Ayaat Ruqyah Center

Ayaat Ruqyah Center রুক‌ইয়াহ্ শর‌ঈয়াহ্।
আমরা রোগী দেখি ঢাকা ও লক্ষ্মীপুরে।
01743655555 We also provide Ruqyah Service!

Our hijama therapy clinic offers traditional cupping therapy to promote healing and wellness. Our experienced practitioners use the latest techniques and equipment to perform hijama therapy safely and effectively. We offer a variety of hijama therapy services, including dry cupping, wet cupping, and massage cupping. Our goal is to help our clients alleviate pain, reduce stress, and improve overall

health and well-being. At our hijama therapy clinic, we prioritize hygiene and safety, using only sterile equipment and following strict protocols to prevent infection and ensure optimal results. We also offer personalized consultations to determine the best treatment plan for each client's unique needs. We are dedicated to providing high-quality hijama therapy services in a welcoming and comfortable environment. Let us help you restore balance and vitality to your body and mind through the ancient practice of hijama therapy. Ruqyah is a spiritual Islamic practice that involves reciting Quranic verses and supplications for the purpose of seeking protection and healing from physical, mental, and spiritual illnesses. It is a form of prayer that is believed to have the power to ward off evil and bring about blessings and good health. Ruqyah service refers to the practice of providing professional assistance to individuals seeking healing through the recitation of Ruqyah. Practitioners of Ruqyah service typically specialize in identifying the root causes of an individual's illness and perform a specific recitation or supplication to address the issue. This practice requires a deep understanding of Islamic scripture and theology, as well as an ability to connect with clients and provide spiritual guidance and support. Ruqyah service can be offered through one-on-one sessions, group gatherings, or online consultations. It is often considered an alternative or complementary therapy to medical treatment, and individuals seeking Ruqyah service are advised to also seek medical advice from qualified healthcare professionals.

25/05/2026
মহল্লার এক লোক মারা গেল। সবাই দেখতে যাচ্ছে। এলাকার মুরব্বি ব্যক্তি হিসেবে শায়েখ আব্দুল্লাহও দেখতে গেলেন। মৃত লোকটা পরিচি...
30/03/2026

মহল্লার এক লোক মারা গেল। সবাই দেখতে যাচ্ছে। এলাকার মুরব্বি ব্যক্তি হিসেবে শায়েখ আব্দুল্লাহও দেখতে গেলেন। মৃত লোকটা পরিচিতই ছিল।

অনেক মানুষই এসেছে। মহিলারা কাঁদছে। আত্মীয়েরা স্বান্তনা দিচ্ছে। কিন্তু লোকটার মেয়ের কান্না চোখে লাগার মতো। একটু অন্য রকম। মেয়েরা চিৎকার করে কান্নাকাটি করে, দুঃখ প্রকাশ করতে থাকে, আবেগে আবল-তাবল বকেও কেউ কেউ—এগুলো স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু এই ব্যক্তির মেয়ে কেমন পাগলের মতো কাঁদছে।

শায়েখ আব্দুল্লাহ মেয়েটির কাছে গিয়ে বললেন, ‘দেখো মা, পৃথিবীতে কেউ চিরদিন বেঁচে থাকে না। আমরাও একদিন মারা যাব। তোমার বাবা মরে গেছেন, এটাই কদর। এতে না-রাজি প্রকাশ কোরো না। আল্লাহ অসন্তুষ্ট হবেন।’

মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘শায়েখ, আমার বাবা মারা গেছেন—এটা আমি মেনে নিয়েছি। আল্লাহর কদরে আমার কোনো অসন্তুষ্টি নেই। কিন্তু আমি কাঁদছি...’ একটু থেমে মেয়েটি বলল, ‘আমার বাবা যেভাবে মারা গেলেন, সেটা মনে করে আমি কাঁদছি।’

