Dr. Suchisree Saha

Dr. Suchisree Saha HEALTH ( A complete physical, mental, & social wellbeing)

৯৫ বছর পর্যন্ত বাঁচতে চাইলে........
13/02/2026

৯৫ বছর পর্যন্ত বাঁচতে চাইলে........

08/02/2026
24/01/2026

বয়সের সাথে সাথে শিশুর মগজের পরিমাণ ঠিকমতো বাড়ছে কিনা তা জানা দরকার। মাথার পরিধি মেপে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাথার ভেতরের মগজের পরিমাণ ও ক্রমবৃদ্ধি বোঝা যায়। কারণ মগজ বৃদ্ধির সাথে সাথে মাথার পরিধিও বৃদ্ধি পায়, মগজ বৃদ্ধি না পেলে মাথার পরিধিও বাড়েনা।

কানকে মাথার সাথে চেপে ধরলে যে জায়গায় স্পর্শ করে ঠিক সেই বরাবর ফিতা ধরে মাথার চারদিকে ঘুরিয়ে মাপ নেবেন যাতে ফিতাটি কপালের ভ্রুর ঠিক উপরে এবং মাথার সবচেয়ে পেছনের অংশটি ছুঁয়ে থাকে।

বিভিন্ন বয়সে শিশুর মাথার পরিধিঃ

বয়সঃ ছেলেঃ মেয়েঃ
০ মাস - ৩৪.৮ সেমি ৩৪.৩ সেমি
১ মাস - ৩৭.২ সেমি ৩৬.৪ সেমি
২ মাস - ৩৯ সেমি ৩৮ সেমি
৩ মাস - ৪০.৬ সেমি ৩৯.৫ সেমি
৪ মাস - ৪১.৮ সেমি ৪০.৫ সেমি
৫ মাস - ৪২.৮ সেমি ৪১.৫ সেমি
৬ মাস - ৪৩.৮ সেমি ৪২.৪ সেমি
৭ মাস - ৪৪.৬ সেমি ৪৩.১ সেমি
৮ মাস - ৪৫.৪ সেমি ৪৩.৭ সেমি
৯ মাস - ৪৫.৮ সেমি ৪৪.৩ সেমি
১০ মাস - ৪৬.১ সেমি ৪৪.৮ সেমি
১১ মাস - ৪৬.৬ সেমি ৪৫.২ সেমি
১২ মাস - ৪৭ সেমি ৪৫.৬ সেমি
১৩ মাস - ৪৭.৪ সেমি ৪৫.৯ সেমি
১৪ মাস - ৪৭.৬ সেমি ৪৬.২ সেমি
১৫ মাস - ৪৭.৮ সেমি ৪৬.৫ সেমি
১৬ মাস - ৪৮ সেমি ৪৬.৭ সেমি
১৭ মাস - ৪৮.২ সেমি ৪৬.৯ সেমি
১৮ মাস - ৪৮.৪ সেমি ৪৭.১ সেমি
১৯ মাস - ৪৮.৬ সেমি ৪৭.৩ সেমি
২০ মাস - ৪৮.৮ সেমি ৪৭.৫ সেমি
২১ মাস - ৪৮.৯ সেমি ৪৭.৭ সেমি
২২ মাস - ৪৯ সেমি ৪৭.৯ সেমি
২৩ মাস - ৪৯.১ সেমি ৪৮ সেমি
২৪ মাস - ৪৯.২ সেমি ৪৮.১ সেমি
৩৬ মাস - ৫০ সেমি ৫০ সেমি
৪৮ মাস - ৫০.৩ সেমি ৫০.৩ সেমি
৬০ মাস - ৫০.৮ সেমি ৫০.৮ সেমি

15/01/2026

কেন হঠাৎ ৩৫–৪০ বছরের মানুষ Stroke বা Heart attack করে মারা যাচ্ছে?
সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভয়ংকর একটা ট্রেন্ড দেখছি।

অনেক কম বয়সী (৩৫–৪০ বছর) মানুষ Hemorrhagic stroke বা Heart attack করে হঠাৎ মারা যাচ্ছেন।

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—

তাদের অনেকের ডায়াবেটিস নেই

প্রেশার নেই

কোলেস্টেরলও নাকি স্বাভাবিক

তাহলে সমস্যা কোথায়?

সমস্যাটা লুকিয়ে আছে অন্য জায়গায়

আজকের দিনে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণ শুধু

ডায়াবেটিস–প্রেশার–কোলেস্টেরল নয়।

আসল নীরব ঘাতকগুলো হলো

চরম মানসিক চাপ (Stress)

ঘুমের ঘাটতি

হঠাৎ BP spike (যা নিয়মিত মাপলে ধরা পড়ে না)

Smoking / V**e / Jarda / Gutkha

হঠাৎ ভারী ব্যায়াম বা heavy lifting

Alcohol binge

Genetic দুর্বলতা

শরীরের ভেতরের নীরব inflammation ও clot tendency

অনেকে মনে করেন রিপোর্ট “Normal” থাকলেই ঝুঁকি নেই এই ধারণা এখন ভুল।

একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার

“আমি তো ডায়াবেটিস বা প্রেশারের রোগী নই”

এই বাক্যটাতে আর কোনো সুরক্ষা থাকার নয়।

আজকের Stroke ও Heart attack হচ্ছে

Stress + Inflammation + Lifestyle + Genetics এর সম্মিলিত ফল।

তাহলে আমরা কী করবো?

পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘণ্টা)

Stress control — এটা luxury না, এটা চিকিৎসা

হঠাৎ করে ভারী ব্যায়াম নয়

Smoking/V**e/Smokeless tobacco—Zero tolerance

Family history থাকলে আগেই screening

“ভালো আছি” ভাবার আগে শরীরের কথা শোনা

নিয়মিত রুটিন চেক আপ করা

মুল কথা হল

আজকের দিনে Heart attack ও Stroke আর শুধু বয়স্কদের রোগ না।

এগুলো হচ্ছে—অব্যবস্থাপিত এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের নীরব ফলাফল।

নিজের যত্ন নিন।

আপনি না থাকলে আপনার জায়গা কেউ পূরণ করতে পারবে না।

একটু সচেতনতা পারে প্রাণ বাঁচাতে❤️.

বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু জোর করে ঘুম পাড়াতে পারছেন না? আপনি তার সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করছেন! 🌙❌মায়েরা প্রায়ই বলেন...
25/12/2025

বাচ্চাকে জোর করে খাওয়াচ্ছেন, কিন্তু জোর করে ঘুম পাড়াতে পারছেন না? আপনি তার সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করছেন! 🌙❌

মায়েরা প্রায়ই বলেন, "আমার বাচ্চা খায় না, তাই ও বড় হচ্ছে না।" কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। বাচ্চা খাবার টেবিলে বড় হয় না, বাচ্চা বড় হয় বিছানায় - গভীর ঘুমের মধ্যে।

কেন রাত ১০টার মধ্যে ঘুমানো বাধ্যতামূলক? আর কেনই বা সে ঘুমাতে চায় না? আসুন বিজ্ঞানটা বুঝি।

📏 ১. উচ্চতা বৃদ্ধির ফ্যাক্টরি (Growth Hormone): মানুষের শরীর লম্বা হওয়ার জন্য যে HGH (Human Growth Hormone) প্রয়োজন, তার ৭৫% নিসৃত হয় ঘুমের মধ্যে। এর 'পিক টাইম' হলো রাত ১০টা থেকে রাত ২টা। বাচ্চা যদি ১১টায় ঘুমায়, তবে ও ডিপ স্লিপে যেতে যেতে ১২টা বেজে যাবে। অর্থাৎ, ও তার গ্রোথ হরমোনের সবচেয়ে ভাইটাল সময়টা মিস করলো।

🧠 ২. ব্রেইন ডিটক্স (The Glymphatic System): ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্কের "Glymphatic System" বা ঝাড়ুদার চালু হয়, যা সারাদিনের জমে থাকা টক্সিন পরিষ্কার করে। এটি না হলে বাচ্চার মেধা এবং মনোযোগ কমে যায়।

🤯 বাচ্চা কেন ঘুমাতে চায় না? (The "Second Wind" Trap) আপনি কি খেয়াল করেছেন, রাত ৯টার দিকে বাচ্চার একটু ঝিমুনি আসে, কিন্তু সেটা পার হয়ে গেলে ১০টার পর সে হঠাৎ হাইপার-অ্যাক্টিভ হয়ে যায়? একে বলা হয় "Second Wind"। বাচ্চা যখন তার নির্দিষ্ট 'স্লিপ উইন্ডো' মিস করে, তখন শরীরকে জাগিয়ে রাখতে তার ব্রেইন Cortisol এবং Adrenaline (স্ট্রেস হরমোন) রিলিজ করে। ফলে সে আর ঘুমাতে পারে না, বরং আরও চঞ্চল হয়ে ওঠে।

বাচ্চা নিজ থেকে ঘুমাবে না, আপনাকেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
১. Dim the Lights: সূর্যাস্তের পর থেকেই বাসার আলো কমিয়ে দিন। উজ্জ্বল আলো বাচ্চার ব্রেইনকে সিগন্যাল দেয় - "এখনো দিন আছে, জেদ করো!"
২. The Boredom Rule: শোবার ঘরকে 'বোরিং' বানান। কোনো খেলনা বা স্ক্রিন থাকবে না।
৩. Catch the Window: বাচ্চার প্রথম হাই তোলা বা চোখ ডলুনি দেখলেই বিছানায় নিন। ওই সময়টা মিস করলেই কিন্তু 'যুদ্ধ' শুরু হবে!

আজ থেকে ডিনার আর্লি, স্লিপও আর্লি!
©

ডিম খুবই জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। তবে ডিম নিয়ে অনেকের কিছু কমন প্রশ্ন থাকে। আজ সেগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।🔹ড...
18/12/2025

ডিম খুবই জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর একটি খাবার। তবে ডিম নিয়ে অনেকের কিছু কমন প্রশ্ন থাকে। আজ সেগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

🔹ডিমে কী কী উপাদান থাকে?
ডিমে প্রধানত উচ্চমানের প্রোটিন থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
ডিমের কুসুমে থাকে তিন ধরনের ফ্যাট— স্যাচুরেটেড ফ্যাট, মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট

এর মধ্যে মনো ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের জন্য উপকারী।
একটি ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে প্রায় ১.৫ গ্রাম।
একজন সুস্থ মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২২ গ্রাম, আর হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ১৫ গ্রাম পর্যন্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণ করতে পারেন।

🔹 প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া যায়?
এর উত্তর ব্যক্তিভেদে আলাদা।
যদি কোলেস্টেরল, হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সমস্যা না থাকে, তাহলে দিনে ১–২টি ডিম খাওয়া যায়।
এসব সমস্যা থাকলে প্রতিদিন ১টি সিদ্ধ বা অল্প তেলে ভাজা ডিম খাওয়া নিরাপদ।
🔹 ডিম কুসুমসহ খাবো নাকি ছাড়া?
সুস্থ ব্যক্তিরা কুসুমসহ ডিম খেতে পারেন।
যাদের কোলেস্টেরল, হৃদরোগ বা স্ট্রোক আছে, তারা কুসুম ছাড়া খেতে পারেন।
তবে কুসুমে থাকা অল্প পরিমাণ স্যাচুরেটেড ফ্যাট সাধারণত সমস্যা তৈরি করে না।

🔹 ডিম ভেজে খাবো নাকি সিদ্ধ?
সিদ্ধ ডিম সবচেয়ে ভালো।
তবে সামান্য তেল দিয়ে ভাজা ডিমও খাওয়া যেতে পারে।
ভাজা ডিমে ক্যালোরি তুলনামূলক বেশি থাকে।

🔹 হাই প্রেসারের রোগীরা কি ডিম খেতে পারবেন?
অবশ্যই পারবেন। প্রতিদিন ১টি সিদ্ধ বা অল্প তেলে ভাজা ডিম খেলে সাধারণত কোনো সমস্যা হয় না।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মন্ডল
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

18/12/2025

মাস্ক ব্যবহারের জন্য অনুরোধ!!!!

শীতকালে লম্বা সময় ধরে দেশে বৃষ্টি হয়না। এরফলে বাতাসে ধুলোবালি সহ দূষনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা নিশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে মানুষকে অসুস্থ করে দেয়।

শীতকালে এমন সুন্দর আবহাওয়া দেখে আমরা অনেকেই আবহাওয়া বা বায়ুদূষণের দিকে ঠিকমতো খেয়াল রাখিনা। আর এই সুযোগেই দূষিত বায়ু আমাদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে।

তাই এই অনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি কিছুটা হলেও কমিয়ে আনতে বাইরে বের হলেই সবসময় মাস্ক ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন আপনার সচেতনতাই আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।

ধন্যবাদ
BWOT

কেন ছোট মাছ খাবেন—আপনি জানেন না কারণটা!⭐ ১) প্রাকৃতিক ক্যালসিয়ামের সেরা উৎসছোট মাছ কাঁটাসহ খেলে শরীর ৫–১০ গুণ বেশি ক্যাল...
05/12/2025

কেন ছোট মাছ খাবেন—আপনি জানেন না কারণটা!

⭐ ১) প্রাকৃতিক ক্যালসিয়ামের সেরা উৎস
ছোট মাছ কাঁটাসহ খেলে শরীর ৫–১০ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম পায়।
➡ হাড়–জোড়া মজবুত হয়
➡ অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমে

⭐ ২) ভিটামিন–A সমৃদ্ধ
মলা, পুঁটি, ঢেঁইচা—এগুলো চোখের জন্য দারুণ উপকারী।
➡ রাতকানা প্রতিরোধ
➡ দৃষ্টি সুরক্ষা

⭐ ৩) মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় Omega-3
কাঁটা সমৃদ্ধ ছোট মাছের ওমেগা-৩ বড় মাছের চেয়েও ঘনভাবে থাকে।
➡ স্মৃতিশক্তি উন্নতি
➡ ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ভালো

⭐ ৪) আয়রনে সমৃদ্ধ – রক্তস্বল্পতা কমায়
বিশেষ করে কাঁচকি ও মলা মাছ।
➡ হিমোগ্লোবিন দ্রুত বাড়ে
➡ ক্লান্তি কমে

⭐ ৫) সহজ হজম ও কম কোলেস্টেরল
ছোট মাছের ফ্যাট হেলদি ও সহজে হজমযোগ্য।
➡ হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

03/12/2025

একজন মানুষের নিজের সম্পর্কে যা জানতে হবে
১)ওজন কত? কত থাকতে হবে।
২) ব্লাড প্রেসার কত? কত থাকতে হবে।
৩)ব্লাড গ্লুকোজ কত? কত থাকতে হবে।
৪)রক্তে কোলেস্টেরল কত? কত থাকতে হবে।

আমাদের শরীরের কিডনী, লিভার, হার্ট এবং ব্রেন এর যত খারাপ খারাপ রোগ আছে সবগুলোই হয় উপরের কোন একটির বা সবগুলোর সমস্যার জন্য।

উপরের ৪ টি যার স্বাভাবিক আছে তার বড় ধরনের রোগ হবার সম্ভবনা খুব কম।

এই ৪ টির সাথে ২ টি জিনিস অত্যাত্ন গুরুত্তপূর্ণ
১) খাওয়া দাওয়া-তেল-চর্বি কম খাওয়া; ধুমপান, তামাক (হারাম) পরিহার করা।
২) প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা।

ডাঃ রতীন্দ্র নাথ মণ্ডল

19/11/2025

এগারোটি দেশের ১৭টি গবেষণার পর্যালোচনায় বিড়াল পোষা এবং সিজোফ্রেনিয়ার ঝুঁকির মধ্যে একটি সম্পর্ক পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিড়ালের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সিজোফ্রেনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় দ্বিগুণ, বিশেষ করে যারা অল্প বয়সে বিড়ালের সাথে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ছিলেন। এর মূল কারণ হিসেবে 'টক্সোপ্লাজমা গন্ডি' নামক পরজীবীর ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে, যা বিড়ালের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

—Prof. Dr. Saifuddin Ekram

05/11/2025

WHICH ORGAN LOVES WHICH HABIT?

1. Brain – Loves 7–8 hours of sleep

2. Heart – Loves daily walks

3. Lungs – Love deep breathing

4. Liver – Loves less alcohol & clean eating

5. Skin – Loves hydration

6. Stomach – Loves mindful eating

7. Kidneys – Love enough water

8. Muscles – Love regular movement

9. Eyes – Love screen breaks

10. Gut – Loves fiber-rich foods

Address

Maulvi Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Suchisree Saha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram