিনি লিঙ্গপুরানের নিম্নলিখিত শ্লোকের উদ্ধৃতি
দিয়ে বলেন-
"প্রধানাম প্রকৃতির যদাধুর লিঙ্গমুত্তমম গান্ধবর্নরসাহৃনম
শব্দ স্পর্শাদি বর্জিতম"
অর্থাত্ লিঙ্গ হল প্রকৃতির সর্বোচ্চ প্রকাশক যা
স্পর্শ, বর্ন,গন্ধহীন।
১৮৪০ সালে এইচ. এইচ. উইলসন একই কথা
বলেছিলেন।ঔপন্যাসিক ক্রিস্টোফার ইসারউড
লিঙ্গকে যৌন প্রতীক মানতে চাননি।ব্রিটানিকা
এনসাইক্লোপিডিয়ায় "Lingam" ভুক্তিতেও
শিবলিঙ্গকে যৌন প্রতীক বলা হয়নি।
মার্কিন ধর্মীয় ইতিহাস বিশেষজ্ঞ ওয়েনডি ডনিগার
তাঁর দ্য হিন্দুজ: অ্যান অল্টারনেটিভ হিস্ট্রি বইতে
লিখেছেন, কোনো কোনো ধর্মশাস্ত্রে
শিবলিঙ্গকে ঈশ্বরের বিমূর্ত প্রতীক বা দিব্য
আলোকস্তম্ভ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই
সব বইতে লিঙ্গের কোনো যৌন অনুষঙ্গ নেই।

যদিও গবেষক এস. এন. বালগঙ্গাধর লিঙ্গের যৌন
অর্থটি সম্পর্কে ভিন্নমত পোষণ করেছেন।
এ লেখাটা লিখেছি সনাতনীদের জন্য। যারা শিব লিঙ্গ
কি তা জানেন না অথবা ভুল জেনে লজ্জিত হন।যারা
সর্বদা হিন্দু ধর্মের ছিদ্রান্বেষী তাদের জন্য না
কারন ওরা জেগে জেগে ঘুমাতে পছন্দ করে।
তবে যারা উদ্দেশ্য মুলক ভাবে শিব লিঙ্গকে
অশালীন বলতে চায় তাদের জন্য বলতে চাই দিবা
নিশি যে যা ভাবে সব কিছুর ভিতরে তারই প্রতিরূপ
খুজে পাবে; এটাই স্বাভাবিক.।কাজেই শিবলিঙ্গ মানে মংঙ্গল ময় চিহ্ন। দেবতা শিবের একটি চিহ্ন।।

25/02/2017

Address

Sir Iqbal Road
Khulna
9100

Telephone

+8801971577444

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেষ যাত্রা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share