খুলনা হিজামা সেন্টার

খুলনা হিজামা সেন্টার সুন্নাহ চিকিৎসা প্রদানের অন্যতম প্রতিষ্ঠান

হিজামা একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা। এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)। হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
হিজামা বা Wet Cupping অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে আরব বিশ্বে জ

নপ্রিয়। নির্দিষ্ট স্থান থেকে সূঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত বের করে আনা হয়।
এ হিজামা থেরাপী ৩০০০ বৎসরেরও পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে উৎপত্তি হ’লেও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু পূর্বে থেকেই এটি প্রচলিত ছিল। ১৮ শতক থেকে ইউরোপেও এর প্রচলন রয়েছে।
হিজামা তিবেব নববী : হিজামা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে অবহিত করেছেন, নিজে ব্যবহার করেছেন এবং হিজামা ব্যবহারে উৎসাহিত করেছেন। হিজামার ব্যবহার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হিজামা করেছেন তাঁর মাথা ব্যথার জন্য[বুখারী হা/৫৭০০, ৫৭০১।], পায়ে[নাসাঈ হা/২৮৫২।],পিঠে, পিঠের ব্যথার জন্য দুই কাঁধের মধ্যে, ঘাড়ের দু’টি রগে ও হাড় মচকে গেলে।[আবু দাউদ]
আমর বিন আমির (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী করীম (ছাঃ) হিজামা লাগাতেন এবং কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না।[বুখারী হা/২২৮০।]

হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত বের করে আনা হয় যার দরুন শরীর, মন সতেজ থাকে, শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর কার্যক্ষমতা বৃ...
05/11/2020

হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত বের করে আনা হয় যার দরুন শরীর, মন সতেজ থাকে, শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি। আধুনিক কালে আমরা কাপিং থেরাপি নামে চিনি।
কখন হিজামা করানো উত্তম-:
সাধারণত হিজামা করানোর জন্য দিন, মাস নির্দিষ্ট নেই। যখন সমস্যা দেখা দিবে তখনই করা যাবে, যেকোনো তারিখ, যেকোনো দিন, যেকোনো সময়। তবে সাওয়াব লাভের আশায় হাদীসে বর্ণিত কিছু দিনক্ষণ আছে, তখন করানো যেতে পারে।
১) আরবী মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখের যেকোনো একদিন করা উত্তম।
২) সপ্তাহের সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবারের কোন এক দিন করা যাবে তবে
উল্লেখ্য যে, তারিখ ও দিনের মধ্যে বিরোধ হলে তারিখকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৩) খালি পেটেই হিজামা উত্তম
৪) ফজরের পর থেকে দুপুর ১ টা মধ্যে
৫) হিজামার করার ১ দিন পূর্বে ও ১ দিন পরে স্বামী-স্ত্রী মেলামেশা না করা।
শুধু যে অসুখ থেকে নিরাময় লাভের আশায় হিজামা করবো এমন না, হাদীসের মর্মাথ হলো, বছরে একবার হলেও একজন মানুষের হিজামা করানো উচিৎ। এতে সুন্নাত পালনও হয়, রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা ও আগে থেকে নেয়া যায়।
হযরত জাবির (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, রাসূল (সঃ) বলেছেন, "নিশ্চয়ই হিজামার মধ্যে রয়েছে শিফা।"
[সহীহ মুসলিম : ২২০৫]
Appointments এর জন্য যোগাযোগ করুনঃ
খুলনা হিজামা & রুকিয়াহ সেন্টার
যোগাযোগঃ 01940443044
সরাসরি যোগাযোগ করতে
⬛সুন্নাহ গ্যালারি
ডে নাইট কলেজ রোড (সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে)
দৌলতপুর, খুলনা
01940443044

হিজামা কি?হিজামা এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির কথা। আধুনিক পরিভাষায় কাপিং (Cupping) থেরাপি নামের এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে ...
04/11/2020

