Dr.Bijoy Mollik

Dr.Bijoy Mollik Doctor of medicine, diabetology& Neurology

20/05/2023
20/05/2022

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কত ভয়াবহ হতে পারে দেখুন। ( বি.দ্র. আপনারা জানেন সম্প্রতি রেবিপ্রাজল ৮.৫ নিষিদ্ধ করা হয়েছে)
১.অস্টিওপরোসিস বা হাড় ভাঙা রোগঃ দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগসিয়ামের শোষণ কমে যায়। আমাদের শরীরে কোন কারনে ক্যালসিয়াম কমে গেলে প্যারাথরমোন হরমোন বাড়ে। ফলে ক্যালসিয়াম লেভেল স্বাভাবিকে চলে আসে। কিন্তু এই অবস্থায় যদি ম্যাগনেসিয়াম(Mg) কম থাকে, তাহলে প্যারাথরমোন হরমোন নিঃসরণ বাধাগ্রস্থ হয়। এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি হয় সেসব মহিলাদের যাদের মাসিক(পিরিয়ড) হওয়া বন্ধ হয়েছে। ফলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ক্ষয় হয়।

২.জীবানুর উপদ্রবঃ
অনেকদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলেও বুক জ্বালা কমে না কিংবা গ্যাস্ট্রিক কমে না কেন জানেন? কারণ এই ওষুধ এসিড নিঃসরণ কমায়। যেহেতু পাকস্থলীর এসিড HCL খাবারের সাথে আসা জীবানু মেরে ফেলে, তাই এসিড কম হলে জীবানু আরো বংশবিস্তার করে। ফলে H. pylori সহ অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। এছাড়া আমাদের অন্ত্রে এসব ব্যাক্টিরিয়া বাসা বাঁধে ও আমাদের অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া গুলোর উপর খবরদারি করে। ফলে পেটের সমস্যা হতে পারে, ডায়রিয়া হয়।

৩.আয়রন শোষণ কমেঃ
আমাদের খাবার থেকে আয়রন বের করতে পাকস্থলির এসিড খুবই দরকার। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ তো এসিডকে কমায়, ফলে খাবার থেকে আয়রন বের করতে পারে না। আয়রন হচ্ছে রক্তের লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিনের একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আয়রনের অভাব হলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

৪.কিডনির সমস্যাঃ
অনেক দিন ধরে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে Interstitial nephritis হতে পারে, যা আপনার কিডনি অকেজো করে দিতে পারে।

৫. পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।

৬. Vitamin B12 শোষণ কমায়।

দরকার ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত
থাকুন প্লিজ ।।।।।
ব্যথানাশক ঔষধ, স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ ছাড়া খুব
বেশি ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ দরকার হয় না।।।

এটা সাত বছরের বাচ্চার খাদ্যনালীর ছবি, যা কৃমির জন্য ব্লক হয়ে পঁচে গেছে, যা কেটে ফেলে দিতে হয়েছে।😢কৃমি শিশুদের প্রাণনাশের...
19/05/2022

এটা সাত বছরের বাচ্চার খাদ্যনালীর ছবি,
যা কৃমির জন্য ব্লক হয়ে পঁচে গেছে, যা কেটে ফেলে দিতে হয়েছে।😢
কৃমি শিশুদের প্রাণনাশেরও কারণ হতে পারে। তাই শিশুকে রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কৃমিনাশক ঔষধ সেবন করান।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
কৃমির ঔষধের সাথে গরম -ঠান্ডা, আকাশের মেঘ ও সময়ের সাথে কোন সম্পর্ক নেই, যা নিতান্তই কুসংস্কার। সাধারণত ২ বছর বয়স থেকে বাচ্চাদের ক্রিমির ওষুধ দেয়া যেতে পারে। তবে যদি ক্রিমি দেখা যায়, তাহলে ১ বছর বয়সেও ক্রিমির ওষুধ খাওয়ানো যায়।
অবশ্যই বাসায় সব সদস্য একসাথে কৃমিরওষুধ সেবন করবেন প্রতি ৩ মাস পর পর।।।।।
বাজারে বহুল ব্যবহিত ২টা কৃমির ঔষধের মধ্যে
১ম টি হলো এলবেনডাজল যেটা ১ম দিন ১টি
৭ দিন পর আরো ১ টি।।।।।
২য় টি হলো মেবেনডাজল যেটা পর পর
৩দিন ১টা করে ২ বার সেবন করা লাগে।।।।

17/04/2022

জ্বর এর সাথে মাথাব্যথা থাকলে
(Paracetamol +caffaine)
napa extra,Ace plus
জাতীয় ওষুধ খাবেন না।
উল্টো মাথা ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।।।।

13/09/2020

মাথা ব্যথা পার্ট-১

03/08/2020

কিভাবে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাবেন

একদিকে মহামারী করোনা আর অন্যদিকে বন্যার তান্ডব। চারিদিকে সাধারণ মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ । এমন সন্ধিক্ষনে দোয়ারে এলো আমাদ...
31/07/2020

একদিকে মহামারী করোনা আর অন্যদিকে বন্যার তান্ডব। চারিদিকে সাধারণ মানুষের সীমাহীন দূর্ভোগ ।
এমন সন্ধিক্ষনে দোয়ারে এলো আমাদের উৎসর্গের ঈদ। মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবনের জন্য।
চিকিৎসা কর্মী হিসাবে আমাদের দায়িত্ব অপরিসীম। দূর্যোগ কেটে যাবেই,বেঁচে থাকবে শুধুই ত্যাগ আর মানবতা
ঈদুল আযহা ত্যাগ আর উৎসর্গের শিক্ষাই দেয়।
সবাইকে ঈদ মোবারক
পৃথিবীর সকল মানুষের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।।।।

আমাদের হেলথ কেয়ারে এখন সকালের পাশাপাশি বিকেলে ও রোগী দেখছিরোগী দেখার সময় সকাল১০টা-দুপুর১টাসন্ধ্যা ৬টা -৭টা,,,সিরিয়ালের জ...
29/07/2020

আমাদের হেলথ কেয়ারে এখন সকালের পাশাপাশি বিকেলে ও রোগী দেখছি
রোগী দেখার সময় সকাল১০টা-দুপুর১টা
সন্ধ্যা ৬টা -৭টা,,,
সিরিয়ালের জন্য-01712863105

25/07/2020

একই মাস্ক বার বার ব্যবহারের পদ্ধতি
মাস্কের প্রপার ব্যবহার কিন্তু করোনা
থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।।

25/07/2020

#করোনা ভাইরাস (COVID-19) থেকে মুক্ত হয়ে ফিরে আসা জনৈক একজনের অভিজ্ঞতা।

1. ভিটামিন সি (যথাসম্ভব)
2. ভিটামিন ই (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
3. প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো।
4. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
5. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম।
6. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার জল পান এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া।
এই কাজ গুলোই হাসপাতালে করা হয়।

•• করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5

•• তাই এর চেয়ে বেশি pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেংগে দিতে পারি।

•• 5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি pH level এর কিছু খাবার হল :
* লেবু - 9.9 pH
* পাতিলেবু - 8.2 pH
*এভোকাডো - 15.6 pH
* রসুন- 13.2 pH *
* আম- 8.7pH
* ছোট কমলা - 8.5pH
* আনারস- 12.7 pH
* কমলালেবু - 9.2 pH

•• আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত?

1. গলা চুলকাবে
2. গলা শুকিয়ে আসবে
3. শুকনা কাশি হবে
4. তীব্র জ্বর/হালকা জ্বর
5. শ্বাস ছোট হয়ে আসবে
6. গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে

•• তাই এই লক্ষনগুলো দেখার সাথে সাথে গরম জল ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন।
শেয়ার করুন আপনি জানুন অন্যকে জানতে সহায়তা করুন।

Address

Maulvi Bazar

Telephone

+8801712357865

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Bijoy Mollik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Bijoy Mollik:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category