Dr.Sumi Aktar

Dr.Sumi Aktar "Allah is helping the servant as long as the servant is helping his brother.”

https://www.facebook.com/drsumiaktar?mibextid=ZbWKwLছেলের একখানা নেংটু ছবি আপলোড করায় আমার আইডি রেস্ট্রিকটেড হয়ে গেছিলো ...
08/04/2023

https://www.facebook.com/drsumiaktar?mibextid=ZbWKwL

ছেলের একখানা নেংটু ছবি আপলোড করায় আমার আইডি রেস্ট্রিকটেড হয়ে গেছিলো সেই জুলাইয়ে। সাথে সাথে আমার এই পেজটিও হারিয়ে গিয়েছিলো। অনেক চেষ্টা করেও ব্যাক পাইনি তখন। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।
তারপর আরো একটি পেজ তৈরি করেছিলাম কিন্তু প্রথম প্রেমের মতো ভুলতে পারিনি আমার এই পেজটাকে। দৈনন্দিন কাজের খুটিনাটি শেয়ার করতে ভালো লাগতো এখানে।
আজ হঠাৎ চোখে আসে যে এই পেজটা আমি চাইলেই এখন রিএক্টিভ করতে পারবো!!

আহ!! শান্তি লাগছে হারানো প্রেমকে খুজে পেয়ে 🤗🤗

চাইলে আমার পেজে ফলো// লাইক দিতে পারেন। এই পেজেই টুকটাক পোস্ট করা হবে এখন থেকে 😄😄

হারসুটিজম (Hirsutism) মেয়েদের মধ্যে এমন একটি অবস্থা যখন পুরুষের মতো তাদের চেহারা, বুক ও পিঠে কালো বা মোটা পশমের অত্যধিক ...
16/03/2023

হারসুটিজম (Hirsutism) মেয়েদের মধ্যে এমন একটি অবস্থা যখন পুরুষের মতো তাদের চেহারা, বুক ও পিঠে কালো বা মোটা পশমের অত্যধিক আবির্ভাব ঘটে।

👉হারসুটিজমের প্রাথমিক কারণ হল শরীরে পুরুষ হরমোন (এন্ড্রোজেন) অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া।

👉👉PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের) ফলেও হারসুটিজম বা অযাচিত লোমের অতিরিক্ত বৃদ্ধি হয়ে থাকে। সাথে অনিয়মিত পিরিয়ড, স্থূলতা, বন্ধ্যাত্ব এবং কখনও কখনও ডিম্বাশয়ে একাধিক সিস্ট হতে পারে।

😌 হারসুটিজম মানসিকভাবে পীড়াদায়ক।

😌কিছু কিছু মেয়ে অবাঞ্ছিত লোমের কারণে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

😌কেউ কেউ বিষণ্নতায় ভুগে, হতাশাগ্রস্থ হয়।

😌যদিও হারসুটিজম শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করে না, তবে পরোক্ষভাবে হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণ হতে পারে।

15/03/2023

পুঁজে ভর্তি নাজমার ডান পাশের ফেলোপিয়ান টিউব।
রোগীটা এত কষ্ট পেলো লাস্ট ৪ টা মাস। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম রিপোর্ট এ কনফিউজড হয়ে ঘুরলেন এতদিন।

যাইহোক, নাজমার জন্য দোয়া রইলো।

নাজমা-দুই কন্যা সন্তানের জননী। একজন ছেলের আশায় আবারও বাচ্চা নিতে চান। হঠাৎ দেড়মাস  মাসিক বন্ধ যাওয়ায় সে মনে করে কনসিভ কর...
15/03/2023

