Siam Pharmacy

Siam Pharmacy The Pharmacy you should trust for better health. best service in less price. call us for home delivery from 09Am to 10Pm. Medicine at your doorstep.

Permanently closed.
05/08/2024

এটা সেনাবাহিনীর দেয়া

কারো বাসায়/মন্দিরে/পূজা মন্ডপে/ ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা হলে প্লিজ যোগাযোগ করুন।

⚠️for all over Bangladesh
1. Dinajpur
20 BIR
CO Lt Col Raushanul Islam, 57 LC
01769682454

2. Mymensingh
21 EB
Capt Faisal
01769208174

3. Sirajganj
40 Fd
Capt Shudipto
01769510524

4. Rampura-7RE Bn,
CO- Lt Col Rehgir Al Shahid,
57 LC, 01769053150

5. Rangpur
30 EB
Capt Ashraf
01615332446

6. Rangpur
34EB (Mech)
Capt Ma-ariz
01745207469

7. Kishorganj (Bhairab)
4 Fd Regt Arty
CO: 01769202354

Capt Raihan
Adjt: 01769202366

8. Jashore
14 BIR
Capt Sabbir
+880 1886-910514

9. Rajbari
2 EB
Capt Enam
+880 1795-615950

10. Dhaka (Jatrabari)
5 BIR (sp bn)
Capt Hemel, 01766162077

11. Uttara , airport, Diabari
CO: 01769024280
Adjt: 01769024284
Capt Sazzad (Parvez):01769510457

12. Cox’s Bazar
9 EB
Capt Muztahid: 01769119988

13. Thakurgaon (7bir)
Lt Faiz -01769510866
Capt Mohtashim -01769009855

14. Mirpur Area (25 AD)
Capt Mahomud : 01833585736
01769024256
Adjt: 01769024254

⚠️FOR DHAKA

1. Capt Saikat: 017 6951 0515 (Mohammadpur)
2. Capt Ridnan Saleh: +880 16 4196 8237 (Mohammadpur)
3. ⁠Capt Ashik: +880 17 3899 8458 (Segunbagicha)
4. ⁠Capt Abrar: +880 17 4156 9832 (Uttara)
5. ⁠Capt Atahar Ishtiaq: +880 17 6951 1144 (Mirpur)
6. ⁠Capt Zarraf: 01708375371 (Stadium, Polton)
7. ⁠Capt Nasif: +880 17 6951 0803 (Baridhara)
8. Lt Imrul 81: +880 17 0526 0019 (Agargaon)
9. Adjt 21 Engrs Bn: 01769013094 (Gulshan/Banani)
10. Capt Shihab: 017 6604 7323 (Motijheel, Bangladesh Bank KPI)

কেমন আছেন সবাই? 😄
31/05/2024

কেমন আছেন সবাই? 😄

  গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি।  রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কা...
04/10/2022



গত ২মাসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার সময় প্রায়ই এই কেসটি পাচ্ছি।
রোগীকে কাউন্সিলিং করাটা কস্টসাধ্য, তাদের যতোই বুঝাই শুধু কান্না আর কান্না । এটা স্বাভাবিক, একজন মা ৪-৫ বা ৬মাসের সময় আল্ট্রা করতে এসে যদি শুনে বাচ্চার হাত-পা-হার্টবিট সব ঠিক আছে, মেশিনে দেখা যাচ্ছে শিশুটি নড়াচড়া করছে কিন্তুু মাথার (খুলির) স্ক্যাল অংশ নাই +ব্রেইন তৈরি হয় নাই তখন সেই মা অসহায়ের মতো তাকিয়ে থাকে আর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পরে।

#তাদের_অনেক_প্রশ্নঃ
কেন এমনটা হলো?
কোনো বাতাস লাগে নাইতো, আমি কি এমন পাপ করলাম, আল্লাহ আমার উপর নারাজ কেন ইত্যাদি?
এখন তাহলে কি হবে? এটা কি ভালো হবে? ট্রীটমেন্ট কি?

#আসুন_বিষয়টা_একটু_জানিঃঃ------------------------
এই সমস্যাকে Anencephaly বলা হয়। এটা সাধারণত নিউরাল টিউব ডিফেক্টে হয়। এই নিউরাল টিউব কনসিভের পর ৪-৫ সপ্তাহ বা ২৮-৩২ দিনের মধ্যে তৈরি হয়ে বন্ধ হয়ে যায়। যদি কোনোক্ষেএে টিউবের কোনো অংশ বন্ধ না হয় তখনই নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়ে জন্মগত এই ত্রুটি Anencephaly হয়।
আর এই নিউরাল টিউব ডিফেক্টের কিছু কারন যেমনঃ মা-বাবার জীনগত কিছু সমস্যা, আরো ফলিক এসিড এর ঘাটতি, কিছু এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস, ওপিয়ড ঔষধ যা গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ২মাসে খেলে ইত্যাদি।

#ডায়াগনোসিস_বা_কিভাবে_এই_সমস্যা_বুঝা_যাবে?
১২-১৪ সপ্তাহের মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলেই ডায়াগনোসিস করা সম্ভব। এছাড়াও মায়ের Serum Alpha-fetoprotein(elevated), MRI, Amniocentesis ইত্যাদি টেস্টের মাধ্যমে জানা সম্ভব।

িকিৎসা_কি?
এর কোনো চিকিৎসা নাই।

#কোনো_প্রতিরোধ_ব্যবস্থা??
অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই কনসিভ করার পর থেকে প্রথম ৩মাস ফলিক এসিড সেবন করতে হবে। এমনকি যারা কনসিভ করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও কনসিভের আগে থেকেই ফলিক এসিড খেতে হবে। প্রথম দুইমাস কোনো প্রকার ওপিয়ড মানে ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, এন্টিসাইকোটিক ড্রাগস খাওয়া যাবেনা।

িশু_কি_জন্মের_পর_বেঁচে_থাকবে?
এরা অনেক সময় গর্ভেই নস্ট হয়ে যায় অথবা মারা যায়।
আর জন্মের সাথে সাথে বা কয়েক ঘন্টা/দিন/সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়। বিভিন্ন রিপোর্টের মাধ্যমে এটা প্রমানিত এই ধরনের শিশুরা জন্মের পর ১বছরের মধ্যে ১০০% ক্ষেএে মারা যায়। এরা হয় অন্ধ নয়তো বধির আর এদের কনসাসনেস থাকে না।

#কেন_এই_পোস্ট?
সচেতনতা বৃদ্ধি।
অনেকেই অনেক কথা বলেনঃ আগেকার যুগের মানুষতো ডাক্তার দেখাতোনা, আমারতো এখন কোনো সমস্যা নাই তাহলে কেন ডাক্তার দেখাবো, আমি ঔষধ খেতে পারিনা বমি আসে, ৬মাসে আল্ট্রা করবো এতো আগে আল্ট্রা করে কি লাভ, আবার অনেকে বলেন হয় ৮মাসে আল্ট্রা করবো অথবা আল্ট্রাই করবোনা।
আশা করি যারা পোস্টটি ভালোভাবে পড়েছেন তারা বুঝতে পেরেছেন কেন প্রথমদিকে একটা আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয় আর কেন সবসময় ডাক্তারের চেকআপে থাকতে হয়।


আল্লাহ আমাদের সকলকে সুস্থ ও ভালো রাখুন🤲।

Collected

রাসুল (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগেবাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে🥰রাসুল (সাঃ) বলেছেন,“পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুরউপ...
21/06/2022

রাসুল (সাঃ) এর ১৪০০ বছর আগে
বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে🥰

রাসুল (সাঃ) বলেছেন,
“পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর
উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।”
– (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)

বিজ্ঞান বলে,
পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে
হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের
প্রয়োজন হয়।
তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে,
তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন
রোগে আক্রান্ত হবে।

রাসুল (সাঃ) বলেছেন,
“ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত”
– (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)

বিজ্ঞান বলে,
ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার জন্য।
ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা কাটা
পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে,
অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
“নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম”
– (সহীহ বুখারী ৬১২৪)

বিজ্ঞান বলে,
ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার,
ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়।
ধুম্পান করলে ঠোট,
দাঁতের মাড়ি,
আঙ্গুল কালো হয়ে যায়।
যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায়
এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
“পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।”
– (মুসলিম ১৬৫৫)

বিজ্ঞান বলে,
স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে
মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়।
আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ
তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।

রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত
হয়ে ঘুমাতে।
– (সহীহ বুখারী ৩২৮০)

বিজ্ঞান বলে,
ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে।
আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না,
যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।

রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন,
“তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।”
– (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)

বিজ্ঞান বলে,
দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার,
ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে
যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।

আল্লাহ্ সুবনাহু তায়ালা বলেন,
“আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা।
নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।”
– (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)

বিজ্ঞান বলে,
পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন
মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে,
তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা
করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে
কাঁপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়।
যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের
মত জীবন পরিচালনা করে
এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

আল্লাহ বলেন,
“আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়,
তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক
যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।”
– (আরাফ ২০৪)

বিজ্ঞান বলে,
কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের
সেলগুলোকে সক্রিয় করে,
অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং
ক্যান্সার রোগীদের।
আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে,
ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারী কে সচল

আলহামদুলিল্লাহ 🥰🥰🥰🥰

আল্লাহ আমাদের সবাই কে বুঝার তৌফিক দান করুক আমীন

জে. ম্যারিয়োন সিমস- আধুনিক গাইনিকোলজির জনক- তার সার্জিক্যাল পরীক্ষানিরীক্ষা গুলোর জন্য কিনে আনতেন কালো মহিলা দাসদের। এবং...
01/05/2022

জে. ম্যারিয়োন সিমস- আধুনিক গাইনিকোলজির জনক- তার সার্জিক্যাল পরীক্ষানিরীক্ষা গুলোর জন্য কিনে আনতেন কালো মহিলা দাসদের। এবং তাদেরকে গিনিপিগের মতো ব্যবহার করতেন ল্যাবে।

তিনি দিনের পর দিন এই মহিলাদের উপরে জননাঙ্গের সার্জারি চালিয়ে গেছেন কোনো অ্যানেস্থেশিয়া ছাড়াই। কেননা তার মতে- "কালো মেয়েদের ব্যথার অনুভূতি নেই।" কি ভয়াবহ জ্ঞানপাপী ছিলো সে!

জে. ম্যারিয়োন সিমস 'গাইনিকোলজির জনক' অভিধাটি পেয়েছিলেন বিশেষত আলাবামার বিভিন্ন খামারে দাসী হিসেবে নিয়োজিত সেইসব নারীদের উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে, যে-নারীদেরকে তাদের খামার-মালিকরা যৌননির্যাতন চালাতে গিয়ে প্রতিরোধের শিকার হয়েছেন। অর্থাৎ, এদেরকে তারা এই গিনিপিগের মতো ব্যবহারের কাজে দিয়ে দিতো তাদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্য।

আনার্কা, উল্লিখিত নারীদের একজন, যিনি ছিলেন একজন আফ্রো-আমেরিকান দাসী। তাঁর এক পরিচিতকে আকুল কান্নায় তাঁকে ওই নরক থেকে উদ্ধার করার জন্য সাহায্য চেয়ে জানিয়েছিলেন যে, তাঁকে নিয়মিত ওইসব ভয়ানক সার্জিক্যাল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হতো হাতপা বেঁধে টেনেহিঁচড়ে। এরপর সিমস-এর 'কাটাকুটির' টেবিলটির উপরে চিৎ করে শুইয়ে দিয়ে, চার হাতপা চারদিকে টেনে বেঁধে, কোনোরূপ ওষুধ দেওয়া ছাড়াই, অজ্ঞান না-করেই, পশু জবাইয়ের মতো তাঁর জননাঙ্গে কাটাকুটি করতেন ডাক্তার সিমস।

হিসেব করে নিশ্চিত হওয়া গেছে- আনার্কার দেহে, ১৮৪৫ থেকে ১৮৪৯ পর্যন্ত, এই মাত্র ৪ বছরে, সর্বমোট ৩৪ বার অপারেশন করেছেন সিমস। এবং এই অপারেশনগুলোই ডাক্তার সিমসকে আধুনিক গাইনিকোলজির বিভিন্ন সার্জারির পদ্ধতি ও নিয়ম তৈরিতে সহযোগিতা করেছিলো।

পৃথিবীকে, একদিন না একদিন, দুখিনী আনার্কাকে, এবং আনার্কার মতো অসংখ্য নাম না-জানা কালো নারী-দাসীকে, অবশ্যই নতশিরে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বীকার করতে হবে- 'গাইনিকোলজির জননী' আপনারাই মা।

কতো বীভৎস অমানবিকতার, কতো সমুদ্র অশ্রুর, বিনিময়ে, আমাদের আজকের আধুনিক জীবনের প্রাপ্তি! আমাদের কাছ থেকে সেইসব সত্য-ইতিহাস সুচতুরতায় লুকিয়ে রাখা হয়, চিরকাল। কিন্তু উপরে একজন আছেন। যিনি সবার দেনাপাওনা পাওনা লিখে রাখছেন। হিসাব দিতেই হবে একদিন......

Courtesy: Salah Uddin Ahmed Jewel
তথ্যসূত্র: আফ্রিকান ভয়েস

আমাদের সবার প্রিয় ময়মনসিংহ মেডিক্যালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফাহিম আহমাদ কভিড পজিটিভ হয়ছেন। সকলের কাছে দুওয়া প্রার্থী। আল্লা...
24/01/2022

আমাদের সবার প্রিয় ময়মনসিংহ মেডিক্যালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফাহিম আহমাদ কভিড পজিটিভ হয়ছেন। সকলের কাছে দুওয়া প্রার্থী। আল্লাহ তাঁকে এবং সকল কভিড যোদ্ধাকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন।
আল্লাহুম্মা শাফি!

28/12/2021

সুস্থতার জন্য ঔষধই কি সমাধান? পরিকল্পিত জীবন পদ্ধতির কোন প্রয়োজনই কি নেই?

শীতে শিশুর ডায়রিয়া ডা. ফাহিম আহমাদডায়রিয়াপাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ায় (diarrhoea) আক্রান্ত হয়নি এমন শিশু পাওয়া কঠিন। এক সময়...
12/12/2021

শীতে শিশুর ডায়রিয়া
ডা. ফাহিম আহমাদ

ডায়রিয়া

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ায় (diarrhoea) আক্রান্ত হয়নি এমন শিশু পাওয়া কঠিন। এক সময় পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে শত শত শিশু মারা যেত। বাংলাদেশি একজন চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ডাঃ রফিকুল ইসলাম খাবার স্যালাইন আবিষ্কারের পর থেকে দ্রুত এই মৃত্যু কমে এসেছে। তবে, এখনো এটা বিশ্বব্যাপী ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর ২য় সর্বোচ্চ কারণ। মৃত্যু ছাড়াও শিশুদের পাতলা পায়খানার কারণে বাবা-মাএর (এবং অবশ্যই শিশুটির) শারীরিক, মানসিক কষ্ট এবং আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকে। কাজেই, এর গুরুত্ব এখনো কমেনি। তবে, সাধারণ কিছু জিনিস জানলে ও মানলে শিশুদের পাতলা পায়খানা হওয়া কমানো সম্ভব এবং হয়ে গেলে দ্রুত সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

শিশুদের পাতলা পায়খানার কারণ কি?
ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার অনেক রকম কারণ আছে। বিভিন্নরকম জীবানুর কারণে হতে পারে, এলার্জির জন্য হতে পারে এমনকি কিছু বিশেষ ধরণের রোগের কারণে হতে পারে। তবে, শিশুদের ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার প্রধান কারণ ভাইরাস। বিশেষ করে বয়স ২ বছরের আশেপাশে হলে প্রায় ৮৭% ক্ষেত্রেই ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে।

শিশুর ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হয়েছে কিভাবে বুঝবেন?
সাধারনভাবে বলা হয় দিনে ৩ বার বা তার বেশি তরল পায়খানা হলে ডায়রিয়া/পাতলা পায়খানা হয়েছে। তবে, শিশুর পাতলা পায়খানা হয়েছে কিনা তার সবচেয়ে বড় বিচারক হচ্ছে তার মা। যদি মায়ের মনে হয় শিশুর পাতলা পায়খানা আছে তাহলে তার পাতলা পায়খানা আছে। শিশুর পাতলা পায়খানা হলে ভয় পাবেন না। অনেক ক্ষেত্রে পায়খানার সাথে মিউকাস (আম), রক্ত যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে শরীর হালকা গরম থাকতে পারে। তবে, ভাইরাস দিয়ে ডায়রিয়া হলে সাধারণত জ্বর থাকে না।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন?
জ্বর হলে। হালকা একটু গরম গরম লাগতে পারে। কিন্তু ১০০.৪ ডিগ্রীর উপর তাপমাত্রা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পায়খানার সাথে রক্ত গেলে, শিশু দুর্বল হয়ে পড়লে, বেশি ঘন ঘন পাতলা পায়খানা ও বমি হলে। খিচুনি হলে। শিশুকে যেকোন কারণে বেশি অসুস্থ মনে হলে।

ডায়রিয়ার চিকিৎসা।
শিশুর পাতলা পায়খানা হলে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যাকে আপনি খুব সহজেই ইউনিয়ন সাবসেন্টার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে পেয়ে যাবেন।

প্রথমঃ খাবার স্যালাইন হচ্ছে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার মুল চিকিৎসা। বাজারে এসএমসির খাবার স্যালাইন পাওয়া যায়। এটাকে ৫০০মিলি পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর খাওয়ানো হয়। মুল উদ্দেশ্য হলো পানিশুন্যতা প্রতিরোধ করা। যদি বাচ্চার পানিশুন্যতা না হয় পাতলা পায়খানা ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়।

দ্বিতীয়ঃ জিংক (Zinc)। ১৪ দিন পর্যন্ত জিংক খাওয়ালে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার তীব্রতা ও দৈর্ঘ্য কমায়। একই সংগে পরবর্তী ডায়রিয়াকেও প্রতিরোধে সাহায্য করে।

খাবার স্যালাইন তৈরি করার সঠিক পদ্ধতি।

খাবার স্যালাইন সঠিক নিয়মে তৈরি করাটা জরুরি। বেশি ঘন বা বেশি পাতলা ভাবে তৈরি করে খাওয়ানো হলে শিশুর শরীরে লবণ কম বা বেশি হতে পারে (hypernatremia or hyponatremia)। সহজ উপায় হলো ৫০০ মিলি স্বাভাবিক তাপমাত্রার (গরমও না আবার ঠান্ডাও না) পানির বোতলের মধ্যে একটি প্যাকেট মিশিয়ে নেয়া এবং সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক পরিমান মত বা বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ানো। একবার তৈরি করা খাবার স্যালাইন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৬-৮ ঘন্টা ব্যবহার করা যায়। এর পর ফেলে দিয়ে নতুন করে তৈরি করে নিতে হবে। খাবার স্যালাইন খাওয়ানোর জন্য চামচ, কাপ বা গ্লাস ব্যবহার করতে হবে। ফিডারের মাধ্যমে খাওয়ানো যাবে না।

তৃতীয়ঃ খাবার। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানার রোগীকে বেশি বেশি তরল খাওয়াতে হয়। সাধারণভাবে, সহজপাচ্য এবং স্বাভাবিক রান্না করা (লবণ, মসলা ও তেল পরিমিত পরিমানে থাকবে) সব খাবারই খাওয়ানো যাবে। তবে, কিছু খাবার এড়িয়ে চলতে হয়। ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তেল, চর্বি, মসলাসমৃদ্ধ খাবার; শরবত, কোক বা অন্য চিনিসমৃদ্ধ খাবার; ফলের রস ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে।

কিভাবে পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া প্রতিরোধ করা যায়?
শিশুদের বেশিরভাগ পাতলা পায়খানা হয় ভাইরাস দিয়ে। অন্যান্য ভাইরাসজনিত রোগ (করোনা ভাইরাসসহ) যেভাবে প্রতিরোধ করা যায়, পাতলা পায়খানাও একইভাবে প্রতিরোধ করা যায়।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। ঘন ঘন সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়া। বিশেষ করে শিশুকে কোলে নেয়া বা খাবার খাওয়ানোর আগে।
পায়খানা বা প্রস্রাব করার পর ভালো করে (সাবান – পানি দিয়ে) হাত ধোয়া।
নিরাপদ খাবার বা পানি ব্যবহার করা। খাবার বা পানি ঢেকে রাখা এবং বাসি/পচা খাবার এড়িয়ে চলা। রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় বিক্রি হয় এমন খাবার এড়িয়ে চলা। শিশুদের ডায়রিয়ার বেশিরভাগ করে রোটা ভাইরাস। কাজেই এর বিরুদ্ধে টিকা দেয়ার মাধ্যমে ডায়রিয়া কমানো সম্ভব।

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া কি করোনার লক্ষণ হতে পারে?
হতে পারে। তবে, এটা খুবই আনকমন। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আরো আনকমন। যদি এমনটা সন্দেহ হয় তবে আপনার/আপনার বাচ্চার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন। তিনি নিশ্চিত করতে পারবেন।

কিছু সাধারণ জিজ্ঞাস্যঃ সংক্ষেপে
ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা কি?

দিনে ৩ বার বা তার বেশিবার তরল পায়খানা হওয়াকে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা বলা হয়। অন্যদিকে, শিশুর মা যদি মনে করে পাতলা পায়খানা আছে, তবে তার পাতলা পায়খানা আছে (mother knows best!)

পাতলা পায়খানার লক্ষণ কি?
ঘন ঘন পায়খানা হওয়া, তৃষ্ণা, দুর্বলতা ইত্যাদি। কখনো কখনো আমাশায়, জ্বর, রক্ত যাওয়া, বমিও থাকতে পারে।

পাতলা পায়খানার চিকিৎসা কি?
শিশুদের ডায়রিয়ার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খাবার স্যালাইন, জিংক ছাড়া অন্য কোন চিকিৎসা লাগে না। তবে, চিকিৎসকের পরামর্শই চুড়ান্ত।

পাতলা পায়খানা হলে কি এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন আছে?
সাধারণত শিশুদের ডায়রিয়ার চিকিৎসায় এন্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। কিছু ক্ষেত্রে লাগতে পারে। সেটা আপনার শিশুর চিকিৎসক নির্ধারণ করতে পারবেন। কাজেই, তার সঙ্গে পরামর্শ না করে কোন এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।

পাতলা পায়খানা হলে কি খাওয়া উচিত?
সাধারণ সব খাবারই শিশু খেতে পারবে। তবে, বেশি বেশি তরল খেতে উৎসাহিত করা উচিত।

পাতলা পায়খানা হলে কি খাওয়া উচিত না?
শরবত, সফট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি চিনিসমৃদ্ধ খাবার; ফলের রস; অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও মসলাসমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

ডাঃ পরিচিতি!
ডাঃ ফাহিম আহমাদ
২০০৬ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী লাভ করেন। সরকারী বিধি অনুযায়ী দুই বছরের অধিক সময় গ্রামে কাজ করার পর শিশু রোগ সম্পর্কে উচ্চতর পড়াশুনা শুরু করেন। প্রায় ৪ বছর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু রোগ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে এমডি(শিশু) শেষ করার পর শিশু বিভাগে কর্মরত আছেন।

বিঃদ্রঃ চিকিৎসা সেবা প্রতি মুহুর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। কাজেই, আজ যে তথ্য সঠিক, তা আগামীতে শতভাগ সঠিক নাও হতে পারে।

এই পেইজে প্রদত্ত সকল তথ্য স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞানের উন্নতির জন্য উপস্থাপন করা হয়। চিকিৎসা প্রদান করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।

সর্বশেষ সম্পাদনা: ২ ডিসেম্বর ২০২১, বিকাল ০৫:৫৬

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পিংয়ের কথা ভাবছি। আপনার সুচিন্তিত পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় Siam Pharmacy. আপনার মন্তব্য দিন। শেয়ার ক...
05/11/2021

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পিংয়ের কথা ভাবছি। আপনার সুচিন্তিত পরামর্শে এগিয়ে যেতে চায় Siam Pharmacy. আপনার মন্তব্য দিন। শেয়ার করে অন্যদেরও সুযোগ করে দিন।

এমন ছোট ছোট সহযোগিতাই আরও মানসম্মত সেবায় অনেক অনেক এগিয়ে দিবে আমাদের।

বিদ্রঃ প্রিয়জনের প্রয়োজনে আমরা নিবেদিত 😊

শীতে সর্দি, ফ্লু ও করোনা সংক্রমণে করণীয়।কোভিড-১৯ বিশ্বমারী অগ্রসর হচ্ছে অবাধে, শীত পড়ছে, তাই আর একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা ...
30/10/2021

শীতে সর্দি, ফ্লু ও করোনা সংক্রমণে করণীয়।

কোভিড-১৯ বিশ্বমারী অগ্রসর হচ্ছে অবাধে, শীত পড়ছে, তাই আর একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা এখন ফ্লু ঋতু।

এ দুটি একত্র হলে ঘটতে পারে ‘টুইনডেমিক’ বলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কোভিড-১৯ রোগী ক্রমে বাড়ছে আর সঙ্গে ফ্লু প্রকোপ।

ঠান্ডা-সর্দি, ফ্লু ও কোভিড-১৯ ঘটায় যে ভাইরাসগুলো সেগুলো শ্বাসযন্ত্রকে অসুস্থ করে। তিনটি অসুখের কয়েকটি উপসর্গ প্রায় একই রকমের তাই কিসে অসুস্থ হলেন তা বোঝা অনেক সময় কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ তিনটি অসুখের উপসর্গের সাদৃশ্য ও ভিন্নতা জানা ভালো।

* উপসর্গগুলো আসে পর্যায়ক্রমে।

* সচরাচর উপসর্গ : নাক বন্ধ, হাঁচি, নাক দিয়ে জল ঝরা।

* উপসর্গ সপ্তাখানেক থাকে প্রথম তিন দিন ছোঁয়াচে।

* ডাক্তার দেখানোর তেমন প্রয়োজন নেই।

ফ্লু

* উপসর্গগুলো আকস্মিকভাবে জোরেশোরে আসে, ঠান্ডা-সর্দি থেকে অনেক গুরুতর।

* সচরাচর উপসর্গ : খুব বেশি জ্বর, মাথাধরা, শরীর ব্যথা ও ক্লান্তি।

* ২-৫ দিনের মধ্যে উপসর্গ উপশম হয়। তবে এক সপ্তাহও লাগতে পারে।

* ঘরে থাকা উচিত আর জ্বর সেরে গেলেও আরও একদিন গৃহবাস যাতে অন্যদের সংক্রমিত না হয়।

* ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিভাইরাল উপসর্গ গুরুতর ও দীর্ঘ হলে।

* হতে পারে জটিলতা, উপসর্গ শোচনীয় হচ্ছে মনে হলে, বা সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস, হাঁপানি বা গর্ভবতী হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

কোভিড-১৯

* কোভিড ১৯-এর মুখোমুখি হওয়ার ২-১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ প্রকাশ পায়।

* সচরাচর উপসর্গ : জ্বর ও শীত শীত লাগা, কফ-কাশ, ক্লান্তি, পেশি ও শরীরে ব্যথা, মাথাধরা, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট।

* সঙ্গে থাকতে পারে বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, নতুন করে স্বাদচেতনা লোপ, ঘ্রাণশক্তি লোপ।

* কারও কারও উপসর্গ নাও হতে পারে, কারও হবে মৃদু উপসর্গ কারও হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। কোভিড থেকে সেরে উঠলেও উপসর্গ থেকে যেতে পারে।

* হতে পারে জটিলতা : উপসর্গ শোচনীয় হলে বা ৬০ ঊর্ধ্ব হলে বা অন্যান্য ক্রনিক অসুখ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

যেহেতু অনেক উপসর্গ কোভিড-১৯ ও ফ্লু প্রায় একই রকম তাই এ দুটিকে পৃথক করে বোঝা অনেক সময় কঠিন, টেস্ট না করে বোঝা মুশকিল। মনে দ্বিধা থাকলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন, উপসর্গগুলো জানান বা টেলিমেডিসিনের সাহায্য নিন।

করোনাভাইরাস কি ফ্লু থেকেও মারাত্মক

হাম হলো সবচেয়ে ছোঁয়াচে রোগ। একজন হামের রোগী সংক্রমিত করতে পারেন ১২-১৮ জন লোককে। এ সংখ্যাকে বলে মৌলিক পুনঃজনন সংখ্যা বা Basic Reproduction Number Ro. রোগ কত সংক্রামক। জিকা জড় হল ৬.৬। কিছু ঋতুকালীন ফ্লু Ro=1.3। COVID 19 = Ro-2-2.5। ঋতুকালীন ফ্লু ও কোভিড-১৯-এর অনেক উপসর্গ একই রকম। জ্বর, কফ, অনেক সময় গায়ে ব্যথা ও ক্লান্তি।

অনেক সময় অগ্রসর হতে পারে নিউমোনিয়া হয়ে ফ্লু হলে সে রোগী একজন বা দু’জন লোককে অসুস্থ করতে পারে। দশ রাউন্ড শেষে অসুস্থ হতে পারে ৫৬ জন COVID-19=Ro-2 এটি অসুস্থ করতে পারে দু’জনকে। তবে ১০ রাউন্ডের পর অসুস্থ করতে পারে ২০৪৭ জনকে। এটি ভালো নয়। কোভিড-১৯ অত্যন্ত ভিন্ন রকমের। প্রতিবছর ফ্লুতে মারা যান ৬০ হাজার আমেরিকান।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ হলে অসুস্থ হতে লেগে যায় ৫-৬ দিন হয়তো লাগতে পারে ১০ এমনকি ১৪ দিন। একে বলে রোগের সুপ্তিকাল। পুরো সময় রোগী থাকেন সংক্রামক।

ফ্লুতে রোগের সুপ্তিকাল ২ দিন এবং অসুস্থ হলে জানবেন সংক্রামক। কোভিড ১৯-এর বেলায় অসুস্থ হওয়া পর্যন্ত যতদিন ততদিন সংক্রমণ ছড়াতে থাকবেন রোগী অজান্তে।

ফ্লুতে অনেকে এমন আছেন যারা ফ্লুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে আছেন। কোভিড-১৯ একেবারে নতুন। এর বিরুদ্ধে কারও দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই। এ গ্রহের যে কোনো কারও করোনা সংক্রমণ হতে পারে। সংক্রমিত লোক অজান্তে ছড়াতে পারেন ভাইরাস, দাবানলের মতো তা ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ জন্য এটি বিপজ্জনক। মাত্র ২ শতাংশ ফ্লু রোগীর হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে। ২০-৩১ শতাংশ, কোভিড রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। মৃত্যুহার ১-৩ শতাংশ ফ্লুতে মৃত্যুহার কম ০-১ শতাংশ। হয়তো এক সময় বিশ্বের ২০-৬০ শতাংশ সংক্রমিত হতে পারে ভাইরাসে। আছে দূষণ সামাজিক বিচ্ছিন্নতা। যতদূর সম্ভব দূরে থাকুন।

অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী
০২ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম।

Address

8/9 Cantonment Rd, Mymensingh
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siam Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram