Mohshin Drug House

Mohshin Drug House MOHSHIN DRUG HOUSE

10/04/2020
https://www.worldometers.info/coronavirus/
10/04/2020

https://www.worldometers.info/coronavirus/

Live statistics and coronavirus news tracking the number of confirmed cases, recovered patients, tests, and death toll due to the COVID-19 coronavirus from Wuhan, China. Coronavirus counter with new cases, deaths, and number of tests per 1 Million population. Historical data and info. Daily charts,....

https://www.worldometers.info/coronavirus/
10/04/2020

https://www.worldometers.info/coronavirus/

Live statistics and coronavirus news tracking the number of confirmed cases, recovered patients, tests, and death toll due to the COVID-19 coronavirus from Wuhan, China. Coronavirus counter with new cases, deaths, and number of tests per 1 Million population. Historical data and info. Daily charts,....

01/05/2018

গত সংখ্যায় ‘পুরুষের যৌন অক্ষমতা ও প্রতিকার’ নামে লেখাটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হয়েছে। অনেকেই লেখাটির পরের পর্বের ....

18/07/2017

চিকুনগুনিয়া..................চিকুনগুনিয়া (ইংরেজি ভাষায়: Chikungunya) হচ্ছে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রমণ। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশের দুই থেকে চার দিনের মধ্যে আকস্মিক জ্বর শুরু হয় এবং এর সাথে অস্থিসন্ধিতে ব্যথা থাকে যা কয়েক সপ্তাহ, মাস বা বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এই রোগে মৃত্যু ঝুঁকি প্রতি দশ হাজারে এক জন বা এর চেয়েও কম তবে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই রোগের জটিলতা তুলনামূলক বেশি হয়।

এই ভাইরাসটি মশার কামড়ের মাধ্যমে মানব শরীরে প্রবেশ করে। এডিস গণের দুটি প্রজাতি এডিস ইজিপ্টি ও এডিস এলবোপিকটাস এই ভাইরাসের বাহক হিসেবে পরিচিত। তারা মূলত দিনের আলোতে কাঁমড় দিয়ে থাকে। মানুষ ছাড়াও কয়েকটি প্রাণি বানর, পাখি, তীক্ষ্ণ দন্ত প্রাণী যেমন ইঁদুরে এই ভাইরাসের জীবনচক্র বিদ্যমান।[৮] রোগ সাধারণত রক্ত পরীক্ষা করে ভাইরাসের আরএনএ বা ভাইরাসের এন্টিবডির মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। এই রোগের উপসর্গকে অনেক সময় ডেঙ্গু জ্বর এবং জিকা জ্বরের সাথে ভুল করে তুলনা করা হয়। একক সংক্রমণের পর এটি বিশ্বাস করা হয় যে, বেশিরভাগ মানুষই অনাক্রম্য হয়ে পড়ে। এখানেই ডেঙ্গু ভাইরাসের সাথে এর পার্থক্য কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস শুধু স্তন্যপায়ীদের আক্রান্ত করে

এই রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো মশা নিয়ন্ত্রণ এবং যেসব এলাকায় এ রোগের ঘটনা সাধারণত ঘটেছে সেসব স্থান পরিত্যাগ করা। পানি আছে এমন স্থানে মশা কমানো এবং পোকামাকড় প্রতিরোধক ব্যবস্থা ও মশারি ব্যাবহারের মাধ্যমে এর প্রাদুর্ভাব কমানো যেতে পারে। ২০১৬ সাল নাগাদ, এই রোগের কোন প্রতিষেধক বা চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি। সাধারণত, জ্বর এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা কমানোর জন্য বিশ্রাম, তরল খাবার গ্রহণ এবং সাধারণ জ্বরের ঔষধ সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

