Hijama Ruqyah Noakhali

Hijama Ruqyah Noakhali হিজামা একটি সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা। যে কোন সমস্যায় হিজামা নিন সুস্থ থাকুন।

১কাপ দুধের সাথেআলকুশি ১ চামচখাঁটি মধু ১চামচ এবংআমাদের তৈরী করা সেরেলাক মিশিয়ে নিলেএটা ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে। ইনশাআল্...
23/11/2025

১কাপ দুধের সাথে
আলকুশি ১ চামচ
খাঁটি মধু ১চামচ এবং
আমাদের তৈরী করা সেরেলাক মিশিয়ে নিলে
এটা ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী হবে।
ইনশাআল্লাহ!

বি:দ্র: চাক ভাঙ্গা সুন্দরবনের মধু পাওয়া যায়।

20/11/2025

দেশ-বিদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে রুকিইয়াহ শরয়ী তদবিরের জন্য

যোগাযোগ করুন:-
Hijama Ruqyah Noakhali
01828575059

পরামর্শ পেতে সকাল ৮.০০টা থেকে রাত ১০.০০টা পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ এ ভয়েস মেসেজ দিয়ে রাখবেন।

17/11/2025

ঢাকা থেকে ডাক্তার নোয়াখালীর রোগীকে হিজামার জন্য আমাদের চেম্বারে রেফার করেছেন!
ঐ ডাক্তারকে আমি নিজেও চিনিনা।
কিন্তু উনি আমাদের চেম্বারের কার্যক্রম দেখে এখানে পাঠিয়েছেন।

আসলে কিছু মানুষ এমনই থাকে, যারা নিরবে নিভৃতে অন্যকে ভালোবেসে যায়।
অন্যের উপকার করে যায়। কাউকে বুঝতে দেয়না জানতে দেয়না।

শুকরান জাযাকাল্লাহ ফিদ দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ।

16/11/2025
13/11/2025

জ্বর কোনো অসুখ নয়, এটা বরং শক্তিশালী immune system-এর প্রমাণ। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জ্বরকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এবং জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণের বৃথা চেষ্টা চালিয়ে (জীবাণু ধ্বংসের সুযোগ না দিয়ে) শরীরের ভেতরে আরো বড় ধরনের স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয় (কেউ সেটা জানতেও পারে না)!

শরীর গরম হওয়া বা জ্বর (pyrexia) অতি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া- যা আমাদেরকে বড় ধরনের শারীরিক ঝুঁকি থেকে বাঁচায় এবং সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে।

জীবন্ত মানবদেহ যেহেতু চলমান যন্ত্র (running machine), এর তাপমাত্রা আশেপাশের পরিবেশ থেকে সর্বদা একটু বেশি থাকবে- এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেটা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে জ্বর (fever) হিসেবে গণ্য করা হয়। এমনটা তখনই ঘটে- আমাদের শরীরে যখন কোনো অপরিচিত ভাইরাস/ব্যকটেরিয়া প্রবেশ করে। শরীর তখন অপরিচিত element-কে ধ্বংস করার জন্য নিজে থেকেই সক্রিয় (গরম) হয়ে ওঠে- শরীরের নিজস্ব mechanism এমন তাপ তৈরি করে যেন সেই অপরিচিত element নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়? এটাই স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, মানে শরীরের auto system (জীবাণু প্রতিরোধক ব্যবস্থা) হিসেবে জ্বরটা থাকে/ওঠে।

আবার দেখুন- মানবদেহের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ সুবহানুতায়ালা কতটা দয়াবান যে, জ্বরের সাময়িক কষ্টের বিনিময়ে গুনাহ মাফ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন! মানে এক জ্বরের উসিলায় দেহ একইসঙ্গে জীবাণুমুক্ত এবং গুনাহ-মুক্ত হতে পারে!

শরীরের জন্য খুব ভালো হবে জ্বরকে যদি তার কর্ম সম্পাদন (জীবাণু ধ্বংস) শেষে স্বাভাবিকভাবে কমে আগের অবস্থানে ফেরত যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়। কেননা আমাদের শরীরের সুরক্ষা ব্যবস্থাটি এভাবেই নকশাকৃত (সবচেয়ে ক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে পারে)। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জ্বরকে শত্রু বিবেচনা করে দ্রুত দমনের প্রাণপন চেষ্টা চালায়। এই কাজে ব্যবহার করা হয় paracetamol গ্রুপের drug। জেনে রাখবেন- chemical-এর তৈরি যত drugs আছে দুনিয়াতে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক হলো এই প্যারাসিটামল!

আমরা যদি ড্রাগ সেবন করে জ্বরকে নিয়ন্ত্রণ করি, সেক্ষেত্রে ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস না হয়ে শরীরে বাসা বাঁধার সুযোগ পেয়ে গেল, একইসঙ্গে গুনাহ মাফের সুবর্ণ সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হতে হবে!

জ্বর আমাদের পরম বন্ধু- যা কিনা শরীরকে স্থায়ীভাবে জীবাণুমুক্ত করতে সহায়তা করছে, কিন্তু আমরা বোকার মতো

কিডনি রোগীরা কি খাবেন? কি খাবেন না?মানুষের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি।দেখতে ছোট হলেও এই দুটি অঙ্গ আমাদের ...
12/11/2025

কিডনি রোগীরা কি খাবেন? কি খাবেন না?

মানুষের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি।
দেখতে ছোট হলেও এই দুটি অঙ্গ আমাদের শরীরের সমস্ত বর্জ্য, অতিরিক্ত পানি, ও বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বাইরে বের করে দেয়।
এটি শরীরের রক্ত পরিশোধন করে, শরীরে পানি ও খনিজের ভারসাম্য রক্ষা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট ঠিক রাখে।

যদি কিডনি ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমতে থাকে।
এই জমে থাকা বর্জ্য ধীরে ধীরে রক্তে মিশে শরীরের অন্যান্য অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে শুরু করে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয়, কিডনির ব্যর্থতা শরীরের “Silent Killer”।
কারণ প্রাথমিক অবস্থায় কিডনির সমস্যা প্রায় বুঝাই যায় না।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রায় ২০ জনের মধ্যে ১ জন কিডনি রোগে আক্রান্ত।
এর বড় কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি না পান করা, অতিরিক্ত ওষুধ সেবন ও দেরি করে ঘুমানো।

কিডনির সমস্যা একবার শুরু হলে খাদ্যাভ্যাসই সবচেয়ে বড় চিকিৎসা।
ঠিকভাবে খাবার বেছে নিতে পারলে কিডনির কাজ অনেকটাই সহজ হয়, এবং রোগের অগ্রগতি থেমে যায়।

প্রথমেই জেনে নেওয়া দরকার, কিডনির রোগ মানেই কেবল পানি বন্ধ নয়।
এটি রক্তে ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাসের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।
তাই খাবার নির্বাচনের সময় এই উপাদানগুলোর নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি।

যাদের কিডনি দুর্বল, তারা প্রথমেই অতিরিক্ত প্রোটিন এড়িয়ে চলবেন।
কারণ প্রোটিন ভাঙার সময় তৈরি হয় নাইট্রোজেনজাত বর্জ্য, যা কিডনির মাধ্যমে বের হয়।
যখন কিডনি দুর্বল হয়, তখন এই বর্জ্য রক্তে জমে গিয়ে শরীরে ক্লান্তি, বমি ভাব ও মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করে।

তবে প্রোটিন পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না।
অল্প পরিমাণে উচ্চমানের প্রোটিন খাওয়া দরকার, যেমন ডিমের সাদা অংশ, মাছের ছোট টুকরো, বা ডালপানি।
কিন্তু লাল মাংস, গরু বা খাসির মাংস, অতিরিক্ত ডিমের কুসুম ও চর্বিযুক্ত খাবার একদম এড়িয়ে চলা উচিত।

যাদের কিডনি রোগ আছে, তারা সোডিয়াম বা লবণ কম খাবেন।
অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপ বাড়ায়, ফলে কিডনির রক্তনালী সংকুচিত হয়।
এটি ধীরে ধীরে “Nephron” ধ্বংস করে, যেগুলো কিডনির মূল কার্যকর কোষ।

লবণ যত কম খাবেন, তত ভালো।
বাজারের প্যাকেটজাত খাবার, আচার, সস, পটেটো চিপস, ফাস্টফুড—এগুলো লবণে ভরপুর, তাই সম্পূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে।

একইভাবে কিডনি রোগীরা পটাশিয়ামযুক্ত খাবারেও সতর্ক থাকতে হবে।
পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, কিন্তু কিডনি দুর্বল হলে অতিরিক্ত পটাশিয়াম শরীরে জমে যায়।
এর ফলে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে হঠাৎ মৃত্যুও হতে পারে।

পটাশিয়াম বেশি থাকে কলা, ডাবের পানি, কমলা, আলু, টমেটো, বিট, কাঁঠাল, আনারস, খেজুর ও অ্যাভোকাডোতে।
এই ফলগুলো কিডনি দুর্বল ব্যক্তিদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

অন্যদিকে, আপেল, পেয়ারা, নাশপাতি, পেঁপে, তরমুজ, স্ট্রবেরি বা কলমিশাকের মতো ফল ও সবজি তুলনামূলক নিরাপদ।
তবে সবসময় ডাক্তারের পরামর্শে খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।

ফসফরাসও কিডনির জন্য বড় একটি সমস্যা।
যখন কিডনি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন রক্তে ফসফরাস জমে গিয়ে হাড় দুর্বল করে দেয়।
এর ফলে হাত-পা ব্যথা, হাড় ভাঙা, দাঁত নরম হয়ে যাওয়া, এমনকি ত্বক চুলকানির সমস্যা দেখা দেয়।

ফসফরাস বেশি থাকে দুধ, দই, চিজ, বাদাম, বীজ, মাছ ও মাংসে।
তাই কিডনি রোগীরা এসব খাবার সীমিত পরিমাণে খাবেন।

আরেকটি বিষয় হলো, পানি।
অনেকে ভুল করে কিডনি রোগ মানেই পানি পুরো বন্ধ করে দেন।
আসলে তা নয়।
শরীরের ইউরিন আউটপুট অনুযায়ী পানি খেতে হয়।
যদি প্রস্রাব স্বাভাবিক থাকে, তাহলে দিনে ১.৫ থেকে ২ লিটার পানি খাওয়া যায়।
কিন্তু যদি ফোলা বা প্রস্রাব কমে যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে পানি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

যাদের কিডনি রোগের প্রাথমিক ধাপ চলছে, তারা দিনে অল্প অল্প করে পানি খাবেন।
খালি পেটে একসাথে বেশি পানি খাওয়া কিডনির ওপর চাপ ফেলে।

চা, কফি, সফট ড্রিংক বা কার্বনেটেড পানীয় কিডনির সবচেয়ে বড় শত্রু।
এগুলো শরীরে ফসফেট ও কৃত্রিম রাসায়নিক যোগ করে, যা কিডনিকে দ্রুত নষ্ট করে।
বিশেষ করে কোলা বা এনার্জি ড্রিংক একেবারে এড়িয়ে চলতে হবে।

যারা ডায়াবেটিসে ভোগেন, তাদের জন্য কিডনি সমস্যা আরও গুরুতর।
কারণ রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালীকে নষ্ট করে দেয়।
তাই তাদের জন্য নিয়ন্ত্রিত শর্করাযুক্ত খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি।

আবার উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রেও কিডনি সমস্যা দ্রুত বাড়ে।
রক্তচাপ বেশি হলে কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালীতে চাপ পড়ে, যা ধীরে ধীরে ফিল্টার নষ্ট করে দেয়।
তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ ও ওষুধ সেবন অপরিহার্য।

কিডনি রোগীরা খুব বেশি প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
কারণ এসব খাবারে থাকে “Preservative Sodium Phosphate”, যা কিডনির জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তবে সব খাবারই নিষিদ্ধ নয়।
কিছু প্রাকৃতিক খাবার আছে যা কিডনিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে।
যেমন তুলসী পাতা, বার্লি পানি, ধনেপাতা, করলা রস, আপেল, ওমরার পানি ইত্যাদি।

তুলসী পাতার রস কিডনি থেকে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে দুই-তিনটি তুলসী পাতা ফেলে রেখে পান করলে কিডনি অনেক পরিষ্কার থাকে।

ধনেপাতা শরীরে প্রাকৃতিক ডাইইউরেটিক হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ প্রস্রাবের মাধ্যমে বর্জ্য বের করে দেয়।
এটি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমায়, ফলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

যাদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেছে, তারা টমেটো, মটরশুঁটি ও পালং শাক কিছুদিন বন্ধ রাখবেন।
কারণ এগুলো ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়, যা কিডনির পাথর বা গাউটের ঝুঁকি বাড়ায়।

আরেকটি আশ্চর্য উপাদান হলো লেবু।
লেবুতে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড প্রস্রাবে “Calcium Oxalate Crystals” ভাঙতে সাহায্য করে।
এটি কিডনি স্টোন গলাতে সহায়ক এবং নতুন পাথর তৈরি রোধ করে।

অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ভাজা খাবারও কিডনির ক্ষতি করে।
তেল গরম হলে এতে “Trans Fat” তৈরি হয়, যা রক্ত ঘন করে ফেলে।
ফলে কিডনির রক্তনালীগুলোতে চাপ পড়ে।

যারা দিনে তিনবেলা ভাত খান, তাদের জন্য খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সবজি, সালাদ ও লেবু খাওয়া জরুরি।
এগুলো শরীরে অ্যাসিড-অ্যালকেলিন ব্যালান্স বজায় রাখে।

চিকিৎসকরা বলেন, কিডনি রোগীর প্লেটে থাকা উচিত কম লবণ, কম প্রোটিন, বেশি সবজি ও হালকা শর্করা।
এবং খাবারের পর সবসময় অন্তত আধঘণ্টা বিশ্রাম নিতে হবে।

যাদের কিডনি ডায়ালাইসিস চলছে, তারা কখনোই নিজের ইচ্ছেমতো খাবার পরিবর্তন করবেন না।
কারণ প্রতিটি খাবারের মধ্যে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাসের হিসাব নির্ভর করে তাদের চিকিৎসা পর্যায়ের ওপর।

একটি কিডনি একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটি পুরোপুরি ঠিক হয় না, কিন্তু সঠিক খাদ্যাভ্যাসে এর কার্যক্ষমতা অনেকটা স্থায়ী রাখা যায়।
তাই আজ থেকেই নিজের খাবারে সচেতন হোন।

কম লবণ খান, পর্যাপ্ত পানি পান করুন, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করুন এবং অনিয়ন্ত্রিত ওষুধ খাওয়া বন্ধ করুন।
বিশেষ করে ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক বা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না।

প্রকৃতির সব খাবারই ওষুধ, শুধু জানতে হবে কোনটি কখন কতটা খাবেন।
কিডনি সুস্থ রাখতে হলে কৃত্রিমের বদলে প্রকৃতিকে বেছে নিতে হবে।

সুস্থ কিডনি মানে সুস্থ জীবন।
তাই আজ থেকে নিজের খাদ্যতালিকায় রাখুন সেই খাবারগুলো, যেগুলো আপনার কিডনির বন্ধু, শত্রু নয়।

মনে রাখবেন, কিডনি নষ্ট হয়ে গেলে শরীরের ভারসাম্যও নষ্ট হয়। তাই আগে থেকেই যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।

হিজামা রুকিয়াহ সেন্টার নোয়াখালী
Hijama Ruqyah Noakhali

10/11/2025

সুন্নাহ তারিখে একজন প্রবাসী ভাই এবং একজন আলেম দ্বীনি ভাই হিজামা নিয়েছেন।

আজকে সন্ধ্যার পর থেকে সুন্নাহ তারিখ।
হিজামা করাতে যোগাযোগ করে আপনার সিডিউল নিন।

🌹হিজামা নিন ★ সুস্থ থাকুন 🌹

এরকম খাবার হাজার টাকার ঔষধের চেয়েও শ্রে
09/11/2025

এরকম খাবার হাজার টাকার ঔষধের চেয়েও শ্রে

কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো? রাতে ভেজানো কিসমিস খুবই উপকারী একটি খাবার, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেলে এর গুণাগুণ আরও বাড়ে।...
08/11/2025

কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো?
রাতে ভেজানো কিসমিস খুবই উপকারী একটি খাবার, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেলে এর গুণাগুণ আরও বাড়ে।

🍇 ভেজানো কিসমিসে কী থাকে:

ভেজানো কিসমিসে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যেমন —

👉 আয়রন (লোহা) – রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।

👉 পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – হার্ট ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

👉 ক্যালসিয়াম – হাড় ও দাঁত মজবুত করে

👉 ভিটামিন বি কমপ্লেক্স – শক্তি জোগায়।

👉 অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

👉 প্রাকৃতিক চিনি (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) – দ্রুত শক্তি দেয়।

🌿 ভেজানো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা:

1. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) দূর করে।

2. হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

3. লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

4. ত্বক উজ্জ্বল ও দাগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

5. হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

6. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

7. শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে।

8. কোলেস্টেরল কমায়।

9. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।

10. নিয়মিত খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

👶 বাচ্চাদের জন্য ভেজানো কিসমিসের উপকারিতা:

1. শক্তি যোগায় – সকালের নাশতার আগে খেলে পড়াশোনা ও খেলাধুলায় এনার্জি থাকে।

2. রক্ত বাড়ায় – কিসমিসের আয়রন বাচ্চাদের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

3. হাড় মজবুত করে – ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের জন্য ভালো।

4. হজম ঠিক রাখে – কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত রাখে।

5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – সহজে ঠান্ডা, কাশি বা জ্বর হয় না।

6. মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে – পুষ্টিগুণে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে।

7. ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে।

👉 খাওয়ার নিয়ম:

🍇 রাতে ৮–১০টা কিসমিস এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে কিসমিস ও পানি দুটোই খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

Address

Dhaka
Noakhali Sadar Upazila

Telephone

+8801784848221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Ruqyah Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram