Dr. Md. Shah Alam

Dr. Md. Shah Alam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Shah Alam, Doctor, Dakshin Surma, Sylhet, Lalabazar.

12/04/2026

কাশি ,,,যে কোন রোগের উপসর্গ হয়ে থাকে। এজন্য কুসুম গরম পানি দিয়ে কুল কুচি করুন। দিনে ৩-৪ বার।
কয়েক দিন অপেক্ষা করার পরে যদি না কমে , তাহলে
ডাক্তার এর পরামর্শ নিন।
নিজ থেকে মেডিসিন নেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
কারণ অনেক মেডিসিন নিজেই কাশি তৈরি করে।

Dr Md Shah Alam

06/04/2026
03/04/2026

হাম একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এর নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক নাই, সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা নিয়মিত টীকা গ্রহণের মাধ্যমে দেওয়ার হাম প্রতিরোধ। যেহেতু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে শিশুরা হামে আক্রান্ত বেশি হচ্ছে, তাই হামের টীকা সংক্রান্ত কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর।

প্রশ্ন: হামের কয় ধরণের টীকা বাজারে পাওয়া যায় (বাংলাদেশে)?
উত্তর: দুই ধরণের টীকা পাওয়া যায় (MR সরকারীভাবে ও MMR বেসরকারীভাবে)
প্রশ্ন: বাংলাদেশে হামের টীকা সাধারণত কত বয়সে দেওয়া হয়?
উত্তর: সরকারী ভাবে ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী দুই ডোজ টীকা দেওয়া হয়
প্রথম ডোজ নয় মাস বয়সে এবং দ্বিতীয় ডোজ পনের মাস বয়সে
প্রশ্ন: হাম প্রতিরোধে এই টীকার কার্যকারিতা কত?
উত্তর: নিয়মিত ২ ডোজ টীকা নিলে, হাম রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টীকা ৯৭-৯৯% কার্যকরী
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া হয় না কেন?
উত্তর: মায়ের শরীর থেকে প্রাপ্ত (প্যাসিভ/পরোক্ষ) অ্যান্টিবডির মাধ্যমে নবজাতকের শরীরে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শিশুকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া যাবে কি?
উত্তর: ক্ষেত্র বিশেষে ৬ মাসের পর হতে হামের টীকা দেওয়া যেতে পারে (যেমন: হামের প্রার্দুভাবের সময়, যখন শিশুদের ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের সময়)। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরবর্তীতে ৯ মাস এবং ১৫ মাসে বয়সে যথারীতি ২ ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: যদি কেউ ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী টীকা না দিয়ে থাকেন, তবে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ৩ বছর কিন্তু তাকে হামের টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ২ বছর কিন্তু তাকে হামের ১ম ডোজ টীকা দেওয়ার পর দ্বিতীয় ২য় ডোজ টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: যত দ্রুত সম্ভব ২য় ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: হামের ২ ডোজ টীকা দেওয়ার পর, বুস্টার ডোজ টীকা দেওয়ার প্রয়োজ আছে কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ হামের টীকা দেওয়া থাকলে, বুস্টার ডোজ দেওয়ার কোন দরকার নেই।
প্রশ্ন: কিশোর-কিশোরি অথবা বড়রা কি হামের টীকা নিতে পারবেন?
উত্তর: নিতে পারবেন, যদি ইতিপূর্বে হামের কোন টীকা গ্রহণ না করে থাকেন এবং Measles Serology test Negative হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে হামের টীকা দেওয়া যাবে না ?
উত্তর: Severe Immunocompromised patient, pregnant woman
প্রশ্ন: হামের টীকা দেওয়ার পরেও কি হাম হতে পারে?
উত্তর: ২ ডোজ হামের টীকা নেওয়ার পরে হাম হওয়ার সম্ভাবনা খুবই খুবই কম বা অতি দূলর্ভ, তবে যদি হয়েও থাকে তবে সেটি খুব স্বল্প মাত্রায় হয়।
প্রশ্ন: ভিটামিন-এ ক্যাপসুল কি হামের চিকিৎসা?
উত্তর: হাম হলে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিতে হবে। WHO এর নিয়ম অনুযায়ী হামের রোগিকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিলে রাতকানা রোগ ও শিশু সংক্রামক ব্যাধির কারনে মৃত্যু হার অনেক কমে আসে।
প্রশ্ন: হামের রোগির সংস্পশে আসলে post-exposure prophylaxis ভূমিকা আছে কি?
উত্তর: কিছু কিছু ক্ষেত্রে হামের রোগির সংস্পশে (প্রথম বার) আসলে post-exposure prophylaxis (৬ দিনের মধ্যে) দিতে হয় এবং MMR Vaccine ও Immunoglobin ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে post-exposure prophylaxis দিতে হয়?
উত্তর:
# Severe Immunocompromised ক্ষেত্রে Immunoglobin দিতে হবে
# বয়স: জন্ম থেকে ৫ মাস পযর্ন্ত Immunoglobin দিতে হবে, যদি মায়ের ২ ডোজ টীকা না দেওয়া না থাকে এবং মায়ের ইতোঃপূর্বে কখনো হাম না হয়ে থাকে, মায়ের measles IgG Negative হয়।
# বয়স: ৬ থেকে ১৮ মাস (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি)- MMR Vaccine (৭২ ঘণ্টার মধ্যে) অথবা Immunoglobin (৭২ ঘণ্টা থেকে ৬ দিনের মধ্যে)
# গর্ভবতী মহিলা (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি/ হাম হয়নি )- Immunoglobin (৬ দিনের মধ্যে)
আপনার শিশুকে নিয়মিত টীকা দিন ও যত্ন নিন এবং হামের কোন লক্ষণ দেখা দিলে অতি সত্তর নিকটস্থ হাসপাতাল অথবা শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

Ref:
1.EPI_Guide book DGHS
2.World Health Organization (2020). The immunological basis for immunization series: module 7: measles: update 2020
3.Guidance UK Complete routine immunization Schedule 2026
4.Australian immunisation Handbook, 2022

Courtesy:Dr Md Abu Talha

01/03/2026

মানসিক স্বাস্থ্য নির্ভর করে , ভালো পরিবেশের উপর।
তাই পজিটিভ লোকজনের সাথে থাকুন।

24/02/2026

ওজন কমাতে চান,,,
রামাদান ই বেস্ট অপশন....
১. ইফতারে সব ধরনের তেল ভাজা পরিহার করুন।
২. আধা পেটে খাবার খান।
৩. সেহরির আগে অথবা আসরের নামাজ এর পরে
হালকা এক্সারসাইজ করুন।
৪. রাতে বিশেষ করে ইফতার এবং সেহরির সময় প্রটিন(মাছ, মানশ, ডিম ) দিয়ে হাফ পেটে খান।
৫. চিনি বা এই জাতীয় খাবার পরিহার করুন

06/02/2026

মনের যত্ন নেওয়া অনেকটা শারীরিক ব্যায়ামের মতোই জরুরি, কিন্তু আমাদের সমাজে এটা নিয়ে কথা বলতে অনেকেই দ্বিধাবোধ করেন।

⭐⭐⭐ক্যাপশন:
"মাথা ব্যথা করলে আমরা ওষুধ খাই, কিন্তু মন খারাপ থাকলে কেন লুকিয়ে রাখি? 🤔
মানসিক সমস্যা কোনো লজ্জা নয়, বরং এটি একটি অসুস্থতা যা চিকিৎসাযোগ্য। আপনার প্রিয় মানুষটি হয়তো হাসিমুখে থেকেও ভেতরে ভেতরে যুদ্ধ করছে।
মনে রাখবেন:
* বিষণ্ণতা মানেই শুধু 'মন খারাপ' নয়।
* অ্যাংজাইটি মানেই শুধু 'ভয় পাওয়া' নয়।
* সাহায্য চাওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সাহসের লক্ষণ। 💪✨
নিজের মনের যত্ন নিন, অন্যদের কথা শুনুন। আপনার একটি ছোট ফোন কল বা মেসেজ কারো জীবন বদলে দিতে পারে। ❤️"
⭐⭐⭐
"শরীরের ক্ষত দেখা যায়, কিন্তু মনের ক্ষত দেখা যায় না। তাই বলে কি তার অস্তিত্ব নেই?"
ক্যাপশন:
"যদি আপনি আজ ভালো বোধ না করেন, তবে জেনে রাখুন— এটা 'ওকে'। সবদিন একরকম যায় না। নিজেকে সময় দিন। আপনি একা নন। 🕊️

🌙🌙🌙🌙আজ থেকেই শুরু হোক মনের যত্ন! 🌱
পয়েন্টগুলো:
১. ডিজিটাল ডিটক্স: দিনে অন্তত ১ ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকুন।
২. মন খুলে কথা বলুন: বিশ্বস্ত কারো সাথে নিজের অনুভূতি শেয়ার করুন।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম: প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
৪. নিজেকে ধন্যবাদ দিন: ছোট ছোট সাফল্যের জন্যও নিজের প্রশংসা করুন।
সবার জন্য কিছু টিপস:

*🌸🌸🌸🌸
১. নিয়মিত নামাজ জামাতে পড়তে হবে।
২. নিয়ম করে ১০ মিনিট exercise করুন।

25/12/2025

🌿 নিজেকে হাসিখুশি রাখার সহজ কিছু অভ্যাস 🌿

✨ প্রতিদিন নিয়ম করে ৫–১০ মিনিট ব্যায়াম করুন
🥗 পরিমিত খাবার খান, অতিরিক্ত খাওয়া এড়িয়ে চলুন
🍔 বাইরের খাবার কম খান, ঘরোয়া খাবারকে প্রাধান্য দিন
📵 সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার সীমিত করুন
🚫 অন্যের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় জড়াবেন না
❤️ নিজের ও পরিবারের দিকে বেশি মনোযোগ দিন

🌸 মনে রাখবেন—
শান্ত মনই সুস্থ জীবনের আসল চাবিকাঠি।
নিজেকে সময় দিন, জীবন আপনাআপনি সুন্দর হয়ে উঠবে।

Dr. Md. Shah Alam
MBBS , DFM

19/10/2025

নিম্ন খাদ্য গ্রহণের (Low food intake) চিকিৎসাবিদ্যাগত উপকারিতা 🩺🍎
1. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে – কম খাবার খেলে ক্যালোরি গ্রহণ কমে, ফলে অতিরিক্ত চর্বি জমতে পারে না ও ওজন স্বাভাবিক থাকে।
2. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে – অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, কিন্তু সীমিত খাবার গ্রহণ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
3. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় – কম খাবার খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড ও রক্তচাপ কমে, যা হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারী।
4. হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে – অতিরিক্ত খাবার হজমতন্ত্রের উপর চাপ সৃষ্টি করে, কিন্তু হালকা খাবার হজম সহজ করে ও গ্যাস কমায়।
5. দীর্ঘায়ুতে সহায়তা করে – গবেষণায় দেখা গেছে, সীমিত ক্যালোরি গ্রহণ কোষের বার্ধক্য ধীর করে ও আয়ু বাড়াতে পারে।
6. মানসিক সতেজতা বজায় রাখে – অতিরিক্ত খাবার ঘুমঘুম ভাব ও ক্লান্তি আনে, কিন্তু হালকা খাবার মনোযোগ ও সজাগতা বাড়ায়।
7. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে – শরীরে প্রদাহ (inflammation) কমে, ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত হয়।
8. লিভার ও কিডনির কাজ সহজ করে – কম খাবারে টক্সিন জমা কম হয়, ফলে লিভার ও কিডনি কম পরিশ্রমে কাজ করতে পারে।

চিকিৎসকরা বলেন — “অতিরিক্ত খাবার শরীরের শত্রু, আর পরিমিত খাবারই সুস্থ জীবনের মূল।” 🌿

18/10/2025

🧠 নেগেটিভ থিংকিং বা নেতিবাচক চিন্তা কী

নেতিবাচক চিন্তা মানে হলো — নিজের, অন্যের বা জীবনের প্রতি বারবার খারাপ, হতাশাজনক বা ভয়ভীতিকর ধারণা তৈরি হওয়া।
যেমন:
• “আমি পারব না।”
• “সব কিছু খারাপ হবে।”
• “আমার জীবনে ভালো কিছু হয় না।”



💊 চিকিৎসা (Treatment)

১️⃣ মনোচিকিৎসা বা কাউন্সেলিং

সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা হলো কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT)।
এতে রোগীকে শেখানো হয় কীভাবে নিজের নেতিবাচক চিন্তা চিহ্নিত করে, তা ইতিবাচক চিন্তায় পরিবর্তন করতে হয়।

🔹 উদাহরণ:
নেতিবাচক চিন্তা: “আমি ব্যর্থ।”
ইতিবাচক পরিবর্তন: “আমি এবার শিখেছি, পরের বার ভালো করব।”



২️⃣ রিলাক্সেশন ও মেডিটেশন
• নিয়মিত গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, ধ্যান, বা নামাজ/প্রার্থনা মনকে শান্ত রাখে।
• স্ট্রেস কমলে নেতিবাচক চিন্তাও কমে যায়।



৩️⃣ শরীরচর্চা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
• প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম
• পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ
👉 এগুলো মন ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



৪️⃣ ঔষধ (যদি প্রয়োজন হয়)
• অতিরিক্ত উদ্বেগ বা বিষণ্নতা থাকলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
• নিজে থেকে ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা যাবে না।



🗣️ কাউন্সেলিং ধাপ (Counselling Steps)

🔸 ধাপ ১: শ্রবণ ও বোঝা

রোগীর কথা ধৈর্য ধরে শোনা — কোন ঘটনা বা চিন্তা তার মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তা বোঝা।

🔸 ধাপ ২: চিন্তা শনাক্ত করা

রোগীকে বলতে বলা হয় — “আপনি কী ভাবছেন যখন মন খারাপ লাগে?”
এতে নেতিবাচক চিন্তা বের হয়ে আসে।

🔸 ধাপ ৩: চিন্তা চ্যালেঞ্জ করা

প্রশ্ন করা হয় —
• “এই চিন্তার প্রমাণ কী?”
• “কোনো ইতিবাচক দিক কি আছে?”

এভাবে রোগী নিজের চিন্তা নিয়ে ভাবতে শেখে।

🔸 ধাপ ৪: ইতিবাচক বিকল্প তৈরি করা

রোগীকে ইতিবাচকভাবে চিন্তা করার অনুশীলন করানো হয়।
যেমন, “আমি পারব না” → “আমি চেষ্টা করলে পারব।”

🔸 ধাপ ৫: মোটিভেশন ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

রোগীকে উৎসাহ দেওয়া হয় ছোট ছোট সফলতা দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে।



🌿 নিজে নিজে অনুশীলনের কিছু কৌশল
1. প্রতিদিন সকালে ইতিবাচক কিছু বলা (“আমি আজ ভালো কিছু করব”)
2. কৃতজ্ঞতা অনুশীলন (দিনে ৩টি ভালো ঘটনার কথা ভাবা)
3. নেতিবাচক খবর বা মন্তব্য থেকে দূরে থাকা
4. নিজের পছন্দের কাজ (গান, বই, হাঁটা) করার অভ্যাস

17/10/2025

🩺 রোগীর অধিকার (Right of Patient)



🌿 রোগীর অধিকার — জানুন, সচেতন হোন! 🌿

প্রতিটি মানুষ চিকিৎসা সেবা গ্রহণের সময় কিছু মূল অধিকার রাখে —
এই অধিকারগুলো জানা মানে নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

👇 নিচে জানুন আপনার অধিকারগুলো 👇

1️⃣ চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার
➡️ ধর্ম, লিঙ্গ বা আর্থিক অবস্থার পার্থক্য ছাড়াই সবাই চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখে।

2️⃣ তথ্য জানার অধিকার
➡️ নিজের রোগ, চিকিৎসা পদ্ধতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানার অধিকার আপনার।

3️⃣ গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার
➡️ আপনার ব্যক্তিগত ও চিকিৎসা তথ্য গোপন রাখা চিকিৎসকের নৈতিক দায়িত্ব।

4️⃣ সম্মতির অধিকার (Informed Consent)
➡️ কোনো পরীক্ষা বা চিকিৎসার আগে আপনার সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

5️⃣ চিকিৎসা প্রত্যাখ্যানের অধিকার
➡️ ঝুঁকি জেনে আপনি চিকিৎসা বা পরীক্ষা নিতে অস্বীকার করতে পারেন।

6️⃣ সম্মান ও মর্যাদার অধিকার
➡️ প্রতিটি রোগী মানবিক আচরণ ও সম্মান পাওয়ার যোগ্য।

7️⃣ অভিযোগ করার অধিকার
➡️ ভুল চিকিৎসা বা অবহেলার ক্ষেত্রে অভিযোগ জানানো আপনার ন্যায্য অধিকার।

15/10/2025

🧠 অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (OCD): আমরা যাকে বলি “চিন্তা আর কাজের ফাঁদ”

অনেক সময় আমরা দেখি, কেউ বারবার হাত ধুচ্ছে, দরজাটা ঠিকমতো লক হয়েছে কি না সেটা বারবার দেখে, বা মাথায় এক রকম চিন্তা ঘুরে ঘুরে আসে — থামাতে চাইলেও থামাতে পারে না।
এটাই হতে পারে OCD বা অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার।



🌀 OCD মানে কী?

OCD একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যেখানে মানুষ অবসেশন (Obsession) ও কমপালশন (Compulsion) এর চক্রে পড়ে যায়।

🔹 অবসেশন (Obsession):
অযৌক্তিক, বিরক্তিকর বা অস্বস্তিকর চিন্তা যা বারবার মনে আসে — যেমন “আমার হাত নোংরা হয়েছে”, “আমি কিছু ভুল করেছি”, “কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে” ইত্যাদি।

🔹 কমপালশন (Compulsion):
সেই চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে বারবার কিছু কাজ করা — যেমন অতিরিক্ত হাত ধোয়া, দরজা-জানালা পরীক্ষা করা, নির্দিষ্ট নিয়মে জিনিস সাজানো ইত্যাদি।



😟 লক্ষণ:
• বারবার হাত ধোয়া বা গোসল করা
• দরজা, গ্যাস, লক ইত্যাদি বারবার চেক করা
• সবকিছু নির্দিষ্টভাবে সাজানোর জেদ
• বারবার গোনা, গণনা করা বা প্রার্থনা করা
• মনের মধ্যে খারাপ চিন্তা ঘুরে ঘুরে আসা



⚠️ এর ফলে কী হয়?

OCD আক্রান্ত ব্যক্তি জানে যে এসব চিন্তা ও কাজ অতিরিক্ত, কিন্তু থামাতে পারে না। এতে সময় নষ্ট হয়, কাজের ক্ষতি হয়, মানসিক চাপ ও ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।



💬 চিকিৎসা আছে:

OCD একেবারে সারানো যায় না — কিন্তু সঠিক চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

চিকিৎসার ধাপগুলো হতে পারে:
1. সাইকোথেরাপি (CBT বা Cognitive Behavioral Therapy)
2. ওষুধ (Antidepressant / SSRI group)
3. পরিবার ও সমাজের সহানুভূতি ও সহায়তা



❤️ মনে রাখুন:
• OCD দুর্বলতার নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য মানসিক রোগ।
• কাউকে উপহাস করবেন না বা “পাগল” বলবেন না।
• বোঝার চেষ্টা করুন, সহানুভূতিশীল হোন।



🩺 মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন — কারণ মনও শরীরের মতো যত্ন চায়।

Address

Dakshin Surma, Sylhet
Lalabazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Shah Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category