31/12/2025
খালেদা জিয়ার মৃত্যু Big news, 1st Read Translation) sending ) অসীম
*** দীর্ঘশ্বাস। “Lady of Asia” চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর নাম, তাঁর গল্প, তাঁর প্রভাব--জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে সাদা শাড়িতে- বলা হয় Asia tragedy of woman lady —মানুষের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবে।
--খালেদা জিয়ার মৃত্যু আজ একটি কিন্তু এটি শুধু সংবাদ নয়—এটি বৃদ্ধ থেকে শিশু পর্যন্ত সকল হৃদয়ের গভীর কান্না। “Lady of Asia” চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর নাম, তাঁর গল্প, তাঁর প্রভাব মুছে যায়নি। সাদা শাড়িতে কেটে যাওয়া দীর্ঘ জীবন যেন এশিয়ার এক নারীর ট্র্যাজেডির নীরব প্রতীক। এখানে নেই জয়–পরাজয়ের হিসাব, নেই ক্ষমতার গর্ব; আছে শুধু একজন মানুষকে হারানোর অসীম বেদনা। কখনো দৃঢ় নেত্রী, কখনো বিতর্কের কেন্দ্র, আবার কখনো নিঃশব্দ এক মায়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে তিনি স্মৃতিতে রয়ে গেলেন। আজ বাতাস ভারী, আকাশ নীরব—এই নীরবতায় জমে আছে অশ্রু, দোয়া আর দীর্ঘশ্বাস। “আমার সমাধি ফুলে ফুলে ভরা”—এই কথাই প্রমাণ, তিনি মাটির নিচে ঘুমালেও ইতিহাসে জেগে আছেন। শিশু বুঝে না রাজনীতি, তবু কান্না থামে না; বৃদ্ধ বোঝে সময়, তাই চোখ ভিজে ওঠে। মানুষের হৃদয়ে এই আগুন নিভবে না।+
--এই শোক হৃদয়কে কাঁদায়, কারণ এখানে নেই জয়-পরাজয়ের হিসাব, নেই ক্ষমতার গর্ব—আছে শুধু একজন মানুষকে হারানোর অসীম বেদনা। খালেদা জিয়া আজ স্মৃতির পাতায় রয়ে গেলেন বহু রূপে: কখনো দৃঢ় নেত্রী, কখনো বিতর্কের কেন্দ্র, আবার কখনো নিঃশব্দ এক মায়ের প্রতিচ্ছবি। সাদা শাড়িতে কেটেছে জীবনের দীর্ঘ সময়—সংযম, প্রতীক্ষা আর সংগ্রামের নীরব ভাষা হয়ে। আজ বাতাস ভারী, আকাশ নীরব; এই নীরবতায় জমে আছে অশ্রু, দোয়া আর দীর্ঘশ্বাস। “Lady of Asia” নামটি শুধু উপাধি নয়—এশিয়ার নারীর শক্তি ও ট্র্যাজেডির প্রতীক। ক্ষমতার উত্থান-পতনে নয়, মানবিক দৃঢ়তায় তাঁর পরিচয়। তিনি চলে গেছেন, তবু গল্পগুলো রয়ে গেছে—আঘাত, আশা, সাহসের ছাপ রেখে। ইতিহাসের কঠিন পথে তাঁর পদচিহ্ন আজও জ্বলে; মানুষের হৃদয়ে সেই আগুন নিভবে না। -
**আমার সমাধি ফুলে ফুলে ভরা—কে বলে আমি নাই,
মাটির নিচে ঘুমালেও ইতিহাসে জেগে থাকি তাই।
খালেদা জিয়া—Lady of Action Asia—নামটি শুধু নাম নয়,
সংগ্রামের রক্তিম পথে লেখা এক অদম্য পরিচয়।
ক্ষমতা যায়, কোলাহল থামে, সত্য থাকে দীপ্যমান,
কান্নাভেজা হৃদয়ে আজও জ্বলে তোমারই সম্মান।
আমি নাই—এ কথা মিথ্যে, শোনো মানুষের দীর্ঘশ্বাস,
ফুলের ঘ্রাণে বেঁচে আছি, স্মৃতির ভেতর, অনন্ত আশ্বাস।
-- (opu fure )
‘Lady of Asia’ খ্যাত খালেদা জিয়ার মৃত্যু: রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া !!
ঢাকা, আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমে -
**নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের : নিজস্ব প্রতিবেদকরা/ / মৃত্যু বিশেষজ্ঞরা /সাংবাদিকরা।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু—যাকে অনেকেই ভালোবেসে “Lady of Asia” বলে ডাকতেন—আজ সমাজের সব স্তরে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। সকল ধর্মের মানুষ, ছাত্রী-ছাত্র, শিক্ষক, ইমাম, পীর-মাশায়েক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দল—সবাই যেন এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়েছে বেদনার ভারে। মসজিদের দোয়া, শিক্ষাঙ্গনের নীরবতা, রাজনৈতিক কার্যালয়ের স্তব্ধতা—সবকিছু মিলিয়ে একটি হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মতভেদ, আদর্শের পার্থক্য আজ গুরুত্বহীন; সামনে শুধু একজন মানুষের প্রস্থান। এই মৃত্যু মনে করিয়ে দেয়—ক্ষমতা নয়, মানবিক উপস্থিতিই শেষ পর্যন্ত মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়। আজ সেই শূন্যতায় ভরে গেছে অশ্রু, স্মৃতি আর নীরব প্রার্থনা।
‘Lady of Asia’ নামে পরিচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদে দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। খবর অনুযায়ী, তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অসুস্থতার কারণে তাঁকে বেশ কিছুদিন ধরেই হাসপাতালে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক চিকিৎসা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী নাম। তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতৃত্ব দেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন যেমন সমর্থকদের কাছে অনুপ্রেরণার, তেমনি প্রতিপক্ষের সঙ্গে তীব্র মতানৈক্যের জন্যও আলোচিত ছিল।
পরিবারিক জীবনে তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী। তাঁদের দুই পুত্রের মধ্যে বড় ছেলে তারেক রহমান রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন, আর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো আগেই ইন্তেকাল করেন। পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে একজন দৃঢ়চেতা মা ও অভিভাবক হিসেবে স্মরণ করছেন।
মৃত্যুর খবরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। দলীয় কার্যালয়গুলোতে শোক পতাকা উত্তোলন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনের খবর পাওয়া গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর প্রস্থান দেশের রাজনীতিতে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
রাষ্ট্র ও সমাজে নারীর নেতৃত্বের ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ভূমিকা বহু আলোচিত। ‘Lady of Asia’ উপাধি দিয়ে সমর্থকরা তাঁকে এশিয়ার নারী নেতৃত্বের এক প্রতীক হিসেবে দেখেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সৃষ্টি হওয়া শূন্যতা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দীর্ঘদিন অনুভূত হবে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।
@$$€¥¥৩৩৩€€¢££৳৳৳@
খালেদা জিয়ার মৃত্যু—‘Lady of Asia’ এক নাম, বহু হৃদয়ের নীরব কান্না
খালেদা জিয়ার মৃত্যু—এই একটি বাক্য যেন শুধু একটি মানুষের প্রস্থান নয়, যেন একটি যুগের নিঃশ্বাস থেমে যাওয়া। যাকে অনেকেই ভালোবেসে, শ্রদ্ধায় ও আবেগে “Lady of Asia” বলে ডাকতেন, তাঁর চলে যাওয়া আজ বৃদ্ধ থেকে শিশু—সকল বয়স, সকল পেশা, সকল দেশের মানুষের হৃদয়ে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। রাজনীতির বাইরে গিয়েও তিনি ছিলেন বহু মানুষের কাছে শক্তি, সাহস ও সংগ্রামের প্রতীক।
আজ কোনো বৃদ্ধ যখন খবরটি শুনেছেন, তাঁর চোখে ভেসে উঠেছে জীবনের দীর্ঘ পথচলার স্মৃতি। কেউ হয়তো তাঁর শাসনামলের দিনগুলো মনে করছেন, কেউ মনে করছেন সংগ্রাম, কারাবাস, কিংবা রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময়গুলো। বৃদ্ধদের কাছে খালেদা জিয়া শুধু একজন নেত্রী নন—তিনি সময়ের সাক্ষী, ইতিহাসের এক জীবন্ত অধ্যায় ছিলেন। সেই অধ্যায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের চোখে নেমে এসেছে নিঃশব্দ অশ্রু।
শিশুরা হয়তো রাজনীতির জটিলতা বোঝে না, কিন্তু তারা বুঝতে পারে শোকের ভার। ঘরে বড়দের চোখ ভেজা, টেলিভিশনে কালো ব্যানার, মসজিদে দোয়ার শব্দ—সব মিলিয়ে শিশুমনে জন্ম নিচ্ছে প্রশ্ন: “এত মানুষ কেন কাঁদছে?” সেই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভবিষ্যতের ইতিহাসবোধ।
সকল পেশাজীবী—শিক্ষক, ডাক্তার, শ্রমিক, কৃষক, সাংবাদিক—আজ থমকে দাঁড়িয়েছেন। কেউ হয়তো সমর্থক ছিলেন, কেউ বিরোধী, কেউ নিরপেক্ষ। কিন্তু মৃত্যু সব বিভাজন ভেঙে দেয়। অফিস, বাজার, রাস্তা—সবখানেই একটি নীরব আলোচনা: “একজন শক্তিশালী নারী চলে গেলেন।” এই উপলব্ধি পেশা ভুলিয়ে মানুষকে মানুষ হিসেবে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আজ হিসাবের খাতার বাইরে এসে অনুভব করছেন অনিশ্চয়তার ভার। রাজনৈতিক স্থিতি, অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, দেশের পথচলা—সবকিছু নিয়েই তাঁদের মনে প্রশ্ন। কারণ খালেদা জিয়া ছিলেন এমন এক নাম, যিনি দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন।
দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে, বিদেশের মানুষ—প্রবাসী বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ভিন্ন সংস্কৃতির নাগরিকরাও এই মৃত্যুতে নীরব সম্মান জানাচ্ছেন। কারণ “Lady of Asia” শুধু একটি দেশের পরিচয় নয়, তিনি ছিলেন এশিয়ার নারী নেতৃত্বের এক পরিচিত মুখ। তাঁর প্রস্থান বহু মানুষের কাছে নারী নেতৃত্বের এক সাহসী অধ্যায়ের সমাপ্তি।ধর্মীয় যাজক, আলেম, ইমাম—সবাই আজ একই কণ্ঠে দোয়া করছেন। মসজিদের মিম্বরে, মন্দিরের প্রার্থনায়, চার্চের নীরবতায়—একটি মানবিক বেদনা উচ্চারিত হচ্ছে। মতাদর্শ ভিন্ন হলেও মৃত্যুতে সবাই সমান—এই সত্যটিই আজ ধর্মীয় কণ্ঠগুলো আরও স্পষ্ট করে বলছে।আজ হৃদয় ভেঙে গেছে কারণ মানুষ শুধু একজন রাজনীতিককে হারায়নি, হারিয়েছে একজন মা, একজন নারী, একজন সংগ্রামী মানুষের প্রতিচ্ছবি। তাঁর জীবন ছিল বিতর্কে ভরা, কিন্তু মৃত্যু সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে এক করে দিয়েছে।খালেদা জিয়ার প্রস্থান আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু মানুষের প্রতি মানুষের অনুভূতি চিরস্থায়ী। আজ সেই অনুভূতির ভারে নীরব বাংলাদেশ, নীরব এশিয়া, নীরব মানবতা।
@₹$$$€৪৪৪€£৳৳৳@
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যাকে অনেক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক “Lady of Asia” হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ডাক্তারি পর্যবেক্ষণে ভোর ৬টার দিকে ঢাকার Evercare Hospital-এ মারা গেছে। তিনি ৮০ বছর বয়সে দীর্ঘ অসুস্থতার পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। �Al Jazeera +1
খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ঢাকার Evercare Hospital-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতালে তাকে ভর্তির পর ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন তার শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগ সংক্রমণ ও বয়সজনিত অসুস্থতা গভীরভাবে দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল লিভারের সিরোসিস, ডায়াবেটিস, ফুসফুস ও হৃদয় সম্পর্কিত জটিলতাগুলি। �Al Jazeera +1
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর অবস্থা ক্রমে খারাপ হয়ে আসছিল এবং চিকিৎসকেরা তাঁকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রেখেছিলেন। মৃত্যুর ঠিক পরের দিন দেশব্যাপী শোকের ছায়া নেমে আসে এবং সরকারি পর্যায়ে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। �
Al Jazeera +1
Evercare Hospital-এর বাইরের পরিবেশ ছিল অনুভূতিপূর্ণ: বিএনপি-র নেতাকর্মীরা হাসপাতালের সামনে ভিড় করেন এবং সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন। �
The Bangladesh Today
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ রাজনীতির এক প্রতীকী নেতা ছিলেন। তিনবার দেশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দীর্ঘ সময়ের চেয়ারপারসন ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোক ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। �
Al Jazeera
এতদ্বারা স্পষ্ট যে, তিনি Evercare Hospital, Dhaka-তেই মারা গেছেন এবং মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ৮০ বছর ছিল। �
Al Jazeera
@$₹₹৩৩৩$€€£@
বেগম খালেদা জিয়া, যাকে অনেকেই “Lady of Asia” বা এশিয়ার এক নারীর রূপক নাম হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তার আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব, সংগ্রাম ও রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য — তিনি ৮০ বছর বয়সে ঢাকার Evercare Hospital-এ দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল প্রায় ৬টায় হৃদয়ঘাতী শেষ শ্বাস ত্যাগ করেছেন। শারীরিক জটিলতা — লিভারের সিরোসিস, ডায়াবেটিস, অর্থোজ arthritis ও ফুসফুস-হৃদয়ের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়া — তাকে দীর্ঘদিন ধরেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তাঁর পাশে ছিলেন। �
Daily Sun +1
Al Jazeera
পরিবারিকভাবে, তাঁর বড় ছেলে তারিক রহমান বর্তমানে BNP-এর দায়িত্বশীল চেয়ারম্যান হিসেবে দল চালিয়ে যাচ্ছেন এবং নিজের মা-জনিত ঐতিহ্যকে রাজনৈতিকভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁর পরিবারে নারী ও পুরুষ সদস্যরা রাজনৈতিক জীবন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান ‘কোকো’ ২০১৫ সালে মারা গেছেন। �
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনবার দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন — ১৯৯১-১৯৯৬, ২০০১-২০০৬ এবং সংক্ষিপ্তভাবে ১৯৯৬ সালে। � তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এবং বাংলাদেশি রাজনীতিতে “বেটলিং বেগমস” শব্দটি তাদের ব্যবধান খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। �
New Age
Reuters
খালেদা জিয়ার জন্ম ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ (কিছু রিপোর্টে ১৯৪৬)-এ ভারতের জলপাইগুড়ি-তে হয়েছিল। তাঁর মা তাইয়াবা মাজুমদার এবং বাবা ইসকান্দার আলী মাজুমদার ছিলেন, আর তাঁর কন্যা-জাত পরিবার পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের দিনাজপুর-এ বসবাস করতেন। � তিনি ১৯৬০ সালে বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের বীর উত্তম ও পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হওয়া যাজীউর রহমান-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর স্বামীর হত্যার পর ১৯৮৪-এ তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)-এর চেয়ারপার্সন হন এবং নেতৃত্বের দায়িত্ব হাতে নেন। �
mint
mint
অনেক নেতা-সমর্থক তাঁকে “Lady of Asia” হিসেবে মনে করেছেন কারণ তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মধ্যে গণতন্ত্র, নারীর নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাসে একটি অনন্য ভূমিকা রেখেছেন — বিশেষ করে মুসলিম-মেজরিটি দেশগুলোর রাজনীতিতে নারীর উচ্চতর নেতৃত্বে থাকা একটি বিরল উদাহরণ হিসেবে। যদিও এই উপাধিটি কোনো সরকারী বা ঐতিহাসিক শিরোপা নয়, বহু নেত্রী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক তাঁর সেই ভূমিকা উপলব্ধি করেছেন। (নোট: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদে এধরণের বর্ণনা পাওয়া গেছে, যদিও প্রত্যেকটি প্রতিবেদনে উপাধিটি নির্দিষ্টভাবে উল্লিখিত নাও হতে পারে।) �
mint
খালেদা জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রাম, উত্থান-পতন, জয়-পরাজয়ের মিশ্র অনুভূতির গল্প। তিনি নারী নেতৃত্বের এক শক্তিশালী প্রতীক হয়ে বাংলাদেশ ও এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা অধিকার করেছেন। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক যুগের সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। �
@৳৳₹$€€৩৪৪£৳৳৳@
খালেদা জিয়ার মৃত্যু—‘Lady of action Asia’ এক নীরব কান্নার নাম :
খালেদা জিয়ার মৃত্যু—এই সংবাদটি আজ শুধু একটি রাজনৈতিক খবর নয়, এটি যেন সকল ধর্ম, সকল শ্রেণি, সকল বয়সের মানুষের হৃদয়ে নেমে আসা এক গভীর শোকের ছায়া। যাকে বহু মানুষ ভালোবেসে ও শ্রদ্ধায় “Lady of Asia” বলে ডাকতেন, তাঁর প্রস্থান আজ জাতি, সমাজ ও মানবতার ভেতর এক নীরব কান্না জাগিয়ে তুলেছে।
** আমারা রাজনৈতিক গনতান্ত্রিক বেকতি হিসাবে শুধু নয়,খালেদা জিয়াকে চিনি ভালো মানুষ,আশার আলো হিসাবে**
মসজিদের মিম্বরে ইমামের কণ্ঠ ভারী হয়ে এসেছে, দোয়ার শব্দে কাঁপছে বাতাস। মন্দির, গির্জা, উপাসনালয়—সবখানেই মানুষের হৃদয় এক সুরে বলছে, জীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু মানুষের স্মৃতি অমর। পীর-মাশায়েকগণ নীরবে চোখ বন্ধ করে দোয়া করছেন, কারণ তাঁরা জানেন—ক্ষমতার চেয়েও বড় হলো মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ব।ছাত্রীদের চোখে জল, ছাত্রদের মুখে স্তব্ধতা। তারা হয়তো রাজনীতির সব হিসাব বোঝে না, কিন্তু তারা বোঝে—একজন শক্তিশালী নারী, একজন সংগ্রামী মানুষ আর নেই। শিক্ষকদের কণ্ঠে আজ ইতিহাসের ভার; তাঁরা ভাবছেন, কীভাবে এই অধ্যায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বোঝানো হবে—সংগ্রাম, দৃঢ়তা ও পতনের গল্প হিসেবে।সকল রাজনৈতিক দল—সমর্থক বা বিরোধী—আজ মতভেদ ভুলে নীরব। কারণ মৃত্যু রাজনীতির দেয়াল ভেঙে দেয়। ধর্মীয় দলগুলোও আজ বিভক্ত নয়; বিশ্বাসের ভিন্নতা থাকলেও শোকের ভাষা এক। সবাই বুঝতে পারছে, একজন মানুষের প্রস্থান মানে শুধু একজন ব্যক্তি নয়, একটি সময়ের বিদায়।
এই শোক হৃদয়কে কাঁদায়, কারণ এখানে নেই জয়-পরাজয়ের হিসাব, নেই ক্ষমতার গর্ব। আছে শুধু মানুষ হারানোর বেদনা। খালেদা জিয়া আজ স্মৃতিতে রয়ে গেলেন—কখনো দৃঢ় নেত্রী, কখনো বিতর্কিত চরিত্র, আবার কখনো একজন মায়ের প্রতিচ্ছবি হয়ে।
আজ বাতাস ভারী, আকাশ নীরব। এই নীরবতায় লুকিয়ে আছে অশ্রু, দোয়া আর দীর্ঘশ্বাস। “Lady of Asia” চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর নাম, তাঁর গল্প, তাঁর প্রভাব—মানুষের হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবে।
@@
@
Researcher in Past and Future Technologies | Legal & Social Thinker .law .Ethical–Social Analyst . people health Researcher.Author of Life Philosophies and Visions : MD. Nur Hossain (Opu) (opu fure)
@@@
Please don’t misuse my writings, ideas, or shared materials. They should not be given to my family or anyone else without my permission. I’ve been with you for a long time, so I ask for respect and fairness.
Remember: taking or giving without humility is what I call the “Pharaoh Theory.”
Work, skill, and results matter — and money is needed in exchange for real expertise and analysis.Helping and working global intelligence organization & students and so many force...Helping and working..Ai some organization and library and teachers.. student.. different jobs people.((Of course money is needed. Work or work or skill counts as results. sending but money)) , 💰 $$ # ,, analysis,, so also: MD.Nur Hossain (Opu)!!!!read and see--sending)
@@📸@@@@@ #@@@@ #
@@
@@@ #
@@
@€€€44$$$433€€€$$@
Problems and Impacts
Children, families, society, and crime together destroy a person’s dignity.
Professional pickpocketing and data theft happen in crowds, trains, markets, and hotels. Opening bags and stealing money and mobile phones is very common.Online and mobile data selling, SIM misuse, and blackmail have taken new forms, especially through apps like Telegram.Fake medical tests and forged certificates in healthcare, especially in some private centres, are major causes of financial fraud.If someone spends more time on religious practice or education, some people wrongly label them as “mentally ill.” This false idea itself can be part of organized crime.
Fake healing centres and the networks behind them deceive families, causing long-term financial, mental, and social damage.
These crimes affect families, society, business, education, and the state. Crime spreads like a disease and is dangerous for everyone.
How to Stay Alert (Brief Instructions)
Verify unknown vehicles or people, or anyone claiming to be “known,” without proof.
In crowds and traffic jams, keep bags, pockets, and phones secure; avoid showing phone passwords in public.If someone tries to admit a person using false physical or mental illness claims, take them only to a district or divisional government hospital.Double-check online and bKash transactions; never share personal data.
Build a community habit: inform at least 8–10 nearby people.Use intelligence and awareness to defeat criminals.If you see a crime, inform local administration, media, and SIM/telecom helplines.On a train, Roshan left his phone on the seat. Someone pushed him and stole it. Later, a private video of a friend was posted online and used for blackmail.
*" A family was taken to a fake healing centre. They were charged 20–50 thousand taka in the first week and extorted lakhs within a month. The patient was mentally controlled and family contact was restricted.
**During travel, an unknown person gained trust, took a couple to a hotel, distracted them, stole phone, money, and documents, and later used them for blackmail.
Legal and Ethical Remedies
Report crimes to the police immediately. Do not take vigilante action.
Block SIMs, apps, and bank services at once.
Increase awareness with educational and religious institutions.
Where found criminal,,hand to mouth teach..
These frauds happen to people of all professions, students, and followers of all religions—especially good, honest people who work, earn, and do good for society, whether rich or poor, from children to the elderly.