যদিও চিকনগুনির প্রাদুর্ভাব সাধারণত এশিয়া ও আফ্রিকাতে বেশি দেখা যায় তবে প্রতিবেদন অনুসারে ২০০০-এর দশকে এটি ইউরোপ ও আমেরিকাতে ছড়িয়ে পড়েছে। ২০১৪ সালে এক মিলিয়নের বেশি মানুষ আক্রন্ত হয়েছে।২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে দেখা গেছে কিন্তু ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয়ভাবে এই রোগের প্রভাব দেখা যায়নি।] তানজানিয়াতে ১৯৫২ সালে প্রথম রোগটি ধরা পরে। চিকনগুনিয়া নামটি এসেছে তানজানিয়ার মাকুন্দি জনগোষ্ঠির ব্যবহৃত কিমাকুন্দি ভাষা থেকে যার অর্থ "কুঁচিত হওয়া" বা বাঁকা হয়ে যাওয়া। ২০০৮ সালের দিকে বাংলাদেশের রাজশাহী এবং চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলায় প্রথম এ রোগের ভাইরাসটি ধরা পরে। পরবর্তীতে ২০১১ সালে ঢাকার দোহারে এটি লক্ষ্য করা গেলেও এরপর তেমনভাবে এ ভাইরাসের কথা শোনা যায়নি তবে ২০১৭ সালের প্রথমদিকে সারাদেশে ভাইরাসটি উল্লেখযোগ্য হারে লক্ষ করা যায়।.......................উপসর্গসমূহ[সম্পাদনা]
এই ভাইরাসের সুপ্তিকাল এক থেকে বারো দিন তবে বেশিভাগ ক্ষেত্রে তা তিন থেকে সাত দিন হযয়ে থাকে।[১৬] অনেক সময় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না। সাধারণত ৭২-৯৭% ক্ষেত্রে উপসর্গ দেখা দেয়।[১৬] রোগটি সাধারণত আকস্মিক উচ্চমাত্রার জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা ও ফুসকুড়ি নিয়ে শুরু হয়। ফুসকুড়ি রোগের শুরুতেই দেখা দিতে পারে তবে অনেক সময় রোগ শুরু হওয়ার দুই থেকে তিন দিন পর জ্বর কমতে শুরু করলে ফুসকুড়ির আবির্ভাব হয়।[২] এছাড়া অন্যান্য উপসর্গের মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, পেটব্যথা, ফটোফোবিয়া বা আলোর দিকে তাকাতে সমস্যা, কনজাংটিভাইটিস।[২] বড়দের আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টে প্রদাহ হতে পারে।

সাম্প্রতিক এ ভাইরাস সংক্রান্ত মহামারী থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বোঝা যায় যে, চিকুনগুনি জ্বরের ফলে ক্রনিক পর্যায়ে ছাড়া তীব্র অসুস্থতাও হতে পারে।[১৭] তীব্র অসুস্থতার পর্যায়কে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে এর প্রথম পর্যায়ে ভাইরাস রক্তের মধ্যে প্রবেশ করে[১৮], পরবর্তীতে শেষ ধাপে স্বাস্থ্য পুনরূদ্ধারকারী পর্যায়ে পৌঁছায় যে সময়টি দশ দিন স্থায়ী হয়। এ পর্যায়ে ভাইরাস রক্তে শনাক্ত করা যায় না।[১৬] সাধারণত এই রোগটি শুরু হয় হঠাৎ করেই শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে যা সাত থেকে দশ দিন পর্যন্তও স্থায়ী হয়। জ্বর সাধারণত ৩৯ °সে (১০২ °ফা) বা মাঝে মাঝে ৪০ °সে (১০৪ °ফা) পর্যন্ত হয়ে থাকে—কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় এবং আস্তে আস্তে কমতে থাকে। রক্তে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সাথে জ্বর আসে এবং রক্তে ভাইরাসটির মাত্রা যতই তীব্র পর্যায়ে পৌঁছায় লক্ষণগুলির তীব্রতাও সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে।[১৮] ভাইরাসটির রক্তে প্রবেশের পর যখন আইজিএম নামে একটি এন্টিবডি রক্তস্রোতের মধ্যে বাইরের থেকে প্রবিষ্ট রোগজীবাণু-প্রতিরোধক পদার্থ সৃষ্টি করে তখন এর প্রভাব কমতে শুরু করে। যাইহোক, মাথা ব্যথা, অনিদ্রা এবং তীব্র অবসাদ সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন থেকে যায়।.................কারণ..........ভাইরোলজি

প্রজাতি: Chikungunya virus
চিকুনগুনিয়া ভাইরাস টোগাভাইরিডি পরিবারের আলফাভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত একটি RNA ভাইরাস।[২১] এটি সেমলিকি ফরেস্ট ভাইরাস কমপ্লেক্স এর সদস্য এবং রস রিভার ভাইরাস, ও'নিয়ং'নিয়ং ভাইরাস ও সেমলিকি ফরেস্ট ভাইরাসের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। [২২] যেহেতু এটা আর্থ্রোপড যেমন মশার মাধ্যমে ছড়ায় তাই একে আর্বোভাইরাসও বলে।[২৩]প্রতিরোধ[সম্পাদনা]

এই রোগের বিরুদ্ধে কার্যকরী অনুমোদিত কোনো টিকা নেই। মশা নিয়ন্ত্রণ ও ঘুমানোর সময় মশারি টাঙিয়ে ঘুমানো, লম্বা হাতলযুক্ত জামা ও ট্রাউজার পরে থাকা, বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে না দেয়া ইত্যাদি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। শুধু স্ত্রী মশা দিনের বেলা কামড়ায়। এরা একবারে একের অধিক ব্যক্তিকে কামড়াতে পছন্দ করে। একবার রক্ত খাওয়া শেষে ডিম পাড়ার পূর্বে তিন দিনের বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।এদের ডিমগুলো পানিতে এক বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিও ডিম পরিস্ফুটনের জন্য যথেষ্ট।এডিস মশা স্থির পানিতে ডিম পাড়ে তাই বালতি, ফুলের টব, গাড়ির টায়ার প্রভৃতি স্থানে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে
হবে

19/09/2016
03/09/2016

“আপা আমার বাচ্চাটার গা’টা গরম, জ্বর আসছে মনে হয়, কিছুই খাইতে চাইতাছে না কি করি ক’নতো”?
– “আরে ঘাবড়াইয়েন না দুই চামচ এইস খাওইয়া দেন”!

এক নম্বর জ্বর কোন অসুখ না জ্বর উপসর্গ, পূর্ব লক্ষন বা সিম্পটম।
দুই নম্বর বাচ্চাদের শরীর পূর্ন বয়স্ক মানুষের চাইতে গরম থাকে।

তাই গা গরম হইলেই এইস বা এসিটোমেনোফেন খাওয়ানো উচিত না।
যদিও এসিটোমেনোফেন বা প্যারাসিটামল / এইস / প্যানাডল / নাপা নামীয় অষুধ গুলি জ্বর কমানোর জন্য নির্ভরযোগ্য অষুধ হিসাবে স্বীকৃত ও পরীক্ষিত, এইটা প্রেশস্ক্রিপশন ছাড়াই পাওয়া যায় অবশ্য বাংলাদেশে প্রায় সব অষুধই প্রেশক্রিপশন ছাড়াই পাওয়া যায়। তবে ভালো জিনিষেরও অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতির কারন হইতে পারে।

নিচের লেখাটা এসিটোমেনোফেনের ওভারডোজ বিষয়ক, প্রধান সূত্রঃ মেয়ো ক্লিনিক এর ওয়েব সাইট।

চোখে পলকেই এসিটোমেনোফেনের ওভারডোজ হইতে পারে। যেমন যখন তুমি তাড়াহুড়ায় থাক। না জাইনাই তুমি বাচ্চারে ওভারডোজ ওষুধ দিয়া দিতে পার।

– হয়তো বাসায় কেউ অলরেডী বাচ্চারে এইস খাওয়াইয়া দিছে, তুমিও দিলা। অথবা সঠিক মাত্রায় দিলা না। অনেকের অভ্যাস আছে বোতলের ছিপি বা মুক্ষায় কইরা বাচ্চারে অষুধ খাওয়ায়। এইটাতে ওভারডোজের শংকা বেশী।

– তুমি অন্য অষুধের সাথে মিলাইয়া দিলা, অর্থাৎ হয়তো বাচ্চাটি সর্দি কাশিতে ভুগতাছে তারে শর্দির ওষুধ খাওয়াইলা তার পরে আবার এইস খাওয়াইলা জ্বর দেইখা আবার এইস দিলা, শর্দির অষুধে এসিটোমেনোফেন অলরেডী থাকে। এরজন্য আমেরিকা এফ ডি এ (ফুড এ্যান্ড ড্রাগ এ্যডমিনিস্ট্রেশন) দুই বছরের নিচের বাচ্চাদের শর্দি কাশির অষুধ দিতে উৎসাহ দেয় না।

– হয়তো তুমি বাচ্চাদের জন্য বিশেষভাবে নির্মিত এসিটোমেনোফেন দিলা না। বাচ্চা আর বড়দের এসিটোমেনোফেন এর ফর্মূলা ভিন্ন।

– হয়তো তুমি ভাবলা একটু বেশী কইরা দিয়া দেই তাড়াতাড়ি ভালো হইয়া যাইব।দেখতাছ যে ডাক্তার সাব অথবা বোতলের গায়ে লেখা ডোজে কাম আশানুরূপ হইতাছে না তাই হয় অষুধের পরিমান বাড়াইয়া দিলা নাইলে ৪ ঘন্টা পরে দেওয়ার যায়গায় ২ ঘন্টা পরপর দিলা। ওভারডোজ হইয়া গেল।

সাধারনতঃ বাচ্চাদের জন্য প্রস্তুত এসিটোমেনোফেন সিরাপ আকারে থাকে আর তা মিষ্টি হয়, বাচ্চা তা মজা লাগে দেইখা ইচ্ছামত খাইয়া নিল। এইটা সাধারনত হয় খোলা বোতল ছাইড়া গেলে অথবা বাচ্চার হাতের নাগালের মধ্যে অষুধের বোতল থাকলে।

যদি বাচ্চারে এসিটোমেনোফেন দিতে হয় তাইলে বোতল অথবা বাক্সের গায়ে লেখা নির্দেশিকা পইড়া নেও, ওইখানে বাচ্চার বয়স ও গায়ের ওজনের উপর নির্ভর কইরা অষুধের প্রয়োগের নির্দেশ থাকে। যদি বাচ্চার ওজন সমন্ধে নিশ্চিত না থাক তাইলে তার বয়সের উপরে হিসাব কর।

সাধারনতঃ এই অষুধ প্রতি ৪ ঘন্টা অন্তর ও সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টায় পাঁচবার দেওয়া যায়।

এক ব্র্যান্ডের ওষুধ হয়তো এক চা চামচ আরেকটা হয়তো দুই চা চামচ লাগবে কারন ভিন্ন প্রস্তুতকারক অনেক সময় ওষুধের ঘনত্ব বদলাইয়া দিতে পারে। তাই একই ডোজ সব ওষুধের বেলায় খাটে না।

এসিটোমেনোফেন ওভারডোজ হইলে কি হইব?

এর ওভারডোজ লিভারে নিরাপদে অষুধ এর বিক্রিয়া করতে দেয় না আর জীবননাশি লিভার সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি মনে হয় বাচ্চার এসিটোমেনোফেন ওভার ডোজ হইছে, অষুধ খাওয়ানোর ২৪ঘন্টার মধ্যে গা গোলানো, বমি, টায়ার্ড লাগা, তলপেট ব্যথার অভিযোগ থাকে তাইলে দেরী না কইরা হাসপাতালে নিয়া যাওয়া উচিত। যাওয়ার সময় সাথে কইরা
এসিটোমেনোফেনের বোতল টা নিয়া যাইবা আর কতটুক কখন খাওয়াইছ বলবা তাইলে ডাক্তার সাবের দ্রুত চিকিৎসা দিতে সুবিধা হইব। হাসপাতালে বাচ্চার রক্ত পরীক্ষা করলেই বোঝা যাইব তার শরীরে এসিটোমেনোফেনের কি প্রভাব ও নিবারনী চিকিৎসা দেওয়া হবে এর প্রভাব উল্টানোর জন্য।

আগেই কইছি জ্বর আসলে অসুখ না এইটা উপসর্গ, অনেক সময় শরীর যখন ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করতাছে তখন জ্বর দেখা দেয়। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বাচ্চার নিরাময় আর আরামের ব্যবস্থা করা জ্বর কমানো না। মনে রাইখো এসিটোমেনোফেন দিয়া দিলেই জ্বর কইমা যাইব না এতে ঘন্টা দেড় ঘন্টা লাগতে পারে।

বাচ্চার ওজন জানা থাকা দরকার, বোতলের গায়ে লেখা নির্দেশিকা অনুসরণ কইরা বাচ্চারে অষুধ দেও।

ইচ্ছা মত চামচ আর পরিমান নির্মাপক কিছু ব্যবহার করবা না, সাধারনত বাচ্চাদের এসিটোমেনোফেনের বোতলের সাথে অষুধ খাওয়ানের জন্য চামচ আসে, সেইটাই ব্যবহার কর, এতে নির্ধারিত মাপ দেওয়া থাকে, বাসায় চা য়ের চামচ ব্যবহার করা উচিত না কারন সব চা চামচের মাপ এক না।
বাচ্চা যদি এমন কোন অষুধ খাইতাছে যেইটাতে অলরেডি এসিটোমেনোফেন আছে তারে আবার নতুন কইরা এসিটোমেনোফেন দেওয়া উচিত না।

বাচ্চারে বড়দের এসিটোমেনোফেন দিবা না।

সব অষুধ বাচ্চার নাগালের বাইরে তালা বদ্ধ জায়গায় রাখবা।

এসিটোমেনোফেনের সতর্ক ব্যবহার ও দ্রুত চিকিৎসা দুঃক্ষজনক ঘটনা এড়াইতে পারে।

সব বাচ্চারা সুস্থ্য থাকুক।

mohsin drug house
01/09/2016

mohsin drug house

১৯৭১ সালে জুলাই অগাস্ট মাস হইব, আমরা উদ্বাস্তু, বিহারী আর পাইক্যারা ঘর ছাড়া করছে, প্রথমে কলতাবাজার নাণীর বাড়িতে কয়েক মাস...
01/09/2016

১৯৭১ সালে জুলাই অগাস্ট মাস হইব, আমরা উদ্বাস্তু, বিহারী আর পাইক্যারা ঘর ছাড়া করছে, প্রথমে কলতাবাজার নাণীর বাড়িতে কয়েক মাস পরে নানীর বাকী ফরজন্দ আইস্যা ভিড় জমানোতে বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন অন্য কোথাও যাওয়া দরকার, কিন্ত মাতাজী ঢাকা ছাইড়া যাইবো না তার থিওরী “মরলে সবাই একসাথে” আমার বাবার বাড়ির কেউ নাই গ্রামের বাড়িতে আর মাতাজীর পুরা ব্যাটালিয়ান ঢাকা বাসী তাই মাতাজীর জয়।

আমার একমাত্র ফুপু থাকতেন পলাশী ব্যারাকে ৭/৩ নাম্বার বাসায় তিনি কইলেন তার বাড়ির পরের লাইন ঠিক তার বাড়ির পিছনেই এক ভদ্রলোক তার পরিবার গ্রামের বাড়ি পাঠায়া দিছেন তিনি তার ইউনিট টা ভাড়া দিবেন। পিতাজী সেই এক কামরা রান্নাঘর সহ মাসিক ৬০ টাকায় ভাড়া নিলেন, আমরা দুই রিক্সা ভইরা ‘সব মালপত্র’ মানে আমাদের পরনের কাপড় আর কয়েকটা ডেকচি পাতিল বাসন কোসন আর দুইটা বিছানা যা নানীর বাড়ি আসার পরে কেনা হইছিল নিয়া পলাশী ব্যারাকের ১০/৩ (ইয়াল্লাহ নাম্বার টা মনে নাই কেন?!) হাজির হইলাম।

জুলাই থাইকা সেপ্টম্বর পর্যন্ত ছিলাম সেইখানে, এঃহেঃ ধান ভানতে শিবের গীত গাইতাছি! নাহ কিছুটা রেফারেন্সতো আছে।

সেই জুলাই থাইকা সেপ্টম্বর পর্যন্ত সময়টাতে দেশে মুক্তিযুদ্ধ চলছে, ঠিক তখনই হঠাৎ কইরা সবার চোখ লাল হওয়া শুরু হইল। প্রথম গুজব ছড়াইল এইটা পাইক্যারা করছে। প্রায় সব ঘরেই চোখ লাল রোগী! একজনের হয় পুরা বাড়ীর সবার হয় ভীষন চুল্কায়, পানি পরে, জ্বালা পোড়া করে, সকালে চোখ খোলা যায় না পাতা জোড়া লাইগা থাকে সাত আট দিন পরে সাইরা যায়। কিন্ত অসহ্য অত্যাচার, পাইক্যাগো দৌরাত্ব কেউ ডাক্তারের কাছেও যাইতে পারে না, তারপর শুরু হইল এইটার হাতুড়ে চিকিৎসা মানুষ বিভিন্ন লতা গুল্ম আবিস্কার করা শুরু করলো, তার মধ্যে একটার নাম ‘হাতিশুরা পাতা’। কইলো এই পাতা বাইটা রস চোখে দিলে চোখ লাল সাইরা যায়। জানিনা এইটাত কোন বৈজ্ঞ্যানিক কারন আছে কিনা কিন্তু কারো কারো লাল কইমা যাওয়াতে এইটা ধ্বনতরী অষুধ সাব্যস্ত হইল। হয়তো এই রোগ আপনা থাইকাই সাইরা যাইতো কারন এইটা একটা সীমিত সময়ের অসুখ!

আসলে লাল চোখ বা পিংকআই বা কনজাংটিভিটিস এমনিতেই ২/৩ পরে সাইরা যায় কিন্তু তখন দেশের সার্বিক পরিস্থিতি হাজারো গুজবের প্রসুতিঘর ছিল। এমন না যে আগে কনজাঙ্কটিভিটিস কারো হইতো না কিন্তু এমন মহামারী আকারে কেউ কোন দিন দেখে নাই। আজকের বিষয় কনজাইটিভিটিস বা পিংক আই!

কনজাংটিভাইটিস (conjunctivitis) আসলে কি?

এইটা চোখের উপরীভাগের পাতলা স্বচ্ছ পর্দার (conjunctiva) পপ্রদাহ বা ইনফ্লামেশন, এই পর্দার ঠিক নিচেই চোখের মণি থাকে চোখের পাতার ভিতরের দিকেও এই পর্দা থাকে

বিভিন্ন কারণে কনজাংটিভাইটিস হইতে পারে, যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া (যৌণরোগ যেম্ন গনোরিয়া, চা ক্ল্যামেইডিয়া) কিছু ক্ষারক্ এর কারন যেমন স্যাম্পু, ধুলা বালি, ধোঁয়া, ও সুইমিং পুলের ক্লোরিন।
এছাড়াও বিভিন্ন রকম এ্যালার্জী যেমন ধুলা, পলেন (পরাগ) অথবা কোন স্পেশাল এ্যালার্জী (কারো কারো কন্টাক লেন্স থাইকাও এ্যালার্জী হইতে পারে)

এই রোগ কিছু ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়া বাহীত হইলে তা ভীষন ছোঁয়াচে তবে তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারন না। তবে সদ্য প্রসূত শিশুর কনজাংটিভাইটিস হইলে তা সাথে সাথে চিকিৎসকের দৃষ্টি গোচর করা দরকার কারন এইটা দৃষ্টিশক্তি হারানোর কারণ হইয়া দাড়াইতে পারে।

দেশের প্রায় সবারই কখনো না কখনো এই লালচোখ সংক্রামণ হইছে তাই এর উপসর্গ চেনা জানা তাও লেখার জন্য লেখতাছি চোখের সাদা অংশের রং চেঞ্জ হইয়া যাওয়া লাল অথবা গোলাপী, মাত্রাতিরিক্ত চোখের পানি ঝরা, গাঢ় ঘন হলদে পিচুটি চোখের পাপড়ি জড়াইয়া যায়, বিশেষ কইরা যখন ঘুমাও, সকালে চোখ খোলা যায় না! সাদা অথবা সাদা পিচুটি নির্গত হওয়া, চোখে চুলকানো, জ্বলুনী, ঝাপসা দেখা, আলোর সহনশীলতা কইমা যাওয়া।

হ্যা উপরের কোন একটা বা সবগুলি উপসর্গ দেখলেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া দরকার, তিনি হয়তো একটা ল্যাব টেস্ট দিতে পারেন কটন সোয়াব দিয়ে চোখের পানি অথবা পিচুটি নিয়ে পরীক্ষা হবে, কারণ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস হইলে তা কি ধরণের তা নিশ্চিত করার জন্য কারন যৌণরোগ থাইকাও চোখ লাল হইতে পারে আর তার জন্য জরূরী ভিত্তীতে ভিন্ন চিকিৎসা শুরু করতে হইব।

যদি ব্যাকটেরিয়া কারণ হয় এমন কি যদি তা যৌনরোগ এর সংক্রামণ থাইকাও হয়, এ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগেই চিকিৎসা করা হয় আর তা চোখের ড্রপ/ফোঁটা, মলম/ওয়েন্টমেন্ট বা বড়ি/ট্যাবলেট দ্বারা হইতে পারে। এগুলির কোন এক্টা বা সব যেমন ডাক্তার সাব উচিত মনে করেন তা পাঁচ থেকে সাত দিন গ্রহনে দিন সাতেকেই উপশম হয়, তবে অষুধের কোর্স কমপ্লিট করা উচিত, এমনকি রোগ সাইরা গেলেও।

আর যদি ভাইরাস জণিত কারনে হয় তা সাধারনত সর্দি থাইকা হয়, সর্দি যেমন চাইর থাইকা সাত দিন থাকে এই কনজাংটিভিটিসও তত দিনই থাকে। এই ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস খুব ছোঁয়াছে দুইটার মধ্যে। এই ক্ষেত্রে সংক্রামিত রোগীর সাথে স্পর্শ এড়ানোই ভাল। যারাই তার কাছাকাছি আসবে তাদের বার বার সাবান পানি দিয়া হাত ধোয়া দরকার। বিশেষ কইরা রোগীর সংস্পর্শে আসার পরে ও খাওয়ার আগে। কন্টাক্ট লেন্স থাকলে কনজাংটিভাটিস থাকলে সে সময় লেন্সের বদলে চশমা ব্যবহার করা উচিত। লাল চোখের সাথে ঝাপসা দৃষ্টির অভিযোগ থাকলে সাথে সাথেই ডাক্তার সাবের সাথে দেখা করা দরকার।

এ্যালার্জী কারণে চোখ লাল হইলে এ্যালার্জী চিকিৎসা নিলে এ্যালার্জী দুরের সাথে সাথে চোখ লাল ও কইমা যাওয়ার কথা। ডাক্তার মাম্মা ভালো বলতে পারবো তোমার আসলে কোনটা হইছে।

** উপশমের জন্য কি করা যায়?
চোখ ধুলা বালি থাইকা বাঁচায়া রাখতে হইব। মেক আপ এড়ানো ভালো, কন্টাক্ট লেন্স থাকলে তা পরিহার কইরা চশমা ব্যবহার করা যায়। দোকানে ‘আর্টিফিসিয়াল টিয়ার্স’ নামের একটা চোখের ড্রপ পাওয়া যায়, তা দিয়া জ্বলুনী আর চুলকানোর আরাম পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাইতে পারে। যেই বোতলের ড্রপ আক্রান্ত চোখে দেওয়া হয় সেই বোতল থাইকা অনাক্রান্ত চোখে ড্রপ ব্যবহার উচিত না।

** সংক্রামন এড়ানোর জন্য কি করতে পারি?
আক্রান্ত চোখ ছোয়া যাবে না বা ঘষা যাবে না, যদি ছুঁইতেই হয় তবে সাথে সাথেই সাবান আর ইষৎ গরম পানি দিয়া হাত ধুইয়া ফালাইতে হইব, বিশেষ কইরা খাওয়ার আগে। চোখের পিচুটি তুলার বল দিয়া বা নরম পেপার টাওয়েল দিয়া দিনে কয়েকবার মুইছা ফেলতে হইব, ব্যবহৃত তুলা বা পেপার সঠিক ভাবে ফেলতে হইব যাতে না ছড়ায়, তারপরে সাবান আর গরম পানি দিয়া হাত ধুইয়া ফেলতে হইব।

বালিশএর কভার, চাদর টাওয়েল গরম পানি ও সাবান দিয়া ধুইতে হইব। প্রসাধনী বাদ, নিজের চোখের প্রসাধনী ( কাজল, ম্যাসকারা, আই লাইনার) কারো সাথে শেয়ার করবা না। অন্য কারো কন্টাক্ট লেন্স কখনোই ব্যবহার করবা না। বাচ্চার লালচোখ হইলে তারে স্কুলে যাইতে দিবা না ভালো হইয়া যাওয়ার আগ পর্যন্ত।

সাধারনতঃ কনজাংটিভাইটিস এর একটা **ব্যপ্তিকাল আছে সে তার নির্দিষ্ট সময় আপনা থাইকাই সাইরা যায় অথবা এ্যন্টিবায়োটিকে প্রয়োগে প্রতিকার হয়, তবে যদি তা গনোরিয়া বা ক্ল্যেমেডিয়া থাইকা হয় সঠিক নিরূপণ আর চিকিৎসা না হইলে চোখের কর্ণীয়া ক্ষতিগ্রস্থ হইতে পারে।

তথ্য সূত্র ও কৃতজ্ঞ্যতাঃ WebMD
Brian S. Boxer Wachler, MD.

Address

Mohshin Drug House
Moulvi Bazar
3200

Telephone

01727237755

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohshin Drug House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram