মিতালী মেডিকেল সেন্টার

মিতালী মেডিকেল সেন্টার তেরবেকী,সদর লক্ষ্মীপুর

নতুন প্রানের সূচনা, সৃষ্টিকত্তার কৃপায় দুজনেই সুস্থ আছে।
22/01/2026

নতুন প্রানের সূচনা, সৃষ্টিকত্তার কৃপায় দুজনেই সুস্থ আছে।

১৫তম নরমাল ডেলিভারী 🥰🥰 মা এবং বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছে 🤗🤗
24/12/2025

১৫তম নরমাল ডেলিভারী 🥰🥰 মা এবং বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছে 🤗🤗

আরো একটা নতুন প্রাণের সূচনা  🥰🥰 সৃষ্টিকর্তার কৃপায় মা ও বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছে  🥰🥰🤗🤗
12/11/2025

আরো একটা নতুন প্রাণের সূচনা 🥰🥰
সৃষ্টিকর্তার কৃপায় মা ও বাচ্চা দুজনেই সুস্থ আছে 🥰🥰🤗🤗

নরমাল ডেলিভারি শেষ পাঁচ মিনিটেই হারে—রোগী না, হারে আত্মীয়রা।”চিল্লাপাল্লা, ভয় আর হুমকি—এই তিনেই হয় সিজার।ডাক্তার না ভয় ...
09/11/2025

নরমাল ডেলিভারি শেষ পাঁচ মিনিটেই হারে—রোগী না, হারে আত্মীয়রা।”
চিল্লাপাল্লা, ভয় আর হুমকি—এই তিনেই হয় সিজার।
ডাক্তার না ভয় পেলে, আজ বাচ্চাটাও নরমাল হতো

“শেষ পাঁচ মিনিটের যুদ্ধ”

নরমাল ডেলিভারি মানে এক রকম যুদ্ধ।
যোদ্ধা একজন—রোগী।
বাকি সবাই সেনা—ডাক্তার, নার্স, আয়্যা, আর কোণে বসা স্বামী যার মুখে এখন একটাই বাক্য—“ডাক্তার সাহেব, আমার বউটারে বাঁচান!”

সব ঠিকঠাক চলছে।
বাচ্চার মাথা নিচে, হৃৎস্পন্দন ভালো, জরায়ু খোলা।
আমরা জানি—আর পাঁচ মিনিটের খেলা।

কিন্তু হঠাৎ রোগী চিৎকার শুরু করল—
“আমি মরতেছি! আমি আর পারব না! এখনই কিছু করেন!”
এই সময়টাতেই সাধারণত পাশের আত্মীয়র চোখ ঘুরে যায়,
মা বলে—“ডাক্তার সাহেব, পেট কেটে দেন!”
স্বামী বলে—“না হলে আমি হসপিটাল ভাঙি!”

তখন ডাক্তারদের জরুরি মিটিং—
মালিক, সার্জন, অ্যানাস্থেটিস্ট সবাই একসাথে এক বাক্য—
“ভাই, এখন সিজার না করলে এরা হইচই করবে, হসপিটাল ভাঙবে!”

তখন আর মেডিক্যাল বই না, সমাজবিজ্ঞান চলে।
তাড়াতাড়ি মেসেজ যায়—“OT ready.”
অ্যানাস্থেটিস্ট আসে, ব্যথা কমে, রোগী শান্ত।
বাচ্চা বের হয়, কান্না শুরু হয়—
সবাই হাসে।

রক্তের ব্যাগ ঝুলে, ডাক্তার নিঃশ্বাস ফেলে ভাবে—
“এই তো, আবারও একটা নরমাল কেস গেল সিজারে…”

---শিক্ষাটা এখানেই:

শেষ পাঁচ মিনিটে প্রায় সব মা বলে—“আমি আর পারব না।”
যারা অভিজ্ঞ, তারা জানে—এই কথাটাই মানে, বাচ্চা নামছে।
কিন্তু যারা প্রথমবার দেখছে, তাদের কাছে মনে হয় মেয়ে মরছে!
আর সেই ভয় থেকেই হয় “Emergency decision।”

এভাবে **ডাক্তারের দোষ নেই**, আছে সমাজের ভয়, অজ্ঞানতা, আর আবেগ।
নরমাল ডেলিভারি মানে শুধু বাচ্চা জন্ম না,
এটা ধৈর্য, বিশ্বাস, আর অভিজ্ঞতার একটা পরীক্ষা।❤️

১ লাখ ২০ হাজার টাকায় কি  #নরমাল  #ডেলিভারি করানো সম্ভব???গ্যারান্টি সহ!! একজন ডাক্তারকে আপনি ভিজিট দেন ৫০০ টাকা, আর সময...
05/11/2025

১ লাখ ২০ হাজার টাকায় কি #নরমাল #ডেলিভারি করানো সম্ভব???গ্যারান্টি সহ!!
একজন ডাক্তারকে আপনি ভিজিট দেন ৫০০ টাকা, আর সময় দেন তিন মিনিট। মানে প্রতি মিনিটের দাম ১৬৬ টাকা। এখন ধরেন নরমাল ডেলিভারি হলো ১২ ঘণ্টা মানে ৭২০ মিনিট। তাহলে ওই ডাক্তারের ৭২০ মিনিটের দাম দাঁড়ায়— প্রায় এক লাখ বিশ হাজার টাকা!
(আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন লাইক কমেন্ট শেয়ার)
এখন আপনি কি কখনো ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে ডাক্তারকে ১২ ঘণ্টা পাশে বসিয়ে রাখবেন? না, তাই না? তাই আসলে ডাক্তার চায় না মানে না — বাস্তবতা হলো ডাক্তার একা ১২ ঘণ্টা আপনার বিছানার পাশে বসে থাকতে পারে না। নরমাল ডেলিভারি অনেকটা “সাবর আর সাপোর্ট” এর খেলা।

এখানে মিডওয়াইফ, নার্স, আর রোগীর আত্মীয়দের ধৈর্যটাই মূল চাবিকাঠি। ডাক্তার তখনই আসে, যখন ঝুঁকি শুরু হয়। তাই “ডাক্তার চায় না” কথাটা যতটা আবেগের, তারচেয়ে অনেক বেশি ভুল বোঝাবুঝির।

আর একটা মজার কথা — অনেকে ডাক্তারের কাছে বলে, “ডাক্তার সাহেব, গ্যারান্টি দেন, নরমালই হবে!” আরে ভাই, নরমাল ডেলিভারি কোনো ফ্রিজ বা ওয়াশিং মেশিন না, যে ওয়ারেন্টি কার্ড দেওয়া যায়! এটা জীবন্ত মা আর বাচ্চার ব্যাপার, যেখানে মিনিটে মিনিটে পরিস্থিতি পাল্টায়।

তাই আগে বিশ্বাস রাখেন নিজের শরীরের উপর, তারপর যিনি পাশে আছেন সেই ডাক্তার বা মিডওয়াইফের উপর।
নরমাল ডেলিভারি হবে তখনই, যখন সবাই মিলে চেষ্টা করবেন — শুধু ডাক্তার না, পুরো টিম, পুরো পরিবার।

আর যদি এখনো মনে হয় ডাক্তারই বাধা, তাহলে এক কাজ করেন— ঘরে ঘরে ডাক্তার তৈরি করেন! 😄
তাহলেই দেখা যাবে, সবাই বুঝে গেছে — নরমাল ডেলিভারি মানে শুধু প্রাকৃতিক না, ধৈর্য, সময় আর বিশ্বাসের এক অসাধারণ মিলন।

゚ ゚viral #বিক্রি ゚ #টেস্টোস্টেরন #ডাক্তার

🚨 শিশুর স্তনের গুটি টিপে বা ভেঙে দেওয়া — একটি ভয়ংকর কুসংস্কার। হয়তো অনেকেই  জানে'ই না!!!!! এই ঘটনাগুলো সবাইকে শেয়ার কর...
28/10/2025

🚨 শিশুর স্তনের গুটি টিপে বা ভেঙে দেওয়া — একটি ভয়ংকর কুসংস্কার।

হয়তো অনেকেই জানে'ই না!!!!!
এই ঘটনাগুলো সবাইকে শেয়ার করে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ রইল।

শিশুটির ডান পাশের স্তন ফুলে গিয়ে পুঁজে ভরে গেছে —

⚠️ কারণ:

পরিবারের মুরুব্বিরা শিশুর স্তনের গুটি টিপে ভেঙে দিয়েছে। 😔!!!!!
আমার মনে হচ্ছে এখন আমরা, কুসংস্কার আচ্ছন্ন বসবাস করি।।

👉 আমাদের দেশে এখনো গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেকেই মনে করেন —
“শিশুর স্তনের গুটি যদি টিপে ভেঙে না দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে মেয়েদের স্তন বড় হয়ে যাবে।”

অথবা শিশুর, স্তন্য ভেঙ্গে দিলে শিশু সুস্থ থাকবে!

👉 এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার ❌

🖐️ আসলে শিশুর স্তনের গুটি কী?

জন্মের পর মায়ের হরমোন শিশুর শরীরে যাওয়ার কারণে অনেক শিশুর স্তনের নিচে ছোট গুটি বা ফোলা দেখা দেয়।

এটি ছেলেশিশু ও মেয়ে শিশু উভয়ের ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক ঘটনা।

সাধারণত ২–৬ সপ্তাহে নিজে থেকেই চলে যায় — কোনো চিকিৎসা বা টিপে ভাঙা লাগে না।

⚠️ গুটি টিপে ভাঙলে যা হতে পারে:

🦠 ইনফেকশন → পুঁজ জমে ফুলে যায় (breast abscess).

🤒 শিশুর জ্বর ও ব্যথা হয়।

💉 ✂️ অনেক সময় অস্ত্রোপচারের দরকার হয়।

🧬 ভবিষ্যতে স্তনের টিস্যু নষ্ট হয়ে বিকৃতি ঘটতে পারে।

🛡️ করণীয়:

✅ শিশুর স্তনের গুটি বা ফোলা থাকলে টিপবেন না, ভাঙবেন না।

✅ জায়গা পরিষ্কার ও শুকনা রাখুন।

✅ ব্যথা, লালভাব বা পুঁজ হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

✅ পরিবারের মুরুব্বিদের বুঝিয়ে বলুন — এটি অস্থায়ী ও প্রাকৃতিক।

📢 সচেতনতা বার্তা:

❌ “শিশুর স্তনের গুটি ভাঙলে ভবিষ্যতে স্তন ছোট থাকবে” — এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

✅ গুটি নিজে থেকেই সেরে যায়। টিপে দিলে ক্ষতি হয়, শিশুর জীবনও বিপন্ন হতে পারে।

👉 আসুন, কুসংস্কার নয় — চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রতি আস্থা রাখি।

👉 শিশুকে সঠিকভাবে যত্ন করি, অকারণে কষ্ট না দেয়।

ছবিটি সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। শিশুর পরিচয় গোপনীয়।

বাচ্চাদের সর্দি-কাশি না থাকলেও নাকের ড্রপ দেওয়া কেন জরুরি?অনেকে ভাবেন, যদি বাচ্চার সর্দি-কাশি না থাকে, তাহলে নাকের ড্রপ...
17/10/2025

বাচ্চাদের সর্দি-কাশি না থাকলেও নাকের ড্রপ দেওয়া কেন জরুরি?

অনেকে ভাবেন, যদি বাচ্চার সর্দি-কাশি না থাকে, তাহলে নাকের ড্রপ দরকার নেই। কিন্তু বাস্তবে, নরসল বা স্যালাইন ড্রপ শুধু সর্দির জন্য নয়, বাচ্চার স্বস্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

✅ শুকনো নাকের জন্য:
শিশুর নাক শুষ্ক হলে ভিতরে খোসা জমে যায়। নাকের ভিতর শুকনো থাকা অস্বস্তি তৈরি করে, ঘুম ও শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে।

✅ নাক পরিষ্কার রাখতে:
নবজাতক বা ছোট বাচ্চা নিজেই নাক মুছতে পারে না। ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার রাখলে ধুলো, ময়লা বা জমে থাকা সিক্রেশন সহজে বের হয়।

✅ শ্বাসপ্রশ্বাস সহজ করা:
শুষ্ক বা সামান্য বন্ধ নাকের কারণে বাচ্চা ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারে না। নাকের ড্রপ শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

✅ ইনফেকশন প্রতিরোধ:
নাকের ভিতরে খোসা বা ধুলো জমে গেলে ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। ড্রপ ব্যবহার করলে নাক স্বাস্থ্যকর থাকে।

17/10/2025
Happy new years
01/01/2025

Happy new years

Address

Terobeki
Lakshmipur
3700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিতালী মেডিকেল সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category