30/01/2026
🤱 ২৪ ঘন্টার মধ্যে বুকের দুধের পরিমাণ বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি খাবার এবং সে সকল খাবার খাওয়ার সঠিক নিয়ম আজ সহজভাবে দিলাম। এগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে lactogenic খাবার হিসেবে পরিচিত—মানে দুধ তৈরির প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করে।
🥗 ২৪ ঘন্টার মধ্যে বুকের দুধ বাড়াতে সহায়ক ১০টি খাবার:
১.গরম দুধ (Milk)
কীভাবে খাবেন: দিনে ২–৩ বার এক গ্লাস দুধে সামান্য চিনি/খেজুরের গুড় মিশিয়ে
➡️ গরম দুধ (Milk)মায়ের শরীরে তরল ও ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়াবে।
২. ওটস (Oats)
কীভাবে খাবেন: সকালে নাস্তা হিসেবে দুধ বা পানিতে রান্না করে খাবেন
➡️ ওটস (Oats) Prolactin হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে।
৩. মেথি (Fenugreek)
কীভাবে খাবেন: ১ চা চামচ মেথি রাতে ভিজিয়ে সকালে সেই পানি পান করুন।
➡️ মেথি (Fenugreek) ২৪ ঘন্টার মধ্যেই অনেক মায়ের দুধ তৈরির ক্ষমতা বাড়ে।
৪. কালোজিরা
কীভাবে খাবেন: আধা চা চামচ কালোজিরা গুঁড়ো গরম দুধ বা পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন।
➡️ কালোজিরা মায়ের বুকের দুধের নিঃসরণ উদ্দীপিত করে।
৫. শাকসবজি (পুঁই, লাল শাক, ডাঁটা শাক)
কীভাবে খাবেন: দুপুর ও রাতে রান্না করে।
➡️ শাকসবজি (পুঁই, লাল শাক, ডাঁটা শাক) মায়ের দেহে আয়রন ও মিনারেল সরবরাহ করে।
৬. ডাল (মুসুর/মুগ)
কীভাবে খাবেন: দিনে অন্তত ২ বেলা খাবেন।
➡️ মুসুর/মুগ ডাল প্রচুর প্রোটিনের উৎস = যা মায়ের বুকের দুধ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে।
৭. ভাত + ঝোল
কীভাবে খাবেন: ভাত খাবেন প্রচুর পাতলা ঝোলসহ
➡️ ভাত + ঝোল মায়ের শরীর হাইড্রেটেড রাখে (দুধ ৮৭% পানি)।
৮. ডাবের পানি
কীভাবে খাবেন: দিনে ১–২ গ্লাস
➡️ ডাবের পানি মায়ের দেহে দ্রুত পানিশূন্যতা পূরণ করে।
৯. বাদাম (চিনাবাদাম/কাজুবাদাম)
কীভাবে খাবেন: হালকা ভেজে
দিনে এক মুঠো বাদাম (চিনাবাদাম/কাজুবাদাম) খান।
➡️ চিনাবাদাম/কাজুবাদাম ভালো ফ্যাট ও শক্তি জোগায়।
১০. রসুন
কীভাবে খাবেন: রান্নায় রসুনের ব্যবহার বাড়াতে হবে।
➡️ শিশুর suckling বাড়ায় → দুধ আরও তৈরি হয়
🕒 খুব গুরুত্বপূর্ণ খাওয়ার নিয়ম (মিস করবেন না)
✅ শিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ান ➡️ ২–৩ ঘণ্টা পরপর (দিনে ৮–১২ বার)
✅ মা বেশি বেশি পানি পান করুন ➡️ দিনে কমপক্ষে ৩–৪ লিটার
✅ মা গরম খাবার খান ➡️ ঠান্ডা/ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন
✅ মা পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন কারণ ➡️ কারণ স্ট্রেস মায়ের বুকের দুধ কমিয়ে দেয়
⚠️ মনে রাখবেন
👉 খাবার মায়ের বুকে দুধ তৈরি করতে সাহায্য করে,
👉 কিন্তু মনে রাখবেন, শিশুকে দিয়ে মায়ের বুকের দুধ বারে বারে চোষানোই (suckling) মায়ের বুকের দুধ বাড়ানোর সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি 🔑
একজন বাবা-মা হিসেবে এসব জানা দরকার যা শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।” নবজাতককের দুধ না পাওয়াকে কখনোই হালকাভাবে নেবেন না—আজকের সিদ্ধান্তই হতে পারে আপনার সন্তানের পাথেয়।
একজন সচেতন বাবা-মাই পারেন শিশুকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখতে।
📢 এই তথ্যটি অন্য বাবা–মায়ের সঙ্গে শেয়ার করুন
একটি সচেতন সিদ্ধান্ত—একটি শিশুর জীবন রক্ষা করতে পারে।
সচেতন বাবা-মা = সুস্থ শিশু 🌱
দয়াকরে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।
👩👦 অন্য বাবা-মায়ের উপকারে আসতে পোস্টটি শেয়ার করুন। অসংখ্য বাবা-মায়ের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই পোষ্টটি পড়া অত্যন্ত জরুরী।
ধন্যবাদ 🙏
Dr. Manik Mazumder MD - Paediatrician
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু)
নবজাতক, শিশু, কিশোর ও কিশোরী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ
নবজাতক, শিশু পুষ্টি ও শিশু নিউরোলজি বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত
কনসালটেন্ট (শিশু)
ময়মনসিংহ।
নবজাতক ও শিশু বিশেষজ্ঞ/Child Specialist
মোবাইল নম্বর: ০১৭১১০৪৯৬২০
#সুস্থ_শিশু #শিশুস্বাস্থ্য #শিশুরযত্ন #মা_বাবার_জন্য #সচেতন_হোন #ডাক্তারের_পরামর্শ #শিশুর_স্বাস্থ্য #শিশুর_যত্ন #বাংলাদেশ #বাংলা_প্যারেন্টিং