হিজামা কি?
হিজামা এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির কথা। আধুনিক পরিভাষায় কাপিং (Cupping) থেরাপি নামের এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে আরবিতে বলা হয় হিজামা (حِجَامَة )। এটি নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত ও নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা।
আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এসেছে এই শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশীসমূহের রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরেরঅরগানসমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
আমাদের দেশে হিজামাকে সাধারণ অর্থে শিঙা লাগানো বলা হয়। অতি প্রাচীন এ চিকিৎসাপদ্ধতির উৎপত্তি আরবদেশে। হিজামাকে নবীর দেখানো বা বলা চিকিৎসা পদ্ধতি বলা হয়। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে উম্মতকে অবহিত করেছেন। তিনি নিজে এ পদ্ধতির চিকিৎসা ব্যবহার করেছেন এমনকি অন্যকে হিজামা পদ্ধতির চিকিৎসা নিতে উৎসাহিতও করেছেন। হিজামার ব্যবহার রাসূলুল্লাহ(সা.) ও সাহাবাদের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।
◼কেন হিজামা করাবেন?
হাদিসে আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামা করেছেন মাথাব্যথার প্রতিষেধক হিসেবে। পিঠের ব্যথার জন্য দুই কাঁধের মাঝে ও ঘাড়ের দু’টি রগে। হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে সিহাহ সিত্তার গ্রন্থসমূহে বহু হাদিস রয়েছে। আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান।তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার রোগের জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকেইনশাআল্লাহ মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাঃ এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হলো।
(হিজামার ফযিলত ও গুরুত্বঃ
https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3370698726336938/)
◼হিজামা (শিঙ্গা/CUPPING) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনোসাইটিস
১৮। হাঁপানি (asthma)
১৯। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিল
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস (Diabetes)
২৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৩০। চুল পড়া (Hair fall)
৩১। মানসিক সমস্যা (Psycological disorder)…সহ আরও অনেক রোগ।
হিজামার প্রকারভেদ
এক. স্বাভাবিক অবস্থায় যেভাবে করবে। যথা :
ক. আরবী মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখের কোন একটি নির্বাচন করবে।
খ. সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবারের কোনটিকে নির্বাচন করবে।
উল্লেখ্য, তারিখ ও দিনের মধ্যে বিরোধ হলে তারিখকে অগ্রাধিকার দিবে।
গ. খালি পেটেই হিজামা করবে। সকালে খালি পেটে হিজামা করা উত্তম।
ঘ. ফজরের পর হতে দুপুর ১২টার মধ্যে করানো উত্তম।
ঙ. হিজামার আগের ও পরের দিন সঙ্গম না করা উত্তম।
◼হিজামার আগে ও পরে করনীয়
https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3362188217187989/
দুই. জরুরী অবস্থায় যেভাবে করবে।
এতে মাস ও দিনের কোনো ধর্তব্য নেই। যখনই সমস্যা তখনই করা যেতে পারে। একসময় রসূলুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘোড়া থেকে পড়ে পায়ে আঘাত পাওয়ায় হিজামা করেছিলেন।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামার কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর
https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3362090590531085/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামা প্যাকেজ
https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3365369626869848/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামা সুন্নাহ হলে পারিশ্রমিক কেন?
https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3371331182940359/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
খুলনা হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার
✆ 01940443044
সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানাঃ

সুন্নাহ গ্যালারি
ডে,নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর,খুলনা

◼হিজামা কি এবং কেন?https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371940456212765&id=1659977994075695◼হিজামার ফযিলত ও গুরু...
04/01/2020

◼হিজামা কি এবং কেন?

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371940456212765&id=1659977994075695

◼হিজামার ফযিলত ও গুরুত্ব

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3370698726336938&id=1659977994075695

◼হিজামা থেরাপি কাদের জন্য

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3361981137208697&id=1659977994075695

◼হিজামার জন্য উত্তম সময়

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3364745303598947&id=1659977994075695

◼সুন্নাহ পয়েন্ট কি?কেন?

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3361974460542698&id=1659977994075695

◼হিজামার আগে ও পরে

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3362188217187989&id=1659977994075695

◼ঘাড়ে ব্যথা নিরাময়ে হিজামা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3361861910553953&id=1659977994075695

◼ব্যাক পেইন নিরাময়ে হিজামা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3361731900566954&id=1659977994075695

◼জয়েন্ট পেইন নিরাময়ে হিজামা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3361767880563356&id=1659977994075695

◼মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের চিকিৎসায় হিজমা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3370665483006929&id=1659977994075695

◼হিজামা নিয়ে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3362090590531085&id=1659977994075695

◼টক্সিন কি?

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3365261033547374&id=1659977994075695

◼টক্সিন অপসারণে হিজামা

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3365496723523805&id=1659977994075695

◼হিজামা যদি সুন্নাহ হয় তাহলে পারিশ্রমিক কেন?

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371331182940359&id=1659977994075695

◼হিজামা প্যাকেজ

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371363449603799&id=1659977994075695

◼হিজামা করাতে খরচ কতো?

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371382959601848&id=1659977994075695

◼রুকইয়াহ

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3371527789587365&id=1659977994075695

হিজামার উত্তম সময় : সাধারণত হিজামার জন্য উত্তম সময় হচ্ছে চান্দ্র মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ। আনাস বিন মালেক (রাঃ) হ’তে বর্ণ...
04/01/2020

হিজামার উত্তম সময় :

সাধারণত হিজামার জন্য উত্তম সময় হচ্ছে চান্দ্র মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখ। আনাস বিন মালেক (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঘাড়ের দুই পাশের শিরায় এবং ঘাড়ের কাছাকাছি পিঠের ফুলা অংশে হিজামা করাতেন। তিনি মাসের সতের, ঊনিশ ও একুশ তারিখে হিজামা করাতেন। যদি অসুস্থতা বা ব্যথা অনুভূত হয় তবে উক্ত তারিখের অপেক্ষা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হিজামা করানো যাবে।

হিজামার জন্য উত্তম দিন হচ্ছে সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার।

عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ ... فَإِنِّيْ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ فَاحْتَجِمُوْا عَلَى بَرَكَةِ اللهِ يَوْمَ الْخَمِيسِ وَاجْتَنِبُوا الْحِجَامَةَ يَوْمَ الْأَرْبِعَاءِ وَالْجُمُعَةِ وَالسَّبْتِ وَيَوْمَ الْأَحَدِ تَحَرِّيًا وَاحْتَجِمُوْا يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَالثُّلاَثَاءِ-

ইবনু ওমর (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘আল্লাহর বরকত লাভের আশায় তোমরা বৃহস্পতিবার হিজামা করাও এবং বুধ, শুক্র, শনি ও রবিবার বেছে নেওয়া থেকে বিরত থাক। আর সোম ও মঙ্গলবারে হিজামা করাও’।

উল্লেখ্য যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হিজামা করেছেন মাসের বিভিন্ন সময়ে। যেমন হজ্জের সময়, চান্দ্র মাসের প্রথমে। কারণ তিনি খারাপ মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এতে বুঝা যায়, প্রয়োজনে যে কোন সময় হিজামা করা যায়।

◾খুলনা হিজামা সেন্টার
✆ 01940443044

◾সরাসরি যোগাযোগ

সাধারণত খাবার থেকে আপনার শরীরে যে শর্করা আসে তার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আপনার শরীরের দ্বারা উৎপাদিত একটি হরমোন হল ইনসুলি...
04/01/2020

সাধারণত খাবার থেকে আপনার শরীরে যে শর্করা আসে তার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আপনার শরীরের দ্বারা উৎপাদিত একটি হরমোন হল ইনসুলিন, তবে শরীরে যদি ইনসুলিন উৎপাদনে কোন প্রকার প্রতিবন্ধকতা হয়, তখন রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। ডায়াবেটিক দুই প্রকার:

টাইপ-১, এক্ষেত্রে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
টাইপ-২, ডায়াবেটিক এর বেশীরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরণের টাইপ দেখা যায়। এক্ষেত্রে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয় না।

সব সময় আপনার শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে সুগার থাকলে আপনি সিরিয়াস সমস্যায় পড়তে পাড়েন, ফলে নষ্ট হয়ে যেতে পাড়ে কিডনি, চোখ ও স্নায়ু। বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিক এর বিভিন্ন ধরণের ওষুধ পাওয়া যায়, কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে সহজ লভ্য তাজা ফলমূল, ভেষজ ওষুধ ও ব্যামের মাধ্যমে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ করা যায়।

আপনার প্রতিদিনকার রুটিন পরিবর্তন করে ফেলুন। প্রতিদিনের খাবারের একটি চাট করে ফেলুন, সকালে ঘুম থেকে উঠা হতে শুরু করে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কাজ রুটিনের অন্তর্ভুক্ত করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

এভাবে নিয়মনীতি রক্ষা ও সঠিক খাবার গ্রহন ও নিয়মিত ব্যামের এর মাধ্যমে আপনি করতে পারেন প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধ। আশা করি ডায়াবেটিক নিয়ে আর বেশি চিন্তা না করে সঠিক উপায়ে ডায়াবেটিক প্রতিরোধে সচেষ্ট হবেন।

বায়োগ্রিন এশিয়া নিয়ে এসেছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী “ডাইমেড” যাতে আছে জিমনেমা সিলভেস্ট্রি, জামের বিচি গুড়া, ত্রিফলা, মেথি চূর্ণ, কালো জিরা, কালমেঘ এবং অন্যান্য উপাদান। যা নিয়মিত সেবনে রক্তের ব্লাড সুগার কমাতে সহায়তা করবে।

নাম: ডাইমেড
প্যাক সাইজ: ২৩০ গ্রাম
মূল্য: ৩৮০/-

⬛ ইনবক্সে অর্ডার করুনঃ

https://www.facebook.com/profile.php?id=100033661201057

◼সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়
◼কুরিয়ার চার্জ ৪০-১২০৳ পর্যন্ত হতে পারে
◼এডভান্স পেমেন্ট প্রযোজ্য
◼খুলনা শহরের ভিতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ ৬০৳

◽◾সরাসরি পেতে চলে আসুন আমাদের আউটলেটে।

আমাদের আউটলেটের ঠিকানাঃ

Sunnah Gallery সুন্নাহ গ্যালারী
ডে নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর, খুলনা
(ভূমি সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে)

◼গুগল ম্যাপের লিংকঃ
https://maps.app.goo.gl/h9qEkDW7DbrkpY4fA

◼আমাদের পেইজ লিংকঃ
https://www.facebook.com/sunnahgallerybd/

◾জয়েন করুন আমাদের গ্রুপেঃ
https://www.facebook.com/groups/383960985713300/

হেল্পলাইনঃ

✆ 01940443044
✆ 01770004648

পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেট ফুলে ওঠে বা চিনচিন করে ব্যথা করে—এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খান, অথবা অ্যাসিডি...
04/01/2020

পেটে গ্যাস, বমি ভাব, পেট ফুলে ওঠে বা চিনচিন করে ব্যথা করে—এমন সমস্যা হলেই মুঠো মুঠো গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খান, অথবা অ্যাসিডিটির সিরাপ খান। তাতে খানিকটা আরাম মেলে অবশ্য, কিন্তু সমস্যা থেকেই যায়। আপনি হয়তো জানেন না, পেটে একধরনের জীবাণু সংক্রমণ এর জন্য দায়ী হতে পারে।

হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি নামের এই জীবাণু পাকস্থলী এবং পাকস্থলীর পূর্ববর্তী অংশ ডিওডেনামে বাসা বাঁধে, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি করে, যাকে বলে গ্যাস্ট্রাইটিস। কখনো কখনো পাকস্থলীতে ক্ষত বা আলসার সৃষ্টি করে। পেপটিক আলসার ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য এই জীবাণুর একটি বিশেষ ভূমিকা আছে। ধারণা করা হয়, পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেকই এই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত।

আপনি জানেন কি? আপেল, আদা আর লেবু আপনার কোলনের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
অকেকেই দীর্ঘস্থায়ী কোলন সংকোচন, বিরক্তিকর পেটের সমস্যা, অন্ত্রে ছিদ্র এবং অন্যান্য হজম জনীত সমস্যায় ভুগছেন। ঘরে তৈরি কোলন ক্লিনজার আপনার কোলন থেকে অনেক বিষাক্ত পদার্থ এবং সেই সাথে পেটের পীড়াসহ কোষ্ঠকাঠিন্য দুর করতে সাহায্য করে।

বায়োগ্রিন এশিয়া নিয়ে এসেছে “ন্যাচারাল রেমিডি” নামক এমন মিশ্রণ যা এই সমস্যার সমাধান দেবে। “ন্যাচারাল রেমিডি” একটি হারবাল নির্যাস যা আদা, রসুন, সিরকা, মধু এবং লেবুর রসের সংমিশ্রন। সুস্থ হার্ট এবং সুস্থ জীবনের জন্য এটি একটি বিশ্ব ব্যাপি ব্যবহৃত ফর্মুলা। এই হারবাল নির্যাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

প্যাক সাইজ : ১৮০ মি.লি. স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে।

মাত্রা : ১-২ চামচ দিনে দুবার আহারের পর সেব্য।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া : কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নাই।

মূল্য: ২৮০/-

⬛ ইনবক্সে অর্ডার করুনঃ

https://www.facebook.com/profile.php?id=100033661201057

◼সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়
◼কুরিয়ার চার্জ ৪০-১২০৳ পর্যন্ত হতে পারে
◼এডভান্স পেমেন্ট প্রযোজ্য
◼খুলনা শহরের ভিতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ ৬০৳

◽◾সরাসরি পেতে চলে আসুন আমাদের আউটলেটে।

আমাদের আউটলেটের ঠিকানাঃ

Sunnah Gallery সুন্নাহ গ্যালারী
ডে নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর, খুলনা
(ভূমি সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে)

◼গুগল ম্যাপের লিংকঃ
https://maps.app.goo.gl/h9qEkDW7DbrkpY4fA

◼আমাদের পেইজ লিংকঃ
https://www.facebook.com/sunnahgallerybd/

◾জয়েন করুন আমাদের গ্রুপেঃ
https://www.facebook.com/groups/383960985713300/

হেল্পলাইনঃ

✆ 01940443044
✆ 01770004648

কালোজিরা আমাদের সবার পরিচিত। আমাদের রান্নাঘরের বেশি ব্যবহার্য জিনিস গুলোর মধ্যে একটি হলো কালোজিরা। একে আমরা মশলা হিসেবে ...
04/01/2020

কালোজিরা আমাদের সবার পরিচিত। আমাদের রান্নাঘরের বেশি ব্যবহার্য জিনিস গুলোর মধ্যে একটি হলো কালোজিরা। একে আমরা মশলা হিসেবে চিনলেও এর কিন্তু অনেক ঔষুধি গুণ আছে। ঝাঁঝালো স্বাদের এই মশলাটিতে আছে অনেক উপকারী কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টিজ এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। কালোজিরা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। মধুর উপকারীতার কথা আমরা সবাই জানি। মধুকে বলা হয়ে থাকে সকল রোগের মহাওষুধ। সেই প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ তার বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যায় মধু খেয়ে আসছে। যদি কালোজিরা এবং মধুর মতো উপকারী উপাদান একসাথে খাওয়া হয় তাহলে কী হতে পারে জানা আছে? চলুন তবে জেনে নিই প্রতিদিন মাত্র এক চামচ মধুতে কালোজিরা মিশিয়ে খেলে আমাদের কী কী উপকার হয়ে থাকে।

১। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের অনেক রকমের কাজ করতে হয়। আর এজন্য প্রয়োজন এনার্জির। আর এই এনার্জি এনে দিতে পারে কালোজিরা এবং মধু। দেখা গেছে যে, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কালোজিরা সাথে মধু মিশিয়ে খেলে আমাদের শরীরে অতি প্রয়োজনীয় বিশেষ কিছু খনিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। এতে আমাদের সারাদিনের কাজ করার জন্য যথেষ্ঠ এনার্জি পাওয়া যায়।

২। কালোজিরা এবং মধুতে থাকা পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মত উপকারী খনিজ উপাদান আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এছাড়াও এতে থাকা ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাসের মত উপকারী সব উপাদান থাকায় এটি আমাদের দেহ গঠনে অনেক সাহায্য করে। আমাদের শরীরের হাড় গঠনে এবং হাড়কে মজবুত করতে এসব খনিজ উপাদানের কোনো বিকল্প নেই ।

৩। প্রতিদিন এক চামচ কালোজিরা এক চামচ মধু দিয়ে খেলে আমাদের হার্টের পেশি শক্তিশালী হয়ে উঠে। এতে আমাদের হার্টের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে এতে যেকোনো ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। সেই সাথে ব্লাড প্রেসারও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। একই সাথে আমাদের কোলেস্টেরল লেভেল একেবারে নরমাল করে তোলে। কারণ এই কালোজিরা এবং মধু একসাথে খেলে আমাদের রক্তনালীতে জমতে থাকা কোলেস্টরল বা ময়লাও ধুয়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক সহ একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

৪। কালোজিরা এবং মধু খেলে আমাদের পেট পরিষ্কার রাখে। একই সাথে এটি আমাদের হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য এটি আমাদের খাদ্যকে পাচনতন্ত্র বেয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। এছাড়াও এদুটি উপাদান নিয়মিত খেলে আমাদের শরীরে মস্তিষ্কে কিছু উপকারী হরমোনের ক্ষরন অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। একই সাথে আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করতে এর ভূমিকা অনেক।

৫। এ দুটি উপাদানে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। এছাড়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের শরীর গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এখানেই শেষ নয়, এই কালোজিরায় আছে অনেক উপকারী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ। যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যান্ত উপকারী।

এই শীতে কাছে রাখতে পারেন “প্যানাসিয়া”। বায়োগ্রীন এশিয়া নিয়ে এসেছে কালোজিরা ও মধুর এক অসাধারন মিশ্রণ “প্যানাসিয়া” যা আপনারকে রাখবে ডান্ডামুক্ত ফুরফুরে।

বিস্তারিত জানতে পারেন: https://www.biogreenasia.com/literature/

নাম: প্যানাসিয়া

ডোজ: প্রতিদিন ২ বার ১/২ -১ চামচ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এবং সুরক্ষা: “প্যানাসিয়া” নির্দেশিত মাত্রায় সেবন নিরাপদ।

ওজন: ২৩০গ্রাম

মূল্য: ২৯০টাকা

⬛ ইনবক্সে অর্ডার করুনঃ

https://www.facebook.com/profile.php?id=100033661201057

◼সারাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি দেয়া হয়
◼কুরিয়ার চার্জ ৪০-১২০৳ পর্যন্ত হতে পারে
◼এডভান্স পেমেন্ট প্রযোজ্য
◼খুলনা শহরের ভিতরে ক্যাশ অন ডেলিভারি চার্জ ৬০৳

◽◾সরাসরি পেতে চলে আসুন আমাদের আউটলেটে।

আমাদের আউটলেটের ঠিকানাঃ

Sunnah Gallery সুন্নাহ গ্যালারী
ডে নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর, খুলনা
(ভূমি সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে)

◼গুগল ম্যাপের লিংকঃ
https://maps.app.goo.gl/h9qEkDW7DbrkpY4fA

◼আমাদের পেইজ লিংকঃ
https://www.facebook.com/sunnahgallerybd/

◾জয়েন করুন আমাদের গ্রুপেঃ
https://www.facebook.com/groups/383960985713300/

হেল্পলাইনঃ

✆ 01940443044
✆ 01770004648

আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে আমাদের রুকইয়াহ শারিয়াহ্ সার্ভিস চালু হচ্ছে ইনশাআল্লাহ। আমাদের দেশে জ্বীন-জাদ...
02/01/2020

আলহামদুলিল্লাহ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর শেষে আমাদের রুকইয়াহ শারিয়াহ্ সার্ভিস চালু হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের দেশে জ্বীন-জাদু সমস্যা নিয়ে ভুক্তভোগী মানুষের সংখ্যা প্রচুর, আর এসবের চিকিৎসার নামে মন্দচর্চাও প্রচুর। শরই চিকিৎসার প্রচলন একদমই যে নেই, তা না। তবে যাদু, বদনজর, জ্বীনঘটিত ব্যাপার গুলোতে শরিয়াহ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে চাইলেও নির্ভরযোগ্য আর দক্ষ রাক্বির অভাব থাকায় অনেকের জন্যই তা সম্ভব হয়ে উঠে না। মানুষ তখন কুফর-শির্ক মিশ্রিত চিকিৎসার উপর নির্ভরশীল হয়ে যায়। তাবিজ-কবচ থেকে শুরু হয়, আর শেষে জ্বীন-শয়তানের উদ্দেশ্যে বলি দেয়ার মত বিষয়ও মানুষ খুব সাধারন ভাবে নেয়।

আমরা বুঝি যে, একটা ফ্যামিলিতে যখন কোন প্যারানরমাল সমস্যাগ্রস্ত কেউ থাকে সেই ফ্যামিলির অবস্থা খুবই বিদ্ধস্ত অবস্থায় থাকে। চিকিৎসার সিদ্ধান্ত গুলো নিয়েও থাকে বিভিন্নজনের কথার উপর ভিত্তি করে। অনেকসময় ভাল রাক্বী হাতের নাগালে পাওয়াও যায় না।

এখানে দুইটা করণীয় আছে-
১. শরঈ রুকইয়াহ সম্পর্কে জেনে, অভিজ্ঞ কারও থেকে পরামর্শ কিংবা দিকনির্দেশনা নিয়ে সে অনুযায়ী সেলফ রুকইয়াহ করা।
২. সেলফ রুকইয়াহ করতে অপারগ হলে অন্য কাউকে দিয়ে রুকইয়াহ করানো।

আমাদের পেইজের ইনবক্সে প্রায়ই রুকইয়াহ বিষয়ক অনেক প্রশ্ন ও সমস্যা জানতে চাইলেও আমরা আশ্বস্ত করতাম যে, দোয়া করেন যেন খুব শীঘ্রই যেন আমরা রুকইয়াহ চালু করতে পারি।

আপনাদের জন্য সুখবর হলো এই জানুয়ারি মাস থেকেই আমাদের খুলনা হিজামা সেন্টারে এখন রুকইয়াহ করার ব্যবস্থা থাকবে।ইনশাআল্লাহ

যে ভাই আমাদের রুকইয়াহ করাবেন সেই
যেহেতু ভাই একটি মাদ্রাসায় শিক্ষাকতা করেন।এবং তার ব্যক্তিগত কাজের শেষে এসে মাঝেমাঝে আমাদের সেন্টারে সময় দিবেন, তাই যারা রুকইয়াহ করাতে চান বা কন্সাল্টেশনের জন্য (সরাসরি সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে পরামর্শ নিতে) আগ্রহী তারা অনুগ্রহ করে অন্তত ২ দিন আগে আমাদেরকে নিম্নলিখিত নাম্বারে কল দিয়ে সময় ও শিডিউল কনফার্ম করবেন।

আপনাদের কাছে রুকইয়াহ কে আরো সহজলভ্য করার জন্য আগামীতেও আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

⚫রাক্বী /যিনি রুকইয়া করাবেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত আসছে।

⬛খুলনা হিজামা & রুকইয়াহ সেন্টার
✆ 01940443044

⬛সরাসরি যোগাযোগ করতেঃ

সুন্নাহ গ্যালারি
ডে নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর, খুলনা

https://maps.app.goo.gl/h9qEkDW7DbrkpY4fA

◼হিজামা কি?হিজামা এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির কথা। আধুনিক পরিভাষায় কাপিং (Cupping) থেরাপি নামের এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে...
02/01/2020

◼হিজামা কি?

হিজামা এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির কথা। আধুনিক পরিভাষায় কাপিং (Cupping) থেরাপি নামের এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে আরবিতে বলা হয় হিজামা (حِجَامَة )। এটি নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণিত ও নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা।

আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এসেছে এই শব্দের উৎপত্তি। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুঁচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশীসমূহের রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরেরঅরগানসমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।

আমাদের দেশে হিজামাকে সাধারণ অর্থে শিঙা লাগানো বলা হয়। অতি প্রাচীন এ চিকিৎসাপদ্ধতির উৎপত্তি আরবদেশে। হিজামাকে নবীর দেখানো বা বলা চিকিৎসা পদ্ধতি বলা হয়। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে উম্মতকে অবহিত করেছেন। তিনি নিজে এ পদ্ধতির চিকিৎসা ব্যবহার করেছেন এমনকি অন্যকে হিজামা পদ্ধতির চিকিৎসা নিতে উৎসাহিতও করেছেন। হিজামার ব্যবহার রাসূলুল্লাহ(সা.) ও সাহাবাদের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।

◼কেন হিজামা করাবেন?

হাদিসে আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হিজামা করেছেন মাথাব্যথার প্রতিষেধক হিসেবে। পিঠের ব্যথার জন্য দুই কাঁধের মাঝে ও ঘাড়ের দু’টি রগে। হিজামার উপকারিতা সম্পর্কে সিহাহ সিত্তার গ্রন্থসমূহে বহু হাদিস রয়েছে। আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান।তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার রোগের জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকেইনশাআল্লাহ মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাঃ এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হলো।

(হিজামার ফযিলত ও গুরুত্বঃ

https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3370698726336938/)

◼হিজামা (শিঙ্গা/CUPPING) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (perkinson’s disease)
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain)
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনোসাইটিস
১৮। হাঁপানি (asthma)
১৯। হৃদরোগ (Cardiac Disease)
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিল
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (Chronic Skin Diseses)
২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস (Diabetes)
২৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৩০। চুল পড়া (Hair fall)
৩১। মানসিক সমস্যা (Psycological disorder)…সহ আরও অনেক রোগ।

হিজামার প্রকারভেদ

এক. স্বাভাবিক অবস্থায় যেভাবে করবে। যথা :
ক. আরবী মাসের ১৭, ১৯ ও ২১ তারিখের কোন একটি নির্বাচন করবে।
খ. সোম, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবারের কোনটিকে নির্বাচন করবে।
উল্লেখ্য, তারিখ ও দিনের মধ্যে বিরোধ হলে তারিখকে অগ্রাধিকার দিবে।
গ. খালি পেটেই হিজামা করবে। সকালে খালি পেটে হিজামা করা উত্তম।
ঘ. ফজরের পর হতে দুপুর ১২টার মধ্যে করানো উত্তম।
ঙ. হিজামার আগের ও পরের দিন সঙ্গম না করা উত্তম।

◼হিজামার আগে ও পরে করনীয়

https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3362188217187989/

দুই. জরুরী অবস্থায় যেভাবে করবে।
এতে মাস ও দিনের কোনো ধর্তব্য নেই। যখনই সমস্যা তখনই করা যেতে পারে। একসময় রসূলুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘোড়া থেকে পড়ে পায়ে আঘাত পাওয়ায় হিজামা করেছিলেন।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামার কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর

https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3362090590531085/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামা প্যাকেজ

https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3365369626869848/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
⚫হিজামা সুন্নাহ হলে পারিশ্রমিক কেন?

https://www.facebook.com/1659977994075695/posts/3371331182940359/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
খুলনা হিজামা সেন্টার
✆ 01940443044

সরাসরি যোগাযোগের ঠিকানাঃ

সুন্নাহ গ্যালারি (খুলনা হিজামা সেন্টার সুন্নাহ গ্যালারির একটি প্রতিষ্ঠান)
ডে,নাইট কলেজ রোড
দৌলতপুর,খুলনা

◼হিজামা যদি সুন্নাহ চিকিৎসা হয় তবে পারিশ্রমিক কেনো? আপনি কোনো ডাক্তার বা চিকিৎসকের কাজ থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করলে যেমন...
02/01/2020

◼হিজামা যদি সুন্নাহ চিকিৎসা হয় তবে পারিশ্রমিক কেনো?

