স্বপ্নরথ - Govt. Medicalian Community from MGC

  • Home
  • স্বপ্নরথ - Govt. Medicalian Community from MGC

স্বপ্নরথ - Govt. Medicalian Community from MGC মাদারীপুর সরকারি কলেজ থেকে বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল এবং ডেন্টালে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংগঠন।

বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ :অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (Antibiotic Resistance)  হলো এমন...
18/11/2025

বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ :

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (Antibiotic Resistance) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে, যার ফলে অ্যান্টিবায়োটিক আর তাদের মেরে ফেলতে পারে না বা তাদের বৃদ্ধি বন্ধ করতে পারে না ।

প্রয়োজন ছাড়া এবং সঠিক নির্দেশনা না মেনে অহরহ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের ফলে আমাদের শরীরের রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলো ক্রমেই অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। ফলে ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখের চিকিৎসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আর কোনো অ্যান্টিবায়োটিকই হয়তো আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবে না ।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (Antibiotic-Resistance) প্রতিরোধে করনীয় :

💊• শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা ।
📅• চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম-কানুন মেনে অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পূর্ণ করা ।
🧼• ঘরে-বাইরে, বিশেষ করে হাসপাতালে, সঠিক নিয়ম মেনে ভালোভাবে হাত ধোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে চলা ।
🏥• অযথা দর্শনার্থী হিসেবে হাসপাতালে যাওয়া থেকে বিরত থাকা ।
💬• সর্বোপরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও জনসচেতনতা জাগ্রত করা ।

Act Now : Protect Our Present, Secure Our Future 🙌
Date : 1️⃣8️⃣-2️⃣4️⃣ November...

💚

03/09/2025

ভর্তি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, নিঃসংকোচে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যেকোনো প্রয়োজনে পাশে আছি ইনশাআল্লাহ।

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয় 🔹 জ্বর বা ইনফেক...
04/08/2025

🧪 কোন রোগের জন্য কোন টেস্ট করাবেন? জেনে নিন, ভুল চিকিৎসা হতে নিরাপদে থাকুন!! 🧬

প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয়

🔹 জ্বর বা ইনফেকশন হলে:
✅ CBC (Complete Blood Count)
✅ ESR
✅ Dengue, Malaria বা Typhoid Test (উপসর্গ অনুযায়ী)

🔹 ডায়াবেটিস সন্দেহ হলে:
✅ Fasting Blood Sugar (খালি পেটে)
✅ 2 Hours After Breakfast (2HABF)
✅ HbA1c (গত ৩ মাসের গ্লুকোজের গড়)

🔹 থাইরয়েড সমস্যা হলে:
✅ TSH
✅ T3, T4

🔹 লিভারের সমস্যা বা হেপাটাইটিস সন্দেহ হলে:
✅ LFT (Liver Function Test)
✅ HBsAg
✅ Anti-HCV

🔹 কিডনির সমস্যা হলে:
✅ Creatinine
✅ Urea
✅ Urine R/E (Urine Routine and Microscopy)

🔹 হার্টের সমস্যা বা বুক ধড়ফড় করলে:
✅ ECG
✅ Troponin I
✅ Lipid Profile
✅ Echocardiogram (ডাক্তারের পরামর্শে)

🔹 পেট ব্যথা, গ্যাস্ট্রিক বা হজমে সমস্যা হলে:
✅ USG Whole Abdomen
✅ Endoscopy (প্রয়োজনে)
✅ H. Pylori Test

🔹 মেয়েদের PCOS বা অনিয়মিত পিরিয়ড হলে:
✅ USG Lower Abdomen
✅ LH, FSH
✅ Prolactin
✅ TSH
✅ AMH (বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে)।

🔹 প্রেগন্যান্সি টেস্ট:
✅ Urine β-hCG
✅ USG Pregnancy Profile

🔹 আর্থ্রাইটিস বা হাড়ের ব্যথা হলে:
✅ RA Factor
✅ CRP
✅ Uric Acid
✅ X-ray (প্রয়োজনে)।

🔹 রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) সন্দেহে:
✅ CBC
✅ Serum Iron
✅ Ferritin
✅ Vitamin B12

💡 মনে রাখবেন:
বিনা কারণে টেস্ট করানো যেমন ঠিক নয়, তেমনি দেরি করাও বিপজ্জনক। আপনার শরীরের সংকেতকে অবহেলা করবেন না। ভালো চিকিৎসার শুরু হয় সঠিক টেস্টের মাধ্যমে। তাই উপসর্গ দেখলেই দেরি না করে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় টেস্ট করান।

🩺 সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন!..
©

জনসচেতনতায় শেয়ার করুন...
02/08/2025

জনসচেতনতায় শেয়ার করুন...

No MBBS/BDS, No Dr. 💊 🩺
21/05/2025

No MBBS/BDS, No Dr. 💊 🩺

আসসালামু আলাইকুম আমি সুমাইয়া আফরিন অনু। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে এবারের মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষায় ৪৮৪ তম পজিশন অর্জন ...
14/05/2025

আসসালামু আলাইকুম
আমি সুমাইয়া আফরিন অনু। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে এবারের মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষায় ৪৮৪ তম পজিশন অর্জন করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ। 💜

স্বপ্ন বদলের গল্প — মেডিকেলে আমার যাত্রা

আমার শুরুটা ছিল এক ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্ন নিয়ে। সার্কিট, কম্পিউটার, নতুন কিছু উদ্ভাবনের কল্পনায় বড় হচ্ছিলাম। কিন্তু কলেজে উঠে বুঝতে পারি—গণিত যেন ধীরে ধীরে আমার পথ রোধ করছে। পিছিয়ে পড়ছিলাম, নিজেকে হারিয়ে ফেলছিলাম।

ঠিক তখনই আমার শ্রদ্ধেয় স্যারদের উৎসাহ, আর বাবার পুরনো সেই স্বপ্ন—"তুই ডাক্তার হবি"—আমাকে নতুন একটা দিক দেখায়। আমি ভাবলাম, হয়তো নিজের স্বপ্নটা একটু বদলালেও, সেটা কারও মুখে হাসি ফোটানোর কারণ হতে পারে।

“Sometimes life doesn’t give you what you want, not because you don’t deserve it, but because you deserve more.” — Unknown

মেডিকেল প্রস্তুতির পথটা সহজ ছিল না। তবুও দিনের পর দিন লড়ে গেছি। যেদিন থেকে স্থির করছি যে আমি ডাক্তার হবো সেদিন থেকেই মূলত আমার জার্নি শুরু হয়েছিল.......ধীরে ধীরে কলেজ এর ২য় বর্ষ থেকেই নিজ উদ্যোগে কোচিং এর কিছু বই কালেক্ট করে পড়া শুরু করেছিলাম টুকটাক Question bank সল্ভ করে মেডিকেল ভর্তি পরিক্ষার প্রশ্ন সম্পর্কে ধারনা নেয়া শুরু করেছিলাম( যেহেতু আমি অ্যাভারেজ স্টুডেন্ট তাই HSC এক্সামের আগেই আমাদের সর্ট সিলেবাসের বাইরের চ্যাপ্টার গুলোও ক্লাস করে ব্যাসিক বুঝে নিয়েছিলাম...এরপর এডমিশন পিরিয়ডে অনলাইন কোচিং এর ক্লাস আর অফলাইন এক্সাম ব্যাচের এর রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত পড়তাম আর এক্সাম দিতাম .......এর ফলে আমার এডমিশন জার্নির শুরু থেকেই আশাবাদী রেজাল্ট হতো আর আমার কনফিডেন্সও বাড়তে থাকে যে আল্লাহ চাইলে আমার চান্স হবে ..... আমি আমার সবটা দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম যদি আল্লাহ আমার ভাগ্যে মেডিকেলে চান্স নাও লিখতেন আমার নিজের প্রতি কোনো অনুশোচনা হতো না কারন আমি নিজের কাছে নিজে সৎ ছিলাম। প্রত্যেক এক্সাম, প্রত্যেক ক্লাস আর নিয়মিত পড়তাম কলেজের শুরু থেকে এডমিশন এর শেষ অবধি। তাই নিজের চেষ্টার প্রতি কোনো দোষারোপ করতে পারতাম না... যদিও লাস্ট দিকে প্যানিক্ড হয়ে কিছুদিন পড়তে পারিনি আর অনেক কান্না করতাম এজন্য যে আমার এক্সাম এতদিন ভালো হয়েছে কিন্তু আমি মেইন এক্সামে গিয়ে যদি সব ভুলে যাই....😅
অবশেষে ১৭ জানুয়ারি এক্সাম দিলাম আল্লাহর রহমতে আমি যে ভয় পেয়েছিলাম ঐটা হয় নি ভালোভাবেই এক্সাম দিয়েছিলাম....পরিক্ষার হলে নিজেকে শান্ত রাখার জন্য যতক্ষণ হলে বসে ছিলাম আল্লাহর কাছে দোয়া করতে ছিলাম যেন আমার সবটা দিয়ে আমার পরিক্ষাটা দিতে পারি আর কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা যেন না ঘটে।।।আল্লাহর রহমতে আমি ভালোভাবেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৩ বার কোশ্চেন রিড করি প্রথম বারে সবচেয়ে কমন গুলো তারপর ছোট ম্যাথ বা একটু ভেবে কয়েকটা দাগাই তারপর একটু কনফিউজড গুলো দাগাই....
অবশেষে ফলাফল প্রকাশের দিন—আমি চান্স পেয়েছি! আলহামদুলিল্লাহ
বাবার চোখে আনন্দের অশ্রু দেখে বুঝলাম, এটাই ছিল আমার সঠিক পথ।🥹

“Success is not just about making it to the top, it’s about honoring the journey and the people who believed in you.” ❣️

আজ আমি একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট। ইঞ্জিনিয়ার নয়, কিন্তু একজন মানুষ হয়ে উঠছি, যে অন্য মানুষের জীবন ছুঁয়ে দিতে পারবো, ইনশাআল্লাহ ☺️☺️

সুমাইয়া আফরিন অনু
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ।

আসসালামু আলাইকুম আমি জান্নাতুল ফেরদৌস বুশরা মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমি এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১১৩৫ তম হয়...
08/05/2025

আসসালামু আলাইকুম
আমি জান্নাতুল ফেরদৌস বুশরা
মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমি এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১১৩৫ তম হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম।
পরে আমি মুগদা মেডিকেল কলেজ মাইগ্রেট হয়ে এসেছি ।

আমার জার্নিটা আমি সহজও বলবো না আবার কঠিনও না। সত্যি বলতে আমি প্রথম থেকে কখনো চাইতাম না মেডিকেলে পড়তে। আমি চেয়েছিলাম ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে। অনেকটা পথভ্রষ্ট ছিলাম। আমি নিজেও জানতাম না, আমি কিসে ভালো , কোনটা আমার দরকার । আমি এইচএসসি তে থাকতে ম্যাথ বায়োলজি ফিজিক্স কেমিস্ট্রি সব বরাবরই পারতাম। কিন্তু বুয়েটে চান্স পাবো তেমন ভালো মানের রেজাল্ট আমি করতে পারতাম না । তো তখন আমাকে আমার স্যাররা বাবা মা ভাই সবাই বললো যে আমি মেডিকেলের জন্যে সুইটেবল। তো আমি আমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন সেখানে ছেড়ে দিলাম তারপর মনস্থির করলাম ডাক্তারই হবো। আমার ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা আমি অনেক বড় কিছু করবো যাই করি না কেনো । নিজের একটা পরিচয় বানাবো। তো এই স্বপ্ন নিয়েই ঢাকায় আসলাম । আমার পরিবার ছিল সবচেয়ে বেশি সাপোর্টটিভ । আমি যদি কোচিং এ কম নাম্বার ও পেতাম তারা আমাকে কিছু বলতো না । আমি এইচএসসি পরীক্ষার পর থেকেই টার্গেট মতো প্রথম দিন থেকেই ঠিকমতো পড়াশুনা চালিয়ে যাই । প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পড়তাম এভাবে আমার উপর শেষে গিয়ে তেমন চাপ পরেনি । আমি পড়াশুনার থেকে বেশি পরীক্ষা দিতাম , পরীক্ষার কম বেশি ভালোই পেতাম। কম পেলে হতাশ হতাম না , পরের পরীক্ষায় যাতে ভালো নাম্বার পাই সেটা করার চেষ্টা করতাম ।

আমি একটা কাজ করতাম আমি প্রথমেই সেরা হবার চেষ্টা করিনি । আমি এভারেজ স্টুডেন্ট । তো প্রথমে আমি যা পেতাম সেটা কন্টিনিউ করার ট্রি করতাম । এর থেকে যাতে আরো কম না পাই সেটা দেখে রাখতাম । এরপর আস্তে আস্তে আমি নিজের নাম্বার বাড়ানোর চেষ্টা করতাম, তো এক পয়েন্টে এসে আমি প্রথম সারিতেই স্কোর করি আর তখন আমার কনফিডেন্স বেড়ে যায় ।
মেডিকেল এডমিশনের জন্যে প্রস্তুত হওয়ার সময় কনফিডেন্ট থাকাটা অনেক দরকার । এই কনফিডেন্স থাকলে এক্সাম হলে অনেক সাহস পাওয়া যায় । আর যে যত বেশি পরীক্ষা দেবে আর যত বেশি ভুল করবে তার কনসেপ্ট আরো ক্লিয়ার হবে আর সামনে গিয়ে সে ভুল করবে না । আমি দেখতাম যা আমার ভুল হতো তাই বেশি মনে থাকতো । তো ভুল হওয়া দরকার। Consistent পড়া উচিৎ কিন্তু এর মানে এই নয় প্রতিবার ভালো নাম্বার পাওয়া লাগবে । শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেলেই সম্ভব ।

আমি লেগে ছিলাম প্রচন্ডভাবে। এক টাইমে এমন হয়েছে যে আমার DMC ই লাগবে ।
Think higher Achieve bigger. টার্গেট ছিল DMC, পেয়েছি CMC তারপর MuMC.

আমি বলবো আগে নিজে জানা উচিৎ যে আমি কি চাই তারপর মাঠে নামা উচিৎ। Willpower আর dedication দরকার কোনো বড় কিছু অর্জন করার জন্যে আর আল্লাহ তায়ালার উপর বিশ্বাস।
নিজের উপর প্রেসার দিয়ে তেমন কিছু হয় না chill থাকতে হবে যা সামনে হবে তার জন্যে প্রস্তুত থাকতে হবে । ভাল খারাপ সব নিয়েই জীবন ।
ইচ্ছাশক্তি থাকলে আর চেষ্টা করলে সবকিছু করা সম্ভব।

Chill You can do anything if you want with your whole heart 💌

"It's not over until it's over"

জান্নাতুল ফেরদৌস বুশরা
মুগদা মেডিকেল কলেজ

আসসালামু আলাইকুম।আমি সামি ফরাজি।মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ব...
05/05/2025

আসসালামু আলাইকুম।
আমি সামি ফরাজি।
মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে অনেক কষ্ট, চোখের জল, জিদ, এবং একটানা অধ্যবসায়।

আমি একজন সেকেন্ড টাইমার।
প্রথমবার ভর্তি পরীক্ষায় আমার স্কোর ছিল মাত্র ৫৪।
হ্যাঁ, মাত্র ৫৪। সেই সময় নিজেকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। ভাবতাম – আমি কি পারবো? আমি কি সত্যিই ডাক্তার হতে পারি?
তবে আমি কখনোই স্বপ্ন দেখা বন্ধ করিনি।

প্রথমবারের ভুলগুলো ছিল:
🔹 পরীক্ষার ভয় এতটাই ছিল যে মডেল টেস্ট দেইনি প্রায়ই
🔹 নিজের প্রস্তুতিতে আত্মবিশ্বাস ছিল না
🔹 সময় ব্যবস্থাপনা ছিল খুবই দুর্বল
🔹 টপিক বুঝে পড়া বা প্রশ্নভিত্তিক অনুশীলন করিনি

এই ব্যর্থতার পর চারপাশ থেকে শুনতে হতো –
"তুই তো পারবি না", "আর একটা বছর নষ্ট করবি?"
কিন্তু আমি হার মানিনি।
আমি জিদ করে বলেছিলাম – এইবার প্রমাণ করে ছাড়বো।

সেকেন্ড টাইমে আমি যা করেছি:
✅ ভয় দূর করতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩-৪টা ফুল মডেল টেস্ট দিয়েছি
✅ "মার্কস কম আসবে" এই ভয় বাদ দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিই, যত ভুল হোক
✅ সময় ব্যবস্থাপনায় ঘড়ি দেখে প্রতিদিন প্র‍্যাকটিস করেছি
✅ প্রতিদিনের টার্গেট ভাগ করে পড়তাম – বায়ো, কেমিস্ট্রি, ফিজিক্স নির্দিষ্ট টাইম ব্লকে
✅ আগে যা পারতাম না, সেগুলোতেই জোর দিয়েছি

এক্সাম হলে আমি Calm থাকার জন্য:
পরীক্ষার আগের রাতেই নিজেকে বারবার বলেছি — তুমি চেষ্টা করেছো, ফল যাই হোক, তুমি একজন যোদ্ধা।
সিটে বসে চোখ বন্ধ করে কিছু সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করতাম – এতে নার্ভাসনেস কমে যেত।

১০০ MCQ উত্তর করার স্ট্র্যাটেজি:
প্রথমে নিশ্চিত প্রশ্নগুলো দিয়ে শুরু,
তারপর Medium Doubt প্রশ্ন,
সবশেষে Time Left থাকলে Guess-based Questions
এভাবে পরীক্ষায় ১০০টা MCQ শেষ করতাম ৪০-৪৫ মিনিটে, বাকি সময় রিভিউ।

এইবার আমি পেয়েছি ৭৮.৭৫ নম্বর, এবং আলহামদুলিল্লাহ, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে জায়গা করে নিতে পেরেছি।

এই জার্নিতে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল আমার পরিবার।
তারা কখনো আমার উপর থেকে বিশ্বাস হারাননি।
তারা বলতেন – "তুই চেষ্টা কর, বাকিটা আল্লাহর হাতে"
এই কথাগুলো আমার ভেতরে শক্তি জুগিয়েছে।

আমার ভবিষ্যৎ মেডিকেল অ্যাসপির্যান্টদের উদ্দেশ্যে:
ভয় পেও না, ব্যর্থতা তোমার শেষ না।
নিজের ভুল থেকে শিখো, সময় দাও, পরীক্ষা দিতে ভয় পেও না।
নিজেকে বিশ্বাস করো, আল্লাহকে বিশ্বাস করো —
সফলতা তখনই আসবে, যখন তুমি হাল না ছেড়ে লড়তে থাকবে।

সামি ফরাজি
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ

আসসালামু আলাইকুম, আমি সাবরিনা সুলতানা শান্তা। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২০২৫ সেশনের মেডিকেল ভর্তি পর...
28/04/2025

আসসালামু আলাইকুম, আমি সাবরিনা সুলতানা শান্তা। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২০২৫ সেশনের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে আমি কুষ্টিয়া মেডিকেলে পড়ার সুযোগ লাভ করেছি।

আমি একজন সেকেন্ড টাইমার ছিলাম। তাই আমার জার্নিটা ছিলো একটু বড়। ছোটবেলা থেকেই আমি ডাক্তার হতে চাইতাম, পড়াশোনায়ও ভালো ছিলাম, তাই সবার এক্সপেকটেশন ছিলো যে আমি পারবো। কিন্তু ফার্স্ট টাইম পরীক্ষা দিয়ে আমি ব্যার্থ হই। আমাদের সবার আশা মাটি হয়ে গিয়েছিলো।

ফার্স্ট টাইমে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়েই চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পরীক্ষার হলে আমার নার্ভাসনেসের কারণে আমি টাইম ম্যানেজমেন্ট টা ঠিক করে করতে পারিনি, আমি সবগুলো প্রশ্ন ভালো করে পড়তেই পারিনি, যার কারনে আমার চান্সটা মিস হয়, ফার্স্ট টাইমে আমার মার্কস ছিলো ৬৫.৫০। অল্পের জন্য হেরে যাই আমি। পরীক্ষা দিয়েই বুঝে গিয়েছিলাম যে আমার চান্স হবে না,কিন্তু আমি মনে মনে ভেবে ফেলেছিলাম সেদিনি যে আমি এমবিবিএস ই পরতে চাই, এবং আমি সেকেন্ড টাইম দিবো। আমি ডেন্টালসহ কোনো ভার্সিটিতে আবেদন পর্যন্ত করিনি সেবার এবং আর কোথাও ভর্তিও হয়নি। (যদিও কোথাও একটা ভর্তি হয়ে থাকা উচিত)।

সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশনটা কতটা পেইনফুল এটা একমাত্র সেকেন্ড টাইমারাই রিলেট করতে পারে, কারণ এসময় ডিপ্রেশনেটা হয় নিত্যদিনের সঙ্গী, তবুও আমি অন্তত আমার বাবা মায়ের কথা ভেবে আমার পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার বাবা মা সবসময় আমার পাশে ছিলো আমার ওই খারাপ দিনগুলোতে।
সেকেন্ড টাইম প্রিপারেশনের সময় আমি বুঝতে পারি যে বেশি বেশি এক্সামই পারবে পরীক্ষার হলে আমার নার্ভকে কন্ট্রোল করতে,তাই প্রচুর এক্সাম তো দিতামই,সাথে আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যা হয়ে যাক প্রতিদিন সকাল ১০ টায় আমি ফুল মেডিকেল স্ট্যান্ডার্ড একটা এক্সাম দিবোই, আর এটা এক্সামের দিন আমার নার্ভকে কন্ট্রোল করতে অনেক হেল্প করেছিলো। আর আমি নামাজ পড়ে বেশি বেশি দোয়া পড়তাম, আল্লাহর কাছে বেশি বেশি চাইতাম যেন এবার আমি হলে ঠিক থাকতে পারি।

১৭ই জানুয়ারি,২০২৫। আমি দ্বিতীয় বারের মতো বসলাম পরীক্ষায়, আর হ্যা এবার আমি সম্পূর্ণ ঠিক ছিলাম আর ঠান্ডা মাথায় সম্পূর্ণ পরীক্ষাটি দিতে পেরেছিলাম। অবশেষে ১৯ জানুয়ারি,২০২৫ আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত এবং সকলের দোয়ায় আমি আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা দিনটির দেখা পাই । আমি চান্স পাই।

আমার জুনিয়র যারা সেকেন্ড টাইম দেয়ার কথা ভাবছো বা ফার্স্ট টাইমার, একটা কথাই বলবো, lt always seems impossible until it’s done.শেষ দিন অবদি লেগে থাকো। সৃষ্টিকর্তা সহায় হলে একটা সিট তোমার হবেই।

আসসালামু আলাইকুম। আমি উম্মে হাফসা অদ্রি। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্...
09/04/2025

আসসালামু আলাইকুম। আমি উম্মে হাফসা অদ্রি। মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখন গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পেয়েছি। আমার বাড়ি মাদারীপুরে এবং কলেজও মাদারীপুরেই। ছোটোবেলা থেকেই গনিতের প্রতি ঝোঁক থাকায় ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইচ্ছা ছিলো।কিন্তু কলেজে ওঠার পর আস্তে আস্তে ডাক্তারি পেশার প্রতি একটা অন্য রকম টান ও সম্মান তৈরি হলো। ফলে লক্ষ্য স্থির করলাম যে ডাক্তার হবো। আমার সিদ্ধান্তে আমার বাবা-মা শুরু থেকেই সাপোর্ট করতেন। কিন্তু অ্যাডমিশন জার্নিটা আসলে কতটুকু কঠিন সেটা আমি বুঝে উঠতে পারিনি। ফলে প্রথমবার ব্যর্থ হই। পরীক্ষায় পেয়েছিলাম ১৬২.৭৫। অন্যান্য পরীক্ষাগুলোতেও একটুর জন্য না হয়ে ওয়েটিং এ থাকতে থাকতে আমার মনোবল অনেকটা ভেঙে যায়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানে ভর্তি হলেও পুনরায় ব্যর্থতার ভয়ে সেকেন্ড টাইম মেডিকেলের জন্য পরীক্ষা দেওয়ার সাহস করতে পারিনি। ফলে পড়াশোনা ছাড়াই অনেকটা সময় ব্যয় করে ফেলেছিলাম। সব পরীক্ষা শেষে নিজের একটা বড় ভুল রিয়েলাইজ করলাম যে আমি পরীক্ষাকে অনেক ভয় পাই।কোচিং চলাকালীন সময়টাতে আমি পড়তাম বেশি কিন্তু পরীক্ষা খুব কম দিতাম, কম মার্কস পাব সেই ভয়ে। কিন্তু পরবর্তীতে বাবা-মার দেওয়া অনুপ্রেরণায় আবার ভার্সিটিতে পড়ার পাশাপাশি মেডিকেল অ্যাডমিশনের জন্য পড়া শুরু করি। কিন্তু নিয়মিত ক্লাস,পরীক্ষা এসবের কারণে পড়ার জন্য খুবই স্বল্প সময় পেয়েছি। ফলে মডেল টেস্ট ব্যতিত ফুল টাইম কোচিং করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তবুও চেষ্টা করেছি প্রথমবারের ভুলগুলো যেন আর না হয়। বিশেষ করে এইবার আমি আমার যে ভয় পরীক্ষা নিয়ে ওটা দূর করার চেষ্টা করেছি।যেকোনো কোচিং এর বা বইয়ের ফ্রি এক্সাম বা প্রশ্ন সমাধান সবে অংশগ্রহণ করেছি। কিছুই বাদ রাখিনি। মাঝে মাঝে খুব ক্লান্ত লাগতো,অনেকেই বলতো মেডিকেল আর ভার্সিটি দুটো একসাথে পারবেনা তুমি, যেকোনো একটা ছেড়ে দেও। কিন্তু আমার বিশ্বাস ছিলো আমি আমার সর্ব্বোচ্চ চেষ্টা করলে আল্লাহ তায়ালা আমার ইচ্ছে পূরণ করবেন। সেকেন্ড টাইম পরীক্ষার দিন সকালেও আমি খুব নার্ভাস ছিলাম,আমার হাত-পা কাঁপছিল।। তখন আমার বাবা-মা আমাকে একটা কথাই বলেছিলেন যে তুমি তোমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছো আমরা দেখেছি, এরপর আল্লাহ তোমার জন্য যা রেখেছেন তাতেই আমরা খুশি। কিন্তু যখন পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছালাম আমার সব ভয় কেটে গেল। আমার সিট পড়েছিল আমার নিজের ভার্সিটিতে আমার ডিপার্টমেন্টের পাশেই। পরীক্ষা দিলাম এবং হল থেকে বের হয়ে মনে হলো আমার পরীক্ষা ভালো হয়েছে। এবার সর্বমোট পেলাম ১৭৫। এই পুরোটা জার্নিতে আমার পরিবার,বন্ধুরা সবাই আমাকে অনেক সাপোর্ট করেছে। তাদের দোয়া ও সাহায্য সবসময়ই আমার সাথে ছিল।
তাই আমার পরবর্তীদের বলতে চাই সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখবে,নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে আর শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করবে কারণ It's never too late।

উম্মে হাফসা অদ্রি
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ।

Address

Madaripur Govt. College

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নরথ - Govt. Medicalian Community from MGC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram