Dr. Md. Shah Alam

Dr. Md. Shah Alam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Shah Alam, Doctor, Dakshin Surma, Sylhet, Lalabazar.

19/10/2025

নিম্ন খাদ্য গ্রহণের (Low food intake) চিকিৎসাবিদ্যাগত উপকারিতা 🩺🍎
1. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে – কম খাবার খেলে ক্যালোরি গ্রহণ কমে, ফলে অতিরিক্ত চর্বি জমতে পারে না ও ওজন স্বাভাবিক থাকে।
2. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে – অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, কিন্তু সীমিত খাবার গ্রহণ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
3. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় – কম খাবার খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড ও রক্তচাপ কমে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারী।
4. হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে – অতিরিক্ত খাবার হজমতন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করে, কিন্তু হালকা খাবার হজম সহজ করে ও গ্যাস কমায়।
5. দীর্ঘায়ুতে সহায়তা করে – গবেষণায় দেখা গেছে, সীমিত ক্যালোরি গ্রহণ কোষের বার্ধক্য ধীর করে ও আয়ু বাড়াতে পারে।
6. মানসিক সতেজতা বজায় রাখে – অতিরিক্ত খাবার ঘুমঘুম ভাব ও ক্লান্তি আনে, কিন্তু হালকা খাবার মনোযোগ ও সজাগতা বাড়ায়।
7. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে – শরীরে প্রদাহ (inflammation) কমে, ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়।
8. লিভার ও কিডনির কাজ সহজ করে – কম খাবারে টক্সিন জমা কম হয়, ফলে লিভার ও কিডনি কম পরিশ্রমে কাজ করতে পারে।

চিকিৎসকরা বলেন — “অতিরিক্ত খাবার শরীরের শত্রু, আর পরিমিত খাবারই সুস্থ জীবনের মূল।” 🌿

18/10/2025

🧠 নেগেটিভ থিংকিং বা নেতিবাচক চিন্তা কী

নেতিবাচক চিন্তা মানে হলো — নিজের, অন্যের বা জীবনের প্রতি বারবার খারাপ, হতাশাজনক বা ভয়ভীতিকর ধারণা তৈরি হওয়া।
যেমন:
• “আমি পারব না।”
• “সব কিছু খারাপ হবে।”
• “আমার জীবনে ভালো কিছু হয় না।”



💊 চিকিৎসা (Treatment)

১️⃣ মনোচিকিৎসা বা কাউন্সেলিং

সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা হলো কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT)।
এতে রোগীকে শেখানো হয় কীভাবে নিজের নেতিবাচক চিন্তা চিহ্নিত করে, তা ইতিবাচক চিন্তায় পরিবর্তন করতে হয়।

🔹 উদাহরণ:
নেতিবাচক চিন্তা: “আমি ব্যর্থ।”
ইতিবাচক পরিবর্তন: “আমি এবার শিখেছি, পরের বার ভালো করব।”



২️⃣ রিলাক্সেশন ও মেডিটেশন
• নিয়মিত গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, ধ্যান, বা নামাজ/প্রার্থনা মনকে শান্ত রাখে।
• স্ট্রেস কমলে নেতিবাচক চিন্তাও কমে যায়।



৩️⃣ শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
• প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম
• পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ
👉 এগুলো মন ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



৪️⃣ ঔষধ (যদি প্রয়োজন হয়)
• অতিরিক্ত উদ্বেগ বা বিষণ্নতা থাকলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
• নিজে থেকে ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা যাবে না।



🗣️ কাউন্সেলিং ধাপ (Counselling Steps)

🔸 ধাপ ১: শ্রবণ ও বোঝা

রোগীর কথা ধৈর্য ধরে শোনা — কোন ঘটনা বা চিন্তা তার মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তা বোঝা।

🔸 ধাপ ২: চিন্তা শনাক্ত করা

রোগীকে বলতে বলা হয় — “আপনি কী ভাবছেন যখন মন খারাপ লাগে?”
এতে নেতিবাচক চিন্তা বের হয়ে আসে।

🔸 ধাপ ৩: চিন্তা চ্যালেঞ্জ করা

প্রশ্ন করা হয় —
• “এই চিন্তার প্রমাণ কী?”
• “কোনো ইতিবাচক দিক কি আছে?”

এভাবে রোগী নিজের চিন্তা নিয়ে ভাবতে শেখে।

🔸 ধাপ ৪: ইতিবাচক বিকল্প তৈরি করা

রোগীকে ইতিবাচকভাবে চিন্তা করার অনুশীলন করানো হয়।
যেমন, “আমি পারব না” → “আমি চেষ্টা করলে পারব।”

🔸 ধাপ ৫: মোটিভেশন ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

রোগীকে উৎসাহ দেওয়া হয় ছোট ছোট সফলতা দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে।



🌿 নিজে নিজে অনুশীলনের কিছু কৌশল
1. প্রতিদিন সকালে ইতিবাচক কিছু বলা (“আমি আজ ভালো কিছু করব”)
2. কৃতজ্ঞতা অনুশীলন (দিনে ৩টি ভালো ঘটনার কথা ভাবা)
3. নেতিবাচক খবর বা মন্তব্য থেকে দূরে থাকা
4. নিজের পছন্দের কাজ (গান, বই, হাঁটা) করার অভ্যাস

17/10/2025

🩺 রোগীর অধিকার (Right of Patient)



🌿 রোগীর অধিকার — জানুন, সচেতন হোন! 🌿

প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সময় কিছু মূল অধিকার রাখে —
এই অধিকারগুলো জানা মানে নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

👇 নিচে জানুন আপনার অধিকারগুলো 👇

1️⃣ চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার
➡️ ধর্ম, লিঙ্গ বা আর্থিক অবস্থার পার্থক্য ছাড়াই সবাই চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখে।

2️⃣ তথ্য জানার অধিকার
➡️ নিজের রোগ, চিকিৎসা পদ্ধতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানার অধিকার আপনার।

3️⃣ গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার
➡️ আপনার ব্যক্তিগত ও চিকিৎসা তথ্য গোপন রাখা চিকিৎসকের নৈতিক দায়িত্ব।

4️⃣ সম্মতির অধিকার (Informed Consent)
➡️ কোনো পরীক্ষা বা চিকিৎসার আগে আপনার সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

5️⃣ চিকিৎসা প্রত্যাখ্যানের অধিকার
➡️ ঝুঁকি জেনে আপনি চিকিৎসা বা পরীক্ষা নিতে অস্বীকার করতে পারেন।

6️⃣ সম্মান ও মর্যাদার অধিকার
➡️ প্রতিটি রোগী মানবিক আচরণ ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।

7️⃣ অভিযোগ করার অধিকার
➡️ ভুল চিকিৎসা বা অবহেলার ক্ষেত্রে অভিযোগ জানানো আপনার ন্যায্য অধিকার।

15/10/2025

🧠 অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (OCD): আমরা যাকে বলি “চিন্তা আর কাজের ফাঁদ”

অনেক সময় আমরা দেখি, কেউ বারবার হাত ধুচ্ছে, দরজাটা ঠিকমতো লক হয়েছে কি না সেটা বারবার দেখে, বা মাথায় এক রকম চিন্তা ঘুরে ঘুরে আসে — থামাতে চাইলেও থামাতে পারে না।
এটাই হতে পারে OCD বা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার।



🌀 OCD মানে কী?

OCD একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যেখানে মানুষ অবসেশন (Obsession) ও কমপালশন (Compulsion) এর চক্রে পড়ে যায়।

🔹 অবসেশন (Obsession):
অযৌক্তিক, বিরক্তিকর বা অস্বস্তিকর চিন্তা যা বারবার মনে আসে — যেমন “আমার হাত নোংরা হয়েছে”, “আমি কিছু ভুল করেছি”, “কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে” ইত্যাদি।

🔹 কমপালশন (Compulsion):
সেই চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে বারবার কিছু কাজ করা — যেমন অতিরিক্ত হাত ধোয়া, দরজা-জানালা পরীক্ষা করা, নির্দিষ্ট নিয়মে জিনিস সাজানো ইত্যাদি।



😟 লক্ষণ:
• বারবার হাত ধোয়া বা গোসল করা
• দরজা, গ্যাস, লক ইত্যাদি বারবার চেক করা
• সবকিছু নির্দিষ্টভাবে সাজানোর জেদ
• বারবার গোনা, গণনা করা বা প্রার্থনা করা
• মনের মধ্যে খারাপ চিন্তা ঘুরে ঘুরে আসা



⚠️ এর ফলে কী হয়?

OCD আক্রান্ত ব্যক্তি জানে যে এসব চিন্তা ও কাজ অতিরিক্ত, কিন্তু থামাতে পারে না। এতে সময় নষ্ট হয়, কাজের ক্ষতি হয়, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।



💬 চিকিৎসা আছে:

OCD একেবারে সারানো যায় না — কিন্তু সঠিক চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

চিকিৎসার ধাপগুলো হতে পারে:
1. সাইকোথেরাপি (CBT বা Cognitive Behavioral Therapy)
2. ওষুধ (Antidepressant / SSRI group)
3. পরিবার ও সমাজের সহানুভূতি ও সহায়তা



❤️ মনে রাখুন:
• OCD দুর্বলতার নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য মানসিক রোগ।
• কাউকে উপহাস করবেন না বা “পাগল” বলবেন না।
• বোঝার চেষ্টা করুন, সহানুভূতিশীল হোন।



🩺 মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন — কারণ মনও শরীরের মতো যত্ন চায়।

13/10/2025

🩺 Poster 1: খোস-পাঁচড়া কী ও কিভাবে ছড়ায়

Title:
👉 খোস-পাঁচড়া (Scabies) কী?

Body Text:
খোস-পাঁচড়া হলো এক ধরনের চর্মরোগ যা স্যারকপটিস স্ক্যাবেই নামের এক ক্ষুদ্র জীবাণু (মাইট) দ্বারা ছড়ায়।
এটি সাধারণত ত্বকের নিচে ডিম পেড়ে চুলকানি ও ফুসকুড়ি সৃষ্টি করে।

Spread Info:
📌 সংক্রমণ ছড়ায় –
• দীর্ঘ সময় শরীরের সংস্পর্শে এলে
• একই কাপড়, তোয়ালে বা বিছানা ব্যবহার করলে
• ভিড় বা ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে বসবাস করলে



⚠️ Poster 2: খোস-পাঁচড়ার লক্ষণ

Title:
🚨 খোস-পাঁচড়ার সাধারণ লক্ষণ

Body Text:
• তীব্র চুলকানি (বিশেষ করে রাতে)
• ত্বকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা লাল দাগ
• আঙুলের ফাঁকে, কব্জি, কোমর বা বগলে দানা



💧 Poster 3: প্রতিরোধ ও যত্নের উপায়

Title:
✅ খোস-পাঁচড়া প্রতিরোধের উপায়

Body Text:
🧼 প্রতিদিন শরীর পরিষ্কার রাখুন
👕 নিয়মিত কাপড়, বিছানার চাদর ও তোয়ালে ধুয়ে রোদে শুকান
🚫 আক্রান্ত ব্যক্তির জিনিস ব্যবহার করবেন না
💊 চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করুন
👨‍👩‍👧 পরিবারে কারো হলে সবাইকে চিকিৎসা নিন

12/10/2025

“স্ট্রোক রোগীর যত্ন (বয়স্কদের জন্য)”



🧠 বয়স্ক স্ট্রোক রোগীর যত্ন (Care of Elderly Stroke Patients)

🔹 ভূমিকা

স্ট্রোক হল এমন একটি অবস্থা, যেখানে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয় বা রক্তক্ষরণ ঘটে। ফলে শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যায়, কথা বলায় সমস্যা হয়, কখনও অচেতনও হয়ে পড়তে পারে। বয়স্ক রোগীদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



🔹 যত্নের মূল উদ্দেশ্য
1. রোগীর শারীরিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা
2. জটিলতা (complications) প্রতিরোধ করা
3. মানসিক সহায়তা দেওয়া
4. স্বাভাবিক দৈনন্দিন কাজকর্মে রোগীকে পুনরায় অভ্যস্ত করা



🔹 শারীরিক যত্ন

১. অবস্থান পরিবর্তন (Positioning):
• প্রতি ২ ঘণ্টা পর পর রোগীর দেহের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে।
• এতে পায়ের ও পিঠের ঘা (bed sore) প্রতিরোধ হয়।
• দুর্বল পাশের হাত-পা সঠিকভাবে বালিশ দিয়ে সাপোর্ট দিতে হবে।

২. ব্যায়াম (Exercise):
• হালকা প্যাসিভ মুভমেন্ট (passive exercise) প্রতিদিন করতে হবে।
• পুনর্বাসন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি চালু রাখতে হবে।

৩. মুখ ও খাদ্য যত্ন (Feeding & Oral care):
• যদি রোগীর গিলতে সমস্যা থাকে, তাহলে নরম ও তরল খাবার দিতে হবে।
• খাওয়ানোর সময় রোগীকে সোজা করে বসাতে হবে।
• মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে, প্রতিদিন দাঁত ও মুখ ধোয়া উচিত।

৪. ত্বক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
• রোগীর শরীর প্রতিদিন মুছে দিতে হবে।
• প্রস্রাব-পায়খানা পরিষ্কার রাখতে হবে।
• শুকনো ও পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করতে হবে।



🔹 মানসিক ও সামাজিক যত্ন

১. মানসিক সহায়তা:
• রোগীর সাথে ধৈর্য ধরে কথা বলুন।
• রোগীকে উৎসাহ দিন যেন সে নিজে কিছু কাজ করার চেষ্টা করে।

২. সামাজিক সমর্থন:
• পরিবার ও সমাজের সদস্যদের বোঝাতে হবে যে স্ট্রোক রোগীকে ভালোবাসা ও ধৈর্য দরকার।
• পুনর্বাসন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করুন।



🔹 ঔষধ ও চিকিৎসা
• চিকিৎসকের পরামর্শমতো নিয়মিত ওষুধ খেতে হবে।
• উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
• পুনরায় স্ট্রোক প্রতিরোধে চিকিৎসকের ফলোআপ জরুরি।



🔹 জরুরি অবস্থায় করণীয়
• হঠাৎ কথা জড়ানো, মুখ বেঁকে যাওয়া বা হাত-পা দুর্বল হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
• বিলম্ব করলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।



🔹 উপসংহার

স্ট্রোকের পর যত্ন একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। পরিবার, নার্স ও চিকিৎসক একসাথে কাজ করলে বয়স্ক রোগীর জীবনে স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ভালোবাসা, ধৈর্য ও নিয়মিত যত্নই হলো সফল পুনর্বাসনের চাবিকাঠি।

12/10/2025
15/08/2025
জানা থাকা ভাল.....
02/08/2025

জানা থাকা ভাল.....

Address

Dakshin Surma, Sylhet
Lalabazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Shah Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category