আপনি কোনো ডাক্তার বা চিকিৎসকের কাজ থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করলে যেমন তার পারিশ্রমিক থাকে তেমনি হিজামাও একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা। অতএব এর পারিশ্রমিক থাকবেই।

◼হিজামা'র পারিশ্রমিক সংক্রান্ত হাদীস গুলো দেখুন -
★ হযরত আনাস বিন মালিক রা.-এর নিকট হিজামাবৃত্তির উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. হিজামা (নিজ শরীরে) লাগিয়েছেন। আবু তায়বা তাকে হিজামা করেছে। নবীজী তাকে দুই সা (সাত কেজি) খাদ্য-বস্তু দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তার মালিকদের সাথে আলোচনা করেন। এতে তারা তার উপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে দেয়।
তিনি আরো বলেন: তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাও সেসবের মধ্যে হিজামা হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা। অথবা তিনি বলেছেন এটি তোমাদের ঔষধের মধ্যে অধিক ফলদায়ক।
[সহী মুসলিম, হা/৩৯৩০ (হাদীস একাডেমী)
সহীহুল বুখারী, হা/২১০২ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স)]

★ হযরত আমর বিন আমির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন আমি আনাস (রা) কে বলতে শুনেছি যে নবীজী সা. হিজামা লাগাতেন এবং হিজামা লাগিয়ে কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না।
[সহীহুল বুখারী, হা/২২৮০ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স) সহী মুসলিম, হা/১৫৭৭, মাসনাদে আহমাদ, হা/১২২০৭]

★ ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন নবীজী সা. হিজামা করালেন এবং যে তাকে হিজামা করেছে তাকে তিনি মজুরী দিয়েছিলেন। যদি তিনি তা অপছন্দ করতেন তবে তাকে পারিশ্রমিক দিতেন না।
[সহীহুল বুখারী, হা/২১০৩, ২২৭৯ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স)]

অতএব, হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক নেয়ার অবৈধতা সংক্রান্ত বিধান পরবর্তিতে রাসূলুল্লাহ সা.-এর আমল ও নির্দেশ দ্বারা বাতিল/মানসুখ হয়ে গেছে।

◼হিজামার ফযীলতঃহিজামার ফযীলত সম্বলিত বহু হাদীছ রয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে কিছু হাদীছ উল্লেখ করা হ’ল।-عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ س...
02/01/2020

◼হিজামার ফযীলতঃ

হিজামার ফযীলত সম্বলিত বহু হাদীছ রয়েছে। নিম্নে এ সম্পর্কে কিছু হাদীছ উল্লেখ করা হ’ল।-

عَنْ حُمَيْدٍ قَالَ سُئِلَ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ عَنْ كَسْبِ الْحَجَّامِ فَقَالَ احْتَجَمَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَجَمَهُ أَبُو طَيْبَةَ فَأَمَرَ لَهُ بِصَاعَيْنِ مِنْ طَعَامٍ وَكَلَّمَ أَهْلَهُ فَوَضَعُوا عَنْهُ مِنْ خَرَاجِهِ وَقَالَ إِنَّ أَفْضَلَ مَا تَدَاوَيْتُمْ بِهِ الْحِجَامَةُ أَوْ هُوَ مِنْ أَمْثَلِ دَوَائِكُم-

হুমাইদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, আনাস বিন মালিক (রাঃ)-এর নিকট হিজামার উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হ’লে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হিজামা লাগিয়েছেন। আবু তায়বা তাকে হিজামা করেছেন। তিনি তাকে দুই ছা‘ (প্রায় ৫ কেজি) খাদ্যদ্রব্য দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তার মালিকদের সাথে আলোচনা করেন। এতে তারা তার উপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে দেয়। তিনি আরও বলেন, তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাও হিজামা সেগুলোর মধ্যে উত্তম ব্যবস্থা অথবা (বলেছেন) এটি তোমাদের ঔষধের মধ্যে অধিক ফলদায়ক’।[7]

عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ رضى الله عنهما عَادَ الْمُقَنَّعَ ثُمَّ قَالَ لاَ أَبْرَحُ حَتَّى تَحْتَجِمَ فَإِنِّىْ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ إِنَّ فِيْهِ شِفَاءًٌ-

আছেম বিন ওমর বিন ক্বাতাদা থেকে বর্ণিত আছে যে, জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) অসুস্থ মুকান্নাকে দেখতে যান। এরপর তিনি বলেন, আমি সরব না, যতক্ষণ না তুমি শিঙ্গা লাগাবে। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয়ই এর (হিজামার) মধ্যে নিরাময় রয়েছে’।[8]

ইবনু আববাস (রাঃ)-এর সূত্রে নবী করীম (ছাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রোগমুক্তি তিনটি জিনিসের মধ্যে নিহিত। শিঙ্গা লাগানো, মধু পান করা এবং আগুন দিয়ে গরম দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মাতকে আগুন দিয়ে গরম দাগ দিতে নিষেধ করি’।[9]

عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ قَالَ جَاءَنَا جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ فِي أَهْلِنَا وَرَجُلٌ يَشْتَكِي خُرَاجًا بِهِ أَوْ جِرَاحًا فَقَالَ مَا تَشْتَكِي قَالَ خُرَاجٌ بِي قَدْ شَقَّ عَلَيَّ فَقَالَ يَا غُلَامُ ائْتِنِي بِحَجَّامٍ فَقَالَ لَهُ مَا تَصْنَعُ بِالْحَجَّامِ يَا أَبَا عَبْدِ اللهِ قَالَ أُرِيدُ أَنْ أُعَلِّقَ فِيهِ مِحْجَمًا قَالَ وَاللهِ إِنَّ الذُّبَابَ لَيُصِيبُنِي أَوْ يُصِيبُنِي الثَّوْبُ فَيُؤْذِينِي وَيَشُقُّ عَلَيَّ فَلَمَّا رَأَى تَبَرُّمَهُ مِنْ ذَلِكَ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ خَيْرٌ فَفِي شَرْطَةِ مِحْجَمٍ أَوْ شَرْبَةٍ مِنْ عَسَلٍ أَوْ لَذْعَةٍ بِنَارٍ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا أُحِبُّ أَنْ أَكْتَوِيَ قَالَ فَجَاءَ بِحَجَّامٍ فَشَرَطَهُ فَذَهَبَ عَنْهُ مَا يَجِدُ-

আছেম বিন ওমর বিন ক্বাতাদা হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) আমাদের বাড়ীতে আসেন। বাড়ির একজন লোক তার ক্ষত রোগের কথা বলল। জাবির (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি সমস্যা? সে বলল, ক্ষত হয়েছে যা আমার কাছে অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাবির (রাঃ) বলেন, বৎস! আমার কাছে একজন হিজামাকারী ডেকে নিয়ে এসো। সে বলল, হে আবু আবদুল্লাহ! হিজামাকারীকে দিয়ে কি করবেন? তিনি বললেন, ক্ষতস্থানে শিঙ্গা লাগাতে চাই। সে বলল, আল্লাহর শপথ! মাছি আমাকে উত্যক্ত করবে কিংবা (ক্ষতস্থানে) কাপড় লেগে গেলে আমার কষ্ট হবে। হিজামা করাতে তার অসম্মতি দেখে জাবির (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ছাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ‘যদি তোমাদের কোন ঔষধে কল্যাণ থেকে থাকে তাহ’লে তা আছে (১) হিজামা করানো (২) মধু পান করা এবং (৩) আগুনের টুকরা দিয়ে দাগ দেয়া’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে আগুন দিয়ে দাগ লাগানো পসন্দ করি না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি হিজামাকারীকে আনালেন। অতঃপর সে তাকে হিজামা করল। এতেই সে আরোগ্য লাভ করল’।[10]

◼হিজামার গুরুত্ব : জাবির (রাঃ) হ’তে বর্ণিত যে, নবী করীম (ছাঃ)-এর (পায়ে) যে ব্যথা ছিল, তার জন্য তিনি ইহরাম অবস্থায় হিজামা লাগিয়েছিলেন।[11]

قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِيْنَ عُرِجَ بِهِ مَا مَرَّ عَلَى مَلَإٍ مِنْ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ قَالُوْا عَلَيْكَ بِالْحِجَامَةِ-

ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মি‘রাজে যাওয়ার সময় তিনি ফিরিশতাদের যে দলের নিকট দিয়ে অতিক্রম করেন তারা বলেন, ‘আপনি অবশ্যই হিজামা করাবেন’।[12]

عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ حَدَّثَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ لَيْلَةَ أُسْرِىَ بِهِ أَنَّهُ لَمْ يَمُرَّ عَلَى مَلإٍ مِنَ الْمَلاَئِكَةِ إِلاَّ أَمَرُوْهُ أَنْ مُرْ أُمَّتَكَ بِالْحِجَامَةِ-

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, মি‘রাজের রাত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন যে, এই রাতে ফিরিশতাদের যে দলের সম্মুখ দিয়েই তিনি যাচ্ছিলেন তারা বলেছেন, ‘আপনার উম্মতকে হিজামার নির্দেশ দিন’।[13]

হিজামা ফেরেশতাদের দ্বারা সুফারিশকৃত : হিজামা একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যা আমরা পূর্বেই উল্লেখ করেছি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও তাঁর উম্মতের জন্য এটি ফেরেশতাদের দ্বারা সুপারিশকৃত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। এজন্য কেউ বলতে পারে না যে, এই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি বর্তমান আধুনিক যুগে অচল। বরং এটি সাফল্যপূর্ণ প্রতিষেধক সমস্ত বিশ্ববাসীর জন্য। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করা হয়েছে।[14]

[7]. মুসলিম হা/৩৯৩০।

[8]. বুখারী হা/৫৬৯৭।

[9]. বুখারী হা/৫৬৮১।

[10]. মুসলিম হা/৫৬৩৬।

[11]. নাসাঈ হা/২৮৫২।

[12]. ছহীহ তিরমিযী, হা/৩৪৬২।

[13]. ইবনু মাজাহ হা/৩৪৭৯; তিরমিযী হা/২০৫২; মিশকাত হা/৪৫৪৪, সনদ ছহীহ।

[14]. ছহীহ তিরমিযী হা/২০৫২, ২০৫৩; ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/৩৪৭৭।

Address

Day Night College Road, Daulatpur
Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খুলনা হিজামা সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to খুলনা হিজামা সেন্টার:

Share