Sultana Razia Child Psychologist

Sultana Razia Child Psychologist "There is no better gift that a parent gives to their child than good manners." Al-Hadith Life Member: Dhaka University Alumni Association (DUPPA). Chamber:
1.
(1)

Dr. Sultana Razia
Child psychologist

B.Sc Hons (Psychology), University of Dhaka
MSc Child (Psychology), University of Dhaka

Fellowship Training: Institute of Child and Mother Health, Matuail Dhaka. Diploma of Homeopathic Medicine and Surgery (DHMS), Bangladesh Homeopathic Medical College and Hospital. Member: Bangladesh Association for Child and Adolescence Mental Health (BACAMH)

Former Consultant: Islami Bank Central Hospital Kakrail, Dhaka. Prime Hospital Ltd. Maijdi, Noakhali.
2. Goodhill Hospital, Maizdi, Noakhali.

প্রচন্ড রোদকে উপেক্ষা করে পদ্মার পাড়ে গেলাম। মন মানেনা কোনো বাধা।
30/11/2025

প্রচন্ড রোদকে উপেক্ষা করে পদ্মার পাড়ে গেলাম। মন মানেনা কোনো বাধা।

29/11/2025
Try to take a special click
29/11/2025

Try to take a special click

29/11/2025

শুভ সকাল। 🥰🥰কক্সবাজার থেকে লাইভে আমরা

27/11/2025

পদ্মার পাড়ের স্নিগ্ধ শীতল বাতাস

24/11/2025

শিশুর আবেগিক বিকাশ (Emotional Development) বলতে বুঝায় শিশুর নিজের অনুভূতি বোঝা, প্রকাশ করা এবং নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা গড়ে ওঠা। এটি শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য, শেখার ক্ষমতা, আচরণ, আত্মবিশ্বাস এবং সামাজিক সম্পর্ক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

নিচে সহজভাবে ধাপে ধাপে শিশুর আবেগিক বিকাশ ব্যাখ্যা করা হলো:

⭐ শিশুর আবেগিক বিকাশ কীভাবে ঘটে?

১. অনুভূতি চেনা ও প্রকাশ (0–2 বছর)

শিশু নিজের আরাম–অসুবিধা, ক্ষুধা, ভয়, আনন্দ—এসব প্রথমে কান্না বা হাসির মাধ্যমে প্রকাশ করে।

বাবা-মা বা পরিচর্যাকারীর সাড়া পেলে সে নিরাপত্তা ও ভালোবাসা অনুভব করে।

২. নিজের আবেগ বোঝা (2–4 বছর)

রাগ, ভয়, দুঃখ, ঈর্ষা, আনন্দ—এসব আবেগ আলাদা করতে শেখে।

ছোটখাটো আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে, যেমন—কাঁদা থামানো, অপেক্ষা করা।

৩. অন্যের অনুভূতি বোঝা (4–6 বছর)

অন্য কেউ কষ্ট পেলে বা খুশি হলে তা অনুভব করতে শেখে।

সহানুভূতি (Empathy) গড়ে ওঠে।

বন্ধু বানাতে আগ্রহী হয়।

৪. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও সমস্যা সমাধান (6+ বছর)

নিজের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারে।

রাগ নিয়ন্ত্রণ, হতাশা থেকে বের হওয়া, স্কুলে শৃঙ্খলা মানা—এসব শিখে।

⭐ কেন আবেগিক বিকাশ গুরুত্বপূর্ণ?

আত্মবিশ্বাস বাড়ে

পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ে

অন্যের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে

স্ট্রেস সহ্য করার ক্ষমতা হয়

ভবিষ্যতে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়

⭐ শিশুর আবেগিক বিকাশ বাড়ানোর উপায়

✔ ১. ভালোবাসা ও নিরাপত্তা দিন

শিশু যেন বুঝতে পারে—"আমি নিরাপদ, আমাকে ভালোবাসা হয়"।

✔ ২. তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন

এতে সে নিজের অনুভূতি প্রকাশে সাহস পায়।

✔ ৩. আবেগের নাম শেখান

যেমন—

"তুমি একটু ভয় পেয়েছ?"

“তোমার কি রাগ লেগেছে?”

✔ ৪. আচরণের উদাহরণ দেখান

আপনি শান্ত থাকলে সে-ও ধীরে ধীরে এমন শিখবে।

✔ ৫. খেলা ও গল্প ব্যবহার করুন

গল্পে চরিত্রদের অনুভূতি বোঝাতে সাহায্য করে।

✔ ৬. অতিরিক্ত শাসন নয়

অতিরিক্ত বকা দিলে শিশুর আত্মবিশ্বাস কমে যায়।

✔ ৭. নিয়মিত রুটিন রাখুন

রুটিন শিশুকে নিরাপত্তা দেয়।

fans

23/11/2025

সবসময় টিভিতেই দেখেছি। সেদিন সরাসরি দেখার সুযোগ হলো।
এলিট ফোর্স ট্রেনিং সেন্টারে ডগ স্কোয়াড এর শো

22/11/2025

শিশু কেন অভিভাবকদের কথা শুনেনা ⁉️
এর পেছনে কারণ কি ❓

গতকাল গিয়েছিলাম একটা প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। এলিট ফোর্স ট্রেনিং সেন্টারে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ডগ স্ক...
22/11/2025

গতকাল গিয়েছিলাম একটা প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। এলিট ফোর্স ট্রেনিং সেন্টারে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ শেষে ডগ স্কোয়ার্ডের ডগ শো দেখার আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম।

একটা ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা হলো।

20/11/2025

হাসি, কান্না, দুঃখ, আনন্দ, ভয়, হতাশা সবকিছুই আমাদের আবেগ। শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শিশুর আবেগের ও বিকাশ হয়। এই সময় সঠিক আবেগ প্রকাশ করা অর্থাৎ স্থান, কাল, পাত্র ভেদে কিভাবে প্রকাশ করবে তা শেখাতে হবে।

সুতরাং শিশুর আবেগকে বুঝতে চেষ্টা করুন।
fans

Address

Good Heal Hospital & Prime Hospital Lt. Maijdee
Noakhali Sadar Upazila
3827

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sultana Razia Child Psychologist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sultana Razia Child Psychologist:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category

আপন কথা

ছোটবেলা থেকেই আমার বাবার মুখে একটা কথা শুনতাম, বাবা প্রায় বলতেন, মেয়েদের জন্য সম্মানজনক পেশা হলো দু’টি, চিকিৎসা আর শিক্ষকতা। তখন থেকেই ডাক্তার হওয়ার একটা বাসনা মনে পোষণ করতে শুরু করি। যখন নবম শ্রেণিতে উঠি তখন বিভাগ পছন্দের সময় আমি গণিতে দুর্বল হওয়ার কারণে আর বিজ্ঞান বিষয়ে পড়ার সাহস করলাম না। তারপর এস. এস. সি এবং এইচ. এস. সি শেষ করে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্পণ করি তখন সেকেন্ড অপশন হিসেবে শিক্ষকতা করার আশায় ফার্স্ট চয়েজ দিই ইংরেজী। কিন্তু সিট সংখ্যা সীমিত থাকায় সেটাও আমার হাতছাড়া হয়ে যায়। পরবর্তীতে কোনো বিষয় আর পছন্দ হলো না। সব পছন্দকে জলাঞ্জলী দিয়ে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তি হলাম। বন্ধুবান্ধবরা বলতো এইটা কোনো পড়ার বিষয় হলো? তখন খুব খারাপ লাগতো।

একদিন আমাদের এক শিক্ষক বললেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বৈচিত্রময়, রহস্যময় চরিত্র হলো মানবচরিত্র। আমরা সেই মানুষের আচরণ নিয়ে কাজ করি। এইটা খুবই কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ। তখন মনে আবারও নতুন করে আশার সঞ্চার হলো। মার্স্টাসে শিশু মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করি। এই বিষয়ের উপর ইন্টার্ন করি শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য Institute of Child and Mother Health ICMH এ। ইন্টার্ন করার সময় সেখানে বাচ্চাদের সাথে কাজ করতে গিয়ে এই বিষয়ের প্রতি ভালোলাগা সৃষ্টি হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত তখন তেমন কোনো সুযোগ না পাওয়াতে কাজ করতে পারি নি। এর মধ্যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুইবছর শিক্ষকতা করি আর অন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একবছর স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং করি। তবে শিশুদের নিয়ে কাজ করার আগ্রহটা প্রবলভাবে মনের মধ্যে গেঁথে ছিল। যা হোক, তারপর সেই হাসপাতালে কাজ করার সুযোগ হয়।

গত ৮ বছর যাবত আমি ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে শিশু মনোবিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত আছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগে বেসিক থেরাপিউটিক কাউন্সেলিং এবং এডভান্স কাউন্সেলিং বিষয়ে ট্রেনিং করি। শিশুদেরকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার অনেক অসঙ্গতি লক্ষ্য করি। এছাড়াও বাবা-মায়েরাও শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের ব্যাপারে খুবই অসেচতন। ফলে আমার মনের মধ্যে শিশুদের এইসব সমস্যা নিয়ে আরও ব্যাপকভাবে কাজ করার ইচ্ছা জাগে। তবে এই কাজ ব্যক্তিগতভাবে করে বেশিদূর এগুনো যাবে না। তাই একটি ফাউন্ডেশন করার উদ্যেগ গ্রহণ করি। সেই উদ্যোগ থেকে আপন শিশু বিকাশ ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু করি। ইচ্ছা হলো আমি বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে, স্কুলে, শিশু প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশু বিকাশের উপর সচেতনতামূলক প্রোগ্রাম করবো। এই ইচ্ছা থেকেই আপন শিশু বিকাশ ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু করি এবং আপন শিশু বিকাশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা করছি।। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। কারন সুস্থ শিশু মানেই সুস্থ জাতি।