Hahnemann Homeo hall

  • Home
  • Hahnemann Homeo hall

Hahnemann Homeo hall যার কাছে অন্ধকার থাকে সে আলো নিয়ে খেলতে পারেনা।

আঘাত বা ইনজুরি ও অভ্যন্তরীণ রোগের মধ্যে পার্থক্য কী? এটা বোঝা কেন জরুরি?বেনজির আহমেদ (বিকাশ)৫ম ব্যাচ, হোমওডাইজেস্টগাইডেন...
03/08/2025

আঘাত বা ইনজুরি ও অভ্যন্তরীণ রোগের মধ্যে পার্থক্য কী? এটা বোঝা কেন জরুরি?

বেনজির আহমেদ (বিকাশ)
৫ম ব্যাচ, হোমওডাইজেস্ট
গাইডেন্স প্রোগ্রাম

রোগ আমাদের Organism এ লক্ষণসমষ্টির মাধ্যমে (signs and symptoms) প্রকাশিত হয়, তবে সকল লক্ষণের দ্বারাই রোগের বর্হিঃপ্রকাশ ঘটে না। যেহেতু, জীবনীশক্তির বিচ্যুতিই রোগ সুতরাং একটি লক্ষণ যদি জীবনীশক্তির বিচ্যুতির সাথে সম্পর্কিত না হয় তাহলে সেটিকে রোগের লক্ষণ বলা যাবে না (প্রকৃত রোগ বা অভ্যন্তরীণ রোগ)।

সকল আঘাতই আমাদের মধ্যে লক্ষণ তৈরি করে এবং সেই লক্ষণগুলো হলো সত্যিকারের local malady (স্থানীয় রোগ), যা সাধারণত আক্রান্ত অংশের মধ্যে সীমিত থাকে (রোগ বা জীবনীশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে না)। এবং সেই অবস্থাটি জটিলতা প্রাপ্ত না হলে (চির রোগে রূপান্তরিত না হলে) বেশিরভাগ লক্ষণগুলো সময় এমনিতেই দূর হয়, আবার অনেক সময় তীব্র আঘাতজনিত অবস্থায় ইমারজেন্সি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, যেমন, হাঁড় ভেঙে যাওয়া, জয়েন্ট এর স্থানচ্যুতি, আঘাতজনিত অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা রক্ত বন্ধ না হওয়া, ইত্যাদি। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ রোগ হলো, একজন ব্যক্তির সম্পূর্ণ অস্তিত্বের রূপান্তর বা তার জীবনীশক্তির রূপান্তর, যেটিকে আমরা সাধারণভাবে চির রোগ বলে উল্লেখ করে থাকি, যার মূলে থাকে মায়াজম বা প্রাপ্ত ও অর্জিত প্রিডিসপোজিশন। একটি রোগে রোগীর তিনটি স্তরের যেকোনো একটি, দুইটি বা তিনটিতেই লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে। এর মধ্যে স্থানীয় লক্ষণও অর্ন্তভুক্ত, তবে সেগুলো জীবীশক্তির দ্বারা সৃষ্ট। সুতরাং, আঘাত বা ইনজুরি ও অভ্যন্তরীণ রোগের মধ্যে পার্থক্য হলো, ইনজুরি কোনো রোগ নয় বা এটি রোগাগ্রস্ত জীবনীশক্তির থেকে সৃষ্ট নয় এবং অভ্যন্তরীণ রোগ জীবনীশক্তির রোগসূচক পরিবর্তন থেকে সৃষ্ট (মায়াজমের কারণে)। তবে উপযুক্ত পরিবেশে বা রোগীর মধ্যে উপযুক্ত প্রিডিস্পোজিশন থাকলে ইনজুরি চিররোগে রূপান্তরিত হয়।

আবার, একটি কেইসে রোগীর লক্ষণসমষ্টি সংগ্রহ করার পর ঔষধ প্রয়োগের জন্য একটি নির্দিষ্ট এপ্র্যোচ বাছাই করতে হয়, তা হতে পারে Recent Injury, Layer or Remote injury, Constitutional, ইত্যাদি। রোগীর বর্তমান অবস্থাটি আঘাতের তরুণ প্রকাশ, আঘাত জনিত সৃষ্ট লেয়ার না আঘাতের ফলে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ধাতুগত অবস্থা, ইত্যাদি বিষয়গুলো নির্ধারণ করার জন্য ইনজুরি ও অভ্যন্তরীণ রোগের মধ্যে পার্থক্য বোঝা বা নিরুপণ করা অপরিহার্য। অন্যথায় চিকিৎসক ভুল লক্ষণের উপর নির্ভর করে ভুল ঔষধ প্রয়োগ করে বসবেন, যা একই সাথে রোগী, চিকিৎসক এবং হোমিওপ্যাথির জন্য অকল্যাণকর।

একটা ইনজুরি একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থাতে কী কী দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন সাধন করতে পারে? কখন ও কীভাবে এই পরিবর্তন ঘটে?

একটি ইনজুরি একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থাতে কিধরনের পরিবর্তন ঘটাবে, তার স্থয়িত্ব কেমন হবে তা নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের উপর, ১) ইনজুরি ধরন, তীব্রতা, ইত্যাদি, ২) আঘাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জীবনীশক্তির অবস্থা বা প্রিডিসপোজিশন, ৩) ইনজুরির ফলে সৃষ্ট অবস্থাটিকে কিভাবে চিকিৎসা করা হবে তার উপর।

ইনজুরি একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যের অবস্থাতে যেসকল দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তন সাধন করতে পারে, যথা,
1. রোগীর মধ্যে নতুন একটি লেয়ার তৈরি — এক্ষেত্রে রোগীর জীবীনশক্তিতে ফ্রিকোয়েন্সির কিছু অংশের পরিবর্তন ঘটে যা নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণের দ্বারা প্রকাশ পায়।
2. রোগীর বর্তমান রোগাবস্থার বৃদ্ধি — কিছুক্ষেত্রে রোগীর মধ্যে কোনো লেয়ার তৈরি না হয়ে রোগীর সার্বিক রোগাবস্থা বা জীবনীশক্তির ফ্রিকোয়েন্সিকে সার্বিকভাবে দুর্বল করে ফেলে। ফলে, রোগীর চিররোগের বর্তমান অবস্থাটি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত। এখনে সাধারনত সুপ্ত প্রিডিসপোজিশন সচল হয় না, বরং এক্যটিভ প্রিডিসপোজিশনগুলো আরো শক্তিশালী হয়।
3. রোগীর বর্তমান রোগাবস্থা বা constittution এর রূপান্তর ঘটিে একটি নতুন অবস্থা সৃষ্টি — এটি অনেকটা নতুন লেয়ার তৈরি হওয়ার মতোই তবে এখনে রোগীর সার্বিক অবস্থার রূপান্তর ঘটে বা জীবনীশক্তির ফ্রিকোয়েন্সির রেঞ্জ রোগীর সর্বশেষ বিরাজিত রেঞ্জ থেকে অনেক বেশি পরিমাণে বিচ্যুত হয়। রোগীর কিছু প্রিডিসপোজিশন সচল হয় এবং কিছু দুর্বল হয়। সাধারণত, খুব বেশি মাত্রার ইনজুরি কারণে এমনটি ঘটে।

একিউট রোগাবস্থাকে কেন অভ্যন্তরীণ মায়াজমের সাময়িক স্ফূরণ (Flare-up) বলা হয়- ব্যাখ্যা করুন।

আমাদের Organism এর কেন্দ্রবিন্দু হলো জীবনীশক্তি। এটি Organism এর সকল কার্যকলাপ পরিচালনা করে এবং একই সাথে আমাদের Organism -কে বাহ্যিক পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়। মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন তখনই হয়, যখন একটি Organism বাহ্যিক কোনো কিছু দ্বারা প্রভাবিত হয়, এই প্রভাবের প্রভাবক হলো Initial action। এবং জীবনীশক্তি এই Initial action কে অনুধাবন করে তার মাত্রা অনুযায়ী একটি বিপরীত ক্রিয়া ঘটায় যাকে Counter action বলা হয়। সুস্থ এবং অসুস্থ উভয় অবস্থাতে জীবনীশক্তি অবিরত Initial action এর বিপরীতে Counter action ঘটানোর মধ্যে Homeostatis বজায় রাখে। জীবনীশক্তি যখন রোগশক্তির প্রভাবে পরিবর্তিত হয় তখন জীবনীশক্তি দুর্বল হয়, এটির Counter action সৃষ্টি করার প্রবণতার মধ্যে কিছু পরিবর্তন ঘটে। যার ফলে জীবনীশক্তির সুস্থ অবস্থার মতো Initial action বা উত্তেজক কারণ গুলোকে মোকাবেলা করতে পারে না।

জীবনীশক্তি উত্তেজক কারণগুলোকে যথাযথ ভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হলে জীবনীশক্তির অবস্থা অনুসারে দুইটি ঘটনা ঘটতে পারে, ১) তরুণ রোগ দেখা দেওয়া, ২) রোগীর চির রোগের বৃদ্ধি ঘটা বা জীবনীশক্তির অবনতি — জীবনীশক্তি খুব বেশি পরিমাণে দুর্বল হলে তা উত্তেজক কারণের প্রভাব গুলো দূর করতে পারে না ফলে Homeostasis রক্ষার্থে rebalance ঘটায়। যখন, অসুস্থ জীবনীশক্তি উত্তেজক করণের প্রভাব গুলো দূর করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে তখন উপযুক্ত উত্তেজক কারণের উপস্থিতিতে তার প্রভাব দূর করার জন্য Organism এ একটি সাময়িক, তীব্র rebalance ঘটায়, এটিকে আমরা তরুণ রোগ বলে জানি। যেহেতু, মায়াজম না থাকলে জীবনীশক্তি দুর্বল হতো না এবং তখন উত্তেজক কারণের প্রভাবগুলো স্বাভাবিকভাবে দূর করার মতো শক্তি তার থাকতে, কিন্তু মায়াজম থাকার দরুন তাকে ঐ একই কাজটি তরুণ রোগ সৃষ্টি করার মধ্যমে করতে হচ্ছে, এজন্য তরুণ রোগাবস্থাকে অভ্যন্তরীণ মায়াজমের সাময়িক স্ফূরণ বলা হয়।

কেন অনেক একিউট রোগাবস্থার পরে এন্টিমায়াজমেটিক ঔষধ দেয়া প্রয়োজনীয় কিংবা বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে?

ডাঃ হ্যানিম্যনের মতে তরুণ রোগ হলো মায়াজমের সাময়িক উচ্ছাস। কোনো রোগীরতে তরুণ রোগ দেখা দেওয়ার অর্থ হলো তার জীবনীশক্তি একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্য দুর্বল বা সাসেটিবল। এবং রোগীর সেই দুর্বলতা, উত্তেজক কারণের ধরন ও তীব্রতা, ইত্যাদি অনুসারে তরুণ রোগটি একটি নির্দিষ্ট ভোগকাল, তীব্রতা ও লক্ষণসমষ্টি নিয়ে প্রকাশ পায়। একটি তরুণ রোগে ভোগার পরে একটি রোগীর জীবনীশক্তিতে তিন ধরনের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে, ১) জীবনীশক্তির উন্নতি, ২) বোধগম্য কোনো উন্নতি বা অবনতি ঘটে না, ৩) জীবনীশক্তির অবনতি।

জীবনীশক্তি যদি তরুণ রোগের সাপেক্ষে পর্যাপ্ত দুর্বল থাকে বা অন্য কোনো উপযুক্ত কারন থাকলে অনেক রোগীরা তরুণ রোগে ভোগার পরে তারদের জীবনীশক্তির দুর্বলতার কারণে তাদের মধ্যে থাকা সুপ্ত সসেপ্টিবিলিটি বা প্রিডিস্পোজিশন সচল হয়ে ওঠ। প্রিডিস্পোজিশন সচল হওয়ার দরুন রোগীর ক্রনিক রোগের বৃদ্ধি ঘটে। এজন্যই অনেক একিউট রোগাবস্থার পরে এন্টিমায়াজমেটিক ঔষধ দেয়া বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ে, তবে অবশ্যই এক্ষেত্রে রোগীকে পুনঃমূল্যায়ন করার পরেই তাকে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।

“Removal of local symptoms results in a heightening of the whole disease.”– ডা. হ্যানিমানের এই কথাটির যৌক্তিকতা ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করুন।

প্রত্যেক লক্ষণ তা যদি indisposition, false chronic disease, uncomplicated injury এর কারণে প্রকাশ না পায়, তখন সেগুলো রোগীর সার্বি রোগের (আভ্যন্তরিন) একেকটি চিহ্ন বহ করে। চির রোগাবস্থায় জীবনীশক্তি তার সার্বিক অবস্থা কিছু অংশে পরিবর্তন ঘটিয়ে রোগশক্তিকে সীমাবদ্ধ করে রাখার চেষ্টা করে, যার শরীরিক স্তরের ফল হলো এই local symptom গুলো এবং এগুলো আভ্যন্তরীণ রোগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

আমরা জানি, আরোগ্য ঘটে জীবনশক্তির উপর থেকে রোগশক্তি প্রভাব দূর হওয়ার মধ্যমে, যা জীবনীশক্তির নিজেই ঘটিয়ে থাকে (ঔষধ শক্তির সাহায্যে)। এই আরোগ্যের প্রবাহ কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে, বা জীবনীশক্তি থেকে পর্যায়ক্রমে শরীরের বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দিকে। এখনে যদি আরোগ্যে ধারাটি এই সঠিক প্রবাহ অনুসরান না করে তখন জীবনীশক্তি পুনরায় একটি rebalance তৈরি করতে হয়, যার ফলে জীবনীশক্তি আরো খারাপ অবস্থা ধারণ করে বা রোগ বৃদ্ধি পায়।

কোনো local symptom যদি সঠিক উপায়ে বা ঔষধ শক্তির সাহায্যে জীবনীশক্তির দ্বারা না দূর করে অন্য উপায় অবলম্বন করা হয়, তখন প্রকৃত রোগটি বা জীবনীশক্তি rebalanced অবস্থা অপরিবর্তিত থাকে কিন্তু জীবনীশক্তি যে উপায়ে নিজেকে একটি অপেক্ষাকৃত সুস্থ ভারসাম্যের মধ্যে ধরে রেখেছিলো local symptom তৈরি করার মধ্যে তার আর সম্ভব হয় না, ফলে জীবনীশক্তিকে পুনরায় অন্য একটি ভারসাম্যযুক্ত অবস্থা তৈরি করতে হয় (homeostatis, alive, অস্তিত্ব), ফলে রোগের লক্ষণ Organism আরোগ গভীরে প্রকাশ পায়, রোগীর জটিলতা বৃদ্ধি পায়। এজন্য ডাঃ হ্যানিম্যান বলেছেন, “Removal of local symptoms results in a heightening of the whole disease.”।

©️ Homeo Digest

06/03/2025

02/03/2025
রোগীর নাম: Aaa, বয়স: ৩১ বছর, সন্তান: ১ জন

স্বাস্থ্য : থলথলে মেদবহুল ফর্সা
প্রকৃতি : ভীতু প্রকৃতির, একা থাকলে ভয় পায়, রাতে একলা বাইরে যেতে ভয় পায়, বজ্রপাতের প্রচন্ড ভয়।

বর্তমান সমস্যা : সন্ধ্যায় মাথাব্যথা হয় বিশেষ করে দিনের বেলায় পরিশ্রম করলে মাথা ব্যথা হয়।
ঋতুস্রাব প্রতিমাসে ১৫ দিন দেরিতে হয়।
ঘাম প্রচুর, ঘামের কারণে পোশাকে কালো দাগ হয়। ঘামে তেমন গন্ধ নেই। ঘন ঘন সর্দি হয়।
শীতকালে তুলনামূলক সর্দি বেশি হয়। শীতকালে কম্বলের নিচে পা সহজে গরম হয় না। পা গরম হতে অনেক সময় লাগে। আবার অত্যাধিক গরমও সহ্য হয়না।
পিপাসা বেশি।
আইসক্রিম খুব পছন্দ করে। মশলা জাতীয় খাবার ও টক জাতীয় খাবার পছন্দ। সিদ্ধ ডিম পছন্দ। মাংস অতিরিক্ত পছন্দ।
ঘুমের মধ্যে কথা বলে।
ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সঞ্চয় করে। একগুঁয়ে স্বভাবের।
সহজে কান্না করে। জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখে না। কাজে কর্মে ধীর। অল্প পরিশ্রমে হাপিয়ে উঠে। মতের অমিল হলে খুব রাগে।
সহবাসে অল্পতেই তৃপ্তি মিটে যায়।

1. Generals:
Flabby, fatty build.
Profuse, non-offensive sweating with staining.
Aversion to both cold (feet slow to warm) and heat (can't tolerate too much).
Thirst: increased, likes ice cream.
Cravings: spicy, sour, meat, eggs.
Menstrual delay (15 days late each month).

2. Mental/Emotional:
Fearful: of being alone, thunderstorms, going out at night.
Obstinate, stubborn.
Disorganized (doesn't tidy up).
Slow in work, lazy.
Easily angered when contradicted.
Cries easily.
Talks in sleep.

3. Physical Symptoms:
Evening headaches after exertion.
Cold susceptibility, worse in winter.
Breathlessness on exertion.

Rubric to consider :

Mind; FEAR; thunderstorm, of (Kent: Mind, Fear, thunderstorm)
Mind; FEAR; alone, of being (Kent: Mind, Fear, alone)
Mind; STUBBORN (Kent: Mind, Obstinate)
Mind; WEEPING, tearful; easily (Kent: Mind, Weeping, easily)
Mind; SLOWNESS (Kent: Mind, Dullness, sluggishness)
Mind; LAZINESS (Kent: Mind, Laziness)
Generals; FOOD and DRINKS; eggs; desire (Generals, Food, Eggs, desire)
Generals; FOOD and DRINKS; meat; desire (Generals, Food, Meat, desire)
Generals; FOOD and DRINKS; spicy; desire (Generals, Food, Spicy, desire)
Generals; FOOD and DRINKS; sour; desire (Generals, Food, Sour, desire)
Generals; FOOD and DRINKS; ice cream; desire (Generals, Food, Ice cream, desire)
Generals; PERSPIRATION; profuse (Generals, Perspiration, Profuse)
Generals; PERSPIRATION; staining linen (Generals, Perspiration, Staining)
Generals; HEAT; intolerance of (Generals, Heat, intolerance)
Head; PAIN; exertion; agg. (Head, Pain, Exertion, agg.)
Head; PAIN; evening (Head, Pain, Evening)
Female; ME**ES; delayed (Female, Me**es, Suppressed, delayed)
Extremities; COLDNESS; feet (Extremities, Coldness, Feet)
Chest; WEAKNESS; exertion, on (Chest, Weakness, Exertion, on)

প্রধান হোমিওপ্যাথিক ঔষধ:
Calcarea Carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্বোনিকা)

লক্ষণের সাথে মিল:
শারীরিক গঠন ও সাধারণ লক্ষণ:
1. থলথলে মেদবহুল দেহ (ফর্সা, শিথিল মাংসপেশি) — Calcarea-রোগীর বৈশিষ্ট্য।
2. প্রচুর ঘাম (পোশাকে কালো দাগ) — Calcarea-এর ঘাম সাধারণত মাথা ও ঘাড়ে বেশি হয় এবং লিনেনে দাগ ফেলে।
3. শীত-গ্রীষ্ম অসহিষ্ণুতা — পা ঠাণ্ডা, কিন্তু অতিরিক্ত গরমও সহ্য হয় না (Calcarea-এর "Chilly yet heat-intolerant" বৈশিষ্ট্য)।
4. খাদ্যাভ্যাস:
- আইসক্রিম, মশলা, টক, মাংস, ডিমের প্রতি আসক্তি — Calcarea-এর "Desire for eggs, sour, indigestible things" এবং "Desire for meat" রুব্রিকের সাথে মিলে।
5. ঋতুস্রাব ১৫ দিন দেরি— Calcarea-এর ঋতু অনিয়মিত ও দেরিতে হওয়ার প্রবণতা।
মানসিক লক্ষণ:
1. ভীতু প্রকৃতি— একা থাকার ভয়, বজ্রপাতের ভয় (Calcarea-এর "Fear of misfortune, thunderstorms")।
2. একগুঁয়ে স্বভাব — জিদ্দি, মতের অমলে রাগ (Calcarea-এর "Obstinate, headstrong")।
3. কাজে ধীরগতি— শ্লথ, অলসতা (Calcarea-এর "Sluggishness, mental and physical")।
4. ঘুমে কথা বলা — Calcarea-এর শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা যায়।

অন্যান্য লক্ষণ:
1. সন্ধ্যায় মাথাব্যথা(পরিশ্রমে বৃদ্ধি) — Calcarea-এর "Headache from mental exertion" বা "Evening aggravation"।
2. শীতকালে সর্দি — Calcarea-এর ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা (সার্বিক দুর্বল ইমিউনিটি)।
3. হাঁপিয়ে ওঠা — সামান্য পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট (Calcarea-এর "Weakness from exertion")।

যুক্তি:
Calcarea Carbonica এই রোগীর **লক্ষণের সামগ্রিকতা** (শারীরিক গঠন, মানসিক বৈশিষ্ট্য, খাদ্যাভ্যাস, ঘাম ও ঋতুস্রাবের সমস্যা) সবচেয়ে ভালো কভার করে।

02/03/2025

1)Calc carb- 1M/5, 3rd, ODM, SD(6 Succ)
2)CP-XV, ODE

20/08/2024

কৃতজ্ঞতা স্বীকার : Homeo Digest

06/10/2023

আইলো জাতীয় নির্বাচন...

Croatia have won it, amazingly Brazil have crashed out at the quarter-final stage, stunning!Bravo! Croatians 👌👌
09/12/2022

Croatia have won it, amazingly Brazil have crashed out at the quarter-final stage, stunning!
Bravo! Croatians 👌👌

√√√"ভারনিক্স" নামক শব্দটির সঙ্গে আমরা কতটা পরিচিত ?   # # বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লা...
23/11/2021

√√√"ভারনিক্স" নামক শব্দটির সঙ্গে আমরা কতটা পরিচিত ?

# # বাচ্চা জন্ম নেওয়ার পরে প্রায় সকল বাচ্চার শরীরে যে সাদা ময়লার মত পদার্থ দেখা যায় সেটাকে "ভারনিক্স "বলে। "ভারনিক্স " নামের পদার্থটি প্রায় সকল বাচ্চার শরীরেই দেখা যায়। কোন কোন বাচ্চা শরীরে এত ভারনিক্স নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আবার কোন কোন বাচ্চা একেবারে পরিষ্কার থাকে।

# # এই ভারনিক্স টা সম্পর্কে অনেকে অবগত নয়, বাচ্চাকে মুছে যখন অভিভাবকদের কাছে দেওয়া হয় তখন শরীরে ভারনিক্স থাকলে তারা ভাবেন বাচ্চাকে ক্লিয়ারলি ক্লিন করা হয়নি বা নিজেরাই মুছতে বসে যান।

# # সৃষ্টির সবকিছুর পিছনেই গভীর রহস্য লুকায়িত আছে, তাঁর অসীম জ্ঞান বুঝার ক্ষমতা আমাদের কারোরি নেই!

# #সদ্যজাত শিশুর শরীরে ভারনিক্স নামের এক ধরণের তেল জাতীয় পদার্থ থাকে যা মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তরল পদার্থ থেকে শিশুর ত্বককে রক্ষা করে। এটি অ্যান্টিবডির মত শিশুর রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

# #জন্মের পর পরই শিশুকে পরিষ্কার বা মোছার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ভারনিক্স ওঠে না যায়। (WHO) এর মতে শিশুর শরীরে ভারনিক্স কমপক্ষে ৬ ঘন্টা রাখা এবং সবচেয়ে ভালো হয় ২৪ ঘন্টা রাখলে।
কপি ডাঃরুজিনা হতে সংগৃহীত।

21/11/2021

#অত্যাধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাব্যবস্থা!!!

দুই তিন দিন জ্বর, ঔষধ না খেলেও চলতো, এমনিতেই আপনি কয়েক দিনের মধ্যেই সুস্থ হতে পারতেন, কিন্তু আপনি ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার সাহেব আপনাকে শুরুতেই তিনটি পরীক্ষা বা টেস্ট দিলেন। টেস্ট রিপোর্টে জ্বরের কারণ খুঁজে পাওয়া না গেলেও কোলেস্টেরল আর ব্লাড সুগার লেভেল সামান্য একটু বেশি পাওয়া গেল, যা একটু এদিক ওদিক হতেই পারে।

এখন আপনি আর জ্বরের রোগী নন । ডাক্তারবাবু বুঝালেন--আপনার কোলেস্টেরল বেশি আর প্যারা-ডায়বেটিস হয়ে আছে। আপনাকে এখন থেকে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খেতে হবে, সঙ্গে অনেকগুলো খাবারে নিষেধাজ্ঞা । আপনি খাবারের নিষেধাজ্ঞা ঠিকঠাক না মানলেও ওষুধ খেতে ভুল করলেন না।

এইভাবে তিন মাস যাওয়ার পর আবার টেস্ট । এবারে দেখা গেল কোলেস্টেরলের মাত্রা কিছুটা কমেছে, কিন্তু রক্তচাপ সামান্য বেড়ে গেছে । যেটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি আরেকটি ওষুধ দিলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ২ টি ।

কখন কী হয়ে যায়, এখনও তো কিছুই গোছানো হয়নি -----
এমন দুশ্চিন্তায় আপনার রাতের ঘুম কমে যাচ্ছে । ফলে ডাক্তারবাবু পরামর্শে আবার ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করলেন। এখন আপনার ঔষধের সংখ্যা হলো ৩ টি ।

একসঙ্গে এতগুলি ওষুধ খাওয়ামাত্রই আপনার বুক জ্বালাপোড়া আরম্ভ হলো, ডাক্তারবাবু বিধান দিলেন --- প্রতিবেলা খাওয়ার আগে খালিপেটে দুইটি করে গ্যাসের ট্যাবলেট খেতে হবে। ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৪ টি ।

এইভাবে বছরখানেক যাওয়ার পর আপনি বুকে ব্যাথা অনুভব করায় একদিন হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে ছুটলেন । ডাক্তার সবকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন -- সময়মতো আসায় এই যাত্রায় বেঁচে গেলেন। আরেকটু দেরি করলেই সর্বনাশ হয়ে যেতো । তারপর আরও কিছু বিশেষায়িত পরীক্ষা করতে বললেন ।

অনেক টাকার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর ডাক্তারবাবু বললেন ----আপনি যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন, ওভাবেই চলবে । তবে তার সাথে হার্টের জন্য আরও দুইটি ঔষধ খেতে হবে । আর অবিলম্বে একজন এন্ডোক্রিনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন । ঔষধের সংখ্যা বেড়ে হলো ৬ টি ।

আপনি একজন হরমোন বিশেষজ্ঞের সাথে দেখা করলেন, সেখানে যাওয়ার পরে তিনি যোগ করলেন ডায়বেটিসের অর্থাৎ সুগারের ওষুধ ১ টি । আর থাইরয়েড হরমোন সামান্য বেশী হওয়ায় তার
জন্য ১ টি । আপনার রোজ ঔষধ খাওয়ার সংখ্যা দাঁড়ালো ৮ টি ।

আর এখন মনে মনে আপনি জানলেন ও ভেবে থাকলেন আপনি একজন বড় রোগী ---
হার্টের রোগী, সুগারের রোগী, অনিদ্রার রোগী, গ্যাসট্রিকের রোগী, থাইরয়েডের রোগী, কিডনির রোগী, ইত্যাদি।

আপনাকে ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে, মনোবল বাড়িয়ে সুস্থ ভাবে বাঁচার রসদ বাড়িয়ে বেঁচে থাকার পরিবর্তে জানানো হলো, শেখানো হলো --
আপনি রোগী, বড় রোগী, আপনি বড় অসুস্থ ব্যক্তি, একজন অসমর্থ, বিদ্ধস্ত, ভঙ্গুর, নড়বড়ে ব্যক্তি!

এভাবে আরও ছয় মাস চলার পর ঔষধগুলির সাইড এফেক্টস হিসাবে একটু প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেবে । ডাক্তারবাবু সবরকম রুটিন চেকআপ করতে দিলেন ।

রুটিন চেক-আপ করানোয় জানতে পারলেন---
আপনার কিডনিতে সামান্য সমস্যা আছে । ডাক্তারবাবু আবার নানারকম কিডনি ফাংশনের পরীক্ষা দিলেন । রিপোর্ট দেখে তিনি বললেন --ক্রিটিনিন একটু বেশি । তবে নিয়মিত ওষুধ খেলে আর কোনো চিন্তা থাকবে না । আরও ২ টি ঔষধ তিনি যোগ করলেন ।

ফলে বর্তমানে আপনার মোট ওষুধের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১০ টি ।

আপনি এখন খাবারের চেয়ে ওষুধ বেশি খাচ্ছেন, আর সব রকম ঔষধের নানারকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন!

অথচ যে জ্বরের জন্য আপনি সর্বপ্রথম ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলেন, তিনি যদি বলতেন ---

চিন্তার কোন কারণ নেই, এই সামান্য জ্বরে কোন ওষুধ খেতে হবে না, কয়েকদিন একটু বিশ্রামে থাকেন , পর্যাপ্ত জল পান করুন, টাটকা শাকসবজি ও ফল বেশি করে খান ।
শরীর ভালো রাখার জন্য ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে একটু হাঁটাহাটি করুন, ব্যাস, তাহলেই আপনার শরীর ফিট থাকবে ।
যান, বাড়ী যান--- কোন ঔষধের প্রয়োজন নেই ।

কিন্তু সেটা করলে ডাক্তার সাহেব আর ওষুধ কোম্পানিগুলোর পেট ভরবে কিভাবে ?

তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো-
কিসের ভিত্তিতে ডাক্তারগণ রোগীদেরকে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি বিকল বা হৃদরোগী ঘোষণা করছেন?

কি সেই মানদন্ড?

এসব নির্ধারণ করলেন কে বা কারা?

একটু বিশদে জানা যাক----

★ ১৯৭৯ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 200 ml/dl পেলে ডায়বেটিক রোগী হিসেবে গণ্য করা হতো। সেই হিসেবে তখন সমগ্র পৃথিবীর মাত্র ৩.৫ % মানুষ টাইপ-২ ডায়াবেটিক রোগী হিসাবে চিহ্নিত হতেন ।

★ তারপর ১৯৯৭ সালে ইনসুলিন প্রস্তুতকারকদের চাপে সেই মাত্রা এক লাফে কমিয়ে 126 ml করা হয়। ফলে ডায়বেটিস রোগীর সংখ্যা ৩.৫ % থেকে এক লাফে বেড়ে ৮ % হয়ে যায় , অর্থাৎ রোগের কোনরূপ বহিঃপ্রকাশ ছাড়াই স্রেফ ব্যবসায়িক স্বার্থে ৪.৫ % মানুষকে রোগী বানিয়ে ফেলা হলো! ১৯৯৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এই মানদন্ডে সায় দেয়।

এদিকে ফুলে-ফেঁপে ওঠা ইনসুলিন প্রস্তুতকারকেরা অঢেল মুনাফা বিনিয়োগ করে সারা বিশ্বে নিত্য-নতুন প্ল্যান্ট বসাতে থাকে। তাদের চাপে নতি স্বীকার করে American Diabetes Association (ADA) ২০০৩ সালে রক্তে শর্করার মাত্রা 100 ml কে ডায়াবেটিস রোগের মানদন্ড হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দেয়। ফলে কোনো কারণ ছাড়াই ২৭% মানুষ ডায়বেটিস রোগী হয়ে যায়,

★ বর্তমানে American Diabetes Association (ADA) কর্তৃক ঘোষিত মানদন্ড হচ্ছে ----

>140 mg P.P) হিসাবে বিশ্বের ৫০ % মানুষকে কৌশলে ডায়বেটিস রোগী বানিয়ে ফেলা হয়েছে, এদের অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগী না হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত ওষুধ খেয়ে নানাবিধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে নিঃস্ব হয়ে মারা যাচ্ছেন।

অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে,
টেস্ট করালেই যে কোনো মানুষ প্রি-ডায়াবেটিক রোগী হিসেবে গণ্য হবেন!

★ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কনভেনশনে সিদ্ধান্ত হয় যে, প্রচলিত ওষুধ দিয়ে ৪৮টি রোগের চিরস্থায়ী নিরাময় সম্ভব, সেই তালিকায় ডায়াবেটিসও রয়েছে।

এদিকে আমাদের দেশের ঔষধ কোম্পানিগুলি ডায়াবেটিসের মানদন্ড হিসেবে রক্তে শর্করার মাত্রা ৬.৫ % থেকে কমিয়ে ৫.৫%-এ নামিয়ে আনার জন্য তাদের এজেন্ট বা প্রতিনিধিদের দ্বারা অবিরাম ডাক্তারদের মগজ ধোলাই করে চলেছেন, এবং অনেকাংশ ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন।

পরিণামে আর কিছু হোক বা না হোক দেশে ডায়াবেটিসের ওষুধ বিক্রিতে মাত্রাতিরিক্ত লাভ বৃদ্ধি সুনিশ্চিত হয়েছে।

যদিও অনেক চিকিৎসক মনে করেন- রক্তে শর্করার মাত্রা সর্বোচ্চ ১১% পর্যন্ত ডায়াবেটিস হিসেবে গণ্য করা যায় না।

প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা যেতে পারে। ২০১২ সালে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট বিশ্ববিখ্যাত এক ওষুধ কোম্পানিকে ৩ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, তারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যে ওষুধ বাজারজাত করছে, তা খেয়ে ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রোগীর মৃত্যুহার ৪৩% বেড়ে গেছে! পরে জানা যায়, ওই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই ব্যাপারটি জানতো, এবং তাদের ট্রায়াল থেকেও ঐ একই রিপোর্ট এসেছিল। কিন্তু তারা সেদিকে দৃষ্টিপাত না করে মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দিয়েছিল । মানুষের প্রাণের কোন মূল্য তাদের বিবেচনায় ছিল না। ফলে ঐ সময়ে তারা প্রায় ৩০০ বিলিয়ন মুনাফা করেছিল ।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হোমিওপ্যাথ ⚫ ডা. রবিন র্মাফি ⚫১৮/১১/২১ আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে এবং আমরা একটি উজ...
18/11/2021

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন হোমিওপ্যাথ
⚫ ডা. রবিন র্মাফি ⚫১৮/১১/২১ আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে এবং আমরা একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র কে হারালাম । এই মহান হোমিওপ্যাথের মৃত্যুতে আমরা সবাই গভীরভাবে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি।

⭕ রবিন মার্ফি
১৯৫০ সালে ১৫ আগষ্ট ,
আমেরিকার Michigan অঙ্গরাজ্যের Grand Papids শহরে জন্ম গ্রহণ করেন ।
' University of Michigan ' থেকে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন ।
ডিগ্রী লাভের পর অস্টিওপ্যাথিক স্কুলে আবেদন করেন ।
চিকিৎসা বিজ্ঞান ইতিহাসেই তিনি সবচেয়ে বেশী অনুরাগী ছিলেন ।

সত্তর দশকের দোড়ার দিকে তিনি বিভিন্ন প্রাচীন চিকিৎসা ব্যবস্থা ও ঔষধ নিয়ে গবেষণা করছিলেন ।

হঠাৎ একদিন , কলেজের হল ঘরের মধ্যে হাঁটছিলেন তখন তার নজরে পরে কিছু পুরাতন বই এবং থমকে যান তিনি ।
কাছে গিয়ে দেখেন সেখানে পুরো দুই সেলফ ভরা অষ্টাদশ শতকের পুরাতন হোমিওপ্যাথিক বই ও জার্নাল ।
এর আগে তিনি কখনও হোমিওপ্যাথির নাম পর্যন্ত শুনেননি ।

এক বছর ধরে বিভিন্ন বই এবং পুরাতন জার্নাল পড়ে জানতে পারেন , তখনও হোমিওপ্যাথি অনেক স্থানেই চালু আছে এবং অনেকেই হোমিওপ্যাথি প্রাকটিস করেন ।

১৯৭৬ সালে National College of Naturopathic Medicine- এ হ্যানিম্যান বৃত্তি নিয়ে ভর্তি হন এবং এন ডি ( Doctor of Naturopathy ) ডিগ্রী লাভ করেন ।
তার জন্য অনেকেই হোমিওপ্যাথির অনুরাগী হয়েছেন ।
১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত NCNM এর হোমিওপ্যাথিক বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন এবং Bastyr University তেও শিক্ষকতা করেন ।
তিনি বহু হোমিওপ্যাথি পুস্তক প্রণেতা ।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী উল্লেখযোগ্য

🔴 ’ Homeopathic Medical Repertory ’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৩ সালে এবং
🔴 Lotus Materia Medica ' প্রকাশিত হয় ১৯৯৬ সালে ।
বর্তমানে Hahnemann Accademy of North America এর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন ।

ন্যাচারোপ্যাথিক স্কুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রথমে ক্লিনিক্যাল ও বর্তমানে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিকে এগিয়ে নিতে সচেষ্ট ছিলেন । আজকে রবিন মার্ফি না ফেরার দেশে চলে গেছেন।

আমরা সবাই তাঁর আত্নার শান্তি কামনা করছি।

Internationally renowned homeopath
⚫ Dr. Robin Murphy 18/11/21 did not leave our country today and we lost a star. We all deeply sympathize with the death of this great homeopath and wish him peace of mind.

Robin Murphy
August 15, 1950
Born in Grand Papids, Michigan, USA
He graduated from the University of Michigan.
After obtaining the degree, he applied to the Osteopathic School.
He was the most admired person in the history of medical science.

In the late seventies he was researching various ancient medical systems and medicines.

Suddenly one day, as he was walking through the college hall room, he noticed some old books and stopped.
Going closer, he saw two full shelves full of eighteenth century old homeopathic books and journals.
He had never heard of homeopathy before.

You can find out by reading various books and old journals for a year, still homeopathy is practiced in many places and many people practice homeopathy.

Hahnemann was admitted to the National College of Naturopathic Medicine in 1986 on a scholarship and received his ND (Doctor of Naturopathy) degree.
Many have become fans of homeopathy for him.
From 1970 to 1974 he was the director of the homeopathic department at NCNM and also taught at Bastyr University.
He is the author of many homeopathy books.
The most notable of these

🔴 ‘Homeopathic Medical Repertory’ was published in 1993 and
Lotus Materia Medica was published in 1997.
Hahnemann is currently the director of the Academy of North America.

Learning from the Naturopathic School, he sought to advance homeopathy through first clinical and now classical homeopathy. Today, Robin Murphy has left for the land of no return.

We all wish him peace of mind.

রোগীর নামঃ লিলি বেগমস্বামীঃ মোঃ আসাদচট্টগ্রাম। রোগী লিপি শরীর -সুঠামদেহীত্বক-চকচকে, তৈলাক্ত, মসৃণ কাতরতা- ১ম শ্রেণির গরম...
09/11/2021

রোগীর নামঃ লিলি বেগম
স্বামীঃ মোঃ আসাদ
চট্টগ্রাম।

রোগী লিপি
শরীর -সুঠামদেহী
ত্বক-চকচকে, তৈলাক্ত, মসৃণ
কাতরতা- ১ম শ্রেণির গরম কাতর
ঘাম- প্রচুর, সূর্য তাপ অসহ্য, রোদে অস্থিরতা
ঘুম-গভীর, অন্ধকারে ভয়, চোরের ভয়
পিপাসা -বেশি, ঠান্ডা পানীয় পছন্দ
মল-শুষ্ক, ২/৩ অন্তর পায়খানা, কোষ্ঠকাঠিন্য
মন- সহজে কান্না করে, স্পষ্ট বাদী,সহজে রেগে যায়
যৌন মিলনে অনীহা, যোনিপথের শুষ্কতা
হাতের তালুতে, আঙ্গুলে আঁচিল, চুলকায়, ৫/৬ যাবৎ
চুলকালে রক্ত বের হয়।
ইতিহাস -ছোটবেলায় দাদ, মলমে চাপা পড়ে
বংশগত - বাবার হৃদরোগ

০৫/০৮/২১
ঔষধ - Nat m-200 ৩ ডোজ
১ সপ্তাহ পর আবার ৩ ডোজ
চুলকানি বৃদ্ধি হয়েছে কিন্তু আঁচিলের কোন পরিবর্তন হয়নি।

০৩/০৯/২১
১০ দিন অন্তর Nat m -1M ৩ দিন

বর্তমান অবস্থায় আঁচিলের ব্যাপক উন্নতি।

Collected
04/11/2021

Collected

03/11/2021

" আমার অংকের মাষ্টারমশাই "
( কিছুটা নিজের জীবনী অবলম্বনে )

বহুদিন আগে লেখা ছিলো।
ফেসবুকে একবার পোস্ট করেছিলাম। চোরেরা দেখছি নিজের নামে অনেক জায়গায় চালাচ্ছে।

তাই ঠিক করছি--- ফেসবুকে ভিডিও ছাড়া লেখা কম দিতে হবে। কারন--অকৃতজ্ঞ চোর বড্ড বেশী।

##############################

ঘোষক যখন তাঁর নামটা ঘোষণা করলেন, মৃদু হেসে উঠে দাঁড়ালেন ডক্টর অশেষ সান্যাল।

সামনের টেবিলে রাখা বিরাট পুষ্পস্তবকের পাশে সুদৃশ্য মানপত্র আর পুরস্কারের চেকটা রেখে, ধীর পায়ে গিয়ে দাঁড়ালেন পোডিয়ামের সামনে।

কর্মবহুল, ব্যস্ত জীবনে অনেকবারই সভা সমিতি সেমিনারের বক্তৃতামঞ্চে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াতে হয়েছে প্রতিভাধর বিখ্যাত গণিতবিদ ডঃ অশেষ সান্যালকে। পোডিয়ামে দাঁড়ানো, স্পটলাইটের আলো গায়ে নেওয়া তাঁর কাছে জলভাত। সংবর্ধনার উত্তরে ধন্যবাদসূচক ভাষণ এতবার দিয়েছেন যে এখন আর ভাবতে-টাবতে হয় না। মুখস্থ বয়ানের মতো তরতর করে ভাষার স্রোত চলে আসে।

কিন্তু আজ, জীবনের সর্ববৃহৎ পুরস্কারটি পাওয়ার পর, পোডিয়ামের মাউথপিসের দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন অশেষবাবু। যেন কথা হাতড়াচ্ছেন, ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না।

দর্শকদের মৃদু গুঞ্জন ও উসখুশুনিতে তাঁর অন্যমনস্কতার ঘোরটা ছিঁড়ে গেল। যেন একটু চমকে উঠে নিজেকে গুছিয়ে নিলেন। তারপর ঈষৎ অপ্রতিভ হেসে শুরু করলেন তাঁর ভাষণ।

আজ এই আলো ঝলমলে পুরস্কার মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি মূহুর্তের জন্য আত্মবিস্মৃত হয়ে পড়েছিলাম, আপনারা তা দেখেছেন হয়তো, কিঞ্চিৎ অবাক হয়েছেনও হয়তো কেউ কেউ । হয়তো অনেকে এও ভেবেছেন যে গণিতের গবেষণার জন্য এই বিপুল সম্মান ও বিশাল অর্থমূল্যের পুরস্কারটি পেয়ে আমি অভিভূত হয়ে পড়েছি। অনেকে এমন প্রত্যাশাও করছেন, আমি অতি বিনয়ের সঙ্গে বক্তব্য রাখবো যে এত বড় সম্মানের আমি যোগ্য নই... ইত্যাদি; যেমন প্রথাগতভাবে বলা হয়ে থাকে।

আজ্ঞে হ্যাঁ, মহোদয়গণ, আপনারা সকলেই ঠিকই ভেবেছেন। আমি সত্যিই বিমূঢ় হয়ে পড়েছি এক তীব্র আবেগের ধাক্কায়। এবং, আমি সত্যিই এই পুরস্কারের যোগ্য প্রাপক নই। এ আমার বিনয় নয়, নিছক প্রথাসম্মত লিপ-সার্ভিস নয়। এ আমার অন্তরের কথা, এ আমার হৃদয়ের কথা!

আজ এই মঞ্চ থেকে আপনাদের বিস্মিত করার জন্যই আমি একটি পুরনো তথ্য বা গল্প তুলে ধরতে চাই। এতক্ষণ ধরে অন্যান্য গুণীজনরা আমার সম্বন্ধে যেসব ভারী ভারী এবং মনোহর বিশেষণ প্রয়োগ করলেন, তার পরে এই গল্পটা শুনলে অনেকেই বিশ্বাস করতে চাইবেন না। কিন্তু গল্পটা সত্য।

তাহলে আরম্ভ করি আমার সেই গল্পটি----

ছোটবেলায় আমি অঙ্কে দারুণ কাঁচা ছিলাম। শুধু কাঁচা বললে কিছুই বলা হল না। ওই একটি বিষয়কে প্রচন্ড ভয় পেতাম আমি। অঙ্কের নাম শুনলে আমার গায়ে জ্বর আসতো। অঙ্কের ক্লাসকে মনে হতো কনসেনট্রেশন ক্যাম্প। ক্লাস সিক্স অবধি আমার অঙ্কের নম্বর ১০/১৫ পেরোয়নি কখনও। হ্যাঁ, ঠিকই শুনলেন আপনারা। ১০, ১৫ র মধ্যেই নম্বর পেতাম আমি অংকে।

আমাকে তাই অঙ্কে মজবুত করার জন্য আমার অভিভাবকরা অনেক খুঁজে খুঁজে এক জাঁদরেল টিউটর জোগাড় করেছিলেন। গাধা পিটিয়ে ঘোড়া করার জন্য খ্যাতি ছিল তাঁর। ইয়া বড় গোঁফ, মোটা ভুরুর নিচে আগুনে চোখ, হাতে বেতের ছড়ি। গুরুগম্ভীর কণ্ঠস্বর। মাঝে মাঝে যখন ধমকাতেন, আওয়াজটা মেঘ গর্জনের মতো লাগতো। ঘড়ি ধরে দু’ঘন্টা, সপ্তাহে চারদিন তিনি আমাকে হামান দিস্তার মধ্যে ফেলে অঙ্কের মুগুর দিয়ে থ্যাঁতলাতেন। এই বুড়োবয়সে আর লুকিয়ে লাভ নেই, সেই টিউটরটিকে আমি সাক্ষাৎ যম মনে করতাম। যেদিন তাঁর আসার কথা থাকতো সকাল থেকেই আমার হাত-পা ঘামতে শুরু করতো।

তাঁর পড়ানোর পদ্ধতিটিও ছিল ভয়াবহ। প্রশ্নমালার পর প্রশ্নমালা অঙ্ক গড়গড় করে কষে দিতেন খাতায়, বুঝেছি কি বুঝিনি সে-বিষয়ে তাঁর কোন মাথাব্যথা ছিল না। নিজের কষা শেষ হলেই নির্দেশ দিতেন, অন্য খাতায় সেই অঙ্কগুলিই কষতে হবে আমাকে। না পারলেই বেদম প্রহার। প্রাণের দায়ে আমি ওই কষানো অঙ্কগুলিকে দাঁড়ি-কমা-সমেত মুখস্থ করার চেষ্টা করতাম। তার ফল --- মোক্ষম সময়ে সব উল্টোপাল্টা হয়ে যেতো। স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা করতো , বুদ্ধিতে জট পড়ে যেতো। মার খাওয়ার মাত্রা বাড়তো কিন্তু পরীক্ষায় অংকের নম্বর কমতো। দিন দিন তীব্রই হতো থাকলো আমার অঙ্কের ভীতি।

সিক্সের হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষায় একশোর মধ্যে শূন্য পেলাম।

তখন আমার জ্যাঠামশাই সেই বিভীষণ টিউটরকে বিদায় দিলেন। বাবাকে বললেন, একটা লোক পাওয়া গেছে, অঙ্ক ভালো জানে বলে শুনেছি... কিন্তু বেজায় গরীব। টিউশনি খুঁজছে। চেঞ্জ করে একবার দেখাই যাক না। যদি বুঝিয়ে-সুঝিয়ে ছেলেটার মাথায় কিছু ঢোকাতে পারে! মেরে ধরে তো কিছু হল না।

আমার বুকটা ঢিপঢিপ করছিলো । আবার নতুন মাস্টার ! তপ্ত চাটু থেকে গনগনে উনুনে এসে পড়বো না তো ! ঠাকুরকে ডাকছিলাম, যেন চেহারাটা দেখেই হৃৎকম্প না হয়, যেন একটু নরমসরম মানুষ হয়।

অবশ্য ভরসাও যে পাচ্ছিলাম খুব, এমনটা নয়। অঙ্কের মাস্টাররা দুনিয়ার কঠোরতম ও ভয়ঙ্করতম মানুষ হয়ে থাকেন — এই ধারণাটা ততদিনে থুজার মতন বদ্ধমূল হয়ে গিয়েছিল আমার মনে।

কিন্তু যেদিন বিকেলবেলা জ্যাঠার পিছন পিছন আমাদের বাড়িতে ঢুকলেন নতুন টিউটর, আমি ভয় পাওয়া তো দূরের কথা, একটু হেসেই ফেললাম।

এ কী! অংকের মাস্টারমশাই আবার এরকম হয় না কি ? রোগা ডিগডিগে চেহারা, মাথায় উড়োখুড়ো একরাশ চুল, খোঁচাখোঁচা দাড়ি, জামাকাপড় কেমন আলুথালু , আর ময়লা। চোখে মোটা কাঁচের সস্তার কালো ফ্রেমের একটা চশমা। একটু সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া চেহারা।

মানুষটা, কি রকম যেন সংকুচিতভাবে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে! হাতে একটা লম্বা ছাতা, একটা শিকের থেকে কাপড় খুলে ঝুলছে। কাঁধে একটা ফুটো হওয়া ঝোলা ব্যাগ, ব্যাগের চেনটাও কাটা, একতাড়া রোল করা কাগজ উঁকি মারছে ব্যাগটার ভিতর থেকে। আমি ভয় পাব কি, মানুষটাই যেন সিঁটিয়ে রয়েছে সর্বক্ষণ!

প্রথম দর্শনেই ভয়টা একদম কেটে গিয়েছিল আমার। তাই বেশ স্মার্ট ভঙ্গিতে পড়ার টেবিলে গিয়ে বসলাম। আমার নতুন মাস্টারমশাই খুব সংকুচিত ভঙ্গিতেই একটু হাত বুলিয়ে দিলেন আমার পিঠে, তারপর সেই অপরাধী-অপরাধী চাউনিতে একবার পর্দা-ঝোলানো দরজার দিকে তাকিয়ে নিলেন। খুব গোপন কথা বলছেন এইভাবে ফিসফিস করে আমাকে জিগ্যেস করলেন,
"তুমি অঙ্কে খুব কাঁচা?"
আমি ঘাড় নেড়ে হ্যাঁ বললাম।
উনি বললেন, "ভয় পাও খুব?"
আমি ফের ঘাড় নাড়তে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর গলাটা আরও একটু নামিয়ে করুণ মুখে বললেন, " আমিও অংকে খুব ভয় পাই। কাউকে বলোনা কিন্তু।"

আমি হাঁ করে তাকিয়ে। আরেকটু ঝুঁকে এসে আমার নতুন অঙ্ক-স্যার বললেন, " টিউশনটা চলে গেলে খেতে পাবো না,তাই ঝপ করে রাজি হয়ে গেছি। কিন্তু অঙ্ক আমি তেমন পারি না। ভয়ও পাই শক্ত অঙ্ক দেখলে। এখন তুমিই আমার ভরসা। টিউশনটা চলে গেলে কিন্তু খেতে পাবো না খোকন!

স্যার আমার একটা হাতের মুঠো ধরে বললেন, তুমি একটু সাহায্য করো আমায়। আমি তো প্রায়ই অংক সলভ করতে গিয়ে আটকে যাবো, তুমি একটু মাথা খাটিয়ে উতরে দিও ঐসব আটকে যাওয়া জায়গাগুলোতে। তোমার কমবয়সী ব্রেন, ফ্রেশ বুদ্ধি, তুমি ঠিক পারবে। আর এসব কথা কাউকে যেন কিচ্ছুটি বলে ফেলো না, তাহলে খুব বিপদ হয়ে যাবে, আমাকে আর রাখবে না তোমার বাবা, জেঠুরা।

বিস্ফারিত চোখে নতুন মাস্টারমশাইকে দেখছিলাম আমি। কি রকম কাঁচুমাচু মুখ, কাঁদো-কাঁদো স্বর! চোখ দুটো দেখে ভারী মায়া হল। হঠাৎ মনে কীরকম একটা অদ্ভুত জোর এলো আমার,

সহানুভূতি দেখানো প্রত্যেক মানুষের একটা তীব্র আবেগ, বিপন্নকে সাহায্য করার জন্য ভীতু, দুর্বল মানুষও এক নিমেষে প্রাণ তুচ্ছ করে ঝাঁপিয়ে পড়ে কখনো কখনো! আমারও সেইরকম মনে হলো।

কোনও একটা ভালো কাজ করার ইচ্ছা জাগলে যেমনভাবে শরীরের স্নায়ুরা চনমনিয়ে ওঠে, তেমনই উদ্দীপনা টের পেলাম আমার বুকের মধ্যে।

ঠিক করলাম, বাঁচাতেই হবে মানুষটাকে! তার জন্যে নিজে-নিজে অঙ্ক কষা চাপ, ঠিকমতন অংক কষা শিখবো, মাথা খাটাবো, অঙ্ক নিয়ে ভাববো , প্রাণপণ চেষ্টায় আয়ত্ত করবো অংকের সমাধান সূত্র গুলোকে। যদি পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাই, বাবা, জেঠুরা যদি বোঝে আমার উন্নতি হয়েছে--- তবেই এর চাকরিটা থাকবে। আহা, মানুষটা বড় অসহায়!

আপনারা বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, পরের দিন থেকেই অঙ্কের ভয়টা কর্পূরের মতো উবে গেল আমার মন থেকে! সব সাবজেক্ট ছেড়ে অঙ্কের বই নিয়ে পড়ে রইলাম দিনরাত। উদাহরণ দেখে দেখে চ্যাপ্টারের পর চ্যাপ্টার বুঝতে শুরু করলাম। জেদের রোগ চেপে গিয়েছিল আমার মাথায়। যেখানটা জটিল লাগছে, সেখানটা নিয়ে রগড়াচ্ছি ঘন্টার পর ঘন্টা। দেখছি, শেষ অবধি ঠিক খুলে যাচ্ছে জট। নিজেই অতিক্রম করছি একটার পর একটা বাধা। একটাই লক্ষ্য, মাস্টারমশাইকে বাঁচাতে হবে । সপ্তাহ তিনেকের মধ্যেই টের পেলাম, অঙ্ক কিলবিল করছে আমার মাথায়। সমস্যা দেখামাত্র সমাধানের সূত্রগুলো স্টেপ বাই স্টেপ বুঝতে পেরে যাচ্ছি। আর একটা জিনিস এতদিন বুঝতে পারিনি--- একটা শক্ত অঙ্ক কষে ফেলার মধ্যে ভীষণ আনন্দ লুকিয়ে আছে। যে আনন্দ বুঝতামই না আগে!

মাস্টারমশাইও খুব চেষ্টা করতেন। কিন্তু তিনি প্রায়ই আটকে যেতেন। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্র-শিক্ষকের ভূমিকা প্রায় পাল্টাপাল্টি হয়ে গেল। হয়তো একই অঙ্ক দুটো খাতায় দুজন কষে বার করবো বলে চেষ্টা করছি । আমার উত্তর বেরিয়ে গেল, কিন্তু তিনি তখনও দাগ কাটছেন আর লিখছেন। তারপর বলতেন--
"এঃ হে, তুমি তো আগেই করে ফেললে... কী প্রসেসে করলে একটু বুঝিয়ে দাও দেখি," বলে বড় করুণভাবে হাসতেন। আমিই যেন মাস্টারমশাই, এরকম ভঙ্গি করে আমি তাঁকে বোঝাতে শুরু করতাম।

"ওহ, এই ব্যাপার," বলে, যেন নিজের লজ্জা ঢাকতেন । তারপর আরও শক্ত একটা অঙ্ক দেখিয়ে তিনি বললেন, "এটা কিন্তু অত সহজে হবে না মনে হচ্ছে!" আমার মাথায় জেদ চেপে যায়। কি! হবে না আবার! চোয়াল শক্ত করে ভুরু কুঁচকে মগজ খাটিয়ে ঠিক রাস্তাটা বের করে ফেলতাম কিছুক্ষণের মধ্যেই। মাস্টারমশাইয়ের মুখ সরল হাসিতে ভরে যেতো। তিনি বলতেন,
"তোমার তো দারুণ মাথা! পরীক্ষায় পারবে তো সব ঠিকঠাক করে করতে! দেখো বাবা, আমার টিউশনটা যেন থাকে ",
ততদিনে বিপুল আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে গেছে আমার। বলতাম, ঠিক পারবো, ‘দেখে নেবেন স্যার!

কখনও আবার মাস্টারমশাই কোথা থেকে সব বিটকেল অঙ্ক বেছে বেছে নিয়ে আসতেন। বলতেন, "এগুলো আমি একদমই ধরতে পারছি না। দ্যাখো তো, তোমার ব্রেনে যদি কিছু আসে... বড্ড শক্ত, তুমিও বোধহয় পারবে না! কি! পারবো না! রক্ত আমার গরম হয়ে উঠতো ঐ কথা শুনে। পারবো না আবার ! খাতা পেন্সিল নিয়ে বসে পড়তাম, এদিক সেদিক দিয়ে মাথা খোঁড়াখুঁড়ি করতাম। পাশে বসে মাস্টারমশাইও একটা-দুটো ক্লু হাতড়ে দিতেন। তারপর একসময় ‘ ইউরেকা! ইউরেকা! বলে চেঁচিয়ে ঊঠতাম। গড়গড় করে সমাধান করে ফেলতাম। কৃতজ্ঞ গলায় মাস্টারমশাই বলতেন , " উফ, ভাগ্যিস তুমি ছিলে..."

স্কুলের স্যারেরাও বেশ অবাক হচ্ছিলেন। ক্লাসে যে অঙ্কই দেওয়া হোক, সবার আগে করে ফেলছিলাম আমি। অবিনাশ স্যার একদিন বলেই ফেললেন, তোর নিরেট মাথাটা কোন ম্যাজিকে এরকম খুলে গেল রে! বিশ্বাসই হতে চায় না আমার!
ফস করে বলে ফেললাম, এবার অ্যানুয়াল পরীক্ষার নম্বর দিতে গিয়েও আপনার বিশ্বাস হবে না, স্যার!

বাড়িতে কিন্তু মাস্টারমশাই ওই কথাটা শুনে মাথা নেড়ে বললেন, "ওরকম আগে থাকতে বড়াই করে বলতে নেই খোকন, যদি পরীক্ষায় আগের মতো সব ভুলে টুলে যাও?"
আমি স্থির চোখে তাকিয়ে বলেছিলাম, ভুলে যাব কী করে ? আমার মগজে এখন অঙ্ক ঠাসা থাকে জানেন না ? আর কারও জন্যে না হোক, আপনার জন্যে পারতেই হবে আমাকে, তাই না ?

সেই প্রথম তাঁর ভিতু-ভিতু চোখ দুটোকে আমি চিকচিক করে উঠতে দেখছিলাম। অশ্রুতে, না কি উত্তেজনায় --- তখন বুঝে উঠতে পারিনি।

গ্লাস থেকে একটু জল খেলেন ডক্টর সান্যাল। গলাটা একটু ঝেড়ে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড চুপ করে রইলেন, তারপর বললেন, আর বেশি সময় আমি ব্যয় করবো না । অনেক ধৈর্য নিয়ে শুনছেন আপনারা, কিন্তু গল্প এবার শেষ হয়ে এসেছে।

রেজাল্ট যেদিন বেরুলো, সেদিন স্কুলের স্যারেরা হতবাক! বললে একদম আষাঢ়ে গল্পের মতো শোনাবে! যে ছেলে জীবনে কখনও অংকে দু’অঙ্কের নম্বরও ছুঁতে পারেনি, সিক্স থেকে সেভেনে উঠছে সে এক্কেবারে তিন অঙ্ক নিয়ে। ১০০ তে ১০০, পাক্কা একশো! মিরাকেল বললেও কম বলা হয়। খাতা তিনবার চেক করেও একটা নম্বর কাটতে পারেননি অবিনাশ স্যার!

রেজাল্ট নিয়ে নাচতে নাচতে বাড়ি ফিরেই বাবাকে বললাম, বাবা! আমাকে এক্ষুণি মাস্টারমশায়ের কাছে নিয়ে চলো ! তাঁকে আমার রেজাল্ট না-দেখানো পর্যন্ত আমার ছটফটানি কমবে না।

বাবার মুখটা দেখলাম কেমন গম্ভীর। চুপ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আমি যে এত ভাল রেজাল্ট করেছি তাতে তার কোনও উচ্ছ্বাস নেই। খুব শান্ত, নিচু গলায় ধীরে ধীরে বললেন,
"হ্যাঁ, তোমাকে তাঁর কাছে নিয়ে যাব বলেই অপেক্ষা করছি।"
একটু থেমে যোগ করলেন, " তিনিও তোমাকে দেখতে চান "।
বাবা আমাকে গাড়ীতে বসালেন ।

আমাদের গাড়িটা কিন্তু কোনও বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়াল না।

ভীষণ অবাক হয়ে দেখলাম,সামনে একটা হাসপাতালের গেট !
বাবার মুখের দিকে তাকালাম। কি ব্যাপার বাবা, ...এখানে...?

“তোমার মাস্টারমশাই খুব অসুস্থ। পরশু থেকে তাঁর কুঁড়েঘরে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন। আমরাই খবর পেয়ে তাঁকে ভর্তি করেছি এই হাসপাতালে। কিছুক্ষণ আগে একটু জ্ঞান ফিরেছে, শুধু তোমাকে খুঁজছেন..., বলছেন -- খোকন কোথায়, আমার খোকন? ", খোকনের রেজাল্টটা দেখবো!

বাবা চুপ করে গেলেন।
আমার গলাটা কেমন যেন শুকিয়ে এলো। চুপচাপ হাঁটতে লাগলাম ওয়ার্ডের গলি ধরে বাবার পিছনে পিছনে। অনেকগুলো মোড় ঘোরার পর মাস্টারমশাইয়ের বেড। নিঃশব্দে তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম।

এই দু’ই তিন দিনেই তাঁর রোগা শরীর একদম বিছানার সঙ্গে মিশে গেছে। চোখের কোলে গভীর কালি। তবু আমার মার্কশিটটা দেখে মুহূর্তের জন্য উজ্বল হয়ে উঠল তাঁর চোখ। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছিল, আমার হাতদুটো নিজের মুঠোয় চেপে ধরছিলেন তিনি বারবার।

শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাচ্ছে দেখে নার্স যখন আমাদের চলে যেতে বললেন, তখন আর একবার মাস্টারমশাইয়ের করুণ চোখদুটিতে আমি অশ্রু চিকচিক করে উঠতে দেখেছিলাম। প্রাণপণে ভাঙা ভাঙা স্বরে হাঁফাতে হাঁফাতে বাবাকে বললেন, " আপনাকে ... যা বলেছিলাম ... দেখবেন ... ঠিক দেখবেন তো! .."

বাবা তাকে আশ্বস্ত করে বললেন, "আপনি সে ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকুন।”

আমরা ওয়ার্ডের দরজার বাইরে কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে ফিরে এলাম।

থামলেন ডাঃ অশেষ সান্যাল।

মাথাটা নিচু করে রইলেন কিছুক্ষণ, মাইক্রোফোনের ধাতব দণ্ডটা চেপে ধরলেন মুঠোয়। ঢোঁক গিললেন একবার। তারপর একটা শ্বাস চেপে নিয়ে বললেন, সেই তাঁকে আমার শেষ দেখা। সেই রাত্রেই তিনি মারা যান। তাঁর মৃতদেহ আমাকে দেখানো হয়নি।

পরের দিন রাত্রে বাবা আমাকে ডেকে বলেছিলেন, "তোমার মাস্টারমশাই এই কাগজগুলি দিতে বলেছেন তোমাকে।"

দেখলাম, একটা ফিতে দিয়ে বাঁধা মলিন একটা ফাইল। তাঁর মধ্যে গোটা তিনেক ডাইরি আর কয়েক দিস্তে কাগজ। নীল কালির কলমে কষা অদ্ভুত অদ্ভুত অঙ্কে ভর্তি। প্রচুর কাটাকুটি, তার ফাঁকে ফাঁকে অজস্র সংখ্যার মেলা।

এ সব অঙ্কের বিন্দুবিসর্গ আমার জানা নেই। শুধু হাতের লেখাটি খুব চেনা। আর ওই হিজিবিজি কাটাকুটির ধরণটিও বড় আপন যেন!

সব হায়ার ম্যাথামেটিক্স। অংকের গবেষণামূলক কাজ। মানুষটা যে এতবড় গুণী, তা আমাকে একদম বুঝতে দেয়নি।

শুধু আমার ইগোকে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে ব্রেন খাটাতে সাহায্য করে আমাকে অংক বিশারদ করে দিয়ে গেছেন,

বাবা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, --" রিসার্চটা শেষ করে যেতে পারলেন না। সাধারণ লোকের পক্ষে এর মর্ম বোঝা সম্ভবও নয়। কিন্তু এই সমস্ত কাজ উনি তোমায় দিয়ে গেছেন। বলে গেছেন আমার খোকন পারবে। বলে গেছেন --তুমি যেন বড়ো হয়ে এই গবেষণাটা শেষ করো, এইটাই ছিলো তাঁর শেষ ইচ্ছা। তোমাকে প্রাণভরে আশীর্বাদ করে গেছেন, বলে গেছেন--এই কাজটাতে সফল হয়ে তুমি যেন দেশের মুখ উজ্জ্বল করো! "

চশমা খুলে ফেলেছেন ডঃ অশেষ সান্যাল। চশমার কাঁচ দুটো মুছেই চলেছেন। দর্শকমণ্ডলীর মধ্যে সূঁচপড়া নিস্তব্ধতা।

একটু কাশলেন গণিতবিদ, একটু দম নিলেন। নিচের ঠোঁটটা দাঁতে কামড়ে উদ্গত আবেগকে চাপার চেষ্টা করলেন,

“আমার গলাটা যে বার বার ধরে আসছে, তা আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন।

হ্যাঁ, মহাশয়গণ, আমি আমার কান্নাকে নিয়ন্ত্রণ করার অক্ষম চেষ্টা করছি মাত্র ।

আমার আর বিশেষ কিছু বলার নেই, শুধু যে কথাটা ইতিমধ্যে আপনারা বুঝেই ফেলেছেন সেটাই আমি নিজের মুখে স্বীকার করতে চাই সবার সামনে,

হ্যাঁ, তার কাছেই আমি ঋণী। তিনি মানে আমার স্বর্গতঃ মাস্টারমশাইয়ের কাছে। যিনি আমার সামনে অভিনয় করেছিলেন, নিজে অঙ্ক পারেন না এই কথা বলে। উশকে দিয়েছিলেন আমার ঘুমিয়ে থাকা চেতনাকে।

ছাত্রকে উজ্জীবিত করার জন্যে যে শিক্ষক সমস্ত ইগো বিসর্জন দিয়েছিলেন। যিনি বদলে দিয়েছিলেন আমার জীবন।

না , এইটুকু বললে বোধহয় ঠিক বলা হল না। তিনি কি শুধু আমার জীবনকে বদলে দিয়েছিলেন?

না, সত্যি কথাটা এই যে, তিনিই আমাকে আজকের এই জীবনটা দিয়ে গেছেন।

এই পুরস্কার তো তাঁরই প্রাপ্য। এ পুরস্কার তো তারই,

এই যে বিপুল সম্মান আজ বর্ষিত হল আমার ওপর, মৌলিক সংখ্যার অনন্ত সম্ভাবনা নিয়ে যে গবেষণার জন্য এই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার আমি পেলাম, সবই তো আমার সেই দরিদ্র, অখ্যাত মাস্টারমশাইয়ের স্বহস্তে কেটে তৈরি করা পথে হেঁটে আসার ফসল।

তাঁর সেই ডাইরি আর কাগজগুলোতে তিনিই গোড়াপত্তন করে গিয়েছিলেন এই গভীর ও মহৎ অনুসন্ধানের।

আমি শুধু সেগুলোকে তাঁর লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পেরেছি,
এইটুকুই আমার অবদান।

সুধীবৃন্দ, আমার এই পুরস্কারের সমস্ত অর্থ দিয়ে আমি একটি তহবিল গড়ব বলে মনস্থ করেছি। গণিতে বিরল মেধার অধিকারী অথচ দুঃস্থ, এমন ছাত্রদের নিয়মিত বৃত্তি দেওয়া হবে এই তহবিল থেকে। এই বৃত্তির নাম হবে আমার মাস্টার মশাইয়ের নামে ---
" শিবনাথ সরকার মেমোরিয়াল স্কলারশিপ " ।
যে শিবনাথ সরকারই ছিলেন আমার ছোটবেলার সেই অঙ্কের মাস্টারমশাই।

যে মাস্টারমশাই
Made me what I am today,

প্রণাম জানাই আমার সেই মাষ্টারমশাইকে!

এমন মাস্টার মশাই যেন যুগে যুগে বারে বারে ফিরে ফিরে আসে এ ধরণীতে।!

(DrRabin Barman স্যারের ফেবু ওয়াল থেকে সংগৃহিত)

Address

Bibirhat Road, Adarsha High School

Opening Hours

Monday 16:30 - 21:00
Tuesday 16:30 - 21:00
Wednesday 16:30 - 17:00
Thursday 16:30 - 21:00
Friday 09:00 - 12:30
15:00 - 21:00
Saturday 16:30 - 21:00
Sunday 16:30 - 21:00

Telephone

+8801740889868

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hahnemann Homeo hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hahnemann Homeo hall:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram