14/04/2026
হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা, নীলপূজা, চড়কপূজা, গম্ভীরাপূজা, কুমীরের পূজা, অগ্নিনৃত্য: উইকিপিডিয়াতে রয়েছে যে-“চড়ক পূজা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লোকোৎসব। চৈত্রের শেষ দিনে তথা চৈত্রসংক্রান্তিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয় এবং বৈশাখের প্রথম দু-তিন দিনব্যাপী চড়ক পূজার উৎসব চলে। এ পূজার অপর নাম নীল পূজা।
গম্ভীরাপূজা বা শিবের গাজন এই চড়কপূজারই রকমফের। চড়ক পূজা চৈত্রসংক্রান্তিতে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষ দিবসে পালিত হয়। আগের দিন চড়ক গাছটিকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়। এতে জলভরা একটি পাত্রে শিবের প্রতীক শিবলিঙ্গ রাখা হয়, যা পূজারিদের কাছে "বুড়োশিব" নামে পরিচিত। পতিত ব্রাহ্মণ এ পূজার পুরোহিতের দায়িত্ব পালন করেন।
পূজার বিশেষ বিশেষ অঙ্গ হলো কুমিরের পূজা, জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, কাঁটা আর ছুঁড়ির ওপর লাফানো, বাণফোঁড়া, শিবের বিয়ে, অগ্নিনৃত্য, চড়কগাছে দোলা এবং দানো-বারানো বা হাজারা পূজা করা।
এই সব পূজার মূলে রয়েছে ভূতপ্রেত ও পুনর্জন্মবাদের ওপর বিশ্বাস। এর বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রাচীন কৌমসমাজে প্রচলিত নরবলির অনুরূপ। পূজার উৎসবে বহু প্রকারের দৈহিক যন্ত্রণা ধর্মের অঙ্গ বলে বিবেচিত হয়।
চড়কগাছে ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে লোহার হুড়কা দিয়ে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘোরানো হয়। তার পিঠে, হাতে, পায়ে, জিহ্বায় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে বাণ শলাকা বিদ্ধ করা হয়। কখনো কখনো জ্বলন্ত লোহার শলাকা তার গায়ে ফুঁড়ে দেয়া হয়। ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার আইন করে এ নিয়ম বন্ধ করলেও গ্রামের সাধারণ লোকের মধ্যে এখনো তা প্রচলিত রয়েছে।”
অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ হলো একান্তই হিন্দুদের নিজস্ব দিবস, নিজস্ব উৎসব। উপরের যেসব উৎসবের বর্ণনা দেয়া হয়েছে পহেলা বৈশাখের, তা মূলত গ্রাম্য হিন্দুদের উৎসব। ঘটা করে প্রথম বাংলা নববর্ষ পালন করা হয় ১ম বিশ্বযুদ্ধের সময় । ব্রিটিশরাজের বিজয় কামনা কে ১৯১৭ সালে পহেলা বৈশাখে হোমকীর্ত্তণ ও পূজার ব্যবস্থা করে কলকাতার হিন্দু মহল । আবার যখন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দামামা বাজল,তখন হিন্দু সুবিধাবাদী গোষ্ঠি ১৯৩৮ সালে উত্সব করে পহেলা বৈশাখ পালন করল । পূজায় পূজায় ইংরেজদের জন্য বিজয় কামনা করল । (সূত্র: প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে বাংলা বর্ষবরণ, মুহাম্মাদ লুত্ফুর হক, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ এপ্রিল ২০০৮)
তরাং ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখ হিন্দুদের একান্তই নিজস্ব উৎসব। এর সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক তো নেই-ই, ‘বাঙালি সংস্কৃতি’রও খুব বেশি সম্পর্ক নেই। কারণ বাদশাহ আকবর ছিল অবাঙালি, তার নিকট আবদার করে ফসলি সন তথা পহেলা বৈশাখের উৎসব আদায় করে নেয়া দিল্লীর হিন্দু জনগোষ্ঠীও ছিল অবাঙালি। পহেলা বৈশাখের সাথে সম্পর্ক রয়েছে ভূত-প্রেতে বিশ্বাসের, পুনর্জন্মবাদের, সর্বোপরি হিন্দুধর্মের।
ইউটিউব এ সার্চ দিলে পহেলা বৈশাখে লক্ষী গনেশ পুজা - পুজার ভিডিও, নিয়ম সবই পাবেন।
যাদু টোনা এদিনে রিনিউ করা হয়... তাই শরীর বন্ধ, রুকইয়াহ আমল, বরই পাতার গোসল মাস্ট,পূজা এরিয়া এড়িয়ে চলা অত্যাবশক....
📍ঢাকায় আমাদের রয়েছে ৭ টি শাখা
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও বিস্তারিত জানতে কল করুন: 01612-877464