Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ

  • Home
  • Bangladesh
  • Lakshmipur
  • Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ

Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ, Obstetrician-gynaecologist, Hospital Road, Lakshmipur.
(3)

ডা. নার্গিস পারভীন
এমবিবিএস, এফসিপিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য)
গাইনী ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ, সার্জন
সেকেন্ডারি লেভেল ইনফার্টিলিটি কনসালটেন্ট
চেম্বার : একুরেট ডায়াগনস্টিক ল্যাব ও গাইনী কেয়ার হাসপাতাল রোড, সদর, লক্ষ্মীপুর।
সময় দুপুর ৩-রাত ৮
সিরিয়াল : 01712471255

29/03/2026
বোরখা পেঁচিয়ে মৃত্যু খুব কমন।  বোরখা লম্বা ওড়না সামলে রাখবেন। কুমিল্লার বরুড়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় স্ত্রীর বোরকা পেঁচিয়ে ...
28/03/2026

বোরখা পেঁচিয়ে মৃত্যু খুব কমন। বোরখা লম্বা ওড়না সামলে রাখবেন।
কুমিল্লার বরুড়ায় মোটরসাইকেলের চাকায় স্ত্রীর বোরকা পেঁচিয়ে ভ'য়াবহ দু'র্ঘ'টনায় প্রাণ হারালেন হাবিবুর রহমান (৩৫)… 💔
দাওয়াত শেষে বাড়ি ফেরার পথে মু'হূর্তেই থেমে গেল সবকিছু, গুরুতর আ'হত অবস্থায় হাসপাতালে স্ত্রী ফারজানা আক্তার।

Dr. Raziv Dey Sarkerচিকিৎসক হিসেবেও এমন রাত আমার জীবনে আবার আসুক আমি কখনোই চাইবো না। গতকাল সারারাত ধরে একের পর এক  #দৌলত...
26/03/2026

Dr. Raziv Dey Sarker
চিকিৎসক হিসেবেও এমন রাত আমার জীবনে আবার আসুক আমি কখনোই চাইবো না। গতকাল সারারাত ধরে একের পর এক #দৌলতদিয়া #ট্রাজেডি তে নিহত মানুষের লাশ রিসিভ করেছি। এতো লাশ রাখার ব্যবস্থা আমার এখানে ছিলো না। কোন হাসপাতালেই থাকে না। পরে আমি নিজে এই কোরিডোর পরিষ্কার করিয়ে, নতুন চাদর পেতে লাশ গুলো নামাবার ব্যবস্থা করেছি। আজ যেহেতু ২৬ মার্চের ছুটি, তাই বন্ধ থাকবে এই কোরিডোরের কার্যক্রম। সেটা ভেবেই এখানে ব্যবস্থা করা। ঝড় বৃষ্টির কারণে এই কোরিডোরে ইলেকট্রিসিটিও ছিলো না। আমাদের ইলেক্ট্রিশিয়ান অন্য জায়গা থেকে লাইন টেনে এই কোরিডোরে আলোর ব্যবস্থা করেছে। মানুষের ঢল রাত ৩ টার সময় সামলানোটাও বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো। স্বজনরা যেন প্রিয়জন শনাক্ত করতে পারেন, সেজন্য যথাসম্ভব ধর্মীয় মর্যাদায় লাশ গুলো রাখার ব্যবস্থা করেছি। একে একে স্বজনদেরকে লাশ এর কাছে নিয়ে গেছে আমাদের ও পুলিশের টিম।

পুরো রাজবাড়ী জেলা আজ শোকে মুহ্যমান। পুরো শহরটা আজ থমথমে। মানুষ এসেছিলো মা-বাবার সাথে ঈদ করতে (এবং তাদের শেষ দেখাটা)। মানুষের আহাজারি সহ্য করা যাচ্ছিলো না। ছোট ছোট শিশু গুলোর ফুলে যাওয়া বা শক্ত হয়ে যাওয়া মৃত দেহ (রিগর মর্টিস ইফেক্ট) এই চামড়ার চোখ দিয়ে সহ্য করা যাচ্ছিলো না। স্বজনদের ভিড় ঠেকাতে গিয়ে আমরাও ইমোশোনাল হয়ে পরেছিলাম। কাকে বাঁধা দিবো? সবাই আমার পরিচিত। সবাই আমার শহরের মানুষ। মনে হচ্ছিলো কাল রাতে আমার এই রাজবাড়ী শহরটা একটা কালো কাপড়ে ঢেকে দিয়েছে কেউ।

গতকাল গণমাধ্যম কর্মীরাও বেশ ম্যাচিউর আচরণ করেছেন। কেউ লাশের ছবি/ভিডিও/লাইভ করার জন্য কোন বাড়াবাড়ি করেন নি। তাদের প্রতি অসামান্য শ্রদ্ধা। আমার এলাকার সাংবাদিক ভাইদের এই বলিষ্ঠ মানবিক গুণের কথা আমি মনে রাখবো। সবাই আমাদের কাজে সহযোগিতা করেছেন। CID ক্রাইম সিন টিম, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসকর্মী, অ্যামুলেন্স চালক ভাইয়েরা, সংবাদকর্মী, হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স-অন্যান্য স্টাফ, তত্ত্বাবধায়ক স্যার, সিভিল সার্জন স্যার থেকে শুরু করে এমপি মহোদয় এবং প্রতিমন্ত্রী স্বয়ং, গতরাতে আমরা সবাই একটি পরিবার ছিলাম। প্রিয়জন হারানোর বেদনায় ব্যাথিত একটি পরিবার।

এই #পদ্মা নদী আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে। আবার কেড়েও নিয়েছে অনেক কিছু। এই নদীতে অনেকেই অনেক কিছুই হারিয়েছি, কেউ কেউ হারিয়েছে তার সবকিছু।

#পদ্মাকন্যা রাজবাড়ীর বুকে এমন একটি রাত আমাদের আর কখনো না আসুক।

নতুন স্বদেশ গড়ার পথেতোমরা চিরদিন দিশারী রবেআমরা তোমাদের ভুলবোনা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারাআমরা তো...
26/03/2026

নতুন স্বদেশ গড়ার পথে
তোমরা চিরদিন দিশারী রবে
আমরা তোমাদের ভুলবোনা

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে,
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলবনা।
দু:সহ বেদনার কন্টক পথ বেয়ে
শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা
আমরা তোমাদের ভূলব না।।

Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
একুরেট ডায়াগনোস্টিক ল্যাব

আমার অফিসের সাথেই লাশ কাটা ঘর।  প্রায়ই মৃত দেহ আসে ময়না তদন্তের জন্য।  লক্ষ্মীপুর এর ছেলে রা প্রচুর আত্নহত্যা করে।  কারণ...
25/03/2026

আমার অফিসের সাথেই লাশ কাটা ঘর। প্রায়ই মৃত দেহ আসে ময়না তদন্তের জন্য। লক্ষ্মীপুর এর ছেলে রা প্রচুর আত্নহত্যা করে। কারণে আত্নহত্যা করে, অকারণে আত্নহত্যা করে, ঠুস করে মরে যায়।
পুলিশ আসে, কয়েক জন আত্মীয় আসে।। লাশ হয়ে ছেলেরা এম্বুলেন্স এ আসে।
লাশ কাটা ঘরের সামনে জটলা থাকে। ভিতরে ঢুকতে দেয়না স্বজন হারা দের।
আহারে ময়না তদন্ত! বড়ই ভয়াবহ!

এরে তোগোরে জন্ম দিতে তোদের আম্মার কষ্ট হয় ন নি?
মরার আগে মায়ের কথা তো ভাববি একবার!

আহারে না জানি কোন গাইনী ডাক্তার কত কষ্ট করে চেক আপ করতো! কত নির্ঘুম রাত জেগে তোকে পালসে তোর আম্মা!
বাপ মা কত কষ্ট করে খাওয়াইয়া পরাইয়া বড় করলো!
আহারে জীবণ!
ছেড়ে গেলে এই মানব জীবন আর তো পাবে না!
মরার আগে জানতে হবে, আপনার জন্ম কেন হয়েছে।

আল্লাহ বলেছেন, আমি জ্বীন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধু মাত্র আমার ইবাদতের জন্য।
দু:খ কষ্ট এগুলো জীবনের পরীক্ষা। অল্প শোকে কাতর আর অধিক শোকে পাথর হয়ে সুইসাইড করা যাবে না। আল্লাহ মানুষ কে ভয়, শোক, স্বজন হারানোর বেদনা ফল ফসলের ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করেন।
একটা একটা করে দিন শেষ করে জীবন খাতার শেষ পাতা পর্যন্ত যেতে হবে। জীবনের শেষ পর্যন্ত আপনি যেতে পারেন, সুইসাইড এ মৃত্যু বরণ না করেন , এটাও একটা বিজয়।
কোন স্বামীর জন্য, কোন স্ত্রীর জন্য, কোন নতুন জামার জন্য, কোন পরকীয়ার জন্য, কোন প্রেমিকের জন্য, কোন প্রেমিকার জন্য, কোন কলিগের জন্য,রেজাল্ট খারাপের জন্য, কোন কিছুর জন্য জীবন এর ক্ষতি করা যাবেনা।

আত্নহত্যা মহাপাপ ইসলামের দৃষ্টিতে। আত্নহত্যা করতে শয়তান প্ররোচিত করলে তাড়াতাড়ি মানসিক রোগের ডাক্তার দেখাবেন। কারণ এটা একটা মানসিক ব্যধির ও ফলাফল।

25/03/2026
এটা কি সম্ভবের কথা?  রাজধানীর বুকে এত বড় জোচ্চুরি? এরচেয়ে আমাদের গ্রাম ই ভাল।  সবাই জানে কে ডাক্তার আর কে কমপাউন্ডার! এই...
25/03/2026

এটা কি সম্ভবের কথা? রাজধানীর বুকে এত বড় জোচ্চুরি?
এরচেয়ে আমাদের গ্রাম ই ভাল। সবাই জানে কে ডাক্তার আর কে কমপাউন্ডার!
এই ছবিতে যাদেরকে অর্থোপেডিক্স সার্জারি করতে দেখছেন, উনারা কেউই সার্জন নন। পেশায় এক সময় ছিলো সরকারী মেডিক্যালের দালাল কিংবা কমপাউন্ডার। আন্ডারমেট্রিক দালাল থেকে এখন নিজেরাই শ্যামলী শিশু মেলার অপজিটে হাসপাতালের মালিক হয়েছেন। হয়েছেন সার্জন। হাসপাতালের নাম: ডক্টরস কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

দূর্দান্ত এক অনুসন্ধানী রিপোর্ট করেছেন যমুনা টিভির সাংবাদিক হাসান মিসবাহ।

একজনকে রোগী হিসেবে সাজিয়ে পাঠানোর পর দেখতে পান দুটো অপারেশন থিয়েটারে দুজন রোগীর পায়ের অপারেশন হবে। দ্রুতই ঐ দুই রোগীকে সবকিছু খুলে বলে ভুল চিকিৎসার হাত থেকে বাঁচিয়ে আনেন।

এরপর তিন মাস পর আরও কিছু তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের পর আবারও ঐ হাসপাতালে রিপোর্ট করতে যান। গিয়ে দেখেন, এক নারীর ভাঙ্গা পায়ের জটিল অপারেশন হচ্ছে। Ilizarov Surgery, অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে করতে হয় এই সার্জারি। হাতেগোনা কিছু সার্জন করে থাকেন। অথচ সার্জারি করছে ফাইভ-এইট পাশ দালালেরা।

এই হাসপাতালে অর্থোপেডিক্সের সকল সার্জারি এখানে করছে - এক সময়ের দালাল লাভলু, রনি, দুলাল, ফরিদ।

অন্য রুমে মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া এক রোগীর চিৎকার ক্যামেরায় ধরা পড়ে, 'বাবাগো। মাগো। এত কষ্ট' বলছেন। সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এই রোগীর, এখানে অপারেশন হওয়ার পরেও কোন রকমের পরিবর্তন নেই।

সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার, এরকম একটি প্রতারণামূলক হাসপাতালে On Call -এ অনেক MBBS ডাক্তারও এসে থাকেন।

এত দূর্দান্ত অনুসন্ধানি একটি রিপোর্ট হওয়ার পর এই হাসপাতালের লাইসেন্স বন্ধ, সিলগালা এবং ভুয়া সার্জনদেরকে আজীবনের জন্য জেলখানায় বন্দী কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো শাস্তি প্রদান করার কথা। কিন্তু এমনটা অতীতেও হয়নি।

আমরা দেখেছি এইট পাশ ব্যক্তিকে ভুয়া ডাক্তার সেজে ডেলিভারি সিজার করতে।

আমরা দেখেছি মানবিক বিভাগে ইন্টারপাশ করা এক ব্যক্তিকে হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান হতে।

আমরা দেখেছি প্রকৃত ডাক্তারের BM&DC রেজিস্ট্রেশন নাম্বার ব্যবহার করে ভুয়া ডাক্তারকে যুগের পর যুগ চিকিৎসা করাতে।

এরকম শত শত ঘটনা হওয়ার পরেও এসমস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের উপযুক্ত শাস্তি রাষ্ট্র দিতে পারেনি। জামিনে ছাড়া পেয়ে তাঁরা পুনরায় একই পেশায় ফিরে এসছে।

স্বাধীনতার এত বছর পরেও হাসপাতালগুলোকে রাষ্ট্র দালালমুক্ত করতে পারেনি। এসব দালালই রোগীদেরকে ভুয়া, ঝুঁকিপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।

আমরা জানি, ১০০০জন রোগীর জন্য ডাক্তার রয়েছে ০.৮৩ জন। আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরেও দেশের চিকিৎসকরা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

কোন সরকারি, বেসরকারি হাসপাতালে একটু উনিশ বিশ হয়ে রোগী মারা গেলে, মব বাহিনী ডাক্তারদের উপর দোষ চাপিয়ে, পিটিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে। এসব ভুয়া হাসপাতাল, ডাক্তারের বেলায় কাউকে দেখি না কাউকে গিয়ে ঐ হাসপাতালের একটা গ্লাসও ভাঙতে।

রাষ্ট্র কী পারে এভাবে অন্ধ হয়ে বসে থাকতে? হাসপাতাল সেক্টরে দালাল ও ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য না থামিয়ে আঙ্গুল গুটিয়ে বসে থাকতে? আমাদের জীবনের কী কোন মূল্য নেই? ক্ষমার অযোগ্য এসব ব্যক্তিদের কঠিন সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কেন এত উদাসীন? এসব অনুসন্ধান করার দায়িত্ব কী শুধু সাংবাদিকদের। রাষ্ট্রের নেই? স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় কিংবা প্রশাসনের নেই?

আমি তো কল্পনাও করতে পারি না -
আমাকে ফাইভ পাশ কোন ব্যক্তি, আমার কিংবা আমার পরিবারের বুকে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে পরীক্ষা করছেন। অপারেশন থিয়েটারে আমার বুক সার্জিক্যাল ছুরি চালিয়ে চিঁড়ে ফেলছে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন?

হাসান মিসবাহ ও যমুনা টেলিভিশনকে ধন্যবাদ। আপনারা সচেতন হোন। হাসপাতালগুলোতে দালাল হতে সাবধান থাকুন।


- অন্তর মাশঊদ

#ভুয়া_ডাক্তার #দালাল

22/03/2026

ইনফেকশাস ডিজিজ হসপিটালে একজন শিশু মারা গেছেন মিজেলস বা হামে আক্রান্ত হয়ে। এ নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

মধ্যরাতে হসপিটালে ছুটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

পরিস্থিতির বিবরণ দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "কিছুদিন থেকে হামের রোগী বাড়ছে। হাসপাতালটিতে তিনটি ওয়ার্ডেই অতিরিক্ত হামের রোগী আছে। তাদের ভালো ট্রিটমেন্ট চলছে। কিন্তু এই রোগীটির অবস্থা খারাপ ছিল। তার আইসিইউর সাপোর্ট দরকার ছিল, কিন্তু এই হাসপাতালের আইসিইউটি বন্ধ। আর অন্য কোথাও এই ধরণের পেশেন্ট নেয় না। এখানে হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতি ছিল না।"

তিনি ২৪ ঘন্টার মধ্যেই উক্ত হসপিটালে আইসিইউ চালুর আশ্বাস দেন। ডিএনসিসি হসপিটাল মিজেলস ডেডিকেটেড হসপিটাল হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
...

হঠাৎ করেই বাংলাদেশে হাম বা মিজেলস (Measles) আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। এটি একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ, যা বিশেষ করে শিশুদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সচেতনতা এবং সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপের কোনো বিকল্প নেই।

হাম একটি ভাইরাসজনিত তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ। একটি সাধারণ ভুল ধারণা আছে যে এটি কেবল একটু জ্বর বা গায়ের র‍্যাশ। কিন্তু বাস্তবে, হামের সংক্রমণ থেকে ভয়াবহ জটিলতা তৈরি হতে পারে।

বিজ্ঞানের ভাষায় এর সংক্রমণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি সরাসরি ১২ থেকে ১৮ জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

কীভাবে ছড়ায়?

হাম একটি বায়ুবাহিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার মাধ্যমে বাতাসে ভাইরাসের কণা ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাইরাস বাতাসে বা কোনো বস্তুর ওপর প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

হামের লক্ষণ কী?

হামের র‍্যাশ বা লালচে দানা ওঠার অন্তত ৪ দিন আগে থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি ভাইরাসটি ছড়াতে শুরু করেন। চিকিৎসকদের মতে, র‍্যাশ ওঠার আগের এই লক্ষণগুলো চিনতে পারা খুব জরুরি:

আমরা 3C দিয়ে মনে রাখি

1. Cough (তীব্র কাশি)
2. Coryza (সর্দি বা নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া)
3. Conjunctivitis (চোখ লাল হওয়া বা চোখ ওঠা

এছাড়াও:

* তীব্র জ্বর।
* মুখে বা গলায় অস্বস্তি।
* মুখের ভেতর ফোলা অংশের মতো 'কপ্লিক স্পট' (Koplik spots) দেখা দেওয়া।
* ৩-৪ দিন পর মুখমণ্ডল থেকে র‍্যাশ শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

কী কী জটিলতা হতে পারে?

হাম আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে:

* নিউমোনিয়া: হামে মৃত্যুর প্রধান কারণ।

* অপুষ্টি ও ডায়রিয়া: শিশুদের শরীর মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেয়।

* অন্ধত্ব: চোখের স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

* এনসেফালাইটিস: মস্তিষ্কে সংক্রমণ, যা তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা স্থায়ী পঙ্গুত্ব ডেকে আনতে পারে।

* SSPE (Subacute Sclerosing Panencephalitis): এটি হামের অনেক বছর পর হওয়া একটি বিরল কিন্তু অবধারিতভাবে মৃত্যু ঘটানো মস্তিষ্কের জটিল রোগ।

এবার আসি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথায়। আমাদের করণীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

১. টিকা, টিকা এবং টিকা: হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকরী উপায় হলো সঠিক সময়ে টিকা নেয়া।

বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) ৯ মাস এবং ১৫ মাস বয়সে দুই ডোজ হাম-রুবেলা (MR) টিকা দেওয়া হয়। আমাদের পরিচিত কোনো শিশু যেন এই টিকা থেকে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

(মনে রাখবেন, এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এর সাথে অটিজমের কোনো সম্পর্ক নেই।)

২. ভিটামিন-এ (Vitamin A): হাম আক্রান্ত শিশুদের জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উচ্চমাত্রার ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো জরুরি। এটি শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি UNICEF ও WHO-এর প্রটোকল।

৩. আইসোলেশন ও পরিচ্ছন্নতা:

* আক্রান্ত শিশুকে অন্ততপক্ষে র‍্যাশ ওঠার পর ৫ দিন পর্যন্ত আলাদা ঘরে রাখুন।
* রোগীর সংস্পর্শে এলে মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
* ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি যথাযথভাবে জীবাণুমুক্ত করুন।

৪. ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের সুরক্ষা: গর্ভবতী নারী, ক্যানসার আক্রান্ত রোগী, বা যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম (ইমিউনোকম্প্রোমাইজড), তাদের হাম আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সম্পূর্ণ দূরে রাখা আবশ্যক।

হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। মূলত লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসাই প্রধান ভরসা। সর্দি, জ্বর ও কাশির জন্য চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধ নিতে হবে। প্রচুর তরল খাবার, ফলের রস, স্যুপ, সুষম খাবার খাওয়াতে হবে।

বাংলাদেশ টিকাদান কর্মসূচিতে অনেক সাফল্য অর্জন করলেও একটি বড় অংশের মানুষ এখনো ঝুঁকির মুখে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে স্থবিরতা আসায় এই সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছে।

আসুন, আমরা সবাই মিলে সতর্ক হই এবং শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করি। কোনো প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে দ্রুত স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।

সংক্রামক রোগগুলো আসলে শুধু নিজে নিজে সতর্ক হয়ে প্রতিরোধ করা কঠিন। পুরো কমিউনিটিরই সচেতনতা প্রয়োজন। তাই নিজেদের স্বার্থেই অন্যদের সচেতন করতে হবে।

(উল্লেখ্য পোস্টটি পাবলিক পোস্ট হিসেবে দেওয়া আছে।)

ডা. মারুফ রায়হান খান
৩৯ তম বিসিএসের চিকিৎসক

🇧🇩🇧🇩   & 🇸🇦🇸🇦   বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঈদ কেন  একসাথে হয় না? 🌙বাংলাদেশ একটা গরীব দেশ।  সৌদির জেদ্দার জাঁকজমকপূর্ণ এয়ারপোর্ট...
20/03/2026

🇧🇩🇧🇩 & 🇸🇦🇸🇦 বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঈদ কেন একসাথে হয় না? 🌙
বাংলাদেশ একটা গরীব দেশ। সৌদির জেদ্দার জাঁকজমকপূর্ণ এয়ারপোর্ট দিয়ে বাংলাদেশের গরীব এয়ারপোর্টে নেমেছি। বের হয়েছি রাত দুইটায়। বাংলাদেশ একটা মানুষ হলে তাকে জড়িয়ে ধরতাম। গরীব হোক আর যাই হোক এ আমার দেশ। আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া।
সৌদির এয়ারপোর্টে সুরভিত। ওজুর জায়গায় গরম পানি।
আহা!
সৌদি আজ ঈদ পালন করছে। আর আমরা বাংলাদেশে চলে আসাতে কাল ঈদ পালন করবো। আজ আমরা রোজা আছি।
বাংলাদেশের কোথাও কোথাও সৌদির সাথে মিল রেখে ঈদ আজই পালন করছে।
আসলে কি একই দিনে ঈদ হবে?

চাঁদ দেখে ঈদ (এবং রোজা শুরু/শেষ) করার বিষয়টি সরাসরি কুরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। নিচে সহজভাবে দলিলগুলো তুলে ধরা হলো:

📖 কুরআনের দলিল
১. সূরা আল-বাকারাহ ১৮৫
“তোমাদের মধ্যে যে এই মাস (রমজান) পাবে, সে যেন এতে রোজা রাখে…”

👉 এখানে মাস নির্ধারণের ভিত্তি হচ্ছে চাঁদ দেখা—যা হাদিসে স্পষ্ট করা হয়েছে।

২. সূরা আল-বাকারাহ ১৮৯
“তারা তোমাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো, এগুলো মানুষের জন্য সময় নির্ধারণের উপায় এবং হজ্জের জন্য।”

📌 (আরবি: يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْأَهِلَّةِ)

👉 এই আয়াত প্রমাণ করে:

চাঁদ (হিলাল) দিয়ে সময়/মাস নির্ধারণ করা হয়

ইসলামের ইবাদত (রোজা, হজ্জ, ঈদ) চাঁদের উপর নির্ভরশীল

📚 হাদিসের দলিল
১. চাঁদ দেখে রোজা ও ঈদ
👉 Sahih al-Bukhari ও Sahih Muslim

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“তোমরা চাঁদ দেখে রোজা শুরু কর এবং চাঁদ দেখে রোজা শেষ কর (ঈদ কর)।
যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়, তবে ৩০ দিন পূর্ণ কর।”

📌 (বুখারি: ১৯০৯, মুসলিম: ১০৮১)

২. মাস ২৯ বা ৩০ দিন
👉 Sahih al-Bukhari

“মাস কখনো ২৯ দিন, কখনো ৩০ দিন হয়।”

📌 (বুখারি: ১৯১৩)

৩. এক সাক্ষীর মাধ্যমে চাঁদ দেখা
👉 Sunan Abu Dawud

এক ব্যক্তি চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিলে রাসূল ﷺ তা গ্রহণ করেন এবং রোজার ঘোষণা দেন।

📌 (আবু দাউদ: ২৩৪২)

🧭 সারসংক্ষেপ (শরীয়তের নিয়ম)
✔ চাঁদ দেখার মাধ্যমে রমজান শুরু
✔ চাঁদ দেখার মাধ্যমে রমজান শেষ (ঈদ)
✔ না দেখা গেলে → ৩০ দিন পূর্ণ করতে হবে

➡️ এই নিয়ম সরাসরি কুরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত

সবই চাঁদের বিষয় আসয় :
🌑🌒🌓🌔🌕🌖🌗🌘🌙
চাঁদ দেখে ঈদ নির্ধারণ (moon sighting) আসলে পুরোপুরি একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক (astronomical) বিষয়, যা ধর্মীয় নির্দেশনার সাথে সমন্বয় করে পালন করা হয়। নিচে বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে সহজ ও পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করছি:

🌙 ১. চাঁদের ধাপ (Lunar Phases) কী?
চাঁদ নিজে আলো দেয় না—এটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করে। Lunar Phases অনুযায়ী চাঁদের ৮টি ধাপ আছে:

New Moon (অমাবস্যা)

Waxing Crescent (চাঁদের কুঁড়ি)

First Quarter

Waxing Gibbous

Full Moon (পূর্ণিমা)

Waning Gibbous

Last Quarter

Waning Crescent

👉 ঈদের চাঁদ দেখা হয় “Waxing Crescent” পর্যায়ে—অর্থাৎ অমাবস্যার পর প্রথম সরু চাঁদ।

🌑 ২. New Moon (অমাবস্যা) কখন হয়?
New Moon ঘটে যখন সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী প্রায় এক সরলরেখায় থাকে এবং চাঁদের আলোকিত অংশ পৃথিবী থেকে দেখা যায় না।

👉 এই সময় চাঁদ দেখা যায় না, তাই এই দিন ঈদ নির্ধারণ করা হয় না।

🔭 ৩. কেন অমাবস্যার পরদিনও সব জায়গায় চাঁদ দেখা যায় না?
চাঁদ দেখা নির্ভর করে কয়েকটি বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্টরের উপর:

১) Moon Age (চাঁদের বয়স)
New Moon-এর পর কমপক্ষে 15–20 ঘণ্টা না হলে চাঁদ সাধারণত দেখা যায় না।

২) Elongation (কোণ দূরত্ব)
সূর্য ও চাঁদের মাঝে কোণীয় দূরত্ব (Elongation) কম হলে চাঁদ দেখা যায় না।

সাধারণত 7°–10° দরকার।

৩) Altitude (উচ্চতা)
সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্ত থেকে কত ডিগ্রি উপরে আছে—এটা গুরুত্বপূর্ণ।

৫°-এর নিচে হলে দেখা প্রায় অসম্ভব।

৪) Weather (আবহাওয়া)
মেঘ, কুয়াশা, দূষণ—সবই বাধা দেয়।

🇧🇩🇧🇩🇧🇩🌍 ৪. কেন সৌদি আরব ও বাংলাদেশে একসাথে চাঁদ দেখা যায় না?
এটা পুরোপুরি পৃথিবীর গোলাকৃতি ও অবস্থানের কারণে।

Saudi Arabia পশ্চিমে অবস্থিত

Bangladesh পূর্বে অবস্থিত

👉 ফলে:

সৌদিতে সূর্যাস্ত আগে হয়

সেখানে চাঁদের বয়স (moon age) বেশি হয়

তাই তারা আগে চাঁদ দেখতে পারে

🇧🇩🇧🇩🇧🇩👉 বাংলাদেশে তখন চাঁদ ছোট/কম বয়সী থাকে, তাই দেখা যায় না

সৌদি আরব ও বাংলাদেশে একসাথে ঈদ না হওয়ার বিষয়টা বুঝতে হলে আমাদের একটু গভীরভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞান (astronomy)—বিশেষ করে চাঁদের গতিবিদ্যা ও দৃশ্যমানতার বিজ্ঞান—বোঝতে হবে।
🌙 নতুন চাঁদ (New Moon) কীভাবে তৈরি হয়
চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য যখন প্রায় একই সরলরেখায় আসে, তখন হয় New Moon (অমাবস্যা)।
👉 এই সময়:
চাঁদ সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকে
তাই পৃথিবী থেকে দেখা যায় না
➡️ ঈদের চাঁদ (হিলাল) দেখতে হলে এই অমাবস্যার কিছু সময় পরে অপেক্ষা করতে হয়।
🌍 চাঁদের বয়স (Moon Age) ও দৃশ্যমানতা
চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার জন্য সাধারণত দরকার:
কমপক্ষে 15–20 ঘন্টা বয়স
সূর্য থেকে কৌণিক দূরত্ব (Elongation) ≈ 10°–12°+
👉 সমস্যা হচ্ছে:
অমাবস্যা সারা পৃথিবীতে একই সময়ে হলেও
সূর্যাস্তের সময় ভিন্ন হওয়ায় চাঁদের বয়স ভিন্ন হয়
📌 উদাহরণ:
Saudi Arabia-এ সূর্য আগে অস্ত যায়
Bangladesh-এ পরে
➡️ ফলে:
সৌদিতে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স হতে পারে 18 ঘন্টা ✅ (দেখা সম্ভব)
বাংলাদেশে তখনো সূর্যাস্ত হয়নি ❌
বাংলাদেশে সূর্যাস্তের সময় চাঁদের বয়স কম বা চাঁদ ডুবে যেতে পারে
🌐 Moonset vs Sunset (চাঁদ আগে ডোবে না পরে?)
চাঁদ দেখা যাবে কিনা তা নির্ভর করে:
👉 চাঁদ সূর্যের পরে ডুবছে কি না
যদি চাঁদ সূর্যের আগে ডুবে যায় → দেখা অসম্ভব ❌
যদি সূর্যের পরে কিছু সময় থাকে → দেখা সম্ভব ✅
📌 অনেক সময়:
সৌদিতে → Moonset > Sunset (দেখা যায়)
বাংলাদেশে → Moonset < Sunset (দেখা যায় না)
🌎 Crescent Visibility Map (দৃশ্যমানতার মানচিত্র)
বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা “Crescent Visibility” ম্যাপ বানান।
👉 এতে দেখা যায়:
পৃথিবীর কিছু অঞ্চল “easy visibility”
কিছু “optical aid needed”
কিছু “not visible”
📌 সাধারণত:
মধ্যপ্রাচ্য (সৌদি) আগে visible zone-এ পড়ে
দক্ষিণ এশিয়া (বাংলাদেশ) অনেক সময় পরে আসে
🧭 পৃথিবীর গোলাকারতা (Earth curvature effect)
পৃথিবী গোলাকার হওয়ায়:
পশ্চিমের দেশগুলো সূর্যাস্ত আগে দেখে
তারা নতুন চাঁদ আগে দেখার সুযোগ পায়
👉 এজন্য:
পশ্চিমে আগে ঈদ শুরু হতে পারে
পূর্বে একদিন পরে
🛰️ Atmospheric & Optical Limits
চাঁদ দেখা শুধু জ্যামিতির বিষয় না, আরও কিছু ফ্যাক্টর আছে:
বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা
আর্দ্রতা
আলো দূষণ
মানুষের চোখের সীমাবদ্ধতা
👉 একই জ্যামিতিক অবস্থায়ও:
এক দেশে দেখা যেতে পারে
অন্য দেশে নাও যেতে পারে
🔬 Summary (Pure Scientific Conclusion)
👉 একসাথে ঈদ না হওয়ার মূল বৈজ্ঞানিক কারণ:
New Moon একই হলেও স্থানভেদে সূর্যাস্ত ভিন্ন
Moon age ও elongation ভিন্ন হয়
Moonset–Sunset সম্পর্ক ভিন্ন হয়
Crescent visibility zone আলাদা
Earth curvature কারণে পশ্চিমে আগে দেখা যায়
🧠 এক লাইনে বুঝুন
👉 “চাঁদ পৃথিবীর সব জায়গা থেকে একসাথে দৃশ্যমান হয় না”—এটাই মূল বিজ্ঞান।

🌌 ৫. Visibility Curve (চাঁদ দেখা যাবে কি না)
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা হিসাব করে “Crescent Visibility” ম্যাপ তৈরি করেন।

এতে পৃথিবীর কোন এলাকায় চাঁদ দেখা যাবে তা আগে থেকেই অনুমান করা যায়।

🧠 ৬. টেলিস্কোপ বনাম খালি চোখ
খালি চোখে দেখা কঠিন

টেলিস্কোপ দিয়ে আগে দেখা সম্ভব

👉 তবে ইসলামে ঐতিহ্যগতভাবে খালি চোখে দেখাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়

⚖️ ৭. বৈজ্ঞানিক হিসাব বনাম বাস্তব দেখা
দুইটি পদ্ধতি আছে:

✔️ Astronomical Calculation
হিসাব করে আগে থেকেই জানা যায় চাঁদ কোথায় দেখা যাবে

✔️ Physical Sighting
বাস্তবে চোখে দেখে নিশ্চিত হওয়া

👉 অনেক দেশ এখন দুইটাকে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়

🧩 ৮. সারসংক্ষেপ (Simple Logic)
👉 ঈদের চাঁদ দেখার জন্য দরকার:

New Moon হয়ে যাওয়া

যথেষ্ট সময় পার হওয়া (≥ 15–20 ঘণ্টা)

সূর্যাস্তের পর চাঁদ আকাশে থাকা

পরিষ্কার আবহাওয়া

চাঁদ দেখা ধর্মীয় আমল হলেও, এর পেছনে পুরোপুরি Astronomy-এর নিয়ম কাজ করে।
এই কারণে পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ঈদ একদিন আগে-পরে হয়—এটা সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিকভাবে স্বাভাবিক।

⚖️ ৪. চার মাজহাবের মতামত
🟢 ১) হানাফি মাজহাব (Hanafi Madhhab)
চাঁদ দেখা ফরজে কিফায়া

এক বা একাধিক বিশ্বস্ত সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য

মেঘ থাকলে → একজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির সাক্ষ্য যথেষ্ট

👉 বাংলাদেশে সাধারণত এই মত অনুসরণ করা হয়

🔵 ২) মালিকি মাজহাব (Maliki Madhhab)
চাঁদ দেখা জরুরি

একাধিক বিশ্বস্ত সাক্ষী প্রয়োজন (বিশেষ করে পরিষ্কার আকাশে)

গণনার উপর নির্ভর কম

🟣 ৩) শাফেয়ি মাজহাব (Shafi'i Madhhab)
একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি চাঁদ দেখলে গ্রহণযোগ্য

তবে বড় বিষয়ে (ঈদ) সাধারণত বেশি সাক্ষ্য ভালো

🔴 ৪) হাম্বলি মাজহাব (Hanbali Madhhab)
একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য

চাঁদ দেখা না গেলে ৩০ দিন পূর্ণ করা

🌍 ৫. “এক দেশে দেখা = সব দেশে ঈদ?” (ইখতিলাফুল মতালি)
এখানে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে:

মত ১:
👉 এক দেশে চাঁদ দেখা গেলে সবার জন্য প্রযোজ্য
(বিশ্ব এক হিসাব)

মত ২:
👉 প্রতিটি দেশের আলাদা চাঁদ দেখা
(স্থানভেদে আলাদা)

📌 অধিকাংশ ফকিহ দ্বিতীয় মতকে বেশি গ্রহণ করেছেন

🔭 ৬. আধুনিক যুগে বৈজ্ঞানিক হিসাবের ব্যবহার
আজকের দিনে:

জ্যোতির্বিজ্ঞান দিয়ে আগে থেকেই জানা যায় চাঁদ কোথায় দেখা যাবে

👉 অনেক দেশ:

“চোখে দেখা + বৈজ্ঞানিক হিসাব” — দুইটাকে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়

🧩 ৭. সারসংক্ষেপ
👉 ইসলামের মূলনীতি:

✔️ চাঁদ দেখা = মাস শুরু/শেষ

✔️ না দেখা গেলে = ৩০ দিন পূর্ণ

✔️ সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য

✔️ ভিন্ন দেশে ভিন্ন দিন হওয়া স্বাভাবিক

📌 শেষ কথা
চাঁদ দেখে ঈদ করা শুধু ধর্মীয় নিয়ম নয়—এটা মানব সমাজে সময় নির্ধারণের একটি সুন্দর প্রাকৃতিক পদ্ধতি, যা Quran ও Prophet Muhammad-এর সুন্নাহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।

Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ
একুরেট ডায়াগনোস্টিক ল্যাব
Accurate Health 01712471255

Address

Hospital Road
Lakshmipur
3700

Telephone

+8801712471255

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Nargish Perveen ডা. নার্গিস পারভীন, গাইনী &প্রসূতি বিশেষজ্ঞ:

Share