নাজমা-দুই কন্যা সন্তানের জননী। একজন ছেলের আশায় আবারও বাচ্চা নিতে চান। হঠাৎ দেড়মাস মাসিক বন্ধ যাওয়ায় সে মনে করে কনসিভ করেছে। কাঠি পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসা এবং রক্ত ভাঙ্গা শুরু হলে রোগীর বাপের বাড়ি নড়াইল এলাকায় হওয়ায় নড়াইলে ডক্টর দেখান। প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে আল্ট্রাসাউন্ড করালে ডক্টর জানান, বাচ্চা জরায়ুর বাইরে টিউবে এসেছে, অপারেশন করা লাগবে। রোগী যেয়ে ভর্তি হন নড়াইল সদরে। সেখানের সিস্টার রা "D&C " করে দেন যেটা কিন্তু এই এক্টোপিক প্রেগ্ন্যাসির চিকিৎসা না। যাইহোক এগুলা সবই রোগীর বলা কথা,কতটা সত্য মিথ্যা জানিনা।

তার মাস দুয়েক পরে রোগীর হঠাৎ করে পেট ব্যাথা আর জ্বর শুরু হয়। উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স থেকে পাঠান ল্যাবএইডে।। দেখলাম জরায়ুর ভিতরে রক্ত জমাট আছে ১০ মিলিলিটার মতো এবং ডানপাশের টিউব/সন্তানের নাড়িটা অনেক ফোলা এবং ভিতরে ময়লা মতো,,সম্ভবত পুজই হবে। রোগীকে সবকিছু বুঝিয়ে পাঠালাম গাইনী ম্যামের কাছে। ম্যাম রোগীকে কাউন্সেলিং করলেন অপারেশনের জন্য, যা এই pyosalpinx এর চিকিৎসা। পুঁজ থাকলে তো তার চিকিৎসা হবে পুঁজ বের করে তারপর এন্টিবায়োটিক দেওয়া।

যাইহোক রোগী অপারেশন করাকে ভয় পেলেন, পরদিনই চলে গেলেন ফরিদপুর। নামকরা সিনিয়র ম্যামের কাছে,,সেখানের ছোট্ট মেশিনে ডায়াগনোসিস করেন সনোলজিস্ট "Retained product of conception" মানে বাচ্চার ময়লা জরায়ুতে রয়ে গেছে। (রোগী কিন্তু প্রেগন্যান্ট না) রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসা হলে, "wash করা বা D&E&C"... সেটাই করা হলো। কিন্তু রোগী ভালো হলেন না। রিপোর্ট অনুযায়ী ডক্টর জানান যে এটার কোন অপারেশনই লাগবে না,ঔষধেই যাবে। রোগীতো খুবই খুশি,,তার অপারেশন লাগবেনা। রোগী মাগুরায় চলে আসেন। অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় এবার মাগুরাতেই একজন মহিলা ডক্টরকে দেখান। তিনিও আল্ট্রাসাউন্ড করেন নিজে। তারও রিপোর্ট আসে, " জরায়ুর ভিতরে পানি/ময়লা" এটা তিনি ঔষধেই সারবেন। রোগী ভরসা পান,,তার অপারেশন লাগছেনা,দুইজন ডক্টর যেহেতু একই কথা বলেছেন।

"একটা আল্ট্রাসাউন্ড রিপোর্ট যে রোগীর চিকিৎসার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা যদি আমরা বুঝতাম!! তাহলে নিশ্চয়ই আরো সচেতন হয়ে রিপোর্ট করতাম বা রোগীর কথা শুনে আগের কাগজগুলা দেখে একটা সিদ্ধান্ত নিতাম,, জাস্ট দুইশো টাকার জন্য পেটে এক ঘষা দিয়েই তুলে দিতাম না রোগী"

যাইহোক এভাবেই দিন কাটতে থাকে আর নাজমা অসুস্থ হতে থাকে। সংসারে অশান্তি শুরু হয়। বর গ্রামীন ব্যাংকে সামান্য বেতনে চাকুরী করেন,,এত দামী দামী এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো,সাথে আরো নানা ঔষধ, তাতেও যদি তার স্ত্রী একটু সুস্থ হতেন।

