Dr. Akhter Uz Zaman Sajib

Dr. Akhter Uz Zaman Sajib নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষা, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রোগ বিষয়ে তথ্য এবং অনলাইনে চিকিৎসা নিতে পেজ ফলো করুন।

31/12/2025

স্ক্যাবিস, Scabies

মাত্র ১০ টাকায় বিএমডিসি ভেরিফাইড এমবিবিএস ডাক্তার যে কোনো সময়।

চুলকানি হলেই প্রায় সবাই ভাবে এটি হয়ত সাধারণ চুলকানি। তবে এই সাধারণ চুলকানিই হতে পারে স্ক্যাবিস যা সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিলে ২-৩ সপ্তাহে পুরো পরিবারের সবার দেহে ছড়িয়ে যায়।

আপনি কি জানেন? চর্মরোগে আক্রান্ত প্রায় ৩০% মানুষই স্ক্যাবিস রোগে ভোগেন? স্ক্যাবিস কে সাধারণ চুলকানি ভেবে একটি সময় মারাত্বক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বহু মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক প্রায় ২৫-৩০% মানুষ স্ক্যাবিসে আক্রান্ত এবং এই সংখ্যা খুবই আশংকা জনক হারে বাড়ছে।

তাই চুলকানি হলে চুলকানির ক্রিম লাগানো বা নিজের ইচ্ছেমতো ওষুধ খাওয়ে থেকে বিরত থাকাই সবথেকে উত্তম।

DocTap এ আপনি ঘরে বসেই মাত্র ১০ মিনিটে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে জেনে নিতে পারেন আপনার কি সাধারণ চুলকানি হচ্ছে নাকি স্ক্যাবিস। কি চিকিৎসা নিতে হবে, শুধু আপনার চিকিৎসা নিলেই হবে নাকি পরিবারের সবাইকে নিতে হবে। এসব বিস্তারিত আপনি ঘরে বসেই মাত্র ১০ মিনিটে জেনে নিতে পারেন একদম স্বল্প খরচে।

DocTap এ ছাডাও রয়েছে প্রায় সকল রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং প্রতিটি ডাক্তার বিএমডিসি ভেরিফাইড এমবিবিএস ডিগ্রিধারী। এছাড়াও রয়েছে মাত্র ১৫ টাকায় যে কোনো মেডিকেল রিপর্ট দেখানোর বিশেষ সুবিধা।

DocTap App টি ইনস্টল করা থাকলেই দিন রাত যে কোনো সময় মাত্র ১০ টাকায় আপনি পেয়ে যাবেন একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাপোর্ট।
ঘরে বসেই স্বল্প মূল্যে, দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশসেরা সব ডাক্তারের সেবা পেতে 👉 ইনস্টল করুন 📲 - https://play.google.com/store/apps/details?id=com.doctap.dtc
☎️ হেল্পলাইন: +৮৮০১৭০৮৬৮৮৮২৫

ইউটিউব লিংক -
https://youtube.com/shorts/kA5sJszQy8w?si=1IBMothV4aozDkpx

নিচের ছবিতে নুডলসের মতো যা দেখছেন, এগুলো আসলে এক শিশুর পেট থেকে অপারেশনের মাধ্যমে বের করা কৃমি। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে ব...
29/12/2025

নিচের ছবিতে নুডলসের মতো যা দেখছেন, এগুলো আসলে এক শিশুর পেট থেকে অপারেশনের মাধ্যমে বের করা কৃমি। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে বলা হয় Roundworm (Ascaris lumbricoides)

বাংলাদেশের মতো দেশে শিশুদের মধ্যে এটি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কৃমি শিশুর খাবারের পুষ্টি নিজে খেয়ে ফেলে। ফলে শিশুর ওজন বাড়ে না, রক্তশূন্যতা হয়, ক্ষুধা কমে যায়, পেটে ব্যথা ও বমি হয় এবং মলদ্বারের আশেপাশে চুলকানি দেখা দিতে পারে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায় এবং অনেক কৃমি জমে গেলে অন্ত্র বন্ধ হয়ে অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে।

কৃমি সাধারণত অপরিষ্কার পানি ও খাবার, হাত না ধুয়ে খাওয়ার অভ্যাস, মাটিতে খেলা বা নোংরা হাতে মুখ দেওয়ার মাধ্যমে এবং নোংরা টয়লেট ব্যবহারের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তাই দুই বছরের বেশি বয়সী সব শিশুকে প্রতি ৩–৪ মাস অন্তর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো উচিত। এটি শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধ হিসেবে ডাক্তারের পরামর্শে Albendazole বা Mebendazole গ্রুপের ঔষধ ব্যবহার করা যায়।

কৃমি প্রতিরোধে খাবারের আগে ও টয়লেটের পর ভালোভাবে হাত ধোয়া, পরিষ্কার পানি পান করা, কাঁচা সবজি ও ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া, শিশুকে নোংরা মাটিতে খালি পায়ে না হাঁটানো এবং স্কুল-মাদ্রাসায় সমষ্টিগত Deworming কার্যক্রম চালানো অত্যন্ত জরুরি।

ডা. মাহফুজ বাঁধন

১: স্বামীর অতীত নিয়ে প্রশ্ন করা কেন উচিত নয়একজন স্ত্রী যদি বারবার স্বামীর অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করে—“তোমার আগে কে ছিল...
28/12/2025

১: স্বামীর অতীত নিয়ে প্রশ্ন করা কেন উচিত নয়
একজন স্ত্রী যদি বারবার স্বামীর অতীত সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করে—
“তোমার আগে কে ছিল?”,
“ওর সাথে কী হয়েছিল?”—
তাহলে সে অজান্তেই নিজের সংসারের ভিত নড়বড়ে করে দেয়।
যে অতীত আল্লাহ নিজ দয়ায় ঢেকে দিয়েছেন, সেটাকে খুঁড়ে বের করার মানে হলো নিজের হাতে আগুন জ্বালানো।
অতীত জানলে ভালোবাসা বাড়ে না, বরং সন্দেহ, তুলনা আর মানসিক কষ্ট বাড়ে।
যেটা শেষ হয়ে গেছে, সেটাকে নাড়াচাড়া না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

২: স্বামীর আয়–উপার্জন নিয়ে তাচ্ছিল্য প্রশ্ন
“তোমার আয় এত কম কেন?”
“অমুকের স্বামী এত টাকা আনে, তুমি পারো না?”
এই প্রশ্নগুলো একজন স্বামীর আত্মসম্মানে গভীর আঘাত করে।
পুরুষেরা কাঁদে না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভেঙে যায়।
স্বামী চেষ্টা করছে, দায়িত্ব নিচ্ছে—এই জায়গাটা না বুঝে যদি তাকে অপমান করা হয়, তাহলে সে ধীরে ধীরে স্ত্রী থেকে দূরে সরে যায়।
সম্মান না পেলে ভালোবাসা টিকে না।

৩: শ্বশুর–শাশুড়ি নিয়ে অপমানসূচক প্রশ্ন
“তোমার মা এমন কেন?”
“তোমার পরিবার খুব বাজে!”
এই কথাগুলো সরাসরি স্বামীর শিকড়ে আঘাত।
স্বামী তখন দুই দিক থেকে চাপ অনুভব করে—স্ত্রী একদিকে, পরিবার অন্যদিকে।
একজন ভালো স্ত্রী সমালোচনা করবে গোপনে, সম্মানের সাথে।
অপমান করলে সম্পর্ক নয়, দূরত্ব তৈরি হয়।
স্বামীর পরিবারকে অপমান মানেই স্বামীকে অপমান।

৪: অযথা সন্দেহমূলক প্রশ্ন
“ওই মেয়েটার সাথে কথা বলো কেন?”
“ফোন লুকাচ্ছ কেন?”
প্রমাণ ছাড়া সন্দেহ করা সম্পর্কের সবচেয়ে বড় বিষ।
এতে নির্দোষ মানুষও একসময় ক্লান্ত হয়ে যায়।
বিশ্বাস ছাড়া দাম্পত্য জীবন হয় কারাগারের মতো।
আর কারাগারে ভালোবাসা বাঁচে না।
বিশ্বাস না থাকলে প্রশ্ন নয়, সম্পর্কই অর্থহীন।

৫: স্বামীর সক্ষমতা বা পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন
“তোমার দ্বারা হবে না।”
“তুমি আসলে পারো না।”
এই কথাগুলো স্বামীর আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দেয়।
এটা শুধু অপমান নয়—মানসিক নির্যাতন।
একজন স্ত্রী যদি স্বামীর শক্তির জায়গায় আঘাত করে, সে নিজেই নিজের নিরাপত্তা নষ্ট করে।

যে স্ত্রী স্বামীকে ছোট করে, সে নিজের সংসারকেই ছোট করে।

৬: তালাক বা দ্বিতীয় বিয়ের ভয় দেখানো প্রশ্ন
“তোমাকে ছেড়ে দিলে কী করবে?”
“আরেকটা বিয়ে করবে নাকি?”
তালাক নিয়ে ঠাট্টা, হুমকি বা খেলা করা ইসলামে নিষিদ্ধ।
এতে সম্পর্কের পবিত্রতা নষ্ট হয়।
ভালোবাসা ভয় দিয়ে টেকে না,
ভালোবাসা টেকে নিরাপত্তা দিয়ে।

" ভয় নয়, ভরসাই দাম্পত্যের ভিত্তি।"

৭: ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ভাঙার প্রশ্ন
“তোমার বন্ধুকে কী বলেছিলে?”
“সব কথা আমাকে বলতে হবে!”
প্রত্যেক মানুষের ব্যক্তিগত পরিসর আছে।
বিয়ে মানে সব অধিকার নয়, বরং সীমা মেনে চলা।
অতিরিক্ত খোঁচাখুঁচি মানুষকে মিথ্যা বলতে শেখায়।

"যেখানে বিশ্বাস আছে, সেখানে জেরা লাগে না।"

☘️ Bacillus cereus ও একটি মৃত্যু রহস্য ☘️☘️মগবাজারে ভাই-বোনের মৃত্যু, সন্দেহ খাবারের বিষক্রিয়া☘️১৬ ডিসেম্বর আফরিদার জন্ম...
24/12/2025

☘️ Bacillus cereus ও একটি মৃত্যু রহস্য ☘️

☘️মগবাজারে ভাই-বোনের মৃত্যু, সন্দেহ খাবারের বিষক্রিয়া☘️

১৬ ডিসেম্বর আফরিদার জন্মদিন ছিল মা-বাবা দুই সন্তানকে নিয়ে বাইরে কোনো এক রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়েছিলেন, চার দিন পরে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন

বিভিন্ন বরাতের সুত্র থেকে জানা যায় আগের দিন রাতের খাবার খাওয়ার পরের দিন তারা অসুস্থ হয়ে পরে(লক্ষন ছিলো বমি)

ঠিক যেন লিওনার্দো দা ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত দ্য লাস্ট সাপারের চিত্রকর্ম যেথায় যীশুখ্রীষ্ট তাঁর শিষ্যদের নিয়ে শেষ নৈশভোজ সেরেছিলেন এবং বলেছিলেন পরের দিন শিষ্যদের মধ্যে কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করবে

রেস্ট্রুরেন্টের খাবার মানেই নুডুলস,পাস্তা, spaghetti,ফ্রাইড রাইস আর ফ্রিজের খাবার মানেই রি হিটেডেড খাবার যাতে ঘুপটি মেরে বসে থাকে Bacillus cereus নামক aerobic Gram-positive spore-forming bacteria

সহজ ভাষায় এরা ফুড পয়েজনিং করে থাকে

বমি,পেট ব্যাথা, ডায়রিয়া দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও শেষ পরিনতি Multi organ failure (acute liver failure, rhabdomyolysis, disseminated intravascular coagulation acute kidney injury) হতে পারে...

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বমি, পেট ব্যাথা, ডায়রিয়া হয় যা নিজে নিজে ই ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেরে যায় কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে তা হয়ে উঠে আত্মঘাতী

বেশ কিছু কেস রিপোর্ট আছে যেখানে দেখা গিয়েছে বিভিন্ন বয়সের বাচ্চা Bacillus cereus এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরন করেছে

যাদের মধ্যে কেউ খাবার খাওয়ার ৬ ঘন্টা, ১০ ঘন্টা, ১৩ ঘন্টা, ৪০ ঘন্টা এমন কি ৩ দিন পরে ও আক্রান্ত হয়েছে,তবে প্রত্যেক কেসেই আক্রান্ত হওয়ার ৩০ মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রাণ হারিয়েছে

Bacillus cereus দ্যা টারমিনেটর মুভির সেই ভিলেন যে আগুনে পুড়লে,এসিডে ডুবলে ও মরে না (emetic toxin যা cereulide নামে পরিচিত)

প্রিফর্মড টক্সিন cereulide পাকস্থলী ও ডিউডেনামে পৌছে 5-HT3 receptor এর সাথে বাইন্ড করে ভেগাস নার্ভ কে স্টিমুলেট করে যার ফলশ্রুতিতে শুরু হয় বমি

এছাড়াও Cereulide fatty acid oxidation কে প্রশমিত করে mitochondrial activity বিঘ্নিত করে cellular damage/mitochondrial damage করে যা Acute liver failure এবং rhabdomyolysis, DIC,AKI ঘটিয়ে থাকে (বিভিন্ন কেস রিপোর্টে মৃত্যুর কারন এগুলো ই)

মনে প্রশ্ন আসতে পারে রেস্ট্রুরেন্টে আরো মানুষ খাবার খেলেও শুধু দুই ভাই বোন ই কেনো মারা গেলো??বাবা মা কেনো মারা গেলো না??

উত্তর :
আসলে virulence depend করে কে কোন toxin দিয়ে আক্রান্ত হয়েছে, কার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কেমন

Bacillus cereus এর আরেকটি strain আছে যা heat labile enterotoxin যারা small intestine কে আক্রমণ করে কেবল abdominal pain, watery diarrhea করে থাকে যা তুলনামূলক কম ক্ষতিকারক (এই টক্সিন কোনো প্রকার complication করে না)

মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে থাকে emetic toxin যা cereulide নামে পরিচিত

আমার ভাবনা:

আফ্রিদা ইলহামের মৃত্যুর রহস্য পোস্ট মর্টেম রিপোর্ট এলে উদঘাটিত হবে তার আগে কেবল ই অনুমান, তবে তারা কোনো ঘরোয়া ষড়যন্ত্রের স্বীকার না হলে মৃত্যুর কারন Bacillus cereus হওয়ার সম্ভাবনা ই বেশি

Ismat Alo
MBBS, BCS,MD(Paediatrics)
আজীবনের মেডিকেল অফিসার

“মেয়েদের বারবার প্রস্রাবে জ্বালা কেন হয়?"বারবার প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা হওয়া মেয়েদের একটি খুব সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর...
19/12/2025

“মেয়েদের বারবার প্রস্রাবে জ্বালা কেন হয়?"

বারবার প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা হওয়া মেয়েদের একটি খুব সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ন সমস্যা।
অনেক সময় সাময়িকভাবে ভালো হলেও আবার ফিরে আসে—এটাই Recurrent UTI।

এই ভিডিওতে জানবেন—
🔹 মেয়েদের বারবার UTI হওয়ার কারণ
🔹 কখন এটা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে
🔹 কেন শুধু অ্যান্টিবায়োটিক খেলেই সমাধান হয় না
🔹 কোন অবস্থায় অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে

📍 ডা. আখতার ঊজ জামান সজীব
আমি শুধু ঢাকা, মোহাম্মদপুরে চেম্বার করি।
এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী WhatsApp ভিডিও কল ও টেলিমেডিসিন অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনেও রোগী দেখি।

👉 আমাকে দেখানোর বিস্তারিত নিয়ম
আমার page-এর pinned post এ দেওয়া আছে।

সময়মতো সঠিক চিকিৎসাই পারে Recurrent UTI স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে।


#মেয়েদেরস্বাস্থ্য
#প্রস্রাবে_জ্বালা

#ডা_সজীব





ইউটিউব লিংক -

“মেয়েদের বারবার প্রস্রাবে জ্বালা কেন হয়?"বারবার প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা হওয়া মেয়েদের একটি খুব সাধারণ কিন্....

15/12/2025

“সাধারণ কাশি নাকি নিউমোনিয়া? লক্ষণ না চিনলে বিপদ — ১ মিনিটে বুঝুন!”

সাধারণ কাশি আর নিউমোনিয়ার কাশি—দুটোর পার্থক্য না চিনলে অনেক সময় রোগী বিপদে পড়ে যায়।
অনেক মা-বাবা ভাবেন কাশি মানেই ঠান্ডা।
কিন্তু চেম্বারে প্রতিদিন দেখি—দেরি করে আসার কারণেই জটিলতা বাড়ে।

এই ভিডিওতে পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে—
👉 সাধারণ কাশির লক্ষণ
👉 নিউমোনিয়ার danger signs
👉 ঘরে বসে কোন ৩–৪টি জিনিস লক্ষ্য করলে বুঝবেন সমস্যা বাড়ছে
👉 কখন দেরি না করে ডাক্তার দেখাতে হবে

আপনার বা আপনার সন্তানের কাশি যদি অস্বাভাবিক মনে হয়—
অপেক্ষা না করে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

📍অনলাইন ও অফলাইন চেম্বার :

ডা. আখতার ঊজ জামান সজীব

এম.বি.বি.এস.(ডি.ইউ.), ডি.এফ.এম. (বি. এম. ইউ.), এফ.সি.জি.পি.(ফ্যামিলি মেডিসিন), ডি. ও. সি. (চর্ম ও যৌন), পি.জি.টি.(মেডিসিন)

সিনিয়র লেকচারার,
গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা।

সরাসরি চেম্বার : মোহাম্মদপুর,ঢাকা।
***বিস্তারিত জানতে ও অনলাইন এ বিকাশে ভিজিট পেমেন্ট করে দেখানোর জন্য এপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার নিয়ম জানতে ফেসবুক পেজ "Dr. Akhter Uz Zaman Sajib" লিখে সার্চ দিয়ে এর পিন পোষ্ট দেখুন।

📞 01987782653 (WhatsApp + Bkash)
🌐 অনলাইনে দেখানোর জন্য ইনবক্স করুন।

#কাশি #নিউমোনিয়া #শিশুস্বাস্থ্য #স্বাস্থ্যটিপস
#ডাঃসজীব #বাংলা_স্বাস্থ্য
#শ্বাসকষ্ট





#কাশি

ইউটিউব লিংক -
https://youtube.com/shorts/5rUNxwFJtic?si=6w7s_jVJyZU-Dt7a

একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতরে শরীর ডুবিয়ে...
08/12/2025

একবার হযরত মুসা (আ.) এক রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন। তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র এক ব্যক্তি বালির ভেতরে শরীর ডুবিয়ে বসে আছে। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই, লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।

লোকটি হযরত মুসা (আ.)-কে দেখে আর্তনাদ করে বলল, “হে আল্লাহর নবী! আমার জন্য একটু দোয়া করুন। আল্লাহ যেন আমাকে অন্তত বেঁচে থাকার মতো সামান্য কিছু রিযিক দান করেন। অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছি না।”

ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে হযরত মুসা (আ.)-এর দয়া হলো। তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন। পরবর্তীতে আল্লাহর নবীর দোয়াও কবুল হলো।

কিছুদিন পর মুসা (আ.) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন। তিনি দেখলেন, রাস্তায় বিশাল জটলা। অনেক মানুষ ভিড় করে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখানে কী হয়েছে? এত ভিড় কেন?”

লোকেরা জানাল, “কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুকটি বালির নিচে শরীর ঢেকে পড়ে থাকত, সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়েছিল। টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে। এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। এখন তার ‘কিসাস’ বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি চলছে।”

হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তিগফার করলেন।

ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার উপমা ও প্রবাদ ব্যবহার করেছেন:

১. বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত, তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত।”(অর্থাৎ, দুর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে ওঠে)।

২. প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন: “পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো। কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।”

৩. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন: “যদি আল্লাহ তাঁর সব বান্দাকে অঢেল রিযিক দিতেন, তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত।” (সূরা শুরা: ২৭)

৪. বাবার কাছে অনেক মধু আছে, কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলেকে তা খেতে দেন না। কারণ তিনি জানেন, মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।

অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি, তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।

📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা'দী রহ.

যেভাবে বুঝবেন আপনার রক্তে সুগার বেড়ে যাচ্ছে...
05/12/2025

যেভাবে বুঝবেন আপনার রক্তে সুগার বেড়ে যাচ্ছে...

04/12/2025

আজ আবার ও ভূমিকম্প..!
৪.১ মাত্রা..!
সময়- ভোর ৬.১৪ মিনিট..!
আল্লাহতালা আমাদের দেশকে রক্ষা করুন আমিন..!

যারা এই শীতে কাঁচা খেজুর রস খায়া সেলফি তুলতেছেন , লিখতেছেন - ‘ Yes ! felling excited ! ‘কালকে না আবার পল্টি দিয়া অজ্ঞান ...
03/12/2025

যারা এই শীতে কাঁচা খেজুর রস খায়া সেলফি তুলতেছেন , লিখতেছেন - ‘ Yes ! felling excited ! ‘
কালকে না আবার পল্টি দিয়া অজ্ঞান হয়া থাকেন , একটু খেয়াল রাইখেন । যতো রকম এনকেফালাইটিস এই দুনিয়ায় আছে তার প্রায় ৪০-৫০% এর ভেক্টর ই বাদুর ।

বাদুর শীতকালে খেজুরের রস খায় , লালাতে মিশে থাকে নিপাহ এনকেফালাইটিসের জীবাণু । কাঁচা খেজুরের রসে জীবাণু ঢেলে দিয়ে উড়ে চলে যায় ।

কাঁচা খেজুরের রস খায়া ‘ Feeling excited !!! ‘ লিখতে গিয়া অজ্ঞান হইয়া আইসিইউতে পইড়া থাইকেন না , নিজের খেয়াল রাইখেন ।

নাইলে অজ্ঞান হবার আগে লিখতে হইতে পারে - ‘ Felling হিজি বিজি হিজি বিজি and permanently relaxed ! ‘

নিপাহ এনকেফালাইটিসে মৃত্যুর হার ৭০% এরও বেশি ।

পাবনার ইশ্বরদিতে আটটি কুকুরছানাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় মা কুকুরকে তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে দিয়ে...
03/12/2025

পাবনার ইশ্বরদিতে আটটি কুকুরছানাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় মা কুকুরকে তীব্র শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়—মা কুকুরটির বুকের দুধের থলিগুলো অস্বাভাবিকভাবে বড়, শক্ত এবং ফুলে আছে। এই অবস্থা তার জন্য অত্যন্ত ব্যথাদায়ক এবং বিপজ্জনক। বাচ্চাদের হঠাৎ হারানোর পর তার শরীরে যে পরিবর্তনগুলো ঘটেছে, সেগুলোই এই জটিলতার কারণ।

প্রসবের পর মা কুকুরের শরীরে স্বাভাবিকভাবে দুধ তৈরি হয় এবং বাচ্চারা নিয়মিত দুধ পান করলে এই প্রক্রিয়া সুষম থাকে। কিন্তু আটটি বাচ্চাকে হঠাৎ নির্মমভাবে মেরে ফেলায়, দুধ সড়তে পারছেনা, অথচ দুধ উৎপাদন বন্ধ হয় না। ফলে দুধ ভেতরে জমে গিয়ে দুধের থলি ভারী, কঠিন ও অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠে। এটিই হচ্ছে দুধ জমে যাওয়ার প্রাথমিক অবস্থা বা ‘engorgement’। এই অবস্থায় কুকুরটি প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করে এবং স্বাভাবিকভাবে হাঁটা, বসা বা শোয়া পর্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে।

যদি এই জমে থাকা দুধ দীর্ঘসময় বের না হয়, তবে সেখানে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন সৃষ্টি হয়ে ‘mastitis’ হতে পারে। এ অবস্থায় দুধের থলি লাল হয়ে যায়, গরম লাগে এবং ব্যথা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, যেই লক্ষনগুলো ইতোমধ্যেই ওর মাঝে দেখা যাচ্ছে।
কখনো পুঁজ বা রক্তমিশ্রিত তরল পর্যন্ত বের হতে পারে, যা মা কুকুরটির জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
বাচাতে হলে, মা কুকুরটির দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।

তাকে ভেটেরিনারির কাছে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে, যাতে বোঝা যায় সংক্রমণ শুরু হয়েছে কি না। প্রয়োজন হলে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে এবং ব্যথা কমানোর ওষুধও দিতে হয়। দুধ উৎপাদন ধীরে ধীরে কমানোর জন্য ডাক্তার বিশেষ ওষুধও দিতে পারেন। ঘরে প্রাথমিক যত্নের মধ্যে রয়েছে দুধের থলিতে হালকা গরম পানি বা ভেজা কাপড় দিয়ে সেঁক দেওয়া। এতে জমে থাকা দুধ নরম হয়, চাপ কমে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে আসে। তবে দুধ পুরোপুরি চেপে বের করা যাবে না, কারণ এতে শরীর আরও দুধ উৎপাদন শুরু করে। শুধুমাত্র ভেটেরিনারির পরামর্শে চাপ কমানোর জন্য সামান্য বের করা যেতে পারে।

এই সময় মা কুকুরটিকে শান্ত, নিরাপদ এবং নিরিবিলি জায়গায় রাখতে হবে। বাচ্চা হারানোর মানসিক ধাক্কা তার আচরণেও প্রভাব ফেলতে পারে—সে অস্থির হতে পারে, খাওয়া কমিয়ে দিতে পারে বা চুপচাপ পড়ে থাকতে পারে। তাই কোমল আচরণ, নিয়মিত খাবার-পানি এবং উষ্ণ আশ্রয় তার মানসিক অবস্থাও উন্নত করতে সহায়তা করবে। পুষ্টিকর খাবারের মধ্যে ভাত-মুরগি, ডিম, লিভার বা কুকুরের খাবার দিলে তার শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায়।

সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন পেলে মা কুকুরটির ফুলে থাকা দুধের থলি কয়েকদিনের মধ্যে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। বাচ্চা হারানোর শারীরিক ও মানসিক ধাক্কা সত্ত্বেও যথাযথ সেবা তাকে আবার সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে। এই মা কুকুরটির বর্তমান অবস্থা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানুষের নিষ্ঠুরতার সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে সেই প্রাণীগুলো, যারা সবচেয়ে অসহায় এবং সবচেয়ে নিরীহ

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোনজরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায়...
03/12/2025

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোন
জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক নারীই জানেন না, বিনামূল্যে জরায়ু মুখের পরীক্ষা করানো যায়। সব সদর হাসপাতালে এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ সেবা পাওয়া যায়। বয়স ত্রিশ পার হলে কোনো লক্ষণ ছাড়াই জরায়ু মুখ পরীক্ষা করানো উচিত। ক্যান্সার শুধু নিজেকে নয়, একটি পরিবারকে পথে বসিয়ে দেয়। আশার কথা পূর্ব লক্ষণ ধরা পড়লে ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

Address

বেড়িঁ বাঁধ ৪ রাস্তার মোড়, মোহাম্মদপুর বসিলা রোড।
Muhammadpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Akhter Uz Zaman Sajib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Akhter Uz Zaman Sajib:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram