Dr. Akhter Uz Zaman Sajib

Dr. Akhter Uz Zaman Sajib নৈতিকতা ও মূল্যবোধ শিক্ষা, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও রোগ বিষয়ে তথ্য এবং অনলাইনে চিকিৎসা নিতে পেজ ফলো করুন।

28/04/2026

এখন আমি,
সহকারী অধ্যাপক (এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর)। আপনাদের সকল এর দোয়ায় আমার প্রমোশন হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ!!!

ছবিটা কোনো সাধারণ মাংসপিণ্ড না।এটা একটা মানুষের কিডনি।একজন বড় ভাইয়ের কিডনি।যেটা কেটে ফেলা হয়েছে কারণ?তার নিজের ছোট ভাই ছ...
28/04/2026

ছবিটা কোনো সাধারণ মাংসপিণ্ড না।
এটা একটা মানুষের কিডনি।
একজন বড় ভাইয়ের কিডনি।
যেটা কেটে ফেলা হয়েছে
কারণ?
তার নিজের ছোট ভাই ছুরি মেরেছে।
চাচাতো না।
সৎ ভাই না।
একই মায়ের পেটের আপন ভাই।
কারণ?
জমিজমা নিয়ে বিরোধ।
ভাবতে পারেন?
যে ভাই ছোটবেলায় হাত ধরে হাঁটতে শিখিয়েছে…
বৃষ্টির দিনে নিজের কাপড় ভিজিয়ে আপনাকে শুকনো রেখেছে…
মেলায় গেলে কাঁধে তুলে নিয়েছে…
যার হাত ধরে শিখেছেন হাঁটা,
সেই ভাইয়ের পেটেই একদিন ছুরি ঠুকিয়ে দিলেন.?

অপারেশন থিয়েটারে যখন কাটা কিডনিটা ট্রেতে রাখা হল, তখন হঠাৎ মনে হচ্ছিল,
মানুষ আসলে কবে এত বদলে গেল?
ডাক্তাররা প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন।
কিন্তু কিডনি আর ইউরেটার এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত ছিল যে শেষ পর্যন্ত কেটে ফেলতেই হয়েছে।
কিছু জমি…
কয়েক হাত মাটি…
এগুলোর দাম কি সত্যিই একটা সম্পর্কের চেয়ে বেশি?
আজকাল মানুষ জমির ভাগ ঠিকই বুঝে,
কিন্তু রক্তের সম্পর্কের মূল্যটা ভুলে যাচ্ছে।
ধর্মীয় শিক্ষা কোথায়?
মানবতা কোথায়?
কোথায় সেই ভয়,
যেখানে মানুষ অন্তত নিজের ভাইয়ের গায়ে ছুরি তোলার আগে একবার কেঁপে উঠত?
সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো,
এখন মানুষ নিজের ঘরেও নিরাপদ না।
যে ভাই একসময় “ভাইয়া” বলে জড়িয়ে ধরত,
সেই হাতই একদিন ছুরি ধরে।
এই সমাজ আসলে কোথায় যাচ্ছে?

ডা.আব্দুর রহমান

প্রেগন্যান্ট মহিলাকে রেইপ করে তিন মাসের পেটের বাচ্চাকে বের করে মা আর বাচ্চাকে মে/রে রেখে দিয়েছে। বাঁচ্চা আর মায়ের দূরত্ব...
27/04/2026

প্রেগন্যান্ট মহিলাকে রেইপ করে তিন মাসের পেটের বাচ্চাকে বের করে মা আর বাচ্চাকে মে/রে রেখে দিয়েছে। বাঁচ্চা আর মায়ের দূরত্ব তিন হাত মতো। মহিলাটা ম্যাক্সি পরা ছিল, ম্যাক্সিটা বুক অব্ধি উঠে গিয়েছে। মহিলার সারা শরীর ফুলে গিয়েছে, পুরো শরীরে রক্ত লেগে আছে। চাঁরদিকে লোকজন ভিডিও করতেছে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কিছুক্ষণ বাচ্চার দিকে কিছুক্ষণ মহিলার দিকে। কারো বিবেকবোধে বাধা দিচ্ছেনা মহিলার লজ্জাস্থানটা অন্তত ঢেকে দিক...

শতাব্দীর সেরা জাহেলিয়াতের এমন বর্বর নাক্কারজনক ঘটনা আমি আর কখনো দেখছি বলে মনে হয়না। এদেশ যেন মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। জ্বী দোষ দিলাম রাষ্ট্র ও ব্যর্থ প্রশাসনকে, কিন্তু যারা মহিলার লজ্জাস্থান পর্যন্ত ঢেকে না দিয়ে ভিডিও করতেছে এমন জাহেলিয়াতের কু/লা/ঙ্গা/র জাতির জন্য আল্লাহ আর কেমন ভাল শাসক নির্বাচিত করবে।
আমি হতভম্ব।
কমেন্ট চেক করুন 🥹

'ভাই! কিস্তি তুলতে চাই! ডিভোর্স দিবো।' ঘাম মুছতে মুছতে এক যুবক আমাদের অফিসে এসেছে। আমার ডেস্কে এসেই বললো, 'ভাই! কিস্তি ত...
23/04/2026

'ভাই! কিস্তি তুলতে চাই! ডিভোর্স দিবো।'

ঘাম মুছতে মুছতে এক যুবক আমাদের অফিসে এসেছে। আমার ডেস্কে এসেই বললো, 'ভাই! কিস্তি তুলতে চাই! বউকে ডিভোর্স দিবো।'

ভ্রু বাঁকা করে বললাম, “আপনি কিস্তি তুলবেন মানে? কিস্তি তো আমরা তুলি। বলুন লোন তুলতে চাই। আগে কথা বলাটা শিখুন, তারপর সংসার ঠিক করবেন।”

- “সরি ভাই। ভুল হয়ে গিয়েছে। দুই লাখ টাকা লোন নিতে চাচ্ছিলাম। লোন নিতে কী কী লাগবে বলেন?“

তাকে লোনের জন্য Eligibility Criteria হাতে ধরিয়ে দিলাম। কিন্তু সে বুঝলো বলে মনে হয় না। হাঁ করে তাকিয়ে আছে।

শর্টকাটে বললাম, “আমাদের প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০,০০০- ৩,০০,০০০ লাখ পর্যন্ত লোন দিয়ে থাকে। কত টাকা লোন নিতে চাচ্ছেন এবং কতদিন মেয়াদে শোধ করতে চাচ্ছেন। সেটার উপর নির্ভর করে ১০-১৫% সুদের হার। ২ লাখ টাকার জন্য ১৫% সুদ। লোন পরিশোধের মেয়াদ ২ বছর। প্রতি মাসে কিস্তি ১০ হাজার টাকার মতো পড়বে। NID আর একজন গ্যারেন্টার লাগবে।“

- “গ্যারেন্টার কোথায় পাবো ভাই? কসম! আমি লোন নিয়ে সঠিক সময়ে পরিশোধ করে দিবো।“

“আপনার পেশা কী? মাসিক আয় কত?“
- “১৫ হাজার টাকা। ছোট খাটো একটা চাকুরী করি।“

“আমরা এত স্বল্প আয়ের কাউকে লোন দেই না। বিশেষ করে চাকুরী করে এমন লোকদেরকেও না। ছোট খাটো দোকান, ব্যবসা, জমি আছে এমন কৃষক কিংবা পশু আছে এমন খামারিদেরকে লোন দিয়ে থাকি। আপনি আমাদের Criteria জন্য Eligible না।“

লোকটি নাছোড়বান্দা। আমার হাত চেপে ধরে বললো, যেভাবেই হোক তাকে বাঁচাতে। লোন দিতে। লোন পেলেই দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করে লাথি মেরে, আপদ ঘর থেকে বিদায় করবে সে।

বললাম, “আপনার বেতন তো মাত্র পনেরো হাজার টাকা। মাসিক কিস্তিই আসবে ১০ হাজারের মতো। বাকী ৫ হাজার টাকা দিয়ে চলবেন কীভাবে? বাড়ি ভাড়া, খাওয়াদাওয়া, যাতায়াত খরচ? হুট করে অসুস্থ হয়ে গেলে ডাক্তার ফি, মেডিসিন খরচ? আপনার চাকুরী চলে গেলে কী করবেন?
লোন নিলে তো হবে না। শোধ করার ক্ষমতা তো থাকতে হবে। টানা দুই বছর আপনি সার্ভাইভ করতে পারবেন?“

- “পারবো ভাই। ব্যাচেলরদের মেসে চলে যাবো। খাবার খরচ কমিয়ে দিবো। পায়ে হেটে অফিস যাবো, আমি পারবো। আমাকে পারতেই হবে।“

“বুইঝেন কিন্তু। পরে কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না।“

- “আপনাকে অভিযোগের সুযোগ দিবো না ভাই। আমাকে এই বিপদ থেকে উদ্ধার করেন।“

“দেখুন। আমাদের কোম্পানী আপনাকে লোন দিবে না। আপনি লোন পাওয়ার যোগ্য নন। তবে আমার সন্ধানে একজন আছেন। উনি লোন দিবেন। গ্যারেন্টার লাগবে না। কিন্তু উনি মানুষ ভালো নন। উনি খুবই ড্যাঞ্জারাস ব্যক্তি। একটা কিস্তি মিস করলে খবর করে ছাড়েন। মাফিয়া টাইপের মানুষ।“

- “ভাই! আপনি আমার স্ত্রীকে চিনেন না, সে আরও ড্যাঞ্জারাস। দুনিয়াতে আমার স্ত্রীর চেয়ে ড্যাঞ্জারাস মানুষ হয় না। বেশী শিক্ষিত, পন্ডিত বিয়া কইরা এখন পস্তাইতাছি। আমি তার থেকে মুক্ত হতে চাই। ব্যাস।“

মনে মনে বললাম, ১৫ হজার টাকার বেতনে এই যুগেও কোন মহিলা আপনার সংসার করতেছে। সেই মহিলা ড্যাঞ্জারাস না হয়ে তো পারে না।

আমি ড্রয়ার থেকে একটা টেনিস বল আর ভিজিটিং কার্ড বের করলাম। লোকটাকে ভিজিটিং কার্ডটি দিয়ে বললাম, এই নিন উনার ঠিকানা। আশা করি, লোন পেয়ে যাবেন। আমার নামও বলতে হবে না। আর এই টেনিস বলটা সাথে রাখেন। কাজে দিবে।

- “ভাইজান! আমি যেই স্ট্রেসে থাকি, এসব টেনিস বল চাপ দিয়ে কখনও সেই স্ট্রেস দূর হবে না। নাজিয়াকে ঘর থেকে লাথি মেরে বের করতে পারলেই সকল স্ট্রেস দূর হয়ে যাবে।“

আমি তারপরেও বলটা জোর করেই হাতে ধরিয়ে দিলাম। মনে মনে বললাম, রেস্ট্রিকশন না দিলে, আরও দামী বল হাতে ধরিয়ে দিতাম।“

যুবকটি আমাকে সালাম দিয়েই বিদায় নিয়ে চলে গেলো।

আমাদের আর দেখা হয়নি প্রায় দুই বছর হয়ে গেলো। শুনেছি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে টেনিস বল হাতে নিয়ে প্রায়ই আমাদের অফিসে এসে কান্নাকাটি করে। আমাকে খুঁজে। কিন্তু আমি আর ঐ অফিসে কাজ করি না। ট্রান্সফার নিয়ে অন্য শহরে চলে এসেছি। বলেছি বেশী ঝামেলা করলে বলবা, আমি স্ট্রোক করে মরে গিয়েছি। তাহলে আর জ্বালাতে আসবে না।

আজকে দুপুরে নাজিয়া খাতুন নামের এক মেধাবী নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা জানানোর অনুষ্ঠানে এসেছি। আমাদের কোম্পানী থেকে অনেক বড় Investment পেয়েছে সে। স্টেজে উঠে অশ্রুসিক্ত অবস্থায় জীবনের গল্প বলতে শুরু করলো, হুট করে স্বামী ডিভোর্স দিলে অথৈ সাগরে পড়ে যায়। কিন্তু নিজের মেধা ও পরিশ্রম এক করে দেনমোহরের মাত্র দুই লাখ টাকাকে কাজে লাগিয়ে আজকে সে দেশসেরা উদ্যোক্তা। অনেক লম্বা পথ পেরিয়ে আজকে মেয়েটি এই জেলার লাখো নারীর জন্য আদর্শ।

'কিস্তি তুলে ডিভোর্স' দিতে চাওয়া যুবকের নামটা জিজ্ঞেস করতেই ভুলে গিয়েছি। তবে তার স্ত্রীর নামটা এখনও স্মরণে আছে। 'নাজিয়া।' যার অর্থ গর্বিত।

গর্ব করা যায় এমন নারীই হলো নাজিয়া। 'ড্যাঞ্জারাস নাজিয়া।'

- অন্তর মাশঊদ

সিজার মানে শুধু “বাচ্চা বের করা” না…এটা একটা পূর্ণাঙ্গ অপারেশন।মায়ের পেটের ওপরের চামড়া কাটা হয়, তারপর চর্বি, ফ্যাসিয়া (F...
22/04/2026

সিজার মানে শুধু “বাচ্চা বের করা” না…এটা একটা পূর্ণাঙ্গ অপারেশন।
মায়ের পেটের ওপরের চামড়া কাটা হয়, তারপর চর্বি, ফ্যাসিয়া (Fascia), তারপর পেশি আলাদা করা হয়…
এরপর পেরিটোনিয়াম খুলে পৌঁছানো হয় জরায়ুতে।
জরায়ু কেটে তারপর সেই ছোট্ট মানুষটাকে বের করা হয়—যে এতক্ষণ ছিল পানি ভর্তি থলির ভেতর নিরাপদে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটা কয়েক মিনিটে শেষ হলেও, শরীরের ভেতরে তৈরি হয় একটা বড় ক্ষত।
যেটা শুকাতে সময় লাগে… যত্ন লাগে… বিশ্রাম লাগে।

কিন্তু সমস্যা কোথায় জানেন?

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরার পরই শুরু হয় আসল পরীক্ষা।
“আমাদের সময় তো পরের দিনই সব কাজ করছি…”
“এখনকার মেয়েদের কত ঢং…”
“একটা সিজারই তো হয়েছে…”
এই কথাগুলো ধীরে ধীরে একজন নতুন মায়ের শরীরের চেয়েও বেশি ক্ষত করে তার মনকে।
সে নিজেকে প্রমাণ করতে যায় শ্বাশুড়ির কাছে, স্বামীর কাছে, সমাজের কাছে।
সেলাই শুকানোর আগেই ভারী কাজ…ঠিকমতো বিশ্রাম না…ড্রেসিং অবহেলা…
ফলাফল?
ইনফেকশন…
সেলাই খুলে যাওয়া…
হার্নিয়া…
আবার অপারেশন…
মাসের পর মাস যন্ত্রণা…
একটা নতুন মা তখন বাচ্চাকে কোলে নেওয়ার বদলে নিজের ক্ষত নিয়েই লড়াই করে।
একটু ভাবুন যে মানুষটা নিজের শরীর কেটে আপনার সন্তানের জন্ম দিল,
তার কি ১০-১৫ দিন শান্তিতে বিশ্রাম পাওয়ার অধিকার নেই?

করণীয় কী?
* অন্তত ৪-৬ সপ্তাহ ভারী কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ
* সেলাই শুকানো পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত ড্রেসিং
*হালকা হাঁটা যেতে পারে, কিন্তু চাপ দেওয়া যাবে না
* জ্বর, ব্যথা বাড়া, পুঁজ বা লালচে হওয়া—এসব দেখলেই দ্রুত ডাক্তার দেখানো
* পরিবারের সাপোর্ট—এই সময়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মা সুস্থ থাকলে তবেই বাচ্চা ভালো থাকবে।

একটা কথা মনে রাখবেন
“বাহাদুরি দেখিয়ে” কেউ সুস্থ হয় না,বরং অনেক সময় জীবনভর ভুগতে হয়।

লেখা- ডা.আব্দুর রহমান

শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে,পরিবারের সাথে। ❤️

শিশুর গায়ে ফুসকুড়ি আর জ্বর? এটাকে সাধারণ ভাইরাস বা চিকেনপক্স ভেবে ভুল করবেন না। এখন বাংলাদেশে হাম দ্রুত ছড়াচ্ছে।এই ৫টি ল...
22/04/2026

শিশুর গায়ে ফুসকুড়ি আর জ্বর? এটাকে সাধারণ ভাইরাস বা চিকেনপক্স ভেবে ভুল করবেন না। এখন বাংলাদেশে হাম দ্রুত ছড়াচ্ছে।

এই ৫টি লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যান: ✔ শ্বাসকষ্ট ✔ পানি খেতে না পারা ✔ খিঁচুনি ✔ খুব দুর্বল হয়ে যাওয়া ✔ ঠোঁট নীল হওয়া

ভিডিওটি দেখুন এবং অন্য বাবা-মায়ের সাথে শেয়ার করুন।

শিশুর গায়ে ফুসকুড়ি? এটা কি চিকেনপক্স, নাকি হাম?

যদি জ্বরের সাথে কাশি, চোখ লাল, নাক দিয়ে পানি পড়ে, তারপর শরীরে লাল ফুসকুড়ি উঠে—তাহলে এটা হাম হতে পারে!

এই ৫টা লক্ষণ থাকলে একদম দেরি করবেন না:

শ্বাসকষ্ট

পানি খেতে না পারা

খিঁচুনি

খুব দুর্বল হয়ে যাওয়া

ঠোঁট নীল হওয়া

মনে রাখবেন—হাম হলে ডিম, মাছ, গোসল বন্ধ করার দরকার নেই।

আর সবচেয়ে জরুরি—হামের টিকা দিন।

ভিডিওটা শেয়ার করুন, অন্য বাবা-মাকেও জানিয়ে দিন।

---

ভিডিও বিবরণ (YouTube / Facebook)

বাংলাদেশে এখন শিশুদের মধ্যে হাম বা Measles দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক বাবা-মা হাম আর চিকেনপক্সের পার্থক্য বুঝতে না পেরে দেরি করছেন। এই ভিডিওতে সহজ ভাষায় জানানো হয়েছে:

হামের লক্ষণ

হাম আর চিকেনপক্সের পার্থক্য

কখন দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে

কী খাওয়াবেন, কী খাওয়াবেন না

টিকা কেন জরুরি

যদি আপনার শিশুর জ্বর, কাশি, চোখ লাল, আর শরীরে ফুসকুড়ি থাকে, তাহলে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

ডাঃ আখতার উজ জামান সজীব MBBS (DU), DFM (BMU), FCGP, DOC, PGT General Physician

চেম্বার ও অনলাইন পরামর্শ: WhatsApp / Bkash: 01987782653 ভিজিট: 500 টাকা

#হাম #শিশুর_জ্বর #ফুসকুড়ি #শিশুর_রোগ #ডাক্তার_পরামর্শ #বাংলাদেশ #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #মা_বাবার_জন্য

ইউটিউব লিংক -

শিশুর গায়ে ফুসকুড়ি? এটা হামও হতে পারে! দেরি করলে বিপদ 😰

21/04/2026

প্রেসার কুকার লক্ষ্য করেছেন কখনো? কুকারের ভেতরে সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে চাপ।বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। কিন্তু এক সময় সেই চাপ প্রকান্ড একটা শিসের মাধ্যমে বের হয়ে আসে।
মানুষের মনটা ও একটা প্রেসার কুকার।
মানসিক চাপ জমতে থাকে—কিন্তু কেউ দেখে না, কেউ বোঝে না।
একসময় সেই চাপ শিস দিয়ে বের হয়ে আসে।
আমাদের শরীরের সেই চাপ বের করে দেয়ার একটা দরজা খুলে দেয়—
আর সেখান দিয়েই বের হয় নিঃশব্দ চিৎকার কোন একটা শারীরিক Symptoms হয়ে।
এটা মানুষের মনের এক গভীর আর্তনাদ, যা শরীর দিয়ে কথা বলে।

আগে একে বলা হতো “হিস্টিরিয়া”—ধারণা ছিল জরায়ু (hystera) নাকি শরীরের ভেতর ঘুরে বেড়ায় আর সমস্যা করে। আজ আমরা জানি, বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা। এখন একে বলা হয় Conversion Disorder—মানে, মনের ভেতরের অস্থিরতা শরীরের ভাষায় রূপ নেয়।

ভাবুন, একজন মেয়ে—পরীক্ষার আগে হঠাৎ হাত অবশ হয়ে গেল। আরেকজন—পারিবারিক চাপে হঠাৎ কথা বলা বন্ধ। কারো আবার চোখে অন্ধকার, অথচ চোখের সব পরীক্ষা একদম স্বাভাবিক। শরীর বলছে “আমি পারছি না”, কিন্তু আসলে মনের ভেতরে জমে থাকা চাপটাই বেরিয়ে আসছে।

এই রোগে রোগী মিথ্যা বলছে না।
সে অভিনয় করছে না।
তার কষ্ট বাস্তব—শুধু পথটা আলাদা।

আমাদের সমাজে মানসিক কষ্টকে এখনো “দুর্বলতা” মনে করা হয়। তাই মানুষ কাঁদতে পারে না, বলতে পারে না—
তখন শরীরকে দিয়ে বলায়।

ক্লিনিক্যালি আমরা দেখি—

* sudden paralysis
* pseudo-seizure
* loss of voice
* blindness without organic cause

কিন্তু এর পেছনে থাকে—
অপ্রকাশিত দুঃখ, ভয়, ট্রমা, বা দমিয়ে রাখা অনুভূতি।

চিকিৎসা?
ওষুধ একা সব না।
প্রথম ওষুধ—বোঝা।
দ্বিতীয়—ভরসা।
তারপর আসে psychotherapy।

কারণ এই রোগ শরীরের না—
এটা মনের লেখা চিঠি,
যা শরীর ডাকপিয়ন হয়ে পৌঁছে দেয়।

শেষ কথা—

হিস্টিরিয়া কোনো নাটক না, কোন জাদু টোনা বদ নজর না।
এটা এক নিঃশব্দ যুদ্ধ—
যেখানে রোগী প্রতিদিন নিজেকেই হারায়,
আর আমরা যদি না বুঝি,
তাহলে সে একা লড়তেই থাকে… নিঃশব্দে।

#ডাঃসওগাত_এহসান

বাচ্চার গলায় খাবার বা অন্য কোনো কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?বাচ্চাদের গলায় খাবার বা কোনো বস্তু আটকে যাওয়া (Choki...
15/04/2026

বাচ্চার গলায় খাবার বা অন্য কোনো কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?

বাচ্চাদের গলায় খাবার বা কোনো বস্তু আটকে যাওয়া (Choking) যেকোনো মা-বাবার জন্য একটি মারাত্মক আতঙ্কের মুহূর্ত। তবে এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক পদক্ষেপ জানা থাকলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।

বাচ্চারা স্বভাবসুলভভাবেই হাতের কাছে যা পায় মুখে দেয়। অনেক সময় খাবার বা খেলনা গলায় আটকে শ্বাসকষ্ট শুরু হতে পারে। এমন জরুরি মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রেখে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করুন।

- পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করুন

যদি শিশু কাশতে পারে বা শব্দ করতে পারে, তার মানে এয়ারওয়ে পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এক্ষেত্রে:

কাশতে উৎসাহিত করুন। অনেক সময় কাশির মাধ্যমেই আটকে থাকা জিনিস বেরিয়ে আসে।

শিশু নিজে চেষ্টা করা অবস্থায় পিঠে থাপ্পড় দেবেন না বা মুখে আঙুল দেবেন না, এতে বস্তুটি আরও ভেতরে চলে যেতে পারে।

যদি আটকে থাকা বস্তুটি বের না হয় এবং বাচ্চার বয়স '১ বছরের কম' হয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপ হবে

- Back Blows & Chest Thrusts

- পিঠে চাপড় (Back Blows):

শিশুকে আপনার এক হাতের ওপর উপুড় করে ধরুন। মাথা যেন শরীরের চেয়ে নিচের দিকে থাকে।

আপনার হাতের তালুর গোড়ালি দিয়ে বাচ্চার দুই কাঁধের মাঝখানে ৫ বার হালকা কিন্তু দৃঢ়ভাবে থাপ্পড় দিন।

- বুকে চাপ (Chest Thrusts): যদি তাতেও কাজ না হয়, তবে বাচ্চাকে চিত করে শুইয়ে বুকের মাঝখানে (নিপলের ঠিক নিচে) দুই আঙুল দিয়ে ৫ বার চাপ দিন।

আটকে থাকা বস্তুটি না বের হলে এই সাইকেল রিপিট করতে হবে।
..

এবার আসি ১ বছরের বেশি বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি কী হবে সে আলোচনায়।

১. কাশতে উৎসাহিত করুন। তাকে বারবার কাশতে বলুন যাতে কাশির ধাক্কায় আটকে থাকা বস্তু বের হয়ে আসে।

২. যদি সমস্যাটি গুরুতর হয় অর্থাৎ যদি শিশু একদম শব্দ করতে না পারে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় বা চেহারা নীল হতে শুরু করে, তবে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:

স্টেপ-ওয়ান : সাহায্য চান

জোরে চিৎকার করে অন্যদের ডাকুন এবং কাউকে দ্রুত জরুরি সেবা বা অ্যাম্বুলেন্স কল করতে বলুন।

স্টেপ-টু : পিঠে আঘাত বা ব্যাক ব্লো, ৫ বার

শিশুর পেছনে চলে যান এবং তাকে সামান্য সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন।

আপনার হাতের তালুর নিচের শক্ত অংশ (Heel of the hand) দিয়ে শিশুর দুই কাঁধের হাড়ের মাঝখানে ৫টি জোরালো আঘাত করুন।

স্টেপ থ্রি: পেটে চাপ বা অ্যাবডোমিনাল থ্রাস্ট : ৫ বার

শিশুর পেছনে দাঁড়িয়ে বা হাঁটু গেড়ে বসে (শিশুর উচ্চতা অনুযায়ী) তার কোমর জড়িয়ে ধরুন।

এক হাতের মুষ্টি তৈরি করে শিশুর নাভির ঠিক ওপরে (পাঁজরের নিচে) রাখুন।

অন্য হাত দিয়ে মুষ্টিটি চেপে ধরে ভেতরের দিকে এবং ওপরের দিকে (Inward & Upward) ৫ বার জোরে চাপ দিন।

স্টেপ ফোর : পুনরাবৃত্তি করুন

যতক্ষণ না আটকে থাকা বস্তুটি বের হয়ে আসে অথবা শিশু জ্ঞান না হারায়, ততক্ষণ পর্যায়ক্রমে ৫ বার পিঠে চাপড় এবং ৫ বার পেটে চাপ দেওয়া চালিয়ে যান।

যদি ব্যাক ব্লো বা থ্রাস্ট দেওয়ার সময় বাচ্চা নিস্তেজ হয়ে পড়ে বা সেন্স হারিয়ে ফেলে, তবে তৎক্ষণাৎ অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন এবং CPR শুরু করুন। দ্রুত হসপিটালে নিন।

কিছু কাজ কখনও করা যাবে না।

ক. বাচ্চা কাশতে থাকা অবস্থায় তাকে পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।

খ. আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার করবেন না, এতে শিশু আরও ভয় পেয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট পেতে পারে।

বাচ্চার গলায় কিছু আটকে যাওয়া প্রতিরোধে কী করা যায়?

১. খাবার সবসময় ছোট ছোট টুকরো করে দিন।

২. বাচ্চাকে শুয়ে বা দৌড়াদৌড়ি করা অবস্থায় খাওয়াবেন না।

৩. ছোট বোতাম, পুতি, বাদাম, কয়েন বা মার্বেল বাচ্চার নাগালের বাইরে রাখুন।
...
বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে চোকিং নিয়ে আলোচনা বা জনসচেতনতা একেবারেই কম। অথচ গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে চোকিং-এর শিকার হওয়া শিশুদের একটি বড় অংশ হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই বা পৌঁছানোর অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়, কারণ তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসার অভাব।

৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের অনিচ্ছাকৃত দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো চোকিং।
চোকিং-এর কারণে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ১ বছরের কম বয়সী (infant)।

প্রতি বছর বিশ্বে হাজার হাজার শিশু চোকিং-এর কারণে মারা যায়।

ডা. মারুফ রায়হান খান
৩৯ তম বিসিএসের চিকিৎসক
মুগদা মেডিকেল কলেজ হসপিটাল

সাধারণ আইবুপ্রোফেন( পেইন কিলার)অথবা প্রতিদিনের সর্বাধিক ব্যবহৃত প্যারাসিটামল কতটা ভয়াবহ হতে পারে??আমি ডা. তরিকুল ইসলাম ...
15/04/2026

সাধারণ আইবুপ্রোফেন( পেইন কিলার)অথবা প্রতিদিনের সর্বাধিক ব্যবহৃত প্যারাসিটামল কতটা ভয়াবহ হতে পারে??

আমি ডা. তরিকুল ইসলাম শাহিন।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকায় কর্মরত একজন চিকিৎসক। আজ নিজের অভিজ্ঞতা থেকে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা দিতে চাই।

দুই দিন আগে সাধারণ কাঁধের ব্যথার জন্য আইবুপ্রোফেন আর প্যারাসিটামলের কম্বিনেশন খাওয়ার মাত্র ১-২ ঘণ্টার মধ্যে হঠাৎ আমার চোখ দুটো ভয়ংকর ফুলে গেল, লাল হয়ে গেল আর প্রায় বন্ধ হয়ে এল, সাথে সারা শরীরে মারাত্মক চুলকানি শুরু হল!
নিচের ছবিটা দেখুন এটা আমারই চোখ। দেখে নিজেই চমকে গিয়েছিলাম।

এটা চোখের চারপাশের ফোলা, যাকে মেডিকেল ভাষায় বলে Periorbital Edema.
আইবুপ্রোফেনের মতো NSAID গ্রুপের ওষুধ কিছু মানুষের শরীরে বিরল হলেও এমন অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন বা Angioedema ঘটাতে পারে। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। পেনিসিলিন, অ্যাসপিরিন, ডাইক্লোফেনাক বা কিছু রক্তচাপের ওষুধেও একই ধরনের সমস্যা হতে পারে।

যদি আপনার বা আপনার পরিবারের কারও এমন হয়, তাহলে দেরি না করে যা করবেন:

- যে ওষুধ খেয়ে সমস্যা হয়েছে, সেটা তাৎক্ষণিক বন্ধ করুন। যদি পেইন কিলার থেকে হয়ে থাকে তাহলে আর কোনো NSAID খাবেন না।
- শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, গলা ফুলতে থাকলে, ঠোঁট-মুখ দ্রুত ফুলে গেলে বা চোখের ফোলা আরও বাড়তে থাকলে এক মুহূর্তও দেরি করবেন না। সোজা নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চলে যান। এটা জীবন-হুমকির কারণ হতে পারে।
- হাসপাতালে গেলে আমরা সাধারণত আইভি অ্যান্টিহিস্টামিন ও স্টেরয়েড দিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনি। কিন্তু নিজে থেকে কখনো বাসায় উচ্চমাত্রায় স্টেরয়েড খাবেন না এতে অন্যান্য জটিলতা হতে পারে।

পরামর্শ:
যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোনো চিকিৎসকের কাছে দেখান। অ্যালার্জি টেস্ট বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে নিন। ভবিষ্যতে আইবুপ্রোফেন বা এই গ্রুপের কোনো ওষুধ একদম এড়িয়ে চলুন এবং ডাক্তারকে আগে থেকেই জানিয়ে দিন। যে ওষুধ খেয়েছিলেন, কখন খেয়েছিলেন আর লক্ষণ কখন শুরু হয়েছে সব নোট করে রাখুন, পরবর্তী চিকিৎসায় কাজে লাগবে।

আলহামদুলিল্লাহ আমি এখন অনেকটা সুস্থ আছি, কিন্তু প্রথম দিনটা সত্যি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। সাধারণ ব্যথার ওষুধ মনে করে অনেকে অবহেলা করেন, কিন্তু শরীরের প্রতিক্রিয়া সবার এক রকম হয় না। এজন্য এ জাতীয় একিউট বিষয়গুলো কখনো অবহেলা করবেন না, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজের ইচ্ছামত কোন ওষুধ গ্রহণ করবেন না, যদি বিশেষ কোন ওষুধ খাওয়ার পরে এ জাতীয় সমস্যা হয় তবে সেটা নোট রাখুন, পরবর্তীতে যখনই ডাক্তারের কাছে যাবেন বিষয়টি উল্লেখ করুন তাহলে আপনার ডাক্তার অল্টারনেটিভ গ্রুপের ওষুধ দিয়ে আপনার চিকিৎসা করবেন।

পোস্টটা শেয়ার করে আপনার পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সতর্ক করে দিন। কারও যদি এমন সমস্যা হয়, কমেন্টে জানান সাহায্য করব।

(সামনের দিন আমরা আরো মারাত্মক একটা ড্রাগ রিএকশন সম্পর্কে জানব- Stevens-Johnson Syndrome)

(সংগৃহীত)

14/04/2026

সবাইকে শুভ নববর্ষ ১৪৩৩

08/04/2026

একটা ছেলের বালিশ এর নিচে হাত দিয়ে দেখ,
সেখানে হয়ত টাকা নেই,
কিন্তু অনেক গুলো মরে যাওয়া স্বপ্ন আছে...

ছেলেরা নিজের জন্য বাঁচে না,

বাঁচে বাবার ঔষধ এর জন্য,
মায়ের হাসির জন্য,
স্ত্রী এর আবদার মেটানোর জন্য,
সন্তান এর সখ পূরণ এর জন্য।

ছয় মাসের গর্ভবতী অথচ কখনো কোন আল্ট্রা দূরে থাক ডাক্তার পর্যন্ত দেখাননি!!! ফলিক এসিড দূরে থাক, কোন ঔষধ ই খাওয়ান নি উনার স...
07/04/2026

ছয় মাসের গর্ভবতী অথচ কখনো কোন আল্ট্রা দূরে থাক ডাক্তার পর্যন্ত দেখাননি!!! ফলিক এসিড দূরে থাক, কোন ঔষধ ই খাওয়ান নি উনার স্ত্রীকে!!

আমার ত্রিশাল সরকার ডায়াগনস্টিকের এক রোগীর বউয়ের ঘটনা এটা!!! ভাবতে পারেন.?
গর্ভাবস্থায় ফলিক এসিড না পেলে, Spina bifida, Anencephaly সহ কত ধরনের জন্মগত রোগের ঝুঁকি থাকে। আল্লাহ উনার সন্তানকে হেফাজত করুন আমিন
চলুন জানি Anencephaly তে কি হয়:-
যেখানে খুলি আর মস্তিষ্ক থাকার কথা, সেখানে সেটা ঠিকভাবে তৈরি হয়নি।
এই অবস্থাটার নাম Anencephaly।

এটা শুরু হয় গর্ভধারণের খুব শুরুতেই—প্রথম কয়েক সপ্তাহে।
যখন ভ্রূণের “নার্ভ টিউব” ঠিকভাবে বন্ধ হয় না, তখনই এই ধরনের ভয়ংকর জটিলতা তৈরি হয়।

ফলে মস্তিষ্কের বড় অংশ তৈরি হয় না বা অসম্পূর্ণ থাকে

মাথার খুলি পুরোপুরি গঠিত হয় না

মুখের গঠনও অস্বাভাবিক হতে পারে
অনেক ক্ষেত্রে এটা আল্ট্রাসাউন্ডেই ধরা পড়ে যায়।

এই অবস্থায় বাচ্চাটি সাধারণত বেঁচে থাকতে পারে না
বেশিরভাগই জন্মের আগেই বা খুব অল্প সময়ের মধ্যে মারা যায়

এখন প্রশ্ন আসে—এটা কেন হয়?
অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো এক কারণ পাওয়া যায় না।
কিন্তু ঝুঁকি বাড়াতে পারে
গর্ভধারণের আগে ও শুরুতে ফোলিক অ্যাসিডের অভাব
ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকা
কিছু ওষুধ

আগে এমন সমস্যা থাকলে পুনরায় ঝুঁকি

এটা প্রতিরোধযোগ্য অনেক ক্ষেত্রে।
গর্ভধারণের আগে থেকেই যদি শরীরে পর্যাপ্ত ফোলেট থাকে,
তাহলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
সাধারণভাবে
প্রতিদিন 400–800 mcg Folic Acid
বিশেষ করে যারা বাচ্চা নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক পরিবার এই জিনিসটা জানতে পারে তখন,
যখন আর কিছু করার থাকে না।
কিন্তু এই অবস্থাটা অনেক আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব ছিল।

ছোট একটা ভিটামিনের অভাব
একটা জীবনের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।
আর কিছু সতর্কতা সময় মতো নিলে
অনেক বড় ট্র্যাজেডি এড়ানো যায়।

ছবিতে এনেনকেফালির বাচ্চা...

ডা.আব্দুর রহমান

Address

বেড়িঁ বাঁধ ৪ রাস্তার মোড়, মোহাম্মদপুর বসিলা রোড।
Muhammadpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Akhter Uz Zaman Sajib posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Akhter Uz Zaman Sajib:

Share