Urologist-BD- Tajkera Sultana

Urologist-BD- Tajkera Sultana MBBS 1999, FCPS surgery 2007,MS urology 2014,works at Shsmch as A/P Urology. Dr tajkera Sultana Chowdhury passed her MBBS 1999.

She obtained her fellowship on FCPS surgery July 2007 and get MS urology July 2014. She is regular member of Americana Urology Association (AUA), Bangladesh Association of Urological Surgeons (BAUS) and Society of Surgeon of Bangladesh.

19/01/2026

বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান দলকে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। সেই সাথে বলা হয়েছে বাংলাদেশ সংক্রান্ত এই ইস্যুর কোনো সমাধান না হলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারে পিসিবি।

কিডনির একটি রোগ নেফ্রাইটিস। নেফ্রাইটিস আসলে কী?কিডনি একটি ছাঁকনি, এর মাধ্যমে ১৮০ লিটার ফিল্টার তৈরি হয়ে, দেড় লিটার প্রস্...
15/12/2025

কিডনির একটি রোগ নেফ্রাইটিস। নেফ্রাইটিস আসলে কী?
কিডনি একটি ছাঁকনি, এর মাধ্যমে ১৮০ লিটার ফিল্টার তৈরি হয়ে, দেড় লিটার প্রস্রাব তৈরি হচ্ছে এবং শরীরের যে খারাপ জিনিসগুলো বেরিয়ে যাচ্ছে। শরীরে বিভিন্ন কার্যক্রম করার জন্য এই ছাঁকনিটি প্রধান। এই ছাঁকনির যদি কোনো প্রদাহ হয়, এটি সরাসরি ব্যাকটেরিয়া দিয়ে তৈরি হবে, ভাইরাস দিয়ে হতে পারে। তবে সরাসরি হয় না। প্রদাহের পর প্রোটিন লিক করে। রক্তের অ্যালবুমিনের মাত্রাটা বেড়ে যায়। শরীরে পানি আসে। একে আমরা বলি একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস। কিডনির হঠাৎ প্রদাহ। আর যখন ধীরে ধীরে হয়, একে আমরা বলি নেফ্রোটিক সিনড্রম। এই নেফ্রাইটিসটা পাঁচটি ভাগে আমাদের কাছে উপস্থিত হতে পারে। হঠাৎ করে মুখে পানি, পায়ে পানি এলো। রক্তচাপ বেড়ে গেল। বাচ্চার প্রস্রাব হচ্ছে না, লাল প্রস্রাব হচ্ছে। এটি একিউট। আরেকটি হলো ধীরে ধীরে বাচ্চা ফুলছে। আস্তে আস্তে ফুলে যাচ্ছে, ফুলে যাচ্ছে। প্রস্রাব হচ্ছে, হচ্ছে না। ধীরে ধীরে ছয় মাস পরে ফুলে যাচ্ছে। সেটা হলো নেফ্রোটিক সিনড্রম। আরেকটি ধরন ছিল হঠাৎ করে যে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেল, কিডনি অকার্যকর হয়ে গেল। অনেক দিন সমস্যাটি থাকে, আমরা জানি না। হঠাৎ করে সমস্যা ধরা পড়ে। ১৫ বছর বা ২০ বছরে। ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর হয়ে গেল। অর্থাৎ কিডনি তখন আর কাজই করে না। আরেকটি হলো প্রোটিন যাচ্ছে বা আরবিসি যাচ্ছে। তবে এটা পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। এই পাঁচটা ধরনের নেফ্রাইটিস উপস্থাপন হয়।
তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে এই ঝুঁকির মধ্যে কি শুধু বাচ্চারাই আছে? না বাচ্চা বা প্রাপ্তবয়স্ক দুটো ক্ষেত্রেই এটি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে বাচ্চাদের যে একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস হয়, এটি কিন্তু একটি সংক্রমণের পরে হয়। যেমন খোস পাঁচড়া থেকে হতে পারে। গলাব্যথা থেকে হতে পারে। অথবা যেকোনো ধরনের সংক্রমণ থেকে হতে পারে। তবে এটা কিন্তু প্রতিরোধযোগ্য এবং যদি ভালো চিকিৎসা হয় সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাবে। তবে আরেকটি যেটি আছে নেফ্রোটিক সিনড্রম সেটা কিন্তু পুরোপুরি আলাদা। একটি স্টেরয়েড হরমোন লাগবে, সারতেও একটু কষ্ট লাগবে। বাচ্চাদের যদি চিকিৎসা সঠিকভাবে করা হয়, সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে।
তাহলে কি ভাবে জানা যাবে, এই রোগটি হয়েছে, কিডনির রোগ আছে কি না সেটা জানার জন্য একটি পরীক্ষাই যথেষ্ট। ইউরিনে অ্যালবুমিন যাচ্ছে কি না। একটু কথা আছে, সব অ্যালবুমিন যে গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস সেটি নয়। যেমন ইউটিআইতেও প্রোটিন যেতে পারে। পাথর থাকলে প্রোটিন যেতে পারে। অন্য সংক্রমণও হতে পারে। ওষুধের জন্যও প্রোটিন যেতে পারে। জ্বর হলেও প্রোটিন যেতে পারে। ব্যায়াম বেশি করলেও প্রোটিন যেতে পারে। খিঁচুনি হলেও প্রোটিন যেতে পারে। হার্ট ফেইলিউরেও প্রোটিন যেতে পারে। এই কারণগুলো সরিয়ে, যদি প্রোটিন বেশি যায়, তাহলেই কিন্তু নেফ্রাইটিস। প্রোটিনের সঙ্গে আরবিসি যাবে। এটিও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে প্রোটিন আর আরবিসি যদি নিয়মিত থাকে, এটা পরীক্ষা করেই আমরা ধরতে পারি। আর সঙ্গে একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিসে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। মুখটা ফুলে গেল, পা ফুলে গেল, প্রস্রাব কমে গেল। উচ্চ রক্তচাপ পরীক্ষা করলেন, প্রস্রাব করলেন। এই ধারণাটি থাকতে হবে।
চিকিৎসকের কাছে কখন যাওয়া জরুরি - একটি বাচ্চা যখন হঠাৎ করে প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেল। ওই দিন হয়তো সে পানি কম খেয়েছে, কিন্তু দ্বিতীয় দিনে পানিও খাচ্ছে, প্রস্রাব হচ্ছে না। অন্য দিকে দেখা যায় মুখটা ফুলে যাচ্ছে, তখনই ডাক্তারের (জিপি) কাছে যাওয়া উচিৎ। ডাক্তার চিকিৎসা দিয়ে দিতে পারবেন। এর জন্য শহরে আসতে হবে না। কিন্তু এটা যদি ধীর করে, এটি খারাপ পর্যায়ে যায়, সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক লাগবে।
খারাপ পর্যায়ে গেলে ১০ থেকে ২০ ভাগ ক্রনিক গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস হয়। আর অনেক সময় এর সঙ্গে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। সেটা কিন্তু ব্যবস্থাপনা করতে হবে। সেটা কিন্তু ক্যানসারের মতো।
একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাটাইটিস আর নেফ্রাটিক সিনড্রম এ দুটোর মধ্যে চিকিৎসকরা কীভাবে পার্থক্য করে থাকেন সেটা জানতে চেষ্টা করব। আমরাও অনেক সময় বিষয়টি নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত থাকি। যেটা হঠাৎ করে হলো মুখ ফুলে গেল, পায়ে পানি এলো, রক্তচাপ বেড়ে গেল, সেটি হলো একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস। আর যেটা ধীরে ধীরে হবে, আস্তে আস্তে পানি আসবে, ধীরে ধীরে যাবে, প্রস্রাব সাধারণত নেফ্রাটিক সিনড্রমে আরবিসি যায় না। মানে লাল হয় না। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাধারণত উচ্চ রক্তচাপ থাকে না। প্রাপ্তবয়স্কদের থাকতে পারে। দুটো জায়গায় প্রোটিন যাবে। আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলিযদি ২৪ ঘণ্টার ভেতর ৩ দশমিক ৫ গ্রাম, প্রোটিন লিক করে, সেটাকে নেফ্রাটিক সিনড্রম বলি।
একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিসে প্রস্রাবের প্রোটিন লিক করবে। তবে রক্তের প্রোটিনটা ঠিক থাকবে। কিন্তু নেফ্রোটিক সিনড্রমে রক্তের প্রোটিন কমে যাবে, তবে শরীরে পানি এসে পড়বে।
নেফ্রাটিক সিনড্রমের চিকিৎসা অন্যরকম। এমন একটা ওষুধ দিতে হবে, ওই যে ছাঁকনির যে প্রোটিনটা লিক করবে, সেটি বন্ধ করতে হবে। সেই ক্ষেত্রে আমরা স্টেরয়েড ব্যবহার করি। স্টেরয়েডের একটি ডোজ আছে, সেটি সবাই ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারে না। স্টেরয়েডের এই ডোজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বাচ্চাদের এই ডোজ দিই ছয় সপ্তাহ, কিছুদিন বন্ধ করে আবার দিই। প্রথমবার ডোজ দিয়ে বন্ধ করার পর শিশুর সমস্যাটি আবার হতে পারে। তখন ভেঙে পড়লে চলবে না। আবার আসতে হবে। এর ধর্মই এটা। এটা পুরোপুরি নিরাময় হয় না। ১৫ থেকে ২০ ভাগ ভালো হয়। ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে আবার হতে পারে। এই সময় আমরা এই ওষুধের সঙ্গে আরেকটি ওষুধ যোগ করি। তবে একিউট গ্লুমেরুলো নেফ্রাইটিস পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যায়। এটার জন্য এত চিন্তা করা উচিত নয়।
নিম্নে উল্লেখিত সার্জারি বা চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
১) #পস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, #জ্বালা পোড়া, #রক্ত যাওয়া #মূত্রাশয় সংক্রমণে বা #পস্রাব লিকেজ সংক্রান্ত চিকিৎসা করা হয়।
২) যন্ত্রের সাহায্যে(PCNL, ESWL and icpl methods ) #মুত্রাশয়, #কিডনী, ও #পিত্ত থলিতে পাথর অপসারণ।
৩ #)মলদ্বারের স্থানচ্যুতি, #মলদ্বার স্পিঙ্কটার(sphincter) আঘাত অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সার্জারি করা হয়।
৪) #প্রসব জনিত ফিস্টুলা প্রতিস্থাপনের সার্জারি।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






চল্লিশের পর নারীর যেই শারীরিক পরীক্ষাগুলো করা জরুরি:চল্লিশের পর নারীর শরীরে কিছু পরীক্ষা অবশ্যই করানো জরুরি। চল্লিশের পর...
13/12/2025

চল্লিশের পর নারীর যেই শারীরিক পরীক্ষাগুলো করা জরুরি:
চল্লিশের পর নারীর শরীরে কিছু পরীক্ষা অবশ্যই করানো জরুরি। চল্লিশের পর নারীর শরীরে বিভিন্ন রোগব্যাধি আক্রমণ করতে থাকে। তাই এ সময় কিছু পরীক্ষা করা খুবই জরুরি। জীবনধারাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট থেকে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।
১. প্যাপ স্মেয়ার: এই পরীক্ষা অনেকেই এড়িয়ে যান। জরায়ুমুখের ক্যানসারের ঝুঁকি আছে কি না, এটি বোঝার জন্য এই পরীক্ষা করা হয়। ৩০ বছর থেকেই এ পরীক্ষা করা উচিত। আর অবশ্যই ৪০ বছরের পর এই পরীক্ষা দুই থেকে তিন বছর পরপর করতে হবে।
২. থাইরয়েডের কার্যক্রম: থাইরয়েড সমস্যায় অনেক নারীই ভুগে থাকেন। অনেকের হাইপোথাইরয়েডিজম এবং অনেকের হাইপারথাইরয়েডিজম হয়। হাত-পায়ে ও গাঁটে ব্যথা, পা ফোলা ইত্যাদি থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণ।
৩. ম্যামোগ্রাম: স্তন ক্যানসার নারী শরীরের একটি জটিল অসুখ। স্তন ক্যানসারে ঝুঁকি বোঝার জন্য মেমোগ্রাম করতে পারেন।
৪. হাড়ের ঘনত্ব: বয়স বাড়তে থাকলে হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। তাই ৪০ বছরের পরপরই হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এতে অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করা যায়।
৫. হৃৎপিণ্ড: বয়স বাড়তে থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে। তাই চল্লিশের পর হার্ট ভালো আছে কি না, সেটি নিয়মিত চেকআপ করতে হবে।
৬. ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের ক্ষয় হয়, অস্টিওপরোসিসের আশঙ্কা বাড়ে। ৪০ বছর পর থেকে নারীর শরীরে ভিটামিন ডি বেশি প্রয়োজন হয়। তাই ভিটামিন ডি পরীক্ষা করা উচিত।
৭. ডায়াবেটিস: ৪০ বছরের পর অনেক নারীই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। বিশেষ করে টাইপ-টু ডায়াবেটিসে। তাই ডায়াবেটিস আছে কি না, এই পরীক্ষাও করা উচিত।
৮. রক্তচাপ: মেনোপজ হওয়ার পর উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা বেড়ে যায়। মেনোপজ হওয়ার আগেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। তাই চল্লিশের পর থেকে রক্তচাপ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
৯. চোখ: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের সমস্যা হতে শুরু করে। চোখে ছানি পড়া, চোখের শুষ্কতা, কম দেখার সমস্যা হতে পারে এ সময়। তাই চল্লিশের পর অবশ্যই চোখ পরীক্ষা করানো জরুরি।
নিম্নে উল্লেখিত সার্জারি বা চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
১) #পস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, #জ্বালা পোড়া, #রক্ত যাওয়া #মূত্রাশয় সংক্রমণে বা #পস্রাব লিকেজ সংক্রান্ত চিকিৎসা করা হয়।
২) যন্ত্রের সাহায্যে(PCNL, ESWL and icpl methods ) #মুত্রাশয়, #কিডনী, ও #পিত্ত থলিতে পাথর অপসারণ।
৩ #)মলদ্বারের স্থানচ্যুতি, #মলদ্বার স্পিঙ্কটার(sphincter) আঘাত অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সার্জারি করা হয়।
৪) #প্রসব জনিত ফিস্টুলা প্রতিস্থাপনের সার্জারি।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






Medical Center

09/12/2025

ইনসাফ বারাকা হাসপাতালে শনিবার সোমবার ও বুধবার বিকাল তিনটা থেকে বিকাল চারটা নিয়মিত চেম্বার করা শুরু করেছি।

08/12/2025

সপ্তাহে কিছু নির্দিষ্ট সময়ে আমাকে ইনসাফ বারাকা তে পাবেন। এখানে নিয়মিত রুগী দেখা ও অপারেশন করে থাকি।

Big shout-out to my newest top fans! 💎 Md Kamruzzaman, Anisur Rahaman Hasem, Daizy FA, Parvez Mezbah, Mazhar Islam, Sade...
26/11/2025

Big shout-out to my newest top fans! 💎 Md Kamruzzaman, Anisur Rahaman Hasem, Daizy FA, Parvez Mezbah, Mazhar Islam, Sadeq Bablu, Md Amir Hossain Bhuiyan, Mahfuza Begum, Nargis Khan, Abu Taher, Md Shahed, Amirul Islam Bhuyan, KM Noormohammad Ibn Zafor, Karima Khatun, Nasirul Azim, Imran Choudhury, Utpal Saha, Mohammad Shahed, Amdad Hossain, Somdro Bilash

গত ষোলো নভেম্বর বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক্স সমিতি স্হানিয় সেরাটন হোটেলে একটা আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করেন।উক্ত অনুষ্ঠ...
18/11/2025

গত ষোলো নভেম্বর বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক্স সমিতি স্হানিয় সেরাটন হোটেলে একটা আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করেন।উক্ত অনুষ্ঠান ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী সহযোগী অধ্যাপক ইউরোলজি বিভাগ, সহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল একটি সাইন্টিফিক পেপার উপস্থাপন করেন তারই কিছু স্থির চিত্র।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






আজ সতেরো নভেম্বর পেইজের এডমিন প্যানেল এর পক্ষ থেকে ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরীর জন্মদিনে অনেক অনেক শুভ কামনা। মহান রাব্বু...
17/11/2025

আজ সতেরো নভেম্বর পেইজের এডমিন প্যানেল এর পক্ষ থেকে ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরীর জন্মদিনে অনেক অনেক শুভ কামনা। মহান রাব্বুলআলামিন এল কাছে সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করছি।
আজকের এই শুভ দিনে পেইজের পক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন। আমরা ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। আল্লাহ সোবহানুতালাহ উনাকে কবুল করেন আমিন।
এডমিন পেনেলের পক্ষে সবার কাছে দোয়ার দরখাস্ত রইলো।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার ক্যান্সার ‘মরণ ব্যাধি’ এটা আমরা সকলেই জানি। আর এই মরন ব্যাধিও যে প্রতিরোধ করা যা...
02/11/2025

ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার

ক্যান্সার ‘মরণ ব্যাধি’ এটা আমরা সকলেই জানি। আর এই মরন ব্যাধিও যে প্রতিরোধ করা যায় এটা হয়তো অনেকে বিশ্বাস করতে চাইবেনা। কিন্তু এই মরণ ব্যাধিও প্রতিরোধ করা সম্ভব কিছু খাবারের মাধ্যমে। শুনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দিন যত যাচ্ছে ততই রোগের প্রতিকারের নিত্যনতুন গবেষণা ও চিকিৎসায় পরিবর্তন আসছে। তবে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার আগে তা সমাধান করাই সবচেয়ে বেশি উত্তম হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে ডাক্তাররা পুষ্টিকর খাদ্যের মাধ্যমেই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের কথা বলছেন। এমন কিছু খাবার আছে যা মরণব্যাধি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখা হলে এবং তার সাথে নিয়মিত ব্যায়াম করলে ক্যান্সারকে দূরে রাখা সম্ভব। ক্যান্সারের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আছে। তার মধ্যে বর্তমান সময়ে স্তন ক্যান্সার এর প্রকোপ দিনদিন বেড়ে চলছে। তাহলে চলুন ক্যান্সার প্রতিরোধ করবে যে খাবার গুলো ও রোগের সাধারণ লক্ষণ গুলো দেখে নেই।
দিন দিন ক্যান্সার যেমন বাড়ছে, পাশাপাশি বাড়ছে এই রোগটি সম্পর্কে সচেতনতা। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। সচেতন রোগীর প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়লে যথাযথ চিকিৎসায় ক্যান্সার পুরোপুরি সেরে যেতে পারে অথবা নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়। কাজেই ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়।

ক্যান্সারের সাধারণ কিছু লক্ষণ : ১) অল্প অল্প বা বেশি জ্বর হওয়া, রাতে ঠান্ডা লাগা বা ঘেমে যাওয়া, ২) স্বাভাবিকের চাইতে বা অতীতের চাইতে ক্ষুধা কমে যাওয়া, ৩) শরীরের যে কোনও জায়গায় চাকা বা দলা দেখা দেয়া। কখনও এই চাকায় ব্যাথা হতে পারে, কখনও ব্যাথা নাও হতে পারে, ৪) দীর্ঘস্থায়ী কাশি থাকা, কোনও কিছুতেই না সারা। কিংবা অনেকদিন যাবত গলা ভাঙ্গা থাকা, ৫) মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন আসা। ঘন ঘন ডায়রিয়া,কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা মলের সাথে রক্ত যাওয়া, ৬) বিনা কারণেই খুব ক্লান্ত বোধ করা, ৭) অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমে যাওয়া।

ক্যান্সার প্রতিরোধক খাদ্য সমূহ: সবুজ শাক-সবজি : পালং শাক, কেইল, কলার্ড গ্রীন, রোমেইন ও আরুগুলা লেটুস, ওয়াটার ক্রেস (হেলেঞ্চা শাক) সহ দেশীয় সবুজ শাক-পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও মিনারেলগুলো, এন্টিঅক্সিডেন্ট এবং এনজাইম। এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়াও আছে গ্লুকোসাইনোলেটস, এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিভাইরাল উপাদান এবং নিষ্ক্রিয় কার্সিনোজেনস। যা টিউমার সৃষ্টি রোধ, ক্যান্সার কোষ ধ্বংস ও ক্যান্সার স্থানান্তরণে বাধা প্রদান করে। কাজেই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক-পাতা থাকা আবশ্যকীয়।

হলুদ: হলুদে বিদ্যমান ‘কারকিউমিন’ প্রদাহজনিত সমস্যা বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তোলে। শরীরকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করতে চাইলে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন অথবা মাছ ও মাংসের তরকারিতে প্রয়োজন মতো ব্যাবহার করতে পারেন।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য : প্রক্রিয়াকরণ দুগ্ধজাত খাবার যেমন টক দই হলো প্রোবায়োটিক বা ভালো ব্যাক্টেরিয়ার উত্তম উৎস। প্রোবায়োটিক টিউমার বৃদ্ধি রোধ করে। গরু ও ছাগলের দুধ এবং পনিরে রয়েছে সালফার প্রোটিন ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট। যা ক্যান্সার রোগীর খাদ্য তালিকায় রাখা জরুরি। দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি আছে। এই ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে ক্যালসিয়াম রেকটাল সহ নানা রকমের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ব্রেস্ট এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

মাছ : গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, মাছের ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড -এন্টিইনফ্ল্যামেটরি, এন্টিটিউমার ও এন্টিক্যান্সার বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও বিষাক্ততা কমাতে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ফলদায়ক ভূমিকা রাখে। তৈলাক্ত মাছ খাদ্য তালিকায় রাখুন।

গ্রীন টি : ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর প্রধান কারণ মেটাস্ট্যাসিস বা ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়া। গ্রীন টিতে আছে পলিফেনোলিক কম্পাউন্ড, ক্যাটেচিন, গ্যালোক্যাটেচিন এবং ইজিসিজি (এন্টিঅক্সিডেন্ট)। যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়, টিউমার বৃদ্ধি রোধ ও ক্যান্সার স্থানান্তরণ অর্থাৎ মেটাস্ট্যাসিস রুখে মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন গ্রীন টি পান করুন।

মাশরুম: উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন মাশরুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাশরুম রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

স্বাস্থ্যকর অপরিশোধিত ভোজ্য তেল: নারকেল তেল, তিসির তেল এবং এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল অন্ত্রে পুষ্টি যোগায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। জলপাই তেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস যা প্রদাহ কমায়। এমনকি ব্রেস্ট ও কলোরেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

বাদাম ও বীজসমূহ : চিনাবাদাম ভিটামিন-ই এর সব থেকে ভালো উৎস। ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ চিনাবাদাম কোলন, ফুসফুস, যকৃত এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সকালে কিংবা বিকালের নাস্তায় চিনাবাদাম রাখুন
নিম্নে উল্লেখিত সার্জারি বা চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
১) #পস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, #জ্বালা পোড়া, #রক্ত যাওয়া #মূত্রাশয় সংক্রমণে বা #পস্রাব লিকেজ সংক্রান্ত চিকিৎসা করা হয়।
২) যন্ত্রের সাহায্যে(PCNL, ESWL and icpl methods ) #মুত্রাশয়, #কিডনী, ও #পিত্ত থলিতে পাথর অপসারণ।
৩ #)মলদ্বারের স্থানচ্যুতি, #মলদ্বার স্পিঙ্কটার(sphincter) আঘাত অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সার্জারি করা হয়।
৪) #প্রসব জনিত ফিস্টুলা প্রতিস্থাপনের সার্জারি।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






Medical Center

Big shout out to my newest top fans! 💎 Somdro Bilash, Md Kamruzzaman, Anisur Rahaman Hasem, Daizy FA, Parvez Mezbah, Maz...
25/10/2025

Big shout out to my newest top fans! 💎 Somdro Bilash, Md Kamruzzaman, Anisur Rahaman Hasem, Daizy FA, Parvez Mezbah, Mazhar Islam, Sadeq Bablu, Md Amir Hossain Bhuiyan, Mahfuza Begum, Nargis Khan, Abu Taher, Md Shahed, Amirul Islam Bhuyan, KM Noormohammad Ibn Zafor, Karima Khatun, Nasirul Azim, Imran Choudhury, Utpal Saha, Mohammad Shahed, Khan Shafiullah, Amdad Hossain

Drop a comment to welcome them to our community,

মানসিক রোগের চিকিৎসা কেন জরুরিবর্তমানে মানসিক রোগ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। অনেকে কিছু উপসর্গ নিজের সঙ্গে মিলিয়ে মানসিকভাবে...
22/10/2025

মানসিক রোগের চিকিৎসা কেন জরুরি
বর্তমানে মানসিক রোগ নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। অনেকে কিছু উপসর্গ নিজের সঙ্গে মিলিয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ্ কি না সেই দ্বন্দ্বে ভুগে থাকেন। আবার অনেকে মানসিক রোগ নিয়ে নানা অসুবিধা ও অসঙ্গতি হওয়া সত্ত্বেও মানসিক রোগকে অস্বীকার করে নিজে ও অন্যকে কষ্টে রাখেন। তাই মানসিক রোগ ও এর চিকিৎসা সম্পর্কে ভালো করে জানা প্রয়োজন।
মানসিক রোগ কী
যুগে যুগে মানসিক রোগকে নানাভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। প্রাচীনকালে মানুষ মনোরোগকে কখনো জীন ভূতের আছর, কখনো অশুভ আত্মা, কখনো কালো বা দূষিত রক্তের প্রভাব মনে করেছে। যেসব রোগীর আচরণ উচ্ছৃঙ্খল হতো, তাদের ওপর অশুভ আত্মা প্রভাব রয়েছে এবং যাদের আচরণে ধর্মীয় ও গূঢ়ভাব প্রকাশ পেত তাদের ওপর শুভ আত্মা ভর করেছে বলে মনে করা হতো। চিকিৎসা হিসেবে মানসিক রোগীদের মাথার খুলিতে ছিদ্র করা হতো এবং মনে করা হতো অশুভ আত্মা এই ছিদ্র পথে বের হয়ে যাবে। প্রাচীনকালের এই ভুল ধারণা বর্তমানের ফোর জি যুগের অনেক মানুষ বিশ্বাস করে। এখনো মানসিক চিকিৎসার জন্য মানুষকে মানত করা বা ঝারফুকের ওপর নির্ভর করতে দেখা যায়। তবে সেই প্রাচীনযুগের মানুষ হয়েও হিপোক্র্যাটস মানসিক রোগের কারণ হিসেবে মস্তিস্কের আক্রান্ত হওয়াকে দায়ী করেছেন। হিপোক্র্যাটস অব কস ছিলেন প্রাচীন গ্রিসের এক চিকিৎসক। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি না হওয়ায় সে সময় তিনি তাঁর মতকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি। সেটি না পারলেও তাঁর করা মানসিক রোগের তিনটি ধরন (ম্যানিয়া, বিষাদরোগ ও ব্যক্তিত্বের গোলযোগ) নিয়ে এখনো মানুষ চর্চা করে। শুধু তাই নয় তাঁর চিকিৎসা পদ্ধতির কিছু কিছু অংশ আরো বৈজ্ঞানিকভাবে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে। মধ্যযুগে মনোরোগীদের ডাইনি বা পিশাচ মনে করে তাদের নির্মূল করার অভিযান চালানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে মানসিক রোগীদের ক্ষেত্রে মানবিক ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠলেও চিকিৎসা পদ্ধতির কিছুটা কমতি থেকেই যাচ্ছিল। রোগীদের অন্ধকার কারাকক্ষে বা ‘উন্মাদাগারে’ কাটাতে হতো। কিছুদিন আগ পর্যন্ত আমাদের দেশের মানসিক হাসপাতালকে বলা হতো ‘পাগলাগারদ’।

মানসিক রোগের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েসন প্রকাশিত ডায়গনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অব মেন্টাল ডিসওর্ডারসে। সংজ্ঞাটি সহজবোধ্য করে বললে বলা যায়, মানসিক রোগ হলো মানুষের এমন কতগুলো আবেগীয়, শারীরিক বা আচরণগত সমস্যার বা অস্বাভাবিকতার সমষ্টি, যা ব্যক্তিকে কষ্ট দেয় বা তাঁর সামাজিক ও দৈনন্দিন জীবনের কাজগুলোকে ব্যাহত করে।


আবার অন্যভাবে বলা যায়, ব্যক্তির চিন্তা, কাজ, প্রত্যক্ষণ ও অনুভূতি ঠিক যেভাবে হওয়ার কথা সেভাবে না হলে তাকে মানসিক রোগ বলা হয়। অর্থাৎ মানসিক রোগে ব্যক্তির চিন্তায়, বিশ্বাসে, আবেগে, প্রত্যক্ষণে ও কাজের মধ্যে বিশৃংখলা দেখা দেয়। এ ছাড়া শরীরে ব্যথাসহ আপাত নিউরোলজিক্যাল উপসর্গও মানসিক রোগে হতে পারে। রোগ ভেদে এগুলোর যেকোনো একটিতে বা সবগুলোর ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মানসিক রোগের কিছু উপসর্গ নিজের সাথে মিললেই সেটি মানসিক রোগ হবে না। যেমন কেউ কষ্ট পেলেই সেটি বিষণ্ণতা নয়। কোনো নিকটজন মারা গেলে বা দূরে চলে গেলে কষ্ট লাগা স্বাভাবিক; সেটিকে বিষণ্ণতা বলা যাবে না। মানুষের জীবনে স্বাভাবিক কারণে যে ভিন্ন আবেগ আসে সেটিই স্বাভাবিক। বরং মানসিকভাবে কাছের মানুষ চলে গেলে যদি একদম কষ্ট না লাগে তবে সেটিই অস্বাভাবিক। আবার যদি কেউ দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট পেতেই থাকে এবং তাঁর কাজ কর্মের ক্ষতি হতে থাকে তবে তা মানসিক রোগের লক্ষণ হতে পারে। এখানে লক্ষণীয় হলো উপসর্গের কারণে ব্যক্তির সম্পর্কগত,সামাজিক ও নিজ কর্মের কোনো ক্ষতি না হলে সেটি মানসিক রোগের পর্যায়ে পড়বে না।
বিভিন্ন ধরনের মানসিক রোগ রয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রধান প্রধান মানসিক রোগের মধ্যে রয়েছে সিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার মুড ডিসওর্ডার, বিষণ্ণতা, দুঃশ্চিন্তা, অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসওর্ডার, বিভিন্ন ধরনের ফোবিয়া, সামাজিক ভীতি, প্যানিক ডিসওর্ডার, ডিসোসিয়েটিভ ডিসওর্ডার, কনভার্সন ডিসওর্ডার, হাইপোকন্ড্রিয়াসিস, পারসোনালিটি ডিসওর্ডার, ইমসোমনিয়া (ঘুমের সমস্যা), মাদকাসক্তি, সাইকোসেক্সুয়াল ডিসওর্ডার ইত্যাদি।
মানসিক রোগ ছাড়াও আরো কিছু কারণে মানসিক চিকিৎসা বা মানসিক স্বাস্থ্য সেবা নিতে হয়। যেমন : সম্পর্কগত সমস্যা (দাম্পত্য, সন্তান-পিতামাতা, সহদর), নির্যাতনের (মানসিক, শারীরিক ও যৌন) শিকার হলে, শিশু নিগ্রহের শিকার হলে, কোনো ট্রমাটিক ঘটনার মুখোমুখি হলে, কাজে বা পড়াশোনাতে ভালো করতে না পারলে ইত্যাদিসহ এমন সব বিষয় যা ব্যক্তিকে তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে রাখে।
চিকিৎসা
মানসিক রোগ শারীরিক ও সামাজিক নানা কারণেই হতে পারে। এর চিকিৎসাও হতে হয় বায়ো-সাইকোস্যোসাল মডেল অনুযায়ী। অর্থাৎ মানসিক রোগের ক্ষেত্রে ওষুধ ও সাইকোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে ওষুধ ও সাইকোথেরাপির সমন্বিত চিকিৎসায় সবচেয়ে ভালো ফলাফল লাভ করা যায়। তবে কিছু রোগে ওষুধের ভূমিকা মুখ্য আবার কিছু রোগে সাইকোথেরাপি অত্যাবশ্যকীয়। তবে চিকিৎসা গ্রহণ করার জন্য সাইকিয়াট্রিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্টের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিতে হবে।
এ ছাড়া সমাজে ভালোভাবে পুনর্বাসনের জন্য স্যোসাল ওয়ার্কারের সহযোগিতার প্রয়োজন। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টটিউট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সব বড় মেডিকেল কলেজে মনোরোগের চিকিৎসা পাওয়া যায়। তথ্য সূত্র ইন্টারনেট।
নিম্নে উল্লেখিত সার্জারি বা চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
১) #পস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, #জ্বালা পোড়া, #রক্ত যাওয়া #মূত্রাশয় সংক্রমণে বা #পস্রাব লিকেজ সংক্রান্ত চিকিৎসা করা হয়।
২) যন্ত্রের সাহায্যে(PCNL, ESWL and icpl methods ) #মুত্রাশয়, #কিডনী, ও #পিত্ত থলিতে পাথর অপসারণ।
৩ #)মলদ্বারের স্থানচ্যুতি, #মলদ্বার স্পিঙ্কটার(sphincter) আঘাত অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সার্জারি করা হয়।
৪) #প্রসব জনিত ফিস্টুলা প্রতিস্থাপনের সার্জারি।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






'ফ্যাটি লিভার' এই সহজ শব্দযুগল বাংলাদেশে একটি বিশাল ইন্ডাস্ট্রি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেটে কোনো সমস্যার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম কর...
16/10/2025

'
ফ্যাটি লিভার' এই সহজ শব্দযুগল বাংলাদেশে একটি বিশাল ইন্ডাস্ট্রি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পেটে কোনো সমস্যার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে যেয়ে যদি কোনোভাবে ধরা পড়ে যায় ফ্যাটি লিভার, তাহলেই সর্বনাশ! আর আল্ট্রাসনোগ্রাফী বিশেষজ্ঞ স্যারেরা কিছু না পেলে ফাটি লিভার পেতে কখনো কার্পণ্য করেন না।

এরপর মানুষকে বুঝানোই মুশকিল হয়ে যায় - এটার কারণে ব্যাথাও করছেনা, সমস্যাও করছেনা। এটা জাস্ট একটা ইন্সিডেন্টাল ফাইন্ডিং।

আল্ট্রাতে এই জিনিস আসার পর - রোগী নিজেই ধরে নেন - তার শরীরে যত সমস্যা - মাথা ঘুরানো, শরীর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, অনিদ্রা, মাথা গরম - সব কিছুর নাটের গুরু হচ্ছে এই 'লিভারে চর্বি'।
হয়তো উনার ডায়াবেটিস ১৭, প্রেশার ১৮০ - কিন্তু ওসব নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই। ইহজগতে উনার সমস্যা তখন একটাই - লিভারে চর্বি।
আত্মিয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব সবাই জেনে যায় - উনার ফ্যাটি লিভার।

এসব ক্ষেত্রে আত্মিয় স্বজনরা সাধারণত হতাশ করেন না। তারা নানারকম সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসেন। সমাধানের তালিকায় নিম্নোক্ত জিনিসগুলো উপরের দিকে থাকে।
১. মেথিমিক্স পাউডার
২. টক দই
৩. তেতুলের রস
৪. রোদে বসে চর্বি গলানো
৫. সকালে খালি পেটে গরম পানি।

রোগী বারবার চিকিৎসক বদলান - এলাকার ফার্মেসি থেকে শুরু করে গ্যাস্ট্রোলিভারের বড় অধ্যাপক। তারপর ওষুধ দেখেই রোগী জাজ করে ফেলেন কে বড় ডাক্তার। যে সবচেয়ে বেশি ডোজের 'চর্বির ওষুধ' দেন রোগীর কাছে উনিই সবচেয়ে জ্ঞানী।

যারা একটু সামর্থবান তারা স্কয়ার, এভারকেয়ার ঘুরে আসেন। যারা আরো ধনি ও সচেতন তারা চলে যান বিদেশ। এতে ফ্যাটি লিভারের উন্নতি না হলেও সামাজিক অবস্থান উন্নত হয়। পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস থেকে চর্বি ফেলে দেয়ার সময় তিনি একটু জোর গলায় বলেন - আমার ফ্যাটি লিভার, চেন্নাই-এর ডাক্তার বলেছেন, চর্বি না খেতে।
পাশে বসে থাকা অতিথিরা একবার হলেও উনার দিকে ভাল করে তাকান এবং মনে মনে বলেন - বাহ! লোকটার স্ট্যাটাস তো অন্যরকম!

যাই হোক, বাঙালি এত কিছু করবে কিন্তু 'ফ্যাটি লিভার'এর সবচেয়ে সহজ যে সমাধান - ৫ থেকে ৭ কেজি ওজন কমানো - ঐটাই করবেনা। এটাই বাস্তব।
নিম্নে উল্লেখিত সার্জারি বা চিকিৎসার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ
১) #পস্রাবের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, #জ্বালা পোড়া, #রক্ত যাওয়া #মূত্রাশয় সংক্রমণে বা #পস্রাব লিকেজ সংক্রান্ত চিকিৎসা করা হয়।
২) যন্ত্রের সাহায্যে(PCNL, ESWL and icpl methods ) #মুত্রাশয়, #কিডনী, ও #পিত্ত থলিতে পাথর অপসারণ।
৩ #)মলদ্বারের স্থানচ্যুতি, #মলদ্বার স্পিঙ্কটার(sphincter) আঘাত অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে সার্জারি করা হয়।
৪) #প্রসব জনিত ফিস্টুলা প্রতিস্থাপনের সার্জারি।
ডাঃ তাজকেরা সুলতানা চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, শহীদ সহরওয়ার্দ্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বারঃ ইস্টার্ন দোলন, ১৫২/২ - এইচ (৬ষ্ঠ তলা), বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান স্মরনী, পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা -১২০৫। এপয়নটমেনট নিতে ফোন করুন 01921503847 ও 01989997180 এই নম্বরে দুপুর দুইটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত। চেম্বার লোকেশনঃ https://goo.gl/maps/HP1zctovRkmT3XPc9






Medical Center

Address

Eastern Dolon, 152/2-H(6 Floor), West Panthapath, Above NRBC Bank Or Adjacent To Health And Hope Hospital, Opposite BRB
Muhammadpur
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 22:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 22:00 - 20:00

Telephone

+8801989997180

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Urologist-BD- Tajkera Sultana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Urologist-BD- Tajkera Sultana:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram