09/12/2025
গর্ভধারণ একটি সুন্দর কিন্তু অত্যন্ত সংবেদনশীল সময়। এই সময়টাতে প্রতিটি মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেক মা ভাবেন সব ঠিক আছে, তাই বারবার দেখানো দরকার নেই—কিন্তু গর্ভকালীন বেশিরভাগ জটিলতা শুরুতে লক্ষণহীন থাকে, যা শুধু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই ধরা পড়ে।
🔹 কেন নিয়মিত ডাক্তার দেখানো জরুরি?
ব্লাড প্রেসার, সুগার ও হিমোগ্লোবিন ঠিক আছে কি না জানা যায়।
শিশুর বৃদ্ধি, হার্টবিট ও অবস্থান ঠিক আছে কি না বোঝা যায়।
গর্ভকালীন ঝুঁকিপূর্ণ রোগ (যেমন প্রি-এক্ল্যামসিয়া, জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস) আগে থেকেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
মা ও বেবির জন্য পুষ্টি, খাবার, বিশ্রাম—সব বিষয়ে সঠিক গাইডলাইন পাওয়া যায়।
🔹 প্রয়োজনীয় ওষুধ ঠিকমতো না খেলে কী সমস্যা হতে পারে?
গর্ভাবস্থায় কিছু ভিটামিন ও মিনারেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যেমন—ফলিক অ্যাসিড, আয়রন, ক্যালসিয়াম, মাল্টিভিটামিন ইত্যাদি। এগুলো না খেলে হতে পারে—
শিশুর মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ডে ত্রুটি (Neural Tube Defect)
মায়ের রক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত দুর্বলতা
প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি বা বাচ্চা ছোট হয়ে জন্মানো
হাড়ের সমস্যা, মায়ের দাঁত-হাড় ক্ষয়
গর্ভশয়ুতে অক্সিজেন কম পাওয়া, শিশুর বৃদ্ধি ধীর হওয়া
মায়ের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ জটিলতা বেড়ে যাওয়া
🔹 উপসংহার
গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত চেকআপ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ঠিকমতো সেবন কোনো বিলাসিতা নয়—এটা মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সামান্য অসতর্কতা ভবিষ্যতে বড় জটিলতায় রূপ নিতে পারে।
সুস্থ মা, সুস্থ শিশু—সবার দায়িত্ব। 💙🌿
যে কোন তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করুন
ইনসাফ হেলথকেয়ার এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
অষ্টধার পূর্ব বাজার,সদর,ময়মনসিংহ।
📞01963-588660,01789-034776