11/01/2026
Osteoporosis মানে হাড় পাতলা হয়ে ভঙ্গুর (সহজে ভেঙে যায়) হয়ে যাওয়া। এটা হয় যখন হাড়ের ভিতরের “ক্যালসিয়াম” আর “খনিজ” ধীরে ধীরে কমে যায়। এটি একটি নীরবঘাতক রোগ
সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ না করতে পারলে
🦴ভাঙ্গতে পারে হাড়
>অস্টিওপরোসিস কি?
হাড়ের ভিতর থেকে ধীরে ধীরে শক্তি ও ঘনত্ব কমে যাওয়া,যার ফলে হাড় পাতলা, ফাঁপা আর সহজে ভেঙে যায়। সহজভাবে ভাবে বল্লে হাড়টা হলো বাঁশের মতো যখন তরুণ, তখন ভেতরটা ঘন আর শক্ত থাকে। কিন্তু বয়স বাড়লে, পুষ্টি না পেলে বা শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে, ওই বাঁশের ভেতর ফাঁকা হয়ে যায়। তখন সামান্য চাপেই সেটা ভেঙে পড়ে। ঠিক তেমনি, হাড়ও দুর্বল হয়ে যায় এটাই “অস্টিওপোরোসিস।”
🦴 প্রধান কারণসমূহ:
বয়স বাড়া — বয়স বাড়লে হাড়ের নতুন কোষ তৈরি কমে যায়।
মেনোপজ (মহিলাদের ক্ষেত্রে) — ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে হাড় দুর্বল হয়।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D এর অভাব — হাড়ের প্রধান উপাদানই ক্যালসিয়াম, তাই ঘাটতি হলে হাড় পাতলা হয়।
ব্যায়ামের অভাব — শরীর নাড়াচাড়া না করলে হাড় শক্ত থাকে না।
ধূমপান ও মদ্যপান — দুটোই হাড়ের কোষ নষ্ট করে।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া — যেমন corticosteroid (যা হাঁপানি, আর্থ্রাইটিসে ব্যবহৃত হয়)।
পরিবারে ইতিহাস থাকলে — বংশগতভাবেও হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
হরমোন সমস্যা — যেমন থাইরয়েড বেশি কাজ করলে হাড় গলে যায় ধীরে ধীরে।
বয়স, হরমোন, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন সব মিলে হাড় দুর্বল করে।
নারী, বিশেষ করে মেনোপজের পর, বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
>মেনোপজ-পরবর্তী সময়ে ঝুঁকি বাড়ায় যেসব বিষয়:
১.ক্যালসিয়াম-ভিটামিন D কম খাওয়া।
২.ব্যায়াম বা কাজকর্ম কম হওয়া।
৩.ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন।
৪.পরিবারে হাড় ভাঙার ইতিহাস থাকা।
৫.খুব রোগা বা খুব পাতলা গড়ন হওয়া।
সকল ধরণের পরামর্শ পেতে
আমাদের whatspp এ মেসেজ করুন
01718-726884
#অস্টিওপোরোসিস
#হাড়ক্ষয়রোগ
#হাড়েরযত্ন
#হাড়মজবুতকরুন
#ভিটামিনডি
#ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধখাবার
#স্বাস্থ্যসচেতনতা