Dentist Salim Rahman

Dentist Salim Rahman Peaple can get knowledge about dental problem and solution

11/10/2023

দাঁতের ব্যাথা কমানোর ১০ পরামর্শ :
দাঁত ব্যথা হলে ঘরেই আপনার
ব্যথা কমিয়ে ফেলতে পারবেন। নিরাপদ
প্রাকৃতিক ব্যথা নিরোধক দিয়ে দাঁত
ব্যথা কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব। আসুন
দেখে নেয়া যাক প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁত
ব্যথা কমানোর উপায়গুলো।
# গরম পানিতে লবণ
মিশিয়ে কুলি করতে থাকুন যতক্ষণ সম্ভব।
দাঁত ব্যথা কমে যাবে।
ভ্যানিলা ভিজিয়ে রাখা পানি তুলায়
ভিজিয়ে দাঁতে ধরে রাখুন। দাঁত
ব্যথা কমে আসবে।
# আপেল সাইডার ভিনেগার তুলায়
লাগিয়ে দাঁতের
সাথে ধরে রাখলে ব্যথা কমে আসে।
আক্রান্ত দাঁত
দিয়ে একটুকরো আদা চিবিয়ে নিন।
রসুন থেঁতো করে লবণ দিয়ে দাঁতের গোঁড়ায়
চেপে রাখুন। দাঁত ব্যাথায় আরাম পাবেন।
# চিনি ও দুধ ছাড়া গরম চায়ের লিকার খান।
দাঁত ব্যথায় সাময়িক আরাম পাবেন।
লবঙ্গের তেলের সাথে এক চিমটি গোলমরিচ
গুড়ো মিশিয়ে ব্যথাযুক্ত দাঁতের গোড়ায়
লাগাতে হয়। এতে বেশ ভালো ফল
পাওয়া যায়।
# সরিষার তেলের সাথে এক চিমটি লবন
মিশিয়ে আক্রান্ত দাঁতের গোড়ায়
ডলে দিতে হয়। এতে দাঁত ব্যথা কমে যায়।
# কয়েক ফোঁটা লেবুর রস আক্রান্ত
দাঁতে দিলে দাঁতব্যথা কমানো যায়।
# এক টুকরা তাজা পেঁয়াজ আক্রান্ত
মাড়ি বা দাঁতে রেখে দাঁতব্যথা কমানো সম্
প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাশ
করে ঘুমাতে যান। সকালের নাস্তার
পরে আবার দাঁত ব্রাশ করুন।

I have reached 500 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉
16/09/2023

I have reached 500 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

আপনার আদরের সন্তানকে জাতীয়  ভিটামিন-'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ান।
14/06/2023

আপনার আদরের সন্তানকে জাতীয় ভিটামিন-'এ' প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ান।

16/04/2023
এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোট...
25/07/2022

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং স্যার বলেছিলেন, "এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।''
:
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় "এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স''।
:
ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ হয়ে গেলাম। ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।
:
তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়া গুলো। এরা বাচ্চা-কাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরের বার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।
:
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়া গুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশি দেন, ব্যাকটেরিয়া গুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। এক সময় পুরো এলাকায়ই আর ঐ এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।
:
আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া আর তাদের বিভিন্ন 'জ্যাকেট'এর তুলনায় এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা খুব বেশি না। অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।
:
উন্নত বিশ্বের চিকিৎসা ব্যবস্থা আলাদা। তারা নিয়ম মেনে ডাক্তারের পরামর্শ মতো ওষুধ খায়। বিপদে আছি আমরা। 'মেডিসিনের বাইবেল' নামে পরিচিত ডেভিডসের বইয়েও আমাদের এই উপমহাদেশের উল্লেখ আছে আলাদা করে। অনেক ট্রিটমেন্টে বলা হয়েছে,
"This organism is registrant against this Drugs in Indian subcontinent''
:
টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়। বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।
আগুন নিয়ে খেলছে ফার্মেসিওয়ালারা
--------------------------------------------------
রোগী ফার্মেসীতে গিয়ে একটু জ্বরের কথা বললেই ফার্মেসীতে বসে থাকা সেই লোকটি দিয়ে দিচ্ছে Ezithromycin or,cefixime or cefuroxime or levofloxacin নামক কিছু নামকরা দামী এন্টিবায়োটিক, কিন্তুু কতো দিন খেতে হবে সেটা না জানিয়ে সুন্দর করে বলে দেয় এই ওষধটি ১ ডোজ খাবেন সব রোগ ভালো হয়ে যাবে আর এই ভাবেই আস্তে আস্তে Resistance হচ্ছে সব এন্টিবায়োটিক।
:
চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। সবাইকে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

16/05/2022

*স্বাস্থ্য সম্পর্কে মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি :*-

1. রক্তচাপ: 120/80
2. পালস: 70 - 100
3. তাপমাত্রা: 36.8 - 37
4. শ্বসন: 12-16
5. হিমোগ্লোবিন: পুরুষ (13.50-18)
মহিলা (11.50 - 16)
6. কোলেস্টেরল: 130 - 200
7. পটাসিয়াম: 3.50 - 5
8. সোডিয়াম: 135 - 145
9. ট্রাইগ্লিসারাইডস: 220
10. শরীরে রক্তের পরিমাণ:
পিসিভি 30-40%
11. চিনি: শিশুদের জন্য (70-130)
প্রাপ্তবয়স্ক: 70 - 115
12. আয়রন: 8-15 মিগ্রা
13. শ্বেত রক্তকণিকা: 4000 - 11000
14. প্লেটলেট: 150,000 - 400,000
15. লোহিত রক্তকণিকা: 4.50 - 6 মিলিয়ন..
16. ক্যালসিয়াম: 8.6 - 10.3 mg/dL
17. ভিটামিন D3: 20 - 50 ng/ml (ন্যানোগ্রাম প্রতি মিলিলিটার)
18. ভিটামিন বি 12: 200 - 900 পিজি/মিলি

*যারা ৪০ উর্ধ্ব বয়সে পৌঁছেছেন তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলি:*-

*প্রথম পরামর্শ:*
আপনার তৃষ্ণা না লাগলেও বা প্রয়োজন না হলেও সর্বদা জল পান করুন... সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা এবং তার বেশিরভাগই শরীরে পানির অভাব।
প্রতিদিন সর্বনিম্ন 2 লিটার (24 ঘন্টা)।

*দ্বিতীয় পরামর্শ:*
এমনকি আপনি যখন আপনার ব্যস্ততার শীর্ষে থাকেন তখনও খেলাধুলা করুন...শরীরকে অবশ্যই নড়াচড়া করতে হবে, এমনকি যদি শুধুমাত্র হাঁটা...বা সাঁতার কাটা...অথবা যেকোনো ধরনের খেলাধুলা করে।
🚶 হাঁটা শুরুর জন্য ভালো...

*তৃতীয় পরামর্শ:*
খাবার কমিয়ে দিন...

অত্যধিক খাবারের লোভ ত্যাগ করুন... কারণ এটি কখনই ভালো করে না।
নিজেকে বঞ্চিত করবেন না, তবে পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রোটিন বেশি ব্যবহার করুন, কার্বোহাইড্রেট ভিত্তিক খাবার কম করুন।

*চতুর্থ বিষয়*
যতটা সম্ভব, একেবারে প্রয়োজন ছাড়া গাড়ি ব্যবহার করবেন না... আপনি যা চান (মুদিখানা, কাউকে দেখা...) বা যে কোনও লক্ষ্যের জন্য আপনার পায়ে হাঁটার চেষ্টা করুন। এলিভেটর, এসকেলেটর ব্যবহার না করে সিঁড়ি দাবি করুন।

*পঞ্চম বিষয়*
রাগ ছেড়ে দিন..
রাগ ছেড়ে দিন..
রাগ ছেড়ে দিন..
দুশ্চিন্তা বাদ দিন....ছোট ছোট বিষয় উপেক্ষা করার চেষ্টা করুন...

ঝামেলার পরিস্থিতিতে নিজেকে জড়াবেন না.. এগুলি সব স্বাস্থ্যকে হ্রাস করে এবং আত্মার জাঁকজমক কেড়ে নেয়। যারা ইতিবাচক তাদের সাথে কথা বলুন। আরও শুনুন।

*ষষ্ঠ পরামর্শ*
যেমন বলা হয়..আপনার টাকা সূর্যের মধ্যে ছেড়ে দিন.. এবং ছায়ায় বসুন.. নিজেকে এবং আপনার আশেপাশের লোকদের সীমাবদ্ধ করবেন না... অর্থ এটি দ্বারা বাঁচার জন্য তৈরি করা হয়েছিল, এটির জন্য বাঁচার জন্য নয়।

*সপ্তম পরামর্শ*
কারো জন্য নিজেকে দুঃখিত করবেন না, এমন কিছুর জন্য যা আপনি অর্জন করতে পারেননি বা এমন কিছুর জন্য যা আপনি নিজের করতে পারেননি।
উপেক্ষা করুন, ভুলে যান।

*অষ্টম বিষয়*
নম্রতা.. তারপর নম্রতা.. অর্থ, প্রতিপত্তি, ক্ষমতা এবং প্রভাবের জন্য... এগুলি এমন সব জিনিস যা অহংকার এবং অহংকার দ্বারা কলুষিত হয়..
নম্রতাই মানুষকে ভালোবাসার সাথে আপনার কাছাকাছি নিয়ে আসে।

*নবম বিষয়*
যদি আপনার চুল ধূসর হয়ে যায় তবে এর মানে জীবনের শেষ নয়। এটি প্রমাণ যে একটি উন্নত জীবন শুরু হয়েছে।
আশাবাদী হোন, স্মরণের সাথে বেঁচে থাকুন, ভ্রমণ করুন, নিজেকে উপভোগ করুন। স্মৃতি তৈরি করুন!

*সবাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন*
(সংগৃহীত)

Nursing Bottle Caries-ছোট শিশুদের দন্তক্ষয়অনেক বাচ্চারই দেখা যায় তাদের উপরের চোয়ালের সামনের দিকের চারটি দাত ক্ষয় হয়ে কাল...
09/04/2022

Nursing Bottle Caries-ছোট শিশুদের দন্তক্ষয়
অনেক বাচ্চারই দেখা যায় তাদের উপরের চোয়ালের সামনের দিকের চারটি দাত ক্ষয় হয়ে কালো হয়ে গেছে,কোন কোন ক্ষেত্রে তা ভেঙ্গে গেছে।এই অবস্থার জন্য দায়ী বিশেষ এক ধরনের দন্তক্ষয়,নাম Nursing Bottle Caries.
★কখন হয়?
সাধারণত জন্মের পর এক বছরের মধ্যেই বাচ্চার সামনের দিকের দাত উঠে।ঐ বয়স থেকেই এটা হতে পারে।সাধারনত ২-৫ বছরের বাচ্চাদের এটা দেখা যায়।
★কাদের হয়?
যে সকল বাচ্চা বটল ফিড করে বা ফিডারে খায় এবং রাতে ঘুমের মধ্যে যে সকল বাচ্চার ফিডারে খাওয়ার অভ্যাস আছে,তাদের এটা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।অনেক সময় যে সব বাচ্চা ঘুমের মধ্যে বুকের দুধ খায়,তাদেরও এটা হতে পারে (বুকের দুধের বিষয়ে বিতর্ক আছে)।
★কেন হয়?
রাতে ঘুমের মধ্যে ফিডারে খেলে দুধের একটা আস্তরন সামনের উপরের চারটা দাতের বাইরের দিকে পড়ে।দীর্ঘসময় এটা থাকলে স্ট্রেপটোকক্কাস নামক ব্যাক্টেরিয়া গ্রুপ এটা ভেঙে এসিড তৈরি করে যা দন্তক্ষয় করে।এছাড়া অনেক সময় ফিডারে দুধের সাথে চিনি, সিরাপ ইত্যাদি মিশিয়ে বাচ্চাকে খাওয়ান,অনেকে বাচ্চাদের মুখের চুষনিতে (Pacifier) মিষ্টি জাতীয় কিছু লাগিয়ে দেন যা এই ধরণের দন্তক্ষয় কে আরো ত্বরান্বিত করে।
★লক্ষণঃ
✔বাচ্চার বয়স ১.৫-৬ বছর।
✔উপরের চোয়ালের সামনের চারটা দাত আক্রান্ত হয়।
✔বাচ্চার রাতে ঘুমের মধ্যে খাওয়ার(ফিডার বা বুকের দুধ) অভ্যাস থাকে।
✔এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে উপরের চোয়ালের সামনের দাতের বাইরের দিকে বাদামী বা কালো দাগ দেখা যায়।
✔বাচ্চা যদি কাত হয়ে ঘুমানোয় অভ্যস্ত হয়,তবে যে দিকে কাত হয়ে ঘুমায় সেদিকের পিছনের দাতগুলোতেও এই বিশেষ দন্তক্ষয়ের শুরু হয়।
★প্রতিকারঃ
এই অবস্থায় ক্ষয়ের পরিমাণ কম হলে ফিলিং করলেই হয়।যদি ক্ষয় অনেক গভীর হয় তবে পালপেকটমি (বাচ্চাদের বিশেষ রুট ক্যানাল ট্রিটমেন্ট) অথবা এক্সট্রাকশন (দাত ফেলা) করা যেতে পারে।আর যদি ক্ষয় হতে হতে দাতটি ভেঙে যায় সেক্ষেত্রে এক্সট্রাকশন হল একমাত্র চিকিতসা।তাই লক্ষণ দেখার সাথে সাথে চিকিৎসা করানোটা জরুরী ।
★প্রতিরোধঃ
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।তাই কিছু বিষয়ে একটু খেয়াল করে মেনে চললে এই সমস্যা হতে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যায়।
✔বাচ্চার মুখে প্রথম দাত আসার সাথে সাথেই নিয়মিত সকালে ও রাতে ব্রাশ করানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।প্রথম দিকে টুথপেস্ট ছাড়াই শুধু ব্রাশ ব্যবহার করুন।
✔ফিডারে খাওয়ানো যথাসম্ভব পরিহার করুন।চামচ দিয়ে খাওয়াতে পারেন।
✔রাতে ঘুমের মধ্যে খাওয়ানো পরিহার করুন।
✔বাচ্চার খাবারে বা চুষনিতে চিনি,সিরাপ বা মধু মিশিয়ে দেয়া হতে বিরত থাকুন।
✔প্রতিবার ফিডারে খাওয়ানোর পরে বাচ্চাকে পানি খেতে দিন,যাতে দাতের উপর থেকে দুধের আস্তরন ধুয়ে যেতে পারে।
✔রাতে খাওয়ানোর পর পানি খাওয়ানোর সাথে সাথে পরিষ্কার ভেজা নরম কাপড় দিয়ে দাত এবং মাড়ি ভালকরে মুছে দিন।
✔পরিষ্কার আঙ্গুল দিয়ে মাঝে মাঝে বাচ্চার মাড়ি আলতো ম্যাসেজ করে দিন।

দাঁত শিরশির করা একটি সাধারণ সমস্যা। অনেকেই এ সমস্যায় ভুগে থাকে।কারণ– দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে গেলে– দাঁতে ক্যাভিটি বা গর্ত...
05/04/2022

দাঁত শিরশির করা একটি সাধারণ সমস্যা। অনেকেই এ সমস্যায় ভুগে থাকে।

কারণ
– দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে গেলে
– দাঁতে ক্যাভিটি বা গর্তের সৃষ্টি হলে
– অনেক দিনের পুরোনো ফিলিং থাকলে
– মাঢ়ি ক্ষয় হয়ে দাঁতের রুট বা গোড়া বের হয়ে গেলে
– দাঁত আঘাতপ্রাপ্ত হলে।

দাঁতের শিরশির বন্ধ করতে হলে যা করবেন-
– একজন দন্ত চিকিৎসকের কাছে গিয়ে শিরশির করার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা
গ্রহণ করা
– দিনে দুইবার সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করা
– নরম ব্রিসলের টুথব্রাশ ব্যবহার করা
– ফ্লোরাইডযুক্ত, ডি সেনসিটাইজিং টুথপেস্ট ব্যবহার করা
– কোমল পানীয়, অ্যালকোহল প্রভৃতি গ্রহণ না করা।

অনেকেই দাঁতের যে অংশ শিরশির করে সে অংশটি আর ব্রাশ করে না। কিন্তু এতে সমস্যা বেড়ে প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। কাজেই নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

আমরা দন্ত চিকিৎসকরা প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই যে, দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি হবে কিনা। এটি একেবারেই অমূলক এবং ভ্রান্...
04/04/2022

আমরা দন্ত চিকিৎসকরা প্রায়ই একটি প্রশ্নের সম্মুখীন হই যে, দাঁত তুললে চোখের ক্ষতি হবে কিনা। এটি একেবারেই অমূলক এবং ভ্রান্ত একটি ধারণা। দাঁত প্রদাহ হলে ব্যথাটি অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চোখে। পালপাইটিস (Pulpitis) নামক দাঁতের এই রোগটিই মূলত ভীতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় রোগীদের নিকট। কেননা ব্যথাটি তখন অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পাশের দাঁতে ব্যথা সে পাশে চোখের দিকে। আর এতেই অধিকাংশ ভুক্তভোগী রোগীগণ মনে করেন দাঁতের সাথে চোখের সম্পর্ক আছে। এছাড়াও উপরের দাঁতের শিকড়গুলো (Roots) চোখের কাছাকাছি অবস্থান-তাই এটিও রোগীদের দুর্ভাবনার অন্যতম একটি কারণ।

এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল। কেননা দাঁত এবং চোখ দুটি আলাদা আলাদা স্নায়ুতন্ত্রের সাথে জড়িত। এদের স্নায়ুপ্রবাহ এবং রক্তপ্রবাহ দুটিই স্বতন্ত্র।

চোখের স্নায়ুপ্রবাহ হচ্ছে অপথালমিক ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ এবং নিচের দিকে হচ্ছে ম্যাক্সিলারি ডিভিশন অব ট্রাইজেমিনাল নার্ভ। রক্ত প্রবাহিত হয় অপথালমিক এবং ল্যাক্রিমাল আর্টারি দ্বারা। অন্যদিকে উপরের পাটির দাঁতে স্নায়ুপ্রবাহ দেয়া হলো, অ্যান্টিরিয়র পোস্টিরিয়র, মিডল সুপিরিয়র নার্ভ। নিচের পাটিতে দেয় ইনফিরিয়র অ্যালভিওলার নার্ভ ব্রাঞ্চ অব ম্যান্ডিবুলার নার্ভ।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, দাঁত এবং চোখ দুটি ভিন্ন ভিন্ন গঠনে সজ্জিত-যার একটির সাথে অপরটির কোন সম্পর্ক নেই।

 #স্কেলিং_Scalingদাঁতের গোড়ায় জমে থাকা ক্যালকুলাস/পাথর /প্লাক পরিষ্কার এর জন্য যে ট্রিটমেন্ট করা হয়,তার নাম স্কেলিং(Scal...
19/03/2022

#স্কেলিং_Scaling

দাঁতের গোড়ায় জমে থাকা ক্যালকুলাস/পাথর /প্লাক পরিষ্কার এর জন্য যে ট্রিটমেন্ট করা হয়,তার নাম স্কেলিং(Scaling)
স্কেলিং নিয়ে আমাদের মধ্যে অনেক ভুল ধারনা প্রচলিত আছে।আজ সেই বিষয় নিয়ে কথা বলবো....

#স্কেলিং_কখন_করাবেন

যদি কারো দাতে পাথর বা ক্যালকুলাস জমে তবেই স্কেলিং করিয়ে নিতে হবে।অনেকের বছরের পর বছর কোন সমস্যা হয় না,আবার অনেকের ৪-৬মাসের মধ্যে মুখে প্লাক জমে,ক্যালকুলাস বা পাথর জমে যায়।অনেকের দাতের গোড়া দিয়ে রক্ত আসে,দাত ব্রাশ করার পরেও মুখে গন্ধ হয়, মাড়িতে সব সময় ব্যথা করে এসব ক্ষেত্রে আপনার ডেন্টিস্টের পরামর্শ মেনে স্কেলিং করান।

#স্কেলিং_করালে_সুবিধা

দাঁতের গোড়ায় পাথর বা ময়লা জমে দাঁত ও মাড়ির ইনফেকশন হয় সেটা সেরে ওঠার জন্য ।মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে,মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়তে পারেস্কেলিং করে এই সমস্যা গুলা দূর হয়ে যায়।দাঁত নড়া অনেক টা কমায়।তাই স্কেলিং করাটা জরুরী।

#স্কেলিং_নিয়ে_যত_ভুল_ধারনা

➡দাঁত ফাকা হয়ে যায়ঃঅনেকের ধারণা স্কেলিং করলে দাঁত ফাকা হয়ে যায়।কিন্তু বিষয় টি তা নয়।দাঁতের গোড়ায় পাথর জমার কারনে মাড়ি নিচে সরে যায় এবং স্কেলিং করলে পাথর পরিষ্কার হয়ে যায়। তখন ওই জায়গাটা ফাকা ফাকা লাগে।জিহবা বার বার ওই ফাকা জায়গায় যায়।কিন্তু কিছুদিন পরেই মাড়ি আবার আগের স্থানে ফিরে আসে।তখন ফাকা অনুভূতি ও চলে যায়।
➡ দাঁত শিরশির করাঃস্কেলিং করার সময় একটু আধটু দাঁত শিরশির করতে পারে।তবে দীর্ঘদিনধরে জমে থাকা পাথর অপসারণের পর দাঁতের ওই অংশটা কিছুটা সেনসিটিভ হয়ে যায়।ফলে কিছুটা শিরশির করতে পারে যা পরে ঠিক হয়ে যায়।
➡দাঁত সাদা হয়ে যাবেঃস্কেলিং এ দাঁতের ময়লা,পাথর ও দাগ পরিষ্কার করা হয়।কিন্তু সাদা হয়ে যাবে এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।দাঁত সাদা করার অন্য ট্রিটমেন্ট আছে।
➡স্কেলিং এ ব্যথা লাগেঃস্কেলিং করার সময় খুব ব্যথা হয় এমন কিন্তু নয়।সামান্য ব্যথা বা শিরশির অনুভূত হতে পারে।

#স্কেলিং_সর্তকতা
🚫স্কেলিং করার সময় সামান্য ব্লিডিং হতে পারে।এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
🚫স্কেলিং এর পর পরই চা-কফি,ধুমপান, কোল্ড ড্রিংক এগুলো এড়িয়ে চলুন।
🚫একবার স্কেলিং করালে বার বার করাতে হবে এটি একটা ভুল ধারনা।ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করাবেন না হলে নয়।

" আমি তো প্রতিদিন ২ বেলাই দাঁত মাজি। তারপরেও কেন আমার দাঁতে সমস্যা?"এই প্রশ্নের জবাব হলো DENTAL FLOSS ব্যবহার না করা।দাঁ...
18/03/2022

" আমি তো প্রতিদিন ২ বেলাই দাঁত মাজি। তারপরেও কেন আমার দাঁতে সমস্যা?"
এই প্রশ্নের জবাব হলো DENTAL FLOSS ব্যবহার না করা।
দাঁত ব্রাশ করার মাধ্যমে মুখে ও দাঁতে লেগে থাকা খাদ্যকণা বা ময়লার মাত্র ৬৫%-৭০% পরিষ্কার হয়। DENTAL FLOSS ব্যবহার না করলে বাকি ৩৪% অপরিষ্কার থেকে যায়, যা থেকে দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ হয়।
কাজেই ব্রাশ করা যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি প্রয়োজন FLOSS করা।
আর যে কোন মাউথ ওয়াস দিয়ে কুলকুচি করা ১ মিনিট।
ভাল থাকুন, সুস্হ থাকুন।
আপনার সুস্হ সুন্দর হাসিই, আমাদের কামনা।

মাড়ী থেকে রক্ত ঝরা/ দাঁত বা মুখ থেকে রক্ত পরা!!!অনেকেরই দাঁতের মাড়ী থেকে রক্ত ঝরে। রমজান এসে গেল! মুখে রক্ত আসে, ওজু ভ...
18/03/2022

মাড়ী থেকে রক্ত ঝরা/ দাঁত বা মুখ থেকে রক্ত পরা!!!
অনেকেরই দাঁতের মাড়ী থেকে রক্ত ঝরে। রমজান এসে গেল! মুখে রক্ত আসে, ওজু ভেন্গে যায় বার বার। যন্ত্রনা?

কিছু টিপ্স বলে দেই....

কুসুম গরম পানি ১গ্লাস নিন, তাতে দিন ২ চিমটি লবন, এবার প্রতি বার খাবার পর এ দিয়ে জোরে জোরে কুলি করুন। হাতের কাছে পেয়ারা গাছের কচি পাতা থাকলে পানি গরমের সময় ২/৩ টা দিয়ে দিতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে পানিটা বলক আনাতে হবে। তারপর ঠান্ডা করে কুসুম গরম হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

যত রক্তই ঝরুক, দাত মাজুন ভাল ভাবে, কম করেও ২ বার,রাতে খাবার পর, সেহেরির পর। এবং সাথে কুলি।

মাড়ী ব্যথা বেশী করলে, ডিস্প্রিন পানিতে মিশিয়ে কুলকুচি করতে পারেন ১ বার। (যদি না ডিস্প্রিনে কোন সমস্য থাকে।)
সমস্যা চলে যাবে ১সপ্তাহে ইনশাআল্লাহ।
যদি তাও সমস্যা না যায়, তবে শীঘ্র ডাক্তার দেখান দরকার, ভাল একজন ডেন্টিষ্ট খুজে দেখান।

দাতের গোড়ায় চর পরে থাকলে স্কেলিং করান। প্রতিটি সুস্হ মুখের অধিকারিরও ৬ মাসে ১ বার স্কোলিং দরকার, এতে হার্টের রোগ থেকে শুরু করে অন্য বহু রোগের সংক্রমন থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

Address

Satkhira
Khulna
9100

Telephone

+8801711335632

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dentist Salim Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category