হঠাৎ করেই নাজমা অনেক অসুস্থ হয়ে যান। সারাক্ষণ তো গায়ে জ্বর থাকেই সাথে পেটব্যথা। ব্যাথা বেশি বাড়ায় ভর্তি হন স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানের ইমারজেন্সির ডক্টর, "ডাক্তার কণা আপা রোগীর আগের সব রিপোর্ট দেখেন, রোগীর ক্লিনিক্যাল কমপ্লেইনের সাথে আমার করা রিপোর্টের সামঞ্জস্য পান এবং রোগীকে অনেক কাউন্সেলিং করে আবারও আল্ট্রাসাউন্ড করতে পাঠান।" রোগী উপজেলা থেকে একটি অাল্ট্রাসাউন্ড করান এবং সেখানের ডক্টর ভাইও সাসপেক্ট করেন যে তার তলপেটের ডানপাশে একটা টিউমার মতো কিছু আছে।

১৩/০৩/২৩ এ রোগী আসেন ল্যাবএইডে। ঠিকমতো সোজা হয়ে হাঁটতেও পারছেন না,শরীর প্রচন্ড দুর্বল,দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব যাচ্ছে সমানে।। রোগীর আগের রিপোর্ট দেখলাম। রোগীর গলায় আক্ষেপের সুর। এত কষ্ট পদচ্ছেন তিনি,,একেকজনের একেকরকম রিপোর্ট এ তারা কনফিউজড।। যাইহোক আজকের পর তারা আর কোন রিপোর্ট করাবেনা,বাঁচলে বাঁচবে না হয় মরবে।

যাইহোক রোগীর আবারও আল্ট্রাসাউন্ড করলাম। রিপোর্ট সেম আগের মতোই।... "pyosalpinx "

রোগীকে অনেক বুঝিয়ে পাঠালাম আবার গাইনী ডক্টর ম্যামের কাছে। ম্যাম দ্বিতীয় মতামতের জন্য মাগুরার সবচেয়ে ভালো সনোলজিস্ট দিয়ে আবারও রিচেক করান ডকুমেন্টস রাখার জন্য। এই রিপোর্ট ও সেম আসে।

রোগীকে অপারেশনের জন্য বোঝানো হয়,তার রোগ কি,রোগের কমপ্লিকেশন কি,চিকিৎসা কি,ঠিকমতো চিকিৎসা না করালে কি হবে,সব বোঝান...

রোগী আজ ওটি করাতে আসেন। আমার রিপোর্ট এর সত্যতা কতখানি, আমার জন্য রোগীর কোন ভুল চিকিৎসা হলো কিনা সেটা বোঝার জন্যই এই দু-ঘন্টা যাবত ওটিতে দাঁড়িয়ে থাকা।

ভিতরে এতই খারাপ ছিলো যে গাইনেকোলজিস্ট ম্যাডামের পাশাপাশি ওটিতে সার্জন স্যারকেও আনা হয়।

ডানপাশের টিউবটা এত বড় হয়েছে,,ভিতরে পুঁজে ভরা।

নাজমার জন্য দোয়া করবেন সবাই।

একটা খ্যাদা নাকের ৩৫ সপ্তাহের সুন্দর বাচ্চাটা ❤️❤️মায়ের পেটে বসে আরাম করছেন এভাবেই💕
15/03/2023

একটা খ্যাদা নাকের ৩৫ সপ্তাহের সুন্দর বাচ্চাটা ❤️❤️
মায়ের পেটে বসে আরাম করছেন এভাবেই💕

সকলেই বেসরকারী মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ এ ভর্তি হবার পূর্বে দেখে নিবেন তাদের বর্তমান স্টাটাস।ছবির ব্লাকলিসটেড প্রতিষ্ঠানে ...
12/03/2023

সকলেই বেসরকারী মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ এ ভর্তি হবার পূর্বে দেখে নিবেন তাদের বর্তমান স্টাটাস।ছবির ব্লাকলিসটেড প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে প্রতারিত হতে হবে।

-স্যার আমার ডাইরিয়া হইসে, ভালো হইতেসে না।-ঔষধ খেয়েছেন কোন?-জ্বি স্যার, ফিলমেট খাইসি..-আর?-এমোডিস ও খাইসি..-আর?-জিম্যাক্স...
10/03/2023

-স্যার আমার ডাইরিয়া হইসে, ভালো হইতেসে না।
-ঔষধ খেয়েছেন কোন?
-জ্বি স্যার, ফিলমেট খাইসি..
-আর?
-এমোডিস ও খাইসি..
-আর?
-জিম্যাক্স খাইসি..
-আর?
-জক্স ও খাইসিলাম একটা..
-আর?
-ইমোটিল নিয়া আসছি, এখনো খাই নাই, তবে কাল রাইতে রস্টিল ট্যাবলেট খাইসিলাম একটা..
- মাশাল্লাহ.. আর কিছু?
- না স্যার আর কিছু না। তয় শইলডা দুর্বল হই গেছে। এট্টু ভিটামিন খাওয়া লাগতে পারে মনে হইতেসে..

-বাহ, ভেরী গুড আইডিয়া। তা কয়দিন হইলো ডাইরিয়া???

-গতকাল দুপুর থেকে শুরু হইসে, আজ সন্ধ্যা পার হইয়ে যাইতেসে। এখনো কমতেসে না। ৮-৯ বার টয়লেট গেছি। স্যার এখন কি করবো?

- এখন বাসায় যাবেন, এরপর সব ঔষধ জানালা দিয়ে ফেলে দিবেন বাইরে।

-হ্যা স্যার?? কি কইলেন সার?

-জ্বী, সব ফেলে দেন। আর আমি চিকিৎসা বলে দিচ্ছি এখন, মন দিয়ে শুনুন।

এরপর তাকে চিকিৎসা দেওয়া হলো।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

যারা কষ্ট করে এই লেখা পড়ছেন তাদের কেউ কেউ হয়ত জানতে চাচ্ছেন যে চিকিৎসাটা আসলে কি দিয়েছিলাম?
তার আগে বলতে চাই,
উনার মত আপনারাও যদি জেনে থাকেন যে ফিলমেট, ফ্লাজিল, এমোডিস, মেট্রো, জক্স, ইমোটিল এগুলো যত পারেন তত খাওয়াটাই ডাইরিয়ার ক্ষেত্রে আসল করনীয়,
তাইলে সেটা ভুল জানেন।

সঠিক কি করনীয় তা বলে দিচ্ছি আমি, কিন্তু তার আগে আপনাদের জন্য,

" বলুন তো?
কোন সেই পৃথিবীর সেরা হাসপাতাল যেখানে ডাইরিয়ার চিকিৎসা খুব ভালো হয়? যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিদেশী চিকিৎসক রা এসে এসে চিকিৎসা শিখেন? রিসার্চ করেন?"

গর্ব সহকারে উত্তরটা দিয়ে দেই,
সেই সেরা যায়গাটা আমাদের দেশে। জায়গার নাম ICDDR'B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh)..
অর্থাৎ আমাদের বিখ্যাত "মহাখালী কলেরা হাসপাতাল.."

৫৮ বছর পুরানো সেই প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন শত শত ডাইরিয়ার রোগী যায়।

যদি কখনো সেখানে রোগী হয়ে বা রোগী নিয়ে যান,
তাহলে দেখবেন তারা তাদের এত এত রোগীদের সাধারনত ঐসব ফিলমেট, মেট্রো, এমোডিস, ইমোটিল ইত্যাদির কোনটাই দেয় না।
শুধু তাই ই না, সচরাচর তারা এন্টিবায়োটিক-ই দেয় না। এন্টিবায়োটিক ছাড়াই হাজার হাজার ডাইরিয়ার রোগী তারা ভালো করছে এবং সুনামের সাথেই করছে।

আমার ফ্রেন্ড এর কাকা ওখানে ভর্তি হয়ে ঝগড়া করে এসেছে। ভর্তির দ্বিতীয় দিন ওদের সাথে বিশাল হইচই করে বলেছেন,
" হুমুন্দির ফুতেরা কি চিকিৎসা দেয়? হাগতে হাগতে শেষ হইলাম, আমাকে একটাও এন্টিবায়োটিক দিলো না, হ্যাতেরা কোন চিকিৎসা জানে নি??"

আমার কপাল খারাপ যে ঠিক ঐ সময় আমি উনাকে দেখতে গিয়েছিলাম। উনি হুবহু উপরের কথাগুলোই বলেছিলেন। লজ্জায় মাথা কাটা যায় এমন অবস্থা..

আপনাদের কি মনে হয়? উনারা বেকুব?
ICDDR'B এর ডাক্তার রা চিকিৎসা জানেন না?

যেখানে আপনার বাসার সামনে ফার্মেসী তে গিয়ে ডাইরিয়া হয়েছে বলার আগেই একটা ফিলমেট/ফ্লাজিল বা ইমোটিল গিলায় দেয়, সেখানে এতবড় প্রতিষ্ঠান, দেশ বিদেশের সবাই এক নাম এ চিনে, সেখানে ওরা সেই সব ঔষধ পারতপক্ষে দেয়ই না কেন??
নিশ্চই যুক্তি আছে।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

যাক,
অনেক ভ্যান ভ্যান করেছি। এবার ডাইরিয়া হলে সঠিক ক্ষেত্রে করনীয় কি সেটা বলে দিচ্ছি..

সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষ আপনি।
একদিন মনের অজান্তে বাইরের খাবার বা জীবানুযুক্ত খাবার বা পানি খেয়েছেন,
আপনার পেটে ভুটভাট শুরু হয়েছে..
কিছুক্ষন পর শুরু হলো ডাইরিয়া.. পানির মত পায়খানা.. ডাইরেক্ট লাইন..সাথে বমি..সাথে জ্বর জ্বর ভাব।

এই রোগটিকে আমরা আমাদের ভাষায় বলি "গ্যাসট্রোএনটেরাইটিস"..

এই ডাইরিয়াটাই আপনাদের বেশী হয় এবং আপনারা অস্থির হয়ে যান বস্তা বস্তা এন্টিবায়োটিক খেয়ে ডাইরিয়া কে "যায়গামত ব্রেক কষাতে"..

আসলে যেটা আপনাদের বুঝতে হবে, এটাকে ব্রেক কষানো টা মূল চিকিৎসা না।
এ সময়ে মূল চিকিৎসা হলো শরীরের পানি ঠিক রাখা।
আবার বলি,
এ সময় মূল চিকিৎসা হলো শরীরের পানি ঠিক রাখা।

ডাইরিয়ার তীব্রতা ১-৫ দিনের মাঝে সাধারনত নিজে থেকেই কমে যাবে। আপনি শুধু শরীরে পানি ঠিক রাখেন।

আপনার যা যা করতে হবে তা হলো,

১.ওরাল স্যালাইন খাবেন, প্রতিবার পায়খানা হবার পর ১ গ্লাস করে।
২. ঘরের বাইরে বানানো কিছু খাবেন না
৩.দুধ এবং দুধের তৈরী কিছু খাবেন না।
৪.ফল ও ফলের রস খাবেন না।
৫.যদি কোন ধরনের ভিটামিন জাতীয় ঔষধ খেতে থাকেন, সেটা বন্ধ করে দিবেন।
৬. ডাইরিয়া ব্রেক কষানোর জন্য কখনোই ইমোটিল জাতীয় ঔষধ (গ্রুপ - লোপেরামাইড) খাবেন না। সাবধান।
৭. ভাত মাছ রেগুলার সব খাবার স্বাভাবিক যেমন খেতেন তেমনই খাবেন।

উপরে যেই ৭ টা কথা বললাম, ডাইরিয়ার চিকিৎসার মূল অংশ ঐটাই।
বাকি থাকে এন্টিবায়োটিক এর প্রসংগ।
সে ক্ষেত্রে সুজোগ করে একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। তিনি কোন এন্টিবায়োটিক যদি সাজেস্ট করে থাকেন, তাহলে সেটি ই খাবেন।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

ার্জেন্সী_হাসপাতালে_ভর্তি_লাগবে?

-যদি পর্যাপ্ত স্যলাইন খেতে না পারেন, বমি বেশী হয়..
-যদি আলাদা করে প্রস্রাব হওয়া বন্ধ হয়ে যায় (পায়খানার সময় তো প্রস্রাব হয় ই, আলাদা করে শুধু প্রস্রাব এর কথা বলেছি)
-যদি হাত পা ব্যথা বা কামড়ানো টাইপ কষ্ট শুরু হয়..
-প্রচন্ড নিস্তেজ হয়ে যায়।

উপরের বর্নিত জিনিসগুলো হলে হয়তো হাসপাতালে ভর্তি লাগতে পারে
(বিদ্রঃ মহাখালী কলেরা হাসপাতাল ২৪ ঘন্টা এ কাজে নিয়জিত।)

আর হ্যা, আপনি হয়তো জোয়ান তাগড়া মানুষ। ডাইরিয়া হলে স্যালাইন খেয়ে টেয়ে ম্যানেজ করে ২-৩ দিনের মাঝে হয়তো সুস্থ্য হলেন। ডাক্তার হয়তো দেখানোর প্রয়োজন হলো না।
কিন্তু যদি বাসার বৃদ্ধ এবং একেবারে শিশুদের যদি সামান্য ডাইরিয়াও হয়, সেটার জন্যেও একবার অন্তত ডাক্তার দেখাবেন।

▒▒▒ ▒▒▒ ▒▒▒

পরিশেষে,
এতবড় লেখায় আমার আসল মেসেজ বুঝতে পেরেছেন তো?
ছোট করে আবার বলি,

আপনার এবং আপনার আপনজনকে ডাইরিয়া হলে প্রথমে ঔষধের চাইতে স্যালাইন খেতে উৎসাহী করুন।
ডাইরিয়া হলে বস্তা বস্তা ঔষধ খেয়ে ওটাকে ব্রেক কষানোর জন্য অস্থির হবার দরকার নেই।
ভেতরের তৈরী দুষিত জিনিস বেরিয়ে যেতে দিন।
আপনি স্যালাইন খেয়ে শরীরে পানির পরিমান ঠিক রাখেন।
খাবারের নিয়মগুলো মানেন।
এইটুকু তেই আপনি ৮০% নিরাপদ।
এরপর ডাক্তার যদি মনে করেন যে এন্টিবায়োটিক লাগবে, সেটা যদি দেয়, তাইলে খাবেন।

👉👉গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা :গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ক্যালরির প্রয়োজন হয়, তাই স্বাভাবিক সময়ের ...
09/03/2023

👉👉গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা :

গর্ভাবস্থায় একজন মায়ের স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ক্যালরির প্রয়োজন হয়, তাই স্বাভাবিক সময়ের থেকে তাকে বেশি পরিমাণে খেতে হয়।

👌👌পবিত্র রমজান মাসে যেহেতু দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, তাই এ সময়ে গর্ভবতী মায়েরা রোজা রাখা না রাখা নিয়ে বেশ দ্বিধায় পড়ে যান। একদিকে রোজা রাখা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ, অপরদিকে সারা দিন অভুক্ত থাকলে গর্ভস্থ শিশু সঠিক পুষ্টি পাবে কি না, সে ব্যাপারে অনিশ্চয়তা! যদিও ইসলামি নিয়মানুসারে গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়ের রোজা রাখার ওপর শিথিলতার কথা উল্লেখ আছে। তাই গর্ভকালীন অবস্থায় রোজা রাখা অনেকাংশেই নির্ভর করে আপনার শারীরিক অবস্থার ওপর। গর্ভাবস্থায় যদি আপনি সুস্থ-স্বাভাবিক থাকেন ও আপনার গর্ভস্থ শিশুর কোন ক্ষতির সম্ভাবনা না থাকে তাহলে আপনার রোজা রাখতে কোনো বাধা নেই। তবে বেবির কথা চিন্তা করে আপনি রোজা কাজাও করতে পারেন।

👌👌গর্ভকালীন সময়কে আমরা তিনটি ট্রাইমেস্টারে ভাগ করে থাকি। প্রথম তিন মাস বেশ জটিল। এ সময়ে মাতৃগর্ভে শিশুর প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তৈরি হয়। তাই মায়ের শরীরে সঠিক মাত্রায় পুষ্টি, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফলিক এসিড, পানির সরবরাহ জরুরি। তা ছাড়া এ সময়ে বমি বমি ভাব, বমি, খাদ্যে অরুচি, মাথাব্যথা, ওজন কমে যাওয়াসহ কিছু কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথম তিন মাসে রোজা না রাখাই ভালো।

👌👌মধ্যবর্তী তিন মাসে গর্ভের শিশুর গঠন তৈরি হয়ে যায়। গর্ভবতী মা এ সময় অপেক্ষাকৃত ভালো বোধ করেন। মা ও গর্ভস্থ শিশুর যদি অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকে এবং মায়ের ওজন ঠিক থাকে, তাহলে এ তিন মাসে তার রোজা রাখায় কোনো বাধা নেই। তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

👌👌প্রথম তিন মাসের মতো শেষ তিন মাসও গর্ভবতী মাকে অধিক সতর্ক থাকতে হয়। এ সময়ে গর্ভের শিশুটি দ্রুত বেড়ে ওঠে। তাই এ সময়ে মা ও গর্ভস্থ শিশুর পুষ্টির বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় আপনি যদি রোজা রাখতে চান, তাহলে রোজা শুরুর আগেই আপনার গাইনকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করুন।

👌👌আপনি যদি রোজা পালন করেন তাহলে অবশ্যই নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন:

👉* রোজার ক্লান্তি কমাতে বিশ্রামের মাত্রা বাড়িয়ে দিন।
👉* দুশ্চিন্তামুক্ত থাকুন।
👉* অতিরিক্ত হাঁটাহাঁটি এবং পরিশ্রম করবেন না।
👉* ভারী ওজন বহন করবেন না।

👉* রাত জাগার অভ্যাস পরিহার করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
👉* পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
👉* ইফতারি ও সেহরিতে সুষম খাবার নিশ্চিত করুন।

(Collected from dr Ruma apu)

ভদ্র বাচ্চা।  ছাদ থেকে আম গাছে উঠতে গেছিলো তার পর পড়ে যায়। প্রথমে একটু হালকা ব্যাথা ছিলো,চামড়া ছিলে যায়।১৫ দিন আগের ঘটনা...
07/03/2023

ভদ্র বাচ্চা। ছাদ থেকে আম গাছে উঠতে গেছিলো তার পর পড়ে যায়।
প্রথমে একটু হালকা ব্যাথা ছিলো,চামড়া ছিলে যায়।

১৫ দিন আগের ঘটনা।

এখন তার আক্রান্ত জায়গাটা অবশ...এক্সরে রিপোর্ট নরমাল আসছে তাই এসেছে আল্ট্রাসাউন্ড করতে।

রক্তে ভরে আছে পুরা ভিতরে। বাচ্চা গুলান এত দুষ্ট 😶

Address

Magura
7600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Sumi Aktar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Sumi Aktar:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category