শায়েখ অবাক হলেন। ‘আচ্ছা’ বলে চলে গেলেন সেখান থেকে। লোকটি কীভাবে মারা গেলেন, জিজ্ঞেস করলেন না। কেননা আশেপাশে অনেক মহিলা। মেয়েটি যদি বিব্রত বোধ করে। সে যদি না চায় অন্য মানুষেরা জানুক।

পরে মেয়েটি শায়েখকে জানাল—‘আমার বাবা প্রতিদিন অফিস থেকে এসে নিজের ঘরে ঢুকতেন। এরপর দরজা লক করে প্রায় দুই ঘণ্টার মতো ঘুমাতেন। দুই ঘণ্টা পর বের হয়ে খাবার খেতেন, আমাদের সাথে গল্প করতেন বা বাসার অন্য কোনো কাজ করতেন। এটাই ছিল তার নিয়ম। প্রতিদিনের মতো আজও বাবা অফিস থেকে এসে নিজের রুমে চলে যান। দুই ঘণ্টা পার হলো, তিন ঘণ্টা হলো। খাওয়ার জন্য বাবাকে ডাকা হলো—কোনো সাড়া নেই। এভাবে চার-পাঁচ ঘণ্টা হয়ে যাচ্ছে, আমরা দরজায় নক করছি, তারপরও কোনো উত্তর নেই। ছয় ঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পরও যখন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না, তখন আমরা দরজা ভাঙতে বাধ্য হই। ভেতরে ঢুকে দেখি, বাবা বিছানায় শুয়ে অচেতন, আর তার ল্যাপটপে ভিডিও চলছে। কিন্তু ভিডিওগুলো...’ গলা জড়িয়ে এলো মেয়েটির।

‘ল্যাপটপে খুবই নোংরা-অশ্লীল ভিডিও চলছিল। আমরা কখনো ভাবতে পারিনি বাবা এসব ভিডিও দেখেন, তাও এই বয়সে!’
শায়েখ নিচে-মেঝের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। দেখলেন মেয়েটির ফোটা ফোটা অশ্রু পড়ছে মেঝেতে।

‘বাবা প্রতিদিন এসে দুই-আড়াই ঘণ্টা ওই রুমে কাটাতেন। আমরা ভাবতাম অফিস থেকে ফিরেছেন—ক্লান্ত—ঘুমাচ্ছেন। কোনো ডাকাডাকি করতাম না, কোনো ডিস্টার্ব করতাম না এই দুই ঘণ্টা। কিন্তু... কিন্তু তিনি যে সবার আড়ালে নোংরা ভিডিও দেখতেন, আর এই অবস্থাতেই উনার মৃত্যু হলো—এটা ভাবতেই ঘেন্না লাগে, গা গুলিয়ে আসে।' এরপর আর কথা বলতে পারল না মেয়েটি। ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল।

আসলে কেউ যখন প্রথমবার গোপনে কোনো গুনাহ করে, তার খারাপ লাগে, সে তাওবাহ করে, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেন। কিন্তু কিছু মানুষ অন্যদের লুকিয়ে গুনাহ করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, তাদের আর গুনাহ করতে খারাপ লাগে না। তাদের অন্তর কঠিন হয়ে যায়। এক সময় তাদের এই গোপন গুনাহ আর গোপন থাকে না, আল্লাহ অন্যদের সামনে তা প্রকাশ করে দেন। আর কেউ যদি গুনাহ করা অবস্থায় মারা যায়—ব্যাপারটা কতই না খারাপ! কারণ হাদিসে এসেছে—“প্রত্যেক বান্দাকে সেই অবস্থায় উঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করেছে।” [সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৮৭৮]

#গোপন_গুনাহ
#প্রস্থানের_পথে
লেখা : Mahbuba Upoma

[সত্য ঘটনা অবলম্বনে]

চোখের সামনে সতর্কবার্তা থাকার পরও কিছু মানুষ তা গ্রহণ করতে চায় না—এই ঘটনা আমাকে সেটাই বুঝালো।মিশরের কায়রো শহরে থাকি আমি।...
22/03/2026

চোখের সামনে সতর্কবার্তা থাকার পরও কিছু মানুষ তা গ্রহণ করতে চায় না—এই ঘটনা আমাকে সেটাই বুঝালো।

মিশরের কায়রো শহরে থাকি আমি। ৪৬ বছরের এই জীবনের অর্ধেকটা জুড়ে রয়েছে অসংখ্য মৃত-নারীকে গোসল করিয়ে দেয়ার অভিজ্ঞতা। কাজটা আমি করি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। দুনিয়ার জীবনটা, নিজের দেহটা কত যে ঠুনকো—মৃতদেহ গোসল করাতে গেলে শিরায় শিরায় উপলব্ধি করা যায়। এই কাজ করতে গিয়ে অনেক অনেক অস্বাভাবিক-অলৌকিক ঘটনা দেখেছি চোখের সামনে। তাই আমি দাওয়াতি কাজ করারও চেষ্টা করি। অন্যদেরকে আল্লাহর পথে চলতে উৎসাহ করার কারণে আমার মৃত্যুটাও যেন সুন্দর হয়—এটাই কামনা।

আজ যেই ঘটনাটি শেয়ার করব, সেটার বেশি দিন হয়নি। শহরের অনেকেই জানে, আমি নারীদের লাশ গোসল করিয়ে দেই, তাই নানা জায়গা থেকে ডাক আসে। চেনা-অচেনা, সব জায়গা থেকে। সেদিনও একজন ডেকে নিয়ে গেল। আমার পরিচিত কেউ নয়, তবে পরিচিতের পরিচিত। গেলাম তার সাথে। মৃতার বয়স বেশি নয়, ৩১-৩২ বছর। তিনটি সন্তানও আছে।

ছোটছোট বাচ্চা রেখে, এত কম বয়সের একজন মারা গেল, ভাবতেই খারাপ লাগে।

বাড়িতে পৌঁছে যথারীতি শোকের পরিবেশ পেলাম। ছোট দুজন বাচ্চা নানির পাশে চুপচাপ বসে আছে, হতবাক হয়ে। বড়টা কাঁদছে। পাশেই মৃতার ছোটবোন, সেও খুব কাঁদছে। ওদের কাছে গিয়ে টুকটাক কথা বললাম। সান্ত্বনা দিলাম।
‘কাঁদবেন না, বাচ্চাগুলোর জন্য আপনাদেরকে শক্ত হতে হবে। আল্লাহ আপনার মেয়ের ওপর রহম করুন। বেশি বেশি দুয়া করুন, আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।'

এরপর লাশ কোথায় রাখা হয়েছে, কোথায় গোসল করানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলাম। মৃতার ছোট বোন দেখাতে নিয়ে এলো আর বলল সেও আমাকে গোসল করার কাজে সাহায্য করবে।

ভালো! একা একা গোসল করাতে অবশ্য পারি আমি, তবে সাথে একজন থাকলে মন্দ হয় না। কাজটা তাড়াতাড়ি হয়।

মৃতদেহ শুইয়ে রাখা। আমি তখনও পায়ের দিকে পরিষ্কার করছি। সামনে দাঁড়িয়ে মৃতার বোন। হঠাৎ সে বলল, ‘আল্লাহ!’
‘কী হয়েছে?’ জিজ্ঞাসু দৃষ্টি নিয়ে তাকাতেই দেখি লাশের মুখ দিয়ে ফেনা বেরুচ্ছে৷ চমকে গেলাম আমি।

চমক আরও বাকি ছিল। ফেনা থেকে পানি, পানি থেকে একেবারে বমি গড়িয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগল! একদম জীবিত মানুষের মতো বমি। শুধু তা-ই নয়, লাশটার দেহ ঝাঁকুনি খেল। এরপর পেটের ভেতর গুড়গুড় শব্দ হয়ে বমি বেরুতেই আছে। পেটে মোচড় দিয়ে বমি হলে যেমন হয়। সেই সাথে দমবন্ধকর দুর্গন্ধ।

ভয়ে কাঁপুনি শুরু হয়ে গেল আমার। মৃতার ছোটবোনটাও আতঙ্কে কাঁদতে শুরু করল।
‘আমার বোনের কী হলো! ও এরকম করছে কেন!’

কোনো রকমে সাহস সঞ্চার করে কাজ শুরু করলাম। বমি পরিষ্কার করছি, আবার বেরুচ্ছে, পরিষ্কার করছি, আবার বেরুচ্ছে। এভাবে করতে করতে টিস্যুর প্যাকেট শেষ হয়ে গেল, নোংরা কাপড়ের স্তুপ জমে গেল। তাও বমি থামে না।

এদিকে আমাদের ক্রমাগত পেরেশানির টোনে কথাবলা, এত এত কাপড় চাওয়া দেখে গোসলখানার বাইরের মানুষজন বুঝল, কিছু ঘটেছে। একেক জন এসে জিজ্ঞেস করতে থাকে—কী হয়েছে। শেষমেশ জানাতেই হলো, লাশ বমি করছে জীবিত মানুষের মতো! থামছেই না!

কাজ করছি, কিন্তু অস্বাভাবিক অবস্থা দেখে মনে খচখচ করছে। মৃতার ছোটবোনকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা, তোমার বোন কীভাবে মারা গেল?’

‘স্বাভাবিক ভাবেই।'

‘তার কোনে অসুস্থতা ছিল? হাইপ্রেশার, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার বা অন্য কোনো রোগ?’

‘না। আসলে ও অনেক হার্ডওয়ার্কিং ছিল। প্রায় দুদিন ধরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাজ করেছে। এরপর কাজ করতেই করতেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। অজ্ঞান হয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার বলে ও আর বেঁচে নেই।' ছোটবোনটা আবার চোখের পানি ফেলতে শুরু করল।

আমার কৌতূহল হলো। ‘আচ্ছা, তোমার বোন কী কাজ করত, বলা যাবে?'

‘কেন বলা যাবে না? বিউটি-স্যালনে কাজ করত।’

‘বিউটি-স্যালন! কিন্তু বিউটি-স্যালনে ঠিক কী কাজ করত?'

‘এই...চুল কাটা, রিবন্ডিং—স্যালনে যেসব কাজ হয়, সবই করত। তবে ও এক্সপার্ট ছিল ভ্রু প্লাক আর আইব্রো-ট্যাটু করতে।’ একটু গর্বের সাথেই যেন বলল সে, ‘কাস্টমার যেমন ভ্রু চাইত তেমনই করে দিতে পারত ও। ভ্রু তুলে সুন্দর শেইপ দিত। ট্যাটুর মাধ্যমে ভ্রুর শেইপ দিতেও পারত চমৎকার করে। ওর হাতে যাদু ছিল!’

‘লা হাউলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ!’ শব্দ করেই বলে ফেললাম। এতক্ষণ ছোটবোনের দিকে তাকিয়ে শুনছিলাম, এরপর নিজের কাজে ফিরে গিয়ে বললাম, ‘থাক, আর বলতে হবে না। আমরা বরং কাজ করি, চলো।’

‘ওয়েট! ওয়েট!’ ছোটবোনটা বলল। ‘আপনিই না ওর কাজের বিষয়ে জানতে চাইছিলেন? এখন আবার এমন ভাব করছেন, কেন?’

‘কিছু না!’

‘কিছু না, মানে? কী বলতে চান, বলুন।’

মাথা তুলে বললাম, ‘তোমার বোন জানত না, ভ্রু প্লাক, ট্যাটু করা হারাম? তোমরা কখনও মানা করোনি তাকে? দেখো, তুমি হয়তো জানো—নবিজি ﷺ বলেছেন এসব করা হারাম। ভ্রু প্ল্যাক, ট্যাটু করে নেয়াও জায়েজ না, করে দেওয়াও জায়েজ না।’

‘চুপ করেন!’ আমার কথা শেষ হতে না হতেই মেয়েটি ধমক দিয়ে উঠল। ‘আপনার কাছে এসব কেউ শুনতে চেয়েছে? আপনি কি মুফতি? এখানে ফতোয়াবাজি করতে ডাকা হয়েছে আপনাকে? কোনটা হারাম, কোনটা হালাল—কেউ জানতে চেয়েছে আপনার কাছে? যে কাজ করতে এসেছেন, সেটা করুন।’

আমি বললাম, ‘দেখো, আমি তোমাকে আঘাত দিতে চাইনি। আমি শুধু হাদিসের কথাটা তোমাকে জানালাম। নসিহত মনে করতে পারো।'

‘রাখেন আপনার নসিহত!’

মেয়েটির চিল্লাচিল্লিতে মনে হচ্ছিল, গোসলের কাজ বাকি না থাকলে আমাকে তখনই ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিত।

মেয়েটির চিৎকার-চ্যামামেচিতে আশেপাশের মানুষ দরজায় এসে জড়ো হলো। সে তাদেরকে জানিয়ে দিলো, আমি ভ্রু প্লাক-ট্যাটু হারাম হওয়ার বিষয়ে বলেছি। এ কথা শোনার পর মেয়েটির মাও তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল, ‘হ্যাঁ! ওই মহিলার সাহস কীভাবে হয় আমার মেয়েকে নিয়ে কথা বলার? এজন্য হুজুর টাইপের লোকজনকে দেখতে ইচ্ছা করে না। এরা খালি সবসময় “এটা হারাম, ওটা হারাম” বলতে থাকে। যে কাজ করতে ডাকা হয়েছে, সে কাজ করবে; এত কথা কীসের?'

বাইরে মায়ের গজগজ, ভেতরে মেয়ে চুপ কিন্তু চোখ দিয়ে জ্বালিয়ে দিবে এমন চেহারায় তার সাথে অবস্থান করে গোসল শেষ করলাম। কাফন দিয়ে চেহারা ঢেকে দিলাম, কিন্তু তখনও বমি বেরুনো বন্ধ হয়নি পুরোপুরি। আমার জীবনেও এমন কিছু আর দেখিনি। লাশকে বসিয়ে, পেটে চাপ দিয়ে ময়লা উগড়ানোর চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেই ময়লা আর এই ময়লার মধ্যে পার্থক্য আছে। এটা একদম বমি। আর সেই বমি বন্ধই হচ্ছিল না।

অনেক মন খারাপ নিয়ে সে বাড়ি থেকে চলে আসি সেদিন। পরে আমি জানতে পারি, ছোটবোনটা বিউটি-স্যালনে বড়বোনটার পার্টনার ছিল। মানে সেও বড়বোনের মতো ভ্রু প্লাক, আইব্রো-ট্যাটু বানানোর কাজ করত। তাই সে আমার কথা শুনে এভাবে জ্বলে উঠেছিল। আমার নসিহত উল্টো ব্যাকফায়ার করে।

অথচ আমার উদ্দেশ্য ছিল ভালো কাজে উৎসাহ ও মন্দ কাজে নিষেধ করা। ভেবেছিলাম, নিজের বোনের লাশের এমন অবস্থা দেখে হয়তো তার অন্তর নরম হবে। নিজে কোনো নাজায়েজ কাজে জড়িত থাকলে ফিরে আসবে। কিন্তু উল্টো আমার উপরই রাগ দেখাল। যারা এসব কাজের সাথে জড়িত তাদের সবার জানা উচিত,
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদিসে এসেছে—

‘আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক সে সব নারীদের উপর যারা—
১. শরীরে উল্‌কি (ট্যাটু) আঁকে এবং আঁকিয়ে নেয়,
২. যারা ভ্রু তুলে ফেলে এবং তুলে ফেলায়,
৩. যারা সৌন্দর্যের জন্যে সম্মুখের দাঁত কেটে সরু করে, দাঁতের মধ্যে ফাঁক তৈরি করে,
যা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে।’ [সহিহ বুখারি ৫৯৩১]

#দাগ
#প্রস্থানের_পথে
লেখা : Mahbuba Upoma

[সত্য ঘটনা অবলম্বনে ]

শেষ দশকের আমলঃ ১. ইতিকাফে থাকা। রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিতভাবে রমাদানে এই আমল করতেন। যাদের চাকুরি বা ব্যব...
09/03/2026

শেষ দশকের আমলঃ

১. ইতিকাফে থাকা। রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিতভাবে রমাদানে এই আমল করতেন। যাদের চাকুরি বা ব্যবসা জনিত কারণে পুরো ১০ দিন ইতিকাফ করার সুযোগ নেই তারা অন্ততে রাতে থাকতে পারেন যাতে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা যায়।

২. প্রতি রাতে অন্তত ১ পারা কুরআন তিলাওয়াত করা।

৩. ১০ বার সূরা ইখলাস পড়া।

৪. اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي - আল্লহুম্মা ইন্নাকা 'আফুইন তুহিব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু আন্নি - প্রতি রাতে ১০০ বার পড়া।

৫. দরুদ পড়া -অন্তত ১০০ বার

৬. লম্বা সময় ধরে তাহাজ্জুদ পড়া। যদি লম্বা সূরা মুখস্ত না থাকে তবে এক রাকাতে কয়েকটি ছোট সূরা পড়লেও রাকাত লম্বা হয়ে যাবে। সিজদায় লম্বা সময় দুয়া করা।

৭. প্রতি রাতে কিছু সদাকা করা। সামর্থ্য অনুযায়ী ১০০/২০০/৫০০/১০০০ বা আরো বেশি৷ যদি রাতটি লাইলাতুল কদর হয় তবে ৮৩ বছর ধরে দান করার সওয়াব পাবেন।

যারা ইতিকাফে থাকবেন তারা টাকাটা আলাদা করে রাখতে পারেন বা অনলাইনে পাঠিয়ে দিতে পারেন।

৮. শেষ রাতে লম্বা সময় ধরে দুয়া করা। নিজের সমস্ত প্রয়োজন আল্লাহর কাছে পেশ করা। সব হালাল চাহিদা যেন আল্লাহ পূরণ করেন।

৯. সাহরী করার পর কিছু সময় যেমন ১০ মিনিট ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়াতুবু ইলাইহি) করা। এটি একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ। হাদিসে হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ পুনরুজ্জীবিত করলে ১০০ শহীদের সওয়াব দেয়া হবে বলে উল্লেখ আছে।

১০. সাধ্যমত অন্যান্য জিকির যেমন সুবহানআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ইত্যাদি পড়া।

শেষ দশকের রাত গুলো জেগে থেকে আমলের চেষ্টা করা উচিত। রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ দশকে নিজের কোমড় বেঁধে নিয়ে ইবাদাতে আত্মনিয়োগ করতেন।

আল্লাহ তা'আলা আমাদের রমাদানের শেষ দশকের আমল করার তৌফিক দান করুন।

18/02/2026

রমজানে কোন আমল বেশি জরুরি

29/11/2025

জটিল সমস্যার সহজ সমাধান...

★বদনজরের সমস্যা➡️ অযুর পানি দিয়ে গোসল।

★যাদুর সমস্যা➡️ বরই পাতার গোসল।

★পেটের যাদু➡️ খালি পেটে ইস্তিফরাগ(বমি করা)।

★জ্বীনের সমস্যা➡️ ঠান্ডা পানির গোসল,বদদুআ,হিজামা।

★আশিক্ব জ্বীনের সমস্যা➡️ কস্তুরির আতর এবং বাখুরের ধোঁয়া নেওয়া।

★একের পর এক বিপদ,অসুস্থতা➡️ উপযুক্ত খাতে সাদাক্বাহ।

শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

© ruqyah zone

ুকইয়াহ #সুস্থতা #জ্বীন #যাদু #বদনজর

Address

Ground Floor, Tomiz Market, Sadar
Lakshmipur
3700

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801633364622

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ayaat Ruqyah Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share