Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre

Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre Committed to Care

গর্ভধারণ একটি সুন্দর কিন্তু অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। এই সময়টাতে প্রতিটি মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ ন...
09/12/2025

গর্ভধারণ একটি সুন্দর কিন্তু অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। এই সময়টাতে প্রতিটি মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেক মা ভাবেন সব ঠিক আছে, তাই বারবার দেখানো দরকার নেই—কিন্তু গর্ভকালীন বেশিরভাগ জটিলতা শুরুতে লক্ষণহীন থাকে, যা শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই ধরা পড়ে।

🔹 কেন নিয়মিত ডাক্তার দেখানো জরুরি?

ব্লাড প্রেসার, সুগার ও হিমোগ্লোবিন ঠিক আছে কি না জানা যায়।

শিশুর বৃদ্ধি, হার্টবিট ও অবস্থান ঠিক আছে কি না বোঝা যায়।

গর্ভকালীন ঝুঁকিপূর্ণ রোগ (যেমন প্রি-এক্ল্যামসিয়া, জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস) আগে থেকেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

মা ও বেবির জন্য পুষ্টি, খাবার, বিশ্রাম—সব বিষয়ে সঠিক গাইডলাইন পাওয়া যায়।

🔹 প্রয়োজনীয় ওষুধ ঠিকমতো না খেলে কী সমস্যা হতে পারে?

গর্ভাবস্থায় কিছু ভিটামিন ও মিনারেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যেমন—ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, ক্যালসিয়াম, মাল্টিভিটামিন ইত্যাদি। এগুলো না খেলে হতে পারে—

শিশুর মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডে ত্রুটি (Neural Tube Defect)

মায়ের রক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত দুর্বলতা

প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি বা বাচ্চা ছোট হয়ে জন্মানো

হাড়ের সমস্যা, মায়ের দাঁত-হাড় ক্ষয়

গর্ভশয়ুতে অক্সিজেন কম পাওয়া, শিশুর বৃদ্ধি ধীর হওয়া

মায়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ জটিলতা বেড়ে যাওয়া

🔹 উপসংহার

গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত চেকআপ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ঠিকমতো সেবন কোনো বিলাসিতা নয়—এটা মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সামান্য অসতর্কতা ভবিষ্যতে বড় জটিলতায় রূপ নিতে পারে।

সুস্থ মা, সুস্থ শিশু—সবার দায়িত্ব। 💙🌿

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

আগামী  শুক্রবার সারাদিন "ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার,অষ্টধার বাজার"  এ থাকছেন,ডা. মাহমুদুল হাসানএমবিবিএস(ডি...
04/12/2025

আগামী শুক্রবার সারাদিন
"ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার,অষ্টধার বাজার"

এ থাকছেন,

ডা. মাহমুদুল হাসান
এমবিবিএস(ডিইউ)
ডিএমইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি)
সিসিডি(বারডেম)
ডিওসি(চর্ম ও যৌন)
পিজিটি(অর্থপ্যাডিক্স সার্জারি)
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
মেডিসিন, ডায়াবেটিস, চর্ম যৌন, হাড়জোড়া ও বাত ব্যাথা রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ।
চেম্বার:প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত

এবং

ডা.মৌসুমী করিম মৌরি
এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস(এফপি,গাইনী এন্ড অবস)
পিজিটি(গাইনী এন্ড অবস),সিসিডি(বারডেম)
সিএমইউ(আল্ট্রা)
রেজিস্ট্রার,গাইনী ও প্রসূতি বিভাগ,
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বিএমডিসি রেজি নং :A-66515
মহিলা,গাইনী ও প্রসূতি,বন্ধ্যাত্ব এবং ডায়াবেটিস রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ
চেম্বার:প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত

প্রতিদিন এমবিবিএস ডাক্তারের পাশাপাশি
প্রতি শুক্রবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত
যেসব সেবা পাচ্ছেন,
গর্ভবতী ও বন্ধ্যাত্ব রোগীদের সকল ধরনের পরিক্ষানিরিক্ষা ও চিকিৎসা,
কোমড়,হাটু, ঘাড় ও হারের ব্যাথা, বা আঘাতজনিত সমস্যা।
হাড় ভাঙা প্লাস্টার, ,
মুসলমানি,ফোড়া, টিউমার কাটাছেড়া ও সেলাই
প্রস্রাবের নল ও খাবার নল লাগানো
এবং যেকোনো সার্জারী রোগের চিকিৎসা।

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

আগামী  শুক্রবার সারাদিন Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre  এ থাকছেন,মেডিসিন,হৃদরোগ,বক্ষব্যাধি,ডায়াবেটিস রোগ বিভাগড...
27/11/2025

আগামী শুক্রবার সারাদিন
Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre

এ থাকছেন,

মেডিসিন,হৃদরোগ,বক্ষব্যাধি,ডায়াবেটিস রোগ বিভাগ
ডাঃ মাসুদ ইবনে আব্দুল্লাহ
এমবিবিএস(ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল),পিজিটি (মেডিসিন),সিসিডি (ডায়াবেটোলজি, বারডেম), সিসিভিডি (কার্ডিওলজি, আইসিএইচআরআই)
সিএমইউ (আল্ট্রা),ট্রেইন্ড ইন ইনটেনসিভ কেয়ারিং এন্ড সিপিআর (আইসিইউ, এমএমসিএইচ)
এক্স-এইচএমও,মেডিসিন বিভাগ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
জেনারেল প্র‍্যাকটিশনার এবং সনোলজিস্ট
বিএমডিসি রেজি নং: A-92103

এবং

ডা.মৌসুমী করিম মৌরি
এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস(এফপি,গাইনী এন্ড অবস)
পিজিটি(গাইনী এন্ড অবস),সিসিডি(বারডেম)
সিএমইউ(আল্ট্রা)
রেজিস্ট্রার,গাইনী ও প্রসূতি বিভাগ,
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বিএমডিসি রেজি নং :A-66515
মহিলা,গাইনী ও প্রসূতি,বন্ধ্যাত্ব এবং ডায়াবেটিস রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ
চেম্বার:প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত

প্রতিদিন এমবিবিএস ডাক্তারের পাশাপাশি
প্রতি শুক্রবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত
যেসব সেবা পাচ্ছেন,
গর্ভবতী ও বন্ধ্যাত্ব রোগীদের সকল ধরনের পরিক্ষানিরিক্ষা ও চিকিৎসা,
কোমড়,হাটু, ঘাড় ও হারের ব্যাথা, বা আঘাতজনিত সমস্যা।
হাড় ভাঙা প্লাস্টার, ,
মুসলমানি,ফোড়া, টিউমার কাটাছেড়া ও সেলাই
প্রস্রাবের নল ও খাবার নল লাগানো
এবং যেকোনো সার্জারী রোগের চিকিৎসা।

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

📵 সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স: নিজের মানসিক শান্তির জন্য একটু বিরতি নিন 🌿আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বড় একটা অংশ এখন সোশ্যাল মিডিয়া...
06/11/2025

📵 সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স: নিজের মানসিক শান্তির জন্য একটু বিরতি নিন 🌿

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বড় একটা অংশ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় কেটে যায়— ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ইউটিউব স্ক্রল করতে করতে কখন যে ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে যায়, টেরই পাই না। কিন্তু এই অতিরিক্ত ব্যবহার ধীরে ধীরে আমাদের মন, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই এখন সময় এসেছে মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স নেওয়ার— মানে, কিছু সময়ের জন্য ডিজিটাল জগত থেকে দূরে থাকা।

⚠️ কেন দরকার সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স?

🔹 মানসিক চাপ কমায় — সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সাজানো জীবন দেখে আমরা অনেক সময় নিজেদের অজান্তেই হীনমন্যতায় ভুগি। এতে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বেড়ে যায়।

🔹 ঘুমের মান উন্নত করে — ঘুমানোর আগে মোবাইল স্ক্রল করলে চোখ ও মস্তিষ্ক দুটোই ক্লান্ত হয়। ফলে ঘুম আসে দেরিতে এবং পরের দিন ক্লান্ত লাগে।

🔹 সময় ও মনোযোগ ফিরিয়ে আনে — সোশ্যাল মিডিয়ায় অজান্তেই অনেক সময় নষ্ট হয়। সেই সময়টা পরিবার, বই পড়া, ব্যায়াম বা নিজের যত্নে ব্যবহার করলে জীবন আরও ভারসাম্যপূর্ণ হয়।

🔹 মস্তিষ্ক ও মনকে শান্ত করে — অবিরাম নোটিফিকেশন আর তথ্যের ভিড় থেকে দূরে থাকলে মন হালকা লাগে, চিন্তাশক্তি বাড়ে এবং সৃজনশীলতা ফিরে আসে।

🌱 কীভাবে শুরু করবেন সোশ্যাল মিডিয়া ডিটক্স

✅ছোট সময় দিয়ে শুরু করুন :
একদিন বা সপ্তাহে কয়েক ঘণ্টার জন্য ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিন। ধীরে ধীরে সময় বাড়ান।

✅নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন:
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করলে মনোযোগ বাড়ে ও ফোন ধরার প্রবণতা কমে।

✅ঘুমের আগে ফোন দূরে রাখুন :
ঘুমানোর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে ফোন থেকে দূরে থাকুন। এতে ঘুম হবে গভীর ও স্বস্তিদায়ক।

✅ বিকল্প আনন্দ খুঁজুন :
বাস্তব জীবনের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান, হাঁটুন, বই পড়ুন, প্রকৃতি দেখুন— এই ছোট ছোট জিনিসই আপনাকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখবে।

✅ নিজের অনুভূতি লিখে রাখুন :
ডিটক্স চলাকালীন কেমন লাগছে তা লিখে রাখুন। আপনি বুঝতে পারবেন, মনের ভেতর কতটা শান্তি ফিরে এসেছে।

💬 শেষ কথা

সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনের অংশ হলেও, তা যেন পুরো জীবন না হয়ে যায়। মাঝে মাঝে নিজের জন্য একটু বিরতি নিন— ডিজিটাল নয়, বাস্তব জীবনের হাসি, কথা আর সম্পর্কগুলোকে সময় দিন।
বিশ্বাস করুন, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কিছুটা দূরত্ব মানেই নিজেকে নতুনভাবে খুঁজে পাওয়া। 💖

🦟 বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডেঙ্গু: সচেতনতার সময় এখনইএই মুহূর্তে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। প্রায় প্রতিদিনই হা...
04/11/2025

🦟 বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডেঙ্গু: সচেতনতার সময় এখনই

এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। প্রায় প্রতিদিনই হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব—সব মিলিয়ে এডিস মশার বংশবৃদ্ধির জন্য তৈরি করছে অনুকূল পরিবেশ।

⚠️ ডেঙ্গুর উপসর্গ যেগুলো জানা জরুরি:

💢হঠাৎ করে উচ্চ জ্বর
💢তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা
💢শরীর ও জয়েন্টে ব্যথা
💢বমি বমি ভাব বা বমি
💢ত্বকে লালচে দাগ
💢গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তপাত বা প্লেটলেট কমে যাওয়া

🏥 ডেঙ্গু হলে করণীয়:

✅ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না (বিশেষত ব্রুফেন বা অ্যাসপিরিন নয়)
✅পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
✅শরীরে পানির ঘাটতি যেন না হয়, নিয়মিত স্যালাইন, পানি ও ফলের রস পান করুন
✅জ্বর না কমলে বা রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যান

🌿 ডেঙ্গু প্রতিরোধে যা করবেন:

🔶বাড়ির আশেপাশে পানি জমতে দেবেন না
🔶ফুলের টব, ড্রাম, ক্যান বা টায়ারে জমে থাকা পানি ফেলে দিন
🔶জানালা-দরজায় নেট ব্যবহার করুন
🔶দিনে ঘুমানোর সময়ও মশারি ব্যবহার করুন
🔶শরীরে মশা নিরোধক ক্রিম লাগান
🔶পাড়া-মহল্লায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালান

❤️ শেষ কথা:

বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি কেবল সরকারের নয়, আমাদের সবার জন্যই একটি চ্যালেঞ্জ। সচেতনতা ও সতর্কতাই পারে এই বিপদ থেকে আমাদের বাঁচাতে। মনে রাখুন—
👉 “একটি মশার কামড়ে হতে পারে মৃত্যুঝুঁকি, তাই আজ থেকেই শুরু হোক সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতার যাত্রা।”

🌿 ধুলাবালির মাইট: অদৃশ্য শত্রু, অ্যালার্জির মূল কারণ! 🌿আমাদের ঘরবাড়ি যতই পরিষ্কার রাখি না কেন, ধুলার মধ্যে লুকিয়ে থাকে...
02/11/2025

🌿 ধুলাবালির মাইট: অদৃশ্য শত্রু, অ্যালার্জির মূল কারণ! 🌿

আমাদের ঘরবাড়ি যতই পরিষ্কার রাখি না কেন, ধুলার মধ্যে লুকিয়ে থাকে এক অদৃশ্য জীবাণু — “ডাস্ট মাইট” (Dust Mite)। খালি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু এরা আমাদের নাক, ত্বক, এমনকি শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্যও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

😷 ডাস্ট মাইট কীভাবে অ্যালার্জি ঘটায়?
ডাস্ট মাইট মূলত মৃত ত্বকের কোষ খেয়ে বেঁচে থাকে। এরা বিছানার চাদর, বালিশ, কার্পেট, পর্দা বা নরম আসবাবে বাসা বাঁধে। এদের বর্জ্য পদার্থ ও মৃত দেহের কণাই মানুষের অ্যালার্জির প্রধান কারণ।
যাদের শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, সাইনাস বা ত্বকের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর।

🩺 অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণ:

--নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া
--হাঁচি ও কাশি
--চোখ চুলকানো বা লাল হওয়া
--ত্বকে চুলকানি বা র‍্যাশ
--রাতে ঘুমাতে সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট

🏠 প্রতিরোধে করণীয়:
✅ প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করুন, বিশেষ করে বিছানা ও কার্পেট।
✅ সপ্তাহে অন্তত একবার চাদর ও বালিশের কাভার গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
✅ ধুলা জমে এমন জিনিসপত্র (যেমন কার্পেট, পর্দা, স্টাফড টয়) কম ব্যবহার করুন।
✅ ঘরে পর্যাপ্ত রোদ ও বাতাস চলাচল রাখুন।
✅ প্রয়োজনে অ্যান্টি-অ্যালার্জিক ম্যাট্রেস কাভার ব্যবহার করুন।

💡 মনে রাখবেন:
ডাস্ট মাইট অদৃশ্য হলেও এর প্রভাব স্পষ্ট — তাই নিয়মিত যত্ন ও পরিচ্ছন্নতাই হতে পারে অ্যালার্জিমুক্ত জীবনের চাবিকাঠি।

🌸 সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।

🦠 রিংওয়ার্ম (Ringworm) / দাদ রোগ : ছোট দাগ, বড় সমস্যাঅনেকেই ত্বকের গোলাকার লাল দাগ বা চুলকানিকে তেমন গুরুত্ব দেন না, ক...
01/11/2025

🦠 রিংওয়ার্ম (Ringworm) / দাদ রোগ : ছোট দাগ, বড় সমস্যা

অনেকেই ত্বকের গোলাকার লাল দাগ বা চুলকানিকে তেমন গুরুত্ব দেন না, কিন্তু জানেন কি — এটি হতে পারে রিংওয়ার্ম, যা আসলে কোনো কৃমি নয় বরং একটি ছত্রাকজনিত সংক্রমণ (Fungal infection)?

🔍 রিংওয়ার্ম কী?

রিংওয়ার্ম বা টিনিয়া (Tinea) হলো এক ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ, যা ত্বক, মাথা, নখ বা শরীরের অন্য অংশে হতে পারে। এটি দেখতে গোলাকার দাগের মতো, যার মাঝখান ফ্যাকাশে আর চারপাশ লালচে ও উঁচু।

⚠️ লক্ষণসমূহ

রিংওয়ার্ম হলে সাধারণত দেখা যায়—

💢তীব্র চুলকানি
💢লালচে বা বাদামী দাগ
💢খোসা ওঠা বা ফুসকুড়ি
💢মাথায় হলে চুল পড়ে যাওয়া

দাগগুলো সাধারণত “রিং” আকৃতির হওয়ায় নাম দেওয়া হয়েছে রিংওয়ার্ম।

🧴 চিকিৎসা ও যত্ন

👉 রিংওয়ার্মের চিকিৎসা সহজ হলেও অবহেলা করলে তা শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
চিকিৎসার জন্য সাধারণত ব্যবহৃত হয়—

--অ্যান্টিফাঙ্গাল ক্রিম (যেমন: ক্লোট্রিমাজল, কেটোকোনাজল ইত্যাদি)
--গুরুতর হলে মুখে খাওয়ার ওষুধ
--আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখা

⚠️ নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

🧼 প্রতিরোধের উপায়

✅ প্রতিদিন গোসল করে শরীর শুকনো রাখা
✅ অন্যের তোয়ালে, পোশাক বা চিরুনি ব্যবহার না করা
✅ সংক্রমিত স্থান চুলকানো থেকে বিরত থাকা
✅ পোষা প্রাণী আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা করা

💬 শেষ কথা

রিংওয়ার্ম কোনো প্রাণঘাতী রোগ নয়, কিন্তু অবহেলা করলে তা দীর্ঘস্থায়ী ও কষ্টদায়ক হতে পারে।
তাই ত্বকে লালচে দাগ বা চুলকানি দেখলেই চিকিৎসা নিন, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন এবং অন্যদের সচেতন করুন।

সচেতন থাকুন, পরিচ্ছন্ন থাকুন — ত্বক রাখুন সুস্থ ও সুন্দর। 💚

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

🦴 আর্থ্রাইটিস: নীরব যন্ত্রণা, সচেতনতার সময় এখনইআমাদের আশেপাশে অনেক মানুষই প্রতিদিন অস্থি ও জয়েন্টের ব্যথায় কষ্ট পান, ...
30/10/2025

🦴 আর্থ্রাইটিস: নীরব যন্ত্রণা, সচেতনতার সময় এখনই

আমাদের আশেপাশে অনেক মানুষই প্রতিদিন অস্থি ও জয়েন্টের ব্যথায় কষ্ট পান, কিন্তু বেশিরভাগ সময় তারা এটাকে "বয়সের সমস্যা" ভেবে অবহেলা করেন। অথচ এই সমস্যাটির নাম আর্থ্রাইটিস (Arthritis) — যা সময়মতো চিকিৎসা না নিলে জীবনের মান নষ্ট করে দিতে পারে।

🔍 আর্থ্রাইটিস কী?

আর্থ্রাইটিস হলো জয়েন্ট বা গাঁটের প্রদাহজনিত একটি রোগ। এতে জয়েন্ট ফুলে যায়, ব্যথা হয়, শক্ত হয়ে যায় এবং নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়।
এটি একক কোনো রোগ নয় — বরং ১০০টিরও বেশি ধরণের জয়েন্ট সমস্যাকে বোঝায়।

⚠️ সাধারণ লক্ষণসমূহ

✅গাঁটে ব্যথা ও ফোলা
✅সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর জয়েন্ট শক্ত মনে হওয়া
✅চলাফেরায় অসুবিধা
✅জয়েন্টের চারপাশে উষ্ণতা বা লালচে ভাব

🧠 আর্থ্রাইটিসের প্রধান ধরন

1.অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis):
এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরন, যেখানে হাড়ের মাঝে থাকা কার্টিলেজ ক্ষয় হয়ে যায়। সাধারণত বয়স বাড়লে বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে হয়।

2.রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Rheumatoid Arthritis):
এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিজের জয়েন্টকে আক্রমণ করে প্রদাহ সৃষ্টি করে।

💬 কেন সচেতনতা জরুরি?

আর্থ্রাইটিস শুধুমাত্র বয়স্কদের নয় — যেকোনো বয়সেই হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা শুরু করলে ব্যথা ও জটিলতা অনেক কমানো সম্ভব। কিন্তু দেরি করলে এটি স্থায়ী অক্ষমতার কারণ হতে পারে।

🩺 প্রতিরোধ ও যত্ন

✅ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
✅ নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন
✅ পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি গ্রহণ করুন
✅ দীর্ঘ সময় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন
✅ ব্যথা বা ফোলা অনুভব করলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

💚 শেষ কথা

আর্থ্রাইটিস মানেই জীবনের ইতি নয়। সচেতনতা, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সঠিক চিকিৎসাই পারে আপনাকে সক্রিয় ও সুস্থ রাখতে।
নিজে জানুন, অন্যকে জানান — কারণ সচেতনতা-ই প্রতিরোধের প্রথম ধাপ।

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

যারা ডা. মাসুদ ইবনে আব্দুল্লাহ স্যারকে দেখানোর জন্য অপেক্ষা করে আছেন, অনেকে শুধু তাকেই দেখাতে চান, তাদের জন্য স্যার আজ শ...
17/10/2025

যারা
ডা. মাসুদ ইবনে আব্দুল্লাহ
স্যারকে দেখানোর জন্য অপেক্ষা করে আছেন, অনেকে শুধু তাকেই দেখাতে চান, তাদের জন্য স্যার আজ শুক্রবার সন্ধায় কিছুক্ষণ সময় দিবেন।
বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সময় দিবেন।

এছাড়া শুক্রবার সারাদিন
Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre

এ থাকছেন,

ডা. মাহমুদুল হাসান
এমবিবিএস(ডিইউ)
ডিএমইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি)
সিসিডি(বারডেম)
ডিওসি(চর্ম ও যৌন)
পিজিটি(অর্থপ্যাডিক্স সার্জারি)
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
মেডিসিন, ডায়াবেটিস, চর্ম যৌন, হাড়জোড়া ও বাত ব্যাথা রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ।
চেম্বার:প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত

এবং

ডা.মৌসুমী করিম মৌরি
এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য)
এফসিপিএস(এফপি,গাইনী এন্ড অবস)
পিজিটি(গাইনী এন্ড অবস),সিসিডি(বারডেম)
সিএমইউ(আল্ট্রা)
রেজিস্ট্রার,গাইনী ও প্রসূতি বিভাগ,
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বিএমডিসি রেজি নং :A-66515
মহিলা,গাইনী ও প্রসূতি,বন্ধ্যাত্ব এবং ডায়াবেটিস রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ
চেম্বার:প্রতি শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত

প্রতিদিন এমবিবিএস ডাক্তারের পাশাপাশি
প্রতি শুক্রবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৬ টা পর্যন্ত
যেসব সেবা পাচ্ছেন,
গর্ভবতী ও বন্ধ্যাত্ব রোগীদের সকল ধরনের পরিক্ষানিরিক্ষা ও চিকিৎসা,
কোমড়,হাটু, ঘাড় ও হারের ব্যাথা, বা আঘাতজনিত সমস্যা।
হাড় ভাঙা প্লাস্টার, ,
মুসলমানি,ফোড়া, টিউমার কাটাছেড়া ও সেলাই
প্রস্রাবের নল ও খাবার নল লাগানো
এবং যেকোনো সার্জারী রোগের চিকিৎসা।

যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776

🌼 এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং জন্মের পর থেকে শিশুর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোকে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফ...
08/10/2025

🌼 এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং

জন্মের পর থেকে শিশুর প্রথম ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানোকে এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং বলে।
এই সময়ে পানি, মধু, খাবার, দুধের গুঁড়া, জুস বা অন্য কিছুই দেওয়া উচিত নয়।

💖 এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং এর গুরুত্ব

1.সম্পূর্ণ পুষ্টি সরবরাহ করে :
মায়ের দুধে শিশুর বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান (প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ ইত্যাদি) সঠিক অনুপাতে থাকে।

2.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
এতে অ্যান্টিবডি থাকে, যা শিশুকে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও অন্যান্য সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

3.শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে :
মায়ের দুধে থাকা উপাদান শিশুর মস্তিষ্ক ও শরীরের সুষম বিকাশে ভূমিকা রাখে।

4.মা-শিশুর বন্ধন দৃঢ় করে :
দুধ খাওয়ানোর সময়ের স্নেহময় সম্পর্ক শিশুর মানসিক নিরাপত্তা বাড়ায়।

5.অর্থনৈতিক ও সহজলভ্য :
মায়ের দুধ বিনামূল্যে, সবসময় নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত।

6.মায়ের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী:
নিয়মিত দুধ খাওয়ালে মায়ের শরীরে গর্ভাশয় দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং পরবর্তী গর্ভধারণ কিছুটা বিলম্বিত হয়।

⚠️ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং না নিলে যেসব অসুবিধা হতে পারে :

1.শিশু সহজে অসুস্থ হয় — সংক্রমণ, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি বাড়ে।
2.বৃদ্ধি ও ওজন কমে যায় — প্রয়োজনীয় পুষ্টি না পেলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
3.মানসিক ও বুদ্ধিবিকাশে সমস্যা হয়।
4.দুধের পরিবর্তে অন্য খাবার দিলে পেটের সমস্যা বা অ্যালার্জি হতে পারে।
5.মায়ের শরীরে দুধ উৎপাদন কমে যায়, ফলে ভবিষ্যতে দুধ খাওয়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

তাই বাচ্চা এবং মায়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে জন্মের প্রথম ৬মাস বাচ্চাকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান এবং যেকোনো সমস্যায় ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

অ্যাডিনোমায়োসিস হলো মহিলাদের একধরনের জরায়ুর রোগ যেখানে জরায়ুর ভেতরের স্তরের (এন্ডোমেট্রিয়াম) কোষগুলো জরায়ুর পেশিতে ...
01/09/2025

অ্যাডিনোমায়োসিস হলো মহিলাদের একধরনের জরায়ুর রোগ যেখানে জরায়ুর ভেতরের স্তরের (এন্ডোমেট্রিয়াম) কোষগুলো জরায়ুর পেশিতে (মায়োমেট্রিয়াম) অস্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে।

সাধারণ লক্ষণ সমূহ:
১.মাসিক ঋতুস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি রক্তপাত সহকারে হয়।

২.মাসিকের সময় তীব্র ব্যথা হয় যা সাধারণ ব্যথানাশক ঔষধে কমে না।
৩.জরায়ু ও তার আশেপাশের এলাকায় ব্যথা হতে পারে।
৪.যৌন মিলনের সময় ব্যথা (ডিসপেরিউনিয়া):
এই অবস্থায় সহবাসের সময় ব্যথা হতে পারে।

৫.জরায়ু বড় হয়ে যাওয়ার কারণে পেটে চাপ বা ফোলা অনুভূত হতে পারে।

🔺অ্যাডিনোমায়োসিসের কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যেমন:

---সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।

---জরায়ুসম্পর্কিত পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচার: সিজারিয়ান সেকশন করার পর ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

▫️করণীয়
এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা উচিত। সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য ডাক্তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করতে পারেন।

যেকোনো তথ্য, সেবা ও সিরিয়ালের জন্যে যোগাযোগ করুন।

ইনসাফ হেলথ কেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ববাজার, সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660, 01789-034776

Address

Austadhar Bazar, Sadar
Mymensingh

Telephone

+8801963588660

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Insaaf Healthcare and Diagnostic